| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রমযান মাস- যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য (আদ্যোপান্ত) হিদায়াত
এবং এমন সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী সম্বলিত, যা সঠিক পথ দেখায় এবং (সত্য ও মিথ্যার মধ্যে) চূড়ান্ত ফায়সালা করে দেয়।
সুরা বাকারা-১৮৫
অথচ মুখে মুখে মুসলিম নামধারি ও বড় বড় স্কলারগণ নিজেদের পেটের দায়ে কোরআনের মত সুস্পষ্ট নীতিকে ও নিজেদের মনগড়া
হাদিসের বেরাজালে পেচিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষ গুলোকে দিশেহারা করে বেড়াচ্ছে।।
কোরআনে যা নাই তা তো নাই? যা আছে তা স্পষ্ট করে বলে দিলেই হয় হ্যা এটা আছে এতটুকুই যথেষ্ট এত ঘুরপেচ দিয়ে বুঝানোর কোন দরকার মনে হয় নাই।।
আর যা লিপিবদ্ধ আছে তা সুস্পষ্টভাবেই আছে যাতে কোন সন্ধেহ বা ফাক ফোকড় নাই,,
অথচ নবীর বেলায় মোল্লাদের দলের শেষ নাই ফতোয়ার শেষ নাই আরে ভাই ফতোয়া মানেই তো তোমার মনগড়া একটা বক্তব্
তোমার বক্ত্বব্য শতভাগ গৃহিত হবেনা এটাই স্বাভাবিক এর জন্য এতো শত দল তৈরি করবা কেন?
বরং আল্লাহর বিধান কোরআন শতভাগ গৃহিত ও সকলেই এটা আনতে বাধ্য শুধু ফতোয়া বাজির কি দরকার সাধারন মানুষ কি জানতে চায় তা সরাসরি কোরআন থেকে সঠিক অনুবাদ শুনিয়ে দেন।। সরাসরি বলে দেন যে এটা আছে ওটা নাই তাহলেই তো এত মত পথ তৈরী হয় না।।যত বেশি ফতোয়াবাজী তত বেশি দল ও পথ তৈরী হবে।। ফেৎনা বাড়তেই থাকবে আর মোল্লারা চায় সেটা সরা জীবন চলমান থাকুক ।।
তারা কোন না কোন ভাবে আলোচনায় থাকবেই, তারা ভাবেন এটাই ইসলাম প্রচার আসলেই এটাই ইসলামের ধ্বংশের মুল।।
ইসলামে কথা ধামাচাপা দেওয়ার বিধান নাই কিংবা স্পষ্টকে অস্পষ্ট করার ও অনুমোদন নাই
নিশ্চয়ই যারা আমার নাযিলকৃত উজ্জ্বল নিদর্শনাবলী ও হিদায়াতকে গোপন করে,
যদিও আমি কিতাবে তা মানুষের জন্য সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেছি,
তাদের প্রতি আল্লাহ লানত বর্ষণ করেন এবং অন্যান্য লানতকারীগণও লানত বর্ষণ করে।- সুরা বাকারা-১৫৯
কোরআনে যা আছে সেটাই বিধান সেইটাই মুল সেটাই স্টাম্প ক্লিয়ার করে বলে দিলেই তো হয়।।
এতো ঘুরিয়ে বলার দরকার নাই তো কোন।।
নবীর দরুদের ব্যপারে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে
নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান।
হে মুমিনগণ! তোমরাও তার প্রতি দরূদ পাঠাও এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও তাজিমের সাথে।
[সুরা আল-আহযাব-৫৬]
আল্লাহ তো সরাসরি বলেই দিয়েছেন দরুদ পাঠাতে, কখন পাঠাবেন কিভাবে পাঠাবেন এগুলো তো আপনার অভিরুচি,
আজানের আগে নাকি পরে নাকি খাবার আগে নাকি খাবার পরে এগুলো বলে কেন সমাজে ফেৎনা করবেন?
ইবাদতের ক্ষেত্রে কোন জবরদস্তি নেই,বরং আপনার সামাজিক ও ব্যক্তিগত কাজ গুলো শেষ করে একান্তভাবে দশ মিনিট নবীর দরুদ পড়ুন অথবা আপনার ভাই বন্ধু ও কাছের মানুষদের নিয়ে একত্রিত ভাবে নবীর শান বর্ণনা করুন। এটাও উত্তম পন্থার একটি।
অথবা আপনি সারাদিন ব্যস্ত থাকার পর ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন নামাজের আগে ও পড়ে নবীকে সালাম দেন।।
কারণ মুমিনের জন্য নবীর দুরুদ ও সালাম পেশ করা ও একটি ইবাদত এবং আল্লাহর হুকুম।
কেউ কেউ আছেন নিয়মিত আজান দেন আজানের আগে পরে সালাতু সালাম পেশ করেন এটা ও ভাল কারন ভালো কাজের আগে ও পরে নবীর দরুদ পড়লে সে কাজের রহমত ও বরকত পুর্ণতা পায় একি সাথে আল্লাহর হুকুম ও পালন হয়ে যায়।।
এখন বাকিটা আপনার ইচ্ছা আপনি মুমিন হলে দুরুদ পড়তেই পারেন এটা নিয়ে বাড়াবাড়ির দরকার নাই কোন।।
আপনি মুমিন হলেই আপনার মুখে নবীর শান ও দরুদ আসবে মুমিন না হলে ভিন্ন কথা।।
এ সম্পর্কে আল্লাহ নিজেই তার নবীকে শান্তনা দিয়েছেন যে,
‘‘আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে হেদায়াত করতে পারবেন না। কিন্তু আল্লাহ যাকে চান তাকে হেদায়াত করেন।’’ (আল-কাসাস: ৫৬)
হেদায়াত প্রাপ্তরাই মুমিন আর মুমিনরাই নবীর দরুদ পড়বেন।। আপনি দুরুদ কারী হবেন সেটাও আল্লাহর এখতিয়ার তিনি যাকে চান হেদায়াত দান করেন তাকে ই নবী প্রেমিক করে পাঠান এবং তার মুখেই নবীর দরুদ পাঠান করান এবং তাকে ই তিনি মুমিন সাব্যস্থ করেন।।
প্রশ্ন আরো একটা রয়ে গেল,
কিভাবে দুরদ ও সালাম পড়বেন?
সুরা আহযাবের ৫৬ নং আয়াতের শেষে আল্লাহ বলেছেন ইউসাল্লিমু তাছলিমা
আর তাসলিমা শব্দের অর্থ হলো সর্বোচ্ছ সম্মান ,, এ সর্বোচ্ছ সম্মান কিভাবে দিবেন সেটা যার যার জ্ঞানকে কাজে লাগালেই বুঝতে পারবেন।।শিক্ষক কিংবা গুরুজনকে দাড়িয়ে সম্মান জানানো বেশ প্রচলিত ও হালাল তবে নবীর ক্ষেত্রে কেন? বৃথা আর্তনাদ?
কোরান তো স্পষ্ট বলেই দিছে সেটা পালন করুন বৈধ উপায়ে সেটা যেভাবেই হোক।।
যারা বিবেক কে কাজে লাগায়না তাদের জন্য আল্লাহ বলেন,
(হে নবী!) বল,যারা মূর্খ ও যারা বিদ্বান তারা কি সমান? বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।-সূরা যুমার : ৯
‘বল,‘অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান?’-সূরা রাদ : ১৬
আর যে ব্যক্তি এখানে অন্ধ সে আখিরাতেও অন্ধ এবং অধিকতর পথভ্রষ্ট।-সূরা বনি ইসরাইল : ৭২
আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম জীব সেই বধির ও মূক যারা কিছুই উপলব্ধি করে না।-সূরা আনফাল : ২২
অর্থাৎ যারা বুঝেও না বুঝার ভান করে কিংবা বুঝতে চায়না তারাই নিকৃষ্টতম জীব।।
‘যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে এবং তার মধ্যে যা উত্তম তা গ্রহণ করে।
তাদেরকে আল্লাহ্ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং তারাই বোধশক্তিসম্পন্ন।সূরা যুমার : ১৮
জ্ঞানীদের জন্য এটাই যথেষ্ট।।
নবীর দুরুদের ক্ষেত্রে বিবাদ নয় মুমিন হলে নবীর শানে অন্তর প্রশান্ত হবেই।।
©somewhere in net ltd.