নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খারাপ কী ? ভালোই তো !

সালভাদর ডালি

অবুঝ ছিল বুঝের পাখি, নগদ ছিল সকল বাকি !

সালভাদর ডালি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হালার বুদ্ধিজীবী জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয় নাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ২০ বুদ্ধিজীবী !

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:১৬

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জামাত ইসলাম পাকিস্তান শাসকগোষ্টির পক্ষে অবস্থান নিয়ে গণহত্যায় অংশ নেয়। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এখনো ক্রিয়াশীল। এ কারণে জামাত ইসলামকে নিষিদ্ধের বেশ জোরালো দাবি রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলে দেশের সব বুদ্ধিজীবীই বলেছেন যে, জামায়াতেরও বিচার হতে হবে। উদাহরণ হিসেবে সামনে ছিল ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে জার্মান নাৎসি পার্টিসহ চার সংগঠনের নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা। শেষ পর্যন্ত যখন জামাতের বিষয়ে মামলা টেবিলে উঠছে তখনই বেঁকে বসলেন মুখে সারাক্ষণ খই ফোটানো বুদ্ধিজীবীরা! সবাইকে অবাক করে দিয়ে ড. জাফর ইকবাল, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের মতো প্রখ্যাত মৌলবাদ বিরোধী লেখকেরাই জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষি হতে রাজী হননি।

প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, ১২০ জন দেশী ও বিদেশী বুদ্ধিজীবীর তালিকা করা হয় জামায়াত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হবার জন্য। এর মধ্যে ৭০ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দেশের বাইরে ও দেশের ভেতর থাকা ৫০ জন বুদ্ধিজীবী এ মামলায় সাক্ষি হতে রাজি হয়েছেন। বাকি ২০ জন সাক্ষি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন।

সুশীল হিসেবে স্বীকৃত বুদ্ধিজীবীদের এই অংশের মধ্যে যাদের নাম রয়েছে, তারা সকলেই জামাত বিরোধীতা করে কম বেশি খ্যাতি কামিয়েছেন। মৌলবাদ বিরোধী হিসেবে সমাজে তাদের সুনাম আছে। এই সুনামকে কাজে লাগিয়ে তারা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন আমলের সরকারের কাছ থেকে কমবেশি সুযোগ সুবিধাও হাসিল করেছেন।

ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল : ‘তোমরা যারা শিবির কর’ খ্যাত জামাত বিরোধী, মৌলবাদ বিরোধী বিশিষ্ট লেখক ও বিজ্ঞান আন্দোলক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল জামাতের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী হতে রাজী হননি। কোটি তরুণ-তরুণীর অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব ড. জাফর ইকবালের পিতা ১৯৭১ সালে রাজাকারদের হাতে জীবন দেন। জামাত শিবিরের নৃসংশতা বিরুদ্ধে নিরন্তর লিখে চলেছেন তিনি।

কিন্তু যখন ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ সংগঠনের দায়ে জামায়াতকে নিষিদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার সাক্ষী হওয়ার জন্য তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয় তখন তিনি জামায়াত নিষিদ্ধের মামলার সাক্ষি হতে চাননি। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের কাছ থেকে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের অধীনে বেতন পান তিনি। তার মৃত বড় ভাই হুমায়ুন আহমেদকে সরকার অর্থ সাহায্য দিতো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এই হলো চেতনাজীবী মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।

প্রসিকিউটররা তাকে বুঝিয়েছেন যে, এই মামলায় সাক্ষী হতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার কোনো ব্যাপার নেই। জামাতের বিরুদ্ধে আপনাকে অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে না। আপনি জামাতের তৎপরতা ও আদর্শিক দিক ব্যাখ্যা করে এটা প্রমাণ করবেন যে, এরকম একটা দলের, আদর্শের রাজনীতি নিষিদ্ধ করাটা দরকারি। এতকিছু বুঝানোর পরেও জাফর ইকবাল পিতার খুনীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজী হননি বলে জানিয়েছেন একজন প্রসিকিউটর।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ : সাদা মনের মানুষ। তাকে আমাদের দেশের তরুণ ও বয়স্করা সবাই সম্মান করেন। ১৯৭১ সালে যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখনও তিনি সাদা মনের মানুষ ছিলেন। ঢাকা কলেজে পড়িয়েছেন। আমাদের সব বুদ্ধিজীবীদের মেরে সাফ করলেও তিনি ঢাকায় দিব্যি আরামেই থেকেছেন। এসব নিয়ে আবার বইও লিখেছেন। এই সাদা মনের মানুষটি ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগান তুলে বই পড়ার আন্দোলন করছেন অনেক দিন ধরে। তার মতে, মানুষ বই পড়ে আলোকিত হয়ে যাবে। মৌলবাদ থেকে মুক্ত হবে। কিন্তু সেই আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগরকে জামাত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হতে অনুরোধ করা হয়েছিলো। তিনি সাদা মনে তা ফিরিয়ে দিয়েছেন।

মতিউর রহমান : প্রথম আলোর সম্পাদক। এক সময় সিপিবির নেতা ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বাম পার্টি করার সুবাদে পড়ালেখা করে আসার সুযোগ পেয়েছিলেন। ফিরে এসে পার্টির পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক একতা’র হাল ধরেন। সে সময় ৫০ সিসির একটা মোটর সাইকেলে করে প্রিয় স্ত্রী মালেকা বানুকে (বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) নিয়ে পল্টনের অফিসে যেতেন। মাইনে সাকুল্যে ৩ হাজার টাকা। সেই মতিউর রহমান এখন অগাধ টাকার মালিক।

মতিউরকে সিপিবি বহিস্কার করেছে এরকম একটা তথ্য প্রচলিত আছে। তিনি পার্টির অভ্যন্তরীণ নানা গোপন তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের হাতে তুলে দিতেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি সিপিবিকে জানালেও তারা আমলে নেয়নি। কিন্তু মতিউর যখন স্বয়ং পার্টির জনপ্রিয় নেতা ফরহাদকে উৎখাতের চেষ্টা চালান, তখন তাকে বহিষ্কার করা হয়। সিপিবির অনেক অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে যোগ থাকায় দলটি মতিউরের বহিষ্কারাদেশ প্রচার করে না, এই মর্মে মতিউরও তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো তথ্য দেয় না।

সেসব অতীত ছাপিয়ে মতিউর এখন প্রথম আলোর সম্পাদক। তার নীতিকথার শেষ নেই। তিনি মৌলবাদ বিরোধী শক্তির অগ্রপথিক। তবে তার পত্রিকায় জামাত বিরোধী লেখালেখি খুব কমই চোখে পড়ে। তাকে যখন প্রসিকিউশন জামায়াত নিষিদ্ধের মামলায় সাক্ষী হতে জানিয়েছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে প্রথম আলো গ্রুপের ভূমিকা বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ। এই পত্রিকার সম্পাদককে সাক্ষী হতে ডাকাটাই বরং আশ্চর্যের!

সাক্ষী না হতে চাওয়া এই তালিকায় আরো আছেন প্রথম আলো গ্রুপেরই আরেক দেশখ্যাত পত্রিকা ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, চটি সম্পাদক খ্যাত দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট সুশীল ও মার্কিন স্বার্থের রক্ষক সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে সুশীলতা আওড়ানো সুজনের বদিউল আলম মজুমদার, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও মার্কিন ধারার বিশিষ্ট কূটনীতিজ্ঞ ড. কামাল হোসেন, শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত জলবায়ু তহবিল থেকে নিজের এনজিওর নামে ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, এবং বিশিষ্ট গান্ধিবাদী নেতা সৈয়দ আবুল মুকসুদ

এই বুদ্ধিজীবীরা আসলে নীতিবাগিশ। জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষী হওয়ার ক্ষেত্রে তারা ভয় যতটা না পাচ্ছেন, তার চেয়েও বেশি ভয় পাচ্ছেন আমেরিকাকে। এরা সবাই মার্কিনপন্থী বুদ্ধিজীবী। মার্কিনিরা এদেশে জামাতকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে অনেক দিন ধরে। মার্কিন ধারার বুদ্ধিজীবীরা সেই কাজটি সহজ করার জন্য ভূমিকা রেখেছেন। নীতি কেবল তাদের মুখে, বাস্তবে তারা জাতীয় স্বার্থকে যে থোড়াই কেয়ার করেন তা এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো।

জন্মলগ্ন থেকেই গণবিরোধী অবস্থানের কারণে জামাত ছিল পাকিস্তানে একটি গণধিকৃত পার্টি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তারা তাদের নৃশংসতার ষোলকলা প্রদর্শন করে। নিরীহ জনগণকে হত্যা, ধর্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া, বুদ্ধিজীবী নির্মূল করাসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা তখন করেনি। দেশ স্বাধীনের পরও তারা এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। আর সন্ত্রাসী এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার মামলায়ই কিনা সাক্ষী হতে রাজী হলেন না দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবীরা! তরুণ প্রজন্ম এ প্রশ্নের উত্তর কার কাছে চাইবে?

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৭

আলফা ব্রাইট বলেছেন: এইসব চুতিয়াদের বুদ্ধিজীবী কয় কোন হালায়! এরা সব প্রথম শ্রেনীর বুদ্ধিবেশ্যা। এদের ল্যাংটা করে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া দরকার। মাতারি সব চুতিয়া গুলো। এরা স্বাক্ষী দিলে সরকারের এত কষ্ট করে মিথ্যা স্বাক্ষী যোগার করতে হইতোনা। যে আবাল গুলারে স্বাক্ষী বানাইছে হেরাও একেক যায়গায় একএক কথা বলে বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ভাগ্যিস মুজিব কোর্ট এখন সিনহা ভাইয়ে চালায়।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১০

সালভাদর ডালি বলেছেন: এরা সব প্রথম শ্রেনীর বুদ্ধিবেশ্যা -এইটা ঠিক আছে, তবে আপনার রাজাকার চরিত্রের সাথে একমত হতে পারি না ।

২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৭

গ্রিন জোন বলেছেন: মার্কিন পরাশক্তি এদেশের কিছুই করতে পারবে না। যারা পেইড তারা তো মার্কিনদের কথা মেনেই চলবে। তাই বলে কি যুদ্ধাপরাধের বিচার থেমে রয়েছে? বাংলাদেশের লৌহমানবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে চেয়েছিলেন, করে দেখিয়েছেন এবং আরও দেখাবেন...........

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৭

সালভাদর ডালি বলেছেন: এইটা একটু বারাবাড়ি হয়ে গেল । আমাদের সীমান্তে কত লোক মারা গেল, লৌহ মানবী একটা প্রতিবাদ পর্যন্ত জানাতে পারলেন না ।
আমি চাই, প্রধানমন্ত্রী টিকে থাকুন, তাকে এদেশের দরকার আছে । তাই বলে সত্যকে মিথা আর মিথ্যাকে সত্য বলার কী দরকার !

৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এদের শাক্ষী লিষ্টে নাম ছিল। তবে পরে উকিল ও ট্রাইব্যুনাল উভয় পক্ষে শাক্ষী সং্খ্যা সিমিত রাখতে একমত হয়। তাই সবাইকে ডাকা হয়নি।
এতে বিচার সঠিক রায় পাওয়া, কমসময়ে শেষকরা সম্ভব হয়েছিল।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৪

সালভাদর ডালি বলেছেন: আপনার কথার পক্ষে প্রমান পেশ করেন । আজাইরা বয়ান দিয়েন না ।

৪| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৯

উচ্ছল বলেছেন: এদের স্বাক্ষ্-এর উপর তো আর কোন স্বাক্ষী হয় না। এরা হালায় ভয় পাইলো ক্যা????

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১১

সালভাদর ডালি বলেছেন: হোগাখোর !

৫| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৩

আলফা ব্রাইট বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী @ আপনার কথা মেনে নিলাম। কিন্তু এমন বাঘা বাঘা লোকদের বাদ দিয়ে কেন কিছু চুতিয়াদের স্বাক্ষী হিসাবে রাখা হইছিল? অন্যদের বাদ দিয়ে এদেরকে রাখা হইলোনা কেন? জাফর ষাড়ের বাবাকে হত্যা করা হলো আর সেই স্বাক্ষী দিতে হলো অন্যদের কেন?

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৫

সালভাদর ডালি বলেছেন: একমত !

৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৬

গ্রিন জোন বলেছেন: একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ কখনো কোনোদিন মিথ্যা নয়--সালভাদর ডালি

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫২

সালভাদর ডালি বলেছেন: আমি কখন কইলাম মিথ্যা ???????

৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৯

ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলেছেন:
কিন্তু এমন বাঘা বাঘা লোকদের বাদ দিয়ে কেন?

এটা তো সুধু হত্যা মামলা না, গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ। হানাদার পাকিবাহিনীর সাথে সসস্ত্র অংশগ্রহনের মত ভয়াবহ গুরুতর অপরাধ।
৪২ বছর পর ব্যক্তিশাক্ষের চেয়ে উপাত্ত্ব প্রমান বেশী ভুমিকা রেখেছে।
গোলামআজমের পক্ষে অনেক শাক্ষী থাকলেও মাত্র ১জন শাক্ষ্য দিয়েছিল। শাকার বিপক্ষে শত শত শাক্ষীর ভেতর মাত্র ৫ জন লেগেছিল।
শাক্ষী সিলেক্সনে কোন ভুল হয় নাই। সব অপরাধী কমবেশী পর্যাপ্ত সাস্তি পেয়েছে। সুধু শাকা ছাড়া অন্যদের আইনজীবিরা রায় হতাসাজনক, কিন্তু বিচার মোটামুটি সন্তষজনক হয়েছে বলেছে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫৮

সালভাদর ডালি বলেছেন: বিচার একেবারে খারাপ হয় নাই, আবার খুব ভাল হইছে তা-ও না । এমন কিছু ঘাপলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এর জের থাকবে বহুকাল । যেমনঃ স্কাইপ কেলেঙ্কারী ! আমার ধারণা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে আরও ভালো করতে পারতেন । কিন্তু ওনার আশেপাশের বুদ্ধিবেশ্যারা সেটা হতে দেয় নাই ।

৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৭

নামহীন বিপ্লবী বলেছেন: হালার বুদ্ধিজীব!! জামাতের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয় নাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ২০ বুদ্ধিজীবী !! ----------------শিরোনাম নিয়ে আমার টেনশান নাই তবে কিছু তথ্য নিয়ে আছেঃ

মতিউর রহমান : প্রথম আলোর সম্পাদক। এক সময় সিপিবির নেতা ছিলেন।
মতিউরকে সিপিবি বহিস্কার করেছে এরকম একটা তথ্য প্রচলিত আছে। তিনি পার্টির অভ্যন্তরীণ নানা গোপন তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের হাতে তুলে দিতেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি সিপিবিকে জানালেও তারা আমলে নেয়নি। কিন্তু মতিউর যখন স্বয়ং পার্টির জনপ্রিয় নেতা ফরহাদকে উৎখাতের চেষ্টা চালান, তখন তাকে বহিষ্কার করা হয়। সিপিবির অনেক অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে যোগ থাকায় দলটি মতিউরের বহিষ্কারাদেশ প্রচার করে না, এই মর্মে মতিউরও তাদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো তথ্য দেয় না।-------------- উনি কি আসলেই এত বড় কেউটে ছিলেন ?

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫৩

সালভাদর ডালি বলেছেন: আলফা ব্রাইট বলেছেনঃ এরা চুতিয়া !

৯| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

ব্লগার ওমর ফারুক বলেছেন: আলফা ব্রাইট বলেছেন:
এইসব চুতিয়াদের বুদ্ধিজীবী
কয় কোন হালায়! এরা সব প্রথম
শ্রেনীর বুদ্ধিবেশ্যা। এদের
ল্যাংটা করে রাস্তায়
ছেড়ে দেওয়া দরকার। মাতারি সব চুতিয়া
গুলো। এরা স্বাক্ষী দিলে সরকারের এত
কষ্ট করে মিথ্যা স্বাক্ষী যোগার করতে
হইতোনা। যে আবাল গুলারে স্বাক্ষী
বানাইছে হেরাও একেক যায়গায় একএক
কথা বলে বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
ভাগ্যিস মুজিব কোর্ট এখন সিনহা ভাইয়ে
চালায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.