| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুদ্রাক্ষী
আমি কখনো যায়নি জলে,কখনো ভাসিনি নীলে,কখনো রাখিনি চোখ ডানা মেলা গাঙচিল.........
মানবদেহের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংগ নিঃসন্দেহে আমাদের ঘাড়ের উপরের অংশ সোজা কথা বললে মাথা বা মস্তিষক। দেহের সুক্ষাতিসুক্ষ কাজ গুলো নিপুন ভাবে করে যায় এই ব্রেন বা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ।আসলে আমাদের মাথা বা খুলির ভিতরে সুরক্ষিত আছে আমাদের সিপিইউ যাকে বলি ব্রেন।খেয়াল করে দেখবেন আমাদের দেহের অন্যান্য কোন অংগই কিন্তু এমন সুরক্ষিত নয়....।কি আছে এই ব্রেন এ কি বা তার কাজ? কিভাবে তা বিকল হয় তাতে আমাদের কি অসুবিধা হতে পারে?
এই হচ্ছে মানব মস্তিষ্কের উপর ও পাশে থেকে ছবি-----![]()
![]()
উপরের ছাতার মতো দুইটি অংশ হলো-সেরিব্রাম
নিচের ছাতার দন্ডটি হলো-ব্রেন স্টেম
আর পিছনের অংশটি হোলো- সেরিবেলাম।
এবার আর একটু ভিতরে আসি- সেরিব্রাম কে কয়েকটি লোবে ভাগ করা হয়-যেমন-সামনের অংশ ফ্রন্টাল লোব-
পাশের অংশ -প্যারাইটাল লোব-
পিছনের অংশ-অক্সিপিটাল লোব আর
সামনের দিকের নীচের অংশ-টেমপোরাল লোব।
ব্রেইনের সেরিব্রামে বেশ কিছু এরিয়া আছে যাকে কিছু নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে এই এরিয়া গুলোর নাম ব্রোকাস এরিয়া। যেমন ধরুন-১২৩-সেন্সরি এরিয়া ,৪ হোল মোটর এরিয়া বা চলাচল নিয়ন্ত্রনকারী এরিয়া ,৪৪,৪৫-স্পীচ বা কথা বলার এরিয়া,১৭,১৮-ভিযুয়াল বা দেখার জন্য এরিয়া।
আলাদা আলাদা রক্ত নালী থাকার কারনে কোন এক্সিডেন্টে ব্রেনের ক্ষতি বা স্ট্রোক হলে সেই এরিয়ার কার্য ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
নীচের ছবিটি দেখুন-
এবার আসুন আর একটু গভীরে- ব্রেন কে মাঝামাঝি বরাবর কেটে ফেললে পাবো এমন একটি চিত্র-
এই চিত্রটি লিম্বিক সিস্টেমের এ দ্বারা ই নিয়ন্ত্রিত হয় আমাদের আবেগ, আচড়ন ও স্মৃতি।
খেয়াল করুন ব্রেন স্টেম যা জায়গাটি এটা ব্রেনের মধ্যে সবচাইতে জরুরী জায়গা যেখানে আছে আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার সেন্টার এ জায়গায় রক্তক্ষরন বা আঘাত পেলে সাথে সাথে শ্বাস বন্ধ হয়ে তৎক্ষনাত মৃত্যু হতে পারে। এবার আসুন দেখে নেই এই ব্রেনের রক্ত নালী গুলো তাহলে স্ট্রোক সমন্ধে বোঝা সহজ হবে-
স্ট্রোক আসলে দুই প্রকার-
১।রক্ত জমাট বেধে স্ট্রোক বা ইনফ্রিকটিভ স্ট্রোক
২।রক্ত ক্ষরন জনিত স্ট্রোক বা হেমোরেজিক স্ট্রোক
১।রক্ত জমাট বেধে স্ট্রোক বা ইনফ্রিকটিভ স্ট্রোক- এটা সাধারনত রক্ত নালী সংকুচিত হয়ে বা রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তের চলাচল বন্ধ করে দেয় ।আর তাই সেই রক্ত নালী যে এরিয়াতে রক্ত দিত তা দিতে পারেনা ফলস্বরুপ সে এরিয়া কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে-
২।রক্ত ক্ষরন জনিত স্ট্রোক বা হেমোরেজিক স্ট্রোক-এটা সাধারনত যাদের ব্লাডপ্রেশার বেশী থাকে বা আনকন্ট্রোল থাকে বা নিয়মিত ওষুধ খাননা তাদের বেলায় ঘটে।রক্তের প্রেশারে ব্রেনের রক্ত নালীগুলো ছিড়ে যায় আর সেই রক্ত ছড়িয়ে পরে আশে পাশের এরিয়ায় ফলে ঘটে যায় হেমোরেজিক স্ট্রোক।
আর একটা ঘটনা ঘটে ব্রেনের আঘাত জনিত বা রোগের কারনে সেটা হলো সেরিব্রাল ইডিমা।সোজা কথায় ব্রেন ফুলতে শুরু করে যেহেতু ব্রেন এক বদ্ধ খুলির মধ্যে থাকে তাই তার বাড়ার জায়গা কম আর তাই বাড়তে যেয়ে বেশী ক্ষতি হয়।এমন কি ব্রেন ডেথ পর্যন্ত।ব্রেন ডেথ হচ্ছে এক আজব ভায়ানক ও অপরিবর্তনীয় অবস্হা-এতে করে মানুষ শ্বাস নেয়া বন্ধ করে দেয় কিন্তু পালস বা হার্টবিট পাওয়া যায়..........এ অবস্হায় যদি তাকে ভেন্টিলেটর বা লাইফ সাপোর্ট মাশিন দেয়া হয় তবে রোগীকে বাচিয়ে রাখা যায় কিন্তু তা একমুখী কারন ব্রেনডেথ হয়ে গেলে মৃত্যু অনিবার্য।এক দুই দিনের মধ্যে সাধারনত হার্ট বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে।আর যদি ভেন্টিলেটর না দেয়া তবে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই রুগী মারা যায়।
আসলে ব্রেন নিয়ে ত বইয়ের পর বই লেখা আছে আমি কিছু ছোটখাটো ও দৈনন্দিন বিষয় তুলে ধরলাম যাতে কেই বিপদে পরলে(আল্লাহ না করুন) আমরা বিষয়টি বুঝতে পারি ও সে অনুযায়ী সাহায্য করতে পারি।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:০০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: জি জনাব।
২|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:০৪
যে আছো অন্তরে বলেছেন: বেশ বেশ। ভাল লাগল শুনে।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:১১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: চিন্তিত...............।ডাক্তার শুনে কারো ভালোও লাগে?
পোস্ট কি ভালো লেগেছে? আপনে আমার ব্লগে প্রথম আসলেন এজন্য স্বাগতম।ভালো থাকবেন।
৩|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৬
যে আছো অন্তরে বলেছেন: হুম। আমার ভাল্লাগে ডাক্তার শুনলে। দোয়া করি ভালভাবে ডাক্তারি চালিয়ে যান। ভাল থাকুন জনাব।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:২২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৪|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৬
ৈসকত ইসলাম বলেছেন: অনেক সুন্দর একটি পোস্ট ,,,,, ভাল লাগা রইল ,,,,
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৩১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।অনেক অনেক ভালো থাকবেন।প্লাসের জন্য রইল ধন্যবাদ।
৫|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৭
এবিসি১০ বলেছেন: জানলাম অনেক কিছু। ধন্যবাদ আপনাকে।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০৩
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। অনেক অনেক ভালো থাকবেন।
৬|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:৩১
রিস্টার্ট রিফাত বলেছেন: সালাম ডাক্তার সাব।
+++
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০৫
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: ওয়ালাইকুম আস সালাম।ভালো আছেন তো?বেঈমান আমি কি বন্ধ? আপনাকে আমার পোস্টে আসতে দেখে ভালো লাগে ।প্লাসের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।অনেক ভালো থাকবেন।
৭|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:৫৬
আবদুল্লাহ্ আল্ মামুন বলেছেন: গুড জব ... ব্রো এমন একটা পোষ্টই খুজছিলাম। আমার পরিচিত একজন ছোটবেলায় (৫/৬ বছর বয়সে) প্রায় ২০ ফুট উচু কাঠের পুলের উপর থেকে পড়ে গিয়েছিল। পুলের একটা কাঠ খোলা ছিল, অসাবধনতাবসত সেখান দিয়ে পড়ে যায়।
এর প্রায় ২০ বছর পর... ২০০০ সালের দিকে - একদিন খাবার সময় হঠাৎ তার খিচুনী উঠে। প্রথম দিকে গ্রামের লোকজন জ্বীনে ধরেছে ভেবে- হুজর, কবিরাজ দিয়ে ঝাড়ফুক তাবিজ, কবজ এই সব করে।
পরে আমি জানতে পেরে উনাকে ঢাকা নিয়ে এসে- ডাক্তার দেখাই। এবং মাথার সিটি স্ক্যান সহ বেশকিছু টেষ্ট করায়।
সিটি স্ক্যান রিপোর্টে দেখা যায়, মাথার ভিতর কিছুটা জায়গায় রক্ত জমাট বেধে আছে।
ডাক্তার তখন - টেগ্রেটল সিআর ২০০ এমজি একটা ওষুধ দেয়।
দুই বেলা খাবার পরে খেতে বলেছে। ২০০০ সাল থেকে একই ওষুধ চলছে... মাঝে মাঝে ডোজ শুধু চেন্জ হয়েছে।
এর মাঝেও বেশ কয়েকবার খিচুনী উঠেছে। এবং দু-একবার বাধে প্রতিবার খাবার সময়ই উঠে।
ডাক্তার বলেছে- ইটিং এপিলেপসি।
.........
রোগটা কি ঐ আঘাত থেকেই হয়েছে ? আর হলে ঐ জমাট বাধা রক্ত কি ভাল হবে না। মানে সেরে যাবে কিনা? বা সারানোর উপায় কি ?
..........
গ্রামে থাকে। তারউপর মেয়ে। বুঝতেই পারছেন, জীবনটাই পুরো এলোমেলো হয়ে গেল। গ্রামের মানুষ বুঝতে চায় না। উল্টাপাল্টা কথা বলে।
বাতাস লাগছে। জ্বীনে ধরছে।
.........
সবথেকে বড় কথা, যখন খিচুনী উঠে - তখন হাত-চোখ মুখ বেকে যায়। মুখ দিয়ে ফেনা উঠে। আর সারা শরীর ঝাকতে থাকে। খুব কষ্টের ... আর রোগীর কিছুই নাকি মনে থাকে না।
আমি নিজেই দু-একবার দেখেছি।
........
এটা কি পুরোপুরি নিরাময় হবে না কোনদিন ?
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:১৭
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: ভাইয়া আমার মনে হয় এটা এপিলেপ্সী।এবং এটা নিরাময় যোগ্য।শুধু টেগরেটল দিয়ে ত ভালোই কন্ট্রোল থাকে তবুও যেহেতু মাঝে মাঝে হয় তাই ভ্যালেক্স ১+০+১ করে খাওয়ান।একবার ঢাকায় এনে নিউরোলজিস্ট কে দেখিয়ে ডোজ এডজাস্ট করে যান ,উপকার পাবেন।
আর রক্তযদি জমাট বাধার কারনে ব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে স্বাধারনত সেই ক্ষতি পূরন হয়না।আর এত পুরানো রক্ত জমাট বাধা আর চিকিৎসা করাও সম্ভব না।বরং যদি খিচুনী ছাড়া ওর কোন সমস্যা না থাকে তাহলে এটা নিয়ে চিন্তিত হবার দরকার নেই।
খিচুনী ওষুধ খেলে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে থাকে। দেখি পারলে এটা নিয়ে পোস্ট দিবো।
পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।অনেক ভালো থাকবেন।
৮|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ২:২৮
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: আরেকটি চমৎকার পোস্ট।মাঝে মাঝে কোথায় হারিয়ে যান ভাই?
ব্যাস্ততা বেশি নাকি? আমার বর্ষপূর্তি পোস্টেও আপনাকে মিস করেছি।যাই হোক ফিরে আসায় অনেক ধন্যবাদ ।আশা করি নিয়মিত আপনাকে ব্লগে পাবো।ভালো থাকবেন।শুভকামনা।
পোস্টে ভালোলাগা।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২১
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আরে ভাই সাহেব কেমন আছেন???????? ভালো তো? খাড়ান আপনার বর্ষপূর্তি পোস্ট দেখে আসি। আশা করি নিয়মিত হবো।শিঘ্রই কিডনি নিয়ে পোস্ট দিবো।রাতুল শাহ বলেছিলো চুল পড়া নিয়ে পোস্ট দিতে সেটাও দিবো। আবার মামুন ভাইয়ের জন্য এপিলাপ্সীর উপরও পোস্ট দিবো।আশা করি দেখা হবে পোস্টে পোস্টে।
প্লাসের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।অনেক ভালো থাকবেন।
৯|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪৫
পৃথ্বীরাজ সৌরভ বলেছেন: অসংখ্য ১৮+ আর লুল পোস্টের ভিড়ে একটা কামের পোস্ট... ![]()
ভাল লাগ্ল...
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম। আপনার ভালো লাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন সৌরভ।
১০|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২৬
জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন:
ভালো থাকেন ডাকতার সাহেব।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২৩
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আপনাকেও শুভকামনা রইলো।কিন্তু পোস্ট পড়ে ভালো লেগেছে তো?
১১|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:১০
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: পোষ্ট ভালো লাগল
১. রক্ত জমাট বেধে স্ট্রোক বা ইনফ্রিকটিভ স্ট্রোক- এটা সাধারনত রক্ত নালী সংকুচিত হয়ে বা রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তের চলাচল বন্ধ করে দেয় ।আর তাই সেই রক্ত নালী যে এরিয়াতে রক্ত দিত তা দিতে পারেনা ফলস্বরুপ সে এরিয়া কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে-
আমার বাবারও হয়েছিলো মনে এটাই, কারণ ডাক্তাররা বলেছিরো ছোট্ট একটা অপারেশন করে রক্ত বের করে নেবে, তাই ধারনা করছি। কিন্তু পরিস্থিতি দেখে আর অপারেশন করা হয়নি। খুবই ভয়ানক একটা রোগ এটা। কি যে কষ্ট সেটা আমি অনুভব করতে না পারলেও খুব ভালো করেই জানি, সেদিন বাবাকে দেখেছিলাম কি ভাবে ছটফট করতে। এর পরবর্তী সময়গুলোতো আরো ভয়নাক, কাউকে চিনতেই পারেনা।
এরকম রোগ যেন খোদা কারো বাবা মাকে না দেন।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:২৯
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: ডাক্তার রা যদি বলে থাকে যে অপারেশন করে রক্ত বের করে নিবে তবে তা হেমোরেজিক স্ট্রোক।ইনফারকটিভ স্ট্রোকে অপারেশন সাধারনত করেনা।
খুব কষ্ট লাগে জানেন........চোখের সামনে নিজের প্রিয় মানুষদের এমন অসহায় অবস্হায় দেখলে ।আমাদের কিছুই করার থাকেনা ।সবসময় একটা হাহাকার বয়ে বেড়ানো ,কি যে দুঃসহ।আল্লাহ আপনার সহায় হউক।
ভালো থাকবেন ঠিক বৃষ্টি ভাজা সকালের মতো।পোস্টে ভালো লাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১২|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:১৩
পাকা খোকা বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
০৯ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৩০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
১৩|
১১ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৫০
ফারজুল আরেফিন বলেছেন: পোস্ট খুবই চমৎকার হয়েছে ভাইয়া।
ব্লগে যারা জানতে আসে, শিখতে আসে তাদের জন্য এরকম পোস্ট দাতার অভাব আছে।
ব্রেন নিয়ে বইয়ের পর বই লেখা আছে, কিন্তু সাধারণের কাছে সহজ করে উপস্থাপন করার মত খুব কম জীনিসই আছে। দু-একটি পত্রিকায় প্রতি সপ্তাহে এরকম লেখা নিয়ে ফিচার বের হয়, সময় পেলে পড়ি।
যে মেশিন নিয়ে নিত্য বসবাস তার সম্পর্কে কিছু ধারণা থাকলে মেশিন বিকল হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
অবসরে নিয়মিত লিখুন।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন সবসময়।
১২ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১২:০২
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।আপনিই বলেছিলেন এই বিষয় নিয়ে লিখতে তাই লিখলাম................।আপনার ভালো লেগেছে এটা জেনে আনন্দিত।নিয়মিত হবোএবং হতেও চাই।মাঝে মাঝে সংকটে পরি কি নিয়ে পোস্ট দিবো তা নিয়ে.............।
আপনেও ভালো থাকবেন ফারজুল আপনার চমৎকার লেখনী আরও আরও শানিত হোক এই কামনা করি।
অনেক দিন ছবি ব্লগ পাচ্ছিনা ।ছবি তোলার নেশা টা ধরে রাখুন প্লীজ।
১৪|
১৬ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৪১
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: ফাস্ট ফুড কম খান, ভেজিটেবলস আর লালা চালের ভাত খান।
ফ্যাট কমলে এমনিতেই স্ট্রোক এর চান্স কমে যাবে। পোস্টে প্লাস।
১৭ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:০৫
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: হ্যা ঠিক বলেছেন............ভাই যে হারে জিনিসপত্রের দাম বারতেছে কোন মতে খেয়ে বাচলেই হয়..............।
প্লাসের জন্য ধন্যবাদ ।অনেক ভালো থাকবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫২
যে আছো অন্তরে বলেছেন: আপনি কি ডাক্তার?