| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এস এ রায়হান
'এই হচ্ছে মানব জাতির জন্য সুস্পষ্ট ঘোষনা ও পথনির্দেশ ও উপদেশ - ধর্মপরায়নদের জন্য'' সুরাহ আল ইমরান ১৩৮ তম আয়াত
ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের গোপন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, কামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
২|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪৮
শামীম আহমেদ ইভ বলেছেন: এ আয়াতের সাথে কি বোরখার কোন সম্পর্ক আছে? মেয়েদের পর্দা কেমন হবে, কিভাবে হবে এবং কোথায় তা প্রযোজ্য তা কি এ আয়াত দ্বারা স্পষ্ট নয়? তাহলে চোঁখ বাদে বাকি শরীর ঢেকে রাখার এ কালো কিম্ভূতকিমাকার পোষাক পরার আদেশ কে দিয়েছেন? আল্লাহ ছাড়া কে এমন আছে যে এ আদেশটাকে ফরজ করতে পারে?
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৫৮
এস এ রায়হান বলেছেন: প্রত্যেকের আলাদা বিচার হবে। বেশি ঢেকে রাখলে বেশি ভাল ও নিরাপদ।
৩|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২২
আফিফা মারজানা বলেছেন: শামীম@কই আমার কাছে তো বোরকাকে কিম্ভুতকিমাকার মনে হয় না !শীত থেকে বেঁচে থাকার থাকতে সোয়েটার যেমন ,গুলি থেকে রক্ষা পেতে বুটেলপ্রফ জ্যাকেট তেমনি নোংরা লোকের লোলুপ দৃষ্টি থেকে বাঁচার অস্ত্র বোরকা ।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪০
এস এ রায়হান বলেছেন: সুন্দর জবাব
৪|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫০
শামীম আহমেদ ইভ বলেছেন: নোংরা লোকের লোলুপ দৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য কি আপনি আপনার ব্যক্তিত্বকে যথেষ্ট মনে করেন না? একথা বলে পৃথিবীতে নিজেদের অবস্থানটাকে আরেকটু নড়বড়ে করে ফেললেন। নারী-পুরুষ পরষ্পরের পরিপুরক। একজনকে সুদর্শন পুরুষকে দেখলে যদি আপনার মনে কোন শিহরণ জেগে ওঠে তাহলে কি তাকেও বোরকা পরতে বলবেন?
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৭
এস এ রায়হান বলেছেন: আহারে ভাই আমার।আমার ইচ্ছা করেনা মানুষকে বুঝাতে বা আমার বুঝানোর ক্ষমতা নেই।আপনার যা ইচ্ছা তা ভাবেন বা করেন বা আপনার মা বোনকে করতে বলেন।
আমি কোরআনের একটি সুরার কিছু আয়াত দিলাম পড়ে দেখেন কিছু বুঝেন কিনা
এটি এমন একটি গ্রন্থ, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, খুব মঙ্গলময়, অতএব, এর অনুসরণ কর এবং ভয় কর-যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও। আয়াত ১৫৫
নিশ্চয়ই আমি ক্বুর'আনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি, কে আছে উপদেশ গ্রহণ করার?(আল-ক্বামার, আয়াতঃ ১৭)
এক বরকতময় কল্যাণময় গ্রন্থ আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি যেন তাঁরা এর আয়াতসমূহ অনুধাবন করে এবং বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ যেন উপদেশ গ্রহণ করে।(ছ্বদ, আয়াতঃ ২৯)
(al an-am)
162
আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবাণী এবং আমার জীবন ও মরন বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে।
159
নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
157
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
155
এটি এমন একটি গ্রন্থ, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, খুব মঙ্গলময়, অতএব, এর অনুসরণ কর এবং ভয় কর-যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও।
151
আপনি বলুনঃ এস, আমি তোমাদেরকে ঐসব বিষয় পাঠ করে শুনাই, যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন। তাএই যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার করো স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্রেøর কারণে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে ও তাদেরকে আহার দেই, নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করো না; কিন্তু ন্যায়ভাবে। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা বুঝ।
149
আপনি বলে দিনঃ অতএব, পরিপূর্ন যুক্তি আল্লাহরই। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে পথ প্রদর্শন করতেন।
148
এখন মুশরেকরা বলবেঃ যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে না আমরা শিরক করতাম, না আমাদের বাপ দাদারা এবং না আমরা কোন বস্তুকে হারাম করতাম। এমনিভাবে তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছে, এমন কি তারা আমার শাস্তি আস্বাদন করেছে। আপনি বলুনঃ তোমাদের কাছে কি কোন প্রমাণ আছে যা আমাদেরকে দেখাতে পার। তোমরা শুধুমাত্র আন্দাজের অনুসরণ কর এবং তোমরা শুধু অনুমান করে কথা বল।
147
যদি তারা আপনাকে মিথ্যবাদী বলে, তবে বলে দিনঃ তোমার প্রতিপালক সুপ্রশস্ত করুণার মালিক। তাঁর শাস্তি অপরাধীদের উপর থেকে টলবে না।
146
ইহুদীদের জন্যে আমি প্রত্যেক নখবিশিষ্ট জন্তু হারাম করেছিলাম এবং ছাগল ও গরু থেকে এতদুভয়ের চর্বি আমি তাদের জন্যে হারাম করেছিলাম, কিন্তু ঐ চর্বি, যা পৃষ্টে কিংবা অন্ত্রে সংযুক্ত থাকে অথবা অস্থির সাথে মিলিত থাকে। তাদের অবাধ্যতার কারণে আমি তাদেরকে এ শাস্তি দিয়েছিলাম। আর আমি অবশ্যই সত্যবাদী।
145
আপনি বলে দিনঃ যা কিছু বিধান ওহীর মাধ্যমে আমার কাছে পৌঁছেছে, তন্মধ্যে আমি কোন হারাম খাদ্য পাই না কোন ভক্ষণকারীর জন্যে, যা সে ভক্ষণ করে; কিন্তু মৃত অথবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের মাংস এটা অপবিত্র অথবা অবৈধ; যবেহ করা জন্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়। অতপর যে ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে এমতাবস্থায় যে অবাধ্যতা করে না এবং সীমালঙ্গন করে না, নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা ক্ষমাশীল দয়ালু।
141
তিনিই উদ্যান সমূহ সৃষ্টি করেছে-তাও, যা মাচার উপর তুলে দেয়া হয়, এবং যা মাচার উপর তোলা হয় না এবং খর্জুর বৃক্ষ ও শস্যক্ষেত্র যেসবের স্বাদবিশিষ্ট এবং যয়তুন ও আনার সৃষ্টি করেছেন-একে অন্যের সাদৃশ্যশীল এবং সাদৃশ্যহীন। এগুলোর ফল খাও, যখন ফলন্ত হয় এবং হক দান কর কর্তনের সময়ে এবং অপব্যয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না।
133
আপনার প্রতিপালক অমুখাপেক্ষী, করুণাময়। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে উচ্ছেদ করে দিবেন এবং তোমাদের পর যাকে ইচ্ছা তোমাদের স্থলে অভিষিক্ত করবেন; যেমন তোমাদেরকে অন্য এক সম্প্রদায়ের বংশধর থেকে সৃষ্টি করেছেন।
130
হে জ্বিন ও মানব সম্প্রদায়, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বরগণ আগমন করেনি? যাঁরা তোমাদেরকে আমার বিধানাবলী বর্ণনা করতেন এবং তোমাদেরকে আজকের এ দিনের সাক্ষাতের ভীতি প্রদর্শন করতেন? তারা বলবেঃ আমরা স্বীয় গোনাহ স্বীকার করে নিলাম। পার্থিব জীবন তাদেরকে প্রতারিত করেছে। তারা নিজেদের বিরুদ্ধে স্বীকার করে নিয়েছে যে, তারা কাফের ছিল।
129
এমনিভাবে আমি পাপীদেরকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে দেব তাদের কাজকর্মের কারণে।
128
যেদিন আল্লাহ সবাইকে একত্রিত করবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা মানুষদের মধ্যে অনেককে অনুগামী করে নিয়েছ। তাদের মানব বন্ধুরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা পরস্পরে পরস্পরের মাধ্যমে ফল লাভ করেছি। আপনি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলেন, আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ বলবেনঃ আগুন হল তোমাদের বাসস্থান। তথায় তোমরা চিরকাল অবস্থান করবে; কিন্তু যখন চাইবেন আল্লাহ। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রজ্ঞাময়, মহাজ্ঞানী।
126
আর এটাই আপনার পালনকর্তার সরল পথ। আমি উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্যে আয়াতসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ননা করেছি।
অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে। এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না। আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন।সূরা আল আন-আম আয়াত ১২৫
যখন তাদের কাছে কোন আয়াত পৌঁছে, তখন বলে, আমরা কখনই মানব না যে, পর্যন্ত না আমরাও তা প্রদত্ত হই, যা আল্লাহর রসূলগণ প্রদত্ত হয়েছেন। আল্লাহ এ বিষয়ে সুপারিজ্ঞাত যে, কোথায় স্বীয় পয়গাম প্রেরণ করতে হবে। যারা অপরাধ করছে, তারা অতিসত্বর আল্লাহর কাছে পৌছে লাঞ্ছনা ও কঠোর শাস্তি পাবে, তাদের চক্রান্তের কারণে। সূরা আল আন-আম আয়াত ১২৪
তোমরা প্রকাশ্য ও প্রচ্ছন্ন গোনাহ পরিত্যাগ কর। নিশ্চয় যারা গোনাহ করেছে, তারা অতিসত্বর তাদের কৃতকর্মের শাস্তি পাবে। সূরা আল আন-আম আয়াত ১২০
আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণ সত্য ও সুষম। তাঁর বাক্যের কোন পরিবর্তনকারী নেই। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী। আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।সূরা আল আন-আম আয়াত ১১৫,১১৬
আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক নবীর জন্যে শত্রু করেছি শয়তান, মানব ও জিনকে। তারা ধোঁকা দেয়ার জন্যে একে অপরকে কারুকার্যখচিত কথাবার্তা শিক্ষা দেয়। যদি আপনার পালনকর্তা চাইতেন, তবে তারা এ কাজ করত না।অতএব, আপনি তাদেরকে এবং তাদের মিথ্যাপবাদকে মুক্ত ছেড়ে দিন যাতে কারুকার্যখচিত বাক্যের প্রতি তাদের মন আকৃষ্ট হয় যারা পরকালে বিশ্বাস করে না এবং তারা একেও পছন্দ করে নেয় এবং যাতে ঐসব কাজ করে, যা তারা করছে। সূরা আল আন-আম আয়াত ১১১,১১২,১১৩
যদি আল্লাহ চাইতেন তবে তারা শেরক করত না। আমি আপনাকে তাদের সংরক্ষক করিনি এবং আপনি তাদের কার্যনির্বাহী নন।তোমরা তাদেরকে মন্দ বলো না, যাদের তারা আরাধনা করে আল্লাহকে ছেড়ে। তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কাজ কর্ম সুশোভিত করে দিয়েছি। অতঃপর স্বীয় পালনকর্তার কাছে তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি তাদেরকে বলে দেবেন যা কিছু তারা করত। আমি ঘুরিয়ে দিব তাদের অন্তর ও দৃষ্টিকে, যেমন-তারা এর প্রতি প্রথমবার বিশ্বাস স্থাপন করেনি এবং আমি তাদেরকে তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্ত ছেড়ে দিব। সূরা আল আন-আম আয়াত ১০৭,১০৮,১১০
নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর সৃষ্টিকারী; তিনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন ও মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন। তিনি আল্লাহ অতঃপর তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ? তিনি প্রভাত রশ্মির উন্মেষক। তিনি রাত্রিকে আরামদায়ক করেছেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে হিসেবের জন্য রেখেছেন। এটি পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানীর নির্ধারণ।তিনিই তোমাদের জন্য নক্ষত্রপুঞ্জ সৃজন করেছেন যাতে তোমরা স্থল ও জলের অন্ধকারে পথ প্রাপ্ত হও। নিশ্চয় যারা জ্ঞানী তাদের জন্যে আমি নির্দেশনাবলী বিস্তারিত বর্ণনা করে দিয়েছি। সূরা আল আন-আম আয়াত ৯৫,৯৬,৯৭
আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? আপনি এ কোরআন দ্বারা তাদেরকে ভয়-প্রদর্শন করুন, যারা আশঙ্কা করে স্বীয় পালনকর্তার কাছে এমতাবস্থায় একত্রিত হওয়ার যে, তাদের কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী হবে না-যাতে তারা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে। সূরা আল আন-আম আয়াত ৫০,৫১
যদি আমি কাগজে লিখিত কোন বিষয় তাদের প্রতি নাযিল করতাম, অতঃপর তারা তা সহস্তে স্পর্শ করত, তবুও অবিশ্বাসীরা একথাই বলত যে, এটা প্রকাশ্য জাদু বৈ কিছু নয়। তারা আরও বলে যে, তাঁর কাছে কোন ফেরেশতা কেন প্রেরণ করা হল না ? যদি আমি কোন ফেরেশতা প্রেরণ করতাম, তবে গোটা ব্যাপারটাই শেষ হয়ে যেত। অতঃপর তাদেরকে সামান্যও অবকাশ দেওয়া হতনা। যদি আমি কোন ফেরেশতাকে রসূল করে পাঠাতাম, তবে সে মানুষের আকারেই হত। এতেও ঐ সন্দেহই করত, যা এখন করছে।নিশ্চয়ই আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণের সাথেও উপহাস করা হয়েছে। অতঃপর যারা তাঁদের সাথে উপহাস করেছিল, তাদেরকে ঐ শাস্তি বেষ্টন করে নিল, যা নিয়ে তারা উপহাস করত।বলে দিনঃ তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর, অতপর দেখ, মিথ্যারোপ কারীদের পরিণাম কি হয়েছে?সূরা আল আন-আম আয়াত ৭,৮,৯,১০,১১
আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্ট দেন, তবে তিনি ব্যতীত তা অপসারণকারী কেউ নেই। পক্ষান্তরে যদি তোমার মঙ্গল করেন, তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ।আর যে, আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথবা তাঁর নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তার চাইতে বড় জালেম কে? নিশ্চয় জালেমরা সফলকাম হবে না। আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে একত্রিত করব, অতঃপর যারা শিরক করেছিল, তাদের বলবঃ যাদেরকে তোমরা অংশীদার বলে ধারণা করতে, তারা কোথায়?সূরা আল আন-আম আয়াত ১৭,১৮,২১,২২
৫|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৪
নুরুলইসলাম খান বলেছেন: ছালাম।
কীভাবেই বা নিশ্চিত হওয়া যায় বোরকার ভিতরে কে বা কারা লুকিয়ে আছে? নারী/পুরুষ??'বিনীত।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১১
এস এ রায়হান বলেছেন: আপনার নিশ্চিত হবার দরকার নাই যদি না আপনার জানা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
৬|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭
নুরুলইসলাম খান বলেছেন: ছালাম।
স্বামী ২ বছর পর সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এয়ারপোর্টে এসে পৌছেঁ বোরকা পরা চাচীকে নিজের আপন বউ মনে করে কী জঘন্য বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়েছিল, ঘটনাটি ভাইজানের মনে হয় জানা নাই??
বিনীত।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৪৫
এস এ রায়হান বলেছেন: আমার জানা নাই তবু আল্লাহ মাফ করুন যদি কোন মহা অন্যায় করে থাকেন পুরুষটি।চাচীকে সামনে থেকে জড়িয়ে ধরতে আসলে চাচী নিশ্চই বলবেন আমি তোমার চাচী আর পেছন থেকে ভুলে ধরে ফেললে বলবেন তোমার ভুল হচ্ছে আমি তোমার চাচী। নাকি?
৭|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৩
ইনফা_অল বলেছেন: ছেলেদের পর্দার ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা আগে বলেছেন:
সূরা আন-নূর: আয়াত: ৩০
মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৪৬
এস এ রায়হান বলেছেন: ধন্যবাদ
৮|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৭
কলম.বিডি বলেছেন: সূরা নুরের ৩০ নং আয়াত তো ৩১নং এর আগেই এসেছে, পোস্টে দিলেন না যে? নাকি আপনার মনে হয় শুধু মুমিন মহিলারা ভালো হলেই সমাজ বদলে যাবে?
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫১
এস এ রায়হান বলেছেন: আমার উচিত ছিল ধারাবাহিক ভাবে দেয়া । না আমাদের সকলের উচিত পর্দা করে চলা।ছেলেরা চোখ ও মনের আর মহিলারা বিশেষ করে দেহের। ভালো নারীর সন্তানকে নিশ্চই আল্লাহ সৎ পথে পরিচালনা করবেন এটাই আমরা দোয়া করি আল্লাহর কাছে।
৯|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১২
সিড বলেছেন: ++++
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৯
এস এ রায়হান বলেছেন: +
১০|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:০৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের গোপন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, কামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
তারা যেন সাধারণত যা প্রকাশমান,তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। এই আয়াতে আল্লাহ্ বলছেন যা প্রকাশমান মানে, যা দেখা যায়; যেমন একটি যে কোন বাসায় হঠাৎ যদি আপনি প্রবেশ করলে সেই বাড়ীর নারীকে বা মেয়েটিকে আমরা কি অবস্থায় দেখবো? দেখবো তার হাত-পা ও মূখমন্ডল দেখা যাচ্ছে। তাহলে বোজা যাচ্ছে যে, হাত-পা ও মূখমন্ডল বাদে সমস্ত কিছু ঢাকাতে হবে। অযথায় শরীরের সমস্ত কিছু ঢাকার কথা কোরআন বলে নাই এটা আমাদের বেশী বাড়াবাড়ি।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৮
এস এ রায়হান বলেছেন: যা বুঝেন তাই করেন। আল্লাহ সবাইকে কবুল করুন
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪০
নাট বল্টু... বলেছেন: যে ব্লগে দিনে ১০০টা ধর্মিক পোষ্ট আসে, সে ব্লগকে বন্ধ করে দিতে বলে কোন বলদে??...