নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হকের পথে কথা বলি বাতিলকে নাহি ডরি.।

রাসুল নামে সুখ পেয়েছি

রাসুল নামে সুখ পেয়েছি › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরআনের আলোকে মুয়াবিয়ার মুনাফেকির প্রমাণ

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫৫

মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে যারা ঈমানে প্রথমে অগ্রগামী হয়েছে এবং যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আল্লাহ তাদের জন্য এমন উদ্যানরাজি তৈরি করে রেখেছেন, যার তলদেশে নহর বহমান। তাতে তারা সর্বদা থাকবে। এটাই মহা সাফল্য
--------সুরা তাওবা-১০০

মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে যারা ঈমানে প্রথমে অগ্রগামী হয়েছে অর্থাৎ যারা প্রথম সাড়ির সাহাবা যারা সর্ব প্রথম ঈমান এনেছেন তাদের সম্পর্কে কোন সন্ধেহ থাকার কথা নয়

এবং যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করেছে,
প্রশ্ন হলো নিষ্ঠার সাথে কাদের অনুসরণ বলা হয়েছে? যারা প্রথম সাড়ির সাহাবা তাদের ,,প্রথম সাড়ির সাহাবারা কাদের অনুসরণ করতেন?
অবশ্যই আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুসরণ করেছিলেন-।।

তাদের নীতি কি ছিলো?

আল্লাহ ও তার রাসুল যা বলবেন তাই অনস্বীকার্য কোরআন অনুসারে আতিউল্লাহা ওয়া আতি উর রাসুল– অর্থাৎ রাসুলের আনুগত্যতাই আল্লাহর আনুগত্যতা রাসুলের হুকুম গুলোই আল্লাহর হুকুম রাসুল যা বলতেন তা আল্লাহর তরফ থেকেই বলতেন।।

রাসুল(সাঃ) যে গাদিরে খুমে বললেন আমি যার মাওলা আলী তার মাওলা আলী আমার স্থলাভিষিক্ত আমার পরে আলী ই তোমাদের অভিবাবক এ আইন টি অমান্য কারি লোক গুলো কি নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করেছে-??

আবু বকর ওমার ওসমান খেলাফত কালে মাওলা আলীকে তারা অভিবাবক ই মানতেন যখন ই কোন বিপদ কিংবা জরুরী প্রয়োজন হতো তারা মাওলা আলীকেই স্বরণ করতো এবং তারা তাদের বংশ বুনিয়াদকে মাওলা আলী তথা আহলে বায়াতের পক্ষে কাজ করার জন্য অসিয়ত করে গেছেন যার জন্য তারা(আবু বকরের ছেলে ও হযরত ওমরের ছেলে) মাওলা আলীর পক্ষে হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন।।

তবে কেন মুয়াবিয়া এ ত্যাগ স্বীকার করতে পারলোনা-
কেন?? সম্পদ ও ক্ষমতার লোভ সামলাতে পারলোনা ??
আবু বকর ওমর তারা তাদের আওলাদদের কেন স্থলাভিসিক্ত করেন নাই?
তারা যদি ক্ষমতার লোভ ও টাকার লোভ সামলাতে পারে তবে মুয়াবিয়া কেন পারলো না??

মাওলা আলীর মাওলাইয়াত কেন মেনে নিতে পারলোনা??
কোথায় থেকে উরে এসে জুরে বসে মাওলার মাওলাইয়াতকে অস্বীকার করলো।।
কোন ব্যক্তি যদি মাওলার খেলাফতকে অস্বীকার করে সে কি আর ঈমানদার থাকে??
মহানবী (সাঃ) এরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি সময়ের ইমামকে না চিনে বা না জেনে মারা যায় সে জাহেলীয়াতে মারা যায়” ।
সূত্রঃ- সহীহ্ মুসলিম, খঃ-৩, হাঃ- ১৮৫১ (লেবানন); মুসনাদে হাম্বাল, খঃ-৪, পৃঃ-৯৬; কানজুল উম্মাল, খঃ-১, পৃঃ-১০৩; তাফসিরে ইবনে কাসির, খঃ-১, পৃঃ- ৫১৭ (মিশর); সহীহ্ মুসলিম (সকল খন্ড একত্রে) পূঃ-৭৫২, হাঃ-৪৬৪১; (তাজ কোং) ।

হাদিস মতেও মুয়াবিয়া যুগের ইমাম মাওলা আলী কে অস্বীকার করার মাধ্যমে সে দিন থেকে বের হয়ে গেছে-।।

উপরোক্ত আয়াতে সরাসরি বলা হয়েছে যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করেছে,
আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন অনুসরণ কার করবেন?
আল্লাহ তার রাসুলের আহলে বায়াতের নয় কি?
হাদিসে স্পষ্ট উল্লেখ আছে,
নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আঁমি এমন জিনিস রেখে গেলাম,
তোমরা তা ধারণ বা অনুসরণ করলে কখনও পথভ্রষ্ট হবে নাঃ
আল্লাহ তা’আলার কিতাব (আল-কুরআন) এবং
আঁমার ইতরাত অর্থাৎ আঁমার আহলে বাইত।

[সূনান আত তিরমিজী]

কোরআন ও মানলেন না আহলে বায়াত ও মানলেন না কিসের আমির হলেন?
কিসের সাহাবা হলেন??
কয়েকদিন অনুসরন করবেন স্বার্থের টানে পাল্টি নিলে সে কি কোরআন অনুসারে মুমিন হতে পারে?
হ্যা এটাই মুনাফেকি…
এজন্যই মুয়াবিয়া মুনাফেক যা বার বার প্রমাণীত হয়ে আসছে-।।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.