| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রূপক বিধৌত সাধু
মন রে, কৃষিকাজ জানো না; এমন মানবজমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা! রামপ্রসাদ সেন ([email protected])
অং সান সু চি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, না শান্তির জন্য; সেটা এখন গবেষকদের গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দেশে রোহিঙ্গারা এত এত সমস্যায় জর্জরিত, নিরাপত্তা না পেয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে, সমুদ্রে না খেয়ে মরছে; সেদিকে তাঁর কোনো মনোযোগ নেই। তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদও করেন না। উপরন্তু ভারতে গিয়ে তাঁদের বিষোদগার করে আসেন।
মিয়ানমারে কোনো বিবাহিত কিংবা অবিবাহিত যুবতীই নাকি নিরাপদ নয়। দিনে-দুপুরে ধর্ষিত হতে পারে। দেশের চেয়ে বিপদসংকুল সমুদ্রই তাদের কাছে বেশি নিরাপদ।
গত কয়েক দশকে উগ্র বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে মিয়ানমারে। যাকে বিশেষজ্ঞরা বলেন বৌদ্ধ মতবাদ, বর্তমানে যা ফ্যাসিবাদে রূপ নিয়েছে। প্রধান শিকার আরাকানি রোহিঙ্গারা। তাদের অপরাধ তারা বাংলায় কথা বলেন, তারা মুসলমান। অথচ মহামতি বৌদ্ধ ছিলেন শান্তি ও করুণার অবতার।
বাংলাদেশের মানুষের সাথে মিয়ানমারের মানুষের সম্পর্ক হাজার হাজার বছরের। সে সম্পর্ক অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক। মিয়ানমারের মানুষ বাংলায় এসেছেন, বাংলার মানুষও সেখানে গিয়েছেন। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। শরৎচন্দ্র অ্যাকাউন্টেন্ট জেনারেলের অফিসে কেরানি ছিলেন। সুভাষ বসুকে সেখানকার এক জেলে বন্দী রাখা হয়েছিল। গান্ধীজী বাঙালিদের সাথে কথা বলতে সেখানে গেছেন। ’৪৭-এ যখন পাকিস্থান স্বাধীন হয়, আরাকান পূর্ব পাকিস্তানে আসবে কি না, তা নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল। জিন্নাহর সাথে অং সানের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টার ফয়সালা হয়।
মধ্যযুগের কবি সৈয়দ আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। তাঁর অমর কীর্তি পদ্মাবতী, সয়ফুলমূলক বদিউজ্জামাল, সিকান্দারনামা, প্রভৃতি আরাকান রাজদরবারেই রচিত। আরাকান রাজার পৃষ্ঠপোষকতায় দৌলত কাজী রচনা করেন সতী ময়না ও লোর চন্দ্রাণী।
২|
৩১ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২২
ফেরদৌসুর রহমান বলেছেন: ভালোরা নোবেল কমই পায়।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৯
চাঁদগাজী বলেছেন:
নোবেল পেলে যে, উনি মগ থেকে নেলসন ম্যানডেলা হয়ে যাবেন, এ রকম কোন নিয়ম নেই।