নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার কথাবার্তা

রায় বাবু

আমি নিজেকে খুঁজছি.।.।.।.।।

রায় বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটু সচেতনতা এবং উদ্যোগ পারে যানজট মুক্ত ঢাকা গড়তে।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:৪৯

আমি যে খুব ই নিয়ম মানা মানুষ, তা নয়। তবে কোথাও সাক্ষাৎকার থাকলে বা কারও কাছে কথা দেওয়া থাকলে, আমি চেষ্টা করি একটু আগে পৌঁছুতে। খুব বেশী ঝামেলা না হলে আমার এই কাজের কোন ব্যাত্তয় ঘটেনা। তবে এটাও ঠিক যে ঢাকা শহরে কথা দিয়ে সময় মত দেখা করা মোটামুটি অসম্ভব। আমরা যারা মার্কেটিং এ কাজ করি, তাদের তো আরও মহা ঝামেলা। কোথাও সময় মত পৌঁছান যায়না। অফিস সামলাও, ক্লায়েন্ট সামলাও আরও কত কি!!!!!! ঠিক মত সামলাতে না পারলে বসের ঝাড়ি খাও, ক্লায়েন্টের ঝাড়ি খাও।



কিছু ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। গত ২১.০৭.২০১৩ তারিখ এ আমার দুইজন ক্লায়েন্ট মিট করতে বনানী যাবার কথা ছিল। সময় দেওয়া ছিল বেলা ১২.০০। আমি রাস্তার কথা ভেবে ১০.৪৫ এ বের হলাম কারওয়ান বাজার থেকে। বনানী নামলাম বেলা ১২.৪০ এ। আমার ক্লায়েন্ট তো আমাকে আর সময় দেয়না!!! অনেক কেঁদে কেটে দেখা করলাম। কাজের হালুয়া তৈরি হল। আবার গত ২৫.০৭.২০১৩ তে উত্তরা যাবার কথা। বেলা ১ টার ভেতর পৌছনোর কথা। ১০.৩০ তে বেরুলাম। যেতে পারলাম ঠিক বেলা ১.৪৫ এ। এমন ঘটনা হর হামেশাই হচ্ছে। এই যানজট থেকে বোধয় মুক্তি মেলান অসম্ভব...।



অনেকেই বলেন, রিক্সা হল যানজটের অন্যতম কারন। কিছু ক্ষেত্রে কথা সত্য। কিন্তু এই মহা সড়ক গুলতে তো রিক্সা চলেনা। তাহলে এই যানজট কেন!!!!!!!!! রাস্তায় বেরুলেই দেখা যায় অগনিত যানবাহন। দেড় কোটি (সরকারি হিসেবে ১ কোটি) লোকের ঢাকায় নাকি ১০% লোক প্রাইভেট বাহন ব্যবহার করে। যদি সেই লোক গুলোকে হিসেব করি, তবে প্রায় ১০ লক্ষ বাহন!!!!!!!!!!!!!! এই বাহন গুলতে বড়জোর গড়ে চার কি পাঁচ জন যাতায়াত করে, কিন্তু প্রতি দুইটি প্রাইভেট গাড়ি একটি মিনিবাস এর যায়গা দখল করে। ভেবে দেখুন কি পরিমান অপচয়!!!!!!!!!!! তবে আমার ধারনা, প্রয়োজনের চেয়ে আভিজাত্য দেখাতেই গাড়ি বেশী ব্যবহৃত হয়। কোন কোন পরিবার এর সকল সদস্যরাই ব্যক্তিগত বাহন ব্যবহার করে।



এবার আসুন অনিয়ন্ত্রিত পারকিং এর কথায়। রাস্তায় বাস বা অন্য যানবাহন কম ই যত্র তত্র পার্ক করা থাকে। বেশী দেখা যায় প্রাইভেট গাড়ি। একটি দুটি নয়, শয় শয়। ধানমণ্ডি, মতিঝিল, গুলশান, নিউমার্কেট এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকার যান জটের প্রধান কারন এই যত্র তত্র পারকিং। রাস্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর গাড়ির যন্ত্রণায়। আমার ধারনা গাড়িগুলোর নিওম মাফিক পারকিং এবং উন্নত পারকিং ব্যবস্থা তৈরি করা গেলে, এইসব যায়গা গুলো যানজট মুক্ত করা সম্ভব। অবশ্য ফুটপাতের দোকান গুলোও যানজটের জন্য দায়ী।



সর্বোপরি আমাদের ট্রাফিক পুলিশ দেড় আরও দায়িত্ববান হতে হবে। অন্তত ঘুষ টাও যেন তারা জনকল্যাণে নেন। আর সকল ড্রাইভারদের আইন জানতে হবে। এবং তা অনুশীলনও করতে হবে। শুধু গরু ছাগল চেনা ড্রাইভার আমাদের দরকার নেই। আর সরকারও দয়া করে আমাদের কে কোন শুধু গরু ছাগল চেনা ড্রাইভার উপহার দেবেননা। সরকারি সবার অনেক কিছুই আছে। আমাদের সাধারন মানুষের পৈত্রিক জীবনটা ছাড়া আর কিছু নেই।



আমাদের সাধারন মানুষ দেরও সচেতন হবার যায়গা আছে। যে যার যায়গা থেকে আসুন সচেতন হই। সময় ব্যয় এ সচেতন হই। দেখুন না, মানুষের জীবন মোটে কয় দিনের!!!!! সব সময় যদি রাস্তাতেই চলে যায়, তাহলে বাকি কাজ গুলো করবেন কখন!!!!!!!!!!! সচেতন হই, জীবন কে করি নিরাপদ। সময় বাঁচাই, নিজেদের এবং দেশের উন্নয়নের জন্য আরও বেশী সময় পাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.