| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাসতে হাসতে আদালত হতে বেরিয়ে এলো বখতিয়ার। বখতিয়ারের দুই পাশে দুই পুলিশ। কামরুল অসহায় চোখে তাকিয়ে দেখছে বখতিয়ারকে। সদ্যই সারদা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যোগ দিয়েছে পুলিশ বাহিনীতে। আইনের সেবক হবার বড় ইচ্ছা। কিন্তু সে এখন অপরাধীর সেবক। প্রচন্ড ঘৃনা হয় নিজের ওপর। তাই মাটির ওপর থু করে একদলা থুথু ফেলে। সরকারি দলের সাংসদের ছেলে বখতিয়ারের দিকে থুথু ফেলার সাহস তার নেই।
একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বিলাপ করছে মাজেদা।
আল্লাহ তোমার দুনিয়ায় কী বিচার নাই? আমার বাজান হত্যার বিচার কী পামু না?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো মাজেদ। মায়ের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে মাজেদের। মায়ের একমাত্র অবলম্বন। নিজের পড়াশোনা ও সংসারের খরচ চালানোর জন্য রাস্তার ধারে চা বিক্রি করতো পিতৃহীন মাজেদ। অনেক স্বপ্ন মাজেদের চোখে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে বড় চাকরী করবে, সংসারের অভাব ঘুচাবে। মাজেদারও ছেলেকে নিয়ে অনেক আশা।
রাত ১১টা। বাড়ি ফেরার সময় হয়েছে। হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলির শব্দ। একটি গুলি এসে লাগল মাজেদের বা'পাজরে। মাটিতে লুটিয়ে পড়লো মাজেদ। আর উঠলো না।
বাজান রে! আল্লাহ তুমি ওর বিচার কর। আর্ত চিৎকার করে বিলাপ করতে লাগলো মাজেদা।
©somewhere in net ltd.