নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানবতার জয় হোক

শান্তির জন্য সংগ্রামী

রুমি আলম

মানবতার জয় হোক

রুমি আলম › বিস্তারিত পোস্টঃ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের একাত্তরের কিছুদিন। শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:২৮



অসহযোগ আন্দোলনের শেষ দিনগুলোঃ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবাবের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে ভুবনখ্যাত ভাষনের রাতেই ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িতে খাওয়ার সময় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার যা বলার ছিলো আজকের জনসভায় তা প্রকাশ্যে বলে ফেলেছি। সরকার এখন আমাকে যে কোন মুহুর্তে গ্রেফতার বা হত্যা করতে পারে। সেজন্য আজ থেকে তোমরা প্রতিদিন দু’বেলা আমার সঙ্গে একত্রে খাবে’। শেখ হাসিনা, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা, শেখ রাসেল, শেখ শহীদ, ড এম এ ওয়াজেদ মিয়া এবং বেগম মুজিবকে উদ্দেশ্য করে এমনটিই বলেছিলেন। সেই থেকে ২৫শে মার্চ দুপুর পর্যন্ত একবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। বাঙালির জীবনে ঘটে যাওয়া সেই অমানিষার অন্ধকার রজনীতেই ঘটে কেবল ভিন্নতা। ঘটারই কথা। এই রাতেই বাঙালির বুকের তাজা রক্তের উপর দাঁড়িয়ে বাঙালির হাজার বছরের প্রিয় মানুষ শেখ মুজিব ২৬ তারিখ শুরুর প্রারম্ভেই স্বদম্ভে ঘোষনা করেছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

সেই ৭ তারিখের পর থেকে একে একে ঘটতে থাকে সকল না দেখা ঘটনা। চলতে থাকে অসহযোগ আন্দোলন। রাজনীতির আড়ালের রাজনীতির কুটকৌশল আলোচনা পর্ব। সাড়ে সাত কোটি বাঙালি তাদের ধৈর্যের সকল পরীক্ষা দিয়েই বিদ্রোহী সত্তায় অবতীর্ণ হয়।

অসহযোগ আন্দোলন শুরুর প্রথম দিকেই বঙ্গবন্ধুর নিরদেশে ও তাগাদা দেওয়ায় ওয়াজেদ মিয়া আলাদা বাড়ি ভাড়া নেন হাতিরপুলে অবস্থিত বিজ্ঞানী ড আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিনের শ্বশুর খান বাহাদুর আবদুল হাকিম সাহেবের ১২ নং ফ্রি স্কুল স্ট্রীটের একই কম্পাউন্ডের তিনটি বাড়ির মধ্যকার একটি বাড়ির দুতলা। ঐ সময়ে শেখ হাসিনা ছিলেন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং দেশের অবস্থা ক্রমেই ঘোলাটে পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হওয়ায় তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই বঙ্গবন্ধু এমন নিরদেশ দিয়েছিলেন। সেইমতো ১৪ মার্চ কিছু আসবাবপত্রও সেই বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ১৫ মার্চে ড ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা সেই বাসায় গিয়ে নিঃসঙ্গতা বোধ করায় তৎক্ষনাৎ বাসা ছেড়ে দিয়ে ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরেই ফিরে আসেন। ১৬ মার্চ ধানমন্ডি(পুরাতন) ১৫ নম্বরস্থ(নতুন ৮/এ-১৭৭) বাড়িটির নীচতলা ভাড়া নেন এবং ১৭ মার্চ যথারীতি আসবাবপত্র রেখে আসা হয়।



হন্তারকের গনহত্যার শুরু ও বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষনাঃ ২৫ তারিখ দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু নেতা কর্মীদের সঙ্গে গুরুত্বপুর্ন আলোচনা ও নিরদেশদানে ব্যস্ত থাকায় সেই ৭ তারিখ থেকে মেনে চলা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। অন্যরা সকলেই রাতের খাবার শেষ করলেও বেগম মুজিব স্বামীর জন্য অপেক্ষায় থাকেন। রাত ন’টার দিকে অন্যসকলের খাওয়া শেষেই শেখ কামাল বিদায় নিয়ে চলে যান গোপন আস্তানায়। রাত ১১ টার পরেও বঙ্গবন্ধু খেতে না আসায় শেখ হাসিনা পিতাকে নীচতলা থেকে নিয়ে আসতে যেতেই সিড়িতেই বাবা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে বলে উঠেন ‘মা তোকে আমি সারাদিন দেখিনি’। এরপরে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যেই কয়েকজন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে আসে। বিভিন্নজনের কাছ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খবর পেয়ে বঙ্গবন্ধু স্বিদ্ধান্ত নেন তিনি বাড়ি ত্যাগ করবেন না বা পালিয়ে কোথাও যাবেন না। অপরাপর সকল নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন নিরদেশ দিলেন। ওয়াজেদ মিয়াকে ডেকে বলনে, হাসিনা, রেহানা ও জেলীকে নিয়ে তার নতুন ভাড়া নেওয়া বাড়িতে চলে যেতে। শুরু হয় বিচ্ছেদের পর্ব। বাঙালির জীবনে নেমে আসে ঘোর অমানিষার কালো অধ্যায়। পৃথিবীর মানুষ অতীতে এমনটি দেখেছে সেই কথা ইতিহাসের কোথাও কেউ উল্লেখ করেনি আজো। হয়ত বাংলাদেশ স্বাধীন হবে, সেজন্যই রক্তের খেলায় মেতেছিল উন্মাদ পাকবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরেরা।





গ্রেফতার, নির্যাতন ও আত্মগোপনের মধ্যদিয়ে ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ির সঙ্গে বিচ্ছিন্নতার শুরুঃ ড এম এ ওয়াজেদ মিয়া নানারকম শংকা ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই ধানমন্ডির নতুন ভাড়া বাড়িতে পৌছার মিনিট বিশেকের মধ্যেই হাসিনা, রেহানা, জেলী এবং বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে দীরঘিদিন ধরে বিভিন্ন কাজকর্মের দেখাশুনা করা ওয়াহিদুর রহমান উরফে পাগলা সহ বঙ্গবন্ধুর গাড়িতেই পৌছান। কিছুক্ষনের মধ্যেই চারদিকে গোলাগুলি ও কামানের আওয়াজ শুরু। অজানা আশংকা নিয়েই পাড়ি দেন পুরো রাত শুধু হারিকেন জ্বালিয়ে। আগের রাত থেকে সন্ধ্যাবধি ঘর থেকে বের হতে না পারায় বাইরের কোনো খবরই সংগ্রহ করতে পারেন নি। ২৬ তারিখ সন্ধ্যায় শেখ কামালের এক বন্ধু গোপনে অনেকগুলো বাড়ির দেওয়াল টপকিয়ে গিয়ে খবর দেন, গতরাত আনুমানিক ১টার দিকে পাকিস্থানী আর্মী বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেছে। বঙ্গবন্ধুর সহকর্মী গোলাম মোরশেদকে রাইফেলের বাট দিয়ে আঘাত করে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। অন্যান্য কাজে নিয়োজিত আজিজ, ফরিদ, বাবুচি নিয়াজ এবং শিশু রাসেলের দেখাশোনায় নিয়োজিত আজিজুন নেছা উরফে বুড়িকেও গ্রেফতার করেছে। বেগম মুজিব, জামাল ও রাসেল শুধু গ্রেফতারের মধ্যে পড়েনি। পাগলা এই খবর শোনার পরেই কারফিউ উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধুর বাড়ির উদ্দেশ্যে।



ঠিকানাহীন পথচলাঃ বেগম মুজিব, জামাল ও রাসেল বিভীষিকাময় সেই রাতের পর ২৭ তারিখ ভোরের আগে কোন এক সময়ে ড এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বাসায় আশ্রয় নেন। ২৭ তারিখ সকালে কারফিউ শিথিল হলে ড ওয়াজেদ, শেখ হাসিনা ও জেলীকে নিয়ে বেগম মুজিব, জামাল ও রাসেলকে খুজতে বেরিয়ে দেখেন বঙ্গবন্ধুর বাড়িটি শশ্মান ভুমিতে পরিনত হয়েছে। আর্মী পাহারা দিচ্ছে। অনুমান করে তারা পাশের বাসায় খুজতে গিয়ে দেখেন, বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভাই মোমিনুল হক খোকা অনেক বাসার দেওয়াল টপকিয়ে প্রথমে আহমদ ফজলুর রহমানের বাসা হয়ে বাহাউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় গিয়ে শোনেন গতরাতে এই বাসাতেই শেখ কামাল ও বঙ্গবন্ধুর দেহরক্ষী মহিউদ্দিন ছিলেন, আজই অজানা কোথাও চলে গেছেন। সেখান থেকে পালিয়ে পালিয়ে ৩২ নম্বরের বাড়ি পৌছে কাউকে না পেয়ে পাশের বাসায় যান কোন খোজ খবর পাওয়া যায় কিনা এই আশায়। সেখানেই বেগম মুজিবসহ অন্যদের পেয়ে গাড়ি সংগ্রহের জন্য রাস্তায় আসতেই কাকতালীয়ভাবে শেখ কামালের বন্ধু তারেক(ব্যারিষ্টার আজমালুল হোসেন কিউসি)’কে পেয়ে যান। এই তারেকের গাড়িতে করেই বেগম মুজিব, শেখ জামাল, শেখ রাসেল ও খোকা ধানমন্ডি ২ নম্বর রোডে অবস্থিত মোরশেদ মাহমুদের বাসায় যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন অজানা আশংকায় বাসার সকলেই বাক্স-প্যাটরা গুছিয়ে নিয়েছে ঢাকা ত্যাগ করার উদ্দেশ্যে। কাজেই সেখানেও থাকা অসম্ভব বিধায় চলে গেলেন ধানমন্ডি ১৫ নং রোডে অবস্থিত(ড ওয়াজেদে সাহেবের নতুন বাসার নিকটেই) বঙ্গবন্ধুর শুভাকাংখী এবং সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তান শিপিং কপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন রহমানের বাসায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই সেখানে পৌছান শেখ কামাল ও বঙ্গবন্ধুর প্রেস সচিব আমিনুল হক বাদশা। ক্যাপ্টেন রহমানের পরামরশেই শেখ কামাল ও খোকা তাদের শখের গোফ কামিয়ে ফেলেন।এদিকে ড ওয়াজেদ গং বেগম মুজিব গংদের খুজে না পেয়ে এমনি ব্যর্থ মনোরথে ফিরতি পথে ওয়াজেদ সাহেবের নতুন বাসার নিকট ক্যাপ্টেন রহমানের বাসার দু’তলা থেকে রাসেল চিৎকার করে ডাকতে থাকেন। সেখানে পৌছলে এক রিদয়বিদারক ঘটনার অবতারনা হয়।মোমিনুল হক খোকাও বেগম মুজিবের পরামরশে পাশেই অবস্থিত ড ওয়াজেদের বাসায় গিয়ে শুধু শেখ রেহানাকে পেয়ে তাকেই এখানে নিয়ে আসেন। এখানেই ক্যাপ্টেন রহমান ও অন্যান্যের সম্মিলিত পরামরশে ঠিক হয় এবং ক্যাপ্টেন রহমানই বলেন, ‘আমি শিপিং এর এক ভদ্রলোকের সঙ্গে বন্দোবস্ত করে ফেলেছি। কিছুদিনের মধ্যেই সে একটা লঞ্চ ঠিক করে দিবে যাতে করে আমরা সবাই ভারতে চলে যেতে পারব।’ কিন্তু সেই লঞ্চ কবে কখন ঠিক হবে সেটা অজানা। তাই ভেঙ্গে না পড়ে নতুন বাসস্থানের খোজে ড ওয়াজেদ ও খোকা উভয়েই বেরিয়ে পড়েন। ড ওয়াজেদ তার বন্ধু ও সহকর্মী ড মোজাম্মেল এবং মোজাম্মেলের বোনজামাই ও সহকর্মী ড ফয়জুর রহমানের বাসায় গেলে সরিদয় ড ফয়জুর রহমান তাদের কক্ষটিই ছেড়ে দেন ড এম এ ওয়াজেদ মিয়া, শেখ হাসিনা ও জেলীকে। এদিকে মোমিনুল হক খোকা ওয়ারিস্থ তার শ্বশুরের বাসায় অন্যদের নিয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য রওয়ানা হলেও রাস্তায় মানুষের নিঃশব্দ মিছিল এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কারফ্যু শুরু হয়ে যাবে এই আশংকায় মগবাজার চৌরাস্তার নিকটস্থ বঙ্গবন্ধু পরিবারের আত্মীয় প্রকৌশলী আলী সাহেবের বাসায় ঢুকে দেখেন ধানমন্ডির পরিচিত অনেকেই এখানে আশ্রয় নিয়েছেন আগামীকাল ঢাকা ত্যাগ করার প্রস্তুতি নিতে।

২৬ তারিখ থেকে দিনগুলো এমনভাবেই অতিবাহিত হচ্ছিল যে, আসলে কেউ কারো খোজ রাখতে পারছিল না। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলে নেতা কর্মীরা দ্রুত ভারতে আশ্রয় নিচ্ছিল। এবং এই সময়টা এমনই ছিল যে, কেউ তাদের সংসারের খবরও নিতে পারছিলেন না বা সম্ভব ছিল না। নেতারা নিজেরা গোপনে দূরে যেতে পারলেও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পক্ষে সেটাও অসম্ভব ছিল। এক্ষেত্রে বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদের কণ্যা সিমিন হোসেন রিমি তার ‘আমার ছোটবেলা, বাবা তাজউদ্দিন আহমদ ও ১৯৭১’ গ্রন্থটি পাঠ করলেই সেসময়ের একজন নেতার পরিবারের দুরদশা অনুধাবন করা যায়। বঙ্গবন্ধু পরিবার বোধকরি আরো ভয়ংকর দুরদশায় উপনীত হয়েছিল। প্রাকৃত বাস্তবতায় নেতাদের পক্ষেও পরিবারের প্রতি নজর দেওয়ার সুযোগ বা দায়িত্বের চেয়ে দেশের জন্য প্রাণপনে কাজ করাই মুখ্য ছিল। হয়ত এজন্যই প্রায় সকল নেতার পরিবারই অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সেই সময়টা পাড়ি দিয়েছে।

এর মধ্যেই আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ড ওয়াজেদ মিয়া ১ এপ্রিল থেকে তার নামে ভাড়া নিয়ে খিলগাও চৌধুরীপাড়ায় একটি বাড়িতে উঠেন। একসাথে তিনটি পরিবার। বঙ্গবন্ধু ও শেখ কামাল বাদে পরিবারের অন্য সকল সদস্য, ড ওয়াজেদ মিয়ার পরিবার, মোমিনুল হক খোকার পরিবার। এই বাসায় থাকাকালীন সময়েই শেখ কামাল পলাতক অবস্থা থেকে দেখা করতে এসে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য বিদায় নেন। ৫/৬ তারিখেই বাড়িওয়ালী বেগম মুজিবকে ভাড়া ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের পরিচয় জানাজানি হয়ে গেছে। আল্লাহর দোহাই, আপনারা দয়াকরে এই বাড়ি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র চলে যান। তা না হলে পাকিস্থানী আর্মী আমাদের বাড়িটি ডিনামাইট দিয়ে ধবংস করে দিবে।’ কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বেগম বদরুন্নেসার স্বামী নুরউদ্দিন আহমেদের কৃপায় তার মগবাজার চৌরাস্তার বাসার নীচতলায় থাকতে দেন। এই বাসাতে থাকতেই জানতে পারেন বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এই মর্মে বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানতে পারেন। বেগম মুজিব দ্রুতই বুঝতে পারেন, তাদেরকে পাকিস্থানী গোয়েন্দারা অনুসরন করছে। তাই দ্রুত বাসা বদলের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এবার কাছেই আরেকটি বাসায় উঠেন। এখানেই এর মধ্যে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসে। তাদের কাছেই খবর পায়, বঙ্গবন্ধুর নামে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষনা এবং সরকার গঠনের।

এমন সময়ে নতুন বাড়ি খুজতে বেরিয়ে কারফ্যু’র সময়ে হতবিহবল হয়ে রাস্তার পাশে খালি বাড়িতেও রাত্রি যাপন করতে হয়েছে অভুক্ত শিশু নারী সকলের। যেখানেই এক রাত আশ্রয়ের খোজে গেছে হয় বাড়িওয়ালা নিজেই ঢাকা ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নয়ত মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। ভাড়া পাওয়া গেলেও দুই এক দিনের মধ্যেই বাড়িওয়ালা পরিচয় জানতে পেরে সবিনয়ে বিদায় করে দিয়েছে। এমনি ঠিকানাবিহীন পথচলা গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব নাগাদ চলেছে।



একাত্তরের ঢাকাঃ বাঙালি জাতির স্বাধীকার আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও সশস্ত্র সংগ্রাম, বিজয় অর্জন, স্বাধীনতা লাভ এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় আধুনিক জাতি রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসে একটি অনবদ্য ঘটনা। আর এইসকল আন্দলন ও ভুমিকার প্রধান চারণভুমি হিসেবে ঢাক শহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আজকের লেখায় যে পরিবার ও যার জন্মকথা নিয়ে লেখা হচ্ছে সেটিও এই ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের ঘটনাই। এবং এই পরিবারটি এমন একটি পরিবার যে পরিবারের প্রধান ব্যক্তিটি শুধু পারিবারিক গন্ডিতেই নয় সমগ্র দেশবাসীর প্রধান ব্যক্তিরুপে অভিহিত। তাই একাত্তরে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর সবগুলোই বঙ্গবন্ধু পরিবারকে স্পর্শ করেছে। তাই বঙ্গবন্ধু পরিবারের যেকোন ঘটনাই রাজনীতির সঙ্গে যেমন ওতপ্রোতভাবে সংশ্লিষ্ট পাশাপাশি ঘটনার ঐতিহাসিক প্রবাহতাও অনস্বীকার্য। সেজন্যই বঙ্গবন্ধু পরিবারের একটি ঘটনার উল্লেখে আরো বহু ঘটনাকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের প্রয়োজন দেখা দেয়। সে কারনেই একাত্তরের ঢাকা শহরের বাস্তবতা উল্লেখ করা জরুরী।

১৯৪৭ সালের পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ পর্যন্ত ঢাকা পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী হলেও মুলত এটি একটি মফস্বল শহরের মতোই বেড়ে উঠে। যদিও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারনে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা এবং এর অবকাঠামো সম্প্রসারন ঘটতে থাকে। ১৯৫১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ঢাকার জনসংখ্যা ছিল ২,৭৩,৪৫৯ জন যা ১৯১১ সালের জনসংখ্যা ১,০৮,৫৫১ জনের প্রায় দ্বিগুন। ১৯৬১ সালে জনসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৩,৬২,০০৬ জন। এই বৃদ্ধির কারন সমুহের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের বিভাজনের আগে ও পরে বিভিন্ন সময়ে ভারত থেকে আগত মোহাজের ছাড়াও ঢাকার আয়তন বৃদ্ধি এবং আরও নানারকম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারন জড়িত। ১৯৬০ এর দশকে ঢাকা পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে প্রশাসনিক স্বীকৃতি পায়। ফার্মগেট অঞ্চলকে নতুন রাজধানীর এলাকা ঘোষনা করে নামকরন করা হয় শেরে বাংলা নগর। পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংসদ ভবনও এই এলাকাতেই নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপরন্তু পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ শিক্ষা, চাকুরী ও ব্যবসার লক্ষ্যে ঢাকা শহরে আগমন ঘটায়। এসবের কারনে ঢাকায় যেমন নতুন নতুন অফিসারের আগমন ঘটে তেমনি তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে আশেপাশের এলাকাকে ঢাকার আওতাভুক্ত করা হয়। বাড়াতে হয় শিক্ষায়তন এবং সিট সংখ্যাও।

সরকারী আবাসিক এলাকা হিসেবে নির্মাণ করা হয় পলাশী ব্যারাক, আজিমপুর স্টেট ও ঢাকেশ্বরী আবাসিক এলাকা। নাগরিক সুবিধার প্রয়োজনে নতুন নতুন বাজার ও বিপনিকেন্দ্র স্থাপিত হয়। ১৯৫৪ সালে নিউমার্কট স্থাপন করা হয়।

পঞ্চাশের দশকের শুরুতেই আজিমপুর, নিউমার্কট, নিউ ইস্কাটন, পুরানা পল্টন, কমলাপুর প্রাথমিকভাবে সম্প্রসার করা হয়। ১৯৫৩ সালে ধানমন্ডি এলাকা এবং ১৯৬০ এর দশকে মোহাম্মদপুর, তেজগাও ও গুলশান এই সম্প্রসারনের আওতায় আসে। রাজারবাগ ও শান্তিনগরে মুলত সরকারী আবাসনের আওতায় পড়ে দ্রুত পরিবর্তন হয়ে যায়। ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে তেজগাও শিল্প এলাকায় রুপান্তরিত হয়। ১৯৬০ সাল থেকে কাজ শুরু হয়ে ১৯৬২ সালেই রেল স্টেশন ফুলবাড়িয়া থেকে কমলাপুরে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫০ সালে নটরডেম কলেজ স্থাপনের পর থেকেই মতিঝিল এলাকা ধীরে ধীরে বেড়ে উঠে ষাটের দশকেই বানিজ্যিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠে। ১৯৬১ সালে বনানীকে মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তোলা হয়। পঞ্চাশের দশক থেকেই ঢাকা শহরের বড় রাস্তাগুলোর মাঝখানে আইল বসিয়ে(যাকে ডাইভারশন বলা হয়) ভাগ করা হয়।

এই সবের বিশ্লেষনে অধ্যাপক আহমেদ হাসান দানী তার ‘ঢাকা এ রেকড অব ইটস চেঞ্জিং’ গ্রন্থে ষাটের দশকে ঢাকার জনসংখ্যা পুরুষ ২,১৮,১৪৬ এবং নারী ১,৫০,৪২৯ মোট ৩,৬৮,৫৭৫ জন উল্লেখ করেছেন।

উপরোক্ত তথ্যমতে বলা যায়, সত্তরের দশকের শুরুতে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা চার লাখের বেশি বা কম এরকমটাই হওয়ার কথা। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে অসহযোগ আন্দলন শুরু হতেই প্রথম ধাক্কায় নিম্ন শ্রেণীর এক বিশাল অংশ ঢাকা ত্যাগ করতে শুরু করে। ২৫ তারিখের গনহত্যার পর থেকে মধ্যবিত্তের কর্মজীবি ব্যক্তিটি বাদে পরিবারের অন্যদের ঢাকার বাইরে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া শুরু হয়। যার ফলে মার্চ-এপ্রিলেই ঢাকার জনসংখ্যা প্রায় আধাআধিতে পরিণত হয়। ধীরে ধীরে এই ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। এমনি প্রায় শুণ্য ঢাকা শহরে ঘর থেকে বেরিয়ে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গোপনে যাতায়াত অসম্ভব ছিল। উপরন্তু এপ্রিল থেকেই ঢাকা শহরের মোড়ে মোড়ে বসানো হয় সামরিক চেক পোষ্ট। ঠিক সেই অবস্থায় বাংলাদেশের মানুষের কাছে তো বটেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অতি চেনা মুখ বঙ্গবন্ধু পরিবারের পালিয়ে থাকা একরকম দুঃসাধ্য বিষয়ে পরিনত হয়। রাস্তা ঘাট, বাড়ি ঘর, অফিস আদালত ফাকা, পালিয়ে কোথাও মাথা গোজার ঠাই হিসেবে উপস্থিত হয়ে দেখা গেছে সেই বাড়ির সকলেই হয় ইতিমধ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছে নয়ত ঢাকা ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শত শত বাড়ি ফাকা পড়ে আছে কিন্তু বসবাসের উপযোগী বা ভাড়া পাওয়া যাবে এমন বাড়ি একসময় পাওয়া অসম্ভব হয়ে যায়। এমনি অবস্থায় গ্রেফতার এড়িয়ে পাকিস্তানী সেনাদের চোখের সীমানার মধ্যে বাস করা সম্ভব হয়না। ঢাকা ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার আগেই এক সময়ে ঠিকই ধরা পড়ে যায় বঙ্গবন্ধু পরিবার। শুরু হয় বন্দী জীবনের অনিশ্চিত অধ্যায়।



বন্দী ও নির্যাতনের অনিশ্চিত জীবনের শুরুঃ অন্য কোথাও চলে যাওয়ার আগেই মে মাসের ১২ তারিখ বিকেলে পাকিস্থানী আর্মীর মেজর হোসেন পরিচয়ে এসে গ্রেফতার করে কড়া পাহারায় ধানমন্ডির ৯/এ(পুরাতন ১৮) নম্বর রোডের ২৬ নম্বর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেদিন দুপুর ১টার দিকে তিনজন ছাত্রলীগ কর্মী তাদের নিয়ে যেতে আসলেও তাদের সঙ্গে এক্ষনই এত বিশাল মানুষের বহর নিয়ে বেগম মুজিব যেতে রাজি হন নি। কিন্তু মাত্র কয়ক ঘন্টার মধ্যেই মনে জেগে উঠা সন্দেহ বাস্তবে রুপ নিল। কোনরকম বিছানা, ফ্যান বা অন্য কোন আবাসনের ন্যুনতম সুবিধাটুকুও দেওয়া হয়নি। উপরন্তু ১৫/২০জন সশস্ত্র সৈন্য সবসময় পাহারায়। এই বাড়িতে নিয়ে আসার পরেই বেগম মুজিব অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পাকি সেনাদের নানান নিয়মের বোলচাল পেরিয়ে ওয়াজেদ সাহেব ধানমন্ডি বালিকা বিদ্যালয়ে অবস্থিত ক্যাম্পে গিয়ে চিকিতসার প্রয়োজনের কথা জানানোয় একজন নারসকে পাঠানো হয়। অন্তরীন করার ৪র্থ দিনে মেজর হোসেন শুধুমাত্র ড ওয়াজেদ, চিকিতসার প্রয়োজনে তার অন্তসত্ত্বা স্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মোমিনুল হক খোকাসহ তার দুই সন্তানকে পড়ালেখার অজুহাত দেখিয়ে বাইরে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া হয়।

আটক অবস্থার প্রতিটি দিনই পাহারারত সৈন্যরা নানাভাবে সকলকে হয়রানি ও মানসিক নির্যাতন করেছে। বাড়ির ছাদে উঠে লাফালাফি, প্রত্যেক ঘরের লাইট জ্বালিয়ে রেখে জানালায় রাইফেল তাক করে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতো। এমনি নির্মম মানসিক ও শারিরীক নির্যাতনে বন্দী দিনগুলো কাটাতে হয়েছে। বন্দী ও নির্যাতন জীবনের পুরো সময়কে এখানে উল্লেখ করার সুযোগ নেই। কারন এই লেখায় মুলত একাত্তরের যে দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও শেখ হাসিনা তনয় সজীব ওয়াজেদ জয় জন্ম গ্রহন করেছিলেন সেই পর্যন্তই সীমিত রাখলাম। বঙ্গবন্ধু পরিবারের একাত্তরের দিনগুলো নিয়ে আরেকটি লেখা আলাদাভাবে পাঠক ও ব্লগারদের সম্মানে লেখার ইচ্ছা রইল।



নবজাতকের জন্ম ও চিকিৎসা বিড়ম্বনাঃ জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ডাঃ ওয়াদুদ ও ডাঃ সুফিয়া ওয়াদুদের ক্লিনিকে শেখ হাসিনাকে নেওয়া হলে চেক-আপ করা হয়। প্রতি সপ্তাহে ক্লিনিকে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি শেখ হাসিনাকে ডাঃ ওয়াদুদের তত্বাবধানে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সমস্যা দেখা দেয় হাসপাতালে কে থাকবেন। সেজন্য মেজর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বেগম মুজিবকে থাকার অনুমতি চাইলে মেজর ইকবাল নামক একজন সেনা অফিসার বন্দীশালায় এসে রুঢ় ব্যবহার করে জানিয়ে কেবল একজন সেবিকা বা এজাতীয় কেউ একজন হাসপাতালে অবস্থান করতে পারবেন। কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বঙ্গবন্ধুর ছোট বোন এবং এ টি এম সৈয়দ হোসেনের স্ত্রী লিলি হোসেন নিজেই সেবিকা সেজে এসে শেখ হাসিনার সঙ্গে হাসপাতালে অবস্থান করেন। ২৭ জুলাই রাত ৮টার দিকে নির্ধারিত সময়ের ৬ সপ্তাহ পূর্বে ড এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার প্রথম সন্তানের জন্ম হয়।

পৃথিবীতে নতুন মানুষের আগমনেও কেউ মিষ্টি খাওয়ার কথা ভাবতেই পারেনি। উপরন্তু হাসপাতাল ও বন্দীশালা উভয় স্থানেই পাক বাহিনীর দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। শুরু হয় নতুন হুমকী দামকী। এরই মধ্যে গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর বৃদ্ধ-অসহায় পিতা-মাতা ঢাকায় এসে আরামবাগের একটি বাসায় নাতনী জামাইয়ের বাসায় আশ্রয় নেন। শেখ হাসিনা সন্তানসহ হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে অতিগোপনে দাদা-দাদীকে নতুন অতিথিকে দেখিয়ে দোয়া নিয়ে বন্দীশালায় প্রবেশ করেন। বন্দীশালায় আসার পর দেখা দেয় বাচ্চা ও মা উভয়ের জরুরী চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু এবারও পাকিদের প্রচন্ড উগ্রতায় চিকিৎসককে বাড়িতে আসতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে দু’জন সশস্ত্র প্রহরীকে দেওয়া হয়। এমনিই নানান সংকট শুধুমাত্র পরম করুনাময়ের অশেষ রহমতেই উৎরাতে পেরেছেন।



নবজাতকের নামকরন ও পাকিস্তানীদের মনোভাবঃ একদিন নবজাতককে গোসল করিয়ে শরীরে তেল মাখতে মাখতে বেগম মুজিব ছেলে সন্তানের নাম কী হবে সেটা নিয়ে জল্পনা কল্পনা করছিলেন। শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কথোপকতনের কথা উল্লেখ করে জানান, “আব্বা আমাকে বলেছিলেন, ছেলে হলে জয় বাংলার ‘জয়’ আর মেয়ে হলে ‘জয়া’ নাম রাখতে”। বেগম মুজিব সঙ্গে সঙ্গেই নবজাতককে কোলে তুলে নিয়ে বলেন, ‘সত্যিই এ আমার জয়। আমার কোন ভাই নেই, জয় আমার সত্যিই ভাই। তাই মুজিব নামের সঙ্গে মিলিয়ে আসল নাম রাখলাম সজিব’। সেই থেকে ‘সজিব ওয়াজেদ জয়’ বাংলার বিজয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে দলমত নির্বিশেষে সকলের স্লোগান 'জয় বাংলা' একই সুত্রে গাথা এক অচ্ছেদ্য সম্পর্ক।

এই নাম রাখার পর থেকেই বন্দীশালায় পাহারারত সৈন্যরাসহ অন্যান্য অফিসারেরাও ড ওয়াজেদকে প্রায়শই জিজ্ঞাসা করতো ‘জয় নাম কিসলিয়ে রাখা’? ড ওয়াজেদ কৌশলে আসল কথা এড়িয়ে গিয়ে বলতো, নাতিকে পেয়ে আমার শাশুড়ি খুব খুশী হয়েছেন। যেহেতু ‘জয়’ মানে ‘আনন্দ’ তাই আমার শাশুড়ি ‘জয়’ নাম রেখেছেন। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারন করলে পাহারারত সৈন্যসহ অফিসারেরাও ড ওয়াজেদকে কটাক্ষ করে বলতো, “পশ্চিম পাকিস্থানমে এক নমরুদকো(বঙ্গবন্ধু) পাকড়াও করকে রাখা হুয়া, লেকিন এধার এক কাফের(সজিব ওয়াজেদ জয়) পয়দা হুয়া।”

বাঙালির জীবনে স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া হলো পরম পাওয়া। আর সেই পরম পাওয়াটি নিশ্চিত করতে লক্ষ কোটি নিবেদিত প্রাণ নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন অকাতরে। কেউ সম্মুখ সমরে আবার কেউ আড়ালে অন্তরালে ভোগ করেছেন অপরিসীম যাতনা। তবু সকলেই যেন মেনে নিয়েছেন সেই কষ্টের কথা, বেদনার কথা।

এটাই তো স্বাভাবিক যে, বর্বর পাকবাহিনী যাকে নমরুদ বলে গালি দিয়েছে সে-ই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর যাকে কাফের বলে তিরষ্কার করেছে সে হবে আধুনিক বাংলাদেশের অতি আপন মানুষ সজিব ওয়াজেদ জয়। শুভ জন্মদিন জয় বাংলার জয়। শুভ জন্মদিন মুজিবের সজীব।



বি.দ্রঃ এই লেখাটি সম্পন্ন করতে যেসব প্রবন্ধ ও গ্রন্থের সহযোগিতা নিয়েছি সেই সব প্রবন্ধ ও গ্রন্থের লেখক ড.নীলিমা ইব্রাহিম, ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়া, শেখ হাসিনা, অধ্যাপক ড.আতিউর রহমান, অধ্যাপক ড।হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড.শরীফ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক, অধ্যাপক ড.মুহীত উল আলম, অধ্যাপক ড.আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ড.এ কে এম গোলাম রব্বানী, আক্কু চৌধুরী, সেলিনা হোসেন, ড.মোহাম্মদ হাননান, ড.সাব্বীর আহমেদ, ডাঃএম এ হাসান, মফিদুল হক, বেবী মওদুদ, শেখ রেহানা, মোমিনুল হক খোকা প্রমুখ এবং প্রবন্ধ ও গ্রন্থের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা।

মন্তব্য ১৫২ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (১৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩১

স্বপ্নবালক আমি বলেছেন: বাংলাদেশে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ হিসেবে জয়ের নাম উঠে এসেছে। আমেরিকা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে তার কয়েকবার জেল ও জরিমানা হয়েছে

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৫৫

রুমি আলম বলেছেন: ওহ আমি উত্তর দেওয়া ভুল করে শুরু করেছিলাম ২নং থেকে। আমার খেয়াল ছিলনা। দুঃখিত।

অন্যায় যে করবে তাকে সবাই অন্যায়কারীই বলবে। বংলাদেশেও আমরা দেখেছি অতীতে যত বড় অন্যায়কারীই হোক শাস্তি তাকে পেতেই হয়েছে। অবশ্য সবাই যে আইনী শাস্তি পায় তা নয়, অনেকেই ন্যাচারাল শাস্তিও পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন। দেশে দেশে রাজা, বাদশা, রাজপুত্র, সম্রাট, উজির, নাজির, হাকিম, তাবেদার, চৌকিদার সকলকেই শাস্তি ভোগ করতেই হয়েছে।

পাপে বাপেরেও ছাড়ে না। দেখলেনই তো চল্লিশ বছর পরেও বিচার শুরু হয়েছে।

২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৪

বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন: সজীব ওয়াজেদ জয়ের

উনি কে ভাই ?

উনার জম্ম দিনে কি উৎসব হবেক নাকি ? পুষ্ট স্টিক + শুভেচ্চা বানী ছেয়ে যাবে নাকি ? ;) ;) ;)

ফ্রি কি কাংগালী ভোজ না ইফতারি পার্টি হইবেক নাকি ? কন ত আহি

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০৫

রুমি আলম বলেছেন: কাকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কে? ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন বুঝিনি।

আমাকে বলে থাকলে উত্তর হলো, শুভাকাংখী।

এসেই যখন পড়ছেন তাহলে থাকুন কিছুক্ষন। আমি ব্লগে অত ছবিটবি/মষ্টি/বিরিয়ানীর প্যাকেট আপলোড করতে পারি না। পারলে দিতাম। তারপরেও সেহরী নাগাদ বসেন, দেখি কিছু করতে পারি কিনা।

৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৭

চেরু বলেছেন: দালালী করতে বল্গে কেন ধানমন্ডী যা

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০৯

রুমি আলম বলেছেন: ব্যক্তিগত আক্রমন শুরুটা আপনিই করলেন, এটা করা কী খুব দরকার?

সময় সুযোগ থাকলে পোষ্টের ভিতরে অনেক তথ্য ও ঘটনার বিবরন আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।

আমি ধানমন্ডিতেই থাকি।

তবে নিশ্চয়ই আপনাকে নয়া পল্টন বা মগবাজার যেতে বলবো না।

৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৭

লিফো বলেছেন:
তো আমারা আমজনতা কি করবো এখন ? X( X( X(

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১১

রুমি আলম বলেছেন: ঠিক বলেছেন, এই ব্যাপারেও পোষ্টে একটা নিদেশনা থাকা উচিত ছিল।

ভুল হয়েছে। ভবিশ্যতের পোষ্টগুলোতে এরকম আর হবেনা।
আপাতত লাইনে থাকুন।

৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫৬

চাচু বলেছেন: পুষ্ট স্টিকি হউক B-)) B-)) B-))

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১২

রুমি আলম বলেছেন: যাহা কহিয়াছেন =p~ =p~ =p~

৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৫

বেঈমান আমি বলেছেন: গুড পোস্ট +++ অনেক কষ্ট করছেন বুজা যায়।পোস্ট পর্যবেক্ষনে নিলাম।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১৩

রুমি আলম বলেছেন: আমার চেষ্টার কমতি ছিলনা।

:) :) :) :)

৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৪

ক্লান্ত জীবন বলেছেন: রুমি ভাই, আসেন ব্যান হই।

যদিও পলিটিক্স এড়িয়ে চলি, তবে আপনার পোস্টে এসে আমার নিজের ক্ষোভ অনেক কমল। :||

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১৬

রুমি আলম বলেছেন: ভাই, আমি আবার কোন সুকাম করলাম যে এমন সুপ্রস্তাব!!! :( :(

আপনার ভালোলাগা যে কোন কিছুই আপনার একান্ত।

যাক, ক্ষোভ কমেছে এবং সেখানে আমারও একটু ভুমিকা আছে সেজন্যই পুলকিত বোধ করছি।

:-&

৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৬

sumon3d বলেছেন:

রুমি ভাই তো ওপেন আওয়ামিলীগ করে। সো উনার কথা তো আওয়ামিলীগের পক্ষেই যাবে, তাই না? তো উনারে তুই তুকারী করার কি আছে? লেখায় সমস্যা থাকলে কি সমস্যা সেটা উল্লেখ করে সমালোচনা করুন। উনি তো গালাগালি দেন না। তাহলে উনার সাথে যুক্তিপুর্ন আলোচনা/সমালোচনা করতে সমস্যা কোথায়??????

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১৭

রুমি আলম বলেছেন: সবাই যদি সেটা বুঝতো তাহলে সেহরী নাগাদ সজাগ না থাকলেও চলতো।

ধন্যবাদ।

:)

৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৭

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এই ঘটনাপ্রবাহ আগেই কোনো না কোনোভাবে জানা ছিল। আবার পড়ে ভালো লাগল। কিন্তু হঠাৎ কেন জয় প্রশস্তিতে মাতলেন, সেটা বুঝে উঠতে পারলাম না। আপনার এই দীর্ঘ লেখার শেষভাগে, সামান্য একটি অংশেই কেবল সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষীণ উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। অথচ শিরোনাম পুরোটাই জয়-আক্রান্ত। আপনার কাছে শ্রেফ জানতে চাই, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্র - এই পরিচয়টি ছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয় আর কোনোভাবে কি গুরুত্বপূর্ণ কেউ?

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:২৯

রুমি আলম বলেছেন: আপনার এই দীর্ঘ লেখার শেষভাগে, সামান্য একটি অংশেই কেবল সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষীণ উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। অথচ শিরোনাম পুরোটাই জয়-আক্রান্ত।

আমি এভাবে ভাবিনি। মুলত বঙ্গবন্ধু পরিবারের একাত্তরের সময়ে কে কোথায় ও কিভাবে ছিল এগুলো নিয়ে মানুষের অনেক কৌতুহল ও বিভ্রান্তি দুটোই আছে। সেটাকে মাথায় রেখেই সে সময়টাকে বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের আলোকে বাধার চেষ্টা করেছি। যা একটা সমন্বিত রুপে উপস্থাপন করেছি মাত্র। জয় দ্বারা আক্রান্ত নয় বরং সকল ঘটনাসমুহের সমন্বয়ে জয়ের জন্মকথা এমনিতেই আসে, ঘটনাপ্রবাহেই।

আপনার কাছে শ্রেফ জানতে চাই, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্র - এই পরিচয়টি ছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয় আর কোনোভাবে কি গুরুত্বপূর্ণ কেউ?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র এটা ছাড়া এখনো অন্য কোনোভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের সোসিও-ইকনোমিক্যাল কালচারে এটাও অনেক গুরুত্ব বহন করে প্রায়শই। এটা আইনগত বা কনভেনশন হিসেবে নয় বরং প্রচলিতভাবেই এমনটি হয়ে আসছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।
তবে রাষ্ট্র যন্ত্র বিভিন্ন সময়ে তাকে বিদেশের আইটি বিষয়ক বিশেষ সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও প্রায়ই প্রেরন করে থাকে। এবং তখন রুলস অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তিনি কি মযাদা পান আমার জানা নাই।



১০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০০

আমার জীবন বলেছেন: উনার জন্মদিনে বল্গের সবাই আসেন বস্ত্র বিসর্জন দিয়ে নৃত্য করি :D তা তা থৈ থৈ :-P

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৩১

রুমি আলম বলেছেন: আপনার ইচ্ছে করলে কী আর করা!!!!! জীবন যখন যখানে যেমন!!!!

১১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০৩

শিংগারা বলেছেন: বাহ - এখন ল্যাংটা হইয়া নাচেন X(( X(( X((

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৩৩

রুমি আলম বলেছেন: রোজায় না ধরে থাকলে ও শরীরে বল থাকলে শুরু করে দিন।

সাথে অবশ্যই গোলাপী বা অন্য কালারের যেটা আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই এরকম শাড়ি পরিহিত নারীকেও নিয়েন। বিবসনার প্রস্তাবটাও দিয়ে দেইখেন যদি রাজী হয়!! জমবে বেশ!

১২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:০৪

তীর্থযাত্রী বলেছেন: শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়।
আজ যে জয়ের জন্মদিন এটা জানা ছিল না।
বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে এমন একটি পোস্ট দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৩৫

রুমি আলম বলেছেন: গালিগুলো আমি একলা খাচ্ছিলাম সেটাই ভালো ছিল। আপনি আমার ভাগ কমাতে আসাটা ঠিক হয়নি :) :) :) :)

শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১১

হাছন রাধা করিম বলেছেন: @Rumi Alam: apni tto dekhchi AGACHOW er nobo shongskoron. Jevabey ghotona bornona koraychen monay hochchilo je apni shyong shobar shongay shob jaigai uposthith chilen. Political idiocy is acceptable to a certain limit but your idiocy has crossed that limit even though you claim in your every post to be an intellectual observer and by default supporter of Awami politics.

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪১

রুমি আলম বলেছেন: বি.দ্রঃ এই লেখাটি সম্পন্ন করতে যেসব প্রবন্ধ ও গ্রন্থের সহযোগিতা নিয়েছি সেই সব প্রবন্ধ ও গ্রন্থের লেখক ড.নীলিমা ইব্রাহিম, ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়া, শেখ হাসিনা, অধ্যাপক ড.আতিউর রহমান, অধ্যাপক ড।হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড.শরীফ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক, অধ্যাপক ড.মুহীত উল আলম, অধ্যাপক ড.আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ড.এ কে এম গোলাম রব্বানী, আক্কু চৌধুরী, সেলিনা হোসেন, ড.মোহাম্মদ হাননান, ড.সাব্বীর আহমেদ, ডাঃএম এ হাসান, মফিদুল হক, বেবী মওদুদ, শেখ রেহানা, মোমিনুল হক খোকা প্রমুখ এবং প্রবন্ধ ও গ্রন্থের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা

এইটুকু বোধকরি আপনার চোখে পড়েনি।

লিমিট ক্রসের বিষয় আসে কিভাবে? ঘটনার বিবরন আমি নিশ্চয়ই বানিয়ে লিখিনি। সেগুলোর প্রাপ্তিসুত্রের উল্লেখও করেছি।

এটা নিশ্চয়ই সত্য যে, যে কারো লেখার মধ্য দিয়ে ঘটনার বা বিষয়ের সত্যাসত্য যেমন মুল্যায়িত হয়, পাশাপাশি লেখকেরও একধরনের মুল্যায়ন হয়। সেটা পাঠকই করে।

১৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১৫

হাছন রাধা করিম বলেছেন: This post is not even suitable for publication in Dainik Shongbad let alone in any blog. What's the people of Bangladesh got to do with Sajib Wajed Joy's birthday? Does it really concern us? Why should we want to know who the hell he is?

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪৫

রুমি আলম বলেছেন: প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে সকল কিছুতেই পক্ষ-বিপক্ষ, আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই। এটাকে মাথায় রেখেই আমার মতো সকলেই লিখে, বলে ও কাজ করে। কাজেই মুল্যায়নও বিভিন্ন রকমই হবে।

আপনার চোখে অযোগ্য অন্যের চোখে সেটাই অধিক যোগ্য হতে পারে। এটাও মাথায় রাখা উচিত।

১৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:২৪

বেঈমান আমি বলেছেন: সজীব ওয়াজেদ জয়ে যাদের চুলকানি আছে দুরে যায়া মুড়ি খাও।পোস্ট ইগনোর করলেই তো চলে নাকি?জয় কেটা তা আবার কওন লাগবো?

ফিফা@নিজামির চাটুকারদের পোস্টে আপনারে নিয়মিত দেখতে চাই।নাকি জয় ও নিজামিদের চেয়ে খারাপ কেউ?

১৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪০

sumon3d বলেছেন:

@হাছন রাধা করিম : বাংলা ব্লগে ইংরেজি কমেন্ট যেমনে করা যায়, ঠিক সেভাবেই এই পোষ্টও ব্লগে প্রকাশ করা যায়। সংবাদপত্রে সবকিছু প্রকাশ করা না গেলেও ব্লগে মোটামুটি সবই প্রকাশ করা যায়। এজন্যই এটা ব্লগ। আমি যতটুকু বুঝি ব্লগের ধারনাটাই এসেছে স্বাধীন মতামত প্রকাশের কন্সেপ্ট থেকে।


ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪৪

বেঈমান আমি বলেছেন: হাছন রাধা করিম @থাপরায়া গালের দাত সবগুলো ফালায়া দিমু বেটা ইংরেজি বলিস?বাংলা কুত্তা ইংরেজি খেউ?ব্লগ কিরে বেকুব?

১৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৪৭

তিনকোনা বলেছেন: পেমেন্ট পাইছেন? এত চামাচামি করলেন... এবার বইলেন পেমেন্ট আরো বাড়িয়ে দিতে......তা না হলে আপনাকে সম্মান করা হবে না

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:১৯

রুমি আলম বলেছেন: আওয়ামী লীগ গরীব ও চাষাভুষাদের দল। এখানে টাকা আসবে কোত্থেকে?

বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দেখা গেছে টাকা আকাশে বাতাসে উড়তেছে। সাবেক ক্ষমতাসীনদের ঘরে বাইরে সবখানে শুধু টাকা টাকা। কাজেই পেমেন্ট সেখানে যারা যাবে হয়ত পেতে পারে।

ব্যক্তিগত আক্রমন শুরু করাটা অনুচিত। যা ব্লগের পরিবেশই নষ্ট করে।

১৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৫০

আলোকন বলেছেন: মা এখন ক্ষমতায়, এখন জন্মদিন এমনিতেই শুভ।
সামনের দিনগুলোতে কি হবে আল্লাহ জানেন।

বেঈমান আমি @ চেতেন কেন? জয়ের পরিচয় {if any} দিতে পারলে দেন । না পারলে অফ যান। আর ফিফার মত বড়দের সম্মান করতে শিখেন। বোকা ছেলে...

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:১৭

রুমি আলম বলেছেন: মা এখন ক্ষমতায়, এখন জন্মদিন এমনিতেই শুভ।
সামনের দিনগুলোতে কি হবে আল্লাহ জানেন।


সময়েই ঠিকানা ঠিক হবে। যার যার কাজের ফসল সকলেরই পাওয়া ঈমানী ও আইনী অধিকার।

২০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:৫৮

বেঈমান আমি বলেছেন: আলোকন @তুই আমারে চিনিস?তোর কাছে কারে বড় মনে হয় সেটা তোর কাছে রাখ।ফিফার লাইগা তোর দরদ দেখে ভালো লাগলো।ফিফার সব পোস্টে আমার কমেন্ট দেখ ।তয় চাটামি করিস না করলে দাত থাপরায়া ফালায়া দিমু।আমি ভালো করে জানি তুই কেটা?স্টে ফার ফ্রম মি।নো চামচামি হিয়ার ।তোরে ওয়াচে নিলাম ;)

২১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০০

তীর্থযাত্রী বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এই ঘটনাপ্রবাহ আগেই কোনো না কোনোভাবে জানা ছিল। আবার পড়ে ভালো লাগল। কিন্তু হঠাৎ কেন জয় প্রশস্তিতে মাতলেন, সেটা বুঝে উঠতে পারলাম না। আপনার এই দীর্ঘ লেখার শেষভাগে, সামান্য একটি অংশেই কেবল সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষীণ উপস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। অথচ শিরোনাম পুরোটাই জয়-আক্রান্ত। আপনার কাছে শ্রেফ জানতে চাই, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্র - এই পরিচয়টি ছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয় আর কোনোভাবে কি গুরুত্বপূর্ণ কেউ?


আসলে কে গুরুত্বপূর্ণ আর কে গুরুত্বপূর্ণ না সেটা আসলে গুরুত্ব দেয়ার উপর নির্ভর করে। মানুষ যাকে গুরুত্ব দেয় সে গুরুত্বপূর্ণ আর যাকে দেয় না সে গুরুত্বপূর্ণ না। বিষয়টা সেই প্রবাদের মতো, "মানলে তালগাছ, আর না মানলে াল গাছ।"

একটা উদাহারন দেয়। ১/১১ এর মধ্যে আমাদের দেশের নোবেল লরিয়েট ডঃ মুহাম্মাদ ইউনুস এর ইচ্ছা হয়েছিল এ দেশের রাজনীতিতে অংশ নেয়ার। সেই জন্য তিনি রাজনীতির একটা মডেল দেশবাসীর কাছে উপস্থাপন করেছিলেন। তিনি কিন্তু একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। কারন তিনি আমাদের দেশের প্রথম নোবেল বিজয়ী। তার আন্তর্জাতিক কানেকশন এর কথা না হয় নাই বললাম। কিন্তু দেশবাসী কিন্তু রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করেনি। অর্থাৎ তাকে জনগন তালগাছ নয় বরং দ্বিতীয় গাছ(!) মনে করেছে। সুতরাং গুরুত্বটা কিন্তু দেয়ার বিষয়। হিলারি ক্লিনটন কিন্তু একসময় ক্লিনটনের বউ ছাড়া কিছুই ছিল না, কিন্তু পরবর্তীতে তাকে গুরুত্ব এয়া হয়েছে। তেমনি রাহুল গান্ধী, বিলওয়াল ভুটটো অনেকেই কিন্তু কিছুই ছিল না। জনগন তাদের গুরুত্ব দিয়েছেন বলেই আজ তারা গুরুত্বপূর্ণ।

বাকী টা আপনি (ফিফা) বুঝে নেন।

ধন্যবাদ

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২১

রুমি আলম বলেছেন: সময়োপযোগী, যৌক্তিক রেফারেন্স এবং অসাধারন কমেন্ট।


ধন্যবাদ

২২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৩

বেঈমান আমি বলেছেন: তীর্থযাত্রী @ফিফা জয়ের চেয়ে গুরুত্তপুর্ন ;) শাট আপ X(

২৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৬

আলোকন বলেছেন: তোর ওয়াচের নিকুচি করি।
ফেমাস হতে মন চায় বাবু? :P
তোরে থাপরামু না।
আমি গবাদি পশু স্পর্শ করিনা।
আবাল। ;)

২৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৮

sumon3d বলেছেন:

মধ্যরাতে তীর্থ ভাইয়ের একটা লাইন পড়ে হাসলাম।

"মানলে তালগাছ, আর না মানলে াল গাছ।" =p~ =p~ =p~

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২৩

রুমি আলম বলেছেন: তবে এই কথাটুকু পুরো কমেন্টের মধ্যে একটুও বেমানান মনে হয়নি বরং যৌক্তিক। কেননা আমাদের সমাজে এটা চলে আসছে বহুকাল থেকেই।

২৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৯

আলোকন বলেছেন: বেঈমান আমি @ চাটতে মন চাইলে, আইসক্রিম চাট ;)
মানুষকে চাটস কেন? :-P

২৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:১০

স্বাধীকার বলেছেন:
রুমি ভাই,

জয় জন্মের পর পাকিদের গাড়িতে করে মিষ্টি বিতরণ পর্বটি তেমন আসলো না।
পাকিদের গাড়ীতে করে ঢাকা শহরের হাওয়া খাওয়ার ব্যাপারটিও আসলোনা।

আপনি অনেক কিছু ইগনোর করলেন, তাই পোস্টের বহু বিষয়কে ইগনোর করতে হলো। পাওয়ার পয়েন্টের উপর দেশে বিদেশে সেমিনারকরণ ও ভ্রমনের ব্যয় বাবদ কি পরিমান ব্যয় বাংলাদেশ সরকার করছে-সেটা জানাতে পারলে ভালো হতো। গরীব দেশের আইটিতে পাওয়ার পয়েন্টের বিশাল প্রভাব সম্পর্কে জানানো, আর্মিতে হিজবুতি ও কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা প্রবেশ করছে-এ জাতীয় মহান মূর্খ গবেষণার জন্য জয় ভাইয়ের নাম সূর্যের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

শুভ জন্মদিন।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২৮

রুমি আলম বলেছেন: জয় জন্মের পর পাকিদের গাড়িতে করে মিষ্টি বিতরণ পর্বটি তেমন আসলো না।
পাকিদের গাড়ীতে করে ঢাকা শহরের হাওয়া খাওয়ার ব্যাপারটিও আসলোনা।


আমার দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া উপায় নাই। কারন আমার পড়া প্রবন্ধ ও গ্রন্থের কোথাও এই কথাগুলো পাইনি। তাছাড়া পুরো লেখায় আমার নিজের কথা খুবই কম। প্রায় সবটুকুই পোষ্টের নিচে উল্লিখিত ব্যক্তিগনের লিখিত কথাগুলো শুধু আমার মতো করে উপস্থাপন করেছি।

এই পোষ্টে আপনার উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে না পারায় দুঃখিত জনাব। তবে এটুকু বলে রাখি, যে যেমন কাজ করে ফলাফলও কিন্তু সেভাবেই পায়। অতীত আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে ভাবীকালেও দিবে।

২৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:১১

বেঈমান আমি বলেছেন: আলোকন @শুয়ার নিজের নিকে আমারে কিছু বলিস তোরে োদ মেরে দেবো।ধান্দাবাজ আমি কিন্তু তোরে চিনি তোর সব আমি জানি ওয়ার্নিং তোরে বোকচোদ।এর পরে তোরে োন্দামু ধান্দাবাজি বহুত করছোস সামুতে ।সামু তোর বাপের সম্পত্তি না।ভালো চাইলে দুরে যা এটা ছাগু পোস্ট না।এটা পিউর আওয়ামি পোস্ট তোর মতো চিনা বাদাম োন্দায় না।

২৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২৩

আলোকন বলেছেন: তোদের মত গাধাদের নিয়ে এটাই সমস্যা।
কথায় না পারলে, তোদের োয়া চুলকায়। োয়া বেশি চুলকালে, তোর োয়ায় বেগুন ঢুকায়া রাখ আবাল কোথাকার।
আর এত চিনস চিনস করস কেন?
আগেরবার আমার কাছে োন্দানি খাইয়া ব্যাথা যায় নাই?
সামু তোর বাপের সম্পত্তি না?
জয়ের লেমন-চুস চুস গিয়া...

২৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:২৭

অ তে আজগর বলেছেন: আলোকন @হিজড়া কারে কি কস?ফিফা কি তো বাপ লাগে?বাপের লাগি ছোটে আসছো?রুমি ভাই এই মাল্টি খাপোরে ব্লক করেন।এটা এক হিজড়ার নিক ।নিজের নিকে আসবে না।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩৪

রুমি আলম বলেছেন: আমি কাউকেই ব্লক করিনা। তাই আপনার কথা রাখা সম্ভব হলোনা। আপনিও বরং দেখে যান। সবার রুচির ব্যাপারে সজাগ হওয়ার এটা একটা সুযোগ হিসেবে গ্রহন করেন।

তবে সবাই পোষ্টে উল্লিখিত ঘটনার বিবরন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করলেই আমার ভালো লাগতো।

কী আর করা! সবাই কী আর এমন হয়! নিরুপায়ের যা উপায় আমারও তাই!!!!!!!!

৩০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩১

বেঈমান আমি বলেছেন: তীর্থযাত্রী @রুমি আলম @ জানেন এইটা কার নিক?আলোকন এইটা কে? ;) ;) ;) ;) ইনবক্সে দিতাছি B-)

৩১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩১

ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
রুমি আলম @
ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র বা তার পরিবারবর্গের জন্য সংরক্ষিত কোনো স্থান আছে বলে আমার জানা নেই।

বেঈমান আমি @
এই দেশে জামায়াত কিংবা নিজামী বিরোধিতা মানেই কিন্তু জয়ের গুণগান গাওয়া নয়। জামায়াত কিংবা নিজামী বিরোধিতায় বাংলাদেশের কোনো এক তুচ্ছ মানুষের যে ত্যাগ, আমি নিশ্চিত সজীব ওয়াজেদ জয় তার সারা জীবনে কখনো সেই ত্যাগটুকু স্বীকার করেননি। এমনকি আপনার নিজেরই হয়তো তার চেয়ে বেশি অবদান এই ক্ষেত্রে।

তীর্থযাত্রী @
রাহুল গান্ধী যখন কংগ্রেসের সম্পাদক আর বিলওয়াল ভুট্টো যখন পিপলস পার্টির কর্ণধার হয়েছেন - কেবল তখনই ঘরে-বাইরে এরা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। এবং সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের কোনো পদে নেই। রাষ্ট্রীয় কোনো পদে নেই। এখন পর্যন্ত তার একমাত্র পরিচয় তিনি প্রধানমন্ত্রীর পুত্র। আমরা যারা আমজনতা, তারা এই 'পুত্র-পূজা' দেখলেই আতঙ্কিত হই। ঘর পোড়া গরু যেমন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। খালেদা জিয়ার দুই রাজপুত্র ইতিপূর্বে আমাদের প্রচুর 'শিক্ষা' দিয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন দেশ থেকে দেশে। ফলে ব্লগে কেবল নয়, এখন হুট করে কোথাও জয়-বন্দনা গাইতে দেখলে নতুন রাজপুত্রের উত্থানের আশঙ্কায় আমরা ভয়ে কুঁকড়ে মরি।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৫৮

রুমি আলম বলেছেন: "তবে রাষ্ট্র যন্ত্র বিভিন্ন সময়ে তাকে বিদেশের আইটি বিষয়ক বিশেষ সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবেও প্রায়ই প্রেরন করে থাকে। এবং তখন রুলস অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তিনি কি মযাদা পান আমার জানা নাই।" আমার এই কথার প্রেক্ষিতে আপনি উত্তর দিয়েছেন,
ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র বা তার পরিবারবর্গের জন্য সংরক্ষিত কোনো স্থান আছে বলে আমার জানা নেই।

আমি কিন্তু বলিনি যে, জয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হিসেবে এই মযাদা পাবেন বা পান। আমি সরাসরি রাষ্ট্র যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছি। আর রাষ্ট্র যন্ত্র যখন কাউকে কোথাও চাকুরী/প্রতিনিধি নিয়োগ করে তখন নিশ্চয়ই 'ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স' অনুযায়ী মযাদা পেয়ে থাকেন। এটাই আইন।

উল্লেখ করলেই আপনার মনে পড়বে যে, জয় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার কখনো আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং কখনো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিষয়ক বিশেষ উপদষ্টা হিসেবে কয়েকটি সেমিনারে অংশ গ্রহন করেছেন।

৩২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩৪

আলোকন বলেছেন: অজগর @ তোর বাপের নিক একটাই। B-)
তুই মাল্টিতে আইসোস কেন শুয়োর?
নিজের নিকের বেল শেষ?
ব্লক ছাড়া আর কিছু করতে পারবি?
খোয়ারের শুয়োর সবগুলো :P

৩৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩৬

আলোকন বলেছেন: বেঈমান আমি @ তোর বাপের নামটা সবার সামনে বল।
নাকি তোর মা লজ্জা পাবে? B-)

৩৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩৭

অবান্তর অন্ধকার বলেছেন: শিরোনাম দেখে যে কথা বলতে আসছিলাম স্বাধীকার ভাই তা বলেদিছে /:)
তবুও বলি আপনি কি সেই আবালটার কথা বলতেছেন যে আবাল আমাদের সেনা বাহিনীকে বিতর্কিত করতে চায়? যে জঙ্গীবাদের কথা বলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায়? যে দেশে আসার আগে ভারতীয় দাদাদের কাছে হাজিরা দিতে যায়, আপনি কি সেই আবালটার কথা বলছেন?
তার থেকে ভালো আপনার সমগোত্রীয় মৃত মেয়র লোকমান নিয়া কথা বলতেন, যে দলের জন্য অনেক করেছে অথচ তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে সুষ্ঠ বিচারের জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে। তাদের নিয়া লিখতেন। /:) /:) /:)

২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৮

রুমি আলম বলেছেন: স্বাধীকারকে দেওয়া উত্তরের হকদার আপনিও। সেজন্য তুলে দিলাম।

আমার দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া উপায় নাই। কারন আমার পড়া প্রবন্ধ ও গ্রন্থের কোথাও এই কথাগুলো পাইনি। তাছাড়া পুরো লেখায় আমার নিজের কথা খুবই কম। প্রায় সবটুকুই পোষ্টের নিচে উল্লিখিত ব্যক্তিগনের লিখিত কথাগুলো শুধু আমার মতো করে উপস্থাপন করেছি।

এই পোষ্টে আপনার উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে না পারায় দুঃখিত জনাব। তবে এটুকু বলে রাখি, যে যেমন কাজ করে ফলাফলও কিন্তু সেভাবেই পায়। অতীত আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে ভাবীকালেও দিবে।
দেখুন আমাদের দেশে দুই ধরনের প্রবাদই আছে। যেমনঃ দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়ালই ভালো। আবার উল্টোভাবে 'নাই মামার চেয়ে কানামামা ভালো'। এখন যার যার সুবিধা অনুযায়ী প্রবাদ ব্যবহার করবে সেটাই সাভাবিক। আপনিও করেছেন। শহীদ লোকমানের কথাও নিশ্চয়ই তার দলের বাইরে অন্যরা বেশি বলেনা। যেটুকু বলে সেটা রাজনৈতিক ধান্দাবাজির বক্তব্য। বেচে থাকতে অন্য দলের কোন ব্যক্তিকে তার পক্ষে কথা বলতে শুনিনি। কাজেই দেখা যাচ্ছে, মানুষ তার নিজের সুবিধানুযায়ী অযৌক্তিক রেফারেন্স, উদাহরন ইত্যাদি দিবে।এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। এখানে পোষ্ট অসংশ্লিষ্ট কোন কিছু নিয়ে আর কথা না বাড়াই।

বরং আরেকদিন এই বিষয়ে আপনি একটা পোষ্ট দিলে আমি নিশ্চিতভাবেই আলোচনায় যোগ দেবো।

ধন্যবাদ।

৩৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৩৭

বেঈমান আমি বলেছেন: ফিউশন ফাইভ @সামুতে আসার পর আপনার সব পোস্টে কমেন্ট করছি যখন ছাগুরা ফাউল করছে প্রতিবাদ করছি।এই াল াল আলোকন কই থেকে উদয় হইলো?ফিফার প্রতি তার ভালোবাসা দেখে আমার াল খসে পড়লো।এইসব পরিচয়হীন াগি থেক সাবধান।যখন সময় আসবে এই আমি নিজের নিকে ফিফাকে সমর্থন দিমু।যেটা আগেও দিছি

৩৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৪২

অ তে আজগর বলেছেন: আলোকন @আব্বার সাথে তোর কি প্রবলেম?মনে পড়ে না তোরে কবে োন্দাইছি

৩৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৫৩

তীর্থযাত্রী বলেছেন: @ফিফা,
আপনি আতংকিত হলেন বা না হলেন তাতে কিছু আসে যায় না। আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করি তারা সবাই যদি জয় কে মানি তাহলে সেই নেতা। আপনি আতংকিত হলে কিছু করার নেই। আপনি ভয়ে কুঁকড়ে মরতে থাকেন কিংবা ডাক্তার দেখাতে থাকেন আমরা জয়ের জন্য অপেক্ষা করছি।

কিছু লোক ভয়ে কুঁকড়াবে কিংবা ডায়রিয়া হবে এটা আমরা জানি, তাদের জন্য সরকারের কাছে কিছু অতিরিক্ত হাসপাতালের আবেদন করা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই।

আর জয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করার জন্য তাকে আওয়ামী লীগের নেতা হতে হবে এই কথা কে বলল? বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র আপাতত এই টুকুই। আর আমি যদি জয়কে মানি তাহলে তো আপনার সমস্যা হবার কথা না, তাই না? দেখতে হবে কাউকে মানতে বাধ্য করা হচ্ছে কিনা?

৩৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৫৩

আলোকন বলেছেন: অ তে আজগর বলেছেন: আলোকন @আব্বার সাথে তোর কি প্রবলেম?মনে পড়ে না তোরে কবে োন্দাইছি

তোর আব্বার সাথে আমার সবচেয়ে বড় প্রবলেম হল, সে আমার ছেলেকে তার নিজের ছেলে দাবি করে। ;)

৩৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৫৫

আলোকন বলেছেন: বেঈমান আমি @ ছাগু তোর বাপ।
কথায় না পারলে ছাগু ছাগু করস কেন?
তোর আম্মুর কোলে গিয়ে বসে থাক... :P

৪০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:০২

বেঈমান আমি বলেছেন: আলোকন @ফকিরনি তোরে টাইম নাইম নাই গুমাতে গেলাম

৪১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:০২

sumon3d বলেছেন:
তীর্থভাই তো ছক্কা মাইরা দিলেন। বিলি বাউডেনের মত লম্পঝম্প দিয়া দুই হাত উচাইয়া ধরলাম। :P

৪২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:০৬

রডোডেনড্রন বলেছেন: মাত্র জেনারেল হলাম। কি কমেন্ট করবো বুঝতে পারছি না।



শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়। পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানলাম। ভালো লাগলো

২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৬

রুমি আলম বলেছেন: ওরে বাপস রে এক্কেবারে জেনারেল! ভাই আগের স্টেপগুলো ঠিকঠাক মতো প্রমোশিত হয়েছেন তো? তা নাহলে আবার কখন কোথায় বেকায়দায় পড়েন কে জানে!!!!!!!

শুভ ব্লগিং।

৪৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১০

আলোকন বলেছেন: বেঈমান আমি @ সারারাত খ্যাপ মাইরা োয়া ব্যাথা করতাসে?
যাও! ঘুমুতে যাও :P

অ তে আজগর @ তোর মায়ের কাছে তোর বাপের পরিচয় জেনে, তারপর ব্লগিং করতে আসিস।
যা! বাবা যা B-)

৪৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৮

কুয়াশা১৩ বলেছেন: জয় ভাইরে শুভ জনমদিন জানায়া গেলাম।কিছু আবালের জয়রে নিয়া এত জলুনি কেনু?

২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৮

রুমি আলম বলেছেন:
সেটা অবশ্য আমিও বুঝতেছি না। মূল কারনটা জয়ের জন্মকথা নিয়ে নাকি বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে সেটা ভাবনার বিষয় বটে!

৪৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৮

শফিকুর রহমান শাহজাহান বলেছেন: আজকের দিনে এই কি রকম আজাইর‌্যা প্যাচাল শুরু করলেন। আজ হলো জাতীয় 'আবুল দিবস'। আসুন এই দিনে সবাই মিলে 'আবুল' এর মতো দেশ প্রেমিক হই।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:৪৮

রুমি আলম বলেছেন: আপনার এই কমেন্ট কী এই পোষ্টে অবস্থান করার কোনো কারন থাকতে পারে? নাকি নিজেকে পরিচিত করতে কমেন্ট করতে এসছেন?

পোষ্ট সংশ্লিষ্টতার বাইরে অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা এখানে নয়। বরং নিজেই একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলুন বীরের মতো!!

শুধু বিরোধীতার জন্য বিরোধীতা নয় বরং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিছু জানা থাকাও জরুরী।

৪৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:৫৪

আলোকন বলেছেন: লেখক বলেছেন:
সেটা অবশ্য আমিও বুঝতেছি না। মূল কারনটা জয়ের জন্মকথা নিয়ে নাকি বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে সেটা ভাবনার বিষয় বটে!


লেখক @ আলীগারদের এটা অন্যতম একটা বিরক্তিকর অভ্যাস, আপনারা দেশের সাথে শেখ পরিবারকে গুলিয়ে ফেলেন। আর অন্য সবার অবদান অস্বীকার করেন।
হ্যা, বাংলাদেশের জন্মের পেছনে এই পরিবারের অনন্য অবদান আছে।
কিন্তু এই জন্য তো, তাদের সব আচরন সবার ভাল লাগতে হবে, এটা জরুরী নয়।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৫:২৮

রুমি আলম বলেছেন: কুয়াশা১৩ বলেছেন: জয় ভাইরে শুভ জনমদিন জানায়া গেলাম।কিছু আবালের জয়রে নিয়া এত জলুনি কেনু?

এটার উত্তরে আমি সেটা অবশ্য আমিও বুঝতেছি না। মূল কারনটা জয়ের জন্মকথা নিয়ে নাকি বাংলাদেশের জন্ম নিয়ে সেটা ভাবনার বিষয় বটে! এটুকু বলেছি।

এই কথার সঙ্গে আপনার রিএক্ট করার কারন কী বা যোগসুত্র কোথায় বুঝতেছিনা।

আপনার কথার মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছে শেখ পরিবারের বাংলাদেশের জন্মের পিছনে ভুমিকা আছে। পাশাপাশি কাউকে কোথাও অস্বীকার করা হয়েছে আমি জানিনা এবং আমি করিও নি।

আপনি যেমন কারো বদঅভ্যাসকে বা খারাপ আচরনকে অগ্রহনযোগ্য বিবেচনা করেছেন, আমিও এর উলটো কিছু কোথাও উল্লেখ করিনি।

কাজেই এই মন্তব্যটাইই অপ্রাসঙ্গিক বলে প্রমানিত।

আজগর আর বেঈমানের সঙ্গে আপনার মনোমালিন্যের বিপরীতে অন্যের মন্তব্যের জবাবে দেওয়া আমার উত্তরকে টেনে নিজের কাধে নেওয়া অজরুরী।
পোষ্ট নিয়ে আপনার বক্তব্য নিশ্চয়ই সাধুবাদ জানাই। পোষ্ট অসংশ্লিষ্ট এবং অপ্রাসঙ্গিক সকল কিছুকে অনালোচ্য বলে মনে করি।

৪৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৬:১৯

বড় ঠাকুড় বলেছেন: তুমি না সুশী ভেক ধইরা পোস্ট দিতা? এখন তোমার হাম্বা ল্যান্জা বাইর হইয়া পরছে!!

কত বড় দালাল আর নির্লজ্জ চাটুকার হইলে বিশ্ব ব্যংকের সার্টিফায়েড চোরের পোলার জন্ম দিন নিয়া পোস্ট দেয়|



আর হাম্বালীগের ব্লগাররা যে কি পরিমান পা-চাটা সেইটা উপড়ের কমেন্ট দেখলেই বুজা যায়|

৪৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৬:২২

বড় ঠাকুড় বলেছেন:
প্রশ্ন ৩ টা:

১| জয়ের জন্মের পর পাকি সেনারা মিস্টি বিলানোর রহস্য কী??

২| ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুর পর তার জানাজায় জয় হাজির না হওয়ার কারন কী??

৩| ওয়াজেদ মিয়ার মরনের ২ মাস পর বউ-শাশ্বুরী লইয়া সেন্ট মার্টিনে বিলাস ভ্রমনে দেশে আসার কারন কী??


৪৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:২০

রুমি আলম বলেছেন: যারা পোষ্টের মূল আলোচনার বাইরে গিয়ে তেনা প্যাচানো মন্তব্য করেছেন দয়াকরে এখানেই থেমে যান। উত্তর দেওয়া অনাবশ্যক। প্রয়োজনে আমার উপরের কমেন্টগুলোর বিপরীতে দেওয়া উত্তর দেখুন। খুব মন চাইলে পোষ্ট আরেকবার পড়ুন।

সকালেই ঘুম থেকে উঠে কেবলই একটা কথা মনে হচ্ছে, "একবার লেখক অদিতি ফাল্গুনী গিয়েছিলেন প্রখ্যাত লেখক মহাশ্বেতা দেবীর সাক্ষাতকার নিতে। অদিতি ফাল্গুনী বারবার অসংলগ্ন প্রশ্ন করায় অন্যান্য আরো কয়েকজন লেখক ও সাংবাদিকের সামনেই মহাশ্বেতা দেবী বললেন, শুধু লেখালেখি আর সাংবাদিকতা করলেই হবেনা, পড়ালেখাও একটু করা চাই।" বহুদিন থেকেই লেখালেখির মাঠে এই গল্পটি প্রচার রয়েছে। যদিও আমরা জানতাম যে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই অদিতি ফাল্গুনী অনেক বড় মাপের একজন পাঠক। এখন পুরোদস্তুর লেখক। বাস্তবতাও বোধকরি এমনই।

৫০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১১:৩৩

চলতি নিয়ম বলেছেন: ৫০ নং কমেন্টে +++

ছাগু > শুয়োর > আবালের পথে কিনা বুঝতে পারছি না =p~ =p~

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৮

রুমি আলম বলেছেন: :) :) :)

ধন্যবাদ

৫১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৪০

মেঘনার মোহনা বলেছেন: পোস্ট দেখি আক্রমনের স্বীকার হয়ে গেছে। থাক আজ আর সে সম্পর্কে কিছু বলবো না।



শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়।
++++++++++

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪০

রুমি আলম বলেছেন: আক্রমন করেছে বলেই বুঝা যাচ্ছে যে পোষ্টের প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব আছে।

বুদ্ধিমান মাত্রই এটা এনজয়েবল, সো ইউ ক্যান ডু ইট।


:) :) :)

৫২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৫০

মাহ্‌মুদুল হক মুন্সী বলেছেন: শুভ জন্মদিন

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪১

রুমি আলম বলেছেন: শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়


:)

৫৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:১৩

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: শুভ জন্মদিন জয়!

তার পরেও বলার অপেক্ষা রাখেনা জয়ের জন্মক্ষনটা সেই সময়ের ফাকিস্তানি নির্যাতন নিপীড়নের সাক্ষ্য বহন করে।

অনেকে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে আওয়ামীলীগ বা তাঁর সাথে জড়িত কাউকে গালি দিয়ে নিজেকে অন্য সমাজে জনপ্রিয়তার জন্য।

আসলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় তারা কারা!!!

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪৪

রুমি আলম বলেছেন: লেখক বলেছেন: শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয় :)


একেবারে খাটি উপলব্ধি। তাদের মতলবটা ধরতে পেরেছেন।

তারা কারা এটা জানার জন্য প্রদত্ত লিঙ্কে একবার ঘুরে আসুন

Click This Link

ধন্যবাদ

৫৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৫

sumon3d বলেছেন:

@বড় ঠাকুর: আপনি এতো ল্যান্জা ল্যান্জা করতাছেন ক্যান কন তো? রুমি, তীর্থ, বেঈমান এইগুলো স্বঘোষিত আওয়ামিলীগার। আর আমি কি এটাও বলেছি ওয়ারলর্ডের পোষ্টে।


এখন আপনি কন আপনার রাজনৈতিক দর্শনটা কি। তারপর না হয় সিদ্ধান্তে আসা যাবে কার ল্যান্জা কত লম্বা!!!!!!!!!!!!!!!!!

৫৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৯

sumon3d বলেছেন:

@বড় ঠাকুর: ৮ নং কমেন্ট ও তার রিপ্লাইটা দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে রুমি ভাই ছাগুগো মত পরিচয়হীনতাই ভোগে না। উনি আওয়ামিলীগারই এবং ওপেন।।।।।

৫৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৪১

ভেপু বলেছেন: আওয়ামি চামচাদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন....

আপনারা মানে আওমিলিগ (বি এন পি ও এর ভিতরে আছে কিন্তু পোস্ট যেহেতু আওমিলিগার দিসে, তাই আওমিলিগ নিয়াই বললাম।) গনতন্ত্র গনতন্ত্র কইরা মুখে ফেনা তুলেন, একটু গনতন্ত্রের বিচ্যুতি হইলে আন্দলনে নামেন, পাবলিকের গাড়ি ভাইঙ্গা, পাবলিকের জীবনটা ফাতা ফাতা কইরা, পাবলিকরে গনতন্ত্র গুলায়া খাওয়ায়া দেবার চেষ্টা করেন। কিন্তু আপনাদের নিজেদের ভিতরে গনতন্র কই? শেখ মুজিব নিজের যোগ্যতায় আওমিলিগের কান্ডারি হয়েছিলেন। শেখ হাসিনার যোগ্যতা কি আওমিলিগের হাল ধরার? জয় এর যোগ্যতা কি? কবে আপনারা এই পরিবারতন্ত্র থেকে বের হয়ে সাধারন মানুষের জন্য কাজ করবেন? সবাই জানে শেখ হাসিনার পরে জয় হবে আওমিলিগের কান্ডারি এই জন্য এখন থেকেই আপনারা চামচারা জিব্বা বের করে চাটা শুরু করে দিসেন। এর নাম গনতন্ত্র না।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫২

রুমি আলম বলেছেন: যে কোন রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা স্থাপন আর চামচামি নিশ্চয়ই ভিন্ন।

উপরন্তু ৫০নং কমেন্ট দেখুন। আপনার জন্যই লেখা।

পাশাপাশি ডান, মধ্য ও বাম রাজনীতি বিষয়ে আগে জানুন। একটি ভুখন্ড/দেশের নিজস্ব ভাষা ও সাংস্কৃতিক পটভুমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা জাতীয়তাবাদী চেতনার বিষয়েও জানুন, বুঝুন তারপরে আপনার উল্লিখিত বিষয়ে একটা পোষ্ট দিন। সেখানে গনতন্ত্র, ধনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ব্যক্তিবাদ, মানবতাবাদ ইত্যাদির উত্থান, পরিচালন প্রক্রিয়া, বেড়ে উঠা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করার ইচ্ছা রইল।

এবার আপনার কিছুটা সুবিধা ও তথ্যের জন্য নিন্মোক্ত লিঙ্কে চোখ বুলিয়ে আসুন
Click This Link

ধন্যবাদ।

৫৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:০৩

কুয়াশা১৩ বলেছেন: সেই রকম একটা কমেন্ট দিছেন ভেপু ভাই।মারহাবা মারহাবা।আওয়ামী চামচাদের ধুয়ে দিলেন।বিএনপির নামও উল্লেখ করলেন।এখন বলেনতো ভাই আপনে কোন দলের চামচা? ;)

৫৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:০৭

তীর্থযাত্রী বলেছেন: @ভেপু,
আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মী চাই জয় আওয়ামী লীগের নেতা হোক। আপনার কোন সমস্যা আছে। আওয়ামী লীগের সবাই যদি চাই তাহলে তো ওটাই গনতন্ত্র। আপনি কি জানেন, শেখ হাসিন আসার পর থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিটা সম্মেলনে সারা দেশের কাউন্সিলার রা কাউন্সিল অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সভাপতি নির্বাচন করে। শুধু তাই নয়, দলে সাধারন সম্পাদক সহ বাকী সব পদ নির্বাচনের দায়িত্বও তাকে দেয়া হয়। সারা দেশের কাউন্সিলাররা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সভপতি নির্বাচন করছে আর আপনার মতো আবাল রা বলছে তার যোগ্যতা কি? =p~ =p~ =p~

আর আওয়ামী লীগের সকল কাউন্সিলাররা যদি মনে করে জয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবে তাহলে জয় গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতেই আওয়ামী লীগের হাল ধরবে। আর আমাদের মতো সকল আওয়ামী লীগার রা যদি জয়ের চামচামি করি তাহলে তুমার কি কোন সমস্যা আছে ভেপু মিয়া? আওয়ামী লিগার রা কার চামচামি করবে টা নিশ্চয় তুমার মতো বাল-ছাল ভেপুর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে করবে না।

৫৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:০৮

ভেপু বলেছেন: কুয়াশা১৩ঃ আমি ভাই রাজনৈতিক চামচাদের জাতাকলে পরে ত্যাক্তবিরক্ত আম পাবলিক।

৬০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:২২

ভেপু বলেছেন: আরে তীর্থ মিয়া, তুমি আইস। পিড়ি পাইতা বস। আজকে পেমেন্ট পাইস? কই চান্দাবাজি করস? যাউকগা, তুমি যেই বাল সাল কথা গুলা কইলা, তার কোন সত্যতা নাই। আওমিলিগ বি এন পির চেয়ারপার্সন পদ পারিবারিক ভাবে নির্ধারিত। গত ৪০ বছর ধরে এমনি হয়া আসছে। তুমি নতুন নতুন ঢাকা শহর আইস আর চান্দাবাজি, টেন্ডারবাজি করার লেইগা নতুন নতুন রাজনিতিতে ঢুকস বলে বেপারগুলা এখন তোমার কাসে ক্লিয়ার হয় নাই। যাউকগা আমারে ১ টা কথার উত্তর দাও গত তিন বছরে আওমিলিগের পাবলিকের জিবনটা ফাতা ফাতা করা ছারা দেশের ভালর জন্য কি কি কাজ করসে?

৬১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪১

তীর্থযাত্রী বলেছেন: তুই কি আমারে চিনস? আমার কথার সত্যটা আছে কি নাই তুই কি জানিস?


মগবাজারি পেমেন্ট তো ভালোই পাচ্ছ। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি নেতৃত্ব কিভাবে নিরধারিত হবে সেটা তারা বুঝবে। এ নিয়ে তুমার মাথা ঘামাতে হবে না। তুই দূরে গিয়ে মর।

যাউকগা আমারে ১ টা কথার উত্তর দাও গত তিন বছরে আওমিলিগের পাবলিকের জিবনটা ফাতা ফাতা করা ছারা দেশের ভালর জন্য কি কি কাজ করসে?

ঠিক কইছ। আওয়ামী লীগ আর বিএনপি গত ২২ বছরে দেশ টাকে ফাতা ফাতা করে দিছে। এখন নুরানি চেহারার তুমার মগবাজারি আব্বা গো দরকার। ;)

৬২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৬

ভেপু বলেছেন: আওয়ামি ঘেউ ঘেউ গুলার এই এক সমস্যা। কথার জবাব দিতে না পারলেই তুই তোকারি করব আর গালি দিব। আর তার থেকেও বড় সমস্যা হইল কেউ আওমিলিগরে কিছু কইলেই তারে জামাত বানায় দেয়। কেন রে ভাই, আওমিলিগ জামাত ছারা বি এন পি ছারা কি দুনিয়াতে সাধারন পাব্লিক নাই?

যদি তোর বাপের পরিচয় ঠিক থাকে তাহলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিস।

৬৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৮

নিরবখান বলেছেন: কিছু ছাগু দেখি তাদের ছুপা লেঞ্জা নাড়াচ্ছে। ;) ;) :P


সজীব ওয়াজেদ জয়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
!:#P !:#P !:#P

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

রুমি আলম বলেছেন: অনেকদিন পরে এদিকে এলেন

শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয় :)
সামুতে বহুল প্রচলিত এবং বিখ্যাত উক্তি, 'লেঞ্জা ইস ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড'

ধন্যবাদ।

৬৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:০৯

নিরবখান বলেছেন: @ভেপু,

উপরে আপনি এক জায়গায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির গুষ্ঠি উদ্ধার করলেন। আর এক জায়গায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির পরিবারতন্ত্রের সমালোচনা করলেন।

লেঞ্জা ঢেকে রাখা নাকি খু কষ্ট। ;)

ভেপু ভাই, এক কাজ করেন ৬ টা যুদ্ধাপরাধীর নাম বলেন। ১ টা উত্তর আমি বলে দিচ্ছি, শেখ হাসিনার বেয়াই। বাকী ৫ টা আপনি বলবেন।
=p~ =p~ =p~ =p~

৬৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:১২

ভেপু বলেছেন: লেখকঃ হ ভাই, যা কইসেন, আওমিলিগরে নিয়া কেউ কিসু কইতে পারব না। কইলেই ঘেউ ঘেউ কইরা তারে জামাত বানায়া দিবেন। কেন ভাই? জামাত ছারা কি আর কেউ আওমিলিগের সমালচনা করতে পারে না? আপনারা শিক্ষিত মানুষ, আপনারা কেন দেখেও না বুঝার ভান করে থাকবেন? আপনারা কি টের পান না গত তিনটা বছর আওমিলিগ আম পাবলিকরে কি পরিমান দোউরের উপর রাখসে? শেয়ার বাজার শেষ করসে, বাজারে জাইতে ভয় লাগে, বিদ্যুত বিল ৩ গুন হয়া গেসে, দুর্নিতিতে দেশটা ভইরা গেসে, রাস্তাঘাটের অবস্তা ঠিক নাই। ভালটা কি করসে?

যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়া নাটক করতাসে। ৩ বছর লাগে নাকি বিচার করতে? ধরে ঝুলায় দিলে কি হয়?

ত্যাক্ত বিরক্ত হয়া গেসি আওমিলিগের উপর। আর আমি যদি আমার বিরক্তি নিয়া কিছু কই তাহলে আমারে আপনারা ছাগু জামাত ইত্যাদি বানায়া দিবেন।

নিজেদের চামরা বাচানর জন্য ভালই ফর্মুলা বাইর করসেন আপনারা।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২২

রুমি আলম বলেছেন: কেউ কাউকে কিছু বানাতে পারেনা। তাকে নিজে নিজেই হতে হয়। এবং ব্লগ সহ সবখানেই সবাই নিজেই নিজেকে উপস্থাপন করে নিজের গুরুত্ব অপরকে বুঝায়। নিজের সকল কিছুর প্রতিনিধিত্ব নিজেকেই করতে হয়। আমিও আপনাকে কিছুই বানাতে পারবোনা। আপনিও আমাকে কিছুই বানাতে পারবেন না। নিজেকেই হতে হয়।

উপরন্তু ৫০নং কমেন্ট এখানে উঠিয়ে দিলাম। ব্যস্ততার কারনে হয়ত উপরের দিকে যেতে পারেন নি। তাই সহজ করে দিলাম। চোখের সামনেই আছে এখন।
যারা পোষ্টের মূল আলোচনার বাইরে গিয়ে তেনা প্যাচানো মন্তব্য করেছেন দয়াকরে এখানেই থেমে যান। উত্তর দেওয়া অনাবশ্যক। প্রয়োজনে আমার উপরের কমেন্টগুলোর বিপরীতে দেওয়া উত্তর দেখুন। খুব মন চাইলে পোষ্ট আরেকবার পড়ুন।

সকালেই ঘুম থেকে উঠে কেবলই একটা কথা মনে হচ্ছে, "একবার লেখক অদিতি ফাল্গুনী গিয়েছিলেন প্রখ্যাত লেখক মহাশ্বেতা দেবীর সাক্ষাতকার নিতে। অদিতি ফাল্গুনী বারবার অসংলগ্ন প্রশ্ন করায় অন্যান্য আরো কয়েকজন লেখক ও সাংবাদিকের সামনেই মহাশ্বেতা দেবী বললেন, শুধু লেখালেখি আর সাংবাদিকতা করলেই হবেনা, পড়ালেখাও একটু করা চাই।" বহুদিন থেকেই লেখালেখির মাঠে এই গল্পটি প্রচার রয়েছে। যদিও আমরা জানতাম যে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই অদিতি ফাল্গুনী অনেক বড় মাপের একজন পাঠক। এখন পুরোদস্তুর লেখক। বাস্তবতাও বোধকরি এমনই।


আশাকরি আমাকে বুঝবেন!

৬৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:১৫

ভেপু বলেছেন: @নিরবখানঃ যুদ্ধাপরাধিদের নাম তো আম জনতার থেকে আপনারাই বেশি ভাল জানেন মনে হয়। ধরে ধরে ঝুলায়া দিতেসেন না কেন? ৩ বছর লাগে নাকি গো আ নিজামির মত শুওরদের বিচার করতে?

নাকি আগামি নির্বাচনের জন্য ওদের খাওয়ায় পড়ায় বাচায় রাখসে আওমিলিগ

৬৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:১৬

তীর্থযাত্রী বলেছেন: @নিরবখান,

আপনি এ কি প্রস্তাব দিলেন ভাই? এতো কঠিন একটা প্রশ্ন করে ফেললেন? ;)

@ভেপু,

উনি যেহেতু প্রশ্নটা করেই ফেলেছে সেহেতু লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে উত্তরটা দিয়েই দেন। :P

৬৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:১৯

তীর্থযাত্রী বলেছেন: @লেখক,
এটা কিন্তু একটা পিছলা। কোন ভাবেই ধরা দেবে না। লাইনে না থেকে শুধু ম্যা......... ম্যা......... করে ত্যানা প্যাচাবে।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২৮

রুমি আলম বলেছেন: এখানে পিছলা পিছলির কিছু নাই। পোষ্ট সংশ্লিষ্টতার বাইরে কোনো কিছু নিয়ে আলোচনাকে গ্রহনযোগ্যহীন ঘোষনা করেছি অনেক আগেই।

তবে যে বা যারা আগে পোষ্টের মূল আলোচনার বাইরে গিয়ে কথা বলা এবং গালি দেওয়া, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত কমেন্ট করা শুরু করেছে, ব্লগের পরিবেশ দূষনের দায় তাকে/তাদেরকেই নিতে হবে।

৬৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২২

তীর্থযাত্রী বলেছেন: লেখক, এটা চেয়ারম্যানের উক্তি নয়। অনেক আগে থেকেই এই উক্তি টি সামু তে চলে আসছে।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩০

রুমি আলম বলেছেন: আমি এই সামুতেই দেখেছিলাম কোথাও, তাই রেফারেন্স উল্লেখ করেছি। আপনার ভেটো প্রয়োগে সংশোধনের ইচ্ছে প্রকাশ করছি।

৭০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২৪

ভেপু বলেছেন: @তীর্থঃ তুই আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দে।

৭১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:২৯

ভেপু বলেছেন: তীর্থঃ আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়া তুই প্রমান করলি তোর বাপের পরিচয়ে সমস্যা আছে। ্তোর জন্য প্রশ্নটা আবারো করলাম -----

আওয়ামি ঘেউ ঘেউ গুলার এই এক সমস্যা। কথার জবাব দিতে না পারলেই তুই তোকারি করব আর গালি দিব। আর তার থেকেও বড় সমস্যা হইল কেউ আওমিলিগরে কিছু কইলেই তারে জামাত বানায় দেয়। কেন রে ভাই, আওমিলিগ জামাত ছারা বি এন পি ছারা কি দুনিয়াতে সাধারন পাব্লিক নাই?

যদি তোর বাপের পরিচয় ঠিক থাকে তাহলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিস।

৭২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

তীর্থযাত্রী বলেছেন: ৫৮ নং কমেন্টে,
কুয়াশা১৩ বলেছেন: সেই রকম একটা কমেন্ট দিছেন ভেপু ভাই।মারহাবা মারহাবা।আওয়ামী চামচাদের ধুয়ে দিলেন।বিএনপির নামও উল্লেখ করলেন।এখন বলেনতো ভাই আপনে কোন দলের চামচা?


এই কমেন্টের উত্তর দিলেই তো হয়। আমার কাছে প্রশ্ন করার আগে উনি আপনার কাছে প্রশ্ন করেছিল। আগে তার প্রশ্নের উত্তর দেন।

৭৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩২

মশিউর মামা ১ বলেছেন:
********রুমি আলম*********

এইটা তাইলে ব্লগে জন্ম নেয়া নতুন হাম্বা |

জন্মের পর হাম্বা হাম্বা ডাক দিতে দিতে এখন আব্বা আব্বা ডাকা শুরু করছে |

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪৩

রুমি আলম বলেছেন: বাহ! আপনি কত বড় ব্লগার! আপনার কথার গুরুত্বই আলাদা!

তা সাহেব আমার পোষ্টটাতে চোখ বুলিয়ে একটু ধন্য করে যান এবং পোষ্ট সংশ্লিষ্ট আলোচনা করলে আরও ভালো হয়। (এসেই পোষ্টের আশেপাশে না গিয়ে ধুপধাপ একটা কমেন্ট মেরে দিলেন তাতে মনে হলো হয়ত পড়ার সময় হয়নি)।
অবশ্য নিজেকে নিজেই উপস্থাপন করতে হয়, নতুন কোথাও গেলে নিজের পরিচয় নিজেকেই দিতে হয়। আফসোস লাগে নাসির উদ্দিন পিন্টু সাহেবের জন্য। বেচারা বলেছিল, তিনি নাকি বুয়েটে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক শ্রেণীতে পড়েন! ক্যাম্পাসে লাল্টু গ্রুপ এই বয়ান ফাস করার পরে সে কি এলাহি কান্ড!! লাল্টু গ্রুপ সেই আনন্দে আমাদের মিষ্টি খাওয়াইছিল। আজ এখানেও কেউ খাওয়াবে কিনা বুঝতেছিনা।
৫০ নং কমেন্ট অথবা ভেপু'কে দেওয়া উত্তর পাঠে বিদায় নিলে অখুশী হবো না।
যা হোক, এসেছেন যখন তাহলে আবার আসবেন। ভালো লাগবে। ভালো থাকবেন।

ভালো থাকবেন।

৭৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪

ভেপু বলেছেন: লেখকঃ আপনার ব্লগে অনাকাঙ্খিত কেচালের জন্য আপনার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থি। আপাতত আমি অফ গেলাম।

যাবার আগে শেষ একটা কথা। আওমিলিগ এর দুর্নাম করলেই তারে ছাগু বলাটা ঠিক না।

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪৮

রুমি আলম বলেছেন: শুভ বুদ্ধির উদয় হওয়াতেই হোক বা ক্লান্ত হয়েই হোক অথবা অন্য অব্যক্ত কোনো কারনেই হোক চলে যাওয়াটা কষ্টকর হলেও এখানে প্রাসঙ্গিক।

সময় সুযোগ হলে আসবেন আবার নিশ্চয়ই। এখানে না হোক অন্য কোথাও দেখা হবে প্রত্যাশা রইল।

ব্যক্তির যে কোনো বিশ্বাসের প্রতি যৌক্তিকভাবেই সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহন ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ। এটুকু মনে রাখা সকলের জন্যই মঙ্গলজনক।

ধন্যবাদ।

৭৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮

ভেপু বলেছেন: আর তির্থ, কুয়াশার উত্তর আমি কিন্তু দিসি। কিন্তু তুই আমার প্রশ্নের উত্তর দেস নাই। যাক, উত্তরের দরকার নাই।

কুত্তা ঘেউ ঘেউ না করলেও খালি দেখেই বুঝা যায় যে এটা কুত্তা। =p~

৭৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০০

মশিউর মামা ১ বলেছেন: কানকাটা লাল্টু তোমারে মিষ্টি খাওয়াইছে , :||

কর তো হাম্বালীগ,

নাকি মিষ্টি খাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে কান কাটার ঘেটু গিরিও করতা | /:)

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:১৩

রুমি আলম বলেছেন: মিষ্টি কে খাওয়াইছিল মধুর ক্যান্টিনে সেটা এখানে মূল বিষয় নয় বরং কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে খাওয়াইছিল সেটাই মুখ্য।

উপরন্তু আপনি শুরু থেকেই পোষ্টের বিষয়ে কথা বলে ভিন্ন বিষয় টেনে এনেছেন যা ব্লুগের অলিখিত কনভেনশনের পরিপন্থী। আপনার ভিন্ন দিকে মনোনিবেশ কে উল্লেখ করেই আমি আগের উত্তরটি দিয়েছিলাম।

আপনার মতো সিনিয়র ব্লগার না বুঝার কোনো কারন নেই যে, কে কী উদ্দেশ্যে এবং কোথায় কখন কী বলে।
পোষ্টের বাইরের যে কোন আলোচনাকে অগ্রহনযোগ্য বলে বিবেচিত।

ধন্যবাদ।

৭৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০৩

তীর্থযাত্রী বলেছেন: যার আইডেন্টিটিতে সমস্যা আছে তার প্রশ্নের জবাব আমি দিই না।
@ভেপু

৭৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০৪

বেঈমান আমি বলেছেন: আফসোস লাগে নাসির উদ্দিন পিন্টু সাহেবের জন্য। বেচারা বলেছিল, তিনি নাকি বুয়েটে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক শ্রেণীতে পড়েন! ক্যাম্পাসে লাল্টু গ্রুপ এই বয়ান ফাস করার পরে সে কি এলাহি কান্ড!! লাল্টু গ্রুপ সেই আনন্দে আমাদের মিষ্টি খাওয়াইছিল।
;) ;) ;) ;) ;) ;) ;) ;) ;) :P

মশিউর মামা ১ @কেমন আছেন মামা?অনেকদিন দেখি না ;)

৭৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

মশিউর মামা ১ বলেছেন: @ বেইমান আমি , ভালো আছি , আপনে কেমন আছেন ? :)

রোমে রোজা কয় ঘন্টা ? রাখেন তো ? ;)

৮০| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:০৯

বেঈমান আমি বলেছেন: আর কয়েন না সন্ধ্যা ৮.৩০ ইফতার :( :( :( এর উপর আবার সামার টাইম ;)

৮১| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:১৪

বিরোধী দল বলেছেন: <: @ভেপু

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩২

রুমি আলম বলেছেন: 'কোন কথা না বলেও যায় যে বলা অনেক কথা'

ভাব চক্করে মনে হচ্ছে আপনি এই থিউরি এপ্লাই করেছেন-

:)

৮২| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৫৭

চলতি নিয়ম বলেছেন: @বেইমান ভাই, শুয়োর টার আসল নামের কিছু হিন্টস দেয়া যায় নাকি ? =p~ =p~

৮৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৯:৫৪

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: আর কারা এন্টি আওয়ামীলীগ, এইগুলা চিনতে এতো গবেষণা লাগেনা খালী কাঁডল পাতা সাধবেন, কেউ দেখবেন খাইতে আসেতেছে, কেউ দেখবেন ল্যাঞ্জা নারাইতেছে, কেউরে দেখবেন ল্যাঞ্জা জোর কইরা গুজে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। কেউ দেখবেন খাইব কিনা ডিসিশন নিতে পারতেছেনা, আপনে নিশ্চিত থাকেন এই গুলা বিএনপি জামাত কিংবা চীনা বাদাম।

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৪

রুমি আলম বলেছেন: 'ল্যাঞ্জা ইস ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড' সেটাই প্রমানিত হলো আপনার কথায়।


:)

৮৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০১

তীর্থযাত্রী বলেছেন: আকাশের তারাগুলি বলেছেন: আর কারা এন্টি আওয়ামীলীগ, এইগুলা চিনতে এতো গবেষণা লাগেনা খালী কাঁডল পাতা সাধবেন, কেউ দেখবেন খাইতে আসেতেছে, কেউ দেখবেন ল্যাঞ্জা নারাইতেছে, কেউরে দেখবেন ল্যাঞ্জা জোর কইরা গুজে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। কেউ দেখবেন খাইব কিনা ডিসিশন নিতে পারতেছেনা, আপনে নিশ্চিত থাকেন এই গুলা বিএনপি জামাত কিংবা চীনা বাদাম।



কমেন্ট সেই রকম হইছে।
:) :) :) :) :) :) :)

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৫

রুমি আলম বলেছেন: উত্তরও একইরকম হবে, 'ল্যাঞ্জা ইস ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড' সেটাই প্রমানিত হলো আকাশের তারাগুলি'র কথায়।


:)

৮৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৪৭

আরজু পনি বলেছেন:

অনেক তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট। একজন শুভাকাঙ্খী হিসেবে জয়-এর জন্যে শুভেচ্ছা রইলো।
ধন্যবাদ আপনাকে।।

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৬

রুমি আলম বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

:)

৮৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৫০

রাহি বলেছেন: শুভ জন্মদিন! আশাকরি মায়ের মত মুখ না চালিয়ে কাজ করে মানুষকে দেখাবে।

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৭

রুমি আলম বলেছেন: সময় কথা বলবে


:)

৮৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৩৬

সুন্দর খাঁ বলেছেন: ইহুদী বিয়া কইরা এখন নাসারাদের মত হেপি বার্থ ডে বানাইতেছে, এটা কি আমাদের দেশের সাংস্কৃতির মইধ্যে পরে?

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪৫

রুমি আলম বলেছেন: আপনার জন্য একটা উত্তর আমি আগেই লিখে রেখেছিলাম। ৫০ নং কমেন্ট দেখুন দয়াকরে।

ইসলামী জাতীয়তাবাদ এবং কথিত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে কিনা জানিনা।

তবে আমাদের ভাষা ও সাংস্কৃতিক চেতনার মধ্য দিয়ে হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে সেটার মধ্যে অবশ্যই পড়ে।

আর হ্যা, পুরো পোষ্ট, বিভিন্ন জনের কমেন্ট ও আমার দেওয়া উত্তর না পড়ে কমেন্ট না করাই উত্তম। কেননা উত্তরগুলো বেশির ভাগই আগেই দেওয়া হয়েছে।

ধন্যবাদ।

৮৮| ২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫৭

সুন্দর খাঁ বলেছেন: হাহাহা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ বলে কিছু আছে না কি ভাইজান?
আপনি একটা ঘটিকে জিজ্ঞেস করবেন, সে বলবে সে ইন্ডিয়ান জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে, আমরা বাংলাদেশীরা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাথে চাকমা বা সাওতাল জাতীয়তাবাদের কোনই অমিল নাই, এসব জাতী ইনডিয়ার জন্য হুমকি তাই তাদেরকে গুলি করে মারা হয়

২৮ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৮

রুমি আলম বলেছেন: আপনাকে তো বলছি পোষ্ট ভালো করে পড়ুন। কমেন্ট এবং উত্তরগুলো দেখুন। তাহলেই আপনার কথা বলার সমাপ্তি ঘটবে আশাকরি।

আপনি বরং আপনাদের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের উত্থান ও বেড়ে উঠা ইত্যাদি নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলুন। সেখানেই এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে প্রত্যাশা করি।

অবশ্য চাইলে নিন্মের দুইটা লিঙ্কে গিয়ে দেখতে পারেন কিছু পাওয়া যায় কিনা।
Click This Link

Click This Link

এখানে পোষ্টের বাইরে অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়ে আর আলোচনা হবে না।

আমাদের জানা দরকার যে, ধান ক্ষেতে পাট আগাছা।

ধন্যবাদ।

৮৯| ৩০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৯:১৩

শিপু ভাই বলেছেন:
+++++++++++++++++

পোস্টের চেয়ে মন্তব্যগুলো বেশি ভাল লাগলো। বিশেষ করে আপনি যেভাবে ধৈর্য আর মেজাজ ধরে রেখেছেন সেজন্য সাধুবাদ। আমাদের এটা থেকে শিক্ষা নেয়ার আছে। আমরা বিরুদ্ধমত দেখলেই খুব বাজে ভাবে রিয়্যাক্ট করি। যার কারনে ব্লগ প্রায়ই অস্থিতিশিল হয়ে পড়ে।


যাই হোক, জয়কে শুধু একারনেই ভাল লাগে যে সে উচ্চ শিক্ষিত, মার্জিত ও ভদ্র। এখনো তাকে নোংরামীতে দেখি নাই। যেটা তারেক কোকোর বেলায় দেখেছি। অবশ্য কিছু কিছু অপ্রমানিত অভিযোগ জয় এর নামে শুনা যায়। যখন প্রমানিত হবে তখন আমার পছন্দ অপছন্দে পরিনত হবে।

পোস্ট বুকমার্ক করে রাখলাম।

ধন্যবাদ

৩১ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪৮

রুমি আলম বলেছেন: :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :)

আমি শুধুমাত্র একজন মানুষের আচরন করার চেষ্টাই করেছি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন।

৯০| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:২২

হাছন রাধা করিম বলেছেন: @রুমি আলম: আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে intellectual discourse করা এক জিনিস আর চামচামি করা আরেক জিনিস।

বাংলাদেশের সব মানুষকে যে আওয়ামী লীগ সমর্থন করতে হবে এমন কোনো ফরজে আইন পৃথিবীতে নাই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামাতের বাইরে ও অনেকের অনেক রাজনৈতিক বিশ্বাস আছে। এই বোধটা মাথায় রেখে নিজ মতের প্রচার এবং প্রসার করবেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়ে'র জন্মের সংগে বাংলাদেশের জন্মের সম্পর্কটা কি জনাব? শুধু বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র হওয়ার কারণে যদি এতো তেলাতেলি তাকে নিয়ে করা আবশ্যক হয় তাহলে শেখ রেহানার ছেলে-মেয়েরা কি দোষ করলো?


@তীর্থযাত্রী: ফিফা যে শংকার কথা বলেছেন সেটা কোনো ভাবেই হালকা করে দেখার অবকাশ নেই। জয়ে'র নেতা হওয়ার বিষয়টা শুধু আওয়ামি লীগ এর ব্যাপার নয়, বাংলাদেশের মানুষেরও এটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার, শংকিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আওয়ামী লীগ এর নেতৃত্বে আসা মানেই দেশের ভবিষ্যত প্রাইম মিনিষ্টার এর আসনে বসা।

এখন বলুন যে ব্যাক্তি তার নিজের মা রাস্ট্রের ক্ষমতায় থাকা অবস্হায় বিদেশে বসে নিজের দেশের বিরুদ্বে বদনাম করে সে কিভাবে আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হওয়ার যোগ্যতা রাখে?

আমি তো বলবো যে সাবের হোসেন চৌধুরী বা সোহেল তাজ ই হাসিনার পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার জন্য অধিকতর যোগ্য। আর আপনি যে রাজনৈতিক ভাবে কতোটা অপরিপক্ক তা খালেদা জিয়ার হলুদ শাড়ি পড়া বিষয়ক পোষ্টে আপনার কমেন্ট করা থেকেই বুঝা যায়।

@বেইমান আমি: ভাইজান ব্লগটা আপনার পাড়ার গলির মুখ নয় যে এর সামনে দাঁড়িয়ে ছিচকে গুন্ডামি করবেন। আপনার মতো আমি ইসমার্টনেস দেখানোর জন্য বাংলা ভাষার অপব্যবহার করে যেথায় সেথায় বাংলা শব্দে ইংলিশ লেখিনা এবং হিন্দি ভাষার মতো একটি জঘন্য ভাষায়ও বুলি আওড়াই না।

মগজে যদি ঘিলু থাকত তাহলে বুজতেন যে আমি মোবাইল থেকে কমেন্ট করছিলাম বলেই প্রথমে বাংলিশ এবং পরে ইংলিশে কমেন্ট করেছিলাম।

আপনি হার্ডকোর আওয়ামী লীগ সমর্থক সেটা ভালো কথা এবং জামাত-শিবিরের বিরোধিতা করেন সেটা আরো উত্তম কথা কিন্তু সবার সংগে ছিচকে মাস্তানি করবেন না ভাইজান। ভদ্র হন। ভদ্র হতে পয়সা লাগে না।

০১ লা আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৯

রুমি আলম বলেছেন: @রুমি আলম: আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে intellectual discourse করা এক জিনিস আর চামচামি করা আরেক জিনিস।

বাংলাদেশের সব মানুষকে যে আওয়ামী লীগ সমর্থন করতে হবে এমন কোনো ফরজে আইন পৃথিবীতে নাই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জামাতের বাইরে ও অনেকের অনেক রাজনৈতিক বিশ্বাস আছে। এই বোধটা মাথায় রেখে নিজ মতের প্রচার এবং প্রসার করবেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়ে'র জন্মের সংগে বাংলাদেশের জন্মের সম্পর্কটা কি জনাব? শুধু বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র হওয়ার কারণে যদি এতো তেলাতেলি তাকে নিয়ে করা আবশ্যক হয় তাহলে শেখ রেহানার ছেলে-মেয়েরা কি দোষ করলো?


আপনার যেমন বুদ্ধি আপনি নিশ্চয়ই তেমনভাবেই মুল্যায়ন করবেন। এতে আমার আপত্তির কী আছে?
বাংলাদেশ রাষ্ট্র জন্মের সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কী রিলেশন সেটা আপনি পোষ্ট না পড়লে বোঝার কথা নয়। অথবা বুঝেও না বুঝার ভান করলে আমার কী করার আছে? আমি নিশ্চয়ই আপনার বোধ-বুদ্ধি তথা মগজ দোলাইয়ের ঠিকাদারী নেইনি।

আমার পক্ষে আপনার মত প্রকাশকে বাধা দেওয়ার কোনোই কারন নাই। কে কী লিখে সেটা তো তার চিন্তা-চেতনার ফসলই। আমি আপনার মুল্যায়নকে গুরুত্ব দিলেও আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার মুল্যায়ন নিতান্তই গুরুত্বহীন বলেই মনে করি। কার ভিতরে কী আছে সেটা তো তার লেখা পড়লেই বেরিয়ে আসে।
আমি অবশ্যই কাউকে আওয়ামী লীগের পতাকাতলে আসার আহবান এখানে করিনি। শুধু তথ্যগুলো বিভিন্ন গ্রন্থ ও প্রবন্ধ থেকে একত্র করে সমন্বিতরুপে উপস্থাপন করেছি।

আপনাবুঝই সেরা বুঝ! আপনার কাজ আপনি করে যান।

৯১| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:৩৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লোকটাকে আমি ভালো চোখে দেখি না। চাকুরীসূত্রে আর বড় ভাই ওখানকার ডিরেক্টর থাকার সুবাদে যতটুকু জানি এই লোকটার জন্য বাংলাদেশের থ্রি জী লাইসেন্সের নিলাম বাদ দিয়ে ওয়াই ম্যাক্স এর লাইসেন্স দেয়া হয়েছে এবং আইএসপি আলাদের বাচাতে হবে সেই সুবাদে আটকে দেয়!

একে আমি সরাসরি ডেভিল বলি। কার ১৯৯২ সালে গোলাপী বেগমের টেকনোলজী ভয়ের কারনে আমরা অপটিক্যালের লাইন পেতে ১ যুগ অপেক্ষা করতে হয়। আর ২০০৯ এ এই ছাগলটার নিজস্ব লোককে লাইসেন্স দেবার খায়েষে খোট বিটিআরসি নীতিমালা করা সত্বেও থ্রিজী টা দিলো না এবং এখন এটা নানা ধানাই পানাই করে পেছানো হচ্ছে বিটিসিএলের ঘাড়ে বন্দুক রেখে। শমী কায়সারে হাসব্যান্ড কি যেনো নাম ছাগলটার (মাঝে মাঝে দেশে বসদের ফোন দিলে শুনি হারামীরা কিভাবে জন গনের বাশ দিয়ে নিজেদের পছন্দের লোকদের ব্যবসায় টাকা খাচ্ছে) শুধু জয় কে সামনে রেখে নানা প্ররোচনা দিয়ে পুরা এনটিটিআই না কি যেনো নাম তার যার এসটিএম ইনফ্রাস্ট্রাকচার করা হয়েছিলো (যদিও এটা ফকরু না মঈনুর ভাতিজার কোম্পানী) সেটাকে ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিথিরাম সর্দার বানিয়ে রেখেছে!

একটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার যখন করাই হইছে তখন বাকী কয় টা ব্যান্ড উইডথ রাখার কি দরকার, সেগুলো যুক্ত করলে কি সমস্যা? কিন্তু এসব ডেভিলরা বিদেশী টাকা খাবে বলে এখন ইন্ডিয়াতে ব্যান্ডউইডথ রপ্তানী করবে।

যদিও এই ডেভিলটা এখন আর এসবে মাথা ঘামায় না। ওর এখন আরও বড় প্রজেক্ট হাতে। সামনে নির্বাচন, যেখানে ঝুলে আছে অনেক বড় টাকার মূলা!

কিছু মনে করবেন না, জামাত যতটা না ঘৃনা করি এখন আ.লীগের এসব শুয়োরদেরও ততটা ঘৃনা করি!

জামাত যদি রাস্তার নেড়ী কুকুর হয়, লীগও এখন শুয়োরে পরিনত হয়েছে আর বিএনপি হয়ে গেছে পথের হিজড়া যাকে কুকুর শুয়োর দুজনেই ছিড়ে কুড়ে খায়!

০১ লা আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৬

রুমি আলম বলেছেন: মনে করার বিষয় এটাই যে, ধান ক্ষেতে পাট গজানোকে আগাছা হিসেবেই ধরা হয় এবং ছেঁটেও ফেলা হয় সেভাবেই। আর যদি কেউ ধান ক্ষেতে পাট চাষ করে তাহলে তাকে মানুষ অসুস্থ বলে।

আপনি বোধকরি পুরো পোষ্ট এবং অপরাপর মন্তব্য এবং আমার দেওয়া উত্তরসমুহ পড়েন নি। কারন সেখানেই আপনার উত্থাপিত বিষয়ের উত্তর দেওয়া আছে। বর্তমানে বাংলাদেশে এক শ্রেণীর মানুষ গজিয়েছে যারা আওয়ামী লীগ ও জামায়াতকে সমান বানায়। এরা বদরুদ্দিন উমর ও ফরহাদ মাজহার প্রমুখে অনুসারী বললেও ভুল হবে, এদের উদ্দেশ্য মুলত বিএনপি'কে জাতে তোলা এবং মুক্তিযুদ্ধকে ভুল প্রমানিত করা। যদিও মাঠ পর্যায়ে যারা এই প্রচারনা চালায় তারা নিজেরাও জানেনা এই প্রচারনার উদ্দেশ্য কী।
সত্য সব সময়েই সত্য। সেটা আমি বা আপনি স্বীকার করি বা না করি তারপরেও সত্য।

৯২| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:৩৩

হাছন রাধা করিম বলেছেন: উদাসী ভাই আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

০১ লা আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৮

রুমি আলম বলেছেন: জনাব, আমি কাউকে খারাপ ভাষায় কিছু বলিনা। আমার কী বলা উচিত সেটা বাদ দিয়েও বলা যায়, চোখের দৃষ্টি না হারিয়ে থাকলে আগে পোষ্ট পড়ুন, মন্তব্যগুলো দেখুন এবং আমার দেওয়া উত্তরগুলোও।

৯৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সব পোস্ট পড়ার ইচ্ছে করে না। তবুও পড়লাম। আপনি আমাকে বললেন আমি অসুস্হ!

হ্যা ভাই আমি চরম ভাবে অসুস্হ!

অসুস্হ বার কারন আমি এমন কিছু দেখছি যেটা আমার ভালো লাগে নাই। আল্লাহ জ্ঞান বুদ্ধি দিয়েছেন সেটা কাজে লাগানোর জন্য, কারো পদলেহন করার জন্য না!

আসেন কারন গুলো জানি!

১) এই পোস্টে আমি একটা লাইন পেলাম যে লাইনটাতে আমার আপত্তী:

আর যাকে কাফের বলে তিরষ্কার করেছে সে হবে আধুনিক বাংলাদেশের অতি আপন মানুষ সজিব ওয়াজেদ জয়।

আমি তাকে কাফের বলে ডাকতে পারি না। কারন কোরান শরীফে সুস্পষ্ট বলা আছে কোনো মুসলমান অন্য কোনো মুসলমানকে কাফের বলে ডাকতে পারে না। জয় সাহেব নিজেকে অমুসলিম ঘোষনা করেননি। আর আমিও পাকীদের চরম ঘৃনা করি বলে তাদের পদাংকও অনুসরন করবো না!

২) বিটিআরসি হলো বাংলাদেশের টেলিকমিউনিকেশন খাতকে কিভাবে প্রবাহিত এবং বিকশিত এবং সংরক্ষন করবে সেটার কাজ করবে!

"দেশের টাকা দেশে রাখা" এই কনসেপ্ট টাকে ঢাল হিসেবে ব্যাব হার করে এই জয় যতবড় দুর্নীতি করে তাকে কিসের সাথে তুলনা করা যেতে পারে?
ক) এরশাদ এবং খালেদা এই দুইজনের জন্য আমাদের দেশকে অপটিক্যাল ফাইবারে কানেক্ট হতে সময় নিয়েছে এক যুগ আর জাতী হিসেবে বিশ্ব থেকে সবক্ষেত্রে পিছিয়ে গেছি ১০০ বছর!
খ) আবুলের পদ্মা সেতুর চুরীর জন্য পুরো জাতীকে চোর হিসেবে আখ্যা পাওয়া আর আবুল হলো দেশ প্রেমিক!
গ) নিজামী চাচা সাইফুরের ঘাড়ে বন্দুক রেখে যমুনার কাছ থেকে বীয়ার বাজারজাত করনের লাইসেন্স আর সাইফুরের জীবনের বড় বড় ভুলের একটি বাংলাদেশে মদের উপর শুল্ক হ্রাস তদুপরী দেশে বীয়ারের ব্যাবসা জিরো এলকোহলের এনার্জী ড্রিংক নামে হালাল করা!

৩) এই জয় নামের বদমাইশ শুধু নিজের স্বার্থের কারনে থ্রিজী র লাইসেন্সকে ৩ টা বছর পিছিয়ে পুরো বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে কারন তার একটাই ইচ্ছে ছিলো সেটা হলো তার পছন্দের লোককে এটার অংশীদারী করা আর নিজেরও অংশীদ্বারীত্ব নেয়া অনেকটা তারেক জিয়া-মাহমুদুর রহমানের টাটা কেলেংকারী (টেলিকম গুলোকে ঐ লোকের আইজিএক্স আর গেট ওয়ে ব্যাব হার করতে টেলিকম কলের ক্ষেত্রে)।

এদিকে নেপালে পর্যন্ত থ্রি জী চলছে আজ দু বছর।

৪) শমী কায়সারের স্বামীর মাথায় যে ব্যান্ড উইডথ রপ্তানীর বুদ্ধি তার পিছনে যেটা কাজ করেছে যেহেতু থ্রী জির নিলাম ঐ লোক পাবে না কারন তখন নাকি ব্যান্ডউইডথ পুনরুদ্ধার করা যায় নি (আসল কথা হলো টেলিকম কোম্পানী গুলো রাজী হয় নি এরকম হঠকারি অফারে), তখন তারা ব্যান্ড উইডথ রপ্তানীর ডাক দিলো আর জয় আনলেন এয়ারটেলকে। সব কথা হলো আমেরিকাতেই। আর যেহেতু জয় ভাইয়া এই কাজটা করালেন সেহেতু এয়ারটেল কোনো এক যাদুর কাঠির বলে তাদের বিটিএসে পাওয়ার কানেকশনও সবচেয়ে ভালো পাওয়া শুরু করলে যেখানে পুরো দেশে বিদ্যুতের হাহাকার।

৫) পুরো টেলিকম শিল্প আর ইন্টারনেট কানেক্টিভিটিকে তত্বাবধায়ক সরকার পর্যন্ত বিটিআরসি যতটা না শেপ এবং ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় এনেছিলো এখনকার সেরা চামচা জিয়াকে দিয়ে সবকিছু নষ্ট করে ফেলেছে! অবশ্য ২০১০ এর দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছে এই টেলিকম শিল্প আর বিদেশী রেমিট্যান্স। যদিও এটা করতে গিয়ে ২০১১ থেকে টেলিকম কোম্পানীর বেশীরভাগের কোমড় ভেঙ্গে গেছে যার প্রভাব এখন পড়ছে উচ্চ শিক্ষিত বেকার দের উপর!

আর কত মানুষের অভিশাপ পেলে এই লোকটার মুখের হাসি বিলীন হবে সেটা জানতে খুব ইচ্ছে হয়!

আমি এই লোকের ধ্বংস চাই- এটা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে ভাই আমি অসুস্হই হতে চাই, আপনাদের মতো সুস্হ হতে চাই না!

আর ভাই,

এরা বদরুদ্দিন উমর ও ফরহাদ মাজহার প্রমুখে অনুসারী বললেও ভুল হবে, এদের উদ্দেশ্য মুলত বিএনপি'কে জাতে তোলা এবং মুক্তিযুদ্ধকে ভুল প্রমানিত করা। যদিও মাঠ পর্যায়ে যারা এই প্রচারনা চালায় তারা নিজেরাও জানেনা এই প্রচারনার উদ্দেশ্য কী।

আর আমি আমার দুটো কমেন্টে কোথায় জামাত আর খালেদার গুন গান গাইলাম একটু বলবেন? বদরুদ্দিনের অনেক পোস্টের রেফারেন্স আপনাদের পিয়াল ভাইজানের অনেক পোস্টে আছে। ফরহাদ মাজ হার যেই লোকের লেখা পর্যন্ত কোনো দিন পড়ি নাই, পড়নের টাইমও নাই তার অনুসারী হলাম কিভাবে? আমার পোস্টগুলো দেখে আপনার কি কোনো ধারনা হয় না আমি কি বিষয়ে পড়ালেখা করি? গ্রো আপ! নতুন ব্লগার পুচকে পোলাপান, কারো উপর কোনো অভিযোগ আনবার তার আগে দশবার পড়ালেখা করবেন, নাহলে নিজের গ্রহনযোগ্যতা এক সময় পিয়াল সুশান্ত, এস এম রায়হান, মাহফুজ শান্তদের মতো হয়ে যাবে!

আর আমার কোনো লেখা বা কোনো কমেন্টে মুক্তিযুদ্ধকে ভুল প্রমানিত করছে সেটা কি বলবেন?

আর আমি যে এসব বলছি কারন এগুলো নিয়ে আমি কাজ করেছি। ফিক্সড ইন্টারনেট ব্রড ব্যান্ড, এজের সাথে অন্যান্য টেকনোলজীর ইন্টারফেস এবং সেগুলো বিটিআরসির নীতিমালায় খাপ খাওয়ানো পর্যন্ত আমাকে কাজ করতে হয়েছে। সেখানে আমি আপনার কথাই বা বিশ্বাস করবো কেন? আপনি সত্যর কতটুকু জানেন যেখানে আমি নিজে এসব দুর্নীতির সম্মুখীন হয়েছি?

দলের কাছে মাথা বিক্রি কইরেন না!

০১ লা আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৫০

রুমি আলম বলেছেন: আপনাকে অসুস্থ বলার কোনো ইচ্ছাই আমার নাই, তাই বলিও নি। আমি কোন প্রেক্ষিতে 'অসুস্থতা'র কথা উল্লেখ করেছি সেটা উপরে আমার লেখাতেই আছে। উপরন্তু, আপনি আসলেই পোষ্টটি আগে না পড়েই মন্তব্য করেছিলেন সেটাও এখন স্বীকার করলেন এবং এবার পড়েছেন সেজন্য ধন্যবাদ।
তবে অন্যের অনেক মন্তব্য ও আমার দেওয়া উত্তর পড়েছেন বলে মনে হচ্ছেনা। কারন আপনার এবারেও উত্থাপিত বিষয়গুলোর উত্তর আগেই দেওয়া আছে। এমনকি এগুলো আপনার লেখারই কথা নয়।

হয়ত এইসব বিষয়ে আপনি নিজেই একটা পোষ্ট দিতে পারেন অথবা দিয়েছেন কিনা জানিনা। না দিয়ে থাকলে দেওয়াটাই বোধকরি উচিত। কেননা, আপনার আলোচ্য বিষয়ে আলোচনা করার পোষ্ট যে এইটা নয়, এটা বুঝানো আমার পক্ষে অসম্ভব হলেও আপনি নিশ্চয়ই বুঝেছেন।

সত্য, মিথ্যা এবং জনপ্রিয়তা একেবারেই আপেক্ষিক একটি বিষয়। ঘটনার প্রেক্ষিতেই এসব নিরুপিত হয়। আর যে কোন ঘটনারই পিছনে ঘটনা থাকে, যেমন থাকে ইতিহাসেরও ইতিহাস। সমাজের সংকট নিয়ে কথা বলতে হলে স্বাধীন বাংলাদেশ বিষয়ে, তাহলে '৭১ থেকে শুরু করতে হবে। তার আগে যেতে চাইলে অবশ্যই '৪৭ থেকে শুরু করতে হবে। উপরন্তু সংখ্যাগরিষ্টতার ভিত্তিতে শুরু হওয়া গনতন্ত্রের সময়কাল '৯১ থেকেও অনেক কিছু নতুনভাবে শুরু হয়েছিল। সেখানেও প্রাসঙ্গিকভাবেই যেতে হবে। সামরিক শাসনও আমাদের অনেক কিছুর ধারক।
তারও আগের বিষয়ে কথা বলতে হলে ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ থেকে শুরু করতে হবে। তারও আগে যেতে চাইলে ১৮৮৫তে যেতে হবে যখন থেকে এই উপমহাদেশে রাজনৈতিক দলের সুচনা ঘটে। তারপরেও পিছনের দিকে যেতেই থাকতে হবে সংকটের মূলে পৌছতে চাইলে।
এভাবে অনেক পিছনের বিষয়কে আলোচনার বাইরে রেখে এখনকার চলমান সংকট নিয়ে কথা বলার বিপক্ষে আমি।

আর হ্যা, কে কোন দলের কাছে মাথা বিক্রি করবে সেটা ব্যক্তির একান্তই ব্যক্তিগত। কেননা, মানুষ জন্মগতভাবেই রাজনৈতিক। তবে জানা দরকার যে, বাংলাদেশে যারা কায়ুর(কাকের ময়ুর হওয়ার কুচেষ্টা) হতে চেয়েছে তারাও কিন্তু মুলত পিছনেই গেছে।
তাই আমাদের দেশে চলমান রাজনীতিকে যেমন অস্বীকার করা যাবেনা ঠিক তেমনি কেউ করতে চাইলে জনস্রোতকেও অস্বীকার করা যায়না।

এই পোষ্টে আপনার আগেও কয়েকজন পোষ্টের গতি অন্যদিকে ঘুরানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু পারেনি। অবশ্য আপনার পক্ষে যদি অন্যদের কমেন্ট ও আমার উত্তরগুলো পড়া থাকতো তাহলে সহজেই বুঝতেন। আশাকরি, পোষ্টের বাইরের কোনো বিষয়ে আর আলোচনা করা হবেনা।
ধন্যবাদ।

৯৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০০

টিকেটার বলেছেন: ব্লগ মনে হয় কদর্য রাজনীতির প্রদর্শনীর মোক্ষম জায়গা । জয় কেমন লোক তাতে আপনার কিছু আসে যায় না , যেহেতু সে আপনের নেত্রীর পোলা তাই দালালী করতে আইছেন সেইম কারণে অনেকে আবার জয়রে ধুইয়া গাইল্লাইয়া দিতেছে । এইসব দালালী দেখলে রাগও লাগে আবার হাসিও আহে :D

০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:৩১

রুমি আলম বলেছেন: ব্যক্তির মতের প্রতি অশ্রদ্ধার কিছু নেই। আপনার ক্ষেত্রেও সেটাই প্রযোজ্য।

যার যার নিজস্ব কথা ও কাজেই প্রমানিত হয় ব্যক্তির নিজস্বতা এবং ব্যক্তিত্ব। নিজেকে প্রকাশ করতে বা উপস্থাপিত করতে অন্যের প্রয়োজন পড়েনা।

৯৫| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৩০

তীর্থযাত্রী বলেছেন: @রুমি আলম,
ব্লগার উদাসি স্বপ্নের কমেন্টে কিছু মনে করার দরকার নাই। যে ব্লগার বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবল্টু বলতে পারে তার কাছে আর যাই হোক যুক্তি তর্ক দেয়া ঠিক নয়। তাকে আসলে বোঝানোর কিছু নাই।




অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। সবার উত্তর সময়ের অভাবে দিতে পারছি না। পরে এক সময় দেবো।

০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:৩৪

রুমি আলম বলেছেন: যার যা কাজ সে সেটাই করবে। এতে অবাক হওয়ার যেমন কিছু নেই, রাগেরও কিছু নেই। তবে কষ্ট লাগে একটু এই আর কী! তাদের জন্য করুনা ছাড়া দেওয়ার কিছু নাই।

৯৬| ০১ লা আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪৮

মাথা খারপ মানুষ বলেছেন: তীর্থযাত্রী বলেছেন: যে ব্লগার বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবল্টু বলতে পারে তার কাছে আর যাই হোক যুক্তি তর্ক দেয়া ঠিক নয়। =p~ =p~ |-)

ভাদাযাত্রী'র সাথে সম্পূর্ণ একমত। আর উদাসী স্বপ্নের কোন মগবাজারি কানেকশন পাইলেও আপডেট দিও B-)

৯৭| ০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:১০

হাছন রাধা করিম বলেছেন: @রুমি আলম: ভাই আমি কাউকে কটাক্ষ করা পছন্দ করিনা কিন্ত উদাসী ভাই এর মতো একজন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং জ্ঞ্যানী ব্লগারকে অসুস্হ আখ্যা দেয়ায় এবং তাঁকে নিজামির রাজনীতির ভক্ত বলায় আমি আঁপনাকে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর চেয়েও নিকৃষ্ট মানের একজন রাজনৈতিক আবাল বলে আখ্যা দিলাম।

বয়স কম আপনার তাই আবেগ বেশী। ফালতু আবেগ দিয়ে রাজনীতি হয়নারে ভাই। আপনার মতো সবাই চামচা রাজনৈতিক ব্লগার নয়। উদাসী ভাই'র ব্লগ পড়ে আসুন এবং নিজের জ্ঞ্যানকে আরো প্রসারিত করুন।

০২ রা আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:৫৬

রুমি আলম বলেছেন: উদাসী স্বপ্নকে দেওয়া উত্তর না পড়ে আপনার মন্তব্য করা অনুচিত এবং সভ্য সমাজে এমন ঘটনা বিরল!
আর যদি পড়েও এমন কমেন্ট করে থাকেন, তাহলে আপনার জ্ঞান ও বুঝ ভান্ডারের বিষয়ে আমার করুনা ছাড়া দেওয়ার কিছুই নাই।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্টাতা বঙ্গবন্ধু মুজিব ডিগ্রী(বিএ) পাশ ছিল। প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ বিএ(স্নাতক) এবং আইন ডিগ্রী জেলে বসে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছিলেন। তাতে কী বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি? বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক(প্রয়াত) স্যার ঢাবি'তে সারাজীবন সহকারী অধ্যাপক হিসেবেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন। তার পিএইচডি'র গাইড অধ্যাপক লাস্কি মারা যাওয়ায় পিএইচডি থিসিস পেপার বগলদাবা করে চলে এসেছিলেন। আর কোনো ডিগ্রী নেন নি। আহমদ ছফা পিএইচডি'র জন্য স্কলারশিপ নিয়েও অসমাপ্ত রেখেই পরপারে যাত্রা করেছেন। সাম্প্রতিককালে রেহমান সোবহান কোনো পিএইচডি ই করেন নি।
লালনের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলনা, কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি কাজী নজরুল ইসলাম এদের কোনো সনদ ছিলনা। কবি শামসুর রাহমান ঢাবিতে ইংরেজিতে স্নাতক শ্রেনীতে এডমিশন নিয়েও শেষ করেন নি, কবি আল মাহমুদ এইচ এস সি পাশ, আরজ আলী মাতুব্বরের কোনো অক্ষর জ্ঞান ছিলনা
তাতে উনাদের কারো যেমন কোন ব্যক্তিগত সমস্যা হয়নি, অপরদিকে তাদের দায়িত্ব পালনেও কেউ পিছপা হন নি।

আমি কোন তুলনা দিচ্ছিনা, শুধু দেখালাম যে ডিগ্রী ছাড়াও মানুষ হয়েছেন অনেকেই। আর ডিগ্রী ওয়ালাদের অবস্থাতো হাটে ঘাটে, মাঠে ময়দানে সবখানেই দেখা যায়। বাংলাদেশের সাধারন মানুষ বড় বড় ডিগ্রীওয়ালাদের নাম শুনলেই নাক চেপে ধরে।

তবে, আপনার যেমন ভাবনা আপনি নিশ্চয়ই তেমন করেই ভাববেন এবং অপরের নিকট নিজেকে সেভাবেই উপস্থাপন করবেন। এতে দোষের কিছু নাই।

পুনশ্চঃ উদাসী স্বপ্নকে দেওয়া আমার উত্তরখানায় একবার চোখ বুলাবেন। এটুকু না বললে আমার দোষ হয়ে যেতে পারে।

৯৮| ০২ রা আগস্ট, ২০১২ সকাল ৭:১৩

ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন: [img|http://ciu.somewherein.net/ciu/image/12694/small/?token_id=5a53f9fd97d3f0b073748d5228bac491

শুভ হউক জন্মদিন...

০৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:১৯

রুমি আলম বলেছেন: আপনার দেওয়া লিঙ্কটা ঠিকমতো পেষ্ট হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.