নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মীরসরাই[email protected]

সাইমুম

শখ : অতি সাধারণ। বই পড়া আর বিদেশ ভ্রমণ।

সাইমুম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডেড বল

২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০

ডেড ম্যান টেল নো টেলস Ñ মরা মানুষ গল্প শোনাতে আসে না। এটা প্রবাদ বাক্য। হয়তো তা আংশিক সত্যি। কিন্তু ক্রিকেটে ডেড বল শুধু গল্পই শোনায় না, নানা মুখরোচক মন্তব্যেরও জন্ম দেয়। সে প্রসঙ্গে পরে আসছি। ক্রিকেটে বল ডেড হলে তা ঘোষণার জন্য গলায় স্টেথিস্কোপ ঝুলিয়ে কোনো ডাক্তার মাঠে প্রবেশ করেন না। আম্পায়ার মথাই-ই এ ব্যাপারে যথেষ্ট। তিনি বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় ডেড বলের সংকেত বাতান। তবে আম্পায়ারের মতের ওপরই বলের বাঁচা-মরা নির্ভর করে। বিভিন্ন কারণে তিনি বলের জান কবজ করেন অথবা নতুন জীবন দেন।



বল ডেড ঘোষিত হলে ব্যাটসম্যানের রান-মেশিনও অচল হয়ে যায়। তবে তিনি আউটও হন না। তের প্রকার রোগে (কারণে) বল মারা যায়। যেমন : বল চূড়ান্তভাবে উইকেটকীপার বা বোলারের তালুবন্দী হলে, বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি হলে, ব্যাটসম্যান বা আম্পায়ারের পোশাকের মধ্যে ঢুকে গেলে, কোনো ব্যাটসম্যান আউট হলে, আম্পায়ার ওভার বা টাইম ডাকলে, কোনো ফিল্ডার লস্ট বল ডাকলে, ফিল্ডার ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কিছু নিয়ে ফিল্ডিং করলে, ডেলিভারি ছোঁড়ার আগেই বেইল পড়ে গেলে, কোনো ফিল্ডারের পোশাক বা হেলমেটের মধ্যে ঢুকে গেলে, কোনো খেলোয়াড় বা আম্পায়ার গুরুতর আহত হলে, বোলারের হাত ফসকে বর মাটিতে পড়ে গেলে, স্ট্রাইকার বল খেলতে প্রস্তুত না থাকলে এবং আম্পায়াররা নিজেদের মধ্যে কোনো ব্যাপারে আলোচনা করতে গেলে বল ডেড হবে।



অন্যদিকে পাঁচ কারণে বল ডেড হয় না, লাইভ (জীবন্ত) থাকে। যেমন, বল আম্পায়ারকে আঘাত করলে (যদি না তার পোশাকের মধ্যে এসে বাসা বাঁধে), উইকেট ভাঙা হলে বা বলের আঘাতে ফেলে দেয়া হলে (যদি না কোনো ব্যাটসম্যান তাতে আউট হয়), নিষ্ফলা আপীল করলে, ডেলিভারিকালে বোলার বা দৌড়কালে ব্যাটসম্যান দুর্ঘটনাবশত উইকেট ভেঙে ফেললে এবং আম্পায়ার নো বল বা ওয়াইড বলের সঙ্কেত দিলে।



এসব আইনের মাঝে বেশ ফাঁক-ফোকড়ও আছে। আইন অনুযায়ী কীপার বা বোলারের হাতে জমা পড়লেই বল ডেড হয়ে যায়। কিন্তু উভয় ব্যাটসম্যান যদি পপিং ক্রিজের বাইরে থাকেন তখন তাদের আউট করার সুযোগ থাকলে আইনের ডেড বলটি আর ডেড থাকবে না। কীপার বা বোলার প্রথমে উইকেট ভেঙে দেবেন। কারণ এ সময় ব্যাটসম্যানদ্বয়ের মাঝে রান সংগ্রহের প্রবণতা থাকে। ডেড বলে অতিরিক্ত কোনো বল বা রান যোগ হয় না।



আগের প্রসঙ্গে ফিরে আসি। ১৯৭৩-৭৪ সেশন। পোর্ট অব স্পেন টেস্টের প্রথম দিনের শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্নার্ড জুলিয়েনের দিকে শেষ ডেলিভারিটি ছোঁড়েন ইংল্যান্ডের ডেরেক আন্ডারউড। জুলিয়েন বলটি সিলি পয়েন্টের দিকে ঠেলে দিলেন। রান নেয়ার কোনো অভিপ্রায় তার ছিলো না। বিষয়টা বুঝতে পেরে নন-স্ট্রাইকার এলভিন কালিচরণ প্যাভিলিয়নমুখো হয়ে হাঁটা শুরু করলেন। ইতোমধ্যে টনি গ্রেগ বলটি কুড়িয়ে নিয়ে নন-স্ট্রাইকার এন্ডের স্ট্যাম্প ভেঙে দিলেন। কালিচরণ পপিং ক্রিজের বাইরে থাকায় আম্পায়ার কালিচরণকে আউট ঘোষণা দেন। পরে অবশ্য আম্পায়ার কালিচরণের দন্ডাদেশ প্রত্যাহার করে নেন। তবে টনি গ্রেগের অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের তীব্র সমালোচনা হয়। ঝড় ওঠে সরেস বিতর্কের।



শেষ কথা : বিভিন্ন উপজাতির ধর্মীয় উপখ্যান মতে, মৃত্যু হচ্ছে অবাধ্যতার কারণে দেবতা প্রদত্ত জাগতিক অভিশাপ। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রিকেটের ডেড বলকে কার অভিশাপ বলা যায়? বোলারের? ব্যাটসম্যানের? কীপারের? ফিল্ডারের? আইসিসির? আম্পায়ার তো সংকেত দেখিয়েই খালাস!

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩১

বাংলার CUPID বলেছেন: জটিল লেখা

২| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৪

সাইমুম বলেছেন: বাংলার কিউপিড : আপনি তাইলে জটিল লেখাও বুঝেন? খাইছে আমারে! ধন্যবাদ।

৩| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫

রিজভী বলেছেন: ৫।

৪| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭

সাইমুম বলেছেন: রিজভী : আর কিছু কওনের নাই? বলে দাও এইডা একটা পচা লেখা।

৫| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮

রকি ভাই বলেছেন: ছবিটা আমি রং করছি, ছবির জন্য কেউ রেটিং দেন।

৬| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯

সাইমুম বলেছেন: রকি : কোনো সন্দেহ নেই, তুমিই ছবিটাতে রঙ করেছো। কতো রেটিং চাও? জানাও।

৭| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০১

এস এম মোমিন বলেছেন: মরা জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করা ভালো নয়। ফ্রেশ চিজে আমার আস্থা।

৮| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩

সাইমুম বলেছেন: মোমিন মিয়া : উপদেশের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:১৫

নাতাশা হুসাইন বলেছেন: আরে আপনি দেখি অনেক ভাল ক্রিকেট জানেন। আমার মাথায় এটা ঢুকে না। হিহিহি

১০| ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৩

সাইমুম বলেছেন: নাতাশা : ক্রিকেট ভালো বুঝি, এটা দাবি করার মতো সাহস এখনো আমার হয়নি। ধন্যবাদ।

১১| ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২০

সাইমুম বলেছেন: সরি, আম্পায়ার মথাই নয়, আম্পায়ার মশাই। বানানে মিসটেক খাইছে।

১২| ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪

রাকিব বলেছেন: ৪।

১৩| ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১

সাইমুম বলেছেন: ১ কমাইয়া দিলেন কা? ভালো আছেন?

১৪| ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭

রাকিব বলেছেন: ভাল আছি। আমাকে তুমি করেই বলেন। লিখব লিখব করেও আপনাকে মেইল করা হছ্ছে না।

১৫| ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:১৬

সাইমুম বলেছেন: ধন্যবাদ রাকিব।

১৬| ০১ লা আগস্ট, ২০০৭ রাত ১২:০১

সাইমুম বলেছেন: মোমিন : তোমার হারু পার্টি পোস্ট ভালই জমছে। ‌'ফ্রেশ চিজে আমার আস্থা'- কথাটা ভালোই বলেছ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.