| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যারা ধর্মীয় আক্বিদার ব্যপারে চিন্তাগ্রস্থ তাদের বলবো-
ধর্ম জোড় জবরদস্তি কিংবা বল প্রয়োগে কিংবা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে নয়,
বরং নিজেদের ঈমানের ঘাটতি ছাড়া আর কিছুই অর্জন হবে না
সবাইকে ভালোবাসতে স্বাচ্ছন্দবোধ করুন-
সবার আগে মানুষকে মানুষ হিসাবে দেখুন
এবং মানষকে সর্বোচ্চ সম্মান দানে নিজেকে নিয়োজিত রাখুন-
আমার আক্বিদা সবাইকে স্পষ্ট করে দিচ্ছি: কোরআনের সুরা শুরা-২৩ নং আয়াতের উপর এবং তিরমিজি শরিফর নিচের হাদিসের উপর বিশ্বাসী ও অবিচল-
এরই সুসংবাদ আল্লাহ তার সেই সকল বান্দাকে দান করেন, যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে। (হে রাসূল!) বলে দাও, আমি এর (অর্থাৎ রিসালাতের) বিনিময়ে তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না আত্মীয়ের(আহলে বায়াতের) সৌহার্দ্য ছাড়া। যে-কেউ সৎকর্ম করবে আমি তার জন্য সে সৎকর্মে অতিরিক্ত সৌন্দর্য বৃদ্ধি করব। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, অত্যন্ত গুণগ্রাহী।[ সুরা শুরা-২৩]
-নবী বলেছেন-তোমাদের মধ্যে আমি এমন জিনিস রেখে গেলাম যা তোমরা শক্তরূপে ধারণ (অনুসরণ) করলে আমার পরে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। তার একটি অন্যটির তুলনায় বেশি মর্যাদাপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণঃ আল্লাহ তা’আলার কিতাব যা আকাশ হতে মাটি পর্যন্ত দীর্ঘ এক রশি এবং আমার পরিবার অর্থাৎ আমার আহলে বাইত। এ দুটি কখনও আলাদা হবে না কাওসার নামক ঝর্ণায় আমার সঙ্গে একত্রিত না হওয়া পর্যন্ত। অতএব তোমরা লক্ষ্য কর আমার পরে দু’জনের সঙ্গে তোমরা কিভাবে আচরণ কর।
গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী
সুতরাং আমার ব্যপারে চিন্তিত না হবার আহবান জানাচ্ছি- উক্ত হাদিস মতে আমি কোরআন পেয়েছি ঘরেই রয়েছে এবং আলহামদুলিল্লাহ আহলে বায়াতের একজন সদস্য পেয়েছি
তিনি হলেন Al Sayeed Taher Al Baomer যিনি ইবনুল আরাবীর মতো আমাকে রুহানী ছায়ায় আগলে রেখেছেন-
এতেই আমি সন্তোষ্ট- আলহামদুলিল্লাহ-
#এর_বাহিরে_আমাকে_ইসলাম_বুঝাতে_আসবেন_না_তাহলে_আমি_পথভ্রষ্ট_হবো
আমি রাসুল নামে সুখ পেয়েছি এটাই আমার জন্য যথেষ্ঠ-
মতবাদগত ,আক্বিদাগত,গোত্রগত,চিন্তাগত, ধর্মীয় বেমিল থাকতেই পারে তার মানে এই নয় লোকটি খারাপ-
কাউকে অযথা ঘৃনা করা মুমিনের কাজ নয়- এর থেকে বিরত থাকুন-
ফেৎনার জামানায় ধর্মের নামে হিংসার বিস্তৃতি ঘটেছে-
ইসলাম অর্থ শান্তি অথচ অশান্তির বীজ বপনে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত এক শ্রেনীর জ্ঞানী সমাজ
বর্তমান জামানায় ভাই-ভাই, ঘরে ঘরে দন্ধ, সেটাও কিসের ? ধর্ম বিশ্বাসের কারণে,,
কেউ ওহাবী কেউ সুন্নি কেউ আবার লা মাজাহাবি যার-যার দলে সে অবিচল ও কঠোর,
একে অন্যের দিকে তাকাতেও লজ্জা পায় কিংবা এক ভাই আরেক ভাইকে প্রতিহত করতে ভিতরে ভিতরে চরম শত্রুতা লালন করে যাচ্ছে-শান্তির ধর্মে অশান্তির বীজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে অথচ এ সমস্যা গুলো কোন সম্পদ কিংবা টাকার জন্য নয় বরং নিজস্ব মতবাদ(ধর্ম বিশ্বাসের) কারণে নিজস্ব আকিদাকে পাকাপোক্ত করার জন্যে- উঠে পড়ে লেগে আছে- পারস্পারিক সহযোগীতার বদৌলতে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগীতার যে সিষ্টেম চালু হয়েছে তাতে কে কাকে আগে ধরবে বড় বড় লোক টাকা ওয়ালা লোক গুলোকে নিজেদের দলে ভীর করতে স্বার্থগত যে প্রথার বিস্ততি ঘটছে তাতে দলগত ব্যবসার প্রসার ঘটলেও ইসলামের ক্ষতি ছাড়া বিন্দু মাত্র উপকার হবে না-
ইসলাম যদি শান্তির হয়ে তবে ঘরে ঘরে ভাইয়ে - ভাইয়ে যে দন্ধের সুচনা হয়েছে সে-গুলোর দায় কার উপর বর্তাবে?
আলেম সমাজে যে বিষয় গুলো এখতেলাফ সে বিষয় গুলো নিয়ে যদি দুই-দল এক টেবিলে বসে সমস্যাগুলো উপস্থাপন করতো তবে কি ২৪ ঘন্টার বেশি সময় লাগতো??
অবশ্যই না, গুষ্টি গুষ্টি জগরা করে খুন খারাবি করেও যদি আবার মিলে মিশে সমাজে একত্রে বসবাস করতে পারে তবে কেন ধর্মের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা এখনো এক হতে পারে নি ? তারা চায় এ দন্ধের প্রসার ঘটুক*
তবে কেন তারা নিজেদের জেদ গুলোকে সাধারণ মানুষের উপর প্রয়োগ করছে?
এভাবে নিজেদের মধ্যে হিংসা বিদ্ধেষ ও নিজেদের জেদ গুলো সমাজে প্রয়োগ করতে থাকেন ইসলাম বলতে কিছূ থাকবে কিনা সেটা আমাদের স্কলারদের উপর প্রশ্ন থাকলো- আমি সাধারণ মানুষ সেটা ভাবার যোগ্যতা নাই-
আর তারা এ পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে না পারার মুল কারণ অহংকার, ইগো ও এক -ঘুয়ে স্বভাব- যার সুচনা দল তৈরীতে -যার পরিনতি সমাজে ফেৎনা ও অশান্তি-।
হিন্দু-মুসলিম-ও এক জায়গায় সাচ্ছন্দে চলতে পারে তবে এক সাথে দুজন মুসলিম ভাই একই মতের উপর থাকতে পারে না-কেউ কওমি,কেউ সুন্নি,কেউ শিয়া, কেউ ওহাবী,কেউ লা-মাজহাবী,কেউ জামাতি, তারা দুই জনে দুই মতের উপর অবিচল এটার মুল কারণ স্কলারদের জেদ গুলো আমাদের সমাজে স্থাপিত হয়ে গেছে-যার পরিনতি ঘরে ঘরে ভাইয়ে ভাইয়ে দন্ধ ও ফেৎনা এবং ঘরে ঘরে মুফতি,মহাদ্দেস ও পীরের বাজার-
একটি প্রবাদ আছে অধিক সন্যাসীতে গাজন নষ্ট-
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল ও তাঁর অনুসারীগন কাফেরদের বিরুদ্ধে কঠোর,সুচ্ছার এবং নিজেদের প্রতি সহানুভুতিশীল ও একে অন্যের প্রতি সোহার্দ্রপুর্ণ।-আল ফাত্হ -২৯
আল্লাহর কোরআন মতে, আমরা মুসলমানগন নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক শক্ত মজবুত হওয়ার কথা আর কাফিরের বিরোদ্ধে কঠোর হওয়ার কথা কিন্ত বর্তমান ইসলামের যারা রক্ষক তারাই নিজেদের প্রতি বিদ্ধেষপুর্ন আর ইহুদি কাফেরের প্রতি সোহার্দপুর্ণ - বর্তমান সময়ের সাথে কোরানের বিরাট বৈপরিত্য দেখা যায়- কারণ আমাদের ইসলাম আর শান্তির ধর্মে নাই -ইসলামের রক্ষকগন অশান্তির বীজ আক্বিদা নামক বিষ প্রয়োগের মাধ্যে দলে উপদলে নিজেদের ব্যবসাকে প্রসারিত করতে গিয়ে হাকিকি ইসলাম তথা মুহাম্মাদী ইসলামের মরণ ঘটিয়ে নিজেদের মতবাদকে পাকাপোক্ত করেছে- ব্যবসা চাংগা-
আমরা বিরাট ব্যস্ত দাড়ি-টুপি ঢিলা-কুলুপ নিয়ে
যেখানে আল্লাহ বলেছেন তার সৃষ্টি নিয়ে গবেষনা করো
সে কথা ভুলেই গেছি- নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগীতার দৌড়ের কারণে-
[ আমি নিদর্শনাবলী স্পষ্ট করে দিয়েছি, সেই সকল লোকের জন্য, যারা জ্ঞানকে কাজে লাগায়। [আল আনআম -৯৭]
আর যারা জ্ঞানকে কাজে লাগায়, তাদের জন্য আমি সত্যকে সুস্পষ্ট করে দেই।-[আন আনাম-১০৫]
বল, এসব পার্থিব জীবনে মুমিনদের জন্য (এবং) কিয়ামতের দিনে বিশেষভাবে (তাদেরই)। যারা জ্ঞানকে কাজে লাগায়, তাদের জন্য এভাবেই আমি আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করি।-[ আল আরাফ-৩২]
আর ইবাদতের বাহাদুরীর জন্য তো তাদের পাশে দাড়ানোই মুশকিল-
অথচ-আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যত প্রাণী আছে তারা এবং সমস্ত ফেরেশতা আল্লাহকেই সিজদা করে এবং তারা মোটেই অহংকার করে না।-[ আন নাহ্ল -৪৯ ]
*সুতরাং নামাজ পড়ে,জিকির করে,দান খায়রাত করে অহংকার করার কোন সুযোগ নাই- কারণ আল্লাহ অহংকারীকে পছন্দ করে না-।*
নিশ্চয়ই আল্লাহ কোন দর্পিত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।-[সুরা নিসা-৩৬]
পৃথিবীতে যারা অন্যায়ভাবে অহংকার প্রকাশ করে, তাদেরকে আমি আমার নিদর্শনাবলী হতে বিমুখ করে রাখব।-[ আল আ'রাফ -১৪৬]
নিশ্চয়ই তিনি অহংকারীকে পছন্দ করেন না।-[আন নাহল-২৩]
*বর্তমানে দেখা যায় অনেক দীনি ভাই নতুন-নতুন আকিদায় নিজেদের শক্তিশালী মনে করে আল্লাহর কোরআনকে পাশ কাটিয়ে গায়ের জুড়ে জনতা কে কব্জ্ করে ব্রেইন ওয়াসের মাধ্যমে জনমত তৈরী করে এখানের ওয়াজ, ওখানের মাহফিল বন্ধের জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়- এবং দম্ভভরে সেটাকে কামিয়াব করতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতে মানুষের সামনে হাজির করে- আবার কাউকে দেখা যায় ফেসবুক ও সোস্যাইল মিডিয়াতে অহংকার বসে নিজেদের হক দাবি করে অপরকে তুচ্ছ করতে কোন্ঠাবোধ করে না-।তারা ঘোর অন্ধকারে রয়েছে।*
তারা হয়তো আল্লাহর কোরআনে এ-ই আয়াত গুলো দেখতে পাইনি-
অহংকার বশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।[ লুকমান -১৮]
এবং
কেবল তারাই আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে, যারা আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশপ্রাপ্ত হয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং অহংকারমুক্ত হয়ে তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে।-[আস সিজদাহ্ -১৫]
*যারা সরল মানুষগুলোর ঈমান নিয়ে খেলতেছে তাদের আকিদায় লোকবল বাড়ানোর জন্য উল্টা সিধা জ্ঞান দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে তারা হয়ত আল্লাহর কোরান সম্পর্কে অবগত নয় অথবা তারা জেনে শুনেই নিজেদের স্বার্থে আল্লাহর আয়াত গুলো গোপন করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতেছে-*
কিয়ামতের দিন তুমি দেখবে, যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল, তাদের চেহারা কালো হয়ে গেছে। এরূপ অহংকারীদের ঠিকানা কি জাহান্নামে নয়?-[ আয্-যুমার –৬০]
বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, সেখানে চিরকাল অবস্থানের জন্যে। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল।-[আয্-যুমার - ৭২]
যারা নিজেদের দলকে বড় ভেবে অহংকার বসত মিডিয়া কিংবা বাস্তবাদে অহংকারে অঢল তাদের জন্য আল্লাহর কালাম নিচের আয়াতটি ই যথেষ্ট-
যাও, জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, তাতে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য। কেননা অহংকারীদের ঠিকানা বড়ই মন্দ।-[আল মু'মিন - ৭৬]

©somewhere in net ltd.