নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি নইতো কারো চোখের মণি, নই কারো মনের বেদনা...........

রক্তে আমার কোড

কামরুল ইসলাম রুবেল

বাবা-মায়ের দোয়া নিয়ে অনেক দুখেও অনেক অনেক সুখে আছি।

কামরুল ইসলাম রুবেল › বিস্তারিত পোস্টঃ

হিজবুল বাহার; স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্রগামী যাত্রীবাহী জাহাজ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৪

বাংলাদেশের বর্তমানে কোন সমুদ্রগামী প্যাসেঞ্জার শীপ নেই। তবে এককালে ছিলো। ১৯৫৩ সালে GENERAL MANGIN নামে একটি প্যাসেঞ্জার শীপ নির্মিত হয় ফ্রান্সের সেন্ট-নাজারিতে, তখন এটি ফ্রান্সের মারসেলি থেকে পশ্চিম আফ্রিকার ফ্রেঞ্চ উপনিবেশ অংশে চলাচল করতো।

কালক্রমে ১৯৬৯ সালে ফিলিপাইনে বিক্রি হয়ে President নাম ধারণ করে এবং ম্যানিলা থেকে জাপান রুটে চলতো, এরপর ১৯৭২ সালে পানামার পতাকা ধারণ করে Estern Queen নামে সিঙ্গাপুর থেকে অষ্ট্রেলিয়ার ফ্রিমেন্টল এ যাত্রী পরিবহন করতো। ১৯৭৭ সালে ক্রয়সূত্রে এর মালিক হয় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, চার বছর এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলার পর ১৯৮১তে বাংলাদেশ নেভিকে হস্তান্তর করা হলে শহীদ সালাহউদ্দিন নাম ধারণ করে।

প্রধানত: হজযাত্রী পরিবহনের জন্যই এটি কেনা হয়েছিল, তবে বাংলাদেশের জনৈক রাষ্ট্রপ্রধান তার ব্যক্তিগত কাজেও এটি ব্যবহার করার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আছে। বয়স্ক মুরুব্বীদের কাছ থেকে ৭০-৮০র দশকে জাহাজে করে হজ্বযাত্রার গল্প শুনে থাকবেন হয়তো। সেই গল্পের মুল উপজীব্য ছিলো এই জাহাজটিই।

৫৩১ ফুট লম্বা জাহাজটির ১২৪৭৫ গ্রোস টনেজ ছিলো যার বারমিষ্টার এন্ড ওয়েইন ডিজেল ইঞ্জিন ৯৬০০ Bhp শক্তির যোগানে ১৬ নট গতিতে চলতে সক্ষম ছিলো। ৫৮০ জন কেবিনে এবং ১৫৬ জনের ডরমেটরিতে থাকার ব্যবস্থা ছিলো। জাহাজটিতে মোট ১৬৮ জন ক্রু কর্মরত থাকতো। ১৯৮৫ সালে এটি তৈরীর ৩২ বছর পর চট্টগ্রামে স্ক্রাপ করে ফেলা হয়। উপরে বাংলাদেশের পতাকাবাহী যে ছবিটি দেখছেন সেটি মিশেল গ্রীণ নামে জনৈক ফটোগ্রাফার কতৃক ০৩.১২.১৯৭৭ সালে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রার সময় তোলা হয়।

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩২

গড়ল বলেছেন: জাহাজটির ক্যাপ্টেন ছিলেন আমার খালু ক্যাপ্টেন তাজ, চার বছর আগে উনি ইউএসএতে ইন্তেকাল করেন। আমার খালার একটা ছবি আছে জাহাজটির সামনে দাড়ানো অবস্থায়।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৪

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: এই জাহাজটির ছবি খুবই রেয়ার। একটু খুঁজে দেখবেন কি যে আর কিছু ছবি পাওয়া যায় কিনা? যদি খুব ব্যক্তিগত না হয় তাহলে পাবলিশ করলে খুশি হবো।

২| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





১। বি এন সালাহউদ্দিন জনৈক রাষ্ট্রপ্রধান ব্যাবহার করতেন?
২। তিনি এতো বড় জাহাজ নিয়ে আনন্দ ভ্রমনে যেতেন?


আনন্দ ভ্রমণে যাওয়ার জন্য দ্রুত গতির নেভাল টাগবোট, নেভাল গানবোট ছিলো, আপনার উল্লেখিত জনৈক রাষ্ট্রপ্রধান তিনি এতো বড় জাহাজ নিয়ে কি করতেন? আমার জানা মতে তাঁর লোক লস্কর হাজার হাজার ছিলো না। তাঁর জন্য নেভাল টাগবোট, নেভাল গানবোট নিরাপদ ও যথেষ্ট হওয়ার কথা।



০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৫০

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: উত্তরটা অনেকটা রাজনৈতিক, যেটা আমার খুবই অপছন্দ করি। দুই পক্ষেরই যুক্তি আছে বলেই পোষ্টে ‘পাল্টাপাল্টি’ শব্দটা ব্যবহার করেছি। কিন্তু জাহাজটি জনৈক রাষ্ট্রপতি ব্যবহার করতেন তার প্রমাণ হিসেবে সামু ব্লগেরই স্মৃতি হাতড়ানো এই পোষ্টটি পড়ুন। অনেকটাই জানতে পারবেন। আরো গভীরে জানতে হলে আপনাকে আরো খুঁজতে হবে। আমি তন্নতন্ন করে জাহাজটি সম্পর্কে সব তথ্য-ইতিহাস জানতে গিয়ে অনেক কিছুই জেনেছি।

"স্মৃতির আয়নায় মহান নেতা জিয়া"

৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রাজনৈতিক হলে আপনি জনৈক রাষ্ট্রপতি কথাটি বাদ দিয়ে প্লট লিখতে পারতেন। বাই দ্যা ওয়ে এই জাহাজ আমার নিজ চোখে দেখা। আমি আপনার দেওয়া ব্লগার জুল ভার্ন সাহেবের লেখা পড়েছি তিনি অসংখ্য মিথ্যায় ভরপুর একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন নিজেকে জাহির করার জন্য।

ব্লগার জুল ভার্ন সাহেবের তথ্য অনুযায়ী: -
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় আমারও সেই সফরে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। আমাদের সাথে তিনি ৫ দিন-রাত এক সঙ্গে থেকে বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সম্পদ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করেছিলেন। কারণ তিনি জানতেন এ সমস্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। হিজবুল বাহারে যাত্রী বহন সংখ্যা ছিল দুই হাজার। এই যাত্রীদের মধ্যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, সাংস্কৃতিক কর্মী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদও ছিলেন।

১৭ জানুয়ারি, ১৯৮১ইং দুপুর ১২ টার সময় হিজবুল বাহার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সুন্দর বনের সঙ্গম স্থলের অদুরে হিরণ পয়েন্ট হয়ে আমরা যাত্রা শুরু করি সিংগাপুর-ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে।


১। বি এন সালা্হ উদ্দিনের সর্বোচ্চ স্পিড কতো নটিকেল মাইল ছিলো?

২। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিঙ্গাপুর ইন্দোনেশিয়ার দুরত্ব কতো নটিকেল মাইল?

৩। ৫ দিন রাত থেকে তারপরে তিনি কি জাহাজ থেকে হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিলেন নাকি কপ্টার এসে জাহাজ থেকে রাষ্ট্রপতিকে আলাদাভাবে সিঙ্গাপুর ইন্দোনেশিয়া নিয়ে গিয়েছিলো?

আশা করি এই তিনটি প্রশ্নে আপনি জেনে যাবেন আপনি অনেক কিছু জেনেছেন নাকি অনেক কিছু জানতে পারেন নি। রাজনৈতিক প্রসঙ্গ না এটি সহজ প্রসঙ্গ।



০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: দুরত্ব সংক্রান্ত আপনার দেয়া তথ্যে যুক্তি আছে বটে।

৪| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২০

অনল চৌধুরী বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের জুতাপেটার শিকার হওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ জিয়া এই জাহাজে অভি-নীরুসহ বহু মেধাবী ছাত্রকে নিয়ে‘‘ প্রমোদ-ভ্রমণে গিয়ে জিয়া ছাত্র রাজনীতিকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলেছিলো।
তবে ১৯৭৪ সালে মহসিন হলে ব্রাশফায়ারে ৭ খুন করে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বড় আকারে খুনাখনির ঘটনা ঘটিয়েছিলো ছাত্রলীগ নেতা শফিউল আলম প্রধান।

https://bn.wikipedia.org/wiki/শফিউল_আলম_প্রধান

৫| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: কম খরচে হজ পালনের জন্য জাতির পিতা হিজবুল বাহার জাহাজ কিনেছিলেন এবং বিমানেও হজযাত্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।

৬| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৫

জাহিদ হাসান বলেছেন: বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপ,থাইল্যান্ড,শ্রীলংকা জাহাজে যাতাযাত করতে পারলে ভ্রমণের খরচ অর্ধেক কমতো আমাদের ।
কবে যে এই দেশটা অন্য আর দশটা দেশের মত হবে ? X(

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: জাহাজে যাত্রী হিসেবে লম্বা ভ্রমণ এখন আর যুগোপোযোগী নয়। প্রমোদভ্রমণ হলে ভিন্ন কথা। সর্বোচ্চ রোরো ফেরী যেখানে যানবাহন আর মানুষ একসাথে পরিবাহিত হয়, তাহলে ঠিক আছে, যেমনটা ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন দ্বীপগুলোতে চলাচল করে। জাহাজে করে থাইল্যান্ড যেতে হলে কমপক্ষে ৮-১০ দিন লাগবে। আপ-ডাউন হিসেব করলে ২০ দিন। প্রতিদিন ১৫০০ টাকা করে লাগলেও ৩০ হাজার টাকা। অর্থাৎ থাইল্যান্ড যেতে আসতে ২০ দিনে ৩০ হাজার টাকা লাগবে। আর বিমানে ১৬ হাজার টাকায় ৫ ঘন্টায় আপ-ডাউন। যাবে না কেউ! উন্নত বিশ্বেও প্রমোদভ্রমণ ছাড়া জাহাজে রিমোট এরিয়া তথা ঠেকায় না পড়লে যাত্রী পরিবহনে জাহাজ ব্যবহার করা হয়না। আমাদের পাশ্ববর্তী কলকাতা-পোর্টব্লেয়ার রুটে জাহাজও প্রায় বন্ধের পথে।

৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





কামরুল ইসলাম ভাই,
আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ গ্রহণ করুন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইলো।


০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩৫

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও ভ্রাতা

৮| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

নেক্সাস বলেছেন: একজন মন্তব্য করেছেন জাতির পিতা কিনেছে। এখন লোকজন কবর থেকে উঠে এসে ভোট দেয় এটা না হয় মানলাম কিন্ত্য ১৯৭৭ সালে জাতির পিতা কি কবর থেকে উঠে এসে এই জাহাজ কিনেছিলেন?
আর ব্যাক্তিগত প্রমোদ ভ্রমনের জন্য প্রেসিদেণত জিয়া এত বড় জাহাজ ব্যাবহার করতেন এটা অত্যন্ত হাস্যকর। এটা শুনেছি যে তিনি ছাত্রদেরকে নিয় এই জাহাজে করে কর্মসূচীভিত্তিক ভ্রমন করেছিলেন। এটাকে ব্যাক্তিগত প্রমোদ ভ্রমন বলা চলে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.