| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোল্লাদের মতো জ্ঞানীরা ধর্মের ব্যপারে এতটাই একঘেয়েমীতে লিপ্ত হয়েছেন যে শত শত হাদিস ও ইজতেহাদের বেড়াজালে
(বগলের নিচে কাস্তের ন্যায়) অতি প্রয়োজনীয় ও সবচেয়ে নির্ভরর যোগ্য কোরআন ও আহলে বায়াতকে দূরে ফেলে শত শত দল বিভক্ত হয়ে নবীর সাথে ই সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতেছেন-।
কোরআন পড়তেছেন ঠিকই হাদিস ও ইজতেহাদ নামক উলামায়ে সেন্ডিকেট থেকে বের হয়ে কোরআন ও আহলে বায়তকে অনুধাবন করার শক্তি ও ক্ষমতা দিন কি দিন নিজেরাই হারিয়ে ফেলছেন।
ইজতেহাদের দোহায় দিয়ে নিচে স্পষ্ট কোরআনের আয়াতকেও অস্বীকার করে যাবেন সেটা নিরবে অথবা কৌশলে।
যেখানে কোরআনকে-ই অবজ্ঞা করতেছেন সেখানে আহলে বায়াত তো আপনাদের নিকট তুচ্ছ বিষয় মাত্র।
কারন কোরআন ও আহলে বায়াত একে অপরের পুরি পুরক ও অবিচ্ছেদ্য।।
আল্লাহ কি বলে শুনুন।।
(হে নবী!) নিশ্চয়ই যারা নিজেদের দীনের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, তাদের সাথে তোমার কোনও সম্পর্ক নেই। তাদের বিষয় তো আল্লাহরই উপর ন্যস্ত। অতঃপর তারা যা-কিছু করছে, তিনি তাদেরকে তা জানাবেন।
—আন আনাম - ১৫৯
এরপর পরেও আল্লাহর কালামকে স্কিপ করে বা পাশ কাটিয়ে নিজেদের দল কে হক দাবি করে নিজে নিজেই প্রফুল্লচিত্তে দাম্বিকতার সাথে নিজেদের অনুসারীদের কাছে বাহবা পাবার উদ্দেশ্যে নিজেদের বড়ত্বকে জাহির করবেন।।
আর বলতে থাকবেন আমাদের দল হক আমরা জান্নাতি-।।
আপনাদের সম্পর্কে আল্লাহ আবার বলেন:
যারা নিজেদের দীনকে খণ্ড-খণ্ড করে ফেলেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিটি দল আপন-আপন পন্থা নিয়ে উৎফুল্ল। ।
—আর রুম - ৩২
হুম ঠিকই যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত তারা নিজ নিজ অবস্থানে উৎফুল্ল ও নিজেদের প্রতি সন্তুষ্ট এটাই সত্য ।
মোল্লাদের ওয়াজের মঞ্চগুলো-ই তার সঠিক প্রমাণ।।
যারা এই রাসূলের অর্থাৎ উম্মী নবীর অনুসরণ করে, যার কথা তারা তাওরাত ও ইনজীলে, যা তাদের নিকট আছে, লিপিবদ্ধ পাবে, যে তাদেরকে সৎকাজের আদেশ করবে ও মন্দ কাজে নিষেধ করবে এবং তাদের জন্য উৎকৃষ্ট বস্তু হালাল করবে ও নিকৃষ্ট বস্তু হারাম করবে এবং তাদের থেকে ভার ও গলার বেড়ি নামাবে(জাহেলিয়াত কে), যা তাদের উপর চাপানো ছিল। সুতরাং যারা তার (অর্থাৎ নবীর) প্রতি ঈমান আনবে, তাকে সম্মান করবে, তার সাহায্য করবে এবং তার সঙ্গে যে নূর(কোরআন) অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ করবে, তারাই হবে সফলকাম।
—আল আ'রাফ - ১৫৭
উক্ত আয়াতে ( নবীর) প্রতি ঈমান আনবে, তাকে সম্মান করবে, যারা তারা সফলকাম হবে
তাহলে অবশ্যই নবীর বানীকেও সম্মান করতে হবে এবং তার কথাকে যথোপযুক্ত সম্মান করতে হবে।
তিরমিজি শরীফে নবী স্পষ্ট বলেছেন তোমাদের নিকট দুটি বস্তু রেখে গেলাম যা আকড়ে ধরে রাখলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।আল কোরআন ও আমার ইতরাত অর্থাৎ আমার আহলে বায়াত তারা একে অপরের পুরি পূরক।।
সুতরাং এত শত দলে বিভক্ত হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই রাসুলের কথা মতো আল্লাহর কোরআন ও রাসুলের আহলে বায়াত কে অনুসরণ ও ধরে রাখাতেই আমাদের সফলতা-।।
শিয়া, সুন্নি, ওহাবী লা-মাজহাবী (মোল্লাদের বানানো ) ইত্যাদি দলে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করা মানেই ৭২ ফেরকাতে নাম লিখানো কোরআন বর্নীত মুমিনগণ কখনো আল্লাহর কোরআন ও রাসুলের আহলে বায়াত কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবে না।।
(আহলে বায়াতের) গোলামীই প্রকৃত মুমিনের লক্ষ্মণ।।
কেননা আল্লাহ অনত্র বলেছেন,
এই সুসংবাদই আল্লাহ্ দেন তাঁর বান্দাদেরকে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। বল, ‘আমি এটার বিনিময়ে তোমাদের নিকট হতে আত্মীয়ের সৌহার্দ্য ব্যতীত অন্য কোন প্রতিদান চাই না।’ যে উত্তম কাজ করে আমি তার জন্যে এতে কল্যাণ বর্ধিত করি। আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী। —আশ্-শূরা - ২৩
শানে নুজুলঃ
এ আয়াতের পূর্বে আয়াত নাযিল হলে ছাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলল্লাহ্! আপনার কোন আন্ত্রীয়ের সাথে আমাদেরকে মহব্বত রাখার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে? রাসূল (ছঃ) বললেন, ফাতিম (রাঃ), আলী, (রাঃ), হাসান (রাঃ) এবং হুসাইন (রাঃ)। তখন কতিপয় লোকের ধারণা জন্মিল যে, রাসূল (ছঃ)-এর এ আদেশ দেয়ার উদ্দেশ্য হল রাসূল (ছঃ)-এর পর আমাদের ওপন হুকুমত চালায় এবং আমরা তাঁদের প্রজা হয়ে থাকি।অর্থাৎ একদল মুনাফিক চায়নি নবুয়াত ও খেলাফত বনু হাসীম গোত্রের তথা রাসুলুল্লাহ র নিকটতমের (মাওলা আলীর)কাছে থাকুক তখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (খাযিন)
প্রকৃতপক্ষে যারা আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবকে গোপন করে এবং তার বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে, তারা তাদের পেটে আগুন ছাড়া কিছুই ভরে না। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য আছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
—আল বাকারা - ১৭৪
কিংবা তোমরা বল, আমাদের প্রতি কিতাব নাযিল করা হলে আমরা অবশ্যই তাদের (অর্থাৎ ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের) চেয়ে বেশি হিদায়াতপ্রাপ্ত হতাম। কাজেই তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে এক উজ্জ্বল প্রমাণ এবং হিদায়াত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর যে-কেউ আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করবে ও তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার চেয়ে বড় জালেম আর কে হবে? যারা আমার আয়াতসমূহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, আমি তাদেরকে তাদের সত্যবিমুখতার কারণে নিকৃষ্ট শাস্তি দেব।
সুরা আন আনাম- ১৫৭
অতঃপর যে-কেউ আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করবে ও তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার চেয়ে বড় জালেম আর কে হবে?
জালেমের অর্ন্তভুক্ত তারাই যারা কোরআন ও আহলে বায়াতকে অস্বীকার করেছে।।
নবী ও আহলে বায়াতকে মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত অনুধাবন করতে পারে তবে সে সফল ।
হক্ব মাত্রই মাওলা আলী
আর হক পীর হতে হলে মাওলা আলীর রশি ধরতে হবে
কারণ একই সাথে মাওলা আলী ও মুয়াবিয়ার প্রেম কোন মুমিনের অন্তরে থাকবে না।।
জ্ঞানের গভীরতার পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলেই এটা অনুধাবন সম্ভব।।
তবে অবশ্যই ওলামায়ে সেন্ডিকেট মুক্ত হতে হবে সবার আগে-।।
ওলামারাই টাইটেল পেয়েছেন মুয়াবিয়ার প্রচলিত ইসলামের কারণে -।।
মুহাম্মদী ইসলামে এসব টাইটেল কচু পাতার পানির মতো সস্তা।।
মুহাম্মদী ইসলামে ঈমানদারের সার্টিফিকেট অর্জন করাই মুল লক্ষ্য।। 
©somewhere in net ltd.