নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খারাপ কী ? ভালোই তো !

সালভাদর ডালি

অবুঝ ছিল বুঝের পাখি, নগদ ছিল সকল বাকি !

সালভাদর ডালি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আইজ নাকি ভাসানির জন্মদিন ??

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৬

সতেরো নভেম্বর ১৯৭৬ মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তিনি জন্মেছিলেন ১২ ডিসেম্বর ১৮৮০ তারিখে। তাঁর জন্মদিন বা মৃত্যুদিন নিয়ে বাংলাদেশে কখনই বড় কোন আয়োজন চোখে পড়ে নি। এমনকি অনেক সময় দেখেছি তার জন্মদিন ও মৃত্যুদিন খুবই নীরবে পার হয়ে গিয়েছে।

বাঙালি বা বাংলাদেশীদের সম্পর্কে যে অভিযোগ সাধারণত শোনা যায় সেটা সত্য বলেই মনে হয়। যেমন, এরা এমন এক জনগোষ্ঠি যারা প্রবৃত্তি ও আবেগের জগত ত্যাগ করে স্মৃতি, বুদ্ধি, বিচার ও কল্পনার জগতে প্রবেশ করে নি। এই জগতই আসলে ইতিহাসের জগত। নিজেদের ঐতিহাসিক ভাবে ভাবতে হলে এই চারটি গুণ আয়ত্বে আসা দরকার। সেটা হঠাৎ দৈবগুনে তৈরী হয়, সেটাও ঠিক নয়। একটা লড়াই সংগ্রামের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই একটি জনগোষ্ঠি সেটা আয়ত্ব করে। কিন্তু সেই লড়াই সংগ্রাম স্মৃতি হিসাবে জারি আছে কিনা সেটাও সন্দেহের। আমরা যেভাবে আমাদের নিয়ে কথা বলি তাতে মনে হয় বাংলাদেশের ইতিহাস মানে ভারতের সহায়তায় আওয়ামি লিগের নেতৃত্বে নয় মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস। এর আগে যেন আমাদের আর কোন ইতিহাস নাই। আমাদের ইতিহাসে জাতপাতের বিরুদ্ধে লড়াই নাই, জমিদার মহাজনদের বিরুদ্ধে শ্রেণি সংগ্রাম নাই। আমাদের ইতিহাসে সিপাহি বিদ্রোহ নাই, তীতুমির নাই, এমনকি সোহরাওয়ার্দি, শেরে বাংলা ফজলুল হক নাই। সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে এই ইতিহাসে কৃষক ও শ্রমিক আন্দোলনের কোন চিহ্ন নাই। আমাদের ইতিহাস মানে আওয়ামি লিগের ইতিহাস কথাটার অর্থ এই অর্থে ইতিহাসের নিরাকরণ। বাংলাদেশকে ইতিহাসশূন্য করবার একটা প্রক্রিয়া। শেখ মুজিবর রহমান আমাদের ‘জাতির জনক’। তিনি পয়দা না করলে বাংলাদেশের কোন জন্মই হোত না।

এই ইতিহাস থেকে মওলানা ভাসানিকে অশ্লীল ভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। ন্যূনতম রাজনৈতিক সংবেদনশীলতাও আমরা হারিয়েছি যাতে আমরা এখন আর বুঝতে পারি না শেখ মুজিবর রহমানের আগে মওলানা ভাসানির নাম না নেওয়া রাজনৈতিক শ্লীলতার লংঘন। তবে, মওলানাকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার প্রক্রিয়া আদৌ সফল হবে ভাববার কোন কারন নাই। কিন্তু তার প্রতিষ্ঠা এবং আমাদের ইতিহাসে তাঁর তাৎপর্য উপলব্ধি শেখ মুজিবুরের মতো অন্ধ আবেগ ও গায়ের জোর দিয়ে কায়েম করা যাবে না। ভাসানির দিকে নজর দেওয়ার অর্থ হছে ভূয়া ইতিহাস বাদ দিয়ে মূলত এই উপমহাদেশ ও বিশেষ ভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে নতুন ভাবে নজর দেবার ক্ষমতা অর্জন করা।

=====================
যা হোক, আপনারা জানেন যে বঙ্গবন্ধু বাকশালের সময়ে মাত্র চারটি পত্রিকা বাদে বাকি সব পত্রিকাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন । সে সময় মাওলানা ভাসানির একটি পত্রিকা ছিল, "সাপ্তাহিক হক কথা" । অনেকেরই মনে হয় যদি সেই সময়ের পত্রিকাগুলো পড়া যেত । সে সময়ের সাপ্তাহিক হক কথা সমগ্র দেখতে এখানে ক্লিক করুন

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.