নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো লাগলে পড়েন, না লাগলে পইড়েন না।

উপরে যা লিখছি, এটাই শিরোনাম। আপাতত আর কিছু বলার নাই!

অপরিচিত কেউ একজন

নিজের সম্পর্কে লিখতে তো আমি এখানে একাউন্ট খুলিনি!

অপরিচিত কেউ একজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের জাতীয় সংগীত এবং ক্ষ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২০

এই লেখাটি শুরু করছি একটু ভূমিকা দিয়ে। কারন, বলা যায় না আমার এই লেখাটি প্রকাশ পাবার পর হয়ত এমন কথাও উঠতে পারে - যে কোন বিষয়ে কিছু লেখার আগে সেখানে ভূমিকা না দেয়াটা আইনত দন্ডনীয় গুরুতর অপরাধ।



আইনজীবি বাবার সন্তান হওয়া স্বত্তেও আমি আইন খুব একটা জানি না। অবশ্য জানার আগ্রহও খুব একটা ছিল না কোনদিন। সত্যি কথাটা সোজাভাবে সবার সামনে বলাটাই আমার কাছে আইন, সত্যি অস্বীকার করাটা বে-আইনী। আইনী লড়াইয়ে জিততে অনেক সময়ই অনেক বে-আইনী উপাদান যেমন – মিথ্যা গল্প সাজানো, মিথ্যা সাক্ষী পেশ করা, মিথ্যা মামলা দায়ের করা ইত্যাদি বিষয়ে অনেক ছোটবেলায়ই জেনে গিয়েছিলাম বলেই হয়ত আইন বিষয়ে খুব একটা জানার আগ্রহ আমার ভিতরে কোন দিনই গড়ে ওঠেনি। এই কথাগুলি বলে নিলাম কারন, আমার লেখায় হয়ত আইন ও সংবিধান অনুসারে দোষযুক্ত কিছু থাকতে পারে। ক্ষমা করবেন বা ত্রুটি মার্জনীয় – ধরনের কিছু বলছিনা কারন, যা লিখছি এটা আমার কাছে নিতান্তই সত্যি বলে মনে হয়েছে দেখেই লিখছি।



প্রসঙ্গে আসি,

গত কয়েকদিন ধরে অনলাইন – অফলাইন সব মাধ্যমেই প্রচুর আলোচিত একটি বিষয় হচ্ছে – ‘ক্ষ’ ব্যান্ডের করা “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” গানটিতে আমাদের জাতীয় সংগীতকে বিকৃত করা হয়েছে। ‘banglanews24.com’ এ “জাতীয় সংগীতে বিকৃতি! ক্ষ’র স্পর্ধা প্রতিহত এখনই” শিরোনামে প্রকাশিত হওয়া একটি সংবাদ (28 Jan 2013 12:19:44 AM Monday BdST) এর উপর ভিত্তি করেই এই আলোড়নের সূত্রপাত বলেই আমি জানি। রিপোর্টটি করেছেন মাহমুদ মেনন, হেড অব নিউজ, বাংলানিউজটোয়েন্টিওফোর.কম। রিপোর্টটিতে বাংলাদেশের চারজন গুনী শিল্পী মিতা হক, সাদি মহম্মদ, খায়রুল আনাম শাকিল ও মাকসুদ এর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে ক্ষ’র করা এই গানটি নিয়ে। এই চারজন প্রথিতযশা শিল্পীর প্রথম তিনজনই ক্ষ’র স্পর্ধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।



বাংলানিউজটোয়েন্টিওফোর.কম এর সূত্রানুসারে,

“বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতে আধুনিক সুরারোপ করাই নাকি ক্ষ’র উদ্দেশ্য!

কিন্তু তাদের এই আধুনিকতার চর্চার ক্ষেত্র জাতীয় সঙ্গীত হতে পারে কি? এমন প্রশ্নে খায়রুল আনাম শাকিল বাংলানিউজকে বলেন, কোনো ভাবনা থেকেই জাতীয় সঙ্গীতকে বিকৃত করা যাবে না। জাতীয় সঙ্গীত যেখানে সেখানে যেনো তেনো ভাবে গাওয়ার বিষয় নয়। এটি সংবিধানের স্বীকৃত গান। এর সুর সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। এর ব্যতয় করার সুযোগ কারোরই নেই।

শাকিল বলেন, এই মুহ’র্তেই কড়া প্রতিবাদ করে এ গান বন্ধ করে দেওয়া উচিত।”



এখানে আমার কথা হল, হ্যা গানটিতে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে ঠিকই কিন্তু সুরের কি আধুনিকতা এখানে আনা হয়েছে? আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। এমন কিছু কি আমাদের সংবিধানে বলা হয়েছে যে, দেশের বাইরে এই গানটি কেউ করতে পারবে না? শুধুমাত্র বাংলাদেশি ব্যতীত অন্য কোন দেশি নাগরিক এই গানটিতে বাজাতে পারবে না? বাংলাদেশি এবং বিদেশি একসাথে এই গানটি করতে পারবে না? বা এই গানটির কোন মিউজিক ভিডিও হতে পারবে না? এমন কিছু কি সংবিধানে উল্লেখ আছে? আমার জানা নেই, কেউ জেনে থাকলে আশাকরি জানাবেন। আমি উপকৃত হবো।



“সাদি মহম্মদ বাংলানিউজকে বলেন, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে এই কাজ দেশদ্রোহিতার সামিল। যারা এটা করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, জাতীয় সঙ্গীতকে যেভাবে গাওয়া হয়েছে তা ফাজলামো ছাড়া আর কিছুই নয়। শান্তিনিকেতন থেকে সঙ্গীত শিক্ষায় শিক্ষিত সাদি মহম্মদ বলেন, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে দুরভীসন্ধি আমরা আগেও দেখেছি। একাজ সেই দুরভীসন্ধীর অংশও হতে পারে। নতুন সুরারোপের জন্য ‘ক্ষ’ কেনো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতকেই খুঁজে পেলো সে প্রশ্ন তুলে রবীন্দ্রসঙ্গীতের এই প্রথিতযশা শিল্পী বাংলানিউজকে বলেন, কোনো মৌলবাদী গোষ্ঠীরও কাজ হতে পারে এটি।”



সাদি মহম্মদের উদ্ধৃতি থেকে ধারনা করা যায় উনি গানটি শুনেছেন। হয়তো মিউজিক ভিডিওটিও দেখে থাকবেন উনি। আমি বুঝতে পারিনি উনি এই গানটিতে ফাজলামো কোথায় দেখলেন? আমি আশা করেছিলাম, শান্তিনিকেতন এর মত এত জগৎ বিখ্যাত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সঙ্গীত শিক্ষায় শিক্ষিত শিল্পী সাদি মহম্মদ অনেক আধনিক মনের একজন মানুষ হবেন। হবেন অনেক বেশি মুক্তচিন্তার একজন সংগীতজ্ঞ। সংগীত যে এখন আর শুধুমাত্র হারমোনিয়াম আর ডুগি-তবলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই এটা উনি জেনে থাকবেন, এটুকু তো আশা করতেই পারি। কিন্তু আমি হতাশ। আধুনিক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে গাওয়া আমাদের সবার প্রানের সংগীত আমাদের জাতীয় সংগীতকে উনি বললেন ফাজলামো। এখন তো আমার মনেহচ্ছে তার উক্তির মাধ্যমে তিনি নিজেই তো ফাজলামো বলে জাতীয় সংগীত কে অবমাননা করলেন। জাতীয় সংগীত কে ফাজলামো বলার কারনে এখন আমারই তো ইচ্ছে করছে উনার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিই। “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” এই গানটির প্রতি আমার শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, গর্ব, অহংকার কোনকিছুই কিন্তু উনার থেকে আমার কম নেই। আর “কোনো মৌলবাদী গোষ্ঠীরও কাজ হতে পারে এটি।” – উনার এই উক্তি সম্পর্কে আমার হাসি ছাড়া আপাতত আর কোন বলার মত শব্দ আসছে না ভিতর থেকে।





“কাজটিকে ন্যক্কারজনক বলে মত দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীতের কালোত্তীর্ণ শিল্পী মিতা হক বাংলানিউজকে বলেন, সারাজীবন এসব উল্টোপাল্টা অপসংস্কৃতির চর্চার বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। এদের বিষয়ে কথা বলার রুচিও হারিয়ে ফেলেছি।

তিনি বলেন ‘ক্ষ’ অনেক দূরের একটি বিষয়। এদের নিয়ে কথা বলতে চাই না। তবে একটি কথা বলবো শুভবুদ্ধি সম্পন্ন ছেলে মেয়েরা এমন কাজ করতে পারে না। যারা বাংলাদেশের ইতিহাস পড়েছে, যারা বাংলার রূপ দেখেছে, সভ্যতা সংস্কৃতির কথা জেনেছে তারা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে এমন অপকর্মে লিপ্ত হবে না।”



উনার কথার সূত্র ধরেই বলতে চাই, দেশের বাইরে গিয়ে বিদেশী কিছু যন্ত্রশিল্পীর অংশগ্রহনে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সাথে জিন্স আর ফতুয়া পরে আমাদের প্রিয় জাতীয় সংগীতটি গাওয়া হয়েছে দেখেই কি এটা অপসংস্কৃতি হয়ে গেল? এদের বিষয়ে কথা বলার রুচি হারিয়ে ফেললেন? শুভবুদ্ধির ছেলে-মেয়েদের তালিকা থেকে এদের নামটা কাঁটা গেল? শুধু এগুলোই দেখলেন? বিদেশের মাটিতে থেকে, বিদেশী বন্ধুদেরকে সাথে নিয়ে তার নিজের দেশের জাতীয় সংগীত কে যে কি অসাধারন আবেগ দিয়ে উনি গাইলেন সেটা দেখলেন না একবারও? এত এত এত গান থাকার পরও কিন্তু তিনি এই গানটিকেই বেছে নিলেন শুধুমাত্র দেশাত্ববোধ থাকার কারনেই, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।



রবীন্দ্র সংগীতের ভক্ত আমি নিজেও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি, উনি যথেষ্ট আধুনিক মনের অধিকারী ছিলেন। ছিলেন মুক্ত চিন্তার অধিকারী একজন মহামানব। আমার মনেহয়, উনি এতদিন বেঁচে থাকলে অবশ্যই উনার গানগুলোতে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার আনতেন। করতেন বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট। আপনারা যেভাবে আপনাদের সন্তানের বয়সী এই ছেলে-মেয়ে গুলোর করা এই গানটির পিছনে লেগেছেন, রবি ঠাকুর বোধহয় আপনাদের উপর বিশেষ বিরক্ত হতেন। আর খুশি হয়েই উৎসাহ দিতেন এদেরকে, এরা যেন আরো এগিয়ে যেতে পারে আরো অনেক দূর।



এখন যে কথাগুলি বলবো এগুলির কারনে আমার বিরুদ্ধেই হয়তো কেস ঠুকতে চাইবেন অনেকেই। তারপরও বলছি। বিদেশিদের সাথে করে বিদেশি বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারে আমাদের জাতীয় সংগীত বিদেশের মাটিতে গাওয়া নিয়ে যদি প্রশ্ন উঠতে পারে, এটাকে অপসংস্কৃতি বলা হতে পারে তাহলে এখানে একটা অনেক বড় প্রশ্নের জন্ম হতেই পারে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতের নাগরিক। গানটিকে যখন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয় তখনও উনি বিদেশি নাগরিকই ছিলেন। তাহলে একজন বিদেশি লেখকের গান যদি আমাদের জাতীয় সংগীত হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া যেতে পারে তাহলে বিদেশিদের অংশগ্রহনে কেন গানটি করা যাবে না? বাংলাদেশের সংবিধান এর প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখেই কথাটি বললাম। এটা ব্যক্তিগত মতামত হিসেবেই গ্রহন করবেন আশা রাখবো। দয়াকরে, এই প্রশ্ন উত্থাপনের কারনে এটাকে কোন রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে নিবেন না।





আর বেশি কথা বাড়াবো না। ক্ষ’র করা “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” গানটি যারা শুনেছেন অথবা দেখেছেন তাদের বেশির ভাগ মানুষই অত্যন্ত সুন্দরভাবে গ্রহন করেছেন গানটি। এই গানটি নিয়ে যতবার যতজনের সাথে আলোচনা হয়েছে সবার কথার সারমর্ম ছিল একটিই – হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। এর থেকে বড় প্রাপ্তি ক্ষ’র আর কি ই বা হতে পারে? আমি বিশ্বাস করি, শিল্পীরা মুক্তচিন্তার অধিকারী হয়ে থাকেন। সেই বোধ থেকেই বলছি, ওদের করা গানটি শুনে দেখুন একটু খেয়াল করে। বুঝবেন কতটা দরদ ছিল, কতটা আবেগ ছিল, কতটা শ্রদ্ধা এই সংগীতটির প্রতি। যদি কোথাও ভুল হয়েও থাকে তাহলে গানটি বন্ধের কঠোর দাবি না তুলে, কোমলভাবে ওদেরকে ভুলটা ধরিয়ে দিন।



অনেক যুদ্ধ করে জন্ম হয়েছে এই দেশের। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জন এই জাতীয় সংগীতের। দয়াকরে, এটা নিয়ে আর যুদ্ধ করবেন না। ধন্যবাদ।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৯

কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতকে কেমনে ধর্ষন করে, এরা সেইটা করে দেখাইছে।
বালের একটা টিউন করছে, শুনতেই খারাপ লাগে।

২| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫১

ধৈঞ্চা বলেছেন: আমি গানটি শুনেছি, মিউজিক কম্পোজিশান চমৎকার। আমার কাছে গানটিকে বিকৃত করা হয়েছে কখনো মনে হয়নি, বরং গানটি যথেষ্ট দরদ দিয়ো গাওয়া হয়েছে।
"পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে" শ্রেয়া ঘুষাল ও নচিকেতার এই রবীন্দ্র সংগীতটা কলকাতা থেকে মিউজিক ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। মূল গানের বিকৃতি কাকে বলে গানটি দেখলেই বুঝা যায়। শান্তিনিকেতন থেকে সঙ্গীত শিক্ষায় শিক্ষিত শিল্পী সাদি মহম্মদরা সেই গানটির ব্যাপারে কোথাও কিছু বলেছেন বলে শুনিনি। একেই বলে দুচোখা দৃষ্টি।

৩| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৩

সঞ্জয় নিপু বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর এবং মার্জিত ভাবে তারা এই গানটি পরিবেশন করেছে ।

আমি কাল অনেক বার শুনেছি খুব খুব বেশী ভালো লেগেছে ।

আর যারা এই বিষয় টির পেছনে লেগেছে আসলে তারা শিক্ষিত কিনা সেই সম্পর্কে আমার সন্দেহ আছে।

ক্ষ ব্যন্ড - গানটিতে শুধুমাত্র আধুনিক যন্ত্রের প্রয়োগ করেছে সেটা খুবই ভাল হয়েছে ।

৪| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৮

ত্রিভুবন বলেছেন: আমাদের দেশে কখনোই সুপরিবর্তনকে সাদরে আমন্ত্রণ করা হয়নি,আগেও না,পরেও হবেনা।সকল কিছু ছাপিয়ে তারা চায় শুধুমাত্র তাদেরই একচেটিয়া শাসন হোক।নাচের ক্ষেত্রে দেখবেন একটু ভিন্নধরনের নাচ করলে নাচ প্রতিযোগিতার বিচারক শিবলীর মুখ বাকিয়ে যায়।তথাস্তু হাবিব বা বালামের গান করলে রুনা লায়লা মুখ খিচিয়ে উঠে মঞ্চ থেকে উঠে যান।

৫| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৯

রীতিমত লিয়া বলেছেন: কবে যেন কার কাছ থেকে শুনেছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা হলেও আমাদের জাতীয় সংগীত সুর করেছেন অন্য কেউ।

গানের সুর তাল এসব আমি বুঝি না। তবে ক্ষ ব্যান্ড গানটার শুরুই করেছে মাঝখান থেকে তাই পুরোটা আর শুনি নাই। এই ব্যাপারটাও কি সুরের অবমাননায় পড়ে কিনা জানি না। পুরোটা না শুনায় আর বেশি মতমত জানাতে পারলাম না।

৬| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৭

আমি মুখতার বলেছেন: ১.যদি কোন বিদেশি আমার সোনার বাংলা এর হিপ হপ ভার্শন বের করে তবে আপনার মতামত কি হবে?
২. আমরা আমার সোনার বাংলা কে জাতীয় সঙ্গীত না ভেবে কেন রবিন্দ্র সঙ্গীত ভেবে মোবাইলে রিংটোন হিসেবে ব্যবহার করতে পারি না????
৩. পিচ্চিকালে(এখনও পিচ্চি) পিটির সময় গান গাইত, "আমার সোনার থালা, আমি তোমায় ভালবাশি........." এখন তারা যদি ২৫ বছরেও এই গান গায় এবং বলে আমরা জাতীয় সঙ্গীত না, রবিন্দ্র সঙ্গীতের বিকৃতি করছি, তখন আপনি কি করবেন বা বলবেন ??
৪. ১-২ বছর আগেও দেশ টিভিতে কলকাতার এক বাউল লালন আঙ্গিকে জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছিল, তখন তো কোন সবাই এর বিরুদ্ধে চিল্লা - ফাল্লা করল। এখন ক্ষ যখন একটু বিদেশি আঙ্গিকে গানটা গাইল, তখন তারাই বাহবা দেওয়া শুরু করল!!! দ্বিমুখী নীতি কেন ভাই!! নাকি এটা আমাদের বিদেশ প্রীতি?? নাকি লালন ব্যাকডেটেড????

৭| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২১

আহ্‌মুদুল বলেছেন: গানের মিউজিক কম্পসিশন ভালো হয়েছে, কিন্তু গানের প্রথম লাইনটাই গায় নাই।
তাদের বুঝা উচিত ছিল ইহা জাতীয় সংগীত। একটি দেশের মানচিত্র যেমন ইচ্ছামত আঁকা যায়না, তেমনি জাতীয় সঙ্গীতও প্রথম কিছু লাইন বাদ দিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে গাওয়া যায়না, যদিও তারা প্রথম অন্তরা টুকুর সুর করেছে।
তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, কাগজ দিয়ে অতি যত্নের সাথে গোলাপ ফুল বানাইলেও উহা কাগজের ফুল।

৮| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৬

রাসেল মাহমুদ শুভ্র বলেছেন: অনেক ভাল লাগল

৯| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৪

গোলক ধাঁধা বলেছেন: সবার জানা উচিত আমাদের জাতীয় সংগীত শুধুমাত্র দশ লাইন।এরপর কিন্তু আর জাতীয় সংগীত থাকছে না।

১০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৪

ছাই তানিম বলেছেন: 'ক্ষ' নাহয় ভুল কিছু একটাই করেছে ! কিন্তু, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, 'যন্ত্রের' মত সংসদে বাজানো এবং তার সাথে যন্ত্রমানবদের উঠবসের চেয়ে যখন একদল তরুণ-তরুণী দেশের জন্য তাঁদের সবটুকু আবেগ ঢেলে গানটা গায়, কোনটা শুনতে বেশি ভালো লাগে ? জাতীয় সঙ্গীত সংবিধান-টংবিধান থেকে আসেনাই, এটা এসেছে আবেগ থেকে...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.