| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রধান কারন- যারা কবিতা লিখছে এবং যারা পড়ে তারা দুই মেরুর লোক।
মানে হচ্ছে, আমার যে সব বন্ধু কবিতা পড়ে তারা বুড়ো কবিদের বই পড়ে। আর যেই বুড়ো কবিরা কবিতা লেখে তাদের বই গুলো অন্য বুড়ো কবিরা পড়ে। যোয়ান কবিরা যা লেখে তা আপ টু দা মার্ক না, বুড়োরা তা পছন্দ করেনা। কারন যোয়ান কবিরা তাদের কবিতায় ২০-২৫ টি কমন শব্দ ছাড়া অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করেনা। শব্দ গুলো হলো- আমি, তুমি, ভালোবাসি, ভালোবাসা, মরে যাবো, কই গেলা, কই তুমি, আকাশ, বাতাস, মনে পরে, ভুলে গেলে, কেন , আর পারিনা, পারব না, বুকের মধ্য খানে, হৃদয়, মন, ব্যাথা, কষ্ট, চোখের পানি, নোনা জল, সমুদ্র, পাহাড়, চেহারা, শরীর, বিছানা, সাদা, রাস্তা ইত্যাদি।
তো- কেমনে চলবে, এই শব্দ ছাড়া যোয়ান কবিরা কবিতা লিথতে পারে না। আর এগুলো কেউ পড়েনা। কেন- একটা ঘটনা বলি-
আমার এক বন্ধু একদিন এসে আমার হতে একটা ছোট্ট বই দিয়ে বলল, এই নে আমার লেখা কবিতার বই, রাখ, সময় পেলে পড়িস। আমি নেয়েঠছলাম। বাসায় এনে রেখে দিলাম। অনেকদিন আগের কথা। কিছুদিন আগে বাসা পরিবর্তনের সময় বই টা হাতে পরল। খুলেও দেখলাম না। কবিতা ভালো লাগেনা তা কিন্তু না, তবে বই খুলে সময় করে --- হয়ে উঠেনা। তখনই এই লেখাটার কথা চিন্তা করলাম। কেন আমি পড়লাম না।
কেন?-১: আমার বিশ্বাস ই হয়না ও কবিতা লিখতে পারে।
কেন?-২: সত্যিই কি পুরো বইয়ের সব কবিতা গুলো নিজে লিখেছে।
কেন?-৩: যদি লিখেই থাকে, তাহলে কেমনে....
কেন?-৪: আমার সময় ই নাই।
কেন?-৪: আর যদি লিখেই থাকে তাহলে ওর প্রেমিকা কে নিয়ে লিখেছে, যে তাকে কিছুদিন আগে ছেড়ে গেছে।
পুরোটাই আমার মতামত। কেই যদি ভিন্ন মত প্রকাশ করেন কোন অসুবিধে নেই আমার।
২|
০৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:২৯
অন্য কথা বলেছেন: স্কুল জীবনের জসিমউদ্দিন,সুকুমার,কামিনী,জীবনান্দ, বন্দে আলী মিয়া, কালিদাশের ছড়া/কবিতার মজাই কলেজ জীবনে হেলাল হাফিজ, রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ, ফাহিম ফিরোজের কবিতার কথা কিভাবে যেন হৃদয়কে অনুরিত করলো ... বুঝতেই পারিনি - হয়ে গেলো কবিতার সাথে প্রেম, কবিতা পড়ার প্রেম ।
শরতের ছোটগল্প ছাড়া আর কোনটাই কাছে টানেনি।
আসলে কঠিন শব্দের চয়নে আধুনিক কবিতা সাধারণ পাঠকের কাছে আজ দুর্বোধ্য হয়েছে। অর্থ পাঠোদ্ধারে অভিধান ছাড়া উপায় নেই।
আগে কবিতা হতো সবার আজ কবিদের কবিতা কবিরাই পড়ে। সাধারণ পাঠকেরা কবিদের গণণায় আর আসে না।
আফসোস।
৩|
০৫ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৩
সাইফুল ইসলাম ২৩ বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই- ধন্যবাদ আপনার সুষ্ঠু ও সঠিক মতামতের জন্য
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বয়স নির্বিশেষে সবাই আমি-তুমি, ভালোবাসি দিয়ে শুরু করেন। আমি-তুমি, ভালোবাসার বাইরে কোনো কবিতা নেই। পার্থক্য সৃষ্টি হয় লেখনি বা প্রকাশে। যে কবি আজ কবিতা লিখতে শুরু করলেন (তাঁর বয়স ১৫ হতে পারে, ৭৫-ও হতে পারে), ১০ বছর পরে তাঁর কবিতায় একটা সুস্পষ্ট পরিপক্বতা বা ক্রমোন্নতি লক্ষ করা যাবে। যাঁর কবিতায় এই পরিণতির মাত্রা যত বেশি, স্বাভাবিকভাবেই তাঁর কবিতার মান তত বেশি।
কবিতার জগতে বাস না করলে জানা যাবে না কে বা কারা, কার বা কাদের কবিতা পড়ছেন। আমি কবিতায় বাস করি, এজন্য আমার কাছে মনে হয় না যে বুড়োরা জোয়ানদের কবিতা পড়েন না। রবীন্দ্রনাথ যেমন শুধু তাঁর সিনিয়রদের কবিতাই পড়তেন না, তেমনি আল মাহমুদও কেবল তাঁর সিনিয়রদের কবিতাই পড়েন না।
তবে, মোটের উপর আমাদের পড়ার ব্যাপ্তি বা পড়ার অভ্যাস খুব কম। যিনি লেখেন তাঁর লেখাটা সবচেয়ে বেশি যিনি পড়েন, তিনি হলেন স্বয়ং লেখক। বৈশিষ্ট্যগতভাবেই আমাদের পড়ার অভ্যাস এত কম। যুগ ডিজিটাল হওয়ার কারণে আমাদের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। চিত্তবিনোদনের অনেক কিছু অনেক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য পড়ার মধ্যে সময় ব্যয় করার জন্য পাঠকের সংখ্যা দিনে দিনে কমছে।
ভালো থাকুন।