| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা চা, পান, তামাক, সিগারেট, ফলমূল, ভাত প্রভৃতি যেমন খাই, তেমন 'আছাড়'-ও খাই। 'আছাড়-খাওয়া' বাংলায় একটি বাগ্বিবিধান-সম্মত উক্তি। অথচ এই 'আছাড়' শব্দটিকে বাংলা অভিধানগুলিতে 'দেশী' বা অজ্ঞাতমূল শব্দ নামে চিহ্নিত করা হয়। কারণ শব্দটি এমন প্রাত্যহিক যে, এটার শ্রেণী নির্ণয় করাই কঠিন। প্রকৃতপক্ষে শব্দটি বিদেশী এবং খাঁটি আরবি।
বাংলা 'আছাড়' শব্দের 'ড়'-বর্ণটি ভাষাতাত্ত্বিককে প্রতারিত করার সম্ভাবনা অত্যধিক। বলাবাহুল্য, বাংলা ভাষায়, বিশেষ করে বাংলাদেশের বাংলা ভাষায় 'র' = 'ড়' বলে এর প্রতি মাত্রাতিরিক্ত জোর দেওয়া চলে না।
তবে শব্দটি যে খাঁটি আরবি, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। 'আছাড়'এর আরবি আসর, যার অর্থ হল 'পা ফসকিয়ে পড়া'বা 'পা পিছলিয়ে পড়া'। উভয় ধ্বনিতে ও অর্থে উভয় শব্দ প্রায় এক। আরবি 'ছা' ধ্বনির মূল উচ্চারণ 'খ' হলেও বাংলায় ছা এবং শিন হয় 'স', না হয় 'ছ' ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়েছে। আলোচ্য শব্দ তার ব্যতিক্রম নয়।
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:০০
সাইমুম বলেছেন: ক্রিয়েটিভ পরামর্শ।
না আসেনি।
পরে খুঁজে বের করে দেবো। ধন্যবাদ।
২|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
চানাচুর বলেছেন: 'ছ্যাচড়া' শব্দটা সম্পর্কে আমি একটু জানতে চাইছিলাম
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৪৭
সাইমুম বলেছেন: ছ্যাচড়া সম্পর্কে জেনে বলতে হবে ভাইয়া। কয়েক দিন পর জানতে পারবেন।
আমি সাধারণত ওই শব্দগুলো নিয়ে লিখছি, যেগুলোর মূল অর্থ পাল্টে গেছে। ছ্যাচড়া শব্দটি ওই কাতারের কিনা এখনও জানি না। ধন্যবাদ।
৩|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৫৩
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: +++++++
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:০০
সাইমুম বলেছেন: শুকরিয়া।
৪|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
ময়নামতি বলেছেন: জনাব সালাম, আষাঢ় চলিয়া গেল আপনি আছাড় খাইয়া মাজা ভাঙ্গিবার তরে আমারে শব্দ কৃতজ্ঞতায় ভূষিত করিলেন। ভীনদেশী দেশী সাজিয়া ভেংচি মারে শব্দে প্রবেশ করিলে সমস্যা কি ? আরবীরা জাপানকে জাবান বলে। ধন্যবাদ......
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
সাইমুম বলেছেন: মাজা ভাঙার ভয় নাই। ধন্যবাদ।
৫|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫
সাইমুম বলেছেন: চানাচুরকে বলছি : ছ্যাচড়া, ছ্যাছড়া আর ছেঁচড়া বানানভেদ মাত্র।তিনটি বানাই শুদ্ধ।
মনে করা হয় সংস্কৃত 'ছিত্বর' থেকে বাংলায় ছেঁচড়া শব্দটি এসেছে। ছিত্বর মানে কুচরিত্র। বাংলায় ছেঁচড়া বলতে লজ্জাহীন, নাছোড়বান্দা, নীচ ও ইতর টাইপের লোক বোঝানো হয় (তুমি তো ভারি ছ্যাঁছড়া ছোট লোক - সুকুমার রায়)।
মারাঠি ভাষায় তা 'ছুচোরা'।
বাংলায় ছেঁচড়া বা ছ্যাঁছড়া শব্দটির আরেকটি অর্ধ হচ্ছে মাছের কাঁটা, তেল ও শাক-সবজির ঘণ্ট। সম্ভবত হিন্দি 'ছিছোরা' শব্দের অনুকরণে বাংলায় এই ছেঁচড়া বা ছ্যাঁছড়া গঠিত হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৫৫
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: শব্দের পোস্ট মর্টেমে সংখ্যার পাশে শব্দটা থাকলে অনেক বেশী সুবিধা হতো।
অট: আড্ডা শব্দটা কি কোথাও এসেছে?