নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একটু আমায় সাথে নেবেন, প্লিজ!

আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

আমি নীলকণ্ঠ

Every one wants to be a super star; the star of sky so that man can see him from the earth.I also like to be a super star; the star of mankind so that sun can salute me from the far.. far.. way!Everyone wants more respect from the world; the respect from the fear of the mind.I also like to be respected; but respect from love and respect from heart.Everyone like to be an advisor; an advisor of little knowledge...who is actually the fun of the world.But I don\'t like to be that, yet man calls me scientist, scholar, poet etc.. etc...I only lough, just like a fool and I am actually a fool.Everyone thinks, his thought is appropriate, I also think like that... but I am the different, a really.. really... different from the all of world which is truth for all ...even it is truth also for you, the genius!

আমি নীলকণ্ঠ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রবি ঠাকুরের আদি অন্ত !

০৮ ই মে, ২০১৪ রাত ১০:৪০

ভুলেই গিয়েছিলাম আজ ২৫ বৈশাখ । abc radio-র লিঙ্কে ক্লিক করতেই শুনলাম "আজ ২৫ বৈশাখ, বিশ্বকবির জন্মদিন" । মনে হিল্লোল উঠলো ।

আমি আপনাদের বলে বোঝাতে পারবনা আমি রবি ঠাকুরকে কতটা ভালোবাসি । তাকে মনে পড়লেই মনে পরে লাবণ্য, অমিত আর শোভনকে, মনে পরে বিভা, গোরা, কাদম্বিনী আর তার কালজয়ী ছোট গল্প গুলিকে (যে গুলি বাংলা সাহিত্তের যৌবন) ।

আমার সমস্ত কিশোর বয়স ছিল রবিন্দ্রময় । শুরুতে পড়েছিলাম গোরা, তারপরে শেষের কবিতা। একদিন আমার স্কুলের এক সভায় আমাদের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মহোদয় কালচার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রবিন্দ্রনাথের কাছে ঝুলি ভিক্ষা করেছিলেন , বলেছিলেন " কমল হীরের পাথরটাকেই বলে বিদ্যা আর ওর থেকে যে আলো ঠিকরে পড়ে তাকেই বলে কালচার। পাথরের ভার আছে আর আলোর আছে দীপ্তি।"

বলুনতো এতো গভীর কথা কে এতো সহজ করে বলতে পারে । পরদিনেই রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা বইখানি সংগ্রহ করে পড়ি। অন্তর ভরে গিয়েছিলো। তারপরে পড়লাম ছোটগল্প গুলি । বলা যায় পুরো গল্পগুচ্ছ কিশোরেই শেষ করেছি । আমার SSC পরীক্ষার পর তিন মাসের অপেক্ষা কিভাবে কেটেছিল বুঝতেই পারিনি ।

তারপর যখন ঘরে বাইরে পড়লাম তারপর থেকে আমি রবি ঠাকুরের বড় ভক্ত হয়ে গেলাম । মনে হয়েছিলো স্বদেশী আন্দোলনের সত্য সুন্দর নীতিকে আমি নিকট হতে দেখেছিলাম ।

তার চোখের বালি, নৌকা ডুবিও পড়েছি । রোমাঞ্চ গুলি আমার মধ্যে যেন একটা স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে ।



রবীন্দ্রনাথ শুধু আমাদের সাহিত্তের সুধাই পান করাননি , তিনি আমাদের ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্যও বুঝিয়েছেন । কালান্তর তার নিদর্শন ।



সবদিক দিয়ে ভরপুর রবিন্দ্রনাথ যখন বলেছিলেন-

"আমার কবিতা, জানি আমি

গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সর্বত্রগামী"

তখন মনে হয় এ কি এক অপূর্ব সরল স্বীকারোক্তি। এটা তার মতো বড় মাপের মনিষীরাই করতে পারেন ।



সর্বোপরি তিনি আমাদের নিকট অনেক বড় একটা আশা রেখে গিয়েছেন ।

কি সেই আশা -

তিনি আমাদের এভাবে ডেকেছেন-

" এসো কবি অখ্যাত জনের

নির্বাক মনের;

মর্মের বেদনা যত করিও উদ্ধার ;

প্রাণ হীন এ দেশেতে গান হীন যেথা চারিধার

অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভুমি

রসে পূর্ণ করি দাও তুমি ।

............

............

ওগো গুণী ,

কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি।

........

আমি বারংবার

তোমারে করিব নমস্কার। (জন্মদিনে)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.