| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যখন কোন মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়, তখন এদেশের সুলতানা কামাল, খুশি কবির মার্কা কিছু তথাকথিত প্রগতিশীল নারীবাদীরা রাস্তায় নেমে তীব্রভাবে প্রতিবাদ করা শুরু করে। কিন্তু তারা একটিবারও চিন্তা করে না ধর্ষণ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়। আলহামদুলিল্লাহ, ইসলাম এমন একটি জীবন ব্যবস্থা যেখানে ১৪০০ বছর আগেই ধর্ষণ প্রতিরোধে পুরুষ ও নারীর ভুমিকা কেমন হওয়া উচিৎ তা নিয়ে আলোচনা করা আছে।
আমরা যে ভারত ও পাকিস্তানকে কথায় কথায় গালি দেই, সেই ভারত ও পাকিস্তান থেকেও আমাদের অনেক কিছুই শেখার আছে। যেমন, একটা কথা জানলে আশ্চর্য হবেন, যে দেশে ধর্ষণের হার সবচেয়ে কম তার নাম পাকিস্তান। এরপরের অবস্থান সৌদি আরবের। ইসলামিক দেশগুলো এই তালিকার প্রথম দিকেই অবস্থান করছে।
ধর্ষণের পিছনে একমাত্র কারন হচ্ছে নারীর পোশাক, তবে পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিরও একটা বেপার আছে তবে তাঁর ভুমিকা খুবি কম। ডা. জাকির নায়েকের বলা একটা নৈতিক গল্প বলছি, “দুজন খুবই সুন্দরি জমজ বোন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। একজনের পরনে ইসলামিক পোশাক। পুরো শরীর ঢাকা, মুখমণ্ডল বাদে অথবা মুখমণ্ডলও ঢাকা। আর অন্যজনের তথাকথিত আধুনিক পশ্চিমাদের পোশাক। মনে করুন টি শার্ট আর মিনি স্কারট। রাস্তায় কয়েকজন গুন্ডা দাঁড়িয়ে আছে যাদের টার্গেট হল সুন্দরি মহিলাদের টিজ করা বা সুযোগ পেলে ধর্ষণ করা। তাহলে এখন প্রস্ন হল, গুণ্ডারা কাকে টিজ করবে??? ইসলামিক পোশাক পরা মেয়েটাকে??? নাকি পশ্চিমা পোশাক পরা মেয়েটাকে???” উত্তর আপনারাই দিন......
নিচের ভিডিও দুইটা দেখুন। নেটে এই ধরনের আরও অসংখ্য ভিডিও পাওয়া যায়।
ধর্ষণ নিয়ে লিখা ফাত্তাহ ভাইয়ের এই নোটটি পরুন। বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাকি দায়ি
©somewhere in net ltd.