| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

শহুরে জ্যামিতির প্রতিটি কোণে আজ এক বিমূর্ত হাহাকার, যেখানে আমাদের ছায়াগুলোও বড্ড বেশি অচেনা আর পরাবাস্তবতার মতই নির্জীব। রক্তিম গোধূলির কার্নিশ বেয়ে চুইয়ে পড়ে এক আধো-চেনা ট্রমা, যেন কোনো এক বিদীর্ণ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেরই ধ্বংসাবশেষকে প্রেম নিবেদন করছি,হে অজ্ঞাত নিজের প্রেমে পড়ো।
শব্দেরা আজ ভীষণ অবাধ্য, যেন ভাঙা কাঁচের ওপর দিয়ে হেঁটে চলা কোনো এক নিঃসঙ্গ পথচারী। অনুভূতির নিউরনে যে তীব্র দহন, তাকে খুব যত্নে সাজিয়ে রাখি আধুনিক ক্যাফেইনের কাপে। আমরা তো সেই প্রজন্মের যাত্রী যারা কান্নার চেয়ে হাহাকারের ফ্রেমবন্দি নন্দনতত্ত্ব বেশি ভালোবাসি। বিউটি যখন ট্রমার রূপ নেয়, তখন সেই দগদগে ক্ষতটাও হয়ে ওঠে এক নিঁখুত আর্ট।
তোমার নিশ্বাসগুলো আজ বড্ড সিন্থেটিক, যেন কোনো এক যান্ত্রিক শহরের শেষ ট্রাফিক সিগনাল,এইতো আরেকটু সামনেই। হৃদপিণ্ডের গোলকধাঁধায় আমি একলা এক ডেড-এন্ড গলি, যেখানে প্রতিধ্বনিগুলোও ফিরে আসে খুব ক্লান্ত ও ধীর পায়ে। সময়ের এই ব্যবচ্ছেদে আমরা কেবল একেকটা ফ্র্যাগমেন্টেড অস্তিত্ব, যারা নিজেদের হারানো অংশগুলো খুঁজি অন্যের শূন্যতার ভেতরে,পূনরায়।
হতাশার নীলচে আবহে যখন অস্তিত্বের সমীকরণগুলো জট পাকিয়ে যায়, আমি তখন এক হাই-ডেফিনিশন বিষাদ খুঁজি। প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসে থাকে এক একটা অসমাপ্ত গল্পের ডেডলাইন, যেখানে কেউ নেই, কেবল আছে এক নান্দনিক বিচ্যুতি। আমাদের এই সাইকোলজিক্যাল ডিস্টেন্সগুলো যেন এক একটা বিমূর্ত ক্যানভাস, যেখানে রঙের বদলে কেবল ছাই আর ধোঁয়া।
আসুক এক মহাজাগতিক প্রলয়, যা ধুয়ে দিয়ে যাবে আমাদের এই ভণ্ডামি আর সাজানো আবেগের দেয়াল। আমরা বরং বিলীন হয়ে যাই এক অন্তহীন ব্ল্যাকহোলে, যেখানে কোনো ব্যাকরণ নেই, নেই কোনো লৌকিক দায়বদ্ধতা। কেবল থেকে যাবে কোন এক বিউটিফুল ট্রমার রেশ, যা কোনো এক অনাগত সাইবার-যুগের শ্রেষ্ঠ কবিতা হয়ে বেঁচে থাকবে,অথবা স্মরণে।
©somewhere in net ltd.