নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হকের পথে কথা বলি বাতিলকে নাহি ডরি.।

রাসুল নামে সুখ পেয়েছি

রাসুল নামে সুখ পেয়েছি › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহানবী (সাঃ)-এর শাফায়াত যাদের জন্য হারাম

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৪:১৯

রাসূল (সাঃ) বলেন,
“যে ব্যক্তি এজন্য আনন্দিত যে, সে চায় আমার মত জীবন যাপন করতে, আমার মত মৃত্যুবরণ করতে ও আমার প্রতিপালকের চিরস্থায়ী বেহেস্তে বাস করতে সে যেন আমার পর, আমার আহলে বাইতকে অনুসরণ করে।

কারণ তাঁরা আমার সর্বাধিক আপন এবং তাঁরা আমার অস্তিত্ব হতে অস্তিত্ব লাভ করেছে । আমার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকেই তাঁরা জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভ করেছে। ধ্বংস আমার সেই উম্মতের জন্য যারা আমার আহলে বাইতের শ্রেষ্ঠত্বকে মিথ্যা মনে করে এবং আমার ও তাঁদের (আহলে বাইত (আঃ)-এর) মধ্যেকার সম্পর্ক ছিন্ন করে । আল্লাহ্ আমার শাফায়াতকে তাদের জন্য হারাম করছেন” । [তথ্যসুত্র- ১ ]

আহলে বাইত (আঃ)-এর সাথে বিদ্বেষ পোষণকারীর হাশর ইহুদিদের সাথে হবে

মহানবী (সাঃ)-এর প্রিয় সাহাবী, হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ্ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত রাসূল (সাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, এবং তিনি বলতে লাগলেন,
“হে মানব সকল! যারা আহলে বাইতের সাথে বিদ্বেষ রাখে, কিয়ামতের দিন তাদের জমায়েত (হাশর) ইহুদিদের সাথে হবে । আমি (জাবের) আরজ করলাম, ইয়া রাসূল (সাঃ)! যদিও তারা রোযা রাখে এবং নামাজ পড়ে ? উত্তরে রাসুল (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ যদিও তারা রোযা রাখে এবং নামাজ পড়ে” । (অর্থাৎ তা সত্ত্বেও আহলে বাইতের শত্রু হওয়ায়, আল্লাহ্তা'য়ালা তাদের ইবাদত বিনষ্ট করে দিয়ে তাদের ইহুদিদের দলভূক্ত করে উঠাবেন)

আরও বর্ণনা ঃ হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন, “ঐ সত্ত্বার কসম, যার পবিত্র হাতে আমার প্রাণ! আমার আহলে বাইতের সাথে বিদ্বেষ পোষনকারীদের মধ্যে হতে এমন কেউ নেই, যাকে আল্লাহ্তা'য়ালা জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেনা” ।

আরও বর্ণিত হয়েছে :
হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন, “যদি কোন ব্যক্তি পবিত্র কা'বার পাশে রুকনে ইয়ামানি ও মাকামে ইব্রাহিমের মধ্যবর্তী স্থানে দন্ডায়মান হয়ে নামাজ আদায় করে এবং রোযাও রাখে, অতঃপর এমতাবস্থায় আহলে বাইতের সাথে বিদ্বেষ রেখে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে সে জাহান্নামে যাবে” । [ তথ্যসুত্র- ২ ]




সূত্রঃ- মুস্তাদরাক হাকেম, খঃ-৩, পৃঃ-১২৮;
মাসনাদে আহম্মদ, খঃ-৫, পৃঃ-৯৪;
কানজুল উম্মাল, খঃ-৬, পৃঃ-২১৭, হাঃ-৩৭১৯;
হুলিয়াতুল আউলিয়া,পৃঃ-৪৪৯ ।
সূত্রঃ- তাবরানী, আল মু'জাম আল আওসাত,খঃ-৪, পৃঃ-২১২, হাঃ-৪০০২; হায়সামী,
মাজমাউজ যাওয়ায়েদ, খঃ-৯, পৃঃ-১৭২;
জুরজানী, তারিখে জুরজান, পৃঃ-৩৬৯;
হাকেম আল মুসতাদ্রাক, খঃ-৩, পৃঃ- ১৬২, হাঃ-৪৭১৭;
হায়সামী সাওয়াইক আল-মুহরেকা, পৃঃ-৯০;
আল্লামা সুয়ুতী, এহইয়াউল মাইয়্যাত, পৃঃ- ২০;
ইবনে হিব্বান, আস সহীহ্, খঃ-১৫, পৃঃ-৪৩৫, হাঃ-৬৯৭৮;
যাহাবী সি’আরু আলামিন নুবালা, খঃ-২, পৃঃ-১২৩;
(হাকেমের মতে এই হাদীসটি ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ্);
মুহিবের তাবারী, যাখায়েরুল উকবা, পৃঃ-৫১; ফাসবী,
আল ‘মা'রিফাতু ওয়াত তারিখ, খঃ-১, পৃঃ-৫০৫;
আল্লামা আলী হামদানি শাফায়ী, মুয়াদ্দাতুল কুবা, পৃঃ-১০৯;
ওবাইদুল্লাহ্ অমৃতসারি-আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ-৫৬৭;
কাওকাবে দুরির ফি ফাযায়েলে আলী, পৃঃ-২০৯,
সৈয়দ মোঃ সালে কাশাফী সুন্নি হানাফী আরিফ বিল্লাহ;
আল্লামা শায়খ আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী মাদারিজুন নবুওয়াত, খঃ-২, পৃঃ-৯০, (ইঃ, ফাঃ) ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.