নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নীল যে আকাশ

নীল যে আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করছে, অস্তিত্ব সঙ্কটাপন্ন দেখে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে গণজাগরণ মঞ্চ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪১

শাহবাগে ড. কামাল



শাহবাগে টানা অবস্থানের পঞ্চদশ দিনে মঙ্গলবার রাতে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে এই অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।



একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও স্বাধীনতাকামীদের বিরুদ্ধে ধর্মের নামে একই ধরনের অপপ্রচার চালানোর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তখনকার মতো এবারো দেশেপ্রেমের জোয়ারে সব অপপ্রচার ভেসে যাবে।



যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ইমরান।



যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি কিছু তরুণের উদ্যোগে শাহবাগে আন্দোলন এখন সারাদেশে গণজাগরণ সৃষ্টি করছে।



রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান সংসদ থেকে শুরু করে সবার অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ।



বিভিন্ন অপপ্রচার এবং আন্দোলনের কর্মী আহমেদ রাজীব হায়দারকে হত্যার শোক মোকাবেলা করে চলছেন তারা।



ইমরান সরকার বলেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধী, যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারীদের অর্থপুষ্ট কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম শুরু থেকেই জনগণের এই জাগরণ নিয়ে আপত্তিকর, মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্ভট কল্পকাহিনী প্রচার ও প্রকাশ করছে।



“রাজাকার, শয়তানের দোসরদের মস্তিস্ক বিকৃত এসব অপ-সংবাদ মাধ্যমকে বিক্ষুব্ধ জনতা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।”



আন্দোলনের প্রতি দেশবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা তুলে ধরে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র বলেন, “ঘাতক ও গণহত্যাকারীদের দোসররা এই দেশে তাদের সর্বশেষ মরণকামড়টি বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।



“অতীতেও আমরা দেখেছি, যখনি ধর্ম ব্যবসায়ীরা অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়ে, তখনি মানুষের ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার করে প্রিয় বাংলাদেশকে দোযখে পরিণত করার হিংস্র অপচেষ্টায় মেতে ওঠে।”



“এ কাজটি ওরা একাত্তরেও করেছে। ধর্মের নামে, ধর্মকে ব্যবহার করে এসব শয়তানেরা গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট জায়েজ করতে চেয়েছিল।“



“কিন্তু জেগে উঠেছে জনতা। হায়েনার কুচক্র, ঘাতকের শয়তানি, দেশবিরোধীদের সব অপপ্রচার ভেসে যাবে দেশপ্রেমের জোয়ারে,” দৃঢ় কণ্ঠে বলেন তিনি।



ইমরান দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আমার অনুরোধ, আপনারা চোখ-কান খোলা রাখুন; সজাগ থাকুন। ধর্মের নামে কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবে না।”



তিনি বলেন, “গণজাগরণ মঞ্চে কেবল ইসলাম ধর্মই নয়, অন্য কোনো ধর্মের কিংবা মতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ কিংবা ঘৃণা উচ্চারিত হয়নি, হচ্ছেনা, হওয়ার কোনো কারণ নেই।”



“এই মঞ্চে যাবতীয় ঘৃণার উচ্চারণ যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে।”



ইমরান বলেন, “ধর্ যার যার, রাষ্ট্র সবার। বাংলাদেশের মাটিতে, বাংলা মায়ের পবিত্র দেহে ধর্মান্ধ, মৌলবাদী, দেশবিরোধীদের একটি আঘাতও পড়তে দেব না। এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলছে, সংগ্রাম চলবে।”



গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ নিয়ে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের লেখালেখির প্রতিক্রয়ায় তিনি বলেন, “গণজাগরণ মঞ্চ কোনো গোপন সমাবেশ নয়। এখানে কী হয়, তা দেশের সব মানুষই দেখছেন।”



গণজাগরণ মঞ্চের ছয় দফার বাইরে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা না বলার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ইমরান।



হাজারো মানুষের সামনে রাতে এই বক্তব্য রাখেন ইমরান। প্রতিদিনের মতো সমাবেশের পরিসর আগের মতোই রয়েছে।



মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নতুন আরো সংগঠন আন্দোলনে একাত্মতা জানায়।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের একদল ছাত্র দুপুরে তাদের শিক্ষা সমাপনী উৎসব বাতিল করে এই সমাবেশে একাত্ম হন।



এছাড়া বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অসংখ্য শিক্ষার্থী সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত স্লোগানে স্লোগানে মুখর রাখেন প্রজন্ম চত্বর।



গণজাগরণ মঞ্চের বুধবারের কর্মসূচি হচ্ছে বিকাল ৪টা ১৩ মিনিটে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের উদ্দেশে বেলুন ওড়ানো।



শহীদদের প্রতি একটি চিঠি লিখে তা বেলুনে বেঁধে দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।



পরদিন ২১ ফেব্রুয়ারি বিকালে মহাসমাবেশ হবে প্রজন্ম চত্বরে।



একইসঙ্গে সেদিন দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে বিকাল ৩টায় একুশের গান একযোগে গাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৯

আবু তাশফীন বলেছেন: কতিপয় নাস্তিকদের (যাদের ফেসবুক, ব্লগ ইতিমধ্যে ইসলাম ধর্ম বিরোধী কার্যকলাপে পূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাই, বিষয়টা একদম অপপ্রচার বলে বিশ্বাস হয়না) কারণে শাহবাগ আন্দোলন ফেল করুক চাইনা।

২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:০৮

শয়ন কুমার বলেছেন: দুস্কৃতিকারীদের নিয়ে কখনো কোন আন্দোলন সফল হয় না। এদের দুর্গন্ধের কারণে এই আন্দোলনে আলেমগণ সমর্থন দিতে পারছে না। আসিফ থাবা বাবারা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রেখেছে তার চাইতে হাজারগুণ বেশি অবদান রেখেছে এই আন্দোলনকে বিতর্কিত করতে। শাহবাগে আন্দোলনের সাথে যারা যুক্ত আছেন, তাদের মধ্য কোন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলে ঝেটিয়ে বিদায় করুন। কারণ এই ধরণের ব্যক্তিরা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রাখছে তার চেয়ে আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্হ করছে বেশি।

ফায়ারম্যান বলেছেন: হাটহাজারীতে আজ ব্লগারদের যে শাস্তি দাবি করা হয়েছে তার মূলে রয়েছে থাবা বাবা ও আসিফের মত কুখ্যাত কতিপয় ব্লগার।কুখ্যাত নাস্তিক থাবা এই আন্দোলনের লাখো মানুষের মধ্যে একজন মাত্র... সে এই আন্দোলনের রিপ্রেজন্টেটিভ বা মুখপাত্র না... এই আন্দোলন বাংলার মানুষের দাবী... থাবার ধর্ম বিরোধি লেখায় তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ফুইটা উঠছে... শাহবাগের সকল মানুষের না ।
আসিফ থাবা বাবারা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রেখেছে তার চাইতে হাজারগুণ বেশি অবদান রেখেছে এই আন্দোলনকে বিতর্কিত করতে।এই ধরণের ব্যক্তিরা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রাখছে তার চেয়ে আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্হ করছে বেশি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.