নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

:)

মাহমুদ রহমান

33

মাহমুদ রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী

৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৭

প্রশ্নঃ

রাসুল সা. নয়টি বিয়ে করেছেন,অথচ অন্য মুসলমানের জন্য চারটির বেশি বিয়ে করা নাজায়েজ। এর কারণ কি? সন্তোষজনক জবাব দেবেন আশা করি।



উত্তরঃ

জাহেলী যুগে একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে কোন বাধা নিষেধ বা কোন সীমারেখা ছিলো না। প্রাচীনকালে প্রায় সর্বত্রই স্বামীদের একাধিক স্ত্রী ছিলো। একজন পুরুষ যত ইচ্ছা বিয়ে করতে পারতো।



ইসলাম এই রীতি বন্ধ করে দিয়েছে এবং চারটির বেশি বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যেসব সাহাবার চারের অধিক স্ত্রী ছিলো, রাসুল সা. তাদের বলেছেন, তাদের মধ্যে চারজন বাছাই করে রাখো,অন্যদের তালাক দিয়ে দাও।



ইসলাম একাধিক বিয়ের অনুমোদন শর্ত সাপেক্ষে দিয়েছে। সকল স্ত্রীর সাথে একই রকমের ব্যবহার এবং একই সুবিচার করতে হবে। কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,



" যদি তোমাদের এই ভয় হয় যে, তোমরা ( একের অধিক হলে) ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে (তোমাদের জন্য) একজনই যথেষ্ট।" (আন নিসাঃ আয়াত ৩)।



তবুও আল্লাহ তায়ালা রাসূল সা. কে সকল মানুষের তুলনায় একটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দেয়ার আদেশ তাঁকে দেয়া হয়নি। তবে এরপর বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে, যদি কোন নারীকে পছন্দ হয় তবুও। আল্লাহর এই নিষেধের কথা নিম্নোক্ত আয়াতে বলা হয়েছেঃ



'' (হে নবী) এরপরে তোমার জন্যে এটা বৈধ নয় তুমি তোমার (বর্তমান) স্ত্রীদের বদলে (অন্য নারীদের গ্রহ ণ করে ) নেবে, যদিও সেসব নারীদের সৌন্দর্য তোমাকে আকৃষ্ট করে।" (আহযাবঃ ৫২)



চারজন স্ত্রী রখে অন্যদের তালাক দেওয়ার আদেশ আল্লাহ তায়ালা রাসুল সা. কে দেননি। তাঁকে এই আদেশ থেকে আলাদা রাখা হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে, রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার ফলে উল্লেখিত মহিলারা বিশেষ সামাজিক মর্যাদা লাভ করেছেন। রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার কারণে তারা সমগ্র মুসলমানের মা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন,



" আল্লাহর নবী মোমেনদের কাছে তাদের নিজেদের চাইতেও বেশি প্রিয়।, নবীর স্ত্রীরা হচ্ছে তাদের মা (সমান)।" (আহযাবঃ ৬)



মুসলমানদের মা হওয়ার বন্ধনের কারণে তাদের বিয়ে করা যেকোন মুসলমানের জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ। আল্লাহ তায়াল বলেন,



" তোমাদের কারো জন্যই এটা বৈধ নয় যে, তোমরা আল্লাহর রাসুলকে কষ্ট দেবে- (না এটা তোমাদের জন্য বৈধ যে,) তোমরা তারপর কখনও তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করবে, এটা আল্লাহ তায়লার কাছে একটি বড় (অপরাধের) ব্যাপার।'' (আহযাবঃ ৫৩)।



চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো। রাসুল সা. এর সাথে বিয়ের কারণে তারা যে সামাজিক মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন, তালাকের পর সে মর্যাদা থাকতো না। এর অর্থ হচ্ছে কোন অপরাধ না করেও তারা শাস্তি ভোগ করতেন এবং বঞ্চনার স্বীকার হতেন। তাছাড়া যদি তাঁকে এ আদেশ মেয়া হত যে, আপনি চারজন স্ত্রী রেখে বাকী স্ত্রীদের তালাক দিন তবে রাসুল সা. এর জন্যে কঠিন সমস্যার সৃষ্টি হতো। কারণ তিনি কাকে রেখে কাকে তালাক দিবেন ? তার দৃষ্টিতে সকল স্ত্রী ছিলেন সমান। শুধু তাই নয়, চারজন রেখে বাকীদের সামাজিক মর্যাদাহানি হতো। তারা মু সলমানদের মা হওয়ার যে গৌরবলাভ করেছিলেন সেই গৌরব থেকে বঞ্চিত হতেন।



এ কারণে তাঁর সকল স্ত্রী বহাল থাকা ছিল যুক্তির দাবী। তবে পরবর্তীতে অন্য কোন নারীকে বিয়ে করতে রাসুল সা. কে আল্লাহ তায়ালা নিষেধ করেছেন। এ সম্পর্কে ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।



এখানে একটা তা স্পষ্ট করা দরকার যে, রাসুল সা. যাদের বিয়ে করেছিলেন, তাদের কারো রুপে আকৃষ্ট হয়ে বা যৌন কামনার বশবর্তী হয়ে করেননি। পাশ্চাত্যের লেখকরা যদিও রাসুল সা. এর শানে বেয়াদবের মত এরকম গোস্তাখিপূর্ণ কথা উল্লেখ করেছে। কিন্তু চিন্তা করে দেখুন, রাসুল সা. পঁচিশ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেছিলেন। হযরতখাদীজা রা. ছিলেন সেই সময় রাসুল সা. এর পনের বছরের বয়োজ্যেষ্ঠ। তাছাড়া ইতিপূর্বে দু'বার তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং সন্তানও হয়েছিল। তবুও বিবি খাদিজার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং চমতকার প্রীতিপূর্ণ জীবন যাপন করেন।

হযরত খাদিজা রা. এর ইন্তেকালের পর রাসুল সা. তার প্রসংগে সবসময় ভাল কথা বলতেন এবং তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেন।



হযরত খাদিজা রা. এর মৃত্যূর পর রাসুল সা. অন্যান্য বিয়ে করেছিলেন। ৫৩ বছর বয়সে রাসুল সা. হযরত সাওদা বিনতে জামায় রা. কে নিজ সন্তানের দেখাশুনা এবং ঘর সংসারের দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বিয়ে করেন। হযরত আবু বকর রা. এবং হযরত ওমর রা. এর সাথে সম্পর্ক অধিকতর মজবুত করার উদ্দেশ্যে আয়েশা রা. এবং হাফসা. রা.কে বিয়ে করেন। একই উদ্দেশ্যে ওসমান রা. এবং আলী রা. কে নিজ কন্যাদের সাথে বিয়ে দেন। চিন্তা করে দেখুন তো, এটা কি কাকতালীয় ব্যাপার ছিলো যে, রাসুল সা. এর ওফাতের পর উল্লেখিত চারজনই পরে খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন।



হযরত হাফসা বিধবা ছিলেন। তার অতোটা রুপ সৌন্দর্যও ছিল না। হযরত আয়েশার সাথে বিয়ের সময় তার বয়স এত কম ছিল যে, সেই বয়সে তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্াপন কষ্টকর চিন্তা ছাড়া কিছু ছিলো না।



উম্মে সালমা রা. বিধবা হন এবং ধৈর্যের সাথে বৈধব্যকাল অতিবাহিত করেন। তার ধৈর্যের কারণে আল্লাহ তায়ালা পুরস্কার স্বরুপ রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার সৌভাগ্য দান করেন। জুওয়াইয়া বিনতে হারিস রা. কে রাসুল সা. এ উদ্দেশ্যে বিয়ে করেছিলেন যে, বিয়ের পর জুওয়াইয়ার কওমের লোক ইসলাম গ্রহণ করবে। আবু সুফিয়ানের কন্য উম্মে হাবিবাকে এ জন্য বিয়ে করেছিলেন যে, উম্মে হাবিবা হাবশায় হিজরত করার পর তার স্বামী মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল এবং মৃত্যুবরণ করেছিলো। উম্মে হাবিবার কষ্ট লাঘবের জন্য রাসুল সা. তাকে বিয়ে করেন। তা চাছাড়া এ বিয়ের আরেকটি উদ্দেশ্য ছিলো ইসলামের প্রতি আবু সুফিয়ানের শত্রুতা হয়তো কিছুটা কমে যাবে।



বিস্তরিত এ আলোচনায় বোঝা যায় যে, রাসুল সা. এর প্রতিটি বিয়ের পিছনেই ছিল মহত উদ্দেশ্য। রুপ সৌন্দর্য, অর্থ সম্পদ বা যৌন কামনা তাড়িত বিয়ে একটিও ছিলো না। একত্রে চারজন স্ত্রীর অধিক রাখা যাবে না- এই বিধান জারি হওয়ার আগে রাসুল সা. ওই বিয়েগুলো করছিলেন। এই বিধানের পরে রাসুল সা. একটি বিয়েও করেন নি। তবে তাঁর স্ত্রী হিসেবে যারা ছিলেন তাদের কাউকে তালাক দেননি। এর কারণ উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।



রাসুল সা. এর একাধিক বিয়ের অন্যতম প্রধান কারণ ছিলো, ইসলামের প্রচা প্রসারে সহায়তা করা। আরও একটি উদ্দেশ্য ছিলো, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর জীবন চরিত সম্পর্কে বেশি সংখ্যক মানুষকে অবহিত করতে পারবে। এতে সন্দেহ নেই যে, স্ত্রীরা স্বামীদের যতটা কাছাকাছি থাকেন অন্য কেউ ততটা থাকতে পারেন না।



রাসুল সা. একাধিক বিয়ে করে স্ত্রীদের সামনে নিজের বাস্তব জীবনের নমুনা পেশ করেন। স্ত্রীরা যেন সেসব মানুষকে জানাতে পারেন। রাসুল সা. বলেন আমার সম্পর্কে লোকদেরকে জানাও।



হযরত আয়েশা রা. রাসুল সা. এর জীবন সম্পর্কে লোকদেরকে বিস্তরিত অবগত করেছেন। স্বামী স্ত্রীর একান্ত ও বিশেষ সম্পর্কের কথাও তিনি গোপন করেননি।



-------------------------------------- লেখাটি 'ফতোয়া' নামক বই থেকে নেয়া। জনাব কারযাভীর বিভিন্ন প্রশ্নোত্তরের বাংলায় সংকলন করেছেন হাফেজ মুনির উদ্দিন আহমদ। বইটি প্রকাশ করেছে আল কোরআন একাডেমী লন্ডন। কাটাবনের বইয়ের দোকানগুলোতে পেতে পারেন।



আল্লামা কারযাভীকে জানতে এখানে ক্লিক করুন

মন্তব্য ১০৮ টি রেটিং +৩২/-২০

মন্তব্য (১০৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬

অচেনা বাঙালী বলেছেন: পালক ছেলের বউকে বিয়া করার ব্যপারটা চেপে গেছেন। এই সম্মন্ধে হুজুরের বয়ান কি?

২| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:১৬

সোনার বাংলা বলেছেন: খুবই সুন্দর পোষ্ট।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৩

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: সুন্দর পোস্ট, ধন্যবাদ। কোথা থেকে দিয়েছেন এটা জানতে পারি?


অচেনা বাঙালী,
আনাস (রা) এর তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীকে বিয়ে করার নির্দেশ কিন্তু কুরআনে সরাসরি এসেছে। এই ব্যাপারটাই কোন মুসলিমকে একে প্রশ্ন করা থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।

নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে চাইলে--ইসলামে রক্তের সম্পর্কের মূল্য অপরিসীম, পালক পিতা পুত্রের কোন কনসেপ্ট নেই। কাউকে ছোট থেকে বড় করা আর পুরাপুরি অনাত্মীয় কারো সাথে কোন মৌলিক পার্থক্য নেই। এই ব্যাপারটা আরবের লোকের জন্য গ্রহন করা কঠিন ছিল, কারণ তাদের কাছে মুখে ডাকা ভাই, ছেলে, বাবা, চাচা এগুলোর মূল্য ছিল অনেক বেশি। কুরআনের নির্দেশটা দেয়া হয় এই কুসংস্কারটাই ভেঙে দেয়ার জন্য। মুহাম্মদ (সা) নিজে যদি না করে যেতেন, তাহলে কুসংস্কারটা মূল থেকে উৎপাটন সম্ভব হতো না হয়তো কখনও।

৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩২

অচেনা বাঙালী বলেছেন: মুহাম্মদ (সা) নিজে যদি না করে যেতেন, তাহলে >>কুসংস্কারটা মূল থেকে উৎপাটন সম্ভব হতো না হয়তো কখনও।

চমত্কার! আমি মুগ্ধ আপনার যুক্তিতে।
ছেলের বউকে বিয়ে না করার মত জঘন্য কুসংস্কারের মূল উত্পাটন না করলে জগত সংসারের কতই না ক্ষতি হতো।

৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: অমিত বাঙালী,
ইসলামে আনাস (রা) কে ছেলে বলে স্বীকৃতি দেয়া হয় না।

সুতরাং আপনার স্টেইটমেন্টের গোঁড়াতেই ভুল।

ওই সমাজের এই প্রথাটা দূর করার প্রয়োজনীয়তা আল্লাহ বোধ করেছেন বলে কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন। ঠিক কতটুকু ক্ষতি হতো জগৎ সংসারে আমি নিশ্চিত নই, কিন্তু কুরআনের নির্দেশে যেহেতু বিয়ে করা, তার মানে নিশ্চ্য়ই অনেক!

৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫২

চোর বলেছেন: আমি এতদিন জানতাম ১৩ বিয়া। এখন দেখতেছি ৯ টা। যাক, ওয়ান ডিজিটে আছে।

৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৫

মোতাহের হোসেন সোহেল বলেছেন: রাসুলের(স:) ২জন ক্রীতদাসী স্ত্রী ছিলেন। তাদের সম্‌পর্কে জানতে চাই?

৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৭

অচেনা বাঙালী বলেছেন: এইবার ৫৬ বছর বয়সে ৯ বছর বয়সের বাচ্চা মেয়ে বিয়ে করা মহান কর্মটি নিয়ে একটু বয়ান করেন দয়া করে @ সন্ধাবাতি

৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হা হা হা @ অচেনা।

শুনতে চান? তাহলে শুনেন!

৯ বছর ছিল আয়েশা (রা) এটা কিন্তু আন ডিস্পিউটেড ফ্যাক্ট না। কয়েকটা ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনায় কয়েকটা বয়স এসেছে। আমি সর্বোচ্চ ষোল পর্যন্ত যেতে দেখেছি।

বিয়ের মূল উদ্দেশ্যে শুধু যৌনতা খুঁজেন নি মুহাম্মদ (সা), রাসুল (সা) এর স্ত্রীরা ছিল মুমিনদের মা। মুহাম্মদ (সা) এর অবর্তমানে, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কেমন ছিলেন তা বলার গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন, কারণ স্ত্রীর মত এক কাছ থেকে কেউ দেখতে পারে না একজন মানুষকে।

আয়েশা (রা) একটা লম্বা সময় কাটিয়েছেন শিক্ষিকা হিসেবে, রাসুল (সা) এর মৃত্যুর পরে, যখন নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাই তার কাছে দীক্ষা নিতে আসত, রাসুল (সা) এর জীবন সম্পর্কে জানতে চাইতো, কুরআনের বিশেষ অংশ সম্পর্কে রাসুল (সা) কি বলেছেন তা জানতে চাইতো। এই কাজটা কিন্তু কোন পুরুষ সাহাবীও করতে পারে নি। প্ল্যানটা আল্লাহর ছিল, খুব দূরদর্শী বলেই নিশ্চয়ই :))

১০| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৫

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আয়েশা (রা) সেই যুগের মেয়েদের তুলনায় মারাত্মক ব্রিলিয়ান্ট ছিলেন, প্রশ্ন করতেন অনেক, যা অনেক পুরুষ সাহাবীরাও করতে পারতেন না। অনেক ক্ল্যারিফিকেশন এসেছে আয়েশা (রা) কে ঘিরে, শুধু তাকে উপলক্ষ করেই অনেক কুরআনের আয়াত এসেছে। এসব বিচার করলে আয়েশা (রা) এর সাথে মুহাম্মদ (সা) এর বিয়েটা খুব বিচক্ষন এবং প্রয়োজনীয় ছিল!

১১| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৬

চোর বলেছেন: বাতি আপু, মুহাম্মাদ (সাঃ) আসলে কয় বিয়া করেছিলেন? মাহমুদ সাব সিঙ্গেল ডিজিটে নামায়া যে কি প্রমাণ করতে চাইলেন, বুঝলাম না।

১২| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২১

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমি যতটুকু জানি রাসুল (সা) এর এট আ টাইম ৯ জন স্ত্রী ছিলেন, কিন্তু মোট বিয়ে করেছেন তারও বেশি। যেমন, খাদীজা (রা) আগেই মারা গিয়েছিলেন। এছাড়া তাঁর দু'য়েক জন স্ত্রীর ব্যাপারে ঐক্যমত নেই। মাহমুদ রহমান কোথাও থেকে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন, ওখানে প্রশ্নকর্তাই সেই প্রশ্ন করেছে... আমার ধারণা।

১৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২২

বন্ধনহীন বলেছেন: ধর্ম, আজকের দিনের নীতিবোধ সব বাদ দিয়ে চিন্তা করেন, এটা ১৪০০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটা ব্যপার, তখন সব পরিস্কার হয়ে যাবে। মাথায় রাখতে হবে শুধু ১৪০০ বছর আগের আরবের সমাজব্যবস্থা।

১৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫

রাগ ইমন বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ !
একটা জিনিস খোঁচাচ্ছে ।
১। ২৫ বছরের যুবকের বিয়ে করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া
২। শান্তি রক্ষা , ইসলামের প্রচার , গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে সম্পর্ক স্থাপন , বন্ধুর সাথে সম্পর্ক পাকা করার জন্য যখন যেমন দরকার , বিয়ে করা ।

৩। ইসলামী শাসনে পরিবার তন্ত্র শুরু ( দুই খলিফা বেয়াই , দুই খলিফা জামাই)

৪। শিশু বিবাহ

৪। পরিশেষে , "অন্য কেউ বিয়ে করবে না" - এর জন্য তালাক না দেওয়া ।

সম্মান প্রদর্শন পূর্বক , এই ভদ্রলোক যদি , বাই এনি চান্স, রাসূল না হইতেন , তাইলে এই বিশাল কর্ম সম্পাদনের নিমিত্তে তাহাকে সমাজ কি রূপে দেখিত ?

এইটারে "বিশাল মহত্ব " হিসেবে না দেখে চরম সুবিধাবাদ হিসেবেও দেখা যায় । চরম সুবিধাবাদ বলা যায় না মাত্র দুইটা কারনে ।

১। উপরের নির্দেশ (জলপাই কিন্তু পবিত্র ফল , ঃ) হা হা )
২। তৎকালিন আরব সমাজের বাস্তবতা । যেমন, যুদ্ধে মৃত সৈনিকের স্ত্রী "অসম্মান জনক" জীবন যাপনের চেয়ে বা না খেয়ে মরার চেয়ে অন্য কোন পুরুষের ২য়, ৩য় বা ৪র্থ স্ত্রী হয়ে জীবনযাপন বেটার ছিলো।

( কারো খেপে যাওয়ার দরকার নাই। কারো অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য বলা না । জাস্ট এ থট)

১৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: খলীফা বেয়াই আর জামাই হোক, তখন বিয়ে মুহাম্মদ (সা) নিজের মেয়েদের এমন মেয়েদেরই দিয়েছিলেন যারা সত্যিকারের যোগ্যতা সম্পন্ন। সেই সময়ে কিন্তু কারো সন্দেহ ছিল না ওমর (রা) এর যোগ্যতা সম্পর্কে, কেউ সন্দেহ করেনি হাফসা (রা) এর বাবা হিসেবে মুহাম্মদ (সা) ওনাকে খলিফা বানিয়েছেন।


মুসলিমদের ছোট্ট কমিউনিটিতে অনেকেই অনেক ভাবে লিংকড ছিলেন। যে কোন যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষই হয়তো রাসুল (সা) এর নিজের পরিবারের কেউ ছিলেন কোন না কোন ভাবে।


যদি এ থেকে বাঁচার জন্য একেবারেই নির্বোধ, অশিক্ষিত কাউকে খলীফা বানাতেন সেটা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হতো না, তাই না?

১৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৪

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: বাল্য বিবাহের ব্যাপারে বলি--
টিনেজ আইডিয়াটা যে পশ্চিমা সমাজের সৃষ্টি, তাও গত কয়েক শতকে, সেটা জানো তো? আগে কিন্তু পিউবার্টি রিচ করলেই সে 'বড়' হয়ে যেত, 'শিশু' থাকত না। সব সমাজেই। তুমি এখনকার চোখ দিয়ে দেখলে তো চলবে না। তাহলে রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে আরও অনেকেই শিশু বিবাহের দায়ে দায়গ্রস্ত হবেন।

আয়েশা (রা) পিউবার্টি রিচ করার পরেই রাসুল (সা) এর সাথে সংসার শুরু করেন। ৯ বছরের ব্যাপারে যদিও ঐক্যমত নেই, তবু ধরে নেই বয়সটা ৯ই ছিল। তো? সবার শারিরীক আর মানসিক গড়ন কিন্তু এক রকম হয় না। তুমি ডাক্তার তুমি জানো গরমের দেশে মেয়েদের শারিরীক পূর্ণতা বেশ আগে আসে।

১৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫

চোর বলেছেন: এট আ টাইম ৯ জন স্ত্রী থাকা মানে নয়টি বিয়ে করা না। বিয়ের সংখ্যা আরো বেশি। উনার জীবদ্দশায় শুধুমাত্র খাদিজা (রাঃ) মারা গিয়েছিলেন (?)। তাহলে, বাকিদেরকে কি তালাক দিয়েছিলেন?

প্রাসঙ্গিক আরেকটা জিনিস, বিয়ের সংখ্যা একটা গ্রোস লেভেলের ইনফর্মেশন। এটা নিয়েই আমরা নিশ্চিত না। আর হাদিস নামধারী রূপকথার প্রতিটা শব্দকে ধ্রুবসত্য মেনে নিয়ে ফতোয়া দেই, ধর্ম হিসেবে প্রচার করি। জিনিসটা একজন মুসলমানের জন্য পীড়াদায়ক।

১৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: চরম সুবিধাবাদীর কথাটা তাঁর চরিত্রের অন্যান্য দিক পড়লে বুঝা যাবে, ধোপে টিকার মত না।

অনেকগুলো দিন না খেয়ে কাটিয়েছেন, যখন শাসনকর্তা ছিলেন তখনও।

চরম সুবিধাবাদী হলে, এতগুলো বিধবা আর বুড়িদের বিয়ে করার আসলেই দরকার ছিল না। উপরের নির্দেশ বলে ১১ কেন ১০০ জন সুন্দরী যুবতীকে বিয়ে করতেন! উল্টা তো নিজের ঘাড়ে বোঝা চাপিয়ে নিলেন অনাথ অসহায় মেয়েদের বিয়ে করে!

২ নম্বর ঠিক আছে, সেটাই ছিল মূল কারণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বিশ্বে প্রস্টিটিউশন ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে কারন তখন ওয়ার উইডোদের যাওয়ার যায়গা ছিল না, এবল বডিড পুরুষ ছিল না কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে করার জন্য।

সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর সম্মান দিয়ে রাখা মানে কিন্তু দায়িত্ব নেয়া, ইনডালজেন্স না, দায়িত্বহীন ভোগ না। স্ত্রীর সম্মান দিয়ে রাখা মানে প্রতিটা স্ত্রীকে একই ব্যাপার সংস্থান করে দেয়া, একই মর্যাদায় রাখা।

১৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: চোর, আপনার কিছু পছন্দ না হলেই সেটা হাদীসের উপর দোষ চাপিয়ে ইনভ্যালিড করে দেন। এইটা আমাকে ভাবায়। আসলেই কি আপনি ইসলাকে চিনতে চাইছেন নাকি নিজের মত করে ইসলামকে সাজাচ্ছেন।

তো রাসুলের কয় বউ ছিল আপনার মুখেই শুনি।

২০| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: সাহস করেন নি না, কারণ খাদীজা (রা) যে মুহাম্মদ সা কে ভীষণ শ্রদ্ধা করতেন, সেটা তার জীবন সম্পর্কে জানলেই বুঝা যায়। তখন 'প্রয়োজন' পড়ে নি। তখনও তিনি নবী ছিলেন না, এত দায়িত্ব আসে নি ঘাড়ে।

২১| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫২

অচেনা বাঙালী বলেছেন: >>তখনও তিনি নবী ছিলেন না

?????

২২| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩

রাগ ইমন বলেছেন: দ্রোহী , আপনি কোন মুসলিম নারীর ২য় অথবা ৩য় স্বামী হইতে চান ? ;)

সন্ধ্যা , আরবের তৎকালিন বাস্তবতা আমি মনে হয় খুব একটা কম পড়ালেখা করি নাই । রাসূলের অনেক "বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় এবং বর্জনীয় " সিদ্ধান্ত তখনকার কন্টেক্সটে হয়ত জাস্টিফায়েড ছিলো । হয়ত বেস্ট ডিসিশন ছিলো না । কিন্তু বেস্ট পসিবল ডিসিশন ছিলো ।

ইসলামেই বলা আছে , পরিবর্তন প্রয়োজন এবং সময় ও কন্টেক্সটের পরিবর্তনে নিয়ম কানুন পালটে যাবে ।

এই সহজ সত্যটাকে না মেনে , উলটো যখন "১৪০০ বছর আগের " উদাহরন ২০০৭ সালের বাস্তবতায় "কাস্টমাইজ না করেই" এপ্লাই করে ইসলাম তথা মুসলিমদের "উম্মাহ" না করে "দুম্বাহ " হইতে চাপ দেওয়া হয় , তখন না খেপে উপায় থাকে না।

এখনকার এটিচুড দেখিস নাই ?
কোন প্রশ্নই করা যাবে না !
অথচ , কাপড় হাটুর নিচে নামলো কেন , এই প্রশ্নের জাস্টিফায়েড উত্তর দিতে না পারলে মুহম্মদের গর্দান নিয়ে নিতেন বলে হুমকি ঊমর দিয়েছিলেন ভরা মজলিসে , রাসূলের সামনেই ।

কোথায় সেই মুক্তমনা , সাহসী , প্রশ্ন করতে ভয় পায় না ইসলাম?

চোখ বন্ধ করে হুজুরের পা চাটা ইস্লামিস্টদেরই বেশি দেখি চারপাশে ।

ইসলাম নিয়ে এই ব্যবসাটা সহ্য হয় না ।

কেউ বানায় দেবতা , কেউ বানায় রাঁঢ় !

২৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১১

তীরন্দাজ বলেছেন: আমার জানা মতে, বিয়ে হচ্ছে দু'জন মানুষের ভালবাসার ফসল। রাষ্ট্রীয় উদ্দেশ্য, ধর্মীয় উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে বিয়ে, এমন কিছু কোরানের আয়াতেও আছে কি না, তাতে সন্দেহ রয়েছে বিস্তর। আর যিনি বিয়ে করছেন, তার যৌন কামনা না থাকা, তার স্ত্রীদের জন্যে সুখের বিষয়? তাদের যৌন কামনা থাকতে পারে না? নাকি পুরুষের যৌন কামনার উপরই নির্ভর করে সবকিছু?

যারা ইসলামী রাষ্ট্রের কথা ভাবছেন, তারা এখন রাষ্ট্রীয় উদ্দেশ্য, ধর্মীয় উদ্দেশ্য, সামাজিক মহান উদ্দেশ্য সাধনের বিয়ে ও মেয়েদরকে হাতিয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন।

আসল কথা হচ্ছে, তখনকার সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে এসব মেনে নিলেও, এখন এভাবে ভাবা নিতান্তই অন্যায়। শুধুমাত্র অন্যায় নয়, মহা অন্যায়। সেজন্যেই অনেক প্রশ্নই ধর্মকে সময়োপযোগী ভাবে ব্যখ্যার করার কথা বলা হয়। যারা তা চান না, তাদেরকে মৌলবাদী বলা হয়। মৌলবাদী চিন্তা এখনকার সমাজের জন্যে ক্ষতিকর ও অমানবিক।

২৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২২

অচেনা বাঙালী বলেছেন: /**এমন কিছু কোরানের আয়াতেও আছে কি না, তাতে সন্দেহ রয়েছে বিস্তর

আছে জনাব।
আস্তমেয়ে যাই বলুক, বৃদ্ধের কাছে শিশু বিয়া দিতে আবু বকর রাজী না হওয়া কোরানের আয়াত নাযিল হয়েছিল @ তীরন্দাজ

২৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৬

অচেনা বাঙালী বলেছেন: লানত লাগল নি?

২৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩০

অমনিবাস বলেছেন: কথাটা কইছিলাম আস্তমেয়ের পিউবার্টির কথাটার প্রসঙ্গে। গরমের দেশে মেয়েদের তাড়াতাড়ি যৌবন আসে বইলা উল্লেখ করছে সে, তাই সব কিছুর তো একটা টাইম ফ্রেম থাকে। ম্যানুস্ট্রেশন যেমন কুইক, তেমনি মেনুপজো আসবে তাড়াতাড়ি , শীত প্রধান দেশের নারীদের আগে (এইডা চিকিতসা বিজ্ঞানের হিসাব)। তাই বলতেছিলাম ম্যানুপজের শিকার হওয়ার আগেই আইবুড়িদের বিয়া বসা ফরজ, নাইলে কি একটা মিস হইয়া যাইব গা

২৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: রাগ আপু,
কনটেক্সট অনুযায়ী মৌলিক ব্যাপারগুলো ছাড়া অনেক কিছুই যে বদলে যায় এটা ইসলামেরই শিক্ষা। আর কোরআন হাদীসের কোন প্রমান না পাওয়া পর্যন্ত প্রশ্ন করতেও বলা হয়েছে। কুরআনের নির্দেশ অনেক সময় প্রশ্নাতীত মানতে বলার কারণ অন্য রকম। নির্দিষ্ট পরিমান জ্ঞানার্জনের আগে অনেক কিছুর উইজডম বুঝা যায় না। আমার দশ বছর বয়সে যত কিছু মেইক সেন্স করতো, যে সব প্রশ্ন জাগতো, এখন কিন্তু উইজডমের জন্যই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলেছে। আরও দশ বছর পরে আরও অনেক হাম্বলনেস আসবে, এই ইনক্রিসড নলেজের জন্যই। তারপরেও, ইসলামের অনেক কিছুই কনটেক্স ডিপেন্ডেন্ট।

২৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: অচেনা বাঙালী,
তাই বুঝি? আয়েশা (রা) কে মুহাম্মদ (সা) এর কাছে বিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোন আয়াত নাজিল হয়েছে একটু দিবেন প্লীজ? আমার জানা মতে সেটা কুরআনের আয়াতে হয় নি, বিয়ে আবু বকর (রা) এর আগ্রহেই হয়েছে।

২৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: তীরন্দাজ,
ইসলামে বিয়ে 'শুধুমাত্র' যৌনসম্পর্কের জন্য নয়। বিয়েটা একটা 'পার্টনারশিপ'। ফর এভরি থিং।

বিভিন্ন কারণে বিয়ে হয়ে থাকলেও তিনি কিন্তু কখনও ভালবাসার ব্যাপারে একটুও কার্পণ্য করেন নি। তাঁর স্ত্রীদের বর্ণনা থেকেই বুঝা যায় স্বামী হিসেবে খুব ভাল ছিলেন।

৩০| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪০

আরিফ জেবতিক বলেছেন: "যেসব সাহাবার চারের অধিক স্ত্রী ছিলো, রাসুল সা. তাদের বলেছেন, তাদের মধ্যে চারজন বাছাই করে রাখো,অন্যদের তালাক দিয়ে দাও।"
.................
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে।
দেবতা করলে লীলাখেলা,
যতো দোষ আমার বেলা?


তালাকপ্রাপ্ত অসহায় নারীরা কোথায় যাবে তা নিয়ে মোহাম্মদ (সা:) ,আমাদের দরদী নবীর কি কোন চিন্তা ভাবনা ছিল না।
নিজের বেলা কাকে ছেড়ে কাকে রাখবেন,এটা নিয়ে চিন্তিত হলেন,অথচ তার থেকে বিচার বিবেচনায় নিকৃষ্ঠ মানুষ তথা সাহাবাদের বেলায় সেই টেনশনটা ফেলে দিলেন।

আল্লাহ সর্বজ্ঞই এর সঠিক কারন জানেন।

৩১| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দ্রোহী,
দাঊদ (আ) ধর্ষণ করেছিলেন এইটা কিন্তু কুরআন হাদীসে কোথাও নাই। বাইবেলে ডেভিডের ব্যাপারে কিছু অপপ্রচার আছে। ওইটা কিন্তু বাইবেলেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, ইসলামের ক্ষেত্রে আনলে হবে না, যেহেতু মুসলিমরা প্রথমেই বলে নেয় বাইবেলে অদল বদল হয়েছে।

৩২| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৭

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: জেবতিক আরিফের যুক্তির খন্ডন কিন্তু পোস্টেই দেয়া আছে, কেন এবং কেন নয়।

৩৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮

তীরন্দাজ বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি, আমি প্রথমেই বলে নিয়েছি, বিয়ে হচ্ছে দু'জন মানুষের ভালোবাসার ফসল। এই ভালোবাসার ভেতরে শুধুমাত্রই যৌনকামনা, এমন কথা কখন বললাম? কিন্তু এটাও বলতে চাচ্ছি যে, যৌনকামনা এই ভালোবাসার ভেতরে একটা উল্লেখযেগ্য বিষয়। এটা যারা অস্বীকার করে, তারা জেগে জেগে ঘুমোয়।
এই ভালবাসার ভেতরে আরো অন্যান্য আরো কিছু শর্ত রয়েছে। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস, দ্বায়িত্ববোধ, জীবনের চড়াই, উতরাইকে একসাথে পাড়ি দেবার মানসিকতা। রাষ্ট্রীয় উদ্দেশ্য, ধর্মীয় উদ্দেশ্য, সামাজিক উদ্দেশ্য সাধনের কারণে বিয়ে করা ভালবাসার পর্যায়ে পড়ে না। এটা বসসময়ের জন্যেই নিন্দনীয়।

আপনি কাকে বিয়ে করবেন। 'যে আপনাকে ভাল বাসে ও যাকে আপনি ভালবাসেন', নাকি যদি দরকার পড়ে, 'ধর্মীয় ও সামাজিক মঙ্গল সাধনের জন্যে কোন ধর্মীয় নেতাকে'?

৩৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৫

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: তীরন্দাজ,
"এই ভালবাসার ভেতরে আরো অন্যান্য আরো কিছু শর্ত রয়েছে। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস, দ্বায়িত্ববোধ, জীবনের চড়াই, উতরাইকে একসাথে পাড়ি দেবার মানসিকতা।"---এগুলো কিন্তু রাসুল (সা) এর বিয়ের বৈশিষ্ট্য ছিল!

পার্থক্য ছিল, সম্পর্কটা বিয়ের আগে থেকে ছিল না, বিয়ের পরে সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যেই সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সেটা ভালবাসার সবগুলো ক্যাটাগরিকেই ফুলফিল করে এন্ড মোর।

আমাকে করা প্রশ্ন শুনে হাসি পেয়েছে :))

৩৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৯

মানবী বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদ রহমান। মাঝে মাঝে ভিনদেশী ভিন্নধর্মের কেউ এই প্রসংগে কৌতুহল প্রকাশ করলে জ্ঞানের অভাবে অসহায় বোধ করেছি! রেফারেন্স সহ জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

৩৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১০

তীরন্দাজ বলেছেন: উত্তর না পেয়ে, হাসি পেলাম! @সন্ধ্যাবাতি
নাকের বদলে নরুন!

অনেক বহু সতীনের ঘর করার মতোই! তবে হাসি ভালো। আমরা হাসি খুবই কম। আরো অনেক বেশী হাসা দরকার!

৩৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১১

দ্রোহী বলেছেন: সেই যুগে নারীরা কি চরমভাবে অবহেলিত হন নি?


একেকজন পুরুষ ১২/১৪ টা করে বিয়ে করে বসে থাকতো। সাম্যবাদ কোথায়?

৩৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৭

দ্রোহী বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন

[তীরন্দাজ,
"এই ভালবাসার ভেতরে আরো অন্যান্য আরো কিছু শর্ত রয়েছে। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস, দ্বায়িত্ববোধ, জীবনের চড়াই, উতরাইকে একসাথে পাড়ি দেবার মানসিকতা।"---এগুলো কিন্তু রাসুল (সা) এর বিয়ের বৈশিষ্ট্য ছিল!
পার্থক্য ছিল, সম্পর্কটা বিয়ের আগে থেকে ছিল না, বিয়ের পরে সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যেই সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সেটা ভালবাসার সবগুলো ক্যাটাগরিকেই ফুলফিল করে এন্ড মোর।]

এতগুলো বউয়ের সাথে বিশ্বাস মেইনটেইন করতেন কিভাবে ?

৩৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৭

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হা হা হা @ তীরন্দাজ।
আচ্ছা জবাব দেই। আমি ভালবাসার ব্যাপারে কমপ্রমাইজ করব না। যদিও ঠিক নিশ্চিত না ভালবাসা কি এখনও বুঝি কি না। ভালবাসার বিবর্তন হয়। মোহ আর ভালবাসার পার্থক্যটা এখনও ঠিক মত বুঝে উঠতে পারি নি। মোহ, ভালবাসা, মায়া... এই স্টেইজগুলোতে সুইফট ট্রানজিশনেও পারদর্শী হয়ে উঠতে পারি নি। তবু, যখন হাইপোথ্যাটিকেল প্রশ্নটা ছুঁড়া হয়, তখন জবাব অবশ্যই--ভালবাসবে যে।


আর, সতীনও সহ্য করতে পারব না। প্রি-নাপশান এগ্রিমেন্ট দিব ভাবছি সতীন-সংক্রান্ত :)

৪০| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: প্রি-নাপশাল* হবে।

৪১| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩১

তীরন্দাজ বলেছেন: উত্তর ভালো লেগেছে সন্ধ্যাবাতি। তবে একটু অবিচার করলেন।

প্রশ্নটি একেবারেই হাইপথেটিক্যাল নয়। বরং আপনার নিজের বর্নিত অভিজ্ঞতাঘাটতির আলোকে উত্তর হাইপথেটিক্যাল হবার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশ্নটি পুরোপুরিভাবেই জীবনের কেন্দ্রবিন্দুকে স্পর্শ করেই।


দ্রোহীর কোট করা প্রশ্ন একেবারেই অবান্তর নয়।

৪২| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬

আরিফ জেবতিক বলেছেন: পোস্টে আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে শুনলাম।কিন্তু আমার মনে তো প্রশ্ন রয়েই গেল।

১/(চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো।)
তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী লোক অন্য পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ হবেন কেন?আমি তো জানি ইসলামে তালাকপ্রাপ্তা মহিলাদের আবার বিয়ে করা জায়েজ আছে।রাসুল(সা:) মানুষ ভিন্ন কিছু নহেন এবং আল্লাহর আইন রাসুল(সা:) এর জন্য মাঝে মাঝে কঠিন হতে পারে,(যেহেতু তাকে আদর্শ ধরা হয়েছে।)কিন্তু তার স্ত্রীদের উপরে কেন প্রযোজ্য হবে?



২/(রাসুল সা. এর সাথে বিয়ের কারণে তারা যে সামাজিক মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন, তালাকের পর সে মর্যাদা থাকতো না। এর অর্থ হচ্ছে কোন অপরাধ না করেও তারা শাস্তি ভোগ করতেন এবং বঞ্চনার স্বীকার হতেন।)
অন্য সাহাবীদের স্ত্রীরা কি কোন সামাজিক মর্যাদা ভোগ করতেন না?তাদের বিনাদোষে তাদেরকে সেই সম্মান থেকে বঞ্চিত করা কি ন্যায়বিচার হইল?


৩/(াছাড়া যদি তাঁকে এ আদেশ মেয়া হত যে, আপনি চারজন স্ত্রী রেখে বাকী স্ত্রীদের তালাক দিন তবে রাসুল সা. এর জন্যে কঠিন সমস্যার সৃষ্টি হতো। কারণ তিনি কাকে রেখে কাকে তালাক দিবেন ? তার দৃষ্টিতে সকল স্ত্রী ছিলেন সমান।)
অন্যলোকের কাছে যে সেই লোকের ৯ জন স্ত্রী সমান নহে ,এটা কিভাবে প্রমান পাওয়া গেল?



৪/(জুওয়াইয়া বিনতে হারিস রা. কে রাসুল সা. এ উদ্দেশ্যে বিয়ে করেছিলেন যে, বিয়ের পর জুওয়াইয়ার কওমের লোক ইসলাম গ্রহণ করবে। আবু সুফিয়ানের কন্য উম্মে হাবিবাকে এ জন্য বিয়ে করেছিলেন যে, উম্মে হাবিবা হাবশায় হিজরত করার পর তার স্বামী মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল এবং মৃত্যুবরণ করেছিলো। উম্মে হাবিবার কষ্ট লাঘবের জন্য রাসুল সা. তাকে বিয়ে করেন। তা চাছাড়া এ বিয়ের আরেকটি উদ্দেশ্য ছিলো ইসলামের প্রতি আবু সুফিয়ানের শত্রুতা হয়তো কিছুটা কমে যাবে।)
রাজনৈতিক বিয়ে ইতিহাসে প্রচুর আছে।সেই বিয়েকে মহত বলার কিছু নেই,এটা হলো ফ্যাক্ট।আফসোস যে আমাদের পিয়ারা নবীকেও এই রাজনৈতিক বিয়ের মাঝ দিয়েই ইসলাম প্রচারে যেতে হয়েছে মাঝে মাঝেই।

৪৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪১

দ্রোহী বলেছেন: বিজ্ঞানের প্রধান শাখা গণিতে জ্যামিতি আর অ্যালজেব্রার বিবর্তন ঘটেছে মুসলিম গণিতবিদদের হাতে। অ্যাস্ট্রোনমি বিবর্তিত হয়েছে মুসলিমদের মাধ্যমে। কেউতো কোনদিন বললো না কোরআন বা হাদীস থেকে এইসব পেয়েছেন তারা।

৪৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪

অচেনা বাঙালী বলেছেন: / ** ১/(চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো।)
** /

তালাকের দরকার পরে নাই, আয়েশার কথা চিন্তা করেন। নবী মোজাম্মদ মারা যাবার সময় তাঁর বয়স ছিল ১৬। তারপর বাকী জীবন উনাকে স্বামি বিহীন কাটাতে হয়। @ জেবতিক

৪৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৫

অচেনা বাঙালী বলেছেন: মোজাম্মদ = মোহাম্মদ

৪৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৭

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: জেবতিক আরিফ,
১. কারণ তারা আল্লাহর রাসুলের স্ত্রী! চয়েসটা তাদেরই ছিল, দেয়ার আর সাম রেস্ট্রিকশনস, দে নিউ দ্যাট। কারণটা হলো, রাসুলের স্ত্রীরা ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে একটা বড় দায়িত্ব পালন করেন। রাসুলের আশে পাশে বেশির ভাগ সময়ই পুরুষ সাহাবীরা থাকতেন, স্ত্রীরাই একমাত্র মহিলা যারা তাকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন, প্রশ্ন করার সুযোগ পেয়েছেন, তার ডাইরেক্ট অবজারভেশনে গড়ে উঠার সুযোগ পেয়েছেন। এই ব্যাপারটা মেয়েদের জন্য প্রয়োজন ছিল। এটা একটা উইজডম যা আমি জানি। আর অনেক নিশ্চই ছিল যা আল্লাহই জানেন!

২. রাসুল (সা) এর স্ত্রী ব্যাপারটা আলাদা। আর তখন কিন্তু তালাক এখনের চেয়েও আরও অনেক সহজে হতো। বিয়েটাও যেমন সহজে হতো। রাসুলের (সা) স্ত্রীদের ব্যাপারটা আলাদা ছিল, তাঁর স্ত্রীদের মর্যাদা আলাদা।

৩. অন দ্যাট নোট এগেইন, তখন কিন্তু তালাক অনেক সহজে হতো। এমন কোন বিয়ের কথা আমি শুনি নি যেখানে একজন লোকের সবগুলো স্ত্রীই কুমারী ছিল। ব্যাপারটা সহজ ভাবে নেয়া হতো। রাসুল (সা) এর স্ত্রীদের যেই মর্যাদা ছিল, সেটা নবীর স্ত্রী হিসেবে মর্যাদা। এর সাথে কিছু এসোসিয়েটেড দায়িত্ব এবং রেস্ট্রিকশন ছিল, যেটা অন্যান্যদের ব্যাপারে সত্য নয়। এই পার্থক্যটাই ক্রুশাল।

৪. বিয়েগুলো যেই উদ্দেশ্যেই হোক, বিয়ের পরে কিন্তু সব স্ত্রীর মর্যাদা একদম এক ছিল। আমাদের পিয়ারা নবীর এই ব্যাপারটা এমেইজিং যে নানা কারণে বিয়ে করেও এতটা সম্মান এবং ভালবাসা দিয়ে ঘিরে রাখতে পেরেছেন সব স্ত্রীকে।

৪৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: তীরন্দাজ,
দ্রোহীর কোট করা প্রশ্ন প্রসঙ্গে:
বিশ্বস্ততায় সমস্যা হবে কেন? যাদের বিশ্বাস রাখায় সমস্যা, তাদের এক বউ থাকলেও বিশ্বাস রাখতে পারে না। যাদের বিশ্বাসের সমস্যা নেই, তাদের একাধিক বউ থাকলেও প্রতিটা বউ অন্তত: এইটা জানে যে জামাই বিশ্বাস ভাংবে না। জামাই রাতে কোথায় থাকে সেইটা অন্তত: জানে, অনেকের এক বউ থাকলেও কিন্তু বউ জানে না জামাই রাতে কোথায় থাকে। বিশ্বাসের সমস্যার কারণ একাধিক স্ত্রী হতেই পারে না তাই!

আর আপাতত: ওটা হাইপথেটিকেলি। প্রথম কারণটা আমার ক্ষেত্রে হওয়ার কোন কারণই নেই তাই হেসেছিলাম।

৪৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯

দ্রোহী বলেছেন: [বিশ্বস্ততায় সমস্যা হবে কেন? যাদের বিশ্বাস রাখায় সমস্যা, তাদের এক বউ থাকলেও বিশ্বাস রাখতে পারে না। যাদের বিশ্বাসের সমস্যা নেই, তাদের একাধিক বউ থাকলেও প্রতিটা বউ অন্তত: এইটা জানে যে জামাই বিশ্বাস ভাংবে না। জামাই রাতে কোথায় থাকে সেইটা অন্তত: জানে, অনেকের এক বউ থাকলেও কিন্তু বউ জানে না জামাই রাতে কোথায় থাকে। বিশ্বাসের সমস্যার কারণ একাধিক স্ত্রী হতেই পারে না তাই!
আর আপাতত: ওটা হাইপথেটিকেলি। প্রথম কারণটা আমার ক্ষেত্রে হওয়ার কোন কারণই নেই তাই হেসেছিলাম]


ব্যাখাটা নিজের কাছে কি স্বাভাবিক লাগছে? আমার মনে হচ্ছে না।

৪৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৩

আরিফ জেবতিক বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি,
আসলে আমার প্রশ্ন আপনাকে বুঝাতে পারি নি,আর তাই আপনার উত্তরও আমার কোন কাজে আসলো না।

১/চয়েসটা যদি রাসুলের(সা:) স্ত্রীদের হাতে থাকে,তাহলে অন্য সাহাবীদের ক্ষেত্রে কোন কোন স্ত্রী স্বামীর সাথে থাকবেন কি থাকবেন না,সেই সিদ্ধান্তটাও
ঐসব স্ত্রীলোকেরই থাকা উচিত..এটা হলো আমার বিবেচনা । তালাকপ্রাপ্তা যে কোন মুসলিম নারীরই আবার বিয়ে করার রাইট ছিল,আছে,এবং থাকবে।রাসুল(সা:)এর স্ত্রীদের সেই অধিকার ছিল না জেনে কষ্ট পেলাম,এই আর কি।


আপনি তো বলেই দিলেন রাসুল(সা:) এর স্ত্রীদের ব্যাপার আলাদা,তাইলে আর আলোচনায় অংশ না নেই।
মুহম্মদ (সা:) ইজ অলওয়েজ রাইট।তিনি যখন অন্যদেরকে স্ত্রী তালাক দিতে বলেও নিজের স্ত্রীদের রেখেছেন,তাইলে ১৪০০ বছর পরে আর আমি আপত্তি জানাই কেমনে?
ঠিক হ্যায়,এই পোস্ট থেকে কুইট হইলাম।

৫০| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমার লাগছে দ্রোহী।

পশ্চিমে যেহেতু থাকেন, জানেন নিশ্চয়ই, এডাল্ট্রির সমস্যা কত বেশি?


অথচ এদের তো এক বউ ই তাই না?


আমি একজনকেই চিনি যাঁর দুই বউ আছে। ওনার পরিবারটা দেখে আমার শ্রদ্ধা হয়েছে।


দ্বিতীয় বউ আমেরিকান কনভার্টেড মহিলা। এখন বাংলাদেশে থাকেন, উচ্চ শিক্ষিত এবং বেশ ভালো চাকরি করছেন।


ওদের বিয়ের বয়স এখন প্রায় পঁচিশ। দুই বউয়ের সাথেই কিন্তু সুন্দর সম্পর্ক আছে (দুই বউয়ের মধ্যেও ভাল সম্পর্ক), দুই বউই স্বামীকে বিশ্বাস করতে পারেন।


ওদের মেয়ে আমার খুব ঘনিষ্ট বান্ধবী ছিল, এখনও আছে। এই বিয়েটা কাছ থেকে দেখার আগ পর্যন্ত আমার খুবই ঋণাত্মক ধারণা ছিল একাধিক বিয়ে নিয়ে।


পশ্চিমে কিন্তু একাধিক বউ হারাম, অথচ বিশ্বাসহীনতা একটা বড় সমস্যা। তো কি করে বলবেন বিশ্বাসের মূল অন্তরায় একাধিক বউ? ব্যক্তিতে সমস্যা থাকলে এক বউ থাকা অবস্থাতেও বিশ্বাস ভাংতে পারে।

৫১| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯

তীরন্দাজ বলেছেন: এবার আপনার জামাই বউ এর বিশ্বাস আর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কিত উত্তর আমার নিজের কাছেই হাস্যকর হয়ে উঠলো।

এই চিন্তাকে ভরসা করে আপনি নিজেও কি 'একান্ত' জীবনের পথে এগুতে চান? আমি ভয় পাচ্ছি সন্ধ্যাবাতি।

আর যদি না চান, তাহলে চিন্তা আর প্রয়োগের মাঝে আমি বিরাট এক ফারাক দেখতে পাচ্ছি।

এই ফারাককে শুধুমাত্র 'সময়ানুযায়ী চিন্তা' দিয়েই কিছুটা পুরণ করা সম্ভব, যা আপনার মতো মৌলবাদী (এ আখ্যা আপনি নিজেই নিজেকে দিয়েছেন) চিন্তার ধারক-বাহকদের জন্যে রীতিমতো চক্ষুশুল প্রমাণিত হয় প্রতিবার।

৫২| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: রাসুল (সা) কিন্তু একবার চয়েস দিয়েছিলেন তালাক নিয়ে আলাদা হয়ে যাওয়ার, সেটা এই রাসুল (সা) এর স্ত্রীদের 'বিশেষ মর্যাদায়' ভূষিত করার আগে, অর্থ্যাৎ তাঁদের 'মুমিনদের মা' ঘোষিত করার আগে।

তখন কিন্তু কোন স্ত্রীই তালাক নেন নি।

তার মানে তারা কেউ তালাক চান নি। রাসুল (সা) মোটেই বিত্তবান ছিলেন না, তারপরেও তার সাথেই থাকতে চেয়েছিলেন।
আরেকটা কথা, আপনি কিন্তু জানেন না তারা বিয়ে করতে চেয়েছিল কি না? ওদের উপর রেস্ট্রিকশন ছিল, কিন্তু রেস্ট্রিকশনটা স্বেচ্ছায় বরণ করে নেয়া রাসুলের সঙ্গ পাবার জন্যে।

আর কোন সাহাবী নিজে তালাক দিয়েছেন আর তার স্ত্রীরা বেছে নিয়েছেন আমি বিস্তারিত জানি না। এমনকি তখন কয় জনের ৪ এর বেশি স্ত্রী ছিল তাও আমি জানি না। তাই এই ব্যাপারে মন্তব্য করছি না।

ভালো থাকবেন।

৫৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৩

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: তীরন্দাজ,
এই সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের উত্তর আর দশ বছর পরে দেই? এখন দেয়া উচিত হবে না, খুব থিওরী সর্বস্র হয়ে যাবে!

৫৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪

অচেনা বাঙালী বলেছেন: হা হা হা। ২ বউ বিশ্বাস! !!!!
আপনিকি এই দুনিয়ায় থাকেন না কোন ফ্যন্টাসি দুনিয়ায় আছেন @ সন্ধাবাতি

৫৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আছে দ্রোহী। বলছি, একটু।

তীরন্দাজ,
সময়কে একটা ইম্পরট্যান্ট ফ্যাক্টর কিন্তু প্রকৃত মৌলবাদীরা অর্থ্যাৎ যারা রাসুল (সা) এর শিক্ষাকে বিশুদ্ধ রাখতে চান, তারা কিন্তু বিশ্বাস করেন। কারণ রাসুলের নিজের জীবনেও দেখা গিয়েছে সিদ্ধান্তগুলো খু্বই কনটেক্সট ডিপেন্ডেড ছিল।

একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে আমি নিজের জন্য পছন্দ করি না--এই চয়েসটা আমার আছে। আমি যাকে ইচ্ছা বিয়ে করব, স্পেসিফিকস আমি ঠিক করব, এই স্বাধীনতা আমাকে ইসলামই দিয়েছে।

কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে, একাধিক বিয়ে ওয়ার্কস। ইট ওয়াকর্স মাচ বেটার দেন এনিথিং---এইটা নিজে দেখেই বুঝেছি, সো আমার থিওরী আর প্র্যাকটিসে ডিফারেন্স নেই।

৫৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৪

তীরন্দাজ বলেছেন: একাধিক বিয়ে সন্ধ্যাবাতি.......

একটা নারীর একাধিক স্বামী থাকলে পছন্দ করবেন কি? ধরুন, তারা পারস্পরিক বিশ্বাস না ভেঙ্গে খুব সুখে শান্তিতে জীবন কাটাচ্ছে......!

৫৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৫

চোর বলেছেন: বাতি আমার কথার উত্তর না দিয়ে উলটা পথ অবলম্বন করলেন। :(

কয় বিয়া সে ব্যাপারে আপনার বক্তব্যই তো মেনে নিলাম। একই সাথে ৯ টার অধিক বউ ছিলো না বলে সর্বমোট বিয়া কি ৯ টা হবে? আপনিই তো বলেছেন, বিয়ে আরো বেশি এবং বিয়ের সংখ্যা নিয়ে মতবিভেদ আছে।

নবী (সাঃ) এর বউয়ের সংখ্যার মত একটা ইজি তথ্য নিয়ে যদি মতবিভেদ থাকে, তাহলে হাদিস নামের রূপকথার শব্দগুলো কতোটা অথেনটিক, সেটা নিজেই ভাবুন। ইসলামকে আমি নিজের মত সাজাচ্ছি না, সাজাচ্ছেন হাদিসকে ইসলাম বলে চালিয়ে দেওয়া ফতোয়াবাজরা। এটা আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের বিষয় না। এটা সহজ যুক্তির বিষয়। পারলে যুক্তিসংগত কথা বলুন, না পারলে সীমাবদ্ধতা স্বীকার করুন। গোঁজামিল দিয়ে একটা লেভেল পর্যন্ত পার পাওয়া যায়, তারপরে আর এগোনো যায় না।

৫৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯

দ্রোহী বলেছেন: চোর@@নবীজীর বংশধরদের কেউ ট্রেস করতে পারে না। অথচ নবীজীর মৃত্যুর দুইশো বছর পর লিখিত হাদীস নির্ভুল তথ্য সমৃদ্ধ।


কথা আছে না, "তোমার গরু, তোমার ছাগল - দুধটুকু আমিই খাবো"

৫৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দ্রোহী,
মুসলিমদের জেনারেল এটিচুড আমাকে কেন ডিফেন্ড করতে হবে? অনেকেরই আছে অমন এটিচুড, তবে যে কোন সুযোগে সেগুলো সামনে আনা আমার কাছে অনাহুত তর্কের মত লাগে।


আবু হানিফা (রা) এর সম্পর্কে কিন্তু আপনি তেমন জানেন না। ইমাম শাফেয়ী (রা) এর একটা চমৎকার কোট মনে পড়ে যা এরকম:


I am right but I am liable to be wrong. My opponent is wrong but he has every chance of being right.


সত্যের স্বরূপটা ওই মানুষগুলো কিন্তু অনেক গভীর ভাবে বুঝেছিলেন। যেই সময়টাতে সত্যের চর্চা হতো, সত্যের প্রকৃতি বুঝার চেষ্টা করা হতো, সেই সময়টাই ছিল যখন মুসলিমরা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে অনেক একসিলারেইট করেছে। কারণ তারা ঠিক কোথায় বিশ্বাস আর বিজ্ঞানকে আলাদা করতে হবে বুঝেছিল।


ওদের কাছে থিওরীটা ছিল এমন--পুরা বিশ্বাজগত আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, এর নিয়ম আর প্রকৃতি খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনিই। আমরা কেবল অনুসন্ধান করি সেই সব খোঁজার জন্য।


বিজ্ঞান মানুষকে কিছু মুক্তি দেয়, চিন্তা ভাবনার পঙ্গুত্ব থেকে। খ্রীষ্টান ধর্মের শুরু থেকেই দেখবেন এই পঙ্গুত্ব খুব ভাল ভাবেই ছিল। যেই বিজ্ঞানীই নতুন কিছু বলেছে, তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে।


ইসলামে কিন্তু এই ফেনোমেনাটা ছিল না। মানুষ কুরআনকে বুঝার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতো, যে কোন ভাবে একজিস্টিং নলেজ দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চাইত। না পারলে গায়েব বলে ছেড়ে দিত। পরে যখন নতুন কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হতো, তখন কুরআনের বিশেষ কিছু অংশের ব্যাখ্যা বদলে যেত।


তবে মনে রাখতে হবে এই বিশেষ কিছু অংশ কিন্তু মৌলিক বিশ্বাসের অংশ না। বিশ্বাসের সাতটা শাখা সংক্রান্ত ব্যাপার স্যাপার কিন্তু কখনও বদলায় নি। যা বদলেছে তা হলো বিশ্ব জগতের প্রকৃতি সম্পর্কে আল্লাহ যা বলেছেন সেই সংক্রান্ত ধারণা। এই কথাগুলো কুরআনে কিন্তু 'অস্পষ্ট' আয়াত ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সাবধান করা হয়েছে এগুলো নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির ব্যাপারে।


যা বলছিলাম, যেই সময়টায় মুসলিমদের থেকে বিজ্ঞানীরা বের হয়েছে, তার মূল কারণ হলো তাদের চিন্তাভাবনা আসলে ইসলামের ডিজায়ারড পথে গড়ে উঠেছিল। পঙ্গু না। ইমাম শাফেয়ীর মত মুক্ত চিন্তার মানুষেরা ইমাম ছিলেন। (ইমাম হানাফীরও চমৎকার কিছু কথা আছে, এখন কোটেশন দিতে পারছি না!)


ভাবনা অগোছালো, কিন্তু আপনি অনেক প্রশ্ন তুললেন, মনে হয় এর মধ্যেই আমার জবাব চলে এসেছে মোটামোটি।


আজকের মত উঠতে হয়। পড়াশোনা আছে!

৬০| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: না @ তীরন্দাজ।
অনেক কম প্র্যাকটিকেল না?
ফ্রম দ্যা টপ অফ মাই হেড--মেয়েদের কিছু শারিরীক অসুবিধার জন্য একাধিক স্বামীতে সময় ভাগে বেশ ভালই সমস্যা হবে! সন্তান কার হবে সেই নিয়েও ক্যাঁচাল লাগবে!
এই সব প্র্যাকটিকেল সমস্যা কিন্তু পুরুষের হবে না।

৬১| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬

রাগ ইমন বলেছেন: লগ আউটের মাহাত্ম্য !
আমার কমেন্টটা জেবতিক আরিফ ভাইয়ের মন্তব্যের পরে হবে ।

সন্ধ্যা , নিজের জন্য ফাঁদ পাতিয়া এই রকম ধরা মানুষ কখন খায় জানো? যখন সে বিশ্বাসকে অন্ধত্বের পর্যায়ে নিয়ে যায় ।

রাসূল মানুষ ছিলেন । অন্যদের অপেক্ষা সামান্য বেটার মানুষ ছিলেন হয়ত , কিন্তু মানুষ ছিলেন । আল্লাহ বিভিন্ন আয়াতে , রাসূলকে সম্মানিত বলেছেন , কিন্তু মানুষের চেয়ে উপরে স্থান দেন নাই ।

যখনই হাদীস বা অন্য কোন কিছুকে উপজীব্য করে রাসূলকে "দেবতা " বানানোর চেষ্টা করা হবে , যুক্তি বাদী , অনুসন্ধিৎস্যু এবং জ্ঞানী মানুষ (যেমন - জেবতিক আরিফ) দের কাছে "ধরা " খাইতে হবে।

রাসূলের স্ত্রী আর সাহাবাদের স্ত্রীদের মর্যাদার পার্থক্য নিয়ে তুমি কোন যুক্তি সম্মত উত্তর দিতে পারছো না । আবার রাসূল ভুল করতে পারেন - এইটা যেহেতু বিশ্বাস করো না - তাই "আল্লাহ জানে কেন" তে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছো ।

অথবা , "রাসূলের স্ত্রীরা ভিন্ন সম্মানের অধিকারী " ছিলেন বলে আর বিবাহিত হইতে পারবেন না টাইপ উত্তর দিতে বাধ্য হচ্ছো ।

ইসলাম - উঁচু এবং নিচু জাত বলে কিছু মানে না । কারো হাত , কারো পা নয় - বরং সালাম / সম্মান জানানো হবে সমান অবস্থান থেকে , দুজনেই আল্লাহর চোখে সমান সম্মানিত - এই ফিলিং থেকে , এই না হওয়ার কথা ?

তাহলে , কিছু নারী "বিশেষ " হয়ে উঠলে তো আর ইসলাম ঠিক থাকে না। আবারো সেই , "এনিমেল ফার্ম" মনে পড়ে যায় ।

"অল আর ইকুয়েল । সাম আর মোর ইকুয়েল দ্যান আদার্স।"

জেবতিক আরিফ বা আমি যে প্রশ্ন করছি , সেই প্রশ্ন গুলাই চোর ও করে । হাদীস নিয়ে । বা কোরআনের ব্যাখ্যা নিয়ে ।

পার্থক্য হলো , চোরকে "গালিবাজ" বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় , যেটা আমাদের দুজনকে সম্ভব না। উত্তর কিন্তু , তিনজনের কারো প্রশ্নেরই পাওয়া গেলো না ।

যাই হোক, আমার আপত্তি আল্লাহ বা কুরান নিয়ে না। আমার আপত্তি , মানুষ নিজের প্রয়োজনে আল্লাহ বা কুরান কিংবা ইসলামকে নিয়ে যখন সুবিধাবাদী ব্যাখ্যা দাঁড় করায় , সেইটা নিয়ে।


সন্ধ্যা , পড়তে যা । তোর না পরীক্ষা?

পরীক্ষার পরেও ব্লগ থাকবে।

৬২| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: চোর,
সর্বমোট বিয়ে ৯ না, আরও বেশি। প্রশ্ন কর্তার প্রশ্নে ভুল আছে।

আর হাদিস নিয়ে আপনার সাথে তর্কে যাব না। কেন? আপনার তর্কের ধরণের সাথে আগে পরিচিত ছিলাম না বলে তর্ক করতাম, এখন চিনে গিয়েছি, তাই করব না :)

৬৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৯

দ্রোহী বলেছেন: কিছুই হল না। বরং নিজেকে ছাগুরাম বানিয়ে পালালেন [জরুরী কাজে বাহিরে যাইতে হইতেছে। ফিরিয়া আসিয়া জবাব দিবো।]


আমি স্পেসিফিক্যালি জিজ্ঞেস করছি। আমি নিজে পড়েছি কোরআনের আয়াত, "আমি আসমান ও যমীন সমুহের মাঝে পাহাড় সমুহ সৃষ্টি করেছি, যাতে তারা ভারসাম্য রক্ষা করে।"

Theory of Isostatic Balance হুবহু একই কথা বলে। এত নিদ্দিষ্ট ভাবে বলা স্বত্তেও আমাদের ইসলামী চিন্তাবিদগন গত ১৪০০ বছর ধরে এই আয়াতের মর্মার্থ বুঝতে পারলেন না।

J. H. Pratt যখন বললেন এই কথা তখন আমাদের জ্ঞানীগন এটা বুঝতে পারলেন।

একটা সুনিদ্দিষ্ট আয়াতের ব্যাখ্যা যারা উদ্ধার করতে জানেন না। তারা কিভাবে বলেন যে কোরআন বিজ্ঞানময়?

৬৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪২

দ্রোহী বলেছেন: ইসলামী চিন্তাবিদদের হিসাবে কুরআন হচ্ছে পূর্নাঙ্গ জীবনবিধান। সবকিছুই কুরআনে বর্ণীত আছে।


জ্যামিতি, কেমিস্ট্রি কিংবা অ্যালজেব্রার ব্যাপারগুলো কোরআনে নেই কেন? মুসলিম বিজ্ঞানীরা কোরআনকে পাশে সরিয়ে রেখেই কি এই ব্যাপারগুলো চিন্তা করেন নি? এটা কি স্রষ্ট্রার সাথে ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ নয়?

৬৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৩

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: কারণ দ্রোহী,

বিজ্ঞান একটা নির্দিষ্ট ধারায় এগুয়ো। সিড়ির মত। ভিত্তির উপরে পরের সিঁড়ি গুলো তৈরি হয়ে। সেই স্পেসিফিক ইস্যু আমি জানি না। কিন্তু সেই আবিষ্কারটা নিশ্চয়ই ফট করে হয় নি, তার আগে সেটাকে এস্টাবলিশ করার জন্য অনেক মৌলিক ব্যাপার স্যাপার আবিষ্কার করতে হয়েছে।

কুরআন কোন বৈজ্ঞানিক সোর্স না। কুরআনে বলা হলেও ১৪০০ বছর আগে এই থিওরী মুসলিমরা দিতে পারত না, কারন এই থিওরী এস্টাবলিশ করার জন্য যেই বেসিক স্টেপস দরকার, সেগুলো তখনও অনাবিষ্কৃত ছিল।

আর আমাকে এই ভাবে বললে আমি যেতে পারব না। সারা রাত বসে বসে জবাব দিতে থাকব। অথচ আমার যাওয়াটা দরকার।

৬৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫

দ্রোহী বলেছেন: নবীর জন্য আলাদা আইন। তিনি নিজে ৯টা বিয়ে করতে পারবেন কিন্তু তার বিবিরা কেউ তাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করার অধিকার রাখেননি।


ইসলাম সাম্যবাদী ধর্ম (হযরত ওমর (রাঃ) এবং তার ভৃত্ত্যের মরুভুমি পাড়ি দেবার গল্প থেকে পড়েছি)


যে ধর্মে চাকরের সাথে মালিকের অধিকার সমান করা হয়েছে সে ধর্মে নারীকে একাধিক বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়নি কিন্তু পুরুষকে দেয়া হয়েছে।


কি হাস্যকর তাইনা?

৬৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আপু,
তোমার জবাব কোরআনের একটা আয়াত দিয়ে দেই--

"The Prophet is closer to the Believers than their own selves, and his wives are their mothers.." (33:6)

এই আয়াতে রাসুল (সা) এর স্ত্রীদের বিশ্বাসীদের সামষ্টিক ভাবে 'মা' ঘোষনা করা হয় এবং এরই পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওঁদের উপর রেস্ট্রিকশন আসে।
ট্রাস্ট মি, আই ডিড নট ডু ইট :))

৬৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

অমনিবাস বলেছেন: বুখারীতে এই ব্যাপারে আসলেই কিছু ভালো হাদিস আছে, নবিজীর সবার প্রতি সমান আচরণ নিয়া

৬৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩

রাগ ইমন বলেছেন: সন্ধ্যা , তুই কি উঠবি , না , কি? ভাগ এখন ।

দ্রোহী , ত্রিভুজের সাথে আস্তকে না মেলালেও হয় মনে হয় । আস্ত বা সন্ধ্যার চিন্তায় অনেক সীমাবদ্ধতা আছে , সেটা আমিও দেখেছি । কিন্তু , পরীক্ষা না , মিথ্যা অজুহাত দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে ধরনের অপমান করে নিজের সম্মানটা নিচে নামানোর দরকার আছে ?

আমরা সবাই সন্ধ্যার চেয়ে কমপক্ষে ১০ বছরের বড় । এইটুক ম্যাচুরিটি মনে হয় শো করাই যায়। মারামারি করার সুযোগ সামনে বিস্তর পড়ে আছে। আপনাকে সম্মান করি দেখেই বললাম, আশা করি কিছু মনে করবেন না ।

৭০| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪

তাসনিম নুসরাত বলেছেন: বিশাল পোস্ট, তার চেয়েও বিশাল কমেন্ট। অনেক প্রশ্ন আছে, পোস্টটার প্রয়োজন ছিল।

ভাল লাগল যেটা > সন্ধ্যাবাতি আপুর পড়াশোনা দেখে মুগ্ধ হয়েছি।

আর খারাপ লাগল যেটা > যুক্তি দিয়ে ডিফেন্ড তাকে একা করতে হচ্ছে, যিনি পোস্টালেন তিনিও নেই, বাকি ধর্ম জ্ঞানের ধ্বজাধারীরাও নেই। সেলুকাস!

৭১| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪

চোর বলেছেন: রাগিমনাপু, চোরায় গোঁজামিল ধরায়া দিলেই গালিবাজ। :) এই ছাগোল এবং ছাগীগুলা ব্যবসায়িক স্বার্থে নিজেদেরকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়া ইসলামরে রাইখা রূপকথায় মনোনিবেশ করে। যে জিনিসগুলো ইসলামের মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা যায়, সেগুলোর জন্য রূপকথা আর গোঁজামিলের আশ্রয় নেয়।

নির্বুদ্ধিতা বা সীমাবদ্ধতা এরা কখনোই স্বীকার করবেনা। পুরা সবজান্তা শমশের! হালায় কই যে যাই!

৭২| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:০০

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দ্রোহী,
আমাকে দীর্ঘ ডুবে যেতে হবে পড়াশোনার জন্য। সুতরাং কালকে পরশুর জন্য প্রশ্ন ঝুলিয়ে রাখবেন আর আমি না আসলে বলবেন পালাইসে তা তো হবে না :))

একাধিক বিয়ের ব্যাপারে ইসলামের উইজডম আরও লম্বা আলোচনা। এখন আমি ইচ্ছা বিরতি দিচ্ছি। চালাতে চাইলে চালাতে পারব অনেক দিন।


"জ্যামিতি, কেমিস্ট্রি কিংবা অ্যালজেব্রার ব্যাপারগুলো কোরআনে নেই কেন? মুসলিম বিজ্ঞানীরা কোরআনকে পাশে সরিয়ে রেখেই কি এই ব্যাপারগুলো চিন্তা করেন নি? এটা কি স্রষ্ট্রার সাথে ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ নয়?"-----কেন হবে? বুঝি নি। কুরআনের একাধিক আয়াতে মুলসিমদের রিফ্লেক্ট করতে বলা হয়েছে প্রকৃতি নিয়ে। কুরআনে নিষেধ করা কি হয়েছে? যা কুরআনে নিষেধ করা হয় নি তা করলে কেন ধৃষ্টতাপূর্ণ হবে বুঝি নি সত্যিই!


এবার যাই। দয়া করে আটকায় দিয়েন না :((

৭৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:০৩

রাগ ইমন বলেছেন: "চোরকে "গালিবাজ " বলে এড়ানো যায়"
উদ্ধৃত অংশটুকু রাগ ইমনের মিস লিডিং মন্তব্য থেকে নেওয়া । এইখানে রাগ ইমন আসলে যা বলতে চেয়েছিলেন ,

" যুক্তিতে না পেরে কেউ কেউ চোরকে গালিবাজ , বাজে কথা বলে ইত্যাদি বলে টলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় "। কিন্তু , এইটা হইলো সত্যকে স্বীকার না করে জল ঘোলা করে পলান্তিস দেওয়া ।

আরিফ ভাই বা আমি যেহেতু গালি দেই না, আমাদের দুই জনকে এই রকম ভুং ভাং বলে এড়ানো সম্ভব হয় না ।

অথচ , চোরের প্রশ্ন আর আমাদের প্রশ্ন ভাষার ব্যবহার বাদ দিলে , প্রায়শই এক ।

এবং ধর্মকে বুঝতে হলে , বিশ্বাসের অন্ধত্বকে এড়াতে হলে এই প্রশ্ন গুলা মাথায় আসা খুবই জরুরী ।

চোর, আশা করি ভুল বুঝাবুঝি ভেঙেছে ।

৭৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৫৩

নুর3ডিইডি বলেছেন: জানতাম মুসলমানদের জন্য চারটির বেশি বিয়ে করা নাজায়েজ , কিন্তু রাসুল (সাঃ) নয়টি বিয়ে করেছেন, কেন করেছেন? জানতাম না, মাহমুদ রহমান ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে, ইউসুফ আল কারদাওয়ীর উৎরে জানতে পেরেছি।


আমার জানতে ইচ্ছে করতেছে, এই দুনিয়াতে পুরুষের সংখ্যা কত এবং নারীর সংখ্যা কত?
কারো জানা থাকলে দয়াকরে জানাবেন।

৭৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:৪০

মাহমুদ রহমান বলেছেন: সন্ধ্যাবাতিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সারাদিনই বাইরে ছিলাম। অনেক যুক্তিতর্ক হয়েছে। আশা করি যারা সত্য সুন্দরকে ভালবাসেন তারা প্রকৃত যুক্তি খুঁজে পাবেন।

যারা কথা বুঝতে চান না, তারা কমেন্ট না করলেই খুশি হব। কারণ আমাদের একটা দুর্বলতা আছে তা হলো, আমরা মনে করি আমার বলা কথায় যুক্তি থাকলে অন্যরা মেনে নিতে পারেন। আসলে ধারণা পুরোটাই ভুল।

৭৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২০

মাহমুদ রহমান বলেছেন: " যদি তোমাদের এই ভয় হয় যে, তোমরা ( একের অধিক হলে) ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে (তোমাদের জন্য) একজনই যথেষ্ট।" (আন নিসাঃ আয়াত ৩)।

৭৭| ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৩

মাহমুদ রহমান বলেছেন: পুরা কমেন্টগুলো পড়লাম। আরিফ ভাই এবং ইমন আপুর একটা অভিযোগ বড় আকারে দেখা গেল। হয়ত আমার যুক্তি তাঁদের পছন্দ হবে না, তবুও বলছি।

আমার মনে হয়, পৃথিবীতে সকল মানুষকে ইকুয়ালিটির ভিত্তিতে এক করা সম্ভব নয়। ইকুউটি করা যেতে পারে। প্রত্যেকের মানুষ হিসাবে কিছু ইউনিক অধিকার ভোগ করা উচিত। যেগুলো সবার জন্য সমান। কিন্তু কিছু কিছু অধিকার আছে যা মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত। যেমন ধরুন, যেসব ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসেন, তারা সাধারণ জনগণ থেকে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হন। এই মর্যাদা তাদের অতিরিক্ত অধিকার দেয়। ফলে অধিবেশন চলাকালীন সময়ে সাধারণ জনগণ সংসদ কক্ষে ডোকার অধিকার পান না, যেটা পান সংসদ সদস্যরা।

সেরকম, রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার সুবাদে তাঁরা খোদার তরফ থেকে বিশেষ মর্যাদাবান হন, যেটা উম্মতদের মায়ের সমান বলা হয়েছে। এখানে তারা অন্যদের বিয়ে করার অধিকার হারিয়েছেন, ব্যাপারটা এমন না হয়ে বলা উচিত অন্যরাই তাদের বিয়ে করার অধিকার হারিয়েছে। আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস হচ্ছে, তারা রাসুলের ওয়াইফ হওয়ার পরে আর কারও ওয়াইফ হতে চাইতেন না, তবে অন্যরা চাইতে পারত। কোরআন আয়াত দিয়ে এই পথটাকেই বন্ধ করে দিয়েছে।

" তোমাদের কারো জন্যই এটা বৈধ নয় যে, তোমরা আল্লাহর রাসুলকে কষ্ট দেবে- (না এটা তোমাদের জন্য বৈধ যে,) তোমরা তারপর কখনও তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করবে, এটা আল্লাহ তায়লার কাছে একটি বড় (অপরাধের) ব্যাপার।'' (আহযাবঃ ৫৩)।

৭৮| ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৩২

ত্রিভুজ বলেছেন: অসাধারন আলোচনা ও পোষ্ট..... সময়ের অভাবে আলোচনায় অংশগ্রহন করতে পারিনি বলে দু:খ লাগছে... তবে সন্ধ্যাবাতির জবাবগুলো পড়ে সেই দু:খ একেবারেই চলে গেল।


অনেক অনেক ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই ও সন্ধ্যাবাতি।

দুইজনের জন্য ২টা ৫ দিলাম।

৭৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪২

বইপাগল বলেছেন: ৫

৮০| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩২

সিন-লাম-মীম বলেছেন:


১৮ বছর বয়সে বিধবা হয়ে আয়শা (রা) বাকীটা জীবন একাই কাটিয়েছেন। নবীর স্ত্রী হওয়ার কারনে যৌবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাকে কি দুঃসহ জীবন কাটাতে হয়েছে তা ভেবে আমার খুব খারাপ লাগছে।

ইসলামের সবার জন্য সমান বিচার নেই - এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

০১ লা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

মাহমুদ রহমান বলেছেন: জনাব মডারেটর,

আপনি কিভাবে আয়েশার (রা.) সাইকোলজি বুঝলেন? তাঁকে দুঃসহ জীবন কাটাতে হয়েছে?

আল্লাহর রাসুলকে স্বামী হিসাবে পাওয়ার পরে তাঁর অন্য কাউকে স্বামী হিসাবে গ্রহণ করার যুক্তি থাকে না। অন্য কেউ যাতে তাঁদের (রাসুলের স্ত্রী) বিয়ে করতে না পারে সেজন্যই এই ব্যবস্থা।

এখানে রাসুলের স্ত্রীদের মর্যাদা অনেক বাড়ানো হয়েছে, অবশ্যই যদি আপনি সেটা বুঝতে পেরে থাকেন।

ইসলাম ইজ নট এ হরিজনটাল লাইন দ্যাট এভরিথিং স্যুড ম্যাচেস উইথ দ্যা লাইন।........ এটা সবসময়ই ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে।

৮১| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

সিন-লাম-মীম বলেছেন:

নারী-পুরুষের সংখ্যা দিয়ে বহুবিবাহকে যায়েজ করতে চান এমন কেউ আছেন? আওয়াজ দিবেন, কথা আছে।

০১ লা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৪৬

মাহমুদ রহমান বলেছেন: বহু বিবাহ জায়েজ তবে ইসলাম এটাকে ফরজ বা নিয়ম বানাইনি। বরং নিরুৎসাহীত করা হয়েছে। জাস্টিস না করতে পারলে একের অধিক বিয়ে করার অনুমতি নেই। আর অবশ্যই এসব ক্ষেত্রে জাস্টিস করা কঠিন। কেউ করতে পারলে তার জন্য অবশ্যই অনুমতি আছে, ইসলাম বাধা দেয়নি; তবে তাও ম্যাক্সিমাম চারটা পর্যন্ত।

আর আল্লাহর রাসুল কেন এই নিয়মের বাইরে তা লেখায় বর্ণিত হয়েছে।

৮২| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

সিন-লাম-মীম বলেছেন:

যেসকল নারী ইসলামে পুরুষের বহুবিবাহের পক্ষে যুক্তি দেয় তারা নিজেরাই সতীনের ঘর করতে চায় না - এমনকি ইসলামের লাভ হতে পারে এই লোভ দেখালেও না; পঞ্চাশোর্ধ বুড়োর ঘর করতে চায় না। তাহলে এসব কি ভন্ডামি বৈ আর কিছু?


ইসলামে বহু বিবাহের সাথে সাথে ভন্ডামি নিয়ে কিছু বলেনি?

৮৩| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

সিন-লাম-মীম বলেছেন:
হীশাম ইবনে মুগীরা তার কন্যাকে আলী (রা)'র সাথে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নবী (সাঃ) তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন 'তাহলে আলীকে আমার কন্যা ফাতিমাকে আগে তালাক দিতে হবে। কারন ফাতিমা আমার কলিজার টুকরা আর সে যাতে কষ্ট পায় আমিও তাতে কষ্ট পাই।'

মহানবী নিজেই তার কন্যাকে সতীনের ঘর করতে দেননি, আলীও ফাতিমা বেঁচে থাকতে ২য় বিয়ে করতে পারেননি। আর আমাদের ব্লগের ইসলামী চিন্তাবিদরা গলা ফাটাচ্ছেন বহু বিবাহের মত নোরা ব্যবস্থার পক্ষে।

৮৪| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫১

ইয়র্কার বলেছেন: মডারিটর, আপনার কথার সোর্স কি?

৮৫| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

সিন-লাম-মীম বলেছেন:

সহীহ বুখারী হদিস নং ২৪৭৩

৮৬| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০১

ইয়র্কার বলেছেন: কোন খন্ড বলতে পারেন?

৮৭| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০৭

ইয়র্কার বলেছেন: from Sahih Bokhari:

Volume 7, Book 62, Number 157:
Narrated Al-Miswar bin Makhrama:

I heard Allah's Apostle who was on the pulpit, saying, "Banu Hisham bin Al-Mughira have requested me to allow them to marry their daughter to Ali bin Abu Talib, but I don't give permission, and will not give permission unless 'Ali bin Abi Talib divorces my daughter in order to marry their daughter, because Fatima is a part of my body, and I hate what she hates to see, and what hurts her, hurts me."


খুবই ভয়ংকর কথা। নবী জানতেন যে সতিনের উপস্থিতি হার্ট করে???!!

৮৮| ০১ লা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬

মাহমুদ রহমান বলেছেন: এটা কেবলই বহু বিবাহকে হারাম না করে জায়েজ করা হয়েছে। এমন নয় যে, বহু বিবাহ অবশ্য কর্তব্য। আল্লাহর রাসুল তার কন্যার জন্য এটা অপছন্দ করে থাকতেই পারেন। এটা কি অন্যায়?

অন্য অনেক সময় বহুবিবাহের প্রয়োজন আছে বলেই ইসলামে এই অপশনটা রাখা হয়েছে। তাও শর্তসাপেক্ষে। অনেক সমাজেই ছেলের চেয়ে মেয়ের সংখ্যা বেশি ..... এমনটা হয়েছে। এই বেশি হয়ে যাওয়া মেয়েরা যাতে পাবিলিক প্রোপার্টি হয়ে না যায় সেজন্যই এই ব্যবস্থা।

এই সহজ সরল হিসাব নিকাশ যদি বুঝতে কারও কষ্ট হয় তাহলে করার কিছু নেই। নির্বোধরা যে বুঝবে না সেটা আমার জানাই আছে।

৮৯| ২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:

মাহমুদ ভাইজানরে কিচু কোশ্চেন করবার চাই, উত্তর দিয়েন- যদি উত্তর থাকে। বাত্তিরেও কোশ্চেন করোনের খায়েশ ছইল, তয় হেয় তো মনে হয়- চইল্যা গ্যাছে। যাউকগা কোশ্চেন গুলান কইরা রাখতাছি, আপ্নেরা আনচার দিয়েন।

২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৮

মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার ধারণা উত্তর নেই! উত্তর যখন জানেনই তখন আর প্রশ্ন করে লাভ কি?

যারা ভুল না ভাঙার শপথ করে বসে আছেন কিসের আমার দায় পড়েছে তাদের ভুল ভাঙাতে যাব?

৯০| ২১ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
যদিও অনেক আগের পোস্ট, তারপরেও কমেন্ট করছি। এটি মূলত তৌসিক আহমেদের একটি পোস্টে বিবেক সত্যির লিংক অনুসরণ করে পেলাম।

আপনার তথা আল্লামা কারযাভীর আলোচনার সাথে অনেক ক্ষেত্রেই দ্বিমত করছি, সেগুলো পর্যায়ক্রমে আনছি...


কারযাভি বলেছেন, "চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো। ..."

====>>>>

খাদীজার মৃত্যুর পরেই মুহম্মদ সা বাকি বিয়ে গুলো করেন - মূলত ৫৩ থেকে বছর থেকে ৬০ মতান্তরে ৬২ বছর বয়স পর্যন্ত। মুহম্মদ সা এর জন্য নতুন বিয়ে নিষিদ্ধ করে আয়াত আসে ওনার ৬০ বছর বয়সে, সে হিসাবে মায়মুনাই ওনার শেষ স্ত্রী হওয়ার কথা। মুহম্মদ সা মৃত্যুবরণ করেন ৬৩ বছর বয়সে, মানে ৩ বছর পরেই। ফলে ৬০ বছর বয়সে ৪ জনকে রেখে বাকিদের তালাক দিয়ে দিলে স্ত্রীরা সঙ্গীহীন অবস্থায় অতিরিক্ত ৩ বছর কাটাতো। সঙ্গীহীন অবস্থায় যতটা ওনারা এমনিতেই কাটিয়েছেন- তার তুলনায় এই ৩ বছর মনে হয় নগণ্যই!!

এক পলক দেখি কে কত বছর সঙ্গীহীন কাটিয়েছেন?

সওদাঃ মৃত্যুবরণ করেন ৫৩ হিজরীতে। মানে ৪২ বছর সঙ্গীহীন কাটিয়েছেন।

আয়শাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ১৬ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৫৮ হিজরীতে ৬৩ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৪৭ বছর।

হাফসাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২৭ বছর। মৃত্যবরণ করেন ৪৫ হিজরীতে ৬১ বছর। মানে ৩৪ বছর বিধবা অবস্থায় কাটিয়েছেন।

সালমাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৩৫, মৃত্যুবরণ করেন ৬১ হিজরীতে ৮৫ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় সঙ্গীহীন কাটাতে হয়েছে ৫০ বছর।

যয়নবঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৪০, মৃত্যুবরণ করেন ২০ হিজরীতে ৫০ বছর বয়সে। মানে সঙ্গীহীন থাকেন ১০ বছর।

জুহারিআঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২৬ বছর, মৃত্যুবরণ করেন ৫০ হিজরীতে ৬৫ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৩৯ বছর।

হাবিবাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৩৯ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৪৪ হিজরীতে ৭২ বছর বয়সে। মানে ৩৩ বছর সঙ্গীহীন কাটান।

সাফিয়াঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২১ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৫০ হিজরীতে ৬০ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৩৯ বছর।

মায়মুনাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ছিল ৪০ এবং ৮০ বছর বয়সে ৫১ হিজরীতে মারা যান, তার মানে বিধবা অবস্থায় ৪০ বছর একা কাটিয়েছেন।

খাদিজা ও জয়নব মুহম্মদ সা এর জীবদ্দশায় মারা যান। সওদা মুহম্মদ সা এর ওফাতের ৫ বছর পরে ও মারিয়া কিবতিয়া ১ বছর পরেই মারা যান।

২২ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪৬

মাহমুদ রহমান বলেছেন: আল্লাহর রাসুল কি জানতেন উনি আর তিন বছর বাঁচবেন? রাসুল সা. এর জীবদ্দশায় তাঁদের তিন বছর বেঁচে থাকা কি কম! এই তিন বছর তাঁরা কি করবেন?

রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার সুবাদে তাঁরা উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদা পান, অর্থাৎ উম্মতের মা। রাসুল সা. এর ইন্তেকালের পর তাঁরা আর কাউকে বিয়ে করতে পারবেন না এমন কোন আয়াত আছে বলে আমার জানা নাই, বরং এমন আয়াত আছে যেখানে অন্যদের নিষেধ করা হয়েছে তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করতে। উম্মুল মুমিনীন মর্যাদা পাওয়ার পরে অন্য কারও স্ত্রী হতে চাওয়া কতটুকু হিসাবের মধ্যে পড়ে? এমন কোন বর্ণনা কি পাওয়া যায় যেখানে তাঁরা (স্ত্রী) তাঁদের সঙ্গীহীন জীবনের মনোকষ্টের কথা প্রকাশ করেছেন?

সিম্পলি চিন্তা করুন, রাসুলের সা. এর ইন্তেকালের পর আয়েশা রা. এর ৪৭ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার সুবাদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা উম্মতকে তিনি দীর্ঘদিন যাবত জানাতে পেরেছেন...... এই বিষয়গুলো সন্ধ্যাবাতির আলোচনায় এসেছে।

৯১| ২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:০৮

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
উপরের এই তালিকা উল্লেখের আরেকটি গুরুত্ব আছে তা হলোঃ এটাই যে মুহম্মদ সা যেসকল নারীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তাদের প্রতি কতখানি অবিচার করা হয়েছে তা বুঝা। নবীজীর বিয়েগুলোর মধ্যে অধিকাংশই বিধবা বিয়ে। তারমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে নবীজী ২য় নন, ৩য় স্বামী। অনেকে ৩৫/৪০ বছর বয়সে এসেও নবীকে বিয়ে করেছেন। অন্য সাহাবীদের খোঁজ নিলেও দেখা যায় ওনাদের বিয়ের মধ্যেও বিধবা বিবাহ আছে। সুতরাং, আরবে এই বিদঃবা বিয়ে একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক চল ছিল। যেমন খাদিজা নিজেই ৪০ বছর বয়সে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, তেমনি অনেক বিধবাই নতুন বিয়েতে আগ্রহী ছিলেন। অথচ, নবীজী শেষ বয়সে কম বয়স্ক নারীদের বিয়ে করে সেই নারীদের জীবনের একটা বড় সময় সঙ্গীহীন রাখতে বাধ্য করেছেন। মৃত্যুর সময়ে আয়েশার বয়স ছিল মাত্র ১৬, সাফিয়ার ২১, জুহারিআর ২৬, হাফসার ২৭ বছর বয়স ছিল। এবং তাদেরকে বাকি জীবনটি (৪০ থেকে ৫০ বছর) একা নিসঙ্গ কাটাতে বাধ্য করা হয়েছে!!!

সাফিয়া-মায়মুনাকে নবীজী ৬০ বছর বয়সে বিয়ে করেন, অর্থাৎ মাত্র ৩ বছর ছিল তাদের দাম্পত্য জীবন!!!

এবং এ সমস্ত অন্যায় সবই করা হয়েছে কোরআনের বরাদ দিয়ে!!!

৯২| ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৮

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কারদাওয়ি এক পর্যায়ে ঘোষণা করেছেন,:
বিস্তরিত এ আলোচনায় বোঝা যায় যে, রাসুল সা. এর প্রতিটি বিয়ের পিছনেই ছিল মহত উদ্দেশ্য। রুপ সৌন্দর্য, অর্থ সম্পদ বা যৌন কামনা তাড়িত বিয়ে একটিও ছিলো না।

==>>>>>
এই বাক্য দুটির আগের আলোচনা কয়েকবার পড়ে দেখলাম, মুহম্মদ সা এর কয়েকটি বিয়ের ব্যাপারে একটা গড়পরতা আলোচনা (সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে) করার চেষ্টা হয়েছে। যেমন: সালমা রা. ধৈর্যের সাথে বৈধব্যকাল অতিবাহিত করায় আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যের পুরস্কার স্বরূপ রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার সৌভাগ্য দান করেন। জুওয়াইয়া রা. কে রাসুল সা. এ উদ্দেশ্যে বিয়ে করেছিলেন যে, বিয়ের পর জুওয়াইয়ার কওমের লোক ইসলাম গ্রহণ করবে। আবু সুফিয়ানের কন্যা উম্মে হাবিবাকে তার কষ্ট লাঘবের জন্য (হাবশায় হিজরতের পর তার স্বামি মুরতাদ হয়েছিল ও মারা গিয়েছিল) রাসুল সা. বিয়ে করেন এবং ইসলামের প্রতি আবু সুফিয়ানের শত্রুতা যাতে কমে সে উদ্দেশ্যও ছিল।

এ আলোচনায় কোনভাবেই কি পরিষ্কার হয় যে, রূপ সৌন্দর্য, অর্থ সম্পদ বা যৌন কামনা তাড়িত বিয়ে একটিও ছিলো না?

মুহম্মদ সা এর বিয়ে গুলোর পেছনে রূপ-সৌন্দর্য, বংশ গরিমা, অর্থ-সম্পদ, যৌন কামনাই মূল নিয়ামক এটা আমি দাবী করছি না, তবে ইতিহাস যতখানি দেখি, সেখান থেকে এটুকু বলতে পারি- ওনার স্ত্রীদের কারো কারো ছিল অঢেল অর্থ-সম্পদ, কারো ছিল বংশ গরিমা, অনেকেই ছিল নজরকাড়া সুন্দরী; এবং বিভিন্ন ঘটনায় ওনার যৌন কামনার বিষয়টিও ফুটে ওঠে বৈকি!!

খাদিজা ছিলেন আরবের শীর্ষ ধনীর অন্যতম। আয়েশা, হাফসা, মায়মুনা, সালমা, হাবিবা, যয়নব প্রত্যেকেই উচু বংশের। এমনকি যুদ্ধে ধৃত জোহারিআ ও সাফিয়াও ছিলেন স্ব স্ব গোত্রপ্রধানের মেয়ে। আয়েশা নাবালিকা হলেও, একসময় তিনি হন খুবই রূপবতী। যেকারণে ওমর রা তার মেয়েকে সাবধান করে বলেন যে, "... এবং কখনোই তোমার প্রতিবেশীকে (আয়েশা রা. কে) নবীজীর প্রতিপক্ষ বানিয়ো না, যদিও সে তোমার চেয়ে অধিক সুন্দরী ও মুহম্মদ সা. এর বেশী প্রিয়"।
সালমা, যয়নব, জুহারিআ, সাফিয়া, মারিয়া যে ভীষণ সুন্দরী ছিলেন তা অনেক গুলো হাদিসে পাওয়া যায়, অনেক আলেম-ইতিহাস রচয়িতার বয়ানেও আমরা তার সমর্থন পাই। জুহারিআকে যখন বন্দী অবস্থায় মদীনায় আনা হয়, তখন তিনি মুহম্মদ সা এর সাথে দেখা করার জন মনস্থির করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শুরুতে আয়েশা যখন দেখেন যে জুহারিআ অনেক সুন্দরী, বংশও উচু, তখন আয়েশা জুহারিআর সাথে যাতে মুহম্মদ সা এর সাক্ষাৎ না হয়, সে চেস্টা করেছিলেন! সালমা এমন সুন্দরী ছিলেন যে, সালমার স্বামী মারা যাওয়ার পরে ৪ ইদ্দত কাল পার হতে না হতে একে একে আবু বকর, উমর বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে পাঠান এবং ওনাদের প্রত্যাখ্যান করলে মুহম্মদ সা নিজে প্রস্তাব পাঠান ও বিয়ে করেন। খায়বরের যুদ্ধে সাহাবীদের মধ্যেই মৃত কিনানার স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, এবং নবীজী নিজের ভাগে শোকাহত সাফিয়াকে নিয়ে নেন এবং বিয়ে করেন।

যৌন কামনার বিষয়টি বুঝা যায়, এতগুলো স্ত্রী থাকার পরেও তার কৃতদাসী বা উপপত্নীদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার ঘটনাসমূহ থেকে। রায়হানা ও মারিয়ার কথা ইসলামী স্কলারেরা অস্বীকার করেন না। অনেকেই তাদের উম্মুল মুমিনীন বলেও মানেন। তবে সুন্দরী মারিয়াকে বিয়ে করলেও সেটা তিনি করেছেন, সন্তান ইব্রাহীম জন্মানোর আগে নয়। মারিয়াকে নিয়ে তার স্ত্রীদের সাথে একবার বড় ধরণের মনোমালিন্যও তৈরী হয়েছিল, এবং সুরা তাহরীমের ১ম ৫টি আয়াত অবতীর্ণ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছিল!! একসময় নবীজীর যে ৯ স্ত্রী ছিল এবং যাদের কাছে পর্যায়ক্রমে যেতেন- সেই ৯ জনের তালিকায় মারিয়া বা রায়হানা কেউ ছিলেন না।

আরেকটি ঘটনাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো- সাওদা যখন বয়স্ক ও যৌন অক্ষম হয়ে যান- তখন তাকে তালাক দিতে চেয়েছিলেন। পরে সাওদা তার পালা আয়েশাকে দিতে চাইলে নবীজী তালাক আর দেননি এবং এ প্রসঙ্গে আয়াত ৪:১২৮ অবতীর্ণ হয়। প্রশ্ন হলো, যৌন কামনা যদি ওনার বিয়ে গুলোর কোন উদ্দেশ্য না হয় তবে কেন সাওদা বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে তাকে তালাক দিতে চাইবেন? কেন ই বা ৮ স্ত্রীর সাথে ও কিছু উপপত্নী/দাসীর সাথে সম্পর্ক থাকার পরেও এক বুড়িয়ে যাওয়া সাওদার সাথে পালার একটা দিন / রাত কাটাতে পারেন না???

২২ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার হিসাব মতেই রাসুল সা. ৫৩ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত খাদীজা রা.কে ছাড়া বাকী বিয়ে করেন। আপনার চিন্তা মতে, অর্থাৎ তিনি ৫৩ বছর পর্যন্ত অনেক কষ্ট করে কাটিয়ে আর থাকতে পারেন নি, শেষ বয়সে এসে একের পর এক মেয়েদের সৌন্দর্যে নিজেকে ধরা দেন! আরবে কি এর আগে সুন্দরীদের আকাল পড়েছিল? আপনি মহানবীর সাইকোলজির ধারেকাছেও নিজেকে নিতে পারছেন না সত্ত্বেও তার সম্পর্কে বাজে ধারণা করে বক্তব্য রাখছেন। আমি ঠিক জানি না মহানবীর সিরাত আপনি পড়েছেন কিনা, তাঁর মত ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে এরকম ধারণা কিভাবে আসে? মনে করবেন না এটা অন্ধভক্তি, আপনি আমাকে ব্যাখ্যা দেন তিনি তাঁর যৌবনকালে একাধিক বিয়ে করেন নি কেন? তিনি আর মাত্র ৭টা বছর কষ্ট করলেই তো ইসলামের বিরাট উপকার হতো! আপনাদের মত মানুষদের মুখ আটকানো যেত!

আসলে, ইসলামের শিক্ষার আরও একটা অন্যতম শিক্ষা এই যে, তুমি যাদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টায় রত তারা হয়ত কোনদিনই সন্তুষ্ট হবে না.....আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টায় রত থাক আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন।

৯৩| ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
তথ্যসূত্র ধীরে ধীরে দিচ্ছি:......

৯৪| ২৫ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

মাহমুদ রহমান বলেছেন: ইসলাম অনলাইন থেকে নেয়া একটি প্রশ্ন-উত্তর

Question:

I have a question regarding marriage and the wives of Muhammad. Why is it that, if Islam only permits up to four wives, and even then does not encourage it, Muhammad took nine wives? Also, one of his wives was only seven years old when he married her, and nine when he consummated the marriage, according to your Web site. This seems to me akin to child molestation! Also, one of his children was not from one of his wives, but from one of his “right-hand possessions” to quote your own Web site. Why is a woman called a possession? Is this a concubine? Why did he have intercourse outside of wedlock? Weren’t nine women enough for him? Muhammad’s own lifestyle seems to contradict the very teachings Islam claims regarding marriage and women.

Answer:
Thank you for the ongoing dialogue with our page. We enjoy bouncing ideas back and forth with you, as it seems you’re researching Islam diligently.
Women are often brought into the picture when discussing Islam because their status—if not studied thoroughly and objectively—is severely misunderstood. Under those inaccurate assumptions, Muhammad (peace and blessings be upon him) is often accused of practicing and encouraging unjust treatment of women, while the truth is actually the opposite—as I hope you will see after reading this answer.

I’m encouraged by your thoughtful, questioning nature to attempt to crystallize the true picture of this great man. Let’s take an objective peek into his life, to examine whether or not Muhammad (peace and blessings be upon him) is that repelling womanizer. But first let’s go a little further back in history to look at the domestic lives of other prophets preceding Muhammad (peace and blessings be upon him) and what their Scriptures tell us about their stance towards the polygamy issue:

Other Prophets Practiced Polygamy
The fact that only Muhammad (peace and blessings be upon him) is accused of polygamy is rather surprising, since this is a privilege enjoyed by prophets before him. Their wives and concubines came in great numbers, too! The Torah, the Bible, and the Qur’an tell of some of them; the rest are not mentioned so we don’t know, but among the ones who were polygamous we can count Prophets Ibrahim (Abraham), Ya`qub (Jacob), Dawud (David), and Sulayman (Solomon). The Scriptures talk of polygamy as a “favor” bestowed upon them from the Lord.

First Kings 11:1-3 indicates that King Solomon had 700 hundred wives and 300 hundred concubines! In sealing treaties in ancient days, it was customary for a lesser king to give his daughter in marriage to the greater king. Every time a new treaty was sealed, Solomon ended up with yet another wife. These wives were considered “tokens of friendship” and “sealed” the relationship between the two kings. (Reasoning from the Scriptures on 1 Kings)

Scripture indicates that David also acquired wives and concubines, David’s blessings, including his wives, were given to him as a result of God’s favor (2 Sam. 5:12-13; 12:8; D & C 132:39). Scriptural records say that the Lord did command some of his ancient saints to practice plural marriage. Abraham, Isaac, and Jacob—among others (D & C 132)—conformed to this ennobling and exalting principle; the whole history of ancient Israel was one in which plurality of wives was a divinely accepted and approved order of matrimony. Those who entered this order at the Lord’s command, and who kept the laws and conditions appertaining to it, have gained for themselves eternal exaltation in the highest heaven of the celestial world. (Mormon Doctrine of Plural Marriage p. 578)

Islam Didn’t Invent Polygamy but Only Regulated It—in Favor of Women!
From the above accounts, we can clearly see that Prophets—including Muhammad—were allowed to be more polygamous than their followers, not just for carnal reasons, but for political and religious reasons pertaining to their call. Consequently, it is groundless to wonder why Muslims can’t marry 12 wives like their prophet, just as it is groundless to wonder why Jews and Christians can’t marry 700 like theirs! Islam didn’t invent polygamy; Islam only made polygamy more humane, instituting equal rights for all wives. And even so, Muslim women are not forced to accept this and may put a condition against it in their marriage contract.

The Qur’an Is the Only Holy Book That Actually Says “Marry Only One”
Images of “sheikhs with harems” are not consistent with Islam, as, in fact, the general rule in Islam is monogamy not polygamy. the Qur’an says what means:

*{Marry women of your choice, two, or three, or four; but if ye fear that ye shall not be able to deal justly (with them), then only one.}* (An-Nisaa’ 3:3)

Polygamy in Islam is not recommended; it is only permitted under certain guidelines. Permission to practice polygamy is not associated with mere satisfaction of passion. It is, rather, associated with compassion toward widows and orphans.

Before the Qur’an was revealed, there was no upper limit for polygamy, and many men had more than four wives. Islam put an upper limit of four wives, permitting a man to marry more than once, only on the condition that he deal justly with all of them. Yet the same verse points out:

*{Ye are never able to be fair and just as between women}* (Al-Nisaa’ 3:129)

Therefore polygamy is not a rule but an exception.

Why Is the Exception of Polygamy Allowed in Islam?
The exception is made for many reasons, but let’s note only one here, addressing your concern that Muhammad (peace and blessings be upon him) “had intercourse outside of wedlock.”
In Western society, it is common for a man to have mistresses or multiple extra-marital affairs. Women in this case are degraded to mere sex objects with absolutely no rights; they’re usually on the losing end of such liaisons. The same society, however, cannot accept a man having more than one wife so that women can retain their lawful rights and lead an honorable, dignified, and respectable life.

If every adult American man married only one woman, there would still be more than 25 million women in the United States who would not be able to get husbands, at least considering that—according to latest statistics—10 percent of the American population is gay! That’s close to 30 million people!
Thus the only option for a woman who cannot find a husband is either to marry a married man or to become “public property.” Islam gives women the honorable position by permitting the first option and disallowing the second. At least one of the reasons Islam has permitted limited polygamy is to protect the modesty of women!

Islam’s Straightforward Approach in Problem Solving
In Islam, problems are supposed to be faced and solved—not ignored! So, rather than requiring hypocritical compliance, Islam provides legitimate and clean solutions to the problems of individuals and societies. There is no doubt that the second wife legally married and treated kindly is better off than a mistress without any legal rights. Through practical example, Prophet Muhammad (peace and blessings be upon him) as the guide of Muslims has set the applicable rules for this aspect of human relations in order not to leave anything for speculation.

Stages of the Prophet’s (peace and blessings be upon him) Married Life
First, let’s remember that Prophet Muhammad (peace and blessings be upon him) led a life supported only by the bare minimum of necessities. His wives were not idly wasting away the hours in a luxurious harem but led a life of labor and sacrifice, while he was mostly busy away from home overseeing his numerous duties as a Prophet. So, obviously, lust was not a factor, as he wasn’t even at home most of the time. Further, most of his marriages occurred at an age when lust is not a major factor in any man’s life:
1. He remained single until age 25.
2. From age 25 to 50 he was faithful to only one wife, Khadijah, who bore all his children except one. She was 15 years older than him, with children from two previous marriages. She was his greatest ally when he received the Call at age 40 until she died when he was 50 years old. He remained in love with her until he died and often talked of his life with her with great nostalgia.
3. Between ages 50 and 52 he remained unmarried and mourning his late beloved wife. He lived alone with his daughters.
4. Between ages 53 and 60 he married all his other wives for many noble reasons detailed below. It’s unimaginable for a man to suddenly turn lustful at this age, especially as he was constantly traveling, with bloodthirsty enemies on his heels.
5. At age 60, Allah revealed to him verse preventing him from marrying any more until he died, which was at age 63. The Qur’an says what means:

*{It is not lawful for you (to marry other) women after this, nor to change them for other wives.}* (Al-Ahzab 33:52)

Reasons for the Prophet’s Marriages
We can categorize all his marriages under two aspects of his personality:
- Muhammad the man who needed a loving wife, children, and a stable home, so he married Khadijah and remained with only her for 20 years until she died.
- Muhammad the Prophet who married the other wives for reasons pertaining to his duty to deliver the Message to the world. Those particular women were carefully selected, not just haphazardly “acquired” for carnal reasons, as suggested. Here are some of the reasons for which Muhammad married:
1. To pass on Islam to the next generations as a practical legacy
Prophet Muhammad is the only prophet without any privacy, and with a meticulously preserved tradition in speech and actions in all minute details of his public and private life. Preserved in the sharp minds of his wives and his Companions, those narrations comprise the “daily life manual” for Muslims to follow until the end of time. The fact that Islam was spread on the shoulders of women and preserved in their hearts is a great honor to the females of this Ummah. The books of authentic Hadith attribute more than 3,000 narrations and Prophetic traditions to his wives alone.

2. To cement the relations of the budding nation
In a tribal society, it was customary to seal treaties through marrying into tribes. Muhammad’s closest Companions later became the four caliphs who led Islam at the critical stage after his death. Two of them were the fathers of his wives `A’ishah (daughter of Abu Bakr) and Hafsa (daughter of `Umar); the other two married his daughters (`Uthman married Ruqayyah and Zaynab in succession, and `Ali married Fatimah).

3. To teach Muslims compassion with women
He taught them to be compassionate not just to the young and beautiful maidens, but more so to the weak and destitute widows, divorcees, orphans, and elderly women. Islam teaches that women are to be respected, protected, and cared for by their men folk. They’re not to be cast out to face a harsh life alone while able men around them just pity them and do nothing to help, or worse, use their weakness to take them as mistresses!

4. To offer a practical role model to Muslims until the end of time
Although many believing women often approached Muhammad offering him themselves in marriage, he politely turned down their offers. Most of his wives after the death of Khadijah were old, devoid of beauty, and previously married, except `A’ishah, who was the only young virgin. He married from other nations and religions; some were the daughters of his worst enemies, and his marriage to one woman won all her people into Islam. Regardless of his neutral feelings towards many of them, he was a model example of equal justice and kindness to them all, and he would never discriminate among them.

Who Were the Prophet’s Wives?
Prophet Muhammad (peace and blessings be upon him) married 12 wives in his life. When he died he had 9 wives. They have a very special status in the hearts of Muslims as the “Mothers of the Believers,” as the Qur’an instructs, and they are the source of a great amount of wisdom which they learned while living close to such a great man. Perhaps you’d like to research a bit to find their beautiful stories, so here are their names: Khadijah bint Khuwaylid, Sawdah bint Zam’ah, `A’ishah bint Abi Bakr, Hafsah bint `Umar ibn Al-Khattab, Zaynab bint Khuzaymah, Umm Salama, Zaynab bint Jahsh, Juwayriah bint Al-Harith, Umm Habibah, Safiyah bint Huyay ibn Akhtab, Maymunah bint Al-Harith, Maria the Copt.

Can We Consider His Marriage to `A’ishah a Case of Child Molestation?
To answer your speculation, let’s continue our objective trip into the past. Obviously, when traveling back in time 1400 years to examine a lifestyle we never witnessed, it is unfair to apply our present day standards, so let’s listen to the experts. Authentic historical records prove that the social traditions of the time and place—regardless of religion—considered Arab females as women as soon as their menstrual cycles began. The custom was to give daughters in marriage at that age. This was practiced by all dwellers in Arabia before Islam: pagans, disbelievers, Jews, and others. It’s a fact that female menstruation in hot climates starts much earlier than in cold climates, so females in Arabia matured as early as 8 or 9; they also aged earlier than other women.

It’s a neglected fact that before she was married to Muhammad, `A’ishah had been engaged to an infidel, Jubair ibn Mus’ab ibn Ady. Her fiancé broke the engagement on the basis of religious difference. So her father, Abu Bakr, agreed to give her hand in marriage to the Prophet.

The Great Wisdom in Selecting `A’ishah in Particular as a Young Wife
`A’ishah (may Allah be pleased with her) came from a house famous for learning and memorizing great quantities of knowledge; her father was a live encyclopedia of Arab tribal pedigrees and poetry. She inherited his ability, and in her young, intelligent, receptive mind, she preserved a precious portion of Islam she learned during seven years of marriage, for 47 years after the death of the Prophet (peace and blessings be upon him) and she taught thousands of men worldwide their religion as she had learned it firsthand from the Prophet. To our present day, she is considered among the most prominent Islamic scholars, and she holds extremely high esteem in the hearts of all Muslims as such and as “the beloved of the Prophet,” who often mentioned her as the human he loved the most on the face of this earth. With her, he built a model Muslim home for Muslims to strive to imitate forever.

Was Maria the Copt a Slave, a Concubine, or a Wife of the Prophet?
Slavery already existed long before Islam. It was a system whereby a human captured in wars or kidnapped could be sold as a “possession.” That term applied to both sexes, not to women only. In some cultures slaves were considered subhuman and treated brutally. In Europe, for example, Romans threw Christian slaves to the lions while the public cheered; female slaves were thought to have no souls and were tortured mercilessly; slaves lived in degrading conditions; both sexes were forced to offer sexual favors to their masters; and as “possessions” they had no choice, no will, and no rights.

Islam recognized the human rights of slaves and encouraged Muslims to set slaves free. Islam prohibited adultery and homosexuality, and prevented forcing female slaves into sexual acts against their will. Islam encouraged educating them, setting them free, then legally marrying them and giving them their moral and financial rights. The reward for this—as mentioned in Prophetic Hadith—is eternal residence in Paradise.

Maria (may Allah be pleased with her) was not a concubine; she was a slave owned by Egypt’s Christian governor, who offered her and her sister Serine—among other presents—as a “gift of good will” to the Prophet in reply to his envoys inviting him to Islam. On her way from Egypt to Madinah, she was curious to learn about “her new master” and listened to his Companions talk about him. As a result, she became Muslim before meeting Muhammad. Scholars’ opinions vary of her status afterwards; here is the opinion I support:
One of the prominent Al-Azhar scholars, Sheikh Abdul Majid Subh, states:
“Prophet Muhammad (peace and blessings be upon him), instead of taking concubines, entered into lawful marriages based on reason and wisdom. Maria the Copt was given to him as a present, but rather than taking her as a concubine, the Prophet (peace and blessings be upon him) married her, thus elevating her status by marriage.”

Women’s Rights in Islam Surpass Modern Systems
If women in the Muslim World today don’t have their rights, it is not because Islam didn’t give them rights. Alien traditions have overshadowed the teachings of Islam, either through ignorance or the impact of colonialism. Most of the so-called modern reforms in the status of women appeared after the West abandoned religion for secularism. Those in the West who claim to follow the Judeo-Christian tradition really follow the values of Western liberalism.

In England and America less than fifty years ago, a woman could not buy a house or car without the co-signature of a male “guardian”! In Contrast, Islamic Law guaranteed rights to women over 1400 years ago that were unheard of in the West until the 1900s.

Numerous verses of the Qur’an state that men and women are equal in the site of Allah; the only thing that distinguishes people in His site is their level of God-consciousness.

Islam teaches that a woman is a full person under the law, and is the spiritual equal of a male. Women have the right to own property, to operate a business, and to receive equal pay for equal work. Women are allowed total control of their wealth. They cannot be married against their will, and they are allowed to keep their own name when married. They have the right to inherit property and to have their marriage dissolved in the case of neglect or mistreatment. Islam does not consider woman an “evil temptress,” and thus does not blame woman for Original Sin (a doctrine that Islam rejects). Women in Islam participate in all forms of worship that men participate in.

Prophet Muhammad’s mission stopped many of the horrible practices against women that were present in the society of his time. He actually harnessed the unrestricted polygamy of the Arabs of the time, and put many laws in place to protect the well-being of women. In his Farewell Sermon just weeks before his death, he summarized the teachings of Islam to the believers in a final farewell. His last words were “Be kind to women!”

৯৫| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২০

ব১কলম বলেছেন: আল্লাহর রাসুল (সঃ ) চারের অধিক বিয়ে করেছিলেন আল্লাহর অনুমতিক্রমেই । এ ব্যাপারে কোন লোক প্রশ্ন করতে পারেনা যদি সে কোন ধর্মের অনুসারী হয় । কারণ কোন ধর্মই কোন ধর্মপ্রচারকদে সম্পর্কে কটাক্ষ করার অনিমতি দেয় না । তবে হ্যাঁ যারা কটাক্ষ করে হয় নাস্তিক অথবা ধর্মদ্রোহী । তাদের ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য হল - আল্লাহর ভাষায়-
فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ فَزَادَهُمُ اللّهُ مَرَضاً وَلَهُم عَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْذِبُونَ
(সুরা বাকারা-১০)
তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন।

ওদের সাথে তর্ক করে কোন সমাধানে পৌঁছা যাবে না । ওদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন-

وَعِبَادُ الرَّحْمَنِ الَّذِينَ يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُونَ قَالُوا سَلَامًا
রহমানএর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম। (সুরা ফুরকান -৬৩)

৯৬| ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

কলুর বলদ বলেছেন: জনাব ব১কলম,
কারা পৃথিবীতে নম্র হবে আর কারা ব্যধিগ্রস্থ হবে তা তো উনি আগে থেকে জানেনই তাইনা? তাহলে আল্লাহ নিজেকে 'পরম দয়ালু' দাবি করে কোন যুক্তিতে ?

৯৭| ১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

বৈকুনঠ বলেছেন: "চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো। রাসুল সা. এর সাথে বিয়ের কারণে তারা যে সামাজিক মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন, তালাকের পর সে মর্যাদা থাকতো না। এর অর্থ হচ্ছে কোন অপরাধ না করেও তারা শাস্তি ভোগ করতেন এবং বঞ্চনার স্বীকার হতেন। তাছাড়া যদি তাঁকে এ আদেশ মেয়া হত যে, আপনি চারজন স্ত্রী রেখে বাকী স্ত্রীদের তালাক দিন তবে রাসুল সা. এর জন্যে কঠিন সমস্যার সৃষ্টি হতো। কারণ তিনি কাকে রেখে কাকে তালাক দিবেন ? তার দৃষ্টিতে সকল স্ত্রী ছিলেন সমান। শুধু তাই নয়, চারজন রেখে বাকীদের সামাজিক মর্যাদাহানি হতো। তারা মু সলমানদের মা হওয়ার যে গৌরবলাভ করেছিলেন সেই গৌরব থেকে বঞ্চিত হতেন।

চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো। রাসুল সা. এর সাথে বিয়ের কারণে তারা যে সামাজিক মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন, তালাকের পর সে মর্যাদা থাকতো না। এর অর্থ হচ্ছে কোন অপরাধ না করেও তারা শাস্তি ভোগ করতেন এবং বঞ্চনার স্বীকার হতেন। তাছাড়া যদি তাঁকে এ আদেশ মেয়া হত যে, আপনি চারজন স্ত্রী রেখে বাকী স্ত্রীদের তালাক দিন তবে রাসুল সা. এর জন্যে কঠিন সমস্যার সৃষ্টি হতো। কারণ তিনি কাকে রেখে কাকে তালাক দিবেন ? তার দৃষ্টিতে সকল স্ত্রী ছিলেন সমান। শুধু তাই নয়, চারজন রেখে বাকীদের সামাজিক মর্যাদাহানি হতো। তারা মু সলমানদের মা হওয়ার যে গৌরবলাভ করেছিলেন সেই গৌরব থেকে বঞ্চিত হতেন।"

-----------------------------------------------------


***উপ্রের কথাগুলা আপ্নের লেখা থেইকা কোট করা।**********

এখন আমি কই :

ভাইজান, লেম এক্সকিউজ বা খোঁড়া যুক্তির কথা শোনে নাই এমুন কম্পু ব্যাবহারকারী বংগ ভূমিতে খুঁইজা পাওয়া মুশকিল এবং যেহেতু দেশটা বাংলাদেশ, তাই রাজনিতী বিদ, আমলা, কর্তা- কর্ত্রী নেতা- নেত্রীদের মুখ থেইকা দায়িত্ব এড়ানো নিমিত্বে নানান কিসিমের লেম এক্সকিউজ শুনতে শুনতে আমরা বাংগালীগো এই সেন্সটা কিচুটা ভোঁতা হৈয়া গেচে --- একদম সত্যি।
কিন্তুক তাই বইলা আপনে দিনে দুপুরে এমুন ছেলে ভুলানো খোঁড়া যুক্তি জনগনের সামনে খাড়া কইরা এমুন কঠিন প্রশ্নের উত্তর এমুন সোজা ভাবে দিয়া পার পায়া যাইবেন --- এইটা ক্যামনে ভাব্লেন ?????


১৩ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

মাহমুদ রহমান বলেছেন: নিজের একার চিন্তা-চেতনা সবার উপর চাপাতে চান কেন? এটা লেম যুক্তি কিভাবে হলো? সেইদিন নেই যে, আমভাবে (জনগণের দোহাই দিয়ে) কথা বলা যাবে। এখন স্পেসিফিকভাবে কথা বলার দিন। আপনার কাছে কোন অংশটা লেম মনে হলো যুক্তি দেন, আলোচনা হতে পারে।

৯৮| ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৯

সততা বলেছেন: বিশ্বাস মানুষকে কতটা অন্ধ করে তার একটা নমুনা দেখলাম।

বস ইজ অলওয়েজ রাইট?

৩০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩৩

মাহমুদ রহমান বলেছেন: কি নমুনা দেখলেন জানি না, তবে বিশ্বাস এবং অন্ধবিশ্বাসের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। এটা ধরতে পারার ক্ষমতা আল্লাহ যাকে দিয়েছেন তিনি অনেক সৌভাগ্যবান।

ধন্যবাদ।

৯৯| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে মূল পোষ্ট ও আলোচনা-মন্তব্য পড়লাম।
আসল আলোচনায় তো কেউই গেলেন না!
ইসলামী জীবন-ব্যবস্থায় রাসুলের(স) মর্যাদা এবং ইসলামের কঠোর পর্দাপ্রথার কারনে তাঁর শিক্ষার প্রসারে শিক্ষক হিসেবে স্ত্রীদের দায়িত্বই যে, এতগুলো বিয়ের পেছনে একটি বড় কারন-সেটি নিয়ে কেউ কথা বাড়ালেন না! দুঃখজনক।

১০০| ০১ লা মার্চ, ২০১২ রাত ১০:১৮

মনফুল বলেছেন: + প্রিয়তে... ধন্যবাদ।

১০১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৮:১৭

রিজভী আহমদ খান বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.