| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি নীলকণ্ঠ
Every one wants to be a super star; the star of sky so that man can see him from the earth.I also like to be a super star; the star of mankind so that sun can salute me from the far.. far.. way!Everyone wants more respect from the world; the respect from the fear of the mind.I also like to be respected; but respect from love and respect from heart.Everyone like to be an advisor; an advisor of little knowledge...who is actually the fun of the world.But I don\'t like to be that, yet man calls me scientist, scholar, poet etc.. etc...I only lough, just like a fool and I am actually a fool.Everyone thinks, his thought is appropriate, I also think like that... but I am the different, a really.. really... different from the all of world which is truth for all ...even it is truth also for you, the genius!
আমরা যখন ইউনিভার্সিটি কথাটা বলি তখন আমাদের মাথায় আসে বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা, যেখানে নিয়ত নতুন নতুন জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা হয়, যেখানে রাষ্ট্রের অথবা রাষ্ট্রের বাইরের সর্বচ্চ শিক্ষিত, বিজ্ঞান-মনস্ক, জ্ঞানী-পণ্ডিত ও সমঝদার ব্যাক্তিরা শিক্ষা প্রদান করেন, যেখানে মার্জিত ও মেধাবী তারুণ্য শিক্ষা প্রাপ্ত হয়, যেখানে জ্ঞানবিজ্ঞানের সব আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত বিজ্ঞানাগার, পর্যাপ্ত থাকা খাওয়ার বন্দোবস্ত আর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সেবার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ মানুষ থাকে। এককথায় শিক্ষা লাভে সিমাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এমন কোন ধরণের সমস্যা যতদূর সম্ভব কম পরিমাণে থাকে এখানে। কিন্তু বাস্তবতা বড়ই হাস্যজনক।
অজস্র অনিয়মের আখড়া এখন বাংলাদেশের কতিপয় নবীন বিশ্ববিদ্যালয়। লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে এসকল প্রতিষ্ঠানে অদক্ষ কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শিক্ষক নিয়োগ পাচ্ছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা আরও খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বিশ্বাস না হলে সমাজের সচেতন মানুষেরা এখানে এসে সঠিক পন্থায় তদন্ত করে যান, পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখে উপলব্ধি করতে পারবেন। রাষ্ট্র বছরে বছরে সুন্দর গাধা সৃষ্টির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে না।
আপনিই বলুন একটা বিশ্ববিদ্যালয়-বিজ্ঞানাগারের Lab-assistant-কে কার্যক্ষেত্রে কতটুকু দক্ষ হওয়া উচিত। হ্যাঁ, অবশ্যই তাঁকে বিজ্ঞানাগারের প্রতিটি দ্রব্য সম্পর্কে অন্তত প্রাথমিক জ্ঞান টুকু তো রাখা উচিত। আপনি শুনে অবাক হবেন যে এদের তাও নেই। সর্বশ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের অবস্থা যেখানে বেগতিক সেখানে এরা কারা। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের প্রতি লক্ষ্য করে একথা বলছি না। যারা মেধাগুনে নয় বরং রাজনৈতিক ভাবে বল প্রাপ্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকের আসনের অপব্যবহার করছেন আমি তাদের কথা বলছি। আপনি শুনে অবাক হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে এমন কিছু নবীন শিক্ষক আছেন যারা অন্তত মাইক্রোসফট অফিসের কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারেন না। তাঁরা কি শিখাবেন তাঁদের ছাত্রদের?
দেশকে যারা সুন্দর করে গড়ে তোলার ব্রত নিয়েছেন তাঁদেরকে বলছি, আপনারা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর দিকে তাকান, এগুলোকে আপনার নিজের বাড়ির আঙ্গিনার মতো ভাবুন, এগুলোকে সুন্দর সুস্থ শিক্ষা ব্যবস্থার আখড়া করে তুলুন আপনার পুণ্যব্রতে পূর্ণতা প্রাপ্ত হবে।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:১১
আমি নীলকণ্ঠ বলেছেন: অদৃষ্টের জন্য প্রস্তুত থাকাই সাবধানতা।
আর, হতাশ হবেন না। পুণ্য আশাকে হত্যা করার নাম যদি হতাশা হয়, তবে সেও এক প্রকার পাপ হয়তোবা।
মন্তব্যর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকবেন সবসময়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৪
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: এসব শুনলে হতাশা লাগে ।
ভালো থাকবেন , সাবধানে থাকবেন ।