| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সন্যাসী
পরিবর্তন চাই- আপদমস্তক পরিবর্তন চাই। কুঠারাঘাত দিয়ে হলেও ভাঙতে চাই স্থবিরতার শৃঙ্খল।।
বুদ্ধিজীবি হত্যা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। এই লিংকে গিয়ে বুদ্ধিজীবিদের সংখ্যা ও নামের তালিকা দেখতে পারেন। শুধু একটা প্রশ্নই মনে জাগে কতটা পাশবিকতা মানুষকে এরকম একটি সিদ্ধান্ত নিতে প্রণোদিত করতে পারে?! পাশবিকতা শব্দটাও বোধ হয় একদমই যথার্থ নয় কারণ পশু কখনও এরকম আচরণ করে না।
২৫শে মার্চ রাত থেকেই পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী এদেশের শিক্ষক-ছাত্রদের হত্যা শুরু করে। ঐরাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও ছাত্রদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর পাক সামরিক বাহিনীর সাথে তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস পুরো মুক্তিযুদ্ধকালীন সারা দেশ জুড়েই এই হত্যাযজ্ঞ চালায়। ডিসেম্বরের প্রথমদিকে যখন পাকিস্তানের পরাজয় কেবল সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন তারা এদেশী দোসরদের সাথে বসে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের তালিকা করতে শুরু করে। যে মানুষ নামক জানোয়াররা এই কাজে সহায়তা করেছে তারা তখন মুক্তিযুদ্ধের সেই শেষ দিকে এসেও কীভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে এই খুনের জন্য সহযোগীতা করেছে তা আমার মনে কেবলই প্রশ্ন জাগায়। তারা জানত যে বাংলাদেশ স্বাধীন হচ্ছে এবং এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবেই তাদের এদেশে বাস করতে হবে। তবুও মুক্তিযুদ্ধের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে বাংলাদেশী এই জানোয়ারগুলো পাকিস্তানী সেনাবাহিনীদের সহায়তা করে যাচ্ছিল। পাক সেনাবাহিনীকে এদেশী বুদ্ধিজীবিদের নামের তালিকা প্রণয়ন করতে সাহায্য করা এবং ১৪ ডিসেম্বর পাক সেনাবাহিনীর সাথে মিলে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করার মত কোন্ যুক্তি থাকতে পারে এই জানোয়ারগুলোর মধ্যে?
যুক্তি অবশ্যই ছিল। পূর্ব পাকিস্তানকে যেহেতু তারা আর রাখতেই পারছেনা তাই পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করা আর তাদের দোসরদের উদ্দেশ্য ছিল যে চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সূচণা সেই চেতনার ধারকদের বিনাশ করা। পরবর্তীতে যখন এই দোসরগুলো আবার সংগঠিত হল এবং সাবেক সেনাশাসক জিয়াউর রহমান ধর্মের নামে তাদেরকে রাজনীতিতে প্রবেশ করার সুযোগ করে দিল তখনও তারা মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনাকে বিনাশে উদ্যোগী হল এবং এখনো সক্রিয় আছে।
বুদ্ধিজীবিদের তালিকা দেখলে আমরা দেখতে পাই পাকবাহিনী এবং রাজাকার-আলবদররা সবচেয়ে বেশী হত্যা করেছে শিক্ষকদের। মোট ৯৯০ জন শিক্ষককে তারা হত্যা করেছে। শিক্ষকদের মধ্যে আবার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তখন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে খ্যাত ছিল। উপমহাদেশের সর্বোচ্চ প্রগতিশীল শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমাদের মুক্তবুদ্ধি চর্চা তথা প্রগতিশীল সাহিত্যিক, শিল্পী, কবিদের অনেকেরই বিদ্যাপিঠ ছিল এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাদে আরো যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের মধ্যে দেখা যায় বেছে বেছে প্রগতিশীল সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ডাক্তার, পেশাজীবিদের নাম।
১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তাদের মধ্যে একটা দল ছিল নিস্ক্রিয়। কেবল চীনপ্রীতির জন্য তারা নিস্ক্রিয় থেকেছে। যদিও তাদের ভিতরে পরবর্তীতে এর পরিবর্তন দেখা যায়। বাকি ভারী দলটা যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সবধরণের সহায়তা করেছিল তাদের প্রধান পরিচয় তারাই বর্তমানে এদেশের ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক। চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে এরা প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে যে প্রগতিশীল, ধর্মনিরেপক্ষ চেতনার জন্ম দেয় তারই ফসল ১৯৭১। ভাষা আন্দোলনই বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা। যে চেতনাকে ইসলাম তাদের ধর্মের শত্রু বলে বিবেচনা করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটি অন্যতম প্রধান উপাদান ছিল ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা। সুতরাং দেখা যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে বুদ্ধিজীবি হত্যার মাধ্যমে রাজাকার-আলবদর-আলশামস সহ সকল মুক্তিযুদ্ধবিরোধী পাকিদোসরগুলো চেয়েছিল এদেশ থেকে প্রগতিশীলতা তথা মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিনাশ ঘটানো।
ধর্মগুলো সবসময়েই মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে গলাটিপে মেরে ফেলতে চাইলেও এ চর্চা থেমে থাকেনি। আমাদের মুক্তবুদ্ধি চর্চার ইতিহাস অনেক পূরাণো। ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুক্তবুদ্ধির দর্শণ চার্বাক দর্শণ। বাঙালীদের প্রথম এ জাতীয় দর্শণের সাথে পরিচয় ঘটে গৌতম বুদ্ধের দর্শণের মাধ্যমে। তাছাড়া বাঙালীর লৌকিক ঐতিহ্যের দিকে দৃষ্টি ফিরালে দেখতে পাওয়া যায় পাশ্চাত্য তথা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত কিছু সংখ্যক বাঙালীর মধ্যেই যে মুক্তবুদ্ধির চর্চা সীমিত থেকেছে এমন ধারণা মোটেই সত্য নয়। বরং প্রকৃতপক্ষে প্রাক-আধুনিককাল থেকেই বাংলার সাধারণ জনগন মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিবাদিতার চর্চা করে এসেছে নানা প্রতিকূলতার চাপের মধ্যেও। কখনো কখনো সে স্রোত-ধারা ক্ষীণ বা অবদমিত হয়েছে, কখনো বা উর্ধগামীও হয়েছে; কিন্তু কখনোই সে স্রোত একেবারে রুদ্ধ বা স্তব্ধ হয়ে যায়নি।
আমাদের দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার আরেক নিদর্শণ এদেশের বাউল সমাজ। লালন ফকিরের একটি জনপ্রিয় গান তুলে দিলাম।
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে।
লালন বলে জাতের কি রূপ
দেখলাম না এই নজরে।।
কেউ মালায় কেউ তসবি গলায়,
তাইতে যে জাত ভিন্ন বলায়।
যাওয়া কিম্বা আসার বেলায়,
জাতের চিহ্ন রয় কার রে।।
যদি ছুন্নত দিলে হয় মুসলমান,
নারীর তবে কি হয় বিধান?
বামন চিনি পৈতা প্রমাণ,
বামনী চিনি কিসে রে।।
জগত বেড়ে জাতের কথা,
লোকে গৌরব করে যথা তথা।
লালন সে জাতের ফাতা
ঘুচিয়াছে সাধ বাজারে।।
জালাল উদ্দীন খাঁর লেখায় দেখতে পাই-
ধর্ম হতে এই জগতে দলাদলিই কেবল সার
ভুলে পড়ে জালাল ঘোরে মন হইল না পরিষ্কার।
এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডময় একের মন্দ অন্যে কয়
করে কত হিংসার উদয় ঘৃণার চক্ষে চায় আবার,
কাগজের এই বস্তা ফেলে মহাসত্যের দেশে গেলে
ভেসে যাবে সব সলিলে ধর্ম বলতে নাই কিছু আর।
কিংবা- মানুষ থুইয়া খোদা ভজ, এ মন্ত্রণা কে দিয়াছে মানুষ ভজ
কবি দ্বিজ দাসের লেখায় ফুটে ওঠে স্পষ্ট অবিশ্বাস-
কেউ বলে আছ তুমি কেউ বলে নাই
আমি বলি থাকলে থাকুক না থাকিলে নাই।
যারে নয়নেও দেখি নাই শ্রবণেও শুনিনাই
আছ কি না আছ মেলে না প্রমাণ।
পাগল দ্বিজদাসের গান।
এদেশে এখন বাউল ভাস্কর্য ভাঙা হয়। কেন ভাঙা হয় তার উত্তর খুঁজতে দার্শণিক হতে হয় না। বাউলদের মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ধর্ম তথা ইসলাম ভয় পায়। যেন বাউলদের ভাস্কর্য ভাঙলেই ওঁরা বোবা হয়ে যাবে। ওঁদের সাহিত্য, ওঁদের গান মানুষের মন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। হুমায়ুন আজাদকে মেরে ফেলতে পারলেই যেন তাঁর সকল সাহিত্যকর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একাত্তরে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে যেমন ওরা বাঙালী জাতিকে মেধাহীন করেছিল, তেমনি এখনো এই জানোয়ারগুলোকে এতটুকু সুযোগ দিলে এরা নিশ্চিহ্ন করে দিবে বাঙালি জাতির সকল প্রগতিশীলদের।
বস্তুত হিন্দু, বৌদ্ধ, ইসলাম ইত্যাদি প্রথাগত ধর্ম আমাদের সমাজে অনুপ্রবেশ করেছে রাষ্ট্রযন্ত্রের শাসকদের ধর্মকে কেন্দ্র করেই। কিন্তু ঐ সব ধর্মগুলোই বাঙালী লোকসমাজে প্রবেশ করে ক্রমেই তাদের শাস্ত্রীয় বিশুদ্ধতা হারিয়ে লৌকিক ধর্মে পরিণত হয়েছে। বাঙালীর লৌকিক ধর্মগুলো প্রথাগত শাস্ত্রধর্মের রক্ষণশীল তত্ত্ব ও বিধানকে বরাবরই প্রত্যখান করেছে এবং সে প্রত্যাখানে লোকসাধারণের কাণ্ডজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধিই নির্ধারক ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছিল তার বিরাট একটা অংশ ছিল ছাত্র। তখনকার সময়ের প্রায় সকল প্রগতিশীল চিন্তার ছাত্ররাই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল এবং তাদের অনেকেই যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেছে। স্বল্পশিক্ষিত একটা জাতিগোষ্ঠির জন্য একসাথে এতগুলো ছাত্রের মৃত্যুই ছিল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তার সাথে বেছে বেছে শীর্ষ বুদ্ধিজীবিদের হত্যা জাতি হিসেবে আমাদের কতখানি পিছিয়ে দিয়েছে তার নিদর্শন আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আজ আমাদের দেশে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মানুষের বড়ই সংকট। শুধু সংকট নয়, তাদের জীবনই ঝুঁকিপূর্ণ। একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী যখন খুনের হুমকি পায় তখন থানায় যেতে ভয় পায়। কারণ এখন রাষ্ট্রীয়ভাবেই এ দেশে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে ঠেকানোর জন্য উঠে পড়ে লেগে থাকে সরকারগুলো। শুধু ক্ষমতার লোভে বি.এন.পির মত রাজনৈতিক দল ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির বিরোধিতা করে, ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের বিরোধিতা করে, জামাতের মত যুদ্ধাপরাধী দলের সাথে জোট বাঁধে। আওয়ামী লীগের মত রাজনৈতিক দল মাদ্রাসা শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার সমতুল্য ঘোষণা দেয়। বিসমিল্লাহ আর রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের সাথে ধর্মনিরপেক্ষ নামক এক জগাখিচুরী সংবিধানের খসড়া অনুমোদন করে। ভোটের আগে আওয়ামী রাজনীতিবিদের সাথে রাজাকারের কোলাকুলির ছবি দেখতে পাই পত্রিকায়। এটা এখন আর বুঝতে বাকি নেই যে, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের দাবীকে উপেক্ষা করতে পারেনি বলেই আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধী বিচারের কাজ হাত নিয়েছে, মোটেই স্বেচ্ছায় নয়।
বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা না হলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে বর্তমানের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে থাকতাম এরকম আমি নিশ্চিত করে বলছি না। তবে আমাদের দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার এই বেহাল অবস্থা হতো না এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। প্রগতিশীলতার এমন অপমৃত্যু হতো না। আমরা হতাম না এমন নৈতিকতাহীন জাতি। যে বুদ্ধিজীবিদের সেদিন হত্যা করা হয়েছিল তারা একদিকে যেমন এ দেশকে আরো অনেক কিছু দিতেন, তেমনি এই পাকি শুয়োরদের সহায়তাকারী এদেশী জানোয়ারগুলোর আস্ফালনও এতখানি বৃদ্ধি পেত না। এদেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারীদের জীবন এমন বিপন্ন হতো না। বিপন্ন হতো না এ জাতির ভাগ্যাকাশ।
*লেখাটিকে কিছুটা এডিট করে নতুন করে সাজানো হলো।
২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৩
জয়েনটু বলেছেন: পোষ্ট প্রথম পেলাচ দিলাম..........ধর্মের নামে যে পাশবিক অত্যাচার চিরতরে নিপাক যাক। কুকুরদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হোক, যারা মেধা-মননকে গলাটিপে হত্যা করেছে এবং বর্তমানে ও করতে চাচ্ছে।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০১
সন্যাসী বলেছেন: ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাহীন করে তার ফায়দা লুটছে আজ সেই কুত্তাগুলো। কুত্তাগুলোকে যেদিন ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে দেখব সেদিন চোখদুটো শান্তি পাবে।
৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫২
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: এই ধরণের পোস্ট বা ছবি দেখলে লজ্জ্বায় মাথা নেমে আসে।
আর কতকাল পরে দেশের সবকটা পত্রিকার পাতায় ফাঁসি দেয়া ধর্মব্যবসায়ী রাজাকারদের ছবি ছাপা হবে?
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৭
সন্যাসী বলেছেন: হ্যাঁ, পাপতাড়ুয়া ভাই। ছবিগুলো সিলেকশনের সময়ে যখন ছবিগুলোর দিকে তাকাচ্ছিলাম তখন আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। পোস্ট দেয়ার পরেও তাকাতে ছবিগুলোর দিকে তাকাতে পারছি না।
আর কতকাল পরে দেশের সবকটা পত্রিকার পাতায় ফাঁসি দেয়া ধর্মব্যবসায়ী রাজাকারদের ছবি ছাপা হবে?
আমরা যতই মনে প্রাণে চাই....কোনদিন দেখতে পারব বলে মনে হয় না। দেখতে পারলে চোখ দুটো শান্তি পেতো।
৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৪
নাঈম বলেছেন: +
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, নাঈম। আপনার সিরিজ পোস্ট দেখেছি। চলতে থাকুক।
৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৩
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: খুবই অনুপ্রানিত আমি- এই পোষ্ট দেখে। এই হত্যাকান্ড যারা ঘটিয়েছে- তাদেরকে আমরা আড়াল করি,তাদেরকে আমরা সমর্থন করি- এমনটা ভাবলে- আর কিছুই ভালো লাগেনা।+
শুভকামনা আপনার জন্য।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৮
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, জিসান শা ইকরাম। আপনার জন্যও শুভ কামনা।
৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৩
আলিম আল রাজি বলেছেন: প্লাস। এবার পড়ি।
ধারনা করছি অসাধারণ হবে।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৯
সন্যাসী বলেছেন: পড়ার আগে পেলাস দেওয়া ঠিক না। আমিও পড়ার পরে মন্তব্যের উত্তর দিমুনে।
৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২২
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: চোখ ভেসে যায় জলে...
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৮
সন্যাসী বলেছেন: আমি জানিনা আপনিও আমার মত আবেগী কীনা। আমার চোখ সত্যিই জলে ভাসছে....
ভাল থাকবেন।
৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
প্রাণের বিনাশ আছে, চেতনার বিনাশ নেই। আমাদের উচিত চেতনার আলো ছড়িয়ে দেয়া। বাংলাদেশকে কখনই ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গী রাষ্ট্র হতে দেবোনা আমরা।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪১
সন্যাসী বলেছেন: প্রাণের বিনাশ আছে, চেতনার বিনাশ নেই। সে চেতনাকে আলোতেই আমরা এদেশে বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার দেখতে চাই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। বিচার চাই। কোন আপোশকে আমরা তরুণ সমাজ মেনে নেব না।
ভাল থাকবেন হামা ভাই।
৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই একটা জায়গায় পাকি আর তার দোসর রাজাকাররা জিতে গেছে। চারিদিকে সবক্ষেত্রে আমাদের যেসব নীতিহীনতা প্রতিদিনই গ্রাস করছে তার মূলে রয়েছে এই সব সূর্য সন্তানদের অনুপস্থিতি। স্বাধীনদেশে তাদের উপস্থিতি হয়তো নীতিবান, প্রগতিশীল একটা জাতির উন্মেষ ঘটাতো।
আমরা কি হেরে যাব শেষ পর্যন্ত ? ভয় হয়।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০
সন্যাসী বলেছেন: আপনার মত আমিও মনে করি একটি জাতির উন্মেষলগ্নে আমাদের সূর্যসন্তানদের হত্যা আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে অনেক বছর। আমরা তাঁদের দিক নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমাদের বর্তমান নৈতিকতাহীনতার জন্য বুদ্ধিজীবি হত্যা অনেক বেশি দায়ী। ভাল থাকবেন ক্যামেরাম্যান ভাই।
১০|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৯
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীকি দিবস উপলক্ষে এই পোষ্ট ষ্টিকি করার অনুরোধ রইলো।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৪
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান ভাই। সামুব্লগের নীতিমালায় পড়ে কীনা এটাও দেখার বিষয়। নাগরিক ব্লগ এটাকে স্টিকি করেছে। এক ব্লগে যেটা স্টিকি করা হয়েছে তা সামহোয়্যারইন ব্লগেও স্টিকি করার নিয়ম আছে কীনা আমার জানা নেই।
১১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩১
শরৎ চৌধুরী বলেছেন: প্রিয়তে গেল।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৮
সন্যাসী বলেছেন: আপনার প্রিয় পোস্টের তালিকায় নেয়ার জন্য প্রীত হলাম। ভাল থাকবেন।
১২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩২
আলিম আল রাজি বলেছেন: প্রতিটা লাইনের সাথে একমত।
এরকম একটি পোস্টের দরকার ছিলো।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৭
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, রাজি। শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রাক্কালে আমাদের সকলের দাবীই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করবে আশা রাখি।
১৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৫
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: এ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। সবেচেয়ে জঘন্য বিষয় হল বুদ্ধিজীবিদের এই হত্যাকান্ডকে এ দেশের ইসলাম পন্থী সংগঠনগুলো কোন ঘটনাই মনে করে না। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এদের অবস্থানকে যথাযথভাবে মুল্যায়ণ না করেই তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটায় এই বলে যে তারাই নাকি পাকিস্তানের দালাল ছিল যে কারণে তারা নয় মাস বহাল তবিয়তে থেকেছে! আরো কতশত অপপ্রচারণা যে রয়েছে তা জানলে অবাক হবেন।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৯
সন্যাসী বলেছেন: সবেচেয়ে জঘন্য বিষয় হল বুদ্ধিজীবিদের এই হত্যাকান্ডকে এ দেশের ইসলাম পন্থী সংগঠনগুলো কোন ঘটনাই মনে করে না।
মনে করত ঠিকই। তাদেরকে মনে করাতে পারিনি এটা জাতি হিসেবে আমাদের লজ্জার বিষয়।
আপনার কাছে ওদের যেসব তথ্য পাই তা জেনে অবাক হতে হয়। ওরা জাস্টিফাই করতে চায় যে ওরাই সঠিক। এর চেয়ে লজ্জার আর কী থাকতে পারে আমাদের জন্য।
১৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৫
বিপ্লবী স্বপ্ন বলেছেন: দূর্দান্ত পোষ্ট।
এইসব কথাগুলা কেউ বলতে চায় না? খালি একদিন রায়েরবাজার গেলেই সব হয়ে যায় না, এই আদর্শকে ধারণ করতে হয়।
জাতির শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪১
সন্যাসী বলেছেন: জাতি হিসেবে আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রাক্কালে আমাদের সকলের দাবীই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করবে আশা রাখি।
১৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৫
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: ছবিগুলো দেখে আরেকবার কমেন্ট না করে পারলাম না। এগুলা এই বাংলায় চালানো হত্যাকান্ডের ছবি! আপনার কমেন্টে এত সভ্য গালী দেখে মনে হল আমরা গালীও দিতে জানিনা। অকথ্য ভাষায় এদের কিছু বলতে ইচ্ছে করছে।
পোস্ট কয়েকবার পড়লাম, প্রতি বছর এ দিবসটি আসে আর আমরা কতগুলো ফাকাবুলি আউরিয়ে যাই, এর পরিবর্তনে মুক্তপথিকদের লিখে যেতে হবে, কাজ করতে হবে ময়দানে।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: সত্যিই আনাস ভাই, আমি গালাগালি দিতে জানিনা। যে দুটি শব্দ 'শুয়োর আর কুত্তা' ব্যবহার করেছি তাও একান্তই প্রয়োজনীয় হয়েছিল তাই। শব্দ দুটো ব্যবহার না করলে আমি পাকি শুয়োর আর এদেশী দোসর কুত্তাগুলোর উপর রাগ কিছুতেই কমাতে পারছিলাম না।
১৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৭
সুস্ময় পাল বলেছেন: এই পোষ্ট মাত্র ৫৫ বার পঠিত!কি বলব।
এটা কমপক্ষে ১০০০ বার পঠিত হওয়া উচিৎ।
আমি মাঝে মাঝে ভাবি সেসব বুদ্ধিজীবি যদি আরো ১০টা বছর বাঁচত,তাহলে আমরা জাতি হিসেবে কোথায় চলে যেতাম।
কিন্তু পাকি হারামজাদাগুলো সে সুযোগ দিল না।আমরা তাই ১ যুগ পিছিয়ে গেলাম।এ ক্ষতি সহজে পুষাবে না।
পাকি জাতি আজ তাদের কর্মের প্রায়শ্চিত্ত করছে।তাদের দেশে গৃহযুদ্ধ চলছে।এটাই তাদের শাস্তি।
আপনার লেখা ভালো লাগল।শোকেসে নেবার মত।
তা-ই করলাম।সরাসরি শোকেসে।
সাথে একটা প্লাস অবশ্যই প্রাপ্য আপনার।
ক্যামেরাম্যানের সাথে একমত।১৪ তারিখ এটা ষ্টিকি করা হোক।মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫২
সন্যাসী বলেছেন: পাকি জাতি আজ তাদের কর্মের প্রায়শ্চিত্ত করছে।তাদের দেশে গৃহযুদ্ধ চলছে।এটাই তাদের শাস্তি।
ভাই সুস্ময়, এই ভেবে আমি মোটেই শান্তনা খুঁজে পাই না। আমার দেশের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য পাকিস্তানী সামরিকবাহিনীর আন্তর্জাতিক আদালতে যদি বিচার হত তাহলে হয়তো একটু শান্তনা পেতাম। তা আর হবার নয়। কিন্তু এদেশী কুত্তাগুলোর শাস্তি যদি দেখতে পারতাম!
১৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০
আলিম আল রাজি বলেছেন: আমারও আবেদন। পোস্টটা স্টিকি হোক।
১৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: পোস্ট স্টিকি হোক......।।
১৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১২
সন্যাসী বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। যারা এ দাবী তুলেছেন তাদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
২০|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৩
কবির চৌধুরী বলেছেন: পোস্টে প্লাস।
@ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই একটা জায়গায় পাকি আর তার দোসর
রাজাকাররা জিতে গেছে। চারিদিকে সবক্ষেত্রে আমাদের যেসব নীতিহীনতা প্রতিদিনই গ্রাস করছে তার মূলে রয়েছে এই সব সূর্য সন্তানদের অনুপস্থিতি। স্বাধীনদেশে তাদের উপস্থিতি হয়তো নীতিবান, প্রগতিশীল একটা জাতির উন্মেষ ঘটাতো।
আমরা কি হেরে যাব শেষ পর্যন্ত ?
না কখনই না, শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে।।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৫
সন্যাসী বলেছেন: আমরা হারব না। কখনোই হারব না। বাঙালীর ইতিহাস হারার ইতিহাস নয়।
২১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২০
সুস্ময় পাল বলেছেন: কিরে জিতে গেলাম নাকি!পোষ্ট দেখি ষ্টিকি করা হয়েছে।ভাল,খুব ভাল।খুব খুশি হলাম এত তাড়াতাড়ি ষ্টিকি করার জন্য।
মডারেটরদের ধন্যবাদ।
২২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২১
দুরের পাখি বলেছেন: আমরা হারব না ।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৯
সন্যাসী বলেছেন: আমরা হারব না। আমরা হারলে যে তলিয়ে যেতে হবে অন্ধকারে। আমরা অন্ধকারে হারাতে চাই না। আমাদের ইতিহাস হারার নয়।
২৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২১
পারভেজ আলম বলেছেন: এই পোস্টটার জন্যই ব্লগে আসছিলাম। ঢুকতে না ঢুকতেই স্টিকি পাইলাম। কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ। পড়লাম এবং কিছু নিয়ে গেলাম।
আমাদের ভুখন্ডে মুক্তচিন্তার ইতিহাস অত্যন্ত পুরনো। এদেশের মুক্তচিন্তকদের উপর প্রতিক্রিয়াশীলদের খড়গও নেমে এসেছে অনেকবার। তবে একাত্তরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মতো এত বর্বোরচিত হামলা আর কখনো হয় নাই। দুঃখের বিষয় এই ক্ষতি আমরা এখনো সামাল দিতে পারি নাই। বুদ্ধিজীবী বরাবরই দুই ধরণের হয়, আধিপত্ত্ববাদীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ দালাল বা মাথা নোয়ানো বুদ্ধিজীবী এবং গণবুদ্ধিজীবী। একাত্তরে আমরা জহির রায়হানের মতো গণবুদ্ধিজীবীদের হারিয়েছি। এই ক্ষতি এখনো সামাল দেয়া যায় নাই। আমাদের চোখের সামনের বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অনুকরণীয় হিসেবে কাউকে খুঁজে পাওয়া দুস্কর। নতুন প্রজন্মের মুক্তচিন্তকদের জন্য লড়াইটা তাই বড়ই কঠিন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪০
সন্যাসী বলেছেন: পারভেজ ভাই, ১৯৭১ এ যারা বুদ্ধিজীবি ছিলেন তারা বর্তমান বুদ্ধিজীবিদের মত আধিপত্ত্ববাদীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ দালাল বা মাথা নোয়ানো বুদ্ধিজীবী খুব কমই ছিলেন। ছিলেননা বললেই চলে।
২৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৪
হিমু ব্রাউন বলেছেন: অসাধারণণণণণ!!
সোজা প্রিয়তে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রইল হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধাজ্ঞলী।
সন্যাসী দা কে বিশেষ ধন্যবাদ চমৎকার এই পোস্টটি দেয়ার জন্য।
২৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৫
পারভেজ আলম বলেছেন: কিন্তু আমরা হারতে রাজি না @ দুরের পাখি
২৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৬
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে না পারলেও ওরা সেই আদর্শের বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে। আজ সরকারের প্রধান সেইসব হত্যাকারীদের জড়িয়ে ধরে ছবি তোলাতে গর্ব বোধ করেন। ধিক্কার এই ক্ষমতালোভীদের। ধর্মের আড়ালে কোনো অপরাধীকে বাঁচতে দেওয়া চলবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
২৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৬
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই একটা জায়গায় পাকি আর তার দোসর রাজাকাররা জিতে গেছে।
আমার মনে হয় তারা আংশিক সফল হয়েছে, তালিকার সবাই কে হত্যা করতে ব্যার্থ হয়েছে।
For more info
Click This Link
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩০
সন্যাসী বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ে আসলাম। রাজাকাররা কী বলে তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
২৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৭
দুরের পাখি বলেছেন: ফেইসবুকে শেয়ার দিলাম ।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৩
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ পাখি ভাই।
২৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৪
যম দুত বলেছেন: Click This Link
৩০|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৫
তির্থক আহসান রুবেল বলেছেন: ভাল লাগলো। আমার কম্পিউটার আমাকে ধ্বংশ করে দিচ্ছে। তাই নতুন পোষ্ট দিতে সমস্যা হচ্ছে।
+ দিয়ে ভাল লাগছে।
৩১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৫
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: পোস্টা স্টিকি করা হয়েছে মনে হয়, মডারেটরদের ধন্যবাদ, ধর্মব্যবসায়ীদের ভয়ে এই জাতি আজ আর ভীত নয়, তবে তারা তরুন প্রজন্মের মগজ ধোলাইয়ে অনেক বেশী স্বার্থক, এ ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে সবাইকে একসাথে কিছু করার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি।
৩২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৮
সায়েম মুন বলেছেন: পোষ্টটি ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ!!
লেখক'কে ধন্যবাদ এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটা পোষ্টের জন্য!!
৩৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৮
আলিম আল রাজি বলেছেন: মডারেটরদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
৩৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪১
সবাক বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করতে দেখে খুব আনন্দিত হলাম। ![]()
সন্যাসী দা'র এ লেখাটি মাস্টারপিস হয়েছে। মনযোগ দিয়ে পড়ার মতো একটি লেখা।
৩৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৩
সাদা ছায়া বলেছেন: সামুর মডারেটরদের অসংখ্য ধন্যবাদ পোস্টটা স্টিকি করার জন্য
৩৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৯
শরৎ চৌধুরী বলেছেন: ভাবগতিক দেইখা মনে হইতাছে, ছাগুগো লেঞ্জে আগুন লাগছে..মাইনাস বাড়তাছে। ..দার টাইম নাই..দৌড়ের উর্পে থাক গেলমান সকল।
৩৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫২
কথক পলাশ বলেছেন: জানি এ ক্ষতি পূরণ হবার নয়। তাতে আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। হয়তো উনাদের একজনের সমান হতে আমাদের ১০০ জন লাগবে; কিংবা তারও বেশি-কিন্তু অসম্ভব তো নয়! আমরা যদি এসব তীব্র অতীতকে চোখের সামনে রেখে নিজেদের তৈরি করি দেশের সন্তান হিসেবে-তাতে শহীদদেঁর আত্মা শান্তি পাবে।
আর কিছু হতে না পারি, দেশের দীর্ঘশ্বাস হবনা।
কক্ষনো না।
সুন্দর একটি লিখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৭
কাদামাটি বলেছেন: অতিকায় হস্তি লোপ পাইয়াছে......কিন্তু তেলাপোকারা আজো বর্তমান।
পাকি জারজ রাজাকার,আলবদর,আল-সামস এর ফাসি চাই,দিতে হবে....।
৩৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০০
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: কিছু ইসলামের নামধারী মোনাফেকের জন্য ৭১ সালে বাঙালী বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়। তার মানে এই নয় যে এর জন্য ইসলাম ধর্ম দায়ী। লেখক এই অন্যায় হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার চাইতে গিয়ে পুরো ইসলাম এবং বাংলাদেশের ৯০% মানুষের ধর্মকে কটাক্ষ করেছেন। লেখক ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেছেন এবং ইতিহাসও খানিকটা বিকৃতি করেছেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উদ্যোগতা ছিল তমুদ্দন মজলিস। যারা ইসলামী ভাব ধারার এবং প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম সাহেব সেই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বরই উর্দূর সাথে বাংলাকে সম মর্যাদার ব্যাপারে কথা তোলেন;
http://en.wikipedia.org/wiki/Tamaddun_Majlish
কিন্তু কিছু নাস্তিক তথাকথিত মূক্তমনারা তমুদ্দন মজলিশের এই কৃতিত্ব ছিনতাই করে নিয়েছে। ভাব খানা এমন যে বাংলাদেশের ৯০% মানুষ নাস্তিক ও ধর্মনিরপেক্ষ। জি না, তারা মুসলমান এবং সচেতন ছিল বলেই পাকি, রাজাকারদের বিরুদ্ধে আমরা জয়ী হতে পেরেছি। ৭১এ ইসলামের দোহাই দিলেও ইসলাম যে পাকি ও রাজাকারদের পৈতৃক সম্পত্তি নয় সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। সব কিছুতেই একটা ভারসাম্য দরকার যাকে বলা হয় চেক এন্ড ব্যালান্স। আস্তিক ও নাস্তিক সকলেই একে অপরকে শ্রদ্ধা করবে। কিছু উগ্র আস্তিক এবং কিছু উগ্র নাস্তিকের জন্য সমাজ ও দেশে অশান্তি না লাগে সে ব্যাপারে আমাদেরকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হলেও তা শরীয়া রাষ্ট্র নয়। তাই আমাদের উচিত ধর্ম ও গণতন্ত্রের সমন্বয় গড়ে তোলা। তবেই আস্তিকরা শান্তিতে নিজ নিজ ধর্ম পালন এবং নাস্তিকরাও তাদের নিজস্ব ধ্যাণ ধারণার মূক্ত চর্চা করতে পারবে। একটি কথা আমি সব সময় মনে রাখি আমি যা ভাবি বা যে পথে চলি তা সবাইকেই চলতে হবে তা ঠিক না। তবে আমি বিষয়গুলোকে শেয়ার করতে পারি।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১২
সন্যাসী বলেছেন: আমি ইসলামকে কটাক্ষ করিনি। লেখার বিষয়বস্তু হল "বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ড আমাদের মুক্তবুদ্ধি চর্চার পথকে বিপদসংকুল করেছে এবং আমাদের নৈতিকতাহীন জাতিতে পরিণত করেছে"। এখন যদি আমি প্রশ্ন করি কে বিপদসংকুল করেছে? তাহলে আপনি যে উত্তরটা পাবেন আমিও সেই উত্তরটা পাব।
আপনি আরেকটু ভুল বুঝেছেন-আমি বলেছি ভাষা আন্দোলন বাঙালীর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার জন্ম দিয়েছে। একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে যদি নাস্তিকতাবাদ বোঝেন তাহলে আমার কিছু বলার নেই। অবশ্য ধর্মনিরেপক্ষতাকে ধর্মহীনতা বলে অপপ্রচার করা হচ্ছে অনেকদিন আগে থেকেই। আপনার মন্তব্যের শেষ অংশের সাথে পুরোই একমত।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৩
সন্যাসী বলেছেন: তমুদ্দন মজলিসের অন্যতম সদস্য আবুল মুনসুর আহমেদের হুজুর কেবলা গল্পটা পড়েছেন কি? না পড়লে এখানে পড়ে নিতে পারেন। যদি গল্পের থিমটা ধরতে না পারেন, মন্তব্যগুলো পড়লে ধরতে পারবেন। গল্পটা পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন তমুদ্দন মজলিস আর বর্তমান জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে কতখানি পার্থক্য। তারা কতখানি মুক্তমনা ও প্রগতিশীল ছিলেন তাও ধরতে পারবেন।
৪০|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০২
আলিম আল রাজি বলেছেন: এই পোস্টের মাইনাস সংখ্যা শূওরের বাচ্চা জামাতিগুলার গুয়ায় জালাপোড়া করার পরিমানের সমানুপাতিক
দেখা যাক, জালাপোড়া কোন পর্যন্ত যায়...
৪১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
পোষ্ট টা স্টিকি করার জন্য- সামহোয়ার ব্লগ টিমকে অভিনন্দন।
একটা অনুরোধ: কিছু ব্লগার মাইনাস দিছে। তাদেরকে ইচ্ছা করলেই আপনারা বার করতে পারেন। ওদেরকে দয়া করে - ছুরে ফেলুন।
আর আমি ওদেরকে কিছু গালি দিতে চাই- এর অনুমতি দিন।
৪২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১১
রাতমজুর বলেছেন:
সন্যাসী'দা
মডুকে ধন্যবাদ এটাকে স্টিকি করাতে, আপনাকে ধন্যবাদ এমন একটা লেখা উপহার দেওয়াতে।
সেদিন হায়নার বাচ্চারা আর ওদের এদেশী শুয়োর বন্ধুরা আমাদের মাথাগুলো কেটে ফেলেছে, নইলে আমরা অন্ততঃ এত বিশৃংখল আর এত ভাগে ভাগ হওয়া জাতি হতাম না, পারতো না লীগ আর দল আমাদের চুষে খেতে এভাবে। শিক্ষিতের মর্ম এখনকার মতন সার্টিফিকেট হয়ে দাঁড়াতো না, হতো সত্যিকার শিক্ষা।
একটা অনুরোধ, আমার নিজের মতবাদ বলতে পারেন, যারা নিজেদের কুকর্ম জায়েজ করতে ধর্মের আড়ালে লুকোয়, তাদের সাথে কথা নেই কোন, সাধারনত ইগনোর আর বেশী বাড়লে লাথি। ইদানিং ওদের আগের কভার আর চলে না, কারন ধর্মকারীরা এখন আর অতটা অন্ধ নয়, আশা করছি খুব জলদিই একটা আশা পূরন হবে আমার যেদিন ধর্মকারীরাই নিজেদের ধর্ম রক্ষার্থে এসব ধর্মজীবিদের প্রতিরোধের ডাক দেবে, যেদিন মুসলিমেরা বুঝবে ইসলাম আর জামাতে-ইসলাম এক নয়।
ভালো থাকুন।
৪৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৯
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: @বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
আমিও শুনেছিলাম যে গোলাম আযম নাকি ভাষা সৈনিক এবং তিনিই ভাষা আন্দোলনের প্রধান সংগঠক ছিলেন, কিন্তু একাত্তুরে তার কর্মকান্ড খুব বেশী বিতর্কিত।
তাই আমাদের উচিত ধর্ম ও গণতন্ত্রের সমন্বয় গড়ে তোলা। তবেই আস্তিকরা শান্তিতে নিজ নিজ ধর্ম পালন এবং নাস্তিকরাও তাদের নিজস্ব ধ্যাণ ধারণার মূক্ত চর্চা করতে পারবে। একটি কথা আমি সব সময় মনে রাখি আমি যা ভাবি বা যে পথে চলি তা সবাইকেই চলতে হবে তা ঠিক না। তবে আমি বিষয়গুলোকে শেয়ার করতে পারি।
সমস্যাটা হচ্ছে ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম গণতন্ত্র সমর্থন করে না। এই ব্লগে হিজবুতিদের জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। আস্তিক নাস্তিকদের মধ্যে যারাই সম্মানজনক সহাবস্থানের কথা বলে, তাদের সাথে বিরোধ হবে এমন কোন সম্ভবনাই নেই। কিন্তু ধর্মকে ব্যবহার করে যারা, যারা শরীয়া আইন বাস্তবায়নের কথা বলে, যারা জাতীকে পশ্চাদপদ শিক্ষা ব্যবস্থায় আবদ্ধ রাখতে চায়, তাদের সাথে সহাবস্থান কিভাবে সম্ভব তা আমার মোটেই বোধগম্য না।
৪৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২০
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: অনেক কিছুই অজানা ছিল । এই পোষ্টটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম । ধন্যবাদ এমন একটি পোষ্ট দেয়ার জন্য ।
৪৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২১
হোদল রাজা বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। কাল হয়তো বাবাকে পড়তে দেবো।
অনেক ধন্যবাদ!
৪৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৭
ঘটলা বলেছেন: দুঃখিত সর্বক্ষেত্রে সহমত হতে পারলাম না। কতিপয় ইসলামের লেবাসধারী মুনাফিকের জন্য ইসলামকে এভাবে ছোট না করলেও পারতেন।
৪৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৮
মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট। পোস্টটা স্টিকি করার জন্য মডুদের ধন্যবাদ....
সকল নরপশু নিপাত যাক।।।
৪৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৮
জ্ঞানী বালক বলেছেন: স্টালিন সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য মেরেছিল কোটি কোটি মানুষকে। এক পোল্যান্ডেই একদিনে তার হুকুমে মেরেছিল ২০০০। যেটা পুতিন স্বীকার করে নিয়েছে।
বুদ্ধিজীবি হত্যা অন্যায় কিন্তু এর সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামকে জড়ানোর জন্য মাইনাস।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
সন্যাসী বলেছেন: দেখুন আমি মোটেও ইসলামকে জড়াইনি। এই অন্যায় হত্যাকাণ্ডের সাথে ঐতিহাসিকভাবে ইসলাম জড়িত। আপনারা তাকে যে ইসলামই বলেন না কেন। এটাকে ভিন্নভাবে দেখতে হলে কীভাবে দেখতে হবে একটু বলবেন প্লিজ।
৪৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৮
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ স্টাডি-ইটিই, সে জন্যেই তো বলেছি যে চেক এন্ড ব্যালান্স। ইসলাম গোলাম আযম অথবা পাকিদের পৈতৃক সম্পত্তি নয়।
গণতন্ত্রের সাথে ইসলামের সমস্যা বিদ্যমান। অস্বীকার করব না। তবে এর সমাধান অসম্ভব নয়। স্রেফ সৌদি ও ভ্যাটিকান রাষ্ট্র দ্বয় পুরোপুরি ধার্মিক রাষ্ট্র থেকে বিশ্বের বাকী দেশ গুলো যার যার ম্যাজরিটি ধর্মের সাথে গণতন্ত্রেরও সমন্বয় করতে পারে। যূগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও মতবাদ সমন্বয় করা যায়। বিশেষ করে আমাদের মুসলমানদের আরও উদার হতে হবে। কোন নাস্তিক অহেতুক আক্রমণ না করলে তাকে কোনদিনও আমাদের মুসলমানদের উচিত হবে না তার নিজস্ব জীবন যাপনে বাধা দেওয়া ও মনে আঘাত করা। রাসুল(সাঃ) বিদায় হজ্জের সময় বলে গেছেন ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করিও না, অতীতে অনেক জাতি ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই সব কিছুরই একটা সীমা থাকা উচিত।
৫০|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৬
ইশিন বলেছেন: ++
৫১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: '..... যেন বাউলদের ভাস্কর্য ভাঙলেই ওঁরা বোবা হয়ে যাবে। ওঁদের সাহিত্য, ওঁদের গান মানুষের মন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। হুমায়ুন আজাদকে মেরে ফেলতে পারলেই যেন তাঁর সকল সাহিত্যকর্ম বিলু%E
৫২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৮
কামাল_কক্সবাজার বলেছেন:
বুদ্ধিজীবি হত্যা অন্যায় এবং এর বিচার চাই কিন্তু এর সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামকে জড়ানোর জন্য পোস্টদাতাকে মাইনাস।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
সন্যাসী বলেছেন: আমি মোটেও ইসলামকে জড়াইনি। এই অন্যায় হত্যাকাণ্ডের সাথে ঐতিহাসিকভাবেই ইসলাম জড়িত। আপনারা তাকে যে ইসলামই বলেন না কেন। এটাকে ভিন্নভাবে দেখতে হলে কীভাবে দেখতে হবে একটু বলবেন প্লিজ।
৫৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪১
কবুতর সন্ধানী বলেছেন: পিলাচ এবং পিলাচ......+ পিয়তে।
১১জন রাজাকার এই লেখাটা পড়েছে এই পর্যন্ত।
৫৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৪
নাজমুল নয়ন বলেছেন: গাজী ইলিয়াস এর ঠিকানা এবং লোকেসান
Click This Link
৫৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৭
চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: আহা আমি যদি অই মারা মানুষদের দলে থাকতে পারতাম ++++
তাইলে ভাবতাম কিছু তো করতে পারছি দেশের জন্য
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫১
সন্যাসী বলেছেন: এমন হৃদয় ছোঁয়া মন্তব্য পেয়ে আমার পোস্টটা সার্থক হলো। ভাল থাকবেন।
৫৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৯
এক্স বলেছেন: পাকিস্তানি সেনাশাসকদের ম্যাসাকারের দায় আপনি ইসলামের উপর চাপাচ্ছেন কেন? হাসিনা বলে তাই কি আপনিও বলেন? শহীদ বুদ্ধিজীবিরা ব্রাকেটবন্দী মুক্তচিন্তাশীল ছিলেন না তারা ছিলেন শুভবুদ্ধির চিন্তাশীল. তারা সাম্রাজ্যবাদ ও শোষনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন এবং সাম্রাজ্যবাদ যে সকল যন্ত্র ব্যবহার করত তার বিরুদ্ধেও বলতেন. তারা ধর্মের মুখোশে সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, ধর্মের বিরুদ্ধে নয়. ডিসেম্বর আসলেই বিকৃত ইতিহাসের এই যুগে আজকে আমাদের সব বিচিত্র সব কথা শুনতে হচ্ছে.
স্বাধীনতা পরবর্তী শহীদ জহির রায়হানের অসমাপ্ত রিপোর্টটা আবার পড়েন তারপর নিচের প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে দেখুন...
পরাজয়ের শেষ মূহুর্তে বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা করেছে কে? মার্কিন পলিসি মেকাররা.
বুদ্ধিজীবি হত্যার লিস্ট তৈরি করেছে কে? মার্কিন সরকারের ২ জন গোয়েন্দা.
বুদ্ধিজীবি হত্যার ইম্প্লিমেন্টেশন কে করেছে? রাও ফরমান আলি
বুদ্ধিজীবি হত্যায় ফিল্ডে কাজ কে করেছে? আল বাদর, শামসের ছেলেরা..
আমাদের বুদ্ধিজীবি যে কয়জনকে মারা হয়েছে তারা সবাই ছিলেন একেকজন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি. তারা কেউ ইসলাম বিরোধিতার জন্য শহীদ হননি, তারা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার জন্য শহীদ হয়েছিলেন.
স্বাধীনতা পরবর্তীতে বাংলাদেশে যেন সাম্রাজ্যবাদ আবারও ফিরে আসতে পারে সেজন্যই পথের কাঁটা সরাতে ওই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়. তারা একটা সুন্দর দেশের জন্য মারা গিয়েছিলেন. মরার আগে অন্তত একটা জিনিস তাদের সান্ত্বনা দিত যে তাদের ত্যাগে একটা সুন্দর দেশ হবে যেখানে সাম্রাজ্যবাদীদের কোন স্হান থাকবেনা.
শহীদ বুদ্ধিজীবিরা যদি দেখতেন যে কিভাবে সাম্রাজ্যবাদীদের দোসর আল বাদর, শামস, দের জেরা না করে তাদের পরবর্তী সোনার ছেলেরা ইসলাম বিদ্বেষী চক্রান্ত বাস্তবায়নে তাদের আত্মত্যাগকে ব্যবহার করছে তবে তারা কবর আর চিতাতেও পাশ ফিরে শুতেন.
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের কি দিয়েছেন আপনারা যে তাদের জানাযা নিয়ে আপনারা এত বড় বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন? সাম্রাজ্যবাদী ভারতের রেললাইন বানানোর জন্য নিজ দেশের গরীবদের উপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে, ফারাক্কা-তিস্তা-টিপাইমুখের বিরোধিতা না করে, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের নৌঘাঁটি বানিয়ে ঠিকই আওয়ামী-বিএনপি সরকার ক্রমাগত মূত্রবিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের কবরে, আর সেই সাম্রাজ্যবাদী দালালদের কাতারের পিছনে দাঁড়িয়ে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে ইসলামের দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন....
ধিক ধিক ধিক এইসব নীচাশয় প্রতারকদের....
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৭
সন্যাসী বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যায় ফিল্ডে কাজ কে করেছে? আল বাদর, শামসের ছেলেরা..
এই একটা লাইনকেই আমি আলোকপাত করার চেষ্টা করেছি। এবার বলুন এই আলবদর, আলশামস কারা? তাদের পরিচয় কী? তাদের পরিচয়ের পিছনের কারণ কী? কেন তারা আলবদর, আলশামস হয়েছিল?
সেসময়ের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছিল এর বিরোধীতা বোধ হয় করবেন না।
এটা কিছুতেই বলবেনা প্লিজ যে তারা আপনাদের হিজবুতি পক্ষের ছিলেন
৫৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৯
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: এই পোস্টে দুইতরফা মাইনাস পরবো
৫৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৩
আরিফসুমন বলেছেন: পোষ্টে +++
এই রকম লেখা দেশপ্রেম জাগ্রত করে। আর কুত্তা গুলারে মন চায় পাড়াইয়া মাইরা ফেলি।।
৫৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৪
ঘোড়ারডিম বলেছেন: "চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে" এই কথায় আমার মত অনেকে কষ্ট পেয়েছে। এতে লেখার আসল উদ্দেশ্য রচিত হয়নি। ইসলামি আইন অনুযায়ী ঘাতকরা কঠিন অপরাধে অপরাধী এবং বিচার ব্যবস্থাও এত বিলম্বিত হওয়ার কথা নয়। যাই হোক এই ঘাতক দের বিচার চাই। ধন্যবাদ।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯
সন্যাসী বলেছেন: ঘাতকদের বিচার দাবীই এ পোস্টের উদ্দেশ্য।
৬০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০২
সপ্রতিভ বলেছেন: চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: আহা আমি যদি অই মারা মানুষদের দলে থাকতে পারতাম ++++
তাইলে ভাবতাম কিছু তো করতে পারছি দেশের জন্য
দারুন পোস্টে দারুন কমেন্ট...
পড়লেই ইচ্ছাটা আরো বেড়ে যায়!
নাস্তিক-আস্তিক আলাপ দিয়ে পোস্টটাকে নষ্ট না করলেই কি নয়?
৬১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৩
কাউসার রুশো বলেছেন: পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আর কতকাল পরে দেশের সবকটা পত্রিকার পাতায় ফাঁসি দেয়া ধর্মব্যবসায়ী রাজাকারদের ছবি ছাপা হবে?
আর কত অপেক্ষা...
পাকিস্তানিরা যে কোন দিক থেকেই পৃথিবীর জঘন্যতম জাতি
পোস্টে +
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
সন্যাসী বলেছেন: আর কত অপেক্ষা!! আমরা অপেক্ষায় অপেক্ষায় আজ ক্লান্ত। আমরা এ অপেক্ষার শেষ চাই।
৬২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস প্রমাণ করে দেশে এখনও রাজাকারের প্রেতাত্মা শুধু না, তাগড়া জোয়ান রাজাকাররা এখনো ঘুরে বেড়াইতেছে।
ভাই যাদের ইসলাম সংক্রান্ত অংশটা ভালো লাগে নাই তারা যদি রাজাকারদের উত্তরসুরী নাই হ'ন তাহলে তো মাইনাস দেবার কোনো কারণ দেখি না।
আপনারা খুব সুন্দর ভাবে ভালো না লাগা অংশটার বিপক্ষে কমেন্ট করে কোনো রেটিং না করলেই বুঝতাম যে আপনাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু ধর্ম সংক্রান্ত অংশটা ভালো না লাগায় রেটিং করেন নি।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সন্যাসী বলেছেন: এখানে রাজাকারদের প্রতিনিধিরা যে সবসময়ই ব্যস্ত থাকে তা এ পোস্ট দিয়ে প্রমাণ করার প্রয়োজন পড়ে না। মুক্তমনাদের যেভাবে এই ব্লগে খুনের হুমকি দামকি দেয়া হয় তা প্রমাণ করে ওরা পারলে বুদ্ধিজীবি হত্যকাণ্ডের মত বাংলাদেশে আরেকটা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলত।
আপনার মত আমারো একই কথা। তারা যদি ইসলাম সংক্রান্ত যে অংশটা তাদের ভাল লাগেনি সেটা তুলে ধরে তার জবাব চাইত আমি খুশী হতাম। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যে ধর্ম জড়িত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সে ধর্ম আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের ধর্ম না। আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো অসাম্প্রদায়িক চেতনা রয়েছে। কিন্তু সে চেতনাকে বিনাশ করার জন্য একাত্তরের সেই চক্রটি বর্তমানে উঠে পড়ে লেগেছে। তারই প্রমাণ এই পোস্টের মাইনাসগুলো।
৬৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৯
বিবেকহীন বলেছেন: সামুর মডুগো মাথায় মাল উঠছে
৬৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১২
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ''..... যেন বাউলদের ভাস্কর্য ভাঙলেই ওঁরা বোবা হয়ে যাবে। ওঁদের সাহিত্য, ওঁদের গান মানুষের মন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। হুমায়ুন আজাদকে মেরে ফেলতে পারলেই যেন তাঁর সকল সাহিত্যকর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একাত্তরে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে যেমন ওরা বাঙালী জাতিকে মেধাহীন করেছিল, তেমনি এখনো এই শুয়োরগুলোকে এতটুকু সুযোগ দিলে শুয়োরগুলো নিশ্চিহ্ন করে দিবে বাঙালি জাতির সকল প্রগতিশীলদের।'' তার মানে, এটিও একেবারে স্বখাবিকভাবেই, অতি সহজেই বোঝা যায় যে, রাজাকার, পুরানো ও নতুন সুবিধাভোগী এবং ধর্মান্ধরা কতো একটিভ তাদের কার্যকালাপে। এর বিপরিতে আমাদের অবস্থান কী? আমরা জানি, মুক্তিযুদ্ধ অবিরাম প্রবাহ, এর শেষ নেই, স্বাধীনতা কেবল ভূখন্ড ভাগ এর বিষয় নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার উম্মুক্ত প্লাটফর্ম ও অন্যান্য অধিকারের বিষয়। ঠিক এই জায়গা থেকে আমাদের লড়াই শেষ হয় নি, এটি আসলে শেষ হয় না, বিষয়টি এতো বিস্তৃত। এছাড়া আমাদের শত্রু-মিত্র ও অন্যান্য সমস্যারও প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন রূপ নেয়।
মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সবচে' বড় ক্ষতি বুদ্ধিজীবী হত্যা। বুদ্ধিজীবী হত্যা না হলে আমাদের পুরো দেশ ও জাতীর চিত্রই অন্যরকম হতো, সব পর্যায়েই। আমরা আরো অনেক এগিয়ে যেতে পারতাম, অর্থনীতিসহ সকল পর্যয়ে। একটু ভাবলেই আমরা দেখবো যে, আমরা রাজনীতিবিদদের যত দোয়ই দিই, রাষ্ট্রিয় পর্যয় থেকে শুরু করে সর্বত্রই বুদ্ধিজীবীদের ভুমিকা আছে। কিন্তু আমাদের এখনকার বুদ্ধিজীবীদের তো অনেক বিতর্কিত, এবং আমিও তাদের অনেক ভূমিকাকে ভালো চোখে দেখতে পারি না।
''এটা এখন আর বুঝতে বাকি নেই যে, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের দাবীকে উপেক্ষা করতে পারেনি বলেই আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধী বিচারের কাজ হাত নিয়েছে, মোটেই স্বেচ্ছায় নয়।'' এটি পুরোটাই একটি রাজনীতির চাল, বিচার হোক এটা আমরা নিশ্চয়ই চাই, আমাদের যাদের মধ্যে জানাশোনা আছে তাদের মধ্যে এটি বলা নিস্প্রোয়জন। এটিও স্পষ্ট যে, আওমীলিগ এই ইস্যুটি নির্বচনে ইউজ করেছে, এখনো করছে। এখনো ইউজ করছে, আমার এই আশঙ্কাটা ভুল হলেই আমি খুশী হবো।
আজকেই আমি ''বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ'' বিষয়ে হওয়া একটা সেমিনারে ছিলাম, আনু মুহাম্মদ বক্তা, তিনি বলেছেন, জামাতসহ সব ধর্মিয় সংগঠন সংগঠন হিসেবে রাজাকার খাতায় নাম ছিলো। কিন্তু অনেক মসজিদের ঈমামও ছিলো মুক্তুযোদ্ধা।
১৪ ডিসেম্বর : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবশ = আমাদেরকে মেরুদন্ডহীন করা দিবশ বা আমাদের মেরুদন্ডহীন হওয়া দিবশ
যাদের লেখা আমি নিয়মিত পড়ি, যাদের সঙ্গে আমার একটা সখ্যতা আছে বলে আমি মনে করি, এবং সম্ভবত তারাও করে বলে আমি মনে করি তাদের একজনের পোস্ট স্টিকি করায় স্বভাবতই আমার ভালো লাগলো।
@ সন্নসী ভাই
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
সন্যাসী বলেছেন: আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। এ ক্ষেত্রে আমরা কোন আপোস মানব না।
৬৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১২
রায়হান এবং.... বলেছেন: স্বাধীনতা সম্পর্কিত দিবস গুলো আসলে কারো কারো চুলকানি শুরু হয়ে যায়। মডুর উচিত এদের চিহ্নিত করা।
৬৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৩
মু. নূরনবী বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যা অন্যায় এবং এর বিচার চাই কিন্তু এর সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামকে জড়ানোর জন্য পোস্টদাতাকে মাইনাস।
......কইস্যা একটা মাইনাস দিলাম....
রাজাকারদের আমরা সবাই ঘৃণা করি..কিন্তু ইসলাম নিয়া....চুলকানী পোষ্ট দেওয়ায় তেব্র ধিক্কার জানাচ্ছি......
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০০
সন্যাসী বলেছেন: ইসলাম নিয়ে চুলকানী পেলেন। আর কিছু পেলেন না? আমি শুধু সেই ইসলামের ধারক-বাহক-প্রচারকদের আঘাত দিতে চেয়েছি যারা তখন কেবল ইসলাম নামক ধর্মের জন্যই একটা জাতিকে মেধাশূণ্য করার উৎসাহ পেয়েছিল। এবং সবচেয়ে কষ্টকর যে অংশ তা হল যে জাতিকে মেধাশূণ্য তারা করেছে তারা নিজেরাই সে জাতির অংশ। এবার নিজেকে প্রশ্ন করুন। অনেক উত্তর পাবেন। তারপরও যদি না পান তাহলে আমার কিছু বলার নেই।
৬৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৩
সাদা মেঘ ৭১ বলেছেন: +++++++++++
-------------------------
অনেক অনেক ধন্যবাদ, এমন একটি পোষ্টের জন্য!
৬৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৭
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: পোস্টে আস্তিক-নাস্তিক, হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়াদি অ্যাভয়েড করা লেখকের দায়িত্ব। কারণ এগুলা করলে ১৪ তারিখের বিষয়ডা আড়ালে পইরা যাইবো।
৬৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৮
েমঘদূত_েমঘ বলেছেন: বাংলার মাটিেত এর বিচার িক হবে কখনো?
৭০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২০
চতুষ্কোণ বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট!
+++
৭১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২১
সজীব আকিব বলেছেন: মডারেটরদের অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ একে স্টিকি করার জন্য।
প্রিয় সন্যাসীকে ধন্যবাদ অতি প্রয়োজনীয় এ পোস্টের জন্য।
দেশকে মেধাহীন করার ষড়যন্ত্র এখনো বন্ধ হয় নি। হুমায়ুন আজাদকে হত্যা প্রচেষ্টা এরই অংশ। মুক্ত-চিন্তক ব্লগারদের হুমকি-ধামকি ও কারণে অকারণে ব্যান করার সাথে এর যোগ আছে।
৭২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৬
েমঘদূত_েমঘ বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
প্রাণের বিনাশ আছে, চেতনার বিনাশ নেই। আমাদের উচিত চেতনার আলো ছড়িয়ে দেয়া। বাংলাদেশকে কখনই ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গী রাষ্ট্র হতে দেবোনা আমরা।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++
৭৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৬
সাহসী বলেছেন: বুদ্ধিজীবী দিবস পর্যন্ত পোস্টটি স্টিকি রাখা হোক। অসংখ্য ধন্যবাদ সামুকে।
-------------------------------------------------------------------
এই পোস্টের পাচ নম্বর মন্তব্যের বিষয়ে মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আর তাদের কর্মকান্ড পুরোপুরিই ইসলাম অনুসারে ছিল। যুদ্ধবন্দী ধর্ষনে ইসলামের সৈনিকরা আরবে যেমন নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রেখেছেন, পাকিরাও সেই ভাবেই যুদ্ধবন্দী ধর্ষণ করেছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগকে দয়া করে এমন ইসলামোফোবিক-হিস্টিরিয়াগ্রস্ত উগ্র সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেবেন না প্রিয় সামহোয়ারইন !
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০১
সন্যাসী বলেছেন: ৫ নং মন্তব্যটা ডিলিট করে দেয়া হয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
৭৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৮
তূর্না নিশিথা বলেছেন: আমার দুইটা অনুভুতির (মুক্তিযুদ্ধ এবং ইসলাম) মধ্যে সংঘর্ষ লাগানোর জন্য মাইনাস।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৬
সন্যাসী বলেছেন: মাইনাস দিলেই আমাদের মুখ বন্ধ হবে না। আমরা এ জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ কলঙ্ককে নিয়ে লিখে যাব। দুই অনুভূতিকে সংঘর্ষ লাগিয়েছি এরকম ভাবলে ইতিহাসকে অস্বীকার করা হবে। আমি ইতিহাসকে তুলে ধরেছি। সহ্য না করতে পারলে মাইনাস দিবেন এটা আপনার স্বাধীনতা। সেটার জন্য দায়ী দ্বিতীয়টা, কোনক্রমেই স্বাধীনতা নয়।
৭৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩২
মেঘে ঢাকা তারা বলেছেন: আমি আপনার লেখার লিংকটা ফেইসবুকে পোস্ট করতে চাচ্ছি, পারছিনা। অন্য লেখা ট্রাই করলাম, সেগুলো যায়। আপনারটা যায়না। কেন বলতে পারেন?
৭৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৪
মনির হাসান বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট ... ঠিক ঠিক জায়গায় আঘাত'টা করছেন । এরকম একটা পোস্ট দেয়ার শখ ছিল বহুদিন ... পারিনি ।
অবশ্যই প্রিয়তে ।
আরেকটা কথা ... নি্দ্বিধায় বলতে চাই ।
এই যে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ... এক্স'রা ... ইসলামের নাম শোনা মাত্র তেড়েফুড়ে আসলো ... এরা ৭১এর ঐ শুয়োর গুলোর থেকে ভিন্ন কিছু নয় ... এরা ইসলামের পরে নিরিহ একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেখলে আপনার কল্লা কাটতে নুন্যতম সময় নেবেনা ... এরা বিনা'চিন্তায় ইসলাম রক্ষার্তে যেকোন মাধ্যমকে বেছে নেবে ... ওস্তাদ যদি বলে দেশ হিন্দু হয়ে যাচছে ... এরা ইসলামকে বাচাতে দরকারে ৬০ লাখ লাশ ফেলে দেবে ... এরা সেই দলে ছিল আছে থাকবে ...
আমাদের দূ্ভার্গ্যই বটে ...
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৮
সন্যাসী বলেছেন: ওস্তাদ যদি বলে দেশ হিন্দু হয়ে যাচছে ... এরা ইসলামকে বাচাতে দরকারে ৬০ লাখ লাশ ফেলে দেবে
ওরা কেবলি সুযোগের অপেক্ষায় আছে। আমরা সে সুযোগ দেব না। কোনদিনই না।
৭৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: অনেকেই এখানে ইসলামকে উদ্দেশ্যমুলকভাবে জড়ানো মনে করছেন, এবং পাকিস্তানি সেনাশাসকদের উম্মাদনার দায় ইসলামের উপর চালানো মনে করছেন।
ইসলাম বা ধর্মই এর কারণ, তা অবশ্যই নয়, সম্ভবত সন্নাসী ভাইও তা মনে করেন না। তবে এটি অবশ্যই একটি কারণ ছিলো, আর সন্নাসী ভাই একটি কারণ উল্লেখ করেছেন মাত্র।
ব্লগে ধর্ম নিয়ে যে বাড়াবাড়ি, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ-রকম এক পোস্টেও এর ধারাবাহিকতা অত্যন্ত লজ্জ্বাজনক। আমরা যদি ধরেও নিই সন্নাসী ভাই কেবল ধর্মকে ইঙ্গিত করেছেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে তো এটি ছিলোও। মুসলমান কীনা জানতে চাওয়া, চেক করা, রাজাকার কেবল ইসলাম ধর্মপ্রানরাই কেনো? ইত্যাদি। আর যুগে যুগে ধর্ম যে অন্ধকারের আলো জ্বালাচ্ছে তা তো আমাদের জানা, ''ধর্ম ছাড়া আমাদের আর কোনো কর্ম নেই'' আমরা যদি এই পন করে বসে না থাকি তাহলে আমাদের সবারই ধর্ম বুঝতে পারা সহজ।
৭৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫২
[ ওঁরাও মাহাতো ] বলেছেন: সত্য ও মিথ্যার জানাজা পরা হোক।
মুক্ত চিন্তা করার জন্য উদাসীনতাই যথেষ্ট ,আগ বাড়িয়ে অন্য কোনো বিষয় কে অগ্রাধিকার দেবার দরকার নাই।
ইসলাম কে নিয়ে একপেশে মন্ত্যব্য করে শুধু জংলি হওয়া যায় জনাব মহিউদ্দিন।
মুক্ত বুদ্ধির চর্চা করার জন্য শুভ বুদ্ধিই যথেস্ট।
কিছু অংশ বাদে দুরন্ত একটা পোস্ট।
প্রতিটা মানুষের বুদ্ধি জীবন্ত হোক।
মহত প্রাণ বুদ্ধিজীবিরা চির অমর হন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৯
সন্যাসী বলেছেন:
প্রতিটা মানুষের বুদ্ধি জীবন্ত হোক।
মহত প্রাণ বুদ্ধিজীবিরা চির অমর হন।
এর সাথে আরেকটি দাবী- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
৭৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৩
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: প্রিয় মডারেটর...
অনেকদিন পর আপনাদেরকে প্রিয় বলে সম্বোধন করলাম।
৮০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৯
রাতমজুর বলেছেন: @মেঘে ঢাকা তারা, কারনটা লম্বা টাইটেল, শেয়ার করতে দিলে দেখবেন পুরো টাইটেল আসছে প্রিভিউ তে, শেষ দিকের খান দুই শব্দ বাদ দিয়ে দিন, প্রিভিউ বক্সের টাইটেলে ক্লিক করে, চলে আসবে।
৮১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৩
বল্টু মিয়া বলেছেন: তিরিভুজ আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা এই পোস্টে মাইনাস দেওয়ায় তাদের ব্যান করার দাবি জানাচ্ছি।
৮২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৫
দীর্ঘশ্বাস বলেছেন: যে ২১ জনের ভাল লাগে নি , তাদের পরিচয় দাবি করছি।
মডারেটররা যেহেতু এই পোস্টটিকে স্টিক করার সৎ সাহস দেখিয়েছেন আশা করি এই ২১ জনের পরিচয় দিয়ে তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করবেন।
এটিও একটি যুদ্ধ, যে ২১ জনের মনে এই পোস্ট আঘাত হেনেছে তারা নিসন্দেহে ঐ শুয়োরগুলোর দোসর।তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে যদি সামু কর্তৃপক্ষ এই বিজয়ের মাসেও ভয় পায় তাহলে বলতে হবে আমরা বড়ই দুর্ভাগা জাতি।
একটি প্রজন্ম বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেশ স্বাধীন করে গেছে আর তার পরবর্তী প্রজন্ম সামান্য কিছু মানুষরুপী শুয়োরের পরিচয় সবার সামনে তুলে ধরতে যদি ভয় পায় তাহলে সেটা সত্যিই বেশ পরিতাপের বিষয়।
সামু কর্তৃপক্ষকে আবারো এই ২১ জনের পরিচয় বের করে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
৮৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১০
৮৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৬
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: এমন একটা গুরুত্বপূর্ন পোষ্ট দেওয়ার জন্য লেখককে ধন্যবাদ এবং +।
৮৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৯
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস প্রমাণ করে দেশে এখনও রাজাকারের প্রেতাত্মা শুধু না, তাগড়া জোয়ান রাজাকাররা এখনো ঘুরে বেড়াইতেছে।
ভাই যাদের ইসলাম সংক্রান্ত অংশটা ভালো লাগে নাই তারা যদি রাজাকারদের উত্তরসুরী নাই হ'ন তাহলে তো মাইনাস দেবার কোনো কারণ দেখি না।
আপনারা খুব সুন্দর ভাবে ভালো না লাগা অংশটার বিপক্ষে কমেন্ট করে কোনো রেটিং না করলেই বুঝতাম যে আপনাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু ধর্ম সংক্রান্ত অংশটা ভালো না লাগায় রেটিং করেন নি। দীর্ঘশ্বাস বলেছেন: যে ২১ জনের ভাল লাগে নি , তাদের পরিচয় দাবি করছি।
মডারেটররা যেহেতু এই পোস্টটিকে স্টিক করার সৎ সাহস দেখিয়েছেন আশা করি এই ২১ জনের পরিচয় দিয়ে তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করবেন।
এটিও একটি যুদ্ধ, যে ২১ জনের মনে এই পোস্ট আঘাত হেনেছে তারা নিসন্দেহে ঐ শুয়োরগুলোর দোসর।তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে যদি সামু কর্তৃপক্ষ এই বিজয়ের মাসেও ভয় পায় তাহলে বলতে হবে আমরা বড়ই দুর্ভাগা জাতি।
একটি প্রজন্ম বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেশ স্বাধীন করে গেছে আর তার পরবর্তী প্রজন্ম সামান্য কিছু মানুষরুপী শুয়োরের পরিচয় সবার সামনে তুলে ধরতে যদি ভয় পায় তাহলে সেটা সত্যিই বেশ পরিতাপের বিষয়।
সামু কর্তৃপক্ষকে আবারো এই ২১ জনের পরিচয় বের করে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
যারা মাইনাস দিয়েছে তাদের পরিচয় অবিলম্বে প্রকাশ করার জন্য সামু কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি।
৮৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২১
হার্ট লকার বলেছেন: শহীদ বুদ্ধিজীবিদের মধ্য কয় জন নাস্তিক আর কয়জন প্রগতিশীলদের চড়ম শত্রু আস্তিক ছিলেন একটু হিসাব দেন, জানতে মুন্চায়।
আমার মনে হয়েছে ধর্মকে আঘাত করার জন্য আপনি শহীদদের অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহারর করেছেন
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৬
সন্যাসী বলেছেন: অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর নাস্তিকতাকে গুলিয়ে ফেললেন। আমার পোস্টে কোথাওই নাস্তিক শব্দটাই নেই। এই পোস্টও যদি ধর্মকে আঘাত করার জন্য মনে করেন তাহলে বলতেই হয় আপনিও ওদের মত।
৮৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৪
নাজনীন১ বলেছেন: পোস্ট আর কিছু মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ কেবলমাত্র বামপন্থী আর নাস্তিকদের অর্জন এবং কেবল্মাত্র তাদেরই অধিকার আছে এদেশে থাকবার।
ধর্মের নামে ভুল করেছে কিছু মানুষ, তার জন্য সবাইকে ধর্ম ছাড়তে হবে!!! কি আজব দেশপ্রেম একেকজনের !!! যেন দেশপ্রেম আর ধর্মপ্রেম একটা আরেকটা বিরোধী।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২১
সন্যাসী বলেছেন: আমি বলতে চেয়েছি ধর্মের নামে মানে ধর্মকে ব্যবহার করে। এটুকু বুঝতে পারলেই চলত। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নাস্তিকদের অর্জন নাকি আস্তিকদের অর্জন এরকম কোন প্রসঙ্গই উঠেছে? আপনিই এই পোস্টের ভেজাল শুরু করে দিয়েছেন। যা হোক ভাল থাকবেন।
৮৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৭
সন্যাসী বলেছেন: অনেকেই এই পোস্টটিকে ইসলামকে হেয় করার দোষে দুষ্ট করছেন দেখে খারাপ লাগছে। আমার পোস্টের বিষয়বস্তু হল "বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ড আমাদের মুক্তবুদ্ধি চর্চার পথকে বিপদসংকুল করেছে এবং আমাদের নৈতিকতাহীন জাতিতে পরিণত করেছে" দ্বিতীয়তঃ "আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই", তৃতীয়তঃ "ধর্ম প্রগতিশীলতা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে যতই রুখতে চাক বাঙালী নিজের মত করে ধর্মকে সাজিয়ে নিয়ে মুক্তবুদ্ধি চর্চা করেছে"
যেহেতু যারা যুদ্ধাপরাধী তারা সবাই তাদের অপকর্মকে ইসলামের নামে চালিয়েছে তাই ইসলাম এবং ধর্ম শব্দটা এসেছে। আমার পোস্টে ধর্মের সমালোচনা বলতে এটুকুই বলা হয়েছে যে "ধর্ম প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিরোধী"
পোস্টে আলোচনা হলে এই চারটি বিষয় নিয়েই হওয়া উচিত বলে মনে করি। সবাইকে ধন্যবাদ।
৮৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৩
শয়তান বলেছেন:
বস্তুত হিন্দু, বৌদ্ধ, ইসলাম ইত্যাদি প্রথাগত ধর্ম আমাদের সমাজে অনুপ্রবেশ করেছে রাষ্ট্রযন্ত্রের শাসকদের ধর্মকে কেন্দ্র করেই। কিন্তু ঐ সব ধর্মগুলোই বাঙালী লোকসমাজে প্রবেশ করে ক্রমেই তাদের শাস্ত্রীয় বিশুদ্ধতা হারিয়ে লৌকিক ধর্মে পরিণত হয়েছে। বাঙালীর লৌকিক ধর্মগুলো প্রথাগত শাস্ত্রধর্মের রক্ষণশীল তত্ত্ব ও বিধানকে বরাবরই প্রত্যখান করেছে এবং সে প্রত্যাখানে লোকসাধারণের কাণ্ডজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধিই নির্ধারক ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
এই প্যারাটা আরও ইলাবরেট করলে পোস্ট বক্তব্য কারোরই বুঝতে অসুবিধা হতো না । সময় করে একটু ট্রাই দিয়েন ।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:১১
সন্যাসী বলেছেন: এখন আর ইলাবরেট করতে পারব না। কাল রাতে যদি পারি করে দেব। তবে এখন ঐ অংশটাকে বোল্ড করে দিচ্ছি।
৯০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৬
শয়তান বলেছেন: আর হ্যা । পোস্টে অচিরেই সবাই সহমত জানাবে এম্নিতেও । সময় ঘনাইতেছে । স্বাধীন মুক্তবুদ্ধির জয় হোক ।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৩
সন্যাসী বলেছেন: সময় ঘনাইতেছে । স্বাধীন মুক্তবুদ্ধির জয় হোক
স্বাধীন মুক্তবুদ্ধির জয় হোক.....
৯১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৮
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন: এমন একটি সুন্দর পোষ্টে আস্তিক -নাস্তিক বিষয়ক আজাইরা পেচাল আসল কেন?
আর ইসলামকে না এনেও এই পোস্ট দেয়া যেত।
তখন এর আবেদনটাও ব্যাপক হত...
সুবিদাবাদিরাও কামরা-কামরির চান্স পেত না...
কামরা-কামরির চান্স দেয়ার প্রতিবাদে রেটিং করলাম না...
যদিও আমি বিতর্কিত অংশটুকো বাদে সবটুকোর সাথে একমত...
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৬
সন্যাসী বলেছেন: ইসলামকে আমি আনিনি। ইতিহাসকে তুলে ধরেছি, তার সুত্র ধরেই ইসলাম এসেছে। আমার নিজের বক্তব্য বলতে প্রগতিশীলতা ইসলামের শক্রু। এটুকুই। সেও ইতিহাসের পর্যবেক্ষণ। আমাদের মুক্তিযুদ্ধতো চোখের সামনেই দেখছেন। রাজাকার আলবদর আলশামসের মধ্যে একটাও প্রগতিশীল খুঁজে পাবেন?
৯২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০০
পুংটা বলেছেন: পোষ্ট ষ্টিকি করা হউক
৯৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৩
মনির হাসান বলেছেন: পিঠে ইসলামের ছালা বেধে হত্যা, ধর্ষন করলে সে দায় ইসলামেরও উপর কিছুটা বর্তায় কি বলেন ... @ নাজনীন ?
আর ঐ সমস্ত শুয়োড়দের লাথি গুতা কিল ঘুষি দিতে গেলে ... পিঠস্থ ইসলামী ছালায় দু এক ঘা পরে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না ।
সত্য মাঝে মাঝে একটু বেশি রকমই নির্মম ।
৯৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৬
মনজুরুল হক বলেছেন:
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এই একটা জায়গায় পাকি আর তার দোসর রাজাকাররা জিতে গেছে। চারিদিকে সবক্ষেত্রে আমাদের যেসব নীতিহীনতা প্রতিদিনই গ্রাস করছে তার মূলে রয়েছে এই সব সূর্য সন্তানদের অনুপস্থিতি। স্বাধীনদেশে তাদের উপস্থিতি হয়তো নীতিবান, প্রগতিশীল একটা জাতির উন্মেষ ঘটাতো।
আমরা কি হেরে যাব শেষ পর্যন্ত ? ভয় হয়।
শেষ পর্যন্ত আমাদের হেরে যাবার ভয় একটি দিক থেকে নিশ্চই আছে। সেটা হত্যা করে শেষ করে ফেলা বা হত্যার হুমকি দিয়ে থামিয়ে দেয়া বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলা নয়। পরবর্তী প্রজন্ম আমরা কি-ই এমন করছি যে তাদের ঋণ শোধ করার জন্য আমাদের বেঁচে থাকতেই হবে? আমরা কোন এমন পদক্ষেপ নিয়েছি যে, সেই পদক্ষেপে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের প্রতিদান হবে?
না। এমন কোনো কিছুই আমরা করছি না। কেবল বছরের কিছু বিশেষ দিনে তাদের স্মরণ করছি। আর সেই স্মরণকালে নিজের অক্ষমতাকে, কূপমণ্ডুকতাকে, কাপুরুষতাকে ধিক্কার দিয়ে খানিকটা শাণিত হবার চেষ্টা করছি। এই তো!
ভয়টা আসলে এখানে নয়। ভয়টা অনেক গভীরে। আমি সেই গভীর ভীতির ছবিটা মাঝে মাঝেই দেখি। চোখ বন্ধ করলে দেখি। আমার শৈশবের সেই উত্তাল দিনের ক্যানভাসে চোখ রাখলেই দেখি। কখনো কখনো গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে একটানা মেশিনগানের শব্দ শুনি। তারপর হাজার মানুষের করুণ আর্তনাদের তরল সীসে কে যেন আমার কানের ভেতর ঢেলে দেয়! আমি অবচেতনের চেতনে আবার ফিরে আসি এখনকার এই আবহে। এবার আমি সত্যিই আতঙ্কিত হই। রঞ্জু ভাই, আমি সত্যিই আতঙ্কিত হই।
এই প্রজন্মের মানুষেরা যা জানে, যা দেখে তা দেখা নয়-শোনা। কয়েক ধরণের "শোনা" মেলাতে চায়। মেলেনা যখন তখন তারা সংশয়বাদী হয়ে পড়ে। ভয়টা এখানে।
আমরা যারা সাতচল্লিশ দেখিনি, তারাও ওই বিশেষ অবস্থা নিয়ে সংশয়বাদী। ভারতবর্ষের স্বাধীনতায় কাদের অবদান বেশি? নেতাজীর আজাদহিন্দ ফৌজের, না গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের? ওই সংশয় আমার শ্রদ্ধা, আমার কর্মপন্থা, আমার কৃতজ্ঞতা- সব সংশয়াচ্ছন্ন করে তোলে, ঠিক এখনকার প্রজন্মের মত। ভয়টা এখানে।
সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ, ফ্যাসীবাদের সাথে মৌলবাদের বিরোধ তো নেই-ই বরং সখ্যতা আছে। শ্রেণীগত ঐক্য আছে। স্বার্থগত সম্মিলন আছে, চেতনাগত অনুসরণ আছে। সেই কারণে গণমানুষের কমন শত্রু যারা তারা আর স্বাধীনতা, প্রগতিশীলতা, মুক্তচিন্তার শত্রুরা এক এবং অভিন্ন। একাত্তরে একটা কমন এনিমি ছিল আল বদর, রাজাকার, আল শামস। এখন ওই স্বার্থগত, শ্রেণীগত, চেতনাগত ঐক্যের কারণে তারা সংখ্যায় ভারী। পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ আর মৌলবাদ এক হয়ে সম্মিলিত শক্তি। এখনকার কোলাবরেটরদের হয়ে কাজটা করে দিতে পারে সিআইএ, র, মোসাদ, আইএসআই- যে কেউ। আসল ভয়টা এখানে। এই ভয় সম্পর্কে জ্ঞাত হতে হতে সময় পেরিয়ে যেতে পারে, এটাই আসল ভয়ের জায়গা। আমি এটাকেই ভয় পাই। ভীত হই।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩১
সন্যাসী বলেছেন: মঞ্জুরুল হক ভাই, আপনার প্রতি আমার বিনীত শ্রদ্ধা। আপনি নিজেই মুক্তিযোদ্ধা। আপনিই বলতে পারবেন সে সময়ের প্রকৃত সত্য। আমরা কেবল বই পড়ে যেটুকু জেনেছি। এই প্রজন্মের যে দলটা ইতিহাসকে ভিন্নরূপে দেখতে চায়, তারা আপনাদের দেখে ইতিহাসকে জানুক এই প্রত্যাশা।
আপনার মন্তব্যতো ভয়ই ধরিয়ে দিল। আমরা হেরে যাব? না, তা হতে পারে না।
৯৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৮
সোহরাব সুমন বলেছেন: জাতি এই হত্যাকান্ডের চরম বিচার চায়। স্বাধীনতার মাত্র এক দিন আগে কাদের প্ররোচনায় এই হত্যা কান্ড হয়েছ সেটা খতিয়ে দেখার নতুন করে সময় এসেছে!
৯৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৭
শয়তান বলেছেন: ইসলামের রক্ষার নামে স্বজাতীর মাঝে কৃত্তিম বিভেদ সৃষ্টি করে যেসব শকরছানা একসময় বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠসন্তানদের নির্মম কাপুরুষের মত হত্যা করেছিলো তাদের এবং তাদের তল্পীবহক শুকরছানা যারা এখনও এ পোস্টে ঐ শুয়োরদের ধর্মের সুগারকোট দিয়ে রক্ষার ঘৃন্য অপপ্রয়াস করছে সবগুলারে ঘৃনার ঘন থকথকে থুথু ছুইড়া মারলাম।
দুর হ তোরা । দুর হ এদেশ থেকে
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩২
সন্যাসী বলেছেন: মাল্টি নিক আক্রমন শুরু হইছে। এখন এদের প্রচেষ্টা হবে যাতে পোস্টের উদ্দেশ্য অন্যদিকে ঘুরানো যায় তাই।
৯৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪৩
শয়তান বলেছেন: আস্তিকভাইরা কি অন্তত একজনও নাস্তিক রাজাকার দেখাইতে পার্বেন ???
না পার্লে দয়া কৈরা আর বড়মুখ কৈরেননা
৯৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪৩
রাতমজুর বলেছেন:
সন্যাসী'দা,
কিছু পোষা স্লিপার নিক টোটাল সুরটা অন্য দিকে ঘোরাচ্ছে, এদের সফলতার রহস্য হলো, এদেশের অধিকাংশ মুসলিম ধর্ম জানে কমই, কেউ ধর্মের নামে কিছু বললে সেটা নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করে বসে, আর ধর্মরক্ষায় আগুপিছু না ভেবেই সেই ফাঁদে পা দেয়।
পোষ্টের টাইটেলেই বলেছেন "ধর্মের নামে" এটুকুই যথেষ্ট, অথচ পানিঘোলা করা নিকগুলো এটাকে সরাচ্ছে "ধর্মের মাধ্যমে" বা "ধর্মের আদেশে" টাইপ মিনিং এ। "ধর্মের নামে" আর "ধর্মের মাধ্যমে/ধর্মের আদেশে"" তফাৎ যারা বুঝে না সেই সব গন্ডমূর্খরে পাত্তা দেবার দরকার নাই। সাথে ইগনোর করে যান তালদেওয়া "নামমাত্র আস্তিক"দের, যারা বুঝে কচু, অথচ শোর তোলে গলা ফাঁটিয়ে। এরা ধর্মেরও ষাঁড় আবার জিরাফেরও ঠ্যাং। এখানে হাদিস চিপকাবে গান-বাদ্য হারাম, ওদিকে কনসার্টে সবার আগে, বিড়ি ফুঁকতে ফুঁকতে ফতোয়া ঝাড়বে মদ হারাম বলে।
এসব বেজন্মাদের ইগনোর করুন, আবারো বলছি। এদের কাজই হলো একাত্তরের হায়েনার প্রেতাত্মাদের পশ্চাৎ বাঁচানো ধর্মের ধুঁয়ো তুলে।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৩
সন্যাসী বলেছেন: পোস্টে ধর্মের নামে শব্দটি দেয়াই বোধ হয় কাল হয়েছে। এই শব্দটার প্রকৃত অর্থই এরা ধরতে পারেনি। ভাল থাকবেন।
৯৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪৬
সাইফুল আকন্দ বলেছেন: চমৎকার লেখনী। প্রিয়তে রাখলাম।
১০০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫০
তমসো দীপ বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস দিয়ে মুসলিমেরা প্রমাণ করল দেশের চেয়ে ধর্ম তাদের কাছে বেশি প্রিয়। হতভাগার দল।
১০১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৩
কঠিনলজিক বলেছেন: ১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতা র পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন এবং "বিশেষ ভাবে তাঁরা, যারা বীরত্বের সাথে জীবন দিয়েছেন" তাদের মধ্যে সিংহ ভাগ যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে রুখে দেবার ক্ষেত্রে অতুলনীয় অবদানের জন্য "বীর শ্রেস্ঠ" "বীর উত্তম" "বীর বিক্রম" "বীর প্রতিক" তাদের প্রধান পরিচয় তারা এদেশের ইসলামের ধারক ও বাহক।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য খেতাব প্রাপ্ত ৭ জন "বীর শ্রেস্ঠ" ৬৯ জন "বীর উত্তম" ১৭৫ জন "বীর বিক্রম" ১৫৭ "বীর প্রতিক" এর মাঝে প্রায় সবাই ৯৯,৯০% ছিলেন মুসলমান ।
কোন সন্দেহ থাকলে নামের তালিকা দেখুন ।
Click This Link
http://en.wikipedia.org/wiki/Bir_Bikram
http://en.wikipedia.org/wiki/Bir_Protik
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৭
সন্যাসী বলেছেন: পোস্টটাকে আস্তিক নাস্তিক ক্যাচালে পরিণত করতে আপনাদের প্রচেষ্টা সফল। আমি কি কোথাওই বলেছি যে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তারা ইসলামের অনুসারী নয়?
আমার পোস্টটা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে। আমি বলেছি তারা প্রগতিশীল ছিলেন এবং তারা বেচে থাকলে আমাদের দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার এই দূরাবস্থা হতো না। নাস্তিক-আস্তিক শব্দটাই তো কোথাও নেই।
১০২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৬
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: এই বার কামের কথায় আহি।
নাজনিন খালাম্মা ফরমাইছেন ঃ পোস্ট আর কিছু মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ কেবলমাত্র বামপন্থী আর নাস্তিকদের অর্জন এবং কেবল্মাত্র তাদেরই অধিকার আছে এদেশে থাকবার।
ধর্মের নামে ভুল করেছে কিছু মানুষ, তার জন্য সবাইকে ধর্ম ছাড়তে হবে!!! কি আজব দেশপ্রেম একেকজনের !!! যেন দেশপ্রেম আর ধর্মপ্রেম একটা আরেকটা বিরোধী।
আই হাই, আপ্নে দেহি জানেন না। নাকি না জানার ভান কর্তেছেন? কেবল মাত্র না হৈলেও মুক্তিযুদ্ধের সামনের কাতারে যারা ছিল হেরা ব্যাক্তে বাম আচিল। নাস্তিক আচিল কি না কৈতারুম না। তয় বাম যে আচিল হেইডা ইতিহাসে কয়। কম্যুনিস্ট পার্টি, এবং ন্যাপের নেতা পুলাপানরা অগ্রভাগে আচিল। এবং বাংলাদেশ স্বাধিন হৈছিল প্রগতিশিল ,সেকুলার এক্টা দেশের লাইগা। এক্টু পরা শুনা না কর্লে ক্যামনে চল্বো খালা আম্মা
১০৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১৪
সাইফুল আকন্দ বলেছেন: কাঠি লজেন্স ছাগলটা কি কইল বুঝলামনা। ওর সমস্যা কি?
১০৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১৮
এক্স বলেছেন: আমি সজ্ঞানে মাইনাস দিয়েছি, বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের মাধ্যমে একটা জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে. একটি জাতিকে বুদ্ধিহীন করে ফেলার মত হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনাকে অস্ত্র বানিয়ে যখন নাস্তিক্যবাদীরা ইসলামের নামে মিথ্যাচার করে তখন সেই কুচক্রীদের জন্যই মাইনাস.
কেন বাংলাদেশ সরকার বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে জড়িত মার্কিন প্রশাসন, অভিযুক্ত পাকিস্তানি সামরিক অফিসার ও দেশী কোলাবরেটরদের অপরাধের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট বিশ্বের সামনে তুলে ধরছে না, বা মার্কিন ও পাকিস্তানী অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপি জনমত তৈরি করছে না? সে সময়ের আলবাদর আল শামসদের নেতাদের ধরে তদন্ত করে কেন বের করা হচ্ছে না মাস্টার প্লানার সেই পাকিস্তানি অফিসার ও মার্কিন এজেন্টদের পরিচয়?
না.. তা ওনারা করবেন না, কারন কিসিন্জার আর রোনাল্ড রিগ্যানের নামে কিছু বললে তার গদি আর থাকবে না. এমনকি পাকিস্তানে গিয়ে রাও ফরমান আলির মরোনোত্তোর ফাঁসি দাবী করার সাহসটুকুও তাদের নাই.
শহীদ বুদ্ধিজীবিরা ইসলাম প্রতিরোধে প্রাণ বিসর্জন দেননি, তারা সাম্রাজ্যবাদ প্রতিরোধে প্রাণ দিয়েছিলেন. যে সাম্রাজ্যবাদ ঠেকানোর জন্য তারা প্রাণ উতসর্গ করলেন সেই সাম্রাজ্যবাদ আজকে আমাদের জমিন, রাজপথ, রেলপথ, বন্দর, তেল-গ্যাস, ব্যবসা সব দখল করে নিচ্ছে কিন্তু এইসব দালালদের কোন ভ্রুক্ষেপই নেই সেদিকে. তারা ব্যাস্ত আছেন ইসলাম বধ করার উদগ্র বাসনায়.
ধিক্কার জানাই আজ এই সব নরপশু প্রতারক দালাল গুলিকে যারা বুদ্ধিজীবীদের পবিত্র রক্তকেও বাজারে বাজারে বেচে বেড়াচ্ছে...
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৩
সন্যাসী বলেছেন: মি. এক্স, একটা কথা বলি। "সেদিন বুদ্ধিজীবিদের হত্যা না করলে আপনি হিজবুত তাহরীর নামক স্বপ্নদোষের পাল্লায় পড়তেন না। আপনিও বাস্তববাদী হতেন।"
১০৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১৯
কালো-ভোমরা বলেছেন: @কখনও মানব কখনও দানব, বামদের মধ্যে যারা চৈনিক পন্থী ছিল তারা যে রাজাকার ধরনের ছিল এটাও উল্লেখ করলে ভাল হতো।
লেখকের শিরনামের সাথে পোস্টের ক্রম বিস্তার মোটামুটি ঠিক আছে। কিন্তু এটা বেশ খানিকটা একপেশে দৃষ্টিভঙ্গী থেকে লেখা বলে স্টিকি পোস্ট হিসাবে খুব একটা মানানসই নয়। এটি বুদ্ধিজীবি হত্যার সকল দিক কাভার করে না।
ধর্মের আমাদের এলাকার (বঙ্গ ভু খন্ডের) যে সংস্করণ সেটা ঠিক মুক্তবুদ্ধির পথে বাধা নয়। লেখক নিজেও তা প্রকারান্তরে স্বীকার করেছেন, তা সত্ত্বেও ধর্মের সাধারণ অনুষঙ্গ এনে পোস্টকে ভাল রকম বিতর্কিত করেছেন। কাজেই মোটা দাগে ধর্ম বিরোধ লেখায় তুলে ধরা ঠিক হয়েছে বলে মনে হয় না।
আর একজন মন্তব্যে বলেছেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চেতনার কথা আসে নি। সেটা অবশ্য এই পোস্টের শিরোনাম নির্ধারিত বিষয়বস্তুর মধ্যে পড়ে না।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৭
সন্যাসী বলেছেন: এ ব্যাপারে আপনি একটা পোস্ট লেখেন। কতৃপক্ষ আপনারটা ভাল বিবেচনা করলে আপনারটাকে স্টিকি করবে। ব্লগে আমার বয়স একবছরও হয়নি। আর লেখার মত সময়ও আমার হয় না।
পোস্টের শিরোণাম নির্ধারিত বিষয়বস্তুর মধ্যে পড়ে না, এইটা কী কথা কইলেন? বরং বলতে পারেন পোস্টের মন্তব্যগুলো বিষয়বস্তর সাথে মিলে না। মেনে নিতাম।
১০৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২১
শয়তান বলেছেন: হাইড্রো@ গন উপহার দিয়া রাখছি কমেন্টে । নিতে যেন না ভুল হয় ।
১০৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৩
কালো-ভোমরা বলেছেন: আর একটি বিষয় না উল্লেখ করলেই নয়। পোস্টটি একটি গালিবাজীর পোস্ট। গালিবাজির কারণে এটার গ্রহনযোগ্যতা নষ্ট হয়ে গেছে। রাজাকারদের বিভিন্ন পশুর সাথে তুলনা করা নিয়ে আমার আপত্তি নেই। কিন্তু সেখানে পরিমিতবোধ থাকা আবশ্যক। নাহলে রাজাকারদের সাথে আমাদের পার্থক্য থাকে না। সুচারু ভাবে মনের ক্ষোভ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এই পোস্ট পুরোপুরি ব্যর্থ। পোস্টের বিশেষ কিছু অংশ পড়লে বরং মনে হয় এখানে বিষয়বস্তু চিত্রায়নের চেয়ে বিশদগার করা হয়েছে বেশী।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৯
সন্যাসী বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী হত্যাকারীদের আমি চুমু দিয়ে আদর করব?? বাহ!!
১০৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৫
সাইফুল আকন্দ বলেছেন: হিজবুত্তি আবাল এক্স কঠিন লেকচার ঝারলা। কেডা শিখাইছে?
আরে বেকুব নাস্তিকদের বেচনের জিনিষ অভাব পর্ছে নাকি যে বুদ্ধিজীবির হত্যা বেচা লাগব?
তয় এইটা ঠিক, বুদ্ধিজীবিরা বাইচা থাকলে তোমাগো খেলাফাবাদী জারজ তত্ত্ব এই বাংলা ঢুকার আগেই পাছায় লাথ্যি খায়া পাকিস্তানে থাইমা যাইত। বেকুব কোনখার ................
১০৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৮
রাতমজুর বলেছেন: @সন্যাসী'দা, অসংলগ্ন কমেন্ট গুলা মুছে দিলে কেমন হয়?
১১০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৯
সাহসী বলেছেন: @ আসিফ ও অন্যান স্বঘোষিত নাস্তিক জেহাদিদের উদ্দেশ্যে
আলুপোড়া খাওয়ার জন্য এই পোস্টা ব্যবহার না করলেও পারতেন। অবশ্য পোস্ট লেখকও মনে হয় আপনার সাথে দ্বিমত করছেন না।
আপনি যা বলছেন সব গুলিয়ে ঘুটে ফেলছেন। কারন আপনারা এটাই করতে চান।
আপনি নির্বিচার সব 'আলেম-ওলামা'কে পাকি খুনি আর তার দোসরদের কাতারে ফেলে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে ছিলেন কখনো আপনারা? থাকলে গ্রামে যান একবার। যেকোনো গ্রামে। বয়সীদের কাছে শুনে আসুন যে আপনারা মিথ্যা বলছেন।
ইসলামকে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ হিসাবে দাড় করাচ্ছেন, কারন এটা আপনাদের এখন দরকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের এই দরকার ছিল না। আর এখন আপনাদের যে দরকার, সেটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে যায় বলে অনেক সামাজিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির শর্ত আছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় যেই জামায়াত এবং বদর শামসরা খুনি পাকিদের সহযোগি হয়েছিল, তাদের এই দেশের মানুষ কখনই 'ইসলাম'-এর মনে করে না। সে খবর রাখেন ? ন্যুনতম খোজ খবর রাখেন বাংলাদেশের মানুষের ? জামায়াতের এই দেশে একা ভোট আচ্ছে সর্বোচ্চ ৪.৭০ শতকরা ভাগ মানুষের। জামায়াত এই দেশে কখনোই প্রধান ইসলামী শক্তি বলে পরিচিত ছিল না।
এই দেশে দরবেশ সুফি ফকিরদের, এই দেশ দারিদ্র সীমার অনেক নীচে বাস করা গ্রামের মোল্লা মৌলবির হাত ধরে, নিম্নবিত্ত ইমামদের হাত ধরেই মানুষ তার ধর্মবিশ্বাসের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখে। জামায়াত বা এজাতীয় কোনো ক্ষমতার রাজনীতি করা দলের সাথে না।
কিন্তু পোস্টদাতা লিখছেন; ১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তাদের মধ্যে ভারী দলটা যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সবধরণের সহায়তা করেছিল তাদের প্রধান পরিচয় তারা এদেশের ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক। চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
এদেশে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মতাত্ত্বিক ধর্মের বাইরেও অনেক পির ফকির বাউল সাধক তাদের মুক্ত চিন্তার চর্চা করেছেন। কাউকে 'ইসলাম'ওয়ালাদের হাতে নিকাশ হতে হয়নি ইতিহাসের কোনো কালে। কারন, তাদের চিন্তার শেকড় ছিল এই লোকেই- লোকজ- তারা এখানকার দরিদ্র শোষিত মানুষের জন্যই তাদের মাঝে থেকেই চিন্তার চর্চা করতেন। ঢাকাই আর মফস্বলি মধ্যবিত্ত মানসিকতার যেই প্রতিক্রিয়াশীলতা আপনারা দেখাচ্ছেন; এমন আমদানিকৃত প্রগতির বয়ান তারা দেননি।
আপনারা এখনো বাঙালি সংস্কৃতি আর বাংলাদেশের 'ইসলাম'কে সাংর্ঘষিক করে বর্ণনা করছেন। এখনো শরতচন্দ্রের মত আপনারা ফুটবলে দুই দলের নাম দেখতে পান এভাবে- বাঙালি আর মুসলামানের ফুটবল খেলা। ঔপনিবেশিক কোলাবরেটর কলতকাতার হিন্দু মধ্যবিত্ত প্রগতির চেয়ে এ আর বেশি কি ?
শেষে বলি; বাংলাদেশীদের স্বাধীনতা আদায়ের রক্তক্ষয়ী লড়াইকে ইসলামের বিরুদ্ধে দাড় করানোর চেষ্টা করবেন না দয়া করে। খোদ আওয়ামী লীগ বা বামেরাও কখনোই এই চেষ্টা করার ভুল করেনি। শহীদ জননীও না।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৫
সন্যাসী বলেছেন: জামায়াত এবং হিজবুতিরা যে হারে আমাদের ছাত্রদের মাথা খাচ্ছে তাতে আপনি পরবর্তী প্রজন্মকে কীরকম পাবেন? ছাত্ররাইতো পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করবে, তাই না? আপনি দেখেন বাংলাদেশের প্রতিটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই তারা বেশ আধিপত্যের সাথে রাজত্ব করছে। হিজবুতিরা ধরেছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যলয়গুলো। আমাদের পল্লীসমাজ চিরকালই অসাম্প্রদায়িক। কিন্তু তারাতো জাতির হাল ধরে না, কেবল নির্ধারণই করে। সুতরাং আগে থেকে সতর্ক হওয়াই উচিত।
আমি ইতিহাস তুলে ধরেছি মাত্র। স্বাধীনতা আর ইসলামকে দুইপক্ষে দাঁড় করিনি।
১১১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩১
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: হাইড্রো@ ধর্ম কি আপ্নের পৈত্রিক সম্পত্তি? হ্যাডম থাক্লে সন্যাসীদার যুক্তি খন্ডন করেন। ফালতু কথারে বোল্ড মার্লে যুক্তি হয় না।
১১২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩৫
রামন বলেছেন: মোবাইল থেকে এর আগে পোস্টটি পড়েছি এবং প্লাসও দিয়েছি, কিন্তু মন্তব্য করতে পারি নাই। যাহোক দেশকে মেধা শুন্য করার জন্য যে হানাদার বাহিনী ও তার দোসররা মিলে বুদ্ধিজীবীসহ ছাত্র-শিক্ষকদের হত্যা করেছে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র কোনো সন্দেহ নাই। তবে এ জন্য যতটুকু না হানাদার বাহিনীকে দায়ী করবো তার চেয়ে তিনগুন বেশী দায়ী করবো এ দেশের রাজাকার, বিশ্বাসঘাতক ও মীরজাফরদের। আমার যতটুকু ধারণা এ দেশকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার পরিকল্পনা পাকিস্তানিদের কোনো সময় ছিল না । যদি তাই হতো, তাহলে তাদের হাতে যে পরিমান গোলা বারুদ, অস্র এবং ৯৩ হাজার সৈন্যবাহিনী ছিল তাদিয়ে আর মাত্র ৫ দিন যুদ্ধ করলেই ঢাকা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বার্লিন শহরের ন্যায় ধ্বংস স্তূপে পরিনত হতো। সেদিনের একটি কথা বলি, যদিও ছোট ছিলাম তবুও মনে পড়ে, তখন ঢাকা বাদে দেশের প্রায় সব স্থানে যুদ্ধ শেষ হয়েগিয়েছিল। সেদিন আত্মীয়স্বজন মিলে মহাকুমার একটি হাসপাতালে আহত মুক্তি যোদ্ধাদের দেখতে গিয়েছিলাম, সেখানে কিছু আহত পাকযোদ্ধাও ছিল, আমাদের মধ্যে থেকে কেউ নিরীহ বাঙালিদের কেন হত্যা করেছ জিজ্ঞাসা করায় তারা উত্তরে বলছিল " তোমরাই তো আমাদের নিয়ে গেছ, তোমরাই আমাদের জায়গা দেখিয়েছ, তোমরাই আমাদেরকে মারতে বলেছো"।
ধন্যবাদ আপনাকে বিশেষ সময়ে এমন একটি বলিষ্ট পোস্ট দেয়ার জন্য ।
১১৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩৮
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন: সবাই অনেক বড় বড় গঠনমূলক মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ কিছু বিষয় বুঝতে ভূলও করেছেন। যা হোক, রাতমজুর, এক্স এবং আরো বেশ কজনের মতামত পড়ে ভাল লেগেছে। আমি সহমত জানাই। আসিফ মহিউদ্দিন সাহেব, নাস্তিকতার পক্ষে কথা বলেন, আমি ওনাকে ধর্ম নিয়ে লেখা প্রায় সব পোষ্টেই পাই এবং পড়ি।
লেখক সহ যাঁরা মতামত দিয়েছেন তাঁদের সবাইকেই বলতে চাই,
ধর্ম প্রসংগে:
দেখুন ধর্ম মানুষের একান্ত নিজস্ব একটি বিষয়। কেউ চাইলে তা পালন করতে পারে, না চাইলে নাই। জোর করে কেউ কাউকে ধর্ম পালন করাতে পারে না। বিষয়টা আমার কাছে অনেকটা ভাত এর সাথে তরকারীর মত। ভাত হলো জীবন আর তরকারী হলো ধর্ম। কেউ ভাতের সাথে কি তরকারী খাবে এটা তার খুবই একান্ত পছন্দ। কেউ কেউ চাইলে তরকারী ছাড়াই ভাত খেতে পারেন। অন্য কারো তাতে খুব বেশী বলার আছে বলে আমি মনে করি না।
ইসলাম বা হিন্দু বা বোদ্ধ বা খৃষ্টান বা বাহাই বা নাস্তিক, জীবন যাপনের জন্য ধর্ম কখনোই মুখ্য উপাদান নয়।
ধর্ম পালন আর ধর্মের দোহায় দিয়ে, ধর্মকে ব্যাবহার করে স্বার্থসিদ্ধী দুটো পুরোটাই আলাদা জিনিষ।
১৯৪৭ সালে পৃথিবীর বুকের এই অংশের বেশিরভাগ মানুষ মুসলমান ছিল।
সেটা কি এই অন্চলের মানুষের অপরাধ ছিল না পাপ?
ধর্মের দোহাই দিয়ে, গুটি কতক মানুষের স্বার্থ উদ্ধারে, ভিন দেশী, ভিন ভাষি, ভিন সংস্কৃতির মানুষদের সাথে জুড়ে দেয়া হলো আমাদের।
৭১ সালেও আমরা সেই মুসলমানই ছিলাম। ৭১ সালে একযোগে দেশের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়ে যায় নি। তবুও আমাদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। ঘরে কোরআন দেখিয়েও রেহা পায়নি, মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয়া লক্ষ পরিবারের অন্য সদস্যরা । বুকে কোরআন জাপটে ধরে, আমি মুসলমান, আমি মুসলমান বলে চিৎকার করেও ও রেহা পায়নি হাজার হাজার মা, বোন, স্ত্রী।
মুক্তিবাহিনীতে যোগ না দিয়েও রেহা পায়নি কত শত লক্ষ নিরীহ মানুষ।
আবারো বলি,
ধর্ম পালন আর ধর্মের দোহায় দিয়ে, ধর্মকে ব্যাবহার করে স্বার্থসিদ্ধী দুটো পুরোটাই আলাদা জিনিষ।
এই আমরাই মুসলমান হওয়াতে ৪৭ এ তাদের বুকে ঠাঁই পেয়েছি,
আবার এই আমরাই ৭১ এ পড়েছি তাদের বুটের তলায়, মরেছি বেয়োনেটের খোঁচায়।
আল্লাহর নাম নিয়ে তারা যেমন তাদের নৃশংস হত্যাযগ্গ চালিয়েছে, আবার সেই আল্লাহর নাম নিয়েই আমাদের সুর্য সন্তানেরা রাতের আঁধারে ঘর ছেড়েছে। যুদ্ধে গিয়েছে, শুরু করেছে অপারেশন। যুদ্ধকালীন সময়েও নামাজ আদায় করেছে অনেক মুক্তিযোদ্ধা। সুতরাং ইসলাম, বা ধর্মের ধ্বজা উড়িয়ে বা ইসলাম বিরোধিতা করে বা এর পক্ষ নিয়ে বা আস্তিক/নাস্তিক বিতর্কের সৃষ্টি করে মূল জাগা থেকে সরে না যাওয়াই উত্তম। ৭১ এ মুসলমান হওয়াও আমাদের অপরাধ ছিল না, নাস্তিক হওয়াও অপরাধ ছিল না। ৭১ এ আমাদের একক ও একমাত্র অপরাধ ছিল মানুষ হিসেবে আমাদের ন্যায্য অধিকার দাবি করা।
লেখা প্রসংগে:
এই লেখায় যা উঠে এসেছে তা আমাদের চিরকালের অন্তহীন বেদনার বিষয়বস্তু। আমরা যতদিন বেঁচে আছি ততদিন এগুলো আমাদের কাঁদাবে। যতদিন থেকে আমি বুঝতে শিখেছি ততদিন থেকে এই বিষয়টা আমাকে মন:পীড়ায় ভুগিয়েছে, ভুগাবে যতদিন বাঁচব। আমার বারবারই মনে হয়,
ওঁরা বেঁচে থাকলে আজ আমাদের এই হাল হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে শেখ মুজিবেরও স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠা সহজ হতো না। আবার একই সাথে-
ওঁরা বেঁচে থাকলে শেখ মুজিবের আসে পাসে সুযোগ সন্ধানীরাও অত সহজে ঘেঁসতে পারত না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে শেখ মুজিবের জন্য যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের পুনর্গঠনও অত কঠিন হয়ে উঠত না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে আমলীগ দেশটাকে এত সহজে নিজস্ব সম্পত্তিও ভাবতে পারত না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে জাতি আজ যেমন দলাদলিতে ব্যাস্ত সেটাও হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে ইতিহাস বিকৃতি শব্দটাও হয়তো আমাদের শুনতে হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে প্রধান দু-দলের পাল্টাপাল্টি ইতিহাস রচনাও হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে প্রথম সরকার থেকেই জবাবদিহীতা থাকতো।
ওঁরা বেঁচে থাকলে ধনী গরিবের এত বৈষম্য হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে দেশ অন্তত এখনকার চেয়ে কমপক্ষে ৫০ বছর এগিয়ে যেত।
ওঁরা বেঁচে থাকলে আজ অসহনীয় যে যাপিত জীবন তাও হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে আমরা সবাই নিজেদের এবং পরবর্তী প্রজন্ম নিয়ে যেমন শংকিত তা হতোনা
ওঁরা বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও শুধু অতীত নিয়েই আমরা পড়ে থাকতাম না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে দেশে যে দুই ধারা সৃষ্টি হয়েছে তাও হতো না।
ওঁরা বেঁচে থাকলে আমাদের এত আফসোস থাকত না।
আর সবচেয়ে বড় যে বিষয়, সেটা হলো আজ ওঁরা বেঁচে থাকলে দেশের সাধারন মানুষ এমন ভাবে রাজনিতী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত না। সাধারন শিক্ষিত মেথাবী মানুষের প্রত্যক্ষ রাজনিতীতে যোগ দেয়াও এতটা কঠিন হতো না। দেশ গঠনে দেশের উন্নতি তে আমাদের সবার অংশগ্রহন নিশ্চিত হতো। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উন্নত একটা জাতি, উন্নত একটা দেশ আমরা রেখে যেতে পারছি এই সুখানূভুতির অনুভব ধর্ম, বর্ন, গোত্র নির্বিশেষে সবাই আমরা অনুভব করতাম।
যারা মাইনাস দিয়ে গেছে সেই সব হীনদের প্রসংগে:
অন্যান্য লেখাতে অনেক সময় লেখকের ও অনেকের মন্তব্য পড়ে এবং তাদের বোধহীনতা দেখে অবাক হই।
আজ হতবাক হয়ে গেলাম, এই লেখার বিপরীতে মাইনাসের সংখা দেখে।
অনেক সহ-ব্লগার ওরা কারা বা তাদের পরিচয় জানতে চেয়েছেন, সামুকেও ওদের মুখোশ খুলে দিতে বলেছেন। সামুকে ওদের মুখোশ খুলতে হবে না।
ওরাত নতুন কেউ নয়। ওরা ত চির চেনা সেই রক্ত পিপাসুর দল। ওরাই ত সেই হীন কাপুরুষের দল, যারা নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সসস্ত্র হয়ে। বেয়োনেটের খোঁচায় আর স্টেন গান দিয়ে রক্ত ঝরিয়েছে দেশের সুর্য সন্তানদের।সামুর উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। বর্তমান সময়কে ঠিক ঠিক ধরতে পেরেছে। আজও যে ঐ সব হায়েনার দল বহাল তবিয়তে আমাদের বাংলাদেশে বিদ্যমান তা সামুর কারনেই জানতে পারছি। নতুন করে তীব্র ঘৃনার জন্ম হচ্ছে নিজের ভেতর। তীব্র ঘৃনার জন্ম হচ্ছে হালুয়া রুটির ভাগ পেতে এখন যেই রাজনিতী চলছে তার প্রতি, যারা করছে তাদের প্রতি। এমন লেখাতে যেদিন মাইনাস জয়ী হবে সেদিন ই বুঝতে হবে আমরা হেরে গেছি। ক্ষুধার্ত নেকড়ের দল ক্ষুধার জ্বালায় কাতরাচ্ছে। আমৃত্যু ক্ষুধার জ্বালায়-ই কাতরাতে হবে ওদের। কষ্টের মধ্যেও কিন্চিত আহলাদিত হচ্ছি যে এখনও ওদের চেয়ে আমরা বেশী, এখনও ওরাই পরাজিত হচ্ছে। এবং চিরকাল-ই হবে। চুড়ান্ত আহলাদিত হবো সেদিনই, যেদিন, মানুষ হিসেবে ন্যায্য অধিকারের যে দাবিতে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায় প্রতিষ্ঠার যে লড়াই সেদিন আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্ম শুরু করেছিল তার লক্ষ অর্জিত হবে। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়নি, শেষ হয়নি ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াইও।
রক্তচোষা হায়েনা ও ক্ষুধার্ত নেকড়ের দলও বিলুপ্ত হয়নি, ওরা থাকবেই, সেদিনও ছিল আজও আছে।
আমাদের কর্তব্য নতুন করে নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করে,
বর্তমান সময়ের মুক্তিযুদ্ধেও আমাদের অংশ নিতে হবে সেদিনের মত করেই, ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াইও চালিয়ে যেতে হবে একই ধারা ও তীব্রতায়। আজ স্টেন গান হাতে নেয়ার কোন দরকার নেই, দরকার শুধু ন্যায় প্রতিষ্ঠার লড়াই এ বিভেদ ভূলে একত্রে থাকা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিবেক, বোধ সবকিছুকে সদা জাগ্রত রাখা।
==============বাংলাদেশ চিরজিবী হোক।===================
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৮
সন্যাসী বলেছেন: আপনিই একমাত্র যথার্থ ব্যক্তি যিনি এই পোস্টটির দাতা হলে আমার চেয়ে অনেক সুন্দর করে দিতে পারতেন। আমার লেখার মূল বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
১১৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৪১
সাহসী বলেছেন: আর একটা কথা; স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবের নেতা হিসাবে বেড়ে ওঠা সেই দলটির মধ্যে যেটি পাকিস্তান বানিয়েছিল। সাবেক মুসলিম লীগের নেতা ছিলেন তিনি। তিনি 'বাম' ছিলেন না। সেক্টর কমান্ডারদের কেউ 'বাম' ছিলেন না। বামেদের মধ্যে যারা যুদ্ধ করেছেন, তাদের আবার দুই তরফে যুদ্ধ করতে হয়েছিল। এর মধ্যে চীনপন্থীরা যুদ্ধ করেন নি। ভাসানীরা কিছুই করেন নি। বামেরা তাদের ভাষায় 'দুই কুকুরের যুদ্ধে'র এক কুকুর হতে রাজি হননি।
এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা ২০০৮ সালে একটা কাজের মাঠ পর্যায়ের কাজ শেষ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের মৌখিক ইতিহাস। ওখানে গিয়ে যে কেউ তালাশ করে দেখতে পারেন। যুদ্ধটা পুরাটাই ছিল জনযুদ্ধ, যে যুদ্ধের মাঠে কোনো রাজনৈতিক দলই নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছে। স্থানীয়ভাবে সেক্টরগুলোর তদারকিতে সাধারণ জনগণ যুদ্ধ করেছে, শহুরে মধ্যবিত্ত সেখানে খুব কমই ছিল। বুদ্ধিবৃত্তির পশ্চিমা দেউলিয়াত্বের শিকার নাস্তিক্য ফ্যাশান ছিল না জনযোদ্ধাদের।
১১৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫৩
কঠিনলজিক বলেছেন: @সাইফুল আকন্দ ভুদাই ।
আমি কইছি ৯৫ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা "মুসলমান" ছিলেন ।
আমি কইছি ৯৯,৯০ ভাগ খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রা মুসলমান ছিলেন।
আমি কইছি ৯৯,৯৯% ভাগ মুক্তিযোদ্ধা "আস্তিক" ছিলেন ।
এখান থেকে যদি বলি "মাতৃভুমির" স্বাধীনতার জন্য লড়াই এ সবচেয়ে বড় অনুপ্রেড়না ছিল "আস্তিক্যবাদ" "ধর্মে বিশ্বাস" এবং বিশেষ ভাবে "ইসলামের" শিক্ষা এবং অনুপ্রেরনা। তা হলে কি ভুল হবে ?
ভুল মনে হলে এই ৯৯,৯০% খেতাব প্রাপ্ত মুসলমান রা কি নিজের ধর্মের শিক্ষার বিরুদ্ধে "মুক্তিযুদ্ধে" শহীদ হয়েছেন ?
এবার এন্টেনায় ধরছে ?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০১
সন্যাসী বলেছেন: আবারো বলছি আপনার মন্তব্যের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। আপনারা পোস্টের গুরুত্বকে হ্রাস করতে সমর্থ হয়েছেন। কিন্তু তাতে আমরা দমিত হই না। আমাদের কণ্ঠস্বর জাগ্রত থাকবে চিরদিন।
১১৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫৫
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন: যাঁরা শুধু লেখনীর সমালোচনা করেছেন এবং মাইনাস দেয়ার কারন ব্যাখ্যা করে মাইনাস দিয়েছেন, পোষ্টের বিষয়বস্তু কে উদ্দেশ্য করে নয়।
তাঁরা আমার মন্তব্যে উল্লেখিত নিশ্চুপ মাইনাস দেয়া হীনদের তালিকার বাইরে রয়েছেন ।
১১৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫৮
চাষী বলেছেন: পোস্টে সুক্ষভাবে ধর্মীয় বিশ্বাস কে আঘাত করা হয়েছে। সেজন্য মাইনাস। ৭২ থেকে ৭৫ আম্বালীগ ক্ষমতায় ছিল । তখন এই হত্যাকান্ড বিষয়ে কোন তদন্তই করেনি। বরং জহির রায়হানকে আম্বালীগের কিছু পান্ডা খুন করে। এখানেই কিন্তু; অনেকে বলে থাকে এটা র এর চক্রান্ত
১১৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০৭
বিজ্ঞান বলেছেন: একটা অনুরোধ করব রাখা না রাখা টা আপনার ব্যাপার।
এই রকম একটা পোষ্ট কিছু মানুষের কমেন্টস এর জন্য পোষ্টের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যই বৃথা হতে চলেছে ।
দয়া করে তাদের কে ঠেকান । আপনার মত ব্লগারের পক্ষে তাদের কে চেনা খুব কঠিন হবেনা আশাকরি ।
সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।
১১৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:১৬
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন: @বিজ্ঞান: আপনার সাথে সহমত, তবে সেই সুযোগ কিন্তু লেখক নিজেই দিয়েছেন।
১২০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৪৫
গরীবের কথা বলেছেন: চাষী বলেছেন: পোস্টে সুক্ষভাবে ধর্মীয় বিশ্বাস কে আঘাত করা হয়েছে। সেজন্য মাইনাস। ৭২ থেকে ৭৫ আম্বালীগ ক্ষমতায় ছিল । তখন এই হত্যাকান্ড বিষয়ে কোন তদন্তই করেনি। বরং জহির রায়হানকে আম্বালীগের কিছু পান্ডা খুন করে। এখানেই কিন্তু; অনেকে বলে থাকে এটা র এর চক্রান্ত
এজন্যই মাইনাসের সংখ্যা এতো বেশী। বিশ্বাসকে আঘাত করে না লিখলেই বোধ করি ভালো করতেন লেখক। আবার লেখক লিখতেই পারেন, কিন্তু বিতর্কিত চিন্তার পোস্ট স্টিকি না হওয়াই উত্তম।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২২
সন্যাসী বলেছেন: আপনাদের কাছে সত্যও বিশ্বাসকে আঘাত করে। করবেই তো। তিতা সত্য যে!
১২১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩৮
ওঙ্কার বলেছেন: একাত্তরে গ্রামে গ্রামে গঠিত শান্তি কমিটি গুলির কথা ভুলে গেলেন সবাই? এরা কারা ছিলো? কাদের হাতে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
এরা কি হিন্দু ছিলো?
@কঠিনলজিক
সারা বিশ্বে আজকে জঙ্গীবাদের কারনে ইসলামের দোষ হয়েছে। ঘৃনার বস্তুতে পরিনত।
জঙ্গীবাদীদের মুসলমান বলতে আপনি নারাজ।
তাহলে মুক্তিযোদ্ধাদের ইসলামী বানানোতে এতো আগ্রহ কেন?
১২২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৪২
ওঙ্কার বলেছেন: @মাথা পাগলা
ধর্ম যদি মানুষের 'নিজস্ব বিষয়' হিসেবেই থাকতো, আজকে এই পোস্টের প্রয়োজন পড়তো না। আসিফ মহিউদ্দিনকে নাস্তিকতা নিয়ে পোস্ট লিখতে হতো না।
বেশিরভাগ মুসলমান মনে মনে, আর কিছু অপোগান্ডু চেচিয়ে চেচিয়ে ধর্মের নামে রাষ্ট্রপত্তনের ইচ্ছা পোষন করে। তাদের সামনে দুর্গন্ধযুক্ত উদাহরন হিসেবে পাকিস্তান ইজ্রাইল ইত্যাদি রয়েছে।
'নিজস্ব বিষয়' ধর্ম নিয়ে আপনি ব্লগেও কেন ফাইট দিতে এসেছেন, বলুন তো?
নিজের নিজস্ব মনের ভেতরে্ আপনার ইশ্বরের সাথে বসে বসে খোশ গল্প করলেই তো পারেন।
এখানে চেচামেচি করছেন কেন?
১২৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৪৮
ওঙ্কার বলেছেন: @সাহসী,
১১৮ নং কমেন্টে অনেক কথাই বললেন। অথচ, এটা বললেন না, যে ধর্মের কুৎসিত অপব্যবহারের একটার নজির এই পোস্টের বক্তব্যে।
আপনি বলেছেন... বাংলাদেশীদের স্বাধীনতা আদায়ের রক্তক্ষয়ী লড়াইকে ইসলামের বিরুদ্ধে দাড় করানোর চেষ্টা করবেন না দয়া করে। খোদ আওয়ামী লীগ বা বামেরাও কখনোই এই চেষ্টা করার ভুল করেনি। শহীদ জননীও না।
আরে আম্লীগ, আর বিন্পি, এরা তো ভোটের রাজনীতিই করে, তারা ভেতরে বাইরে একই জিনিস। সেটা হলো লুটেরা।
ধর্মের যদি ভোট দেবার ক্ষমতা থাকে, এরা ধর্মের ও পা চাটে। হাসিনার হিজাব, আর খালেদার ওম্রা, দেখেন না?
মুক্তমনাদের এসব ঝুট ঝামেলা নেই। আছে শুধু বিবেক আর তার কাছে স্বচ্ছ থাকা।
আর সেটাই কাল হয়েছিলো বুদ্ধীজিবীদের।
১২৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৩৯
দুরের পাখি বলেছেন: এই পোস্টটি যারা ফেসবুকে সাধারণভাবে শেয়ার দিতে পারতেছেন না , তাদের জন্য ।
url কপি করে ফেইসবুকে পেস্ট করুন । এরপর ফেইসবুক যখন পৃষ্টাটির একটি ছোট ভার্শন লোড করবে সেই বক্সের ভিতরে পোস্টের নামের উপর মাউস নিয়ে গেলে নামটা বাদামী রংএর হবে, তখন নামের উপর ক্লিক করুন । এইবার পোস্টের নাম এডিট প্যানেল আসবে । সেখানে কিবোর্ডের end চেপে একেবারে শেষে চলে যান, এবং শেষ থেকে মুছতে থাকুন ।
"বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু" শুধু এইটুকু রাখুন (সন্যাসী এর বাংলা ব্লগ .... এই জায়গাটুকু মুছে দিন)। এরপর শেয়ার দিন ।
১২৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:০৯
জয়েনটু বলেছেন: মডারেটরদের ধন্যবাদ জানাই এমন একটি সময়োপযোগী পোষ্ট স্টিকি করার জন্য। যারা ইসলামকে বড় করে দেখে, পোষ্টিকে অন্যমাত্রায় ধাবিত করতে চাচ্ছে, তারাই হচ্ছে আসল ছাগু (রাজাকার), বিশ্বাস না হয় তাদের নিকে ঘুরে আসতে পারেন।
ছাগু চেনার উপায়:
১। আপনাকে সহজে ভারতে দালানি বলে ট্যাগ লাগাবে
২। পাকিস্তানিদের (কিংবা নিজামী, গোআজমদের) কিছু বললে চোঁচিয়ে উঠবে
৩। মালাউন বলে ট্যাগ লাগাবে
৪। ইসলামকে পুঁজি করে ব্যবসার খাতিরে পোষ্ট দিবে
৫। আপনাকে নানারকম অযৌক্তিক কথাবার্তার মাধ্যমে ক্ষেপাতে থাকবে
৬। মাঝেমাঝে আপনাকে উল্টা ছাগুর ট্যাগ ও দিতে পারে
৭। দেশদ্রোহী বলে ট্যাগ লাগাবে
এখানে যারা মাইনাসে দিচ্ছে, মনে রাখবেন সবাই পাকিদের বীজ। ধর্মের নেশায় মত্ত।
১২৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২৪
পারভেজ আলম বলেছেন: এক রাতে পানি দেখছি অনেক ঘোলা হইছে। সত্যি কথা বলতে কি উপরে যা ডিসকাশন হইছে তা রীতিমত অসাধারণ। আমি মনে করি দুই পক্ষ থেইকাই অনেকে বেশ ভালো বয়ান দিছেন। কিন্তু এই পোস্টে এতগুলা মাইনাস অত্যন্ত দুঃখজনক। বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিচার চাই বইলাও যারা এই পোস্টে মাইনাস দিছেন তারা যে প্রকারান্তরে ছাগুদের মাইনাস উৎসবের রাস্তা খুইলা দিছেন আশা করি তা বুঝতে পারবেন।
যতটুকু বুঝি এই পোস্টটা খুব বেশি বর্ণনামূলক না। পোস্টে ইসলাম শব্দটা আসছে এবং বাঙালির ধর্মবোধ বিষয়ে কিঞ্চিত আলোচনা আছে, এই দুইয়ের পার্থক্য করা হইছে অল্প কথায়। তবে পার্থক্য সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া গেছে। পোস্টে ইসলাম শব্দটার যারা বিরোধীতা করছেন তাদের অনেকেই আবার ইসলাম এবং বাঙালির ইসলাম এই দুই ধরণের ইসলামের কথা বলছেন। প্রকারান্তরে মূল কথা একি থাইকা যায়।
ইসলাম আরো অন্যান্য ধর্মমতের ন্যায়ই ক্রমপরিবর্তনশীল। তবে মানুষ ইসলাম চেনে তার স্থান আর কাল সাপেক্ষে। এই দেশের আধ্যাত্ববাদী লোকজন একসময় স্থানীয় সহজিয়া প্রভাবিত সুফিবাদরে চিহ্নিত করতো ইসলাম হিসাবে। গোলোকায়নের বর্তমান সময়টায় ইসলামের অর্থডক্স আর মেইনস্ট্রিম চেহারাটার প্রতিনিধিত্ব করে ওয়াহাবী ইসলাম। সৌদি বাদশা থেইকা বাংলাদেশের জামাত ইসলামী এই ওয়াহাবী ইসলামের প্রতিনিধী। ওয়াহাবী ইসলাম সময়ের ধার ধারে না, প্রাচীন এবং সরল ও শুদ্ধ আরবী ইসলামে ফিরা যাইতে চায়। এখন বর্তমান দুনিয়ার হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, নাস্তিক ইত্যাদিরা ওয়াহাবী ইসলামরেই যদি শ্রেফ ইসলাম হিসাবে গণ্য করে তাতে তাদের দোষ দেয়ার তেমন উপায় নাই। কারণ আধুনিক দুনিয়ার মুসলমানরা নিজেরাই নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করতে পারে নাই। কেউ যদি ওয়াহাবী না হয় তবে সে কি? কেউ যদি অর্থডক্স না হয় তবে সে কি? শরিয়া সমর্থন না কইরাও আপনি মুসলমান থাকলে সেইটা কোন ইসলাম অনুসারে? আপনি মুসলমান থাকলেন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সবধর্মমতের ব্যক্তিবর্গরে জনপ্রতিনিধী হিসাবে পার্লামেন্টে মাইনা নিলেন, কোন ইসলাম অনুসারে আপনে তা করলেন?
বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাথে এই অঞ্চলের নিজস্ব ইসলাম সাংঘর্ষিক না। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাথে ওয়াহাবী ইসলাম সাংঘর্ষিক। ওয়াহাবি ইসলাম ইবনে তাইমিয়ার সালাফি ভাবধারার আধুনিক বিকাশ। সালাফি ভাবধারা শুধুমাত্র কোরআন এবং ইসলামের নবী এবং তার সাহাবিদের বিচারমূলক স্বিদ্ধান্ত বাদে বাকি সব ইজমা কিয়াস এবং যুগ পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে সংস্কার এবং আইন পরিবর্তনের বিরোধী। সালাফি ওয়াহাবি ভাবধারা মুক্তচিন্তারে দুই পয়সাও দাম দেয় না। শরিয়া আইন নিয়া কোন রকম যুক্তি তর্কের অবকাশ এরা অস্বীকার করে। সালাফি ওয়াহাবী ভাবধারা একমাত্র সেই ইসলামকে সমর্থন করে যেই ইসলাম থেইকা তা উৎপন্ন আর তা হইল সুন্নি হাম্বলী ইসলাম। সুন্নি হাম্বলী ইসলাম যেই রকম কট্টর হাদিসপন্থী সেইরকম ইসলাম বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পক্ষের ইসলাম, এই ইসলাম যুদ্ধবন্দীদের ধর্ষন এবং ভিন্নধর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোরতা অবলম্বনও সমর্থন করে।
ইসলাম বর্তমান দুনিয়ায় ক্ষয়িষ্ণূ অবস্থায় আছে। এই ধর্মের অনুসারীদের বেশিরভাগই এখন আর মুসলমান না, বরং পুজিবাদী জীবন ব্যবস্থার অনুসারী। এই কারণে বহু বিষয়েই তাদের গ্রাউন্ড সলিড না। চোরাবালীতে ডুবন্ত অবস্থায়ও এরা দাবী করে শক্ত মাটিতে দাঁড়ায়া আছে। ওয়াহাবী ইসলাম ছাড়াও কট্টরপন্থী ইসলামের নতুন কিছু ধারা তৈরি হইলেও শরিয়া, গণতন্ত্র এবং মুক্তচিন্তার প্রশ্নে নিজেদেরকে এই ধারাগুলা ওয়াহাবী ইসলাম থেইকা আলাদা করতে পারে নাই। ফলে যা হইছে তা বড়ই করুন। ওয়াহাবী ইসলামের সাথে উপনিবেশ তথা পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের সখ্য অনেক দিনের। গত ৫০/৬০ বছরে জন্ম নেয়া কট্টর ধারাগুলা ওয়াহাবী মতাদর্শের সাথে নিজেদের মৌলিক পার্থক্য গড়তে ব্যর্থ হওয়ায় সাম্রাজ্যবাদের প্রবল বিরোধীতা করা সত্ত্বো এরা পরোক্ষভাবে সাম্রাজ্যবাদের ঘুটি মাত্র। এই ঘুটিগুলারে সামনে রাইখা সাম্রাজ্যবাদীরা সারা দুনিয়ার পানি ঘোলা করে।
আমার অবশ্য ইসলামের চেয়ে আমার ভাষা এবং ভৌগলিক অবস্থানকেন্দ্রীক জাতীয়তা নিয়া মাথা ব্যাথা বেশি। একজন ঐতিহ্যপ্রেমী আধ্যাত্বপ্রেমী মানবতাবাদী বাঙালি হিসাবে ইসলাম, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এইসব বিদেশী পদ্ধতী ও মতাদর্শের তুলনামূলক বিবেচনা, কাটা ছেড়া এবং গ্রহণ বর্জন এইসব কিছুরই আমি পক্ষপাতি। ইসলামের গ্রহণ বর্জন কাটা ছেড়ার কাজটা আমাদের পূর্বপুরুষরা মধ্যযুগেই সমাপ্ত করছিলেন। মাঝখান দিয়া উপনিবেশী শক্তি এই দেশে সাম্প্রদায়িক এবং কট্টরপন্থী ইসলামের জন্ম দিয়া গেছে এই দেশে। যার ফলশ্রুতি বুদ্ধিজীবী হত্যকান্ড থেইকা লালনের ভাস্কর্য ভাঙা। এখন নতুন কইরা কাটাছেড়ার কাজটা যারা নিজেদের মুসলিম দাবী করে তাদেরই করতে হবে এবং নিজেদের অবস্থান পরিস্কার ভাবে অন্যদের সামনে তুলে ধরতে হবে।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩২
সন্যাসী বলেছেন: এখন নতুন কইরা কাটাছেড়ার কাজটা যারা নিজেদের মুসলিম দাবী করে তাদেরই করতে হবে এবং নিজেদের অবস্থান পরিস্কার ভাবে অন্যদের সামনে তুলে ধরতে হবে।
এই কাটাছেড়ার কাজটা নিজেরা করলে তাদেরকে কোন সমালোচনার স্বীকার হতে হতো না। এটা তারা বুঝলে খুব ভাল হতো।
১২৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৩৮
আমি সুখ পাখি বলেছেন: সামুকে অভিনন্দন স্টিকি করার জন্য।
রাজাকার তোরা বাংলা ছার
১২৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫২
কালো-ভোমরা বলেছেন: @পারভেজ অালম, একাডেমিক অালোচনা নয় সাধারণ অালোচনার পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করে অামি "ধর্ম বা ইসলাম" শব্দগুলোকে ব্যবহারের পরিবর্তে "ওয়াহাবীজম" ও "মওদুদীজম" কে যথোপযুক্ত মনে করি। ইসলামের অামাদের এলাকার সংস্করন, মুসলিম লীগ ও পাকিস্তান জামানা থেকে শুরু হওয়া "ওয়াহাবীজম" ও "মওদুদীজম" এর অাক্রমনের স্বীকার। কাজেই অামাদের অালোচনায় সেই সতর্কবোধ অাবশ্যক। এই পোস্টের লেখক এ কারনেই অনাবশ্যক প্রতিক্রিয়া দেখানোর সুযোগ করে দিয়েছেন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৬
সন্যাসী বলেছেন: মি. কালোভোমরা, ওয়াহবীজম, মওদুদীজম সম্পর্কে আমার ডিটেইলস জানা নেই। আমি জানি তারা ধর্মকে ব্যবহার করেছে, ধর্মের নাম ভাঙিয়েছে এবং সে ধর্ম ইসলাম। এটাই আমি তুলে ধরেছি।
১২৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:০৯
কৌশিক বলেছেন: এই পোস্টে এত মাইনাস কেনো? প্রত্যেকটা মাইনাস দাতা একটা মাদারচোত। শুয়োরের বাচ্চাদের বিচার ছাড়া ডাইরেক্ট গুলি কইরা মারা উচিত।
১৩০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:১৬
কালো-ভোমরা বলেছেন: গালিবাজরা মুক্তচিন্তার পক্ষের লোক হয় কেমনে এটা আমার মাথায় ধরে না। একটু উপরের মন্তব্যেই আমরা একটা গালিবাজী দেখতে পাই।
যার লেখা ভাল লাগে নাই সে মাইনাস দিতেই পারে। পোস্টে মাত্রাতিরিক্ত গালি বাচক শব্দ ব্যবহার করার আর প্রকাশ ভঙ্গীর কারণে আমি মাইনাস দিতে চাই। এইজন্যে কি আমাকে গালি খাইতে হবে? উল্লেখ্য আমি এখনও মাইনাস দেই নাই, আমি সাধারণত মন্তব্যে যা বলার বলে থাকি।
১৩১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:২২
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: অনেককেই দেখলাম টেনেটুনে ইসলামের সাথে একশো পার্সেন্ট বিরোধ দেখিয়ে বুদ্ধিজীবি হত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধকে ইসলামের বিপক্ষে দার করিয়ে দিয়েছেন, আর কেউ কেউ পারভেজ ভাই যেমনটা বলেছেন দেশীয় ইসলাম এবং মডারেট ইসলামের পরিচয় তুলে ধরে তা সামাল দিতে চেয়েছেন। বুদ্ধিজীবি হত্যা এদেশের মানুষের চরম সর্বনাশ করেছে, যারা এইসকল হত্যাকান্ডের জন্যে দায়ী, তারা কিভাবে এতকাল পর তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বেড়াতে পেরেছে? এদেশের মুক্ত চিন্তার পথিকেরা খুব ভালভাবেই বলে দিয়েছে যে স্বার্থবাদী রাজনীতিবীদরা ব্যক্তি স্বার্থে এদের সাথে আপোষ করেছে, তারা অন্যায় করেছে, আর এইসকল হত্যাকারীরা ইসলামকে ব্যবহার করেই সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করে নিচ্ছে। এই কারণে ঠিক ইসলামী দল যারা নয়, তাদের উপর যেই ক্ষোভ, ঠিক তেমনি ক্ষোভ ইসলামের উপর এসে যায় অনেক মুক্ত পথিকের। আর এই সুযোগটাই বার বার কাজে লাগাচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা কারীরা।
এই পোস্টে রাজনৈতিক দলের সমালোচনা এসেছে অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভাবেই। লেখক তার মুল লেখাতেই বলেছেন আওয়ামীলীগ স্বেচ্ছায় বিচারের উদ্যোগ নেয়নি। নিয়েছে তরুণ প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চাপে পরেই। লেখক খুব পরিস্কার ভাবেই বি এন পি এওং আওয়ামিলীগ এর কর্মকান্ডের সমালোচনা করেছেন। তারা যে রাজনৈতিক ভাবে এদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, এই কথায় আমরা সকলেই একমত। আর তারাও ধর্মকে পুঁজি করে শিকড় গভীরে প্রবেশ করার প্রয়াস পেয়েছে।
এদেশের মাটি ও মানুষের সাথে যে মতবাদের লোকই অন্যায় করুক না কেন, তাদের বিচার এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই হবে। হোক সে নাস্তিক্যবাদী মতবাদের লোক, অথবা অন্যকোন চিন্তাধারার লোক তাতে কিছুই আসে যায় না।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হল কট্টর ইসলাম পন্থীদের হাতেই মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য "মুসলিম" নিহত হয়েছে, তবে একাত্তুরে আমাদের পরিচয় মুসলিম ছিল না, আসিফ ভাই এর দেয়া প্রথম পোস্টারের পরিচয় ছিল, আমরা বাঙালী, পাকিস্তানীরা আমাদেরকে এই পরিচয়েই মেরেছে, গুড়িয়ে দিয়েছে আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক কংক্রীটের পথটিকে, আমাদের দুর্ভাগ্য অব্যাহত থাকবে যদি আমরা এই বিষয়টিকে ব্যক্তি স্বার্থ, ধর্ম চিন্তার উপরে উঠে ভাবতে না পারি।
১৩২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:২৮
স্বাগত. বলেছেন: পোস্টটি ৯৮ জনের ভাল লেগেছে, ৫৩ জনের ভাল লাগেনি
এই ৫৩ জনের চুলকানির কারন টা কি?
১৩৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
কৌশিক বলেছেন: কালো-ভোমরা, গালিবাজ একটা কর্তাপদ যার সাথে গালি প্রয়োগের অভ্যস্ত ও নৈয়মিক সম্পর্ক থাকে বলেই ব্যক্তি এমন বিশেষায়িত হতে পারে। পক্ষান্তরে গালি প্রদান চরমতম ঘটনার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার স্বতস্ফূর্ত প্রকাশও হতে পারে যা বিশেষ্যকে গালিবাজ হিসাবে চিহ্নিত নাও করতে পারে। যেমন, আপনার মা'কে চোখের সামনে একজন ইভটিজিং করলো, সম্ভবত ইভটিজিং শব্দ দিয়ে তাৎপর্য বোঝানো যাবে না, সেজন্য আরো একটু স্পষ্ট করে বলতে হচ্ছে, ধরুন আপনার মাকে একজন চলন্ত বাসে বুকে হাত দিয়ে একটা ক্ষমার অযোগ্য যৌন আচরণ করলো এবং সেটা আপনি দেখছেন। এমন হতে পারে জীবনেও আপনি একটা গালিজাতিয় শব্দ ব্যবহার করেননি, বা গালিবাজও মোটেই না। সেসময় আপনার প্রতিক্রিয়াজাত ভাষা কি হবে সেটা নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছেন। গালি না হলেই বরঞ্চ আপনি মেরুদন্ডহীন, অথর্ব। আপনাকে তখন উল্টো লাথি মারা উচিত। তবে আমি হলে আপনি না হলেও আপনার মায়ের সাথে অসদাচরণের জন্য আমি ঐ শুয়োরকে শুধু গালি না, খুন করে ফেলতাম। বিষয়টা বোঝা গেলো?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪২
সন্যাসী বলেছেন: কৌশিক ভাই, আমাদের সংযত হওয়া উচিত। যদিও আমি পোস্টটি লিখতে গিয়ে নিজে সংযত থাকতে পারিনি।
১৩৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৭
দুরের পাখি বলেছেন: @ কৌশিক
জাঝা ফর কমেন্ট ১৪৩
১৩৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৮
ম.শরীফ বলেছেন: প্রাণের বিনাশ আছে, চেতনার বিনাশ নেই। আমাদের উচিত চেতনার আলো ছড়িয়ে দেয়া। বাংলাদেশকে কখনই ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গী রাষ্ট্র হতে দেবোনা আমরা।
+ + +
১৩৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৪৭
কালো-ভোমরা বলেছেন: জনাব কৌশিক, ঘটনাস্থলে সরাসরি আক্রান্তের আচরণ আর এখানে পোস্টে বক্তব্য তুলে ধরার মাধ্যমে যে নিয়মতান্ত্রিক আচরণ এই দুটোতে তফাৎ করতে না পারা দুঃখজনক। এটাও মুক্তবুদ্ধি চর্চার অন্তরায়। যে সব মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী বুদ্ধিজীবি মারা গিয়েছেন তারা আক্রান্ত হয়েও আক্রমন করেছেন বলে আমরা জানিনা। শহীদ বুদ্ধিজীবিরা আজকের গালিবাজী দেখলে লজ্জাই পেতেন।
১৩৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫১
শুষ্ক বলেছেন: ব্লগের সবগুলান নাস্তিকের মিছিল দেইখা মন্টা ভালা হয়া গেলো ।
১৩৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫২
কালো-ভোমরা বলেছেন: @কৌশিক, আপনার উপরের মন্তব্যে একটা বিষয় উপেক্ষাই করেছিলাম তাও বলি, আপনি "আপনার মা" জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে যে উদাহরণ দিয়েছেন তাও আপনি করতে পারতেন অন্য কোন ভাবে। অনাবশ্যক বিতর্ক তৈরী করে মুল বিষয়কে বিতর্কিত হতে দেয়া (পানি ঘোলা করা) এক ধরনের বোকামী।
১৩৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৪
জানা বলেছেন:
ভয়াবহ ঘৃণা প্রকাশ করছি সেই সমস্ত ভীরু, নির্লজ্জ, হীন ও কুৎসিত নর্দমার কীটগুলোর প্রতি যারা, এই পোষ্টটিতে এসে গাত্রদাহ নিবারণ করতে লুকিয়ে চুরিয়ে একটি করে মাইনাস দিয়ে গেছে।
তাদের উদ্দেশ্যে বলি: এই পোষ্টটিতে মন্তব্যবিহীন মাইনাস দিতে আপনাদের ভাইদের ডেকে আনুন, একত্রিত হোন এখানেই। নিম্নস্তরের এই কাজটি করে বিশেষভাবে পুলকিত এবং উল্লসিত হবার উদ্দেশ্যে তৈরী একটি 'মাইনাস দল' দেখে আমরাও কিছুটা আনন্দিত হই।
পোষ্টটির জন্য কৃতজ্ঞতা @সন্যাসী
বি:দ্র: একজন সহ ব্লগার হিসেবে ব্লগার বন্ধুদের কাছে অনুরোধ করছি, ক্ষোভ -ক্রোধ (খুব সঙ্গত) সংবরণ করে মন্তব্যে শালীন বাক্য ব্যবহার করুন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৬
সন্যাসী বলেছেন: ধন্যবাদ, জানা। এখনো এত নর্দমার কীট যে দেশে রয়েছে এবং তারা ব্লগিং করে দেখতে খুব খারাপ লাগছে। আমার এই মন্তব্য দেয়াকালীন মাইনাসের সংখ্যা ২০০ পার হয়ে গিয়েছে। আমি শুধুই বলব ইটস প্যাথেটিক।
১৪০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৫
আজম আলী বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
১৪১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৫
কৌশিক বলেছেন: ঘটনাস্থল আক্রমন দেখা এবং সেটা না দেখে কেবল শুনেও আপনার এমন অনুভূতি হবে এটাই স্বাভাবিক। ব্লগের মাধ্যমে আপনি শুনলেন, যেটা হতে পারে ফোনের মাধ্যমে শুনলেন, কেউ একজন আপনাকে বললো সামনাসামনি - এমন শোনার হাজারো ফর্মের মাধ্যমে আপনি শুনলেও এমন অনুভূতি এবং প্রতিক্রিয়া সংগঠন হতেই হবে।
১৪২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
ঘটলা বলেছেন: পোস্টদাতার সাথে কুলাঙ্গার রাজাকারদের মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। রাজাকাররা ইসলামকে হাতিয়ার করে মুক্তিযুদ্ধে বাঙ্গালীদের উপর নির্মম পাশবিকতা চালিয়ে তা হালাল করার অপচেষ্টা করেছিল আর এই পোস্টদাতা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের হাতিয়ার বানিয়ে নাস্তিকতা প্রচারে ব্যস্ত আছেন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৮
সন্যাসী বলেছেন: আপনি প্লিজ মন্তব্যগুলোর উত্তর পড়ে আসেন। আমি শহীদ বুদ্ধিজীবিদের মোটেও হাতিয়ার করিনি। বরং ধর্মকে হাতিয়ার করেই বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়েছে।
১৪৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৮
কালো-ভোমরা বলেছেন: আপনি যদি একজন মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী সুসভ্য লোক হোন তাহলে আপনি গালিবাজিতে আক্রান্ত হলেও অবশ্যই গালি দিবেন না, শারীরিক বা যৌন হয়রানির স্বীকার হলে অবশ্যই আত্নরক্ষামুলক ব্যবস্থা নিবেন। আপনার প্রাণ নাশ বা অন্যকোন সর্বোচ্চ ক্ষতির সম্মুখীন হলে অন্যে প্রাণ বধ বা সরাসরি শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন, তবুও ততটুকুই যতটুকুতে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। সেখানেও যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেন সেটা গ্রহনযোগ্য হবে না।
১৪৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৮
কৌশিক বলেছেন: আপনার মাকে উদাহারণ হিসাবে এজন্যই বললাম, যে বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকান্ডকে আপনি যত হালকাভাবে নিচ্ছেন সেটার জন্য সুযোগ না থাকে।
১৪৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০০
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: @কালো-ভোমরা
আপনি এত ইজমের কথা যে বলছেন তা কেন হচ্ছে তা কখনো ভেবে দেখেছেন? সমাজ কখনোই কোন একটা যুগে আবদ্ধ থাকেনা, তাই যুগের প্রয়োজনেই ধর্মগুলোকে আধুনিক হতে হচ্ছে, আপনার কাছে ইসলামের একটা প্রাচীন বৈধ কাজকে যদি ভাল না লাগে, আপনি আপনার র্যাশনাল চিন্তা দিয়ে উপযোগী বিষয়কে বেছে নেবেন, তারপর ধর্মগ্রন্থের কোন শ্লোক অথবা সাহাবাদের কোন কাজকে খুজবেন যা আপনার নতুন চিন্তাকে সমর্থন করে, আপনি কেন ভেবে দেখছেন না যে প্রথমেই তো আপনার বিচারিক ক্ষমতা আছে, কিন্তু ভয়াবহ ব্যাপারটা হচ্ছে আপনি যদি দলীল দিয়ে আপনার চিন্তাটাকে সমর্থন করাতে না পারেন, তাহলে সুন্নিপন্থী ইসলামে তা জায়গা পাবে না। আর এই দলীল বেসড দলগুলোই ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করছে।
ভাসা ভাসা ভাবে নয়, ইসলামের একটা মডার্ন রুপ পড়েছিলাম, নর্থ আমেরিকান ইনস্টিটিউশন অফ মুসলিম স্কলার এন্ড থিঙ্কার দের লেখা ইসলাম এ কন্টেম্পরারী পার্স্পেক্টিভ। তাতে যেই ইসলামের কথা লেখা ছিল, তা এরকমই র্যশানালাইজড ইসলাম, এগুলো আসলে ইসলাম শব্দটাই ব্যবহার করে, দলীল দ্বারা সমর্থিত হয় না।
১৪৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০১
সুবোধ ভদ্র-জেলা ফরিদপুর বলেছেন: @ ব্লগ এডমিন, জানা : অনেকেই পোষ্টে কমেন্ট করে বলেছে, এই পোষ্টের লেখক বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য ইসলাম ধর্মকে দায়ী করে নাস্তিকতার প্রচারের চেষ্টা করার কারনে মাইনাস দিয়েছে । তাদের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি ?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫১
সন্যাসী বলেছেন: আপনি ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটাকে নাস্তিকতার সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। ধর্মনিরপেক্ষতা আর নাস্তিকতা শব্দদুটোর আকাশ পাতাল তফাত।
১৪৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০২
কৌশিক বলেছেন: কালো-ভোমরা, আপনার কোনো ধারনা নাই আপনার নিজের ব্যাপারেই। আপনাকে আমি এইখানে এই ব্লগেই মাত্র কয়েকটা মন্তব্যেই গালি দিতে বাধ্য করতে পারি। চ্যালেঞ্জ নিবেন?
১৪৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৩
আমি সুখ পাখি বলেছেন: জানা বলেছেন:
ভয়াবহ ঘৃণা প্রকাশ করছি সেই সমস্ত ভীরু, নির্লজ্জ, হীন ও কুৎসিত নর্দমার কীটগুলোর প্রতি যারা, এই পোষ্টটিতে এসে গাত্রদাহ নিবারণ করতে লুকিয়ে চুরিয়ে একটি করে মাইনাস দিয়ে গেছে।
তাদের উদ্দেশ্যে বলি: এই পোষ্টটিতে মন্তব্যবিহীন মাইনাস দিতে আপনাদের ভাইদের ডেকে আনুন, একত্রিত হোন এখানেই। নিম্নস্তরের এই কাজটি করে বিশেষভাবে পুলকিত এবং উল্লসিত হবার উদ্দেশ্যে তৈরী একটি 'মাইনাস দল' দেখে আমরাও কিছুটা আনন্দিত হই।
সামু টিমের প্রতি আবেদন। পেলাস বা মাইনাস কারা দিচ্ছে, তা যেন বুঝা/জানা যায়। কঠিন কিছু নয়- এটা করা। এখন যেখানে পিলাস/মাইনাস আছে- ওটা উঠিয়ে দিলেই হয়। মন্তব্যে রেটং ( পিলাস/মাইনাস) দিবে। প্লিজ এটা করুন।
১৪৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৩
জানা বলেছেন:
কালো-ভোমরা বলেছেন: যে সব মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারী বুদ্ধিজীবি মারা গিয়েছেন তারা আক্রান্ত হয়েও আক্রমন করেছেন বলে আমরা জানিনা।
প্রিয় ভোমরা ভাই,
বিনয়ের সাথে জানতে চাইছি, আপনি কি সচেতনভাবেই এই বাক্যটি (শহীদ বুদ্ধিজীবিদের প্রতি চুড়ান্ত অবমাননা!) তৈরী করেছেন?
আপনার কাছে সংশোধিত বাক্যটি আশা করছি।
১৫০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৫
কালো-ভোমরা বলেছেন: যারা মাইনাস দিয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকে আছেন আমার মতন প্রেজেন্টশন পছন্দ হয় নি বলে। আমি এখনও মাইনাস দেই নাই। ব্লগে যতক্ষন বিভিন্ন ধরনের মাইনাস (প্রেজেন্টশন, বক্তব্য, ইত্যাদি) না থাকবে ততক্ষন নিম্নরূপ মন্তব্য অবান্তর বলে মনে হয়। মুক্তবুদ্ধির প্রসংগে তো আরো অবান্তর। যাদের এইভাবে গালি দিচ্ছেন তারা সবাইতো রাজাকার নয়। এই রকম লাগামছাড়া মন্তব্য উত্তেজনাই বাড়ায়, কোন কাজের কাজ কিছু করে না।
"ভয়াবহ ঘৃণা প্রকাশ করছি সেই সমস্ত ভীরু, নির্লজ্জ, হীন ও কুৎসিত নর্দমার কীটগুলোর প্রতি যারা, এই পোষ্টটিতে এসে গাত্রদাহ নিবারণ করতে লুকিয়ে চুরিয়ে একটি করে মাইনাস দিয়ে গেছে।"
১৫১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:০৯
কালো-ভোমরা বলেছেন: @জানা, আপনি কি সংশোধনী আশা করছেন তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। ঠিক পরের বাক্যেই তাদেরকে "শহীদ বুদ্ধিজীবি" হিসাবে সম্মান দিয়ে কথা বলেছি। "মারা যাওয়ার মতো আক্রমন" বুঝাতে আমাকে ঐ রকম শব্দই ব্যবহার করতে হয়েছে।
১৫২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১১
কালো-ভোমরা বলেছেন: @কৌশিক, চ্যালেঞ্জ নিতে কোন সমস্যা নেই। আমার মাথা ঠান্ডা। আমার ব্লগ (সমুহ) গালাগালি মুক্ত।
১৫৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১২
দুরের পাখি বলেছেন: ভোমরা , ত্যানা না প্যাঁচাইয়া সোজা জবাব দেন । তারা *মারা* গিয়েছেন ? নাকি তাদের *নৃশংসভাবে খুন* করা হইছে । শব্দের অপব্যবহার থেকেই নব্য রাজাকারি পিছলামী শুরু হয় । সো, খুব খিয়াল কইরা ।
১৫৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৪
সাহসী বলেছেন: @ জানা
আর তাদের কর্মকান্ড পুরোপুরিই ইসলাম অনুসারে ছিল। যুদ্ধবন্দী ধর্ষনে ইসলামের সৈনিকরা আরবে যেমন নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রেখেছেন, পাকিরাও সেই ভাবেই যুদ্ধবন্দী ধর্ষণ করেছে। গনিমতের মাল ভোগ তো ইসলামেরই অংশ। তাছাড়া বুদ্ধিজীবিরা অনেকেই ধর্ম মানতেন না, হিন্দুও ছিল অনেক। তাদের হত্যার জন্য কুরআনে সরাসরি নির্দেশই তো দেয়া আছে।
এরকম সব মন্তব্যে এই পোস্টকে সম্পুর্ন অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সে বিষয়ে আপনি কিছুই বললেন না। না বলে বরং ব্লগের একজন মালিক হিসাবে এদের উৎসাহ দিয়ে গেলেন।
কি মনে হয় আপনাদের জানা ? ইসলাম ডাকনামে যা কিছু থাকে এই দেশে তাকে কুৎসিতভাবেই আক্রমন করাকে এত প্রশয় দিচ্ছেন কেন ?
নরওয়েজিয়ান-ডেনিশ-সুইডিশ স্টাইলের ইসলামোফোব ইভানজেলিকদের কেন বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তির চেতনা ব্যবহার করতে উস্কানি দিচ্ছেন ? ইওরোপের ওইখানে না হয় ইসলামের বিরুদ্ধে হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হলে কোনো না জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা হয়, 'মুসলমান' আর 'অ-ইওরোপিয়' নামধারীদের ইমিগ্রেশন আর ইন্টিগ্রেশন ঠেকানোর জন্য এ কাজ করে উগ্র ক্রিশ্চিয়ান ডানেরা।
বাংলাদেশে বসে আপনার কি লাভ ? একটা নাস্তিক্য ধর্মের উগ্র ধর্মকারি সাইট কি ব্যবসায় হিসাবে বাংলাদেশে খুব সম্ভাবনাময় ? আপনার রেসিডেন্টরা কি তা-ই বলে আপনাকে ? আপনার রেসিডেন্টগুলো হল কচুরিপানার মত। ভার্চুয়াল দুনিয়া ছাড়া ওদের শেকড় দুরের কথা এই দেশে। পায়ের নিচে মাটিও নাই।
এই ব্যবসার বাজার খুব সম্ভাবনাময় নয় প্রিয় জানা !
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৫
সন্যাসী বলেছেন: আপনি এরকম ব্যক্তিআক্রমনাত্মক হচ্ছেন দেখে অবাক লাগছে।
১৫৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৬
ছোটমির্জা বলেছেন: ১। বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু -
২। লেখকের দেয়া লিংকে নামে শেষের লেখা আছে -----------
পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বাস্তবিকভাবে হিন্দু-মুসলিম-জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশে খুব ঠান্ডা মাথায় গণহত্যা করেছিল । এবং জাতিকে মেধাশূণ্য করার জন্য বাঙালী মেধাবী সন্তানদের তারা হত্যা করেছিল ।
৩। আর আপনি লিখেছেন:
ক.যুক্তি অবশ্যই ছিল। পূর্ব পাকিস্তানকে যেহেতু তারা আর রাখতেই পারছেনা তাই পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করা আর তাদের দোসরদের উদ্দেশ্য ছিল যে চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের অভ্যুদয় সেই চেতনার ধারকদের বিনাশ করা। পরবর্তীতে যখন এই কুত্তাগুলো আবার সংগঠিত হল এবং রাজনীতিতে প্রবেশ করল তখনও তারা মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনাকে বিনাশে উদ্যোগী হল এবং এখনো সক্রিয় আছে।
খ.১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে যে প্রগতিশীল চেতনার জন্ম দেয় তারই ফসল ১৯৭১। ভাষা আন্দোলনই বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা। যে চেতনাকে ইসলাম তাদের ধর্মের শত্রু বলে বিবেচনা করে।
গ।বস্তুত হিন্দু, বৌদ্ধ, ইসলাম ইত্যাদি প্রথাগত ধর্ম আমাদের সমাজে অনুপ্রবেশ করেছে রাষ্ট্রযন্ত্রের শাসকদের ধর্মকে কেন্দ্র করেই। কিন্তু ঐ সব ধর্মগুলোই বাঙালী লোকসমাজে প্রবেশ করে ক্রমেই তাদের শাস্ত্রীয় বিশুদ্ধতা হারিয়ে লৌকিক ধর্মে পরিণত হয়েছে। বাঙালীর লৌকিক ধর্মগুলো প্রথাগত শাস্ত্রধর্মের রক্ষণশীল তত্ত্ব ও বিধানকে বরাবরই প্রত্যখান করেছে এবং সে প্রত্যাখানে লোকসাধারণের কাণ্ডজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধিই নির্ধারক ভূমিকা গ্রহণ করেছে।
...............কমেন্টে আসি::
জয়েনটু :এখানে যারা মাইনাসে দিচ্ছে, মনে রাখবেন সবাই পাকিদের বীজ। ধর্মের নেশায় মত্ত।
কৌশিক বলেছেন: এই পোস্টে এত মাইনাস কেনো? প্রত্যেকটা মাইনাস দাতা একটা মাদারচোত। শুয়োরের বাচ্চাদের বিচার ছাড়া ডাইরেক্ট গুলি কইরা মারা উচিত।
মু. নূরনবী বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যা অন্যায় এবং এর বিচার চাই কিন্তু এর সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামকে জড়ানোর জন্য পোস্টদাতাকে মাইনাস।
......কইস্যা একটা মাইনাস দিলাম....
রাজাকারদের আমরা সবাই ঘৃণা করি..কিন্তু ইসলাম নিয়া....চুলকানী পোষ্ট দেওয়ায় তেব্র ধিক্কার জানাচ্ছি......
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: একাত্তরে বাঙ্গালীর কোন ধর্ম ছিল না। সবার পরিচয় ছিল সবাই বাঙ্গালী। এই জন্যই সেই কালজয়ী স্লোগান লেখা হয়েছিল
" বাংলার হিন্দু বাংলার মুসলিম বাংলার বৌদ্ধ বাংলার খ্রীষ্টান, আমরা সবাই বাঙ্গালী"
রাতমজুর: এসব বেজন্মাদের ইগনোর করুন, আবারো বলছি। এদের কাজই হলো একাত্তরের হায়েনার প্রেতাত্মাদের পশ্চাৎ বাঁচানো ধর্মের ধুঁয়ো তুলে।
.........................................
আমি মুল কথাটাকে সাপোর্ট করি: পাকিরা + দোসররা আমাদেরকে মেধাশুন্য করে দেবার জন্যই আমাদের মাথাগুলোকে কেটে টুকরো-টুকরো করে দিয়েছে। আমরা হারিয়েছি আমাদের ১ম সারির মানুষগুলোকে।
আসিফ মহিউদ্দিনের কমেন্টের সাথে একমত। কিন্তু বাকী প্রগতিশীলদের কমেন্ট পরে মনে হল এখন যদি আর একটা ৭১ আসে আমরা হেরে যাব। মুক্তবুদ্ধির কথাতো পাই না। ভাইয়ে-ভাইয়ে রেষারেষি হয় কিন্ত দুজনে মিলেই যুদ্ধ করে, কেও একজন মীর জাফর হয়।
পাকি + ছাগু দের সাথে আমি আপ্নাদের খুব পার্থক্য দেখিনা। কেও-ই মুক্তমনা না।
.........
আমি পরে কমেন্ট করব।
১৫৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৮
কালো-ভোমরা বলেছেন: @দুরের পাখি, তাদের নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে, তারা মারা গিয়েছেন, তারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তারা শহীদ হয়েছেন। অাপনি অার কি বলতে চান। গালিবাজি মুক্ত থেকে মুক্তবুদ্ধির পথে যতভাবে বলা সম্ভব তার কোনটা বলতেই অামার সমস্যা নেই। প্রসংগ ও ভাব প্রকাশে পরিমিতি রেখে অামি শব্দ চয়ন করব।
১৫৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৯
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ওরে বাবা অনেকে দেখি গোস্বা হয়েছেন ইসলামের নাম আসাতে।
কিন্ত পাকিস্তান ভাগ হয়েছে ইসলামের নামে। পুর্বপাকিস্তানকে বন্চিত করা হয়েছে ইসলামের নামে, পুর্বপাকিস্তানের মানুষকে সামাজিক, রাজনৈতিক অধিকার হরন করা হয়েছে ইসলামের নামে, ভাষায় আঘাত করা হয়েছে ইসলামের নামে।১৯৭১সালে পাকিস্তান যুদ্ধ করলো ইসলামের নামে, গনহত্যা করলো ইসলামের নামে, এদেশকে লুন্ঠন করা হলো ইসলামের নামে, লক্ষলক্ষ নারীর সম্ভ্রম হরন করা হলো ইসলামের নামে, গ্রাম, শহর , নগর বন্দর, ফসলের মাঠ জ্বালিয়ে দেয়া হলো ইসলামের নামে, বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হলো ইসলামের নামে, পাকিস্তান পরাজিত হলো ইসলামের নামে। এখনো বাংগালী সংস্কৃতিতে আঘাত করা হয় ইসলামের নামে, আর এখন পোস্টে ইসলামে কথা বলাতে কাহারো দেখি গা জ্বালা শুরু হয়ে গেলো। ভন্ডামির একটা সীমা থাকা দরকার।
পোস্টে অনেক প্লাস দিতে ইচ্ছা করতেছে।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০০
সন্যাসী বলেছেন: আপনি যতখানি বলছেন ততখানি বলার সাহস আমার নেই। ধন্যবাদ।
১৫৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২১
দুরের পাখি বলেছেন: @ভোমরা
আপনে আবার ত্যানা প্যাঁচাইতাছেন : তাদের নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে, তারা মারা গিয়েছেন, তারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তারা শহীদ হয়েছেন।
এই ক্লজগুলারে পরপর এক বাক্যে দেয়ার মানে কি ? এইগুলা কি সমার্থক জিনিস ? হয় আপনে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতাছেন না । অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এইগুলারে একই গুরুত্বের জিনিস বইলা অপরাধ বা শোকের মাত্রাকে দুর্বল করার চেষ্টা করতাছেন ।
১৫৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২১
কলাবাগান১ বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস দিয়ে মুসলিমেরা প্রমাণ করল দেশের চেয়ে ধর্ম তাদের কাছে বেশি প্রিয়। হতভাগার দল।
১৬০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২২
কলাবাগান১ বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস দিয়ে মুসলিমেরা প্রমাণ করল দেশের চেয়ে ধর্ম তাদের কাছে বেশি প্রিয়। হতভাগার দল।
১৬১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: এমন একটা পোস্টে আস্তিক নাস্তিক প্যাচাল আসলো কেনো?
১৬২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২৬
সুবোধ ভদ্র-জেলা ফরিদপুর বলেছেন: সুবোধ ভদ্র-জেলা ফরিদপুর বলেছেন: @ ব্লগ এডমিন, জানা : অনেকেই পোষ্টে কমেন্ট করে বলেছে, এই পোষ্টের লেখক বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য ইসলাম ধর্মকে দায়ী করে নাস্তিকতার প্রচারের চেষ্টা করার কারনে মাইনাস দিয়েছে । তাদের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি ?
দুরের পাখি বলেছেন: ভোমরা , ত্যানা না প্যাঁচাইয়া সোজা জবাব দেন । তারা *মারা* গিয়েছেন ? নাকি তাদের *নৃশংসভাবে খুন* করা হইছে । শব্দের অপব্যবহার থেকেই নব্য রাজাকারি পিছলামী শুরু হয় । সো, খুব খিয়াল কইরা ।
জানা, আপনি ব্লগের এডমিন মানুষ । ব্লক হবার আশংকা নিয়েই ব্লগের এই রীতিটা এখানে পোষ্ট করলাম । এই পোষ্টে প্লাস দেয়া ব্লগার দূরের পাখির মন্তব্যের ধরনটা নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পেরেছেন । আমি মন্তব্য করার পর আপনি মন্তব্য করেছেন, কিন্তু আমার মন্তব্যের জবাব দেন নাই । দয়া করে স্পষ্ট একটা জবাব কি আপনি দিবেন ?
বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য কি ইসলাম ধর্ম দায়ী । আমাদের কি ইসলাম ধর্মকে পরিত্যাগ করে নাস্তিকতা গ্রহণ করা উচিত ? @ জানা, পোষ্টের যে বাক্যগুলো এতগুলো মাইনাসের কারন, সেগুলো এডিট করে কি পোষ্ট স্টিকী করা সম্ভব না আপনাদের জন্য ?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩
সন্যাসী বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যার জন্য কে দায়ী? কারা হত্যা করেছিল এই সূর্য সন্তানদের? তাদের ধর্মীয় লেবাসটা কী ছিল? আমি নাস্তিকতার কথা কোথায় লিখেছি? উত্তর দেবেন আশা রাখি।
১৬৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩০
কালো-ভোমরা বলেছেন: @দুরের পাখি, তাদের ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তারা দেশের জন্য মারা গিয়েছেন। তারা অন্যায় রুখতে মৃত্যুবরণ করেছেন। তারা দেশ মাতার জন্য শহীদ হয়েছেন।
এইবার আলাদা আলাদা করে আলাদা আলাদা বাক্যে বল্লাম। ![]()
আশা করি আপনার "ঐ" বস্তু পেঁচানো বন্ধ হবে। আপনি প্রসংগে ফিরতে উদ্বুদ্দ হবেন।
১৬৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
দুরের পাখি বলেছেন: @ভোমরা
এইবার ঠিকাছে । মাই ব্যাড । শব্দ নিয়া পিছলামী দেখলেই অটোমেটিক রাজাকার এলার্ম অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় । ক্লিয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।
সুবোধ-ভদ্র আমার কমেন্টে দুষের কি পাইলো বুঝতেছি না ।
১৬৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪০
বিপ্লব৯৮৪২ বলেছেন: ধন্যবাদ। সময়োপযোগী পোস্ট।
কিন্তু ৭১ জনে মাইনাস দিল?
তাদের বক্তব্যটা কি?
১৬৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৫
ছোটমির্জা বলেছেন:
দেশটা ও যুদ্ধটা কি মুসমানদের, প্রগতিশীলদের, আস্তিকদের, নাস্তিকদের একার ?
না সবার।
কিছু পাকি/ছাগু ছাড়া সবার জীবনেই মুক্তিযুদ্ধ একটা হৃৎপিন্ডের মত।
তাকে গনীমতের মালের মত একটা বিশেষ গ্রুপ নিজেদের অর্জন বলে কেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন? কেন আজাইরা এইখানে ধর্ম আইল?
আমি ভাই মেলা দেশপ্রেমিক দেখছি:
কারও বাপ রাজাকার, কেও জীবনে দেশী কোন পন্য ব্যবহার করে না (সিগারেট,বাংলা চোলাই ও এরা খায়না, বাকীগুলা দুরে থাক),
কেও পারলে দেশটাকেই বেঁচে ফেলে,
( শুধু )গন্জিকা+ডাইল সেবন করে,
ফ্যামিলির সাথে যোগাযোহীন,
ঘোরগ্রস্হ,
কেও বাউল।
এর বাদে যারা তারা তাদের মতে পুরাই ফাউল- মাদার ফাকার।
কেও দেশ-প্রেমিক নাই এরা ছাড়া।
আমি কোন দিকে যাই?
একজন বাংগালী পেলাম নারে পাগল।
১৬৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৭
পারভেজ আলম বলেছেন: আজকে এইখানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সাথে ইসলামের নাম আসায় তার বিরুদ্ধে যেমন প্রতিক্রিয়া দেখতে পাচ্ছি সেইরকম প্রতিক্রিয়া লালন ভাস্কর্য ভাঙা, হুমায়ুন আজাদ হত্যাকান্ড, কার্টুনিস্ট আরিফকে হত্যার হুমকি যখন ইসলামের নামে করা হয়েছে তখনও যদি দেখতে পেতাম তাহলে পুরো বিষয়টাকে হিপোক্রেসি মনে হতোনা।
ইসলামের নামে যেই দলের কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সংগঠিত করেছে সেই দল এবং সেই হত্যাকারীরা দীর্ঘ পাঁচ বছর দেশের অন্যতম প্রধান একটা রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় স্বাধীন বাংলাদেশের পার্লামেন্টে গেছে। তখন এই প্রতিক্রিয়া দেখতে পেলে খুশি হতাম। মডারেট মুসলিমদের ইসলাম প্রেম এবং দেশ প্রেমের সমন্বয়টাকে তখন আর হিপোক্রেসি মনে হতো না।
একাত্তরে কিছু মানুষের কাছে আমাদের ভাষা, ঐতিহ্য এবং জাতীয় পরিচয়ের চেয়ে ধর্মীয় পরিচয় বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ঠান্ডা মাথায় এরা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর খুন, ধর্ষনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, পরিকল্পনামাফিক এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করেছে। শ্রেফ ইসলাম শব্দটা আসায় আজকে যারা এই পোস্টের অন্যান্য বক্তব্যের চেয়ে ইসলাম রক্ষার চিন্তা মূখ্য হয়ে উঠেছে এবং ছাগুদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে এই পোস্টটায় মাইনাস দিয়েছেন একাত্তরে তাদের ভূমিকা কি হতো তারা বিবেচনা করে দেখবেন। সবচেয়ে ভালো হয় নিজের কৃতকর্মের দিকে একবার মুক্তচক্ষে তাকিয়ে দেখলে। শুভবুদ্ধির উদয় হলেই সবার জন্য মঙ্গল।
১৬৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫৭
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট!
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি!
১৬৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০২
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন: প্রচলিত নিয়মে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না, সম্ভাবনাও দেখছি না। আমাদের দরকার আরেকটা ১৪ ডিসেম্বর, এবং ঐ দিন বেছে বেছে পাকি চেতনাধারী শুয়োরদের হত্যা করতে হবে।
১৭০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৯
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: মাঝরাতে যখন দেখলাম এ লেখায় একের পর এক মাইনাস পরছে ....তখন আ মি নিচের শিরনামে একটি লেখা লিখি...................
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কি ইসলাম সম্মত ছিল? জামাত -ই-ইসলাম কি স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধীতা করে শরিয়াত লঙ্ঘন করেছে ?
Click This Link
আমি দেখা বার চেষ্টা করেছি যে ................
যে শোষন মুক্তির চেতনা থেকে আমাদের স্বাধনিতা চেতনা বিকাশ তা ইসলাম ধর্মের (দার্শনিক (বিশেষ করে সুন্নি মতাদর্শ ) দৃষ্টি ভঙ্গির সাথে বিরোধাত্ম।
বিষয়টা একই ঘটতো বৌদ্ধ-হিন্দু -ইহুদি- ক্যাথলিক ধর্মের ক্ষেত্রে ............ কিন্তু, সংখ্যা লঘুর ধর্ম হওয়া শোষন মুক্তির প্রশ্নে স্বাধীনতা সংগ্রামের ক্ষেত্র এই অপরাপর ধর্ম দশৃণ বাহ্যিক ভাবে স্বাধনিতার চেতনার সাথে মিলনাত্মক পরিনত হয়েছে।
আর সেই কারণেই.............
ধর্ম নিরেপেক্ষতা আমাদরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদাংশ।
এখন আমি একজন মানুষ/ মুসলমান পাই নি .....যিনি কোরআন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করতে পারেন........মুসলমানদের রাষ্ট্রের শাসক যদি নিপীড়ক হয় . ..........রাষ্ট্র যন্ত্র যদি শোষনমূলক হয় তবে স্ই শোষনের বিরুদ্ধে দাড়াবার তাকে উৎখাত করার দার্শনিক উপদান সরাসরি ইসলামে আছে।
------------------------------------------------------------------
আপনার লেখা একটা বড় দূর্বলতা রয়েছে।
আপনি শোষন মুক্তির প্রশ্নটি এড়িয়ে গেছেন।
------------------------------------------------------------------
এ লেখায় আমার লেখর লিংক ঢুকিয়ে দিলাম বলে লজ্জিত।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১০
সন্যাসী বলেছেন: আপনার লিংকটি দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। সারাদিন পর ব্লগে ঢুকে মন্তব্য পড়তে পড়তেই রাত শেষ হয়ে যাবে বোধ হয়। উত্তর দেবার সময় পাবনা বোধ হয়। ভাল থাকবেন।
১৭১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১০
সততার আলো বলেছেন: মুসলিমরা তার দেশকে ভালবেসে এবং দেশের জন্য জীবন দিয়ে প্রমান করে তারা ধার্মিক এবং তাদের দেশপ্রেম তাদের ধর্মীয় আমলের একটি অংশ। আর দেশদ্রোহীরাই ধর্মবিরোধী হয়, যাদের ধর্ম নেই তারা শেকড়বিহীন লোভী শ্রেনী।
শ্রদ্ধেয় বুদ্ধিজীবিগনের হত্যার সাথে অযথাই ধর্মকে মিলিয়ে একটা তালগোল পাকানোর চেষ্টা হয়েছে পোস্টে। যারা অকারনে মানুষকে হত্যা করে তারা কোন ধর্মমতেই ধার্মিক নয়, যারা ধর্ষন করে তারাও কিছুতেই নিজেদের কে ধার্মিক বলে পরিচয় দিতে পারেনা। তাই আমার মনে হয়না, বুদ্ধিজীবি হত্যা কিংবা স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর কুকর্মের প্রত্যক্ষ্য সহযোগীদের কার্যক্রমের সাথে ধর্মকে মেলানোটা যৌক্তিক। বরং এর সাথে ধর্মহীনতা কে মেলানো যেতে পারে। যারা ধর্মীয় অনুশাষন মানতে আগ্রহী নয়, তারাই অকারনে মানুষ হত্যা করেছে এবং করছে, তারা ধর্ষন করেছে এবং করছে।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১২
সন্যাসী বলেছেন: আপনি একেবারেই রায়হান স্টাইলে মন্তব্য করলেন। ব্লগিং এর এক বছরে এই ধরণের মন্তব্য দেখতে দেখতে ক্লান্ত।
১৭২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৬
টেক্কা বলেছেন:
@লেখক:
পোস্টের বিষয়টা নি:সন্দেহে বাহবা পাওয়ার যোগ্য।
কিন্তু আপনি ধর্ম, ইসলাম, জাতীয়তাবাদ সব গুলিয়ে ফেলেছেন! প্রথম অংশের সাথে অবশ্যই একমত কিন্তু শেষে এসে আপনি গোলমাল করে ফেলেছেন। প্রথম কমেন্টের জবাব থেকেই আপনার এই বিষয়ে ভুল ধারনার কারন বোঝা যাচ্ছে। "পাকিস্তানী জাতীয়তাবাদী ইসলাম" ব্যপারটা আপনার জানা উচিৎ ছিল।
আমি নিজেও ধর্ম নিয়ে উৎসাহী না। কিন্তু বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের মত একটি বিষয়কে ধর্ম এবং আরও নির্দিশ্টভাবে বললে ইসলামের সাথে এককরে আপনি একটি সমস্যা তৈরি করেছেন। পাঠকরা এখন আপনার এত কষ্টে লেখা একটি সুন্দর বিষয়কে নেতিবাচকভাবে দেখা শুরু করবে। তাছাড়া বুদ্ধিজীবিদের শুধুমাত্র "ধর্মের নামে" হত্যা করা হয়েছে এটা সরলীকরন। এতটা সরলীকরন করে মুক্তবুদ্ধির চর্চা হয় কি?
"ধর্ম প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিরোধী" এই ধরনের একটি কট্টরপন্থী কথা বলার কোন প্রয়োজন ছিল না। এতে আপনি নিজেকে ঐ ধর্মব্যবসায়ীদের কাতারে নামিয়ে আনলেন। বলতে বাধ্য হচ্ছি, মুক্তচিন্তা সম্পর্কে আপনার ধারনায় কমতি আছে!
তবে আপনার প্রচেষ্টার জন্য অভিনন্দন। শুধুমাত্র "মুক্তচিন্তার" আবদ্ধে বদ্ধ না থাকার আহবান জানাচ্ছি। তবেই কেবল চিন্তাকে "মুক্ত", সৎ আর প্রয়োগিক করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস!
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৫
সন্যাসী বলেছেন: একটা প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্লিজ? ধর্মব্যবসায়ীরা যখন ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে তা দেখে কি আপনাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে? ধর্ম যখন মানুষকে খুন করতে প্ররোচিত করে তা দেখে কি আপনাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানে?
১৭৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৮
গিগাবাইট বলেছেন: অসাধারণ লেখা। এই পোস্ট এ হিজবুতি-জামাতি গুলা কৌশলে আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক টেনে আনার চেষ্টা করছে। কেউ যেন ফাঁদে পা না দেই সবার প্রতি অনুরোধ রইলো।
১৭৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩২
েরজাউল ফারুক বলেছেন: এই লেখাটিতে মাইনাস দিতে হচ্ছে বলে খারাপ লাগছে। হাজার হলেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখ। কিন্তু যেভাবে ইসলামকে হেয় করা হয়েছে তাতে কি আর করা।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৭
সন্যাসী বলেছেন: আপনার মন্তব্যের উত্তর অনেকের মন্তব্যেই দিয়েছি। দেখে নিবেন। উপরে টেক্কার মন্তব্যের উত্তরে দুটো প্রশ্ন রেখেছি, উত্তর দিয়েন। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে।
১৭৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
জয়েনটু বলেছেন: আমি রাজাকার-জামাত হায়ানাদের উদ্দেশ্য করে বলছি, দৌড়ের উপ্ররে থাকেন। ধর্ম নিয়া ক্যাচাল মারতে এসেছেন তো ধরা খেলেন।
ছাগু (জাশি) দেরকে দৌঁড়ের উপড়ে রাখেন। সাথে আস্তিক এবং নাস্তিক ভাইদের প্রতি কিছু অনুরোধ।
১৭৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: সততার আলো @
স্বধীনতা বা শোষন মুক্তি প্রশ্নে ইসলামের বিধান কি পরিস্কার ভাবে বলুন..................
আমি আজ পর্যন্ত যে টুকু জেনেছি.......................
''মুসলামনদের জন্য মুসলিম শাসক নিপীড়ক হলেও তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা যাবে না বরং ধৈর্য্যরে সাথে তার নীপিড়ন কে কিভাবে কমিয়ে আনা যায় সে চেষ্টাই করতে হবে।''
অপর দিকে, ......
শাসক যদি 'অবিশ্বাসী' হন কিন্তু নিপীড়ক নন তুবও তার আনুগত্যরে শপথ মুসলমানরা নিতে পারেন না।মুসলমানদের কর্তব্য অবিশ্বাসী শাসককে উৎখাত করা।''
নিচের লিংক কে আমি ইসলামী মুলধারার চিন্তাবিদদের আরোকে লিখেছি............কোরআন-হাদিস- ফিকাহ-ইজমার আলোকে আমাকে ভুল প্রমান করার আহ্বান রইলো।
Click This Link
১৭৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫০
অনিকেত বলেছেন: মানুষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক । একটা কথা মনে রাখতেই হবে যে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে একটা বড় প্রভাবক ছিলো ধর্ম ।
১৭৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫২
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: পারভেজ আলম @ মডারেট মুসলিম বলে কোন শব্দ নেই। এটা সামাজ্যবাদে তৈরি আশ্রয়। যেখানে মেরুদন্ডহীন- ভোগবাদী জীবনের আকন্ঠ নিমজ্জিত মুসলমানরা আশ্রয় নেন্।এদের কোন চেতনা গত মান নেই।
এরা নন মডারেট মুসলমানদের থেকে নিকৃষ্ট।
১৭৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৯
ছোটমির্জা বলেছেন: আল্লাহ গো!!
এটা কি আমাদের বুদ্ধিজীবিদের হত্যাকারীদের ঘৃনা জানানো জন্য লেখা নয়?
তাইলে মুল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
আস্তিক-নাস্তিক ক্যাঁচাল শুরু।
পোস্টে অযথা হিট।
এই ভাবে কাম হবে না।
পোস্ট টা নাফিস বা জিকসেস ভাই লিখলে এই রকম হত না।
স্টিকি করে রাখা হুপফুল-এর হিট ও কমেন্ট এটা আজকেই ছাড়িয়ে যাবে।
...................................................
বীরদেরকে স্যালুট।
ফেতনাকারী আর ভন্ড ব্যবসায়ী- কেও ই দেশকে ভালবাসেনা নিজের চেয়ে।
........................................
এই পোস্টে কেন আমাকে এটা লিখতে হল??
জাতি জানতে চায়।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২০
সন্যাসী বলেছেন: বীরদেরকে স্যালুট। ভাই, আমি স্টিকি হওয়ার লোভেতো পোস্ট দিইনি। আমি পোস্ট দিয়েছি আমার মতোই। ওনারা দিলে হয়তো আরো ভাল দিতেন। উপরে একজন পোস্টটিকে বেশ ভালভাবে তুলে ধরেছেন। সে দিলেও খুব ভাল হত বলে মনে করি।
১৮০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০১
টেক্কা বলেছেন: @যারা জেহাদী জোশে ঝাপ দিচ্ছেন...
লেখক হয়তো সরলীকরন করে বলে ফেলেছেন ধর্মই বুদ্ধিজীবিদের হত্যার মূল কারণ, এটা লেখকের ভুল। কিন্তু তাও ভাল লেগেছে জিহাদী জোশে ঝাপিয়ে কেউ বুদ্ধিজীবি হত্যাকে সমর্থন করে বসেন নি !!
একাত্তরের মুক্তি সংগ্রামে খুব সামান্য হলেও পরোক্ষভাবে একটা ফ্যকটর ছিল ধর্ম। নির্দিশ্ট করে বললে হিন্দু-মুসলমান দ্বন্দ্ব। এর শুরু হয়েছে ৪৭ এর দেশভাগের সময় দ্বিজাতি তত্বের মাধ্যমে। ধর্মহীনতা এখানে কোন পক্ষ নয় ঠিকই। কিন্তু যারা এই হিন্দু-মুসলমান দ্বন্দ্বের বাইরে ছিল তারা হলো আমরা, বাঙালীরা। সুতরাং ধর্মহীনতা না হলেও ধর্মনিরপেক্ষতা এখানে একটি পক্ষ। ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ বাঙালী জাতি কখনই মেনে নেয়নি। তার ফলশ্রুতিতেই মুক্তি সংগ্রাম, যা ছিল পাকি জাতীয়তাবাদীদের চাপিয়ে দেয়া মুসলিম জাতীয়তবাদের বিপক্ষে একটি প্রতিবাদ। সামগ্রিক ভাবে দেখলে পাকিদের শোষন ছিল বাংলার মানুষের প্রতিবাদের প্রধান কারন। কিন্তু ভিতরে খুব ক্ষুদ্র হলেও লুকিয়ে ছিল ধর্মের ব্যপারটি। সরাসরি ধর্ম না বলে হিন্দু-মুসলমান দ্বিজাতিতত্বের বিপক্ষে বাঙালী জাতীয়তাবাদের সংগ্রাম বলাটাই সবচেয়ে সঠিক।
মুসলিম (পাকি) হয়ে আরেকজন মুসলিমকে (বাঙালী) ধর্মের নামে হত্যা করাকে জিহাদ বলে কিভাবে? আপনাদের ইসলাম এখানে কি বলে? পাকিরা কিন্তু একে জিহাদের রঙ দেয়ার চেষ্টা করেছিল! যদিও বাঙালী জাতীয়তাবাদের ধর্ম নিরপেক্ষ চেতনার কারনে সেটা সফল হয় নি। বাঙালী জাতীয়তাবাদকে তাই সবসময় সাধুবাদ। ভারতীয়দের চরমপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদ কিংবা পাকিদের 'বিভ্রান্তকারী' 'অপব্যক্ষায় দুষ্ট' ইসলামী জাতীয়তাবাদ থেকে এটা অনেক অনেক গুন ভাল।
আর বর্তমান বাংলাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে আছে ধর্ম ব্যবসায়ীদের কারুকার্য! এই সব ধর্ম ব্যবসায়ীদের দাসত্ব আর কতদিন করবেন? মুক্তির সংগ্রাম যখন করেছেনে, এদের থেকেও মুক্ত হওয়াটাও কি দরকার নয়? এইসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের অন্তত একটি বাস্তব প্রয়োজনীয়তার কথা বলুন! আমার ধারনা বাঙালী জাতীয়তাবাদ ততোটা চরমপন্থী না হওয়ায় এই সব ধর্ম ব্যবসায়ীরা এখনও টিকে আছে!
জামায়াত-শিবির বা মুক্তি সংগ্রামে পরাজিত শক্তি এই সব ধর্ম ব্যবসায়ীদের সামান্য হলেও প্রনোদনা দিয়ে থাকে। তাই সাবধান থাকাই ভাল। টিকে থাকার স্বার্থে শুধু ধর্ম ব্যবসায়ী নয় অন্যদের সাথেও তারা আছে। সবার থেকেই আমাদের সবার সাবধান থাকা উচিৎ!
১৮১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১১
নীল বেদনা বলেছেন:
কলাবাগান১ বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস দিয়ে মুসলিমেরা প্রমাণ করল দেশের চেয়ে ধর্ম তাদের কাছে বেশি প্রিয়। হতভাগার দল।
এই সব কি! বিষয়টাকে বির্তকিত করছেন কেন এভাবে?
১৮২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
জয়েনটু বলেছেন: অনেক্ষণ পর্যবেক্ষনের পর ভালোই বুঝতে পারলাম। এখানে আওয়ামিলীগ, বিএনপি, জামাত সকলের মাথা গাম ঝরতে শুরু করেছে। কারণ সব দলই দেশের শাসনতন্ত্রকে ভোগ করার পরও নিজেদের সুবিধার্থে রাজাকারদের যথাযথ বিচার করতে পারে নি। তাই নিজের সব দোষ ধামাচাপা দিতে এই অক্লান্ত প্রচেষ্টা। লাভ নাই ........লাভ নাই। যতই ছাড় দিবেন ততই অসুবিধায় পরবেন। মডারেট মোসলমান নাম ধারণ করার কোন লাভে নেই।
১৮৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
এক চিলতে আলো বলেছেন: সবই ঠিক আছে।আমি যতদূর জানি,পাকিরা আমাদের মেধাশূন্য প্রজন্ম উপহার দেয়ার জন্য বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছিল।হত্যাকান্ডের তালিকায় হিন্দু-মুসলমান সব ধরনের বুদ্ধিজীবিই ছিলেন।সুতরাং এখানে ধর্ম নিয়ে টানা-হেচড়া করার কী আছে,বুঝলাম না।
আপনি অত্যন্ত চাতুর্যের সাথে;আমাদের একটা জাতীয় ইতিহাসের সাথে আপনার ব্যক্তিগত ধর্মবিরোধিতার খিচুড়ি পরিবেশন করেছেন।
১৮৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২৮
হরিসূধন বলেছেন:
আসিফ মহিউড্ডিন নাস্তিক ছাগু টা "প্রগতি" বলতে কি বুঝায় সেটাও জানে না! হেতে হেতার বলতেই আচে!!
আর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ যখন নিজে-ই আরেকটা ধর্ম হয়ে যায় তকন সেটা শুধু নাস্তিক ছাগু সাম্প্রদাই খায়.......
এখনকার বুদ্ধিজীবিদের বুদ্ধি দেইকা-ই ভাবি ..............
১৮৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪
ছোটমির্জা বলেছেন: অনেকেই দেখি সার্টিফিকেট দিচ্ছে।
ভাই আপ্নের সার্টিফিকেট টা?
১৮৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
হোরাস্ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
যারা ইসলামের নাম নেয়ায় গোস্বা করছে তাদের বলতে চাই ধর্মকে ব্যবহার করে যেমন অনেকে ভালো কাজ করে আবার তেমনি অনেকেই ধর্মের অপব্যবহারও করে। ভালো কাজের ক্রেডিট যেমন ধর্মের তেমনি অপব্যবহার বা খারাপ কাজের দায়িত্বও ধর্মকেই নিতে হবে। আপনাদের কথামত (!!) কেউ যাতে ভুল ব্যাখ্যা করে খারাপ ব্যবহার করতে না পারে সেই জন্য ধর্মকে আপডেট করতে হয়। যা ইসলাম ছাড়া অন্য সব ধর্মই কম বেশী করেছে। আর যতদিন সেটা না করবেন ইসলামের নামে কোন খারাপ কাজ সাধিত হলে সেই দায়ভারও অবশ্যই ইসলামের। এটা যে কোন আইডিয়ার ক্ষেত্রেই সত্যি।
১৮৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
সামাজিক বলেছেন: বাহ্ মুক্তিযুদ্ধের সাথে নাস্তিক প্রোপাগান্ডা মিলিয়ে বেশ মজাদার খিচুড়ি রান্না করা হয়েছে। বাট প্রবলেম একটাই। এই খিচুড়ি কেবল ড্রইংরুমবাসী কিছু মাথামোটা নাস্তিক ছাড়া আর কেউ গিলবে না। দেশের খোলা বাতাসে বিচরনকারী সাধারণ মানুষ এখনো নরমালই আছে।
১৮৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭
ছোটমির্জা বলেছেন: হোরাস্ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
যারা ইসলামের নাম নেয়ায় গোস্বা করছে তাদের বলতে চাই ধর্মকে ব্যবহার করে যেমন অনেকে ভালো কাজ করে আবার তেমনি অনেকেই ধর্মের অপব্যবহারও করে। ভালো কাজের ক্রেডিট যেমন ধর্মের তেমনি অপব্যবহার বা খারাপ কাজের দায়িত্বও ধর্মকেই নিতে হবে। আপনাদের কথামত (!!) কেউ যাতে ভুল ব্যাখ্যা করে খারাপ ব্যবহার করতে না পারে সেই জন্য ধর্মকে আপডেট করতে হয়। যা ইসলাম ছাড়া অন্য সব ধর্মই কম বেশী করেছে। আর যতদিন সেটা না করবেন ইসলামের নামে কোন খারাপ কাজ সাধিত হলে সেই দায়ভারও অবশ্যই ইসলামের। এটা যে কোন আইডিয়ার ক্ষেত্রেই সত্যি।
এটা পড়ে
বুশ সাহেবরে মনে পর্ল।
আপডেট গুলা কি কি কন দেখি।
..........................................
বিবেক: দেশপ্রেমী পোস্টে এই সব কি শুরু করলাম আমরা?
১৮৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯
মাহফুজশান্ত বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড এবং সেইসাথে যত নারী, পুরুষ ও নিষ্পাপ শিশুদের হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ধিক্কার জানাই।
ভাই, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল---আর ধর্ম-অনুসারী এক কথা নয়---- মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছিলেন তারা কি সবাই নাস্তিক ছিলেন? কয়জন নাস্তিক ছিলেন?
সব ধর্মের মানুষই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে স্ভাভাবিক ভাবেই মুক্তিযুদ্ধে মুসলমানদের সংখ্যাই বেশি ছিল। সব ধর্মই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলে।
ভারতেও তো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল আছে। তাই বলে সেখানে কি সব হিন্দুই সেই দলের অনুসারী? বিজেপির কোন কু-কির্তীর জন্য কি ভারতের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে দায়ী করা ঠিক হবে? কখনই না।
একজন খাঁটি ধার্মীককে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলতেই হবে। তা না হলে তার ইমানের দুর্বলতাই প্রকাশ পাবে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিরীহ নারী, পুরুষ ও শিশুর উপর যে অকথ্য অন্যায় ও অত্যাচার হয়েছিল----কোন মুসলমান যদি সেটাকে অন্যায় বলার মত সৎ সাহস না রাখে----তাহলে তো তাকে অন্ধ বলতেই হবে।
১৯০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
অসাধারন পোষ্ট। যারা চুপিচুপি মাইনাস দাগাইতেছেন, সাহস থাকলে বইলা যান কেন দাগাইলেন, ধর্মের নামেই কি সেদিন বাঙ্গালী নিধন হয়নি? আমার সারা জিবন শ্রদ্বা থাকবে এই শহিদ বুদ্বিজিবীদের প্রতি, যারা প্রবল সামরিক শক্তিধারী পাকি এবং এদেশীয় শুয়োরদের সামনে মাথানত বা মাথা বিক্রি করেনি, নিজেদের জিবন দিয়ে বিজয়ের দুদিন আগেও প্রমান করেছেন ওরা মাথা নোয়াতে জানেনা। ওরা জানেনা মাথা বিক্রি করতে।
তবে লজ্জা লাগে এখন যখন দেখি, বর্তমান বুদ্বিজিবীরা মাথা বিক্রি করে খায়, একটা জাতির উননয়নের চেয়ে ওদের কলম বিক্রি বড় হয়। যাদের কলম বিক্রি এবং মাথা বিক্রি দেখে শহিদ বুদ্বিজিবীরা তাদের কবরে যন্ত্রনায় চটপট করে, আর বলে এজন্যেই কি আমরা সেদিন জিবন দিলাম?????
@লেখক, চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে। প্রধান শত্রু????????
আরেকটা কথা কথা, এই দেশের স্বাধিনতার সাথে ধর্মের না হয় সম্পর্ক আছে , কিন্তু মুক্তবুদ্বি বা মুক্তমনা চর্চার সাথে কি সম্পর্ক আছে????
সবসময় খিচুড়ি না বানালে হয়না???
১৯১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৯
কঠিনলজিক বলেছেন: লেখক রে ধিক।
ছওট মির্জার কমেন্ট ১৬৫ ।
উনি অল্প কথা ৩ লাইনে যে ভাবে ব্যাপার টা সঠিক ভাবে উপস্হাপন করলেন লেখক তা পারলেন না বা ইচ্ছা করেই করেন নাই।
"ধর্ম বিরোধীতা" র রংগীন চশমা চোখে দিলে "গু" রে জিলাপী মনে হয় এটা আগে জানতাম না।
১৯২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১০
দ্যা ডেডলক বলেছেন: মাইনাস। বস্তির পোলাপানদের মত কথা বলার জন্য।
১৯৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৭
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশই ছিলেন মুক্তমনা, প্রগতিশীল এবং অসাম্প্রদায়িক চরিত্রের। তারা বেঁচে থাকলে আজকে আমাদের ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাদের হত্যার মধ্যে দিয়ে যেই মেধাশুণ্যজাতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল, তা আজও একই ভাবেই আছে।
এই সামু ব্লগেই কতবার প্রগতিশীল মুক্তমনাদের হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। পাকি ইসলামী নষ্ট আত্মা এখনও প্রাসঙ্গিক।
আর তাদের কর্মকান্ড পুরোপুরিই ইসলাম অনুসারে ছিল। যুদ্ধবন্দী ধর্ষনে ইসলামের সৈনিকরা আরবে যেমন নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রেখেছেন, পাকিরাও সেই ভাবেই যুদ্ধবন্দী ধর্ষণ করেছে। গনিমতের মাল ভোগ তো ইসলামেরই অংশ। তাছাড়া বুদ্ধিজীবিরা অনেকেই ধর্ম মানতেন না, হিন্দুও ছিল অনেক। তাদের হত্যার জন্য কুরআনে সরাসরি নির্দেশই তো দেয়া আছে।
কুরআনের কোন যায়গায় আছে বল্লে একটু ভাল হয়,
পোষ্টে ++
১৯৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২০
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন: @ওঙ্কার:: বাংগালী হওয়ার আগে, বাংলা কথা, বাংলা লেখা বোঝার ক্ষমতা অর্জন করলে ভাল হয়। আমার কমেন্টের অন্য কোন অংশের কোন উল্লেখ নাই কেবল ধর্মের প্রসংগের কথা নিয়ে কথা কও কেলা? ধর্ম লয়া ক্যাচাল কইরা ইতিহাসের নৃশংস গনহত্যার বিষয়টা থেকে সরে না যাওয়ার জন্য ঐ টুকুন কওয়া হইসে। মহিউদ্দিন সাব, লেখক কেউ কোন কতা কইলো না, তোমার এত লাগলো কেলা? শুধু শোনো, ৭১ সালে তোমার মত বুদ্ধি লয়া যদি তুমি বু্দ্ধিজিবী হয়তা তাইলে ১০০% শিওর তুমি মরতা না ।
১৯৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২০
ছোটমির্জা বলেছেন: @লেখক, চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
কথাটা মান্তে পারলাম না।
প্রগতিশীলতা মানে কি?
কেও একজন বলেন দেখি.......
তার সাথে ইসলাম কি কি ভাবে সাংঘার্ষিক?
........................................
এই পোস্টে মাইনাস এত বেশী কেন?
উত্তর: ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের/ মুক্তবুদ্ধির বিরোধী করা।
এতে রাজাকার রা সুবিধা পেল, ছাগু গো দল ভারী হল।
জাতি ৯৬ জন পাকিজাত পেল।
(আর সামু পেল আলেক্সায় র্যাংকিং)
১৯৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৫
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: ছোটমির্জা ১৬৫ এ পেলাচ +++
১৯৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৭
জানা বলেছেন:
সাহসী বলেছেন: @ জানা,
আর তাদের কর্মকান্ড পুরোপুরিই ইসলাম অনুসারে ছিল। যুদ্ধবন্দী ধর্ষনে ইসলামের সৈনিকরা আরবে যেমন নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রেখেছেন, পাকিরাও সেই ভাবেই যুদ্ধবন্দী ধর্ষণ করেছে। গনিমতের মাল ভোগ তো ইসলামেরই অংশ। তাছাড়া বুদ্ধিজীবিরা অনেকেই ধর্ম মানতেন না, হিন্দুও ছিল অনেক। তাদের হত্যার জন্য কুরআনে সরাসরি নির্দেশই তো দেয়া আছে।
এরকম সব মন্তব্যে এই পোস্টকে সম্পুর্ন অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সে বিষয়ে আপনি কিছুই বললেন না। না বলে বরং ব্লগের একজন মালিক হিসাবে এদের উৎসাহ দিয়ে গেলেন।
কি মনে হয় আপনাদের জানা ? ইসলাম ডাকনামে যা কিছু থাকে এই দেশে তাকে কুৎসিতভাবেই আক্রমন করাকে এত প্রশয় দিচ্ছেন কেন ?
নরওয়েজিয়ান-ডেনিশ-সুইডিশ স্টাইলের ইসলামোফোব ইভানজেলিকদের কেন বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তির চেতনা ব্যবহার করতে উস্কানি দিচ্ছেন ? ইওরোপের ওইখানে না হয় ইসলামের বিরুদ্ধে হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হলে কোনো না জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা হয়, 'মুসলমান' আর 'অ-ইওরোপিয়' নামধারীদের ইমিগ্রেশন আর ইন্টিগ্রেশন ঠেকানোর জন্য এ কাজ করে উগ্র ক্রিশ্চিয়ান ডানেরা।
বাংলাদেশে বসে আপনার কি লাভ ? একটা নাস্তিক্য ধর্মের উগ্র ধর্মকারি সাইট কি ব্যবসায় হিসাবে বাংলাদেশে খুব সম্ভাবনাময় ? আপনার রেসিডেন্টরা কি তা-ই বলে আপনাকে ? আপনার রেসিডেন্টগুলো হল কচুরিপানার মত। ভার্চুয়াল দুনিয়া ছাড়া ওদের শেকড় দুরের কথা এই দেশে। পায়ের নিচে মাটিও নাই।
এই ব্যবসার বাজার খুব সম্ভাবনাময় নয় প্রিয় জানা।
---------------------------------------------------------
প্রিয় সাহসী,
আপনার মন্তব্যটি আমাকে যথেষ্ট দূর্ভাবনায় ফেলে দিয়েছে।
হতভাগ্য আমার এই দেশটির মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে দ্বিমত (অন্তত) পোষণকারী, শহীদ বুদ্ধিজীবিদের প্রতি অবজ্ঞাকারী, সর্বপোরী একনদী রক্ত দিয়ে যে অগনিত মানুষ এ,দেশের স্বাধীনতা এনেছেন তাদের অবদান অস্বীকারকারী নির্দিষ্ট গোষ্ঠির প্রতি আমার ঘৃণার সাথে আমি কখনও আমার ধর্মকে গুলিয়ে ফেলিনা। ধর্মকে নোংরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে স্বার্থসিদ্ধির অপচেষ্টা আর ধর্মপালন কে পাশাপাশি রেখে বিবেচনা করার অসৎ বিবেক আমি ধারণ করিনা।
আমার ধর্ম আমাকে শিখিয়েছে, মাথা উঁচু রেখে সর্বাগ্রে মা এবং মাতৃভূমির সম্মান/মর্যাদা রক্ষা এবং তা সমুন্নত রাখতে সর্বদা তৈরী থাকতে। আমি আমার মা'র কাছ থেকে ধর্মের এই শিক্ষা কখনও অবজ্ঞা করতে শিখিনি, করিনি।
এই পোস্টটিতে আমার সাধারণ বোধ আমাকে ধর্ম সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন ও জটিলতা নিয়ে ভাবায়নি বরং স্বদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভমত্বের অস্তিত্বে ধর্মের অপব্যবহার নিয়ে ভাবায়, যা সবার জন্য সুস্থ ও মুক্ত আলোচনা করতে উদ্বুদ্ধ করার কথা। আমার সুস্থ ও দৃঢ় ধর্মানুভূতি এতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হয়না। পোস্টটির আলোচনার বিষয় ধর্মে এসে দঁাড়ালে বরং আমার ধর্মানুভূতি আহত হয়। আমার ধর্ম কখনও আমার প্রতিপক্ষকে বিধর্মী,নাস্তিক, মালাউন.....ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত করতে শেখায়নি। একটি মানুষের কৃষ্টি-সংস্কৃতি (ধর্ম যার বিশেষ অংগ) নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন ও সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে কঠিনভাবে দূরে থাকতে শিখিয়েছে আমার ধর্ম।
আমি একজন সহব্লগার বৈ অন্য কোন পরিচয় থেকে এখানে কথা বলিনি। সেই অর্থে আপনি, আমি, সে, তিনি আমরা কেউই কোন প্রকার গঁোড়ামী ও বিষয় বহির্ভূত আলোচনায় কোন নির্বোধ উৎসাহ/প্রশ্রয় দিতে পারিনা। এখানে দ্বিমতের কোন সুযোগ নেই।
আপনার মন্তব্যের চতুর্থ এবং পঞ্চম প্যারায় আমি যা বলেছেন (আমাকে উদ্দেশ্য করেইতো) তা অসম্মানজনক(আপনার এবং সমমানষিকতার সবার জন্যেই), নোংরা আক্রমণ এবং অনৈতিক বৈ অন্যকিছু ভাবার অবকাশ নেই।
আমার নাগরিকত্ব, এ,দেশে বসবাসের অধিকার, প্রয়োজন এবং আমাদের ভবিষ্যত সম্পর্কে আপনার অহেতুক আগ্রহ/অনাগ্রহ আমার পথচলায় বিন্দুমাত্র প্রভাবিত করেনা বরং আপনাকে বিশেষভাবে চিনতে সহায়তা করে। একইভাবে আপনিসহ কোন বিশেষ কেউ বা কোন বিশেষ দল/গোষ্ঠির দুরভিসন্ধি মত বা পরামর্শও আমাদের আন্দোলিত বা প্রভাবিত করেনা।
@সন্যাসী,
আমাকে ক্ষমা করবেন, এই অসাধারণ পোষ্টটিতে এসে প্রসঙ্গিক আলোচনায় না গিয়ে এতখানি জায়গা দখল করার জন্য। এই পোস্টে আরেকবার ফিরে আসার আগ্রহ/প্রয়োজন আমি মিটিয়ে নিয়েছি। আশা করি পোস্টটির সুস্থ বিশ্লেষণ ও আলোচনা চলতে থাকবে।
ধন্যবাদ।
১৯৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৯
ছোটমির্জা বলেছেন:
সামু ইন অ্যালেক্সা:
# Alexa Traffic Rank: 3,377
# Bangladesh Flag Traffic Rank in BD: 11
# Sites Linking In: 204
#
3 Stars
........................
পজিসন:
2 -Facebook
7-Prothom Alo
9-।Wikipedia
10-bdnews24.com
11-s।omewhereinblog
............................
ট্রফিক রেট:
Yesterday 0.03300 +20%
7 day 0.03300 -11%
..................................................
আলো ছড়িয়ে পড়ুক
১৯৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৯
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: এরকম একটা লেখাও যে স্টিকি করা যায় তাতো জানতামনা। সামুগোষ্ঠীর আর একটু পড়ালেখা করে আসা দরকার।
২০০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৪
ফাহিম আহমদ বলেছেন: চাঁদ গোল সুর্য্য গুল
গুল আলু গুল
তার চেয়ে আরো বেশি
মনের গন্ড গুল,
২০১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৮
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: জানা@
আপনার মন্তব্যে ঝাঝা। ধর্মের অপব্যবহারকারীদের সবার আগে গদাম সহ বিদায় করতে হবে। মানুষের মাঝে এদের থাকার অধিকার নাই।
২০২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: ধর্মীয় উসকানীমূলক পোষ্টে মাইনাস.......
২০৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
শাহেদ_আহমেদ বলেছেন: স্টিকি পোস্টের একি হাল!!!!
২০৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: পোস্টটি ১১৪ জনের ভাল লেগেছে, ১০২ জনের ভাল লাগেনি।
২০৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫০
বাদ দেন বলেছেন: বুদ্ধিজী্বি দের আলাদা ভাবে হত্যার কারন কি ছিল?
*তারা প্রগতিশীল তাই?
*তারা ধার্মিক তাই?
*তারা বাংগালী তাই?
*তারা মুক্তিযুদ্ধের সম্ররথক তাই?
না তারা আমাদের জাতির পথ নির্দেশক তাই?
২০৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫২
সন্যাসী বলেছেন: যারা এখানে পোস্টটিতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন সকলকে ধন্যবাদ। আলোচনায় অনেকেই লেখার বিষয়বস্তু থেকে অনেক সরে এসেছেন দেখে সত্যিই খারাপ লাগছে। অফিসিয়াল ব্যস্ততার জন্য আমি রাতের আগে ব্লগে আসতে পারছিনা বলে দুঃখিত।
২০৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
গিগাবাইট বলেছেন: ধর্মানুভূতি কত প্রবল সেটাই ভাবি, বুদ্ধিজীবি হত্যা, মুক্তিযুদ্ধ এগুলোকে ছাড়িয়ে ধর্মই শেষ পর্যন্ত বড় হয়ে উঠলো।
২০৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৯
দিদুমিয়া বলেছেন: জনাব আপনার উদ্দেশ্যটা কিন্তু যত যাই বলেন...ইসলামকে আক্রমন করা। - না দিয়ে পারলামনা। এজন্য ১১০ টির মত মানুষ এখন পর্যন্ত মাইনাস দিয়েছে...। কারণ এতগুলো মানুষ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।
স্বাধীনতা বিরোধীরা নাম মাত্র কয়েকজন...কিন্তু ইসলামী জনতা আপনার মত হাজার খানেক নাস্তিক ব্যতিত বাকী ৯০ শতাংশ মুসলিম।
ইসলাম শান্তির জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গ্রহণ যোগ্য ধর্ম। মার্কস লেলিনের আপিম নয়।
২০৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৮
ছোটমির্জা বলেছেন: িজহ৭০০৭ বলেছেন: এমন পোস্টটি যাদের ভালো লাগের তাদের ভিতরে বিবেক জেগে উঠুক। এই প্রার্থনা করি। আর কোন ভাষা জানা নেই এর প্রতিবাদ করার।
............
ভাই, রাঁতের বেলা আপনার খবর আছে!!
কাল সকালে খবর নিয়েন।
আমার ১৬৫ নং এ বৃষ্টি ভেজা সকাল + দিসে।
হেহেহ
২১০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
চার্বাকাচার্য্য বলেছেন: স্বাধীনতা বিরোধীরা একাত্তরে যেভাবে ধর্মের নামে অত্যাচার চালিয়েছে, আজকে এখানেও তারাই ধর্মের নামে কোন্দল করছে। মিনমিন করে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলার দিন শেষ, স্বাধীনতাবিরোধী চক্র স্বার্থসিদ্ধি করবে এই ভয়ে যদি আজকে আমরা সত্য প্রকাশ করতে ভয় পাই, আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বলতে গিয়ে আমতা আমতা করি, সেটা আমাদেরই পরাজয়। কাল এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠীই আমাদের মাথায় চড়ে বসবে। সময় হয়েছে তাদের চিহ্নিত করার।
পোস্ট অসাধারন হয়েছে। অপ্রিয় সত্য প্রকাশ করার সাহস সবার থাকে না।
২১১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫১
ফাহিম আহমদ বলেছেন: @ জসিম ইয়ামিন। সন্যাসী নাস্তিক তা আপনি এখন জানলেন, অনেক দুখের কথা,
আরিফ -আসিব, সন্যাসী, হাসান একই সুঁতয় গাঁথা।
২১২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
সুস্ময় পাল বলেছেন: আমার দেশের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য পাকিস্তানী সামরিকবাহিনীর আন্তর্জাতিক আদালতে যদি বিচার হত তাহলে হয়তো একটু শান্তনা পেতাম। তা আর হবার নয়। কিন্তু এদেশী কুত্তাগুলোর শাস্তি যদি দেখতে পারতাম!
আশা করি পারব।আমি আশা করি সেই সকল রাজাকারগুলোর শাস্তি একদিন না একদিন হবেই।এবং সেটা হবে তারা ও আমরা বেঁচে থাকতে থাকতেই।কারণ তারা এখন মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপছে,আর আমরা জীবনের আসল স্বাদ গ্রহণে ব্যাকুল হয়ে আছি।
এই পোষ্টে ১২২টা মাইনাস পড়ল কেন?কাদের গায়ে এত জ্বালাপোড়া আরম্ভ হল এটা দেখে?কারা সেসব নরপিশাচের দল যারা সেই সকল বুদ্ধিজীবিদের হত্যাকে সাপোর্ট করছে?
এটা থেকেই বোঝা যায় এ ব্লগে শিবির বা ঘোরতর পাকিস্তান সাপোর্টার কয়টা।
২১৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৮
এম আই টু বলেছেন: কায়েস মাহমুদ বলেছেন:অসাধারন পোষ্ট। যারা চুপিচুপি মাইনাস দাগাইতেছেন, সাহস থাকলে বইলা যান কেন দাগাইলেন, ধর্মের নামেই কি সেদিন বাঙ্গালী নিধন হয়নি?
হ ভাইয়েরা, ইসলাম ধর্মের নামেই সেদিন বাঙ্গালী নিধন হইসে। তাই চলেন আমরা এইবার ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করি, নিজেরা ইসলাম ত্যাগ করি,ইসলামরে এদেশ থেকে বিদায় করে দেই।তাইলেই মনে হ্য় শহীদ বুদ্ধিজীবিদের আত্মা শান্তি পাবে।
হা্য়রে বাংগালী, এখন প্রগতিশীলদের কাছে রাজাকার আর ইসলাম সমার্থক হয়ে গেছে !!!
২১৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
িদনবদল বলেছেন: একজন বলেছেন (গল্প আর কি)::
১।আপনি দেশপ্রেমিক না ধার্মিক?
উত্তর কি হতে পারে.......
প্রশ্নকারী ভাল না আমরা।
(+ )বা (-) যে যাই দেন না কেন :অনেকেরই গিলতে কষ্ট হচ্ছে।
গ্যান্জাম বাঁধান পোস্ট।
২১৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৫
খাইছি ধরা বলেছেন: ইসলাম ধর্মের নতুন সংযোজন,
দেশের জন্য যুদ্ধ করা হারাম,দেশপ্রেম থাকা ভালো না।রাজাকারগুলানের পক্ষ নেয়া হালাল।বিনা হিসাবে জান্নাত যাওন যইবো।
আরো কত কি শিখমু।
২১৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
িদনবদল বলেছেন: - (মাইনাস) ই দিলাম, দেশপ্রেমী পোস্ট বলে মনে হচ্ছে না।
সালাম ও শ্রদ্ধা সেই শহীদদের।
২১৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৯
সন্যাসী বলেছেন: অনেকের কাছেই আপত্তিকর বিবেচিত হওয়ায় ৫নং সহ কয়েকটা মন্তব্য মুছে দেয়া হলো। অনেকের মন্তব্যই পোস্ট প্রাসঙ্গিক নয়।
আমি পোস্টের নিচে এডিট করে ৪ টা পয়েন্টকে হাইলাইট করে দিয়েছি। আলোচনা সেরূপই হওয়া উচিত। আমি পোস্টের কোথাওই বলিনি যে মুক্তিযুদ্ধ করেছে নাস্তিকরা। আমি বলেছি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অন্যতম উপাদান ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতা আর নাস্তিকতার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। যারা ধর্মহীনতাকেই ধর্মনিরপেক্ষতা মনে করে তাদের কাছ থেকে এরূপ আক্রমন পাব এটা আমার আশংকাতেই ছিল। ব্লগের ছাগুগুলো ছাড়া আর সবাইকে বলছি, প্লিজ আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আমার উদ্দেশ্য মোটেই বিভ্রান্তি ছড়ানো নয়। প্লিজ একটু ভাবেন-ইসলামের নাম ভাঙিয়ে আমাদের সূর্যসন্তানগুলোকে হত্যা করাকে আমরা কোন ভাবেই সাপোর্ট করতে পারি না।
ভাল থাকবেন।
২১৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
সাহসী বলেছেন: ব্রেভ ম্যান !
আমাদের স্পষ্ট করে বলতে হবে- ইসলামের নাম ভাঙিয়ে আমাদের সূর্যসন্তানগুলোকে হত্যা করাকে আমরা কোন ভাবেই সাপোর্ট করতে পারি না।
পারি না। পারি না। পারি না।
যে নাম ভাঙানোর কাজটি মুসলিম লীগ থেকে শুরু করে, মুসলিম লীগের উদরজাত আওয়ামী লীগ, জামাত থেকে শুরু করে বিএনপি তো বটেই মায় বাম রাশেদ মেননরাও করে এসেছে, আসছে। বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য যে এরা অন্তত ইনডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের মত কোন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম পায়নি।
একাত্তরে সময়ে সংঘটিত সব অপরাধের বিচার দাবিতে আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে। এই ২০১০ সালেও আজও রাজাকাররা গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায় আফসোস !
২১৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৫
সাহসী বলেছেন: আর যারা বাংলাদেশের এই দহনে নিজের উগ্রবাদের আলুটা পুড়ে খেতে চায়, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এই উগ্র ও নাস্তিতান্ধদের প্রগতিশীলতার বহর দেখেছেন ! ; ইসলামের ইতিহাস ঘাটলেই দেখতে পাওয়া যায় মক্কা বিজয়ের সময় প্রগতিশীল কবিদের হত্যা এবং কবিতা, ছবি আঁকা ইত্যাদি নিষিদ্ধকরনের মধ্যে দিয়ে এক বদ্ধ ব্যাবস্থার সুচনা হয়।
আরব উপদ্বিপের ওই নীতি নৈতিকতাহীন বর্বর পাগান'রা হল এদের চোখে 'প্রগতিশীল' ! এই ইতিহাসবোধহীন উগ্রদের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
২২০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: মুখোশ-পোষ্টে মাইনাস...........
২২১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
শাহেদ_আহমেদ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের পুস্টে আস্তিক নাস্তিক কেচাল দেইখা ভুলে মাইনাস দিয়া দিসিলাম।
তয় আপনার ২২৭ নম্বর কমেন্টের জন্য প্লাস
আর.. আমি কিন্তু ছাগু না
২২২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
এবিসি বলেছেন: ধর্মকে একটা নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে মিশিয়ে রান্না করা এই খিচুড়িটা ততটা সুস্বাদু মনে হল না।
মাইলাস!
২২৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
জয়েনটু বলেছেন: এখানে কিন্তু অনেক ছাগু (রাজাকার) এসে ধর্মমূলক উস্কানি দিতেছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হল। নাস্তিক নাম ধরে ছাগুরা গেন্জাম করতে ঢুকেছে । সাবধান । ছাগুদের নিপাক হোক ।
২২৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
সুজন বাঙালি বলেছেন: কৌশিক সাহবের কমেন্টা রাখলেন ঠিকই আর আমারটা মুছে দিলেন ? গুড। স্টিকি পোস্টের মালিকরা অশ্বথবৃক্ষের পোস্টিও মুছে দিলেন ! গুড ।
কৌশিক সাহেবদের মত উগ্র সাম্প্রদায়িকরা যখন সামুর কর্তৃত্ব নিয়েছে, তখন এর ভবিষ্যত অন্ধকার মনে হয়। কারন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ অসাম্প্রদায়িক, ব্লগাররাও তাই। কামনা করি যাতে সামুর মালিক মালকিনের শুভ বুদ্ধির উদয় হয় !
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বামদের একটা বড় অংশ বিরোধিতা করেছিল। তাই বলে কি মার্কস আর মার্কসবাদকে ঘৃনার গালির জোয়ারে ভাসিয়ে দেব ! না। দেবনা।
বাংলাদেশের ব্লগের বাজার এখনো ইসলাম-খিচুনি রোগে আক্রান্ত উগ্রদের দখলে যায়নি। আপনাদের চেয়ে অনেক অনেক বেশি সংখ্যক ব্লগারের বিনা বিচারে ফাসির ব্যবস্থা করতে হবে কৌশিক সাহেব !
২২৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
তাহমিদ হাসান চৌধুরী বলেছেন: 


২২৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০১
নীলপদ্দ বলেছেন: অপ্রয়োজনীয় বিতর্কটা এড়ানো যেত। যাইহোক লেখাটার জন্য +
২২৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
আমিআজরাঈল০০৭০০৭ বলেছেন: ++++++++++++++
ঘাতক দালাল ও তাদের সহযোগী সমর্থকরা নিপাত যাক
২২৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
আমিআজরাঈল০০৭০০৭ বলেছেন: ++++++++++++++
ঘাতক দালাল ও তাদের সহযোগী সমর্থকরা নিপাত যাক
২২৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
অরক্ষিত মাহফুজ বলেছেন: এক্স বলেছেন: আমি সজ্ঞানে মাইনাস দিয়েছি, বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের মাধ্যমে একটা জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে. একটি জাতিকে বুদ্ধিহীন করে ফেলার মত হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনাকে অস্ত্র বানিয়ে যখন নাস্তিক্যবাদীরা ইসলামের নামে মিথ্যাচার করে তখন সেই কুচক্রীদের জন্যই মাইনাস.
সহমত।।
২৩০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
অরক্ষিত মাহফুজ বলেছেন: প্লাসের থেকে মাইনাস বেশি হয়ে গেলোযে !!!!!!!!!
২৩১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
ধূসরমেঘ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট!!!
++++
২৩২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১০
খাইছি ধরা বলেছেন: নাস্তিকরা তাদের মন্তব্যের দ্বারা বার বার প্রমান করতাছে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ইসলামকে আক্রমন করা।বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড,মুক্তিযুদ্ধ লইয়া তাগো কোনো মাথা ব্যথা নাই,এইটা তাগো কাছে অপশনাল ।
২৩৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১২
খালিদ আয়াতুল্লাহ বলেছেন: ভাই আমি কিন্তু একটা মাইনাস দিসি। কারনতো জানেন!!!
পোস্টটি ১৩৯ জনের ভাল লেগেছে, ১৪৮ জনের ভাল লাগেনি
২৩৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
রুমানবিডি বলেছেন: ++++
২৩৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
পারভেজ বলেছেন: "আমার পোস্টে ধর্মের সমালোচনা বলতে এটুকুই বলা হয়েছে যে "ধর্ম প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিরোধী""
একমত হতে পারলাম না! দুঃখিত।
অপ্রাসঙ্গিকভাবে বুদ্ধিজীবি হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই হত্যার পেছনে যারা ছিল তাদের মুসলমান বলেই মনে করিনা। এরা কেবল ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু তাতে ধর্ম কী দোষ করলো?!!
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৫
সন্যাসী বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাকারীদের মুসলমান বলেই মনে করেন না? কিন্তু তাদের দলের নামই তো জামায়েতী "ইসলামী" বাংলাদেশ? নাকি অন্য কিছু? তাদের ব্যাংকের নাম "ইসলামী" ব্যাংক। যাদের কানে, নাকে দুলের মত ইসলাম শব্দ লাগানো তাদেরকে আমি ইসলামের ধারক মনে করব না তবে কাকে মনে করব?
২৩৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২১
ছোটমির্জা বলেছেন:
কয়জনের বাপ মু্ক্তি ছিল?
এইখানের?
ইমানে কন..
আর কে কে দেশপ্রেমিক?
১। দেশকে ভালবাসেন
২। মুক্তিযুদ্ধ ভালবাসেন
৩। রাজাকার ঘৃনা করেন ও বিচার তাদের বিচার চান।
৪। দেশী পন্য ব্যবহার করেন, দেশের উন্নতি নিয়ে চিন্তা করেন।
৫। দেশের খারাপ মানুষকে দেশকে ভালবাসতে উদ্বুদ্ধ করেন।
৬। সাম্প্রদায়িকতা ছড়ান না বা বিভাজন করেন না।
৭। সংখ্যালঘুদের নিরাপদ রাখেন
৮। চোরাকারবারী করেন না,
৯। দেশকে বিক্রী করেন বা অন্য দেশের দালালী করেন না।
১০। নিজের কাজ করেন ও অন্যকে সহায়তা করেন।
১১। দেশের জন্য জান দিতে রাজি আছেন----এই রকম অনেক অনেক কাজ.
.....................................................................................
মুক্তিযুদ্ধ কার ও পকেটের মাল না, একে শেপ সামু যে ভাবেই দিক।
এটা স্যাড যে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা নিয়ে পোস্টে মাইনাস বেশী(পোস্টটি ১৩৯ জনের ভাল লেগেছে, ১৪৭ জনের ভাল লাগেনি )
২৩৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
আজম বলেছেন: বুদ্ধিজীবিরা সাধারন মানুষই ছিল...তাদের হত্যা করার প্ল্যান দুনিয়ার কোন মতবাদ দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।
২৩৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
shapnobilash_cu বলেছেন: নাজনীন১ বলেছেন: পোস্ট আর কিছু মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ কেবলমাত্র বামপন্থী আর নাস্তিকদের অর্জন এবং কেবল্মাত্র তাদেরই অধিকার আছে এদেশে থাকবার।
ধর্মের নামে ভুল করেছে কিছু মানুষ, তার জন্য সবাইকে ধর্ম ছাড়তে হবে!!! কি আজব দেশপ্রেম একেকজনের !!! যেন দেশপ্রেম আর ধর্মপ্রেম একটা আরেকটা বিরোধী।
সহমত!
২৩৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৯
বিং বলেছেন:
ব্লগারদের চিন্তা ও চেতনার স্তর দেখে বিস্মিত।ধর্মবাজী,ধর্মান্ধ,ধর্মব্যবসা এবং ধার্মিক ধর্মপ্রেমি দুটোর পার্থক্য যারা বুঝতে পারে না তাদের সাথে তর্কে যাওয়াটা আহাম্মকের কাজ।
পুরাতন আলবদর,আল শামসের সাথে জামাতে ইসলামী বা শিবিরের কোন পার্থক্য নেই।একজন ধার্মিক কখনোই ধর্মের দোহাই তে এসব শুকর দের অপকীর্তি মেনে নিতে পারে না।
প্রিয় মাইনাস দেয়া মুসলমান ব্লগারগন, সত্য কে কী একটি মাইনাস দিয়ে মিথ্যা করা যায়?
এমন একটা লেখাই প্রমান করে দেয় আমরা কত নির্বোধ!
২৪০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
স্পুতনিক বলেছেন: বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: কিছু ইসলামের নামধারী মোনাফেকের জন্য ৭১ সালে বাঙালী বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়। তার মানে এই নয় যে এর জন্য ইসলাম ধর্ম দায়ী। লেখক এই অন্যায় হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার চাইতে গিয়ে পুরো ইসলাম এবং বাংলাদেশের ৯০% মানুষের ধর্মকে কটাক্ষ করেছেন। লেখক ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেছেন এবং ইতিহাসও খানিকটা বিকৃতি করেছেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উদ্যোগতা ছিল তমুদ্দন মজলিস। যারা ইসলামী ভাব ধারার এবং প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম সাহেব সেই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বরই উর্দূর সাথে বাংলাকে সম মর্যাদার ব্যাপারে কথা তোলেন;
http://en.wikipedia.org/wiki/Tamaddun_Majlish
কিন্তু কিছু নাস্তিক তথাকথিত মূক্তমনারা তমুদ্দন মজলিশের এই কৃতিত্ব ছিনতাই করে নিয়েছে। ভাব খানা এমন যে বাংলাদেশের ৯০% মানুষ নাস্তিক ও ধর্মনিরপেক্ষ। জি না, তারা মুসলমান এবং সচেতন ছিল বলেই পাকি, রাজাকারদের বিরুদ্ধে আমরা জয়ী হতে পেরেছি। ৭১এ ইসলামের দোহাই দিলেও ইসলাম যে পাকি ও রাজাকারদের পৈতৃক সম্পত্তি নয় সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। সব কিছুতেই একটা ভারসাম্য দরকার যাকে বলা হয় চেক এন্ড ব্যালান্স। আস্তিক ও নাস্তিক সকলেই একে অপরকে শ্রদ্ধা করবে। কিছু উগ্র আস্তিক এবং কিছু উগ্র নাস্তিকের জন্য সমাজ ও দেশে অশান্তি না লাগে সে ব্যাপারে আমাদেরকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হলেও তা শরীয়া রাষ্ট্র নয়। তাই আমাদের উচিত ধর্ম ও গণতন্ত্রের সমন্বয় গড়ে তোলা। তবেই আস্তিকরা শান্তিতে নিজ নিজ ধর্ম পালন এবং নাস্তিকরাও তাদের নিজস্ব ধ্যাণ ধারণার মূক্ত চর্চা করতে পারবে। একটি কথা আমি সব সময় মনে রাখি আমি যা ভাবি বা যে পথে চলি তা সবাইকেই চলতে হবে তা ঠিক না। তবে আমি বিষয়গুলোকে শেয়ার করতে পারি।
এক্স বলেছেন: পাকিস্তানি সেনাশাসকদের ম্যাসাকারের দায় আপনি ইসলামের উপর চাপাচ্ছেন কেন? হাসিনা বলে তাই কি আপনিও বলেন? শহীদ বুদ্ধিজীবিরা ব্রাকেটবন্দী মুক্তচিন্তাশীল ছিলেন না তারা ছিলেন শুভবুদ্ধির চিন্তাশীল. তারা সাম্রাজ্যবাদ ও শোষনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন এবং সাম্রাজ্যবাদ যে সকল যন্ত্র ব্যবহার করত তার বিরুদ্ধেও বলতেন. তারা ধর্মের মুখোশে সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, ধর্মের বিরুদ্ধে নয়. ডিসেম্বর আসলেই বিকৃত ইতিহাসের এই যুগে আজকে আমাদের সব বিচিত্র সব কথা শুনতে হচ্ছে.
স্বাধীনতা পরবর্তী শহীদ জহির রায়হানের অসমাপ্ত রিপোর্টটা আবার পড়েন তারপর নিচের প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে দেখুন...
পরাজয়ের শেষ মূহুর্তে বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা করেছে কে? মার্কিন পলিসি মেকাররা.
বুদ্ধিজীবি হত্যার লিস্ট তৈরি করেছে কে? মার্কিন সরকারের ২ জন গোয়েন্দা.
বুদ্ধিজীবি হত্যার ইম্প্লিমেন্টেশন কে করেছে? রাও ফরমান আলি
বুদ্ধিজীবি হত্যায় ফিল্ডে কাজ কে করেছে? আল বাদর, শামসের ছেলেরা..
আমাদের বুদ্ধিজীবি যে কয়জনকে মারা হয়েছে তারা সবাই ছিলেন একেকজন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি. তারা কেউ ইসলাম বিরোধিতার জন্য শহীদ হননি, তারা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার জন্য শহীদ হয়েছিলেন.
স্বাধীনতা পরবর্তীতে বাংলাদেশে যেন সাম্রাজ্যবাদ আবারও ফিরে আসতে পারে সেজন্যই পথের কাঁটা সরাতে ওই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়. তারা একটা সুন্দর দেশের জন্য মারা গিয়েছিলেন. মরার আগে অন্তত একটা জিনিস তাদের সান্ত্বনা দিত যে তাদের ত্যাগে একটা সুন্দর দেশ হবে যেখানে সাম্রাজ্যবাদীদের কোন স্হান থাকবেনা.
শহীদ বুদ্ধিজীবিরা যদি দেখতেন যে কিভাবে সাম্রাজ্যবাদীদের দোসর আল বাদর, শামস, দের জেরা না করে তাদের পরবর্তী সোনার ছেলেরা ইসলাম বিদ্বেষী চক্রান্ত বাস্তবায়নে তাদের আত্মত্যাগকে ব্যবহার করছে তবে তারা কবর আর চিতাতেও পাশ ফিরে শুতেন.
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের কি দিয়েছেন আপনারা যে তাদের জানাযা নিয়ে আপনারা এত বড় বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন? সাম্রাজ্যবাদী ভারতের রেললাইন বানানোর জন্য নিজ দেশের গরীবদের উপর ঋণের বোঝা চাপিয়ে, ফারাক্কা-তিস্তা-টিপাইমুখের বিরোধিতা না করে, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীদের নৌঘাঁটি বানিয়ে ঠিকই আওয়ামী-বিএনপি সরকার ক্রমাগত মূত্রবিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের কবরে, আর সেই সাম্রাজ্যবাদী দালালদের কাতারের পিছনে দাঁড়িয়ে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে ইসলামের দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন....
ধিক ধিক ধিক এইসব নীচাশয় প্রতারকদের..
২৪১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৩
অতন্দ্রীলা বলেছেন: মাইনাসের সংখ্যা দেখে মনে হচ্ছে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ বৃথা গেলো। আজো এদেশ ফাকিস্থান নামক এক পশুর দখলে....যাই হোক সকলের প্রতি আমার বিশেষ নিবেদন, আপনারা মাইনাস দেখে মনোকষ্ট নিবেন না। কারণ সমাজে এখনো নির্বোধের পরিমান বেশি। এদের শিক্ষত করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।
পৃথিবীর সকল নির্বোধ নিপাত যাক.....
২৪২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
ভালো ছেলে বলেছেন: ধর্ম প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিরোধী"
একটু বেশিই গাজাখুরী হয়ে গেল না!
২৪৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
কৌশিক বলেছেন: রেটিং এর স্বতঃস্ফূর্ততা ডিসটর্শন করা হয়েছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের দোসরদের মাইনাস প্রদানের ক্যাম্পেইন তাদের দৌরাত্ম্যকে উলঙ্গ ভাবে প্রকাশ করে। এই রেটিং মানি না। মাইনাস প্রদানকারীদের ব্যান করতে হবে। এই দেশে এই পোস্টের সাথে এমন আচরণ দেখা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবমাননা করে। ইসলামের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আকর্ষনের মাধ্যমে এই পোস্টের বিরোধিতা করার মত হীন প্রচেষ্টাকে যেকোন মূল্যে হোক প্রতিরোধ করতে হবে।
২৪৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
যান্ত্রিকগোলোযোগ বলেছেন: অতন্দ্রীলা বলেছেন: মাইনাসের সংখ্যা দেখে মনে হচ্ছে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ বৃথা গেলো। আজো এদেশ ফাকিস্থান নামক এক পশুর দখলে....যাই হোক সকলের প্রতি আমার বিশেষ নিবেদন, আপনারা মাইনাস দেখে মনোকষ্ট নিবেন না। কারণ সমাজে এখনো নির্বোধের পরিমান বেশি। এদের শিক্ষত করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।
পৃথিবীর সকল নির্বোধ নিপাত যাক....
২৪৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬
খাইছি ধরা বলেছেন: এইখানে কিন্তু অনেক ছাগু (রাজাকার) এসে ধর্মমূলক উস্কানি দিতেছে।যাদের কারও কারও বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হল।
২৪৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
সহণ বলেছেন: ১। চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে
২।ভাষা আন্দোলনই বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা। যে চেতনাকে ইসলাম তাদের ধর্মের শত্রু বলে বিবেচনা করে।
কমেন্ট বা করতে ইচছা করেনা---- আসি প্রতি দিন। এই পোষ্টে+ এর থেকে - বেশি দেখে কমেন্ট করলাম।
বাংলাদেশের এই সমস্ত হত্যাকান্ডের জন্য কি ইসলাম দায়ী????
২৪৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
ছোটমির্জা বলেছেন: যান্ত্রিকগোলোযোগ বলেছেন: অতন্দ্রীলা বলেছেন:
মাইনাসের সংখ্যা দেখে মনে হচ্ছে ত্রিশ লক্ষ প্রাণ বৃথা গেলো। আজো এদেশ ফাকিস্থান নামক এক পশুর দখলে....যাই হোক সকলের প্রতি আমার বিশেষ নিবেদন, আপনারা মাইনাস দেখে মনোকষ্ট নিবেন না। কারণ সমাজে এখনো নির্বোধের পরিমান বেশি। এদের শিক্ষত করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।
পৃথিবীর সকল নির্বোধ নিপাত যাক.
.................................................................
এটা কি মুক্তবোধের কথা?
(কেন তারা নিপাত না গিয়ে দেশপ্রেমিক হয়ে যাবে না??)
মাইনাস দিয়ে কি মুক্তিযুদ্ধ বোঝান যায়?
আমার মনে হয়েছে ইসলাম আর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তবোধকে মুখোমুখি করাই মাইনাসের মুল কারন।
২৪৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের সকল কর্ম সংরক্ষণ করা উচিৎ। এই লিংকে একটি কবিতা দেখতে পারেন....
Click This Link
২৪৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
মো. বাকীবিল্লাহ বলেছেন: বুদ্ধজীবি হত্যার সাথে ইসলামকে জড়ানোয় মাইনাস।
২৫০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০০
অরণ্যচারী বলেছেন: এই রেটিং মানি না
২৫১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০২
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আমার মনে হয়েছে ইসলাম আর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তবোধকে মুখোমুখি করাই মাইনাসের মুল কারন। - সহমত।
২৫২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
অাহেমদ হাসান বলেছেন: এতদিন ভাবতাম ফান কিন্তু আজক মনে হচ্ছে আসলেই সামুতে ব্লগিং করার জন্য রাজাকারের দলের মগবাজার হেড অফিস থেকে টাকা দেয়া হয়। নাহলে এত মাইনাস পরার কথা না।
আজও ওরা সাহস পায় এই রকম একটা ব্লগে মাইনাস দেওয়ার!!!!
অাগে শ্লোগান দিতাম-
"একটা দুইটা শিবির ধর
সকাল বিকাল নাস্তা কর"
কিন্তু কুত্তা দিয়েতো আর নাস্তা হয় না। ইহা হারাম।এদের কে জ্যান্ত পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
অগে এই শ্লোগান বাম, বি,এন পি, অওয়ামীলীগ সবই দিত।
২৫৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১১
কৌশিক বলেছেন: কি আবাল পাবলিক! পোস্টের শিরোনামে আছে "বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু" যেখানে পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে ধর্মকে নামমাত্র ব্যবহার করে এই ভয়াবহ হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। এই পোস্টের লৈখক পুরো পোস্ট জুরে ধর্মকে অসৎ উপায়ে ব্যবহার করে কিভাবে হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে মানবিকতাকে ভূলুন্ঠিত করা হয়েছে - সেটাই তুলে ধরেছেন। এই সহজ ও সর্ব গ্রহণযোগ্য বক্তব্যকে সেই অপশক্তি পুরা পোস্টের কমেন্ট জুরে যেভাবে বিকৃতভাবে ব্যাখ্যা করে নিজ গোষ্ঠীর লোকজনকে দাওয়াত করে মাইনাস দেয়ার মহৌৎসব শুরু করেছে - সেটা হাতে নাতে প্রমাণ করে দেয় ধর্মকে অসৎভাবে কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। ধর্মের নামে একটা মানবতা বিরোধী অপরাধ কিভাবে মানুষ করে তা আজকেরই এই ইন্ট্যারনেট এ্যাক্টিভ জঙ্গী মাইনাসদাতাদের দেখলেই বোঝা যায়।
অবশ্য এভাবেই এদের টিকে থাকতে হবে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে।
২৫৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮
নন্দিত স্বপ্ন বলেছেন: আল্লাহর অশেষ শুকরিয়া যে এখনো মানুষের মধ্যে ঈমানের চেতনা শেষ হয়ে যায়নি । আমার ইমান, আমার ধর্ম, আমার বিশ্বাস আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । ............"কোন অনারবের ওপর কোন আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই"............... আরব হলেই যে তাকে আরববাসী মুসলমানদের সমর্থন দিতে হবে, এমন চিন্তাই নিষিদ্ধ । এই হাদীস আমাকে শিখিয়েছে, সবার আগে আমার ধর্মের গুরুত্ব । কেননা পরকালের জীবনটা অসীম - সীমাহীন । আর এই দুনিয়ার জীবন মাত্র অল্প কয়েকদিনের । মাইনাস দিয়ে যারা নাস্তিকতার এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করেছেন, সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই ।
২৫৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
জয়েনটু বলেছেন: অনেক্ষণ পর্যবেক্ষনের পর ভালোই বুঝতে পারলাম। এখানে আওয়ামিলীগ, বিএনপি, জামাত সকলের মাথার ঘাম ঝরতে শুরু করেছে। কারণ সব দলই দেশের শাসনতন্ত্রকে ভোগ করার পরও নিজেদের সুবিধার্থে রাজাকারদের যথাযথ বিচার করতে পারে নাই। তাই নিজের সব দোষ ধামাচাপা দিতে এই অক্লান্ত প্রচেষ্টা। লাভ নাই ........লাভ নাই। যতই ছাড় দিবেন ততই অসুবিধায় পরবেন। মডারেট মোসলমান নাম ধারণ করার কোন লাভে নেই। জামাতরা আপনাগো একদিন ঠিকই উত্তর দিবো । আমি এইসব পলিটিক্যালি চিন্তা করি না, মানবতার দৃষ্টিতে দেখি।
২৫৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
অরণ্যচারী বলেছেন: ধর্মের নামে একটা মানবতা বিরোধী অপরাধ কিভাবে মানুষ করে তা আজকেরই এই ইন্ট্যারনেট এ্যাক্টিভ জঙ্গী মাইনাসদাতাদের দেখলেই বোঝা যায়।
২৫৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: লেখক আপনি বলেছেন, "চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে।" কিছু উগ্র ব্যাক্তির কারণে পুরো ইসলাম ধর্মর কথা আসা কোন যৌক্তিকতা নয়। তাই যদি হয় মার্ক্সবাদের যোগ্য উত্তরসুরী লেলিন বলশেভিক বিপ্লবের পর লক্ষ লক্ষ পাদ্রী, ইমাম, রাব্বি সহ ধর্মীয় নেতাদের হত্যা, উপাসনালয় বন্ধ এবং ধর্ম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তাহলে কি পৃথিবীর সব নাস্তিক বা নাস্তিকতাবাদ এর জন্য দায়ী হবে? মোটেই না। আর ধর্মনিরপেক্ষতা এসেছে Secular শব্দ হতে। যার অর্থ হল
A person or an institution is free from the religion.
http://dictionary.reference.com/browse/Secular
কিন্তু শেখ মুজিব ও তার আলীগ এই সংজ্ঞাকে বিকৃত করে বলেছেন যার যার ধর্ম তার তার। অথচ অধ্যাপক ডঃ সিরাজুল ইসলামের সাক্ষাতকার সহ মূক্তমনা মিঃ অভিজিত রায়ের লেখা দয়া করে পড়ুন;
Click This Link
আর মাওলানা মনসুর সাহেব পরে আসছেন। মূল উদ্যোগত্তা আবুলকাশেম সাহেব। আর আমি এও বলেছি যে ইসলাম গো আযম, জামাত ও পাকিদের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। কাজেই জামাত কি বলল তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র কোরআন কি বলে। জামাতী সহ কিছু ইসলামী দল সিংহভাগ মুসলমানদের বিরুদ্ধে যেমন ৭১ সালে পারেনি ভবিষ্যতেও তারা সহ হিজবুত তাহিরী যারা গণতন্ত্র মানে না তারা কোনদিনও সুবিধা করতে পারবে না। তবে মনির হাসান গং যারা আহমাদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ, তসলিমার মতন গায়ে পড়ে ইসলামের বিরুদ্ধে গায়ে পরে বক্তব্য ও লেখা দেয় তাদেরকে বাংলাদেশের ৯০% মুসলমান ছেড়ে কথা বলবে না। আমাদের আফগানিস্তান হতে শিক্ষা নিতে হবে। যে জহির শাহ বাদশাহ সাধারণ ইসলামী ভাব ধারার ছিল মুষ্টিমেয় নাস্তিক সমাজতন্ত্রীরা আফগানে তাকে উচ্ছেদ করে বল পূর্বক সমাজতন্ত্র বহাল রাখার জন্য সোভিয়েত লাল ফৌজ আনাতে আজ সেখানে তালেবান নামক উগ্র গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছে। তাই বাংলাদেশে ৯০% মানুষের বিরুদ্ধে ধর্মনিরপেক্ষতা চাপিয়ে দিলে আমাদের দেশেও উগ্র গোষ্ঠীরা সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবে। যে টুকুন গণতন্ত্র আছে সেটাও চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। সে জন্যই আমার কথা হল ভারসাম্য বজায় রাখা এবং একে অপরকে শ্রদ্ধা করা। আমি + বা - কোনটাই দেই নি। আপনার শিরোণাম পছন্দ হয়েছিল কিন্তু ইসলামকে এক তরফা সমালোচনা করার জন্য + দিতে পারলাম না। দয়া করে ভবিষ্যতে যদি ভারসাম্য পূর্ণ লেখা দেন ভাল হয়। যাই হৌক আপনি ভাল লিখতে পারেন। ধন্যবাদ্
২৫৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
দ্যা ডেডলক বলেছেন: ![]()
মারহাবা, মাইনাস প্লাসকে ছাড়িয়ে গেছে । আসুন সবাই মিলে মাইনাসের ডাবল সেঞ্চুরি পুরণ করি।
২৫৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
পোস্টটি ১৬৯ জনের ভাল লেগেছে, ১৬৭ জনের ভাল লাগেনি
সাবাশ, ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে ইতিহাস হয়ে থাকুক এই পোস্ট। ধর্মানুভুতি কতটুকু যুক্তি ও শিক্ষা বিবর্জিত একটি ধারণা তার প্রমান পাওয়া যায় এই পোস্টের আপত ধর্ষিত অবস্থা দেখে। সেই সাথে এটাও স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয় যে সেই '৭১এ বুদ্ধিজীবি হত্যার নীলনকশা আজ এই ২০১০ এ এসে কি অসাধারণ প্রভাব ফেলেছে আমাদের ব্যক্তিক ও সামষ্টিক বোধে। সেই নকশা সাফল্যের সাথে সময়ের পরীক্ষায় উৎরে গেছে বলেই ভয় হয়।
২৬০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১
রাজসোহান বলেছেন:
পোস্টটি ১৭০ জনের ভাল লেগেছে, ১৬৭ জনের ভাল লাগেনি
২৬১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
ছোটমির্জা বলেছেন: জয়েন্টু :
মানুষ বড়, পিলাস-মাইনাস না দেখে মানুষ দেখেন আপনি। এটা ভাল।
মানবতা মানে কি?
মুক্তবুদ্ধি মানে কি?
কৌশিক ভাই
আপনার ২৬৩ নং কমেন্টে +।
বাট সন্যাস ভাই, বলেছেন :
১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তাদের মধ্যে ভারী দলটা যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সবধরণের সহায়তা করেছিল তাদের প্রধান পরিচয় ১। তারা এদেশের ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক।
২ চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে যে প্রগতিশীল চেতনার জন্ম দেয় তারই ফসল ১৯৭১। ভাষা আন্দোলনই বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা।
৩। যে চেতনাকে ইসলাম তাদের ধর্মের শত্রু বলে বিবেচনা করে।
এটাকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
১। স্বাধীনতাবিরোধীরা ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক নয়।
২। প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চা মানে কি?
যদি বেলাল্লাপনা, অবাধ ও দায়বদ্ধতাহীন জীবন, অপসংস্কৃতি, ডিজুস & ডিশ কালচার, নেশা করা, বহুগামীতা, ব্যাভিচার, সুদী কালচার, কালোবাজারী, বেইমানী, দেশদ্রোহীতা, মুনাফেকী, বিভাজনকারী, বহুপ্রেম, আত্মহত্যা ইত্যাদি হয় তাইলে ঠিকাছে।
৩। এটার সাথে পোস্ট মিলে না- শুধু শুধু এটা এসেছে।
সাধারন জনগনের মুল আপত্তিটা মনে হয় সেখানেই।
বাকীটুকুর সাথে পাকি বা জাশি বাদে সবাই একমত।
................................
চিকনমিয়া মাইনাসের দোড়গোড়ায় বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড নিয়ে পোস্ট।
স্যাড
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৮
সন্যাসী বলেছেন: তাদের দলের নামই জামায়েতী "ইসলামী" বাংলাদেশ। নাকি অন্য কিছু? তাদের ব্যাংকের নাম "ইসলামী" ব্যাংক। যাদের কানে, নাকে দুলের মত ইসলাম শব্দ লাগানো তাদেরকে আমি ইসলামের ধারক মনে করব না তবে কাকে মনে করব?
প্রগতিশীলতাকে শুধু ইসলাম নয় সকল ধর্মই শত্রু মনে করে এটা অজানার কিছু নেই।
আমার পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় "মুক্তবুদ্ধি চর্চা"। সেটার আলোকে অনেক কিছু এসেছে। তাহলে অনেক কিছু বুঝবেন।
২৬২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৯
টুনা বলেছেন: ধর্মের দোষ কোথায় তা বুঝলাম না । আমরা পানি শোধনের জন্য সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করি । যেই পানি মানুষের জীবন রক্ষা করে ।আবার এই এসিড কিছু মানুষরূপী হায়েনা মেয়েদের ঝলসে দিতে ব্যবহার করে । এতে সালফিউরিক এসিডের কি দোষ ?? রাজাকাররা মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছে , তারা মুসলমান ছিল । আমার প্রশ্ন, যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাদের সিংহ ভাগ ওতো ছিল মুসলমান । রাজাকারদের যেমন ঘৃণা করি , তেমনি তাদের অপরাধের সংগে আমার প্রানপ্রিয় ধর্মকে টেনে আনাকেও ঘৃনা করি ।উসামা বিন লাদেনের মত লোকদের যেমন ঘৃনা করি , তেমনি ঘৃনা করি যারা তাকে দোষী না বলে ইসলামকে দোষী করে ।আপনাকে মাইনাস দিলাম । এবং বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি, দয়া করে ধর্মকে নিয়ে কোন বিতর্কের অবতারনা করবেন না ।আস্তিকদেরও বলছি, ব্লগে যারা আসি তারা কোন ধর্মীয় স্কলার নন । সুতরাং আস্তিক-নাস্তিক ক্যাচালও চাইনা ।যেই পোস্ট দেবে সোজা মাইনাস দেব ।
২৬৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
খাইছি ধরা বলেছেন: মজার ব্যপার হচ্ছে এই পোস্টে যারা মাইনাস দিছে নাস্তিকরা সবাইরে জঙ্গী কইতাছে (হাসাইয়া মারলো)।
তাগো মন্তব্য পইড়া মনে হইতাছে হেরা সবকটাই মুক্তিযোদ্ধা আছিলো।আর বাকিরা রাজাকার।এই গুলার মধ্যে কয়টায় মুক্তিযুদ্ধ করছে তার একটা লিস্টি করন দরকার।
২৬৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
কৌশিক বলেছেন: ছোটমির্জা, আপনি যে বোল্ড লাইনগুলো ধরেছেন, এর প্রতিটা সত্য মানে একাত্তুরের ঘাতকরা। তারা মনে করতো তারাই এদেশের ইসলামের একমাত্র ধারকবাহক, মুক্তিযুদ্ধকে তারা ইসলামের প্রধান শত্রু মনে করতো এবং যার জন্যই মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীলতা এই টার্মগুলো মুক্তযুদ্ধের সাথে জড়িয়ে যায়।
একাত্তুর সম্বন্ধে এবং সেসময়ের বাঙালি জনযুদ্ধের প্রেক্ষিত সম্বন্ধে অজ্ঞতার ফলেই এই উদাহারণগুলোকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার অবকাশ মিলছে। কিন্তু বাংলাদেশের জন্যই এটাই সত্য হয়ে এসেছে। ইসলামকে এভাবেই মুক্তিযুদ্ধের সাথে ঘৃন্যভাবে জড়িয়ে ফেলে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুক্তিচিন্তা, বুদ্ধি এসব টার্মের একপ্রকার নিজস্ব অর্থ, দ্যোতনা, এক্সপ্রেশন তৈরী হয়েছে।
শব্দ ও ভাষার বিবর্তনের ইতিহাসের যে অমূল্য যোগাসাজশ সেটা বাদ দিয়ে এই একাত্তুরের ঘাতকরা এবং তাদের দোসররা নতুন প্রজন্মের কাছে এসব শব্দকে পরিচিত করছে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক হিসাবে।
ইসলামের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা আছে, অথবা সামর্থ্য সেটা ভিন্ন বিষয়। সেটা এখানে সাধারণের আলোচনারও বিষয় নয়। কিন্তু একাত্তুর সংশ্লিষ্ট যে ইসলামের কথা আসে, সেটাকে সে সময়ের প্রেক্ষিতেই দেখতে হবে। আজকে যদি ইসলামিস্টরা এখনও মুক্তিযুদ্ধের প্রসংগে ইসলামের দোহাই দিয়ে বলতে থাকে একাত্তুরে যা হয়েছে সেটার সাথে সংশ্লিষ্টদের ইসলামের কোনো সম্পর্ক ছিলো না বা এর প্রভাব ছিলো না - তবে রাজনৈতিকভাবে ইসলামের ব্যবহার এবং এর সাথে গড়ে ওঠা পার্সেপশনকে নির্দয়ভাবে অস্বীকার করা হবে।
সুতরাং আপনি কাকে সুযোগ দিচ্ছেন সেটাই হচ্ছে বিবেচ্য ও একমাত্র করণীয়।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৩
সন্যাসী বলেছেন: ইসলামকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে রাখুক। তাহলে ইসলামকে সমালোচনা সইতে হবে না। ইসলামকে রাজনীতিতে ব্যবহার করা হবে, ইসলামকে ব্যবহার করে লক্ষ মানুষের মৃত্যু ডেকে আনা হবে তাতে ইসলামকে সমালোচনা সহ্য করতেই হবে।
২৬৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
সাহসী বলেছেন: @ প্রিয় জানা
আমার এই বক্তব্য নিশ্চয়ই আপনাকে উদ্দেশ্য করে ? কিন্তু ব্যক্তি আপনাকে উদ্দেশ্য করে নিশ্চয়ই নয়, সেটা আপনিও বুঝতে পারছেন। ব্যক্তি জানাকে ব্লগের আর দশটা সাধারণ ব্লগারের মত আমারও কনামাত্র আগ্রহ নেই, কানাকড়িও না।
কথাগুলো আমি বলেছি সামহোয়ারইন এর মালিক জানা'র উদ্দেশ্যে। (খেয়াল করে পড়ুন, এখানে কোনো ব্যক্তি আক্রমন নেই।) আবারও বলছি-
নরওয়েজিয়ান-ডেনিশ-সুইডিশ স্টাইলের ইসলামোফোব ইভানজেলিকদের কেন বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তির চেতনা ব্যবহার করতে উস্কানি দিচ্ছেন ? ইওরোপের ওইখানে না হয় ইসলামের বিরুদ্ধে হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হলে কোনো না জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা হয়, 'মুসলমান' আর 'অ-ইওরোপিয়' নামধারীদের ইমিগ্রেশন আর ইন্টিগ্রেশন ঠেকানোর জন্য এ কাজ করে উগ্র ক্রিশ্চিয়ান ডানেরা।
বাংলাদেশে বসে এটা করে আপনার কি লাভ ? একটা নাস্তিক্য ধর্মের উগ্র ধর্মকারি সাইট কি ব্যবসায় হিসাবে বাংলাদেশে খুব সম্ভাবনাময় ? আপনার রেসিডেন্টরা কি তা-ই বলে আপনাকে ? আপনার রেসিডেন্টগুলো হল কচুরিপানার মত। ভার্চুয়াল দুনিয়া ছাড়া ওদের শেকড় দুরের কথা এই দেশে। পায়ের নিচে মাটিও নাই।
সামু থেকে এই সাহসী'কে ব্যান করা হলেও আমি একথা বারবার বলব।
প্রথমত: ইসলামের নাম ভাঙিয়ে আমাদের সূর্যসন্তানগুলোকে হত্যা করাকে আমরা কোন ভাবেই সাপোর্ট করতে পারি না। ইসলামকে ব্যবহার করে মুসলিম লীগের শান্তি কমিটি ও জামায়াত যে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগীতা করেছে এই দেশে একাত্তরে তা ক্ষমা করা যায় না।
দ্বিতীয়ত: মুক্তিযুদ্ধকে যারা এখন ইসলামের বিপরীতে দাড় করানোর চেষ্টা করে এই পোস্টের মত করে, তারা দুনিয়ার সব মজলুম মানুষের বিরুদ্ধে পশ্চিমা ক্যাপিটালিস্ট শক্তির ঘোষিত 'অনন্ত যুদ্ধে'র খলযোদ্ধা। বাংলাদেশে আরো বিশেষত সামুতে নাস্তিকতা আর প্রগতিশীলতার ধুয়া তুলে এরা তথ্যসন্ত্রাস করছে। এসবে আঠা জুড়ে এই পোস্টের মতই তা সামুর মালিকদের জন্য বিব্রতকর হবে। বাংলাদেশের বাস্তব মাটির দুনিয়ার মানুষরা তো না-ই, সাধারণ ব্লগারদের কাছে তা কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না।
২৬৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬
নীল_পরী বলেছেন: এই পোষ্টে এত মাইনাস কেন??
২৬৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রথমেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ বুদ্ধিজীবিদের।
তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তি কামনা করছি।
এবং তাঁদের আত্মদানের মহত্বকে আমরা যেন হৃদয়ে ধারন করতে পারি, আমাদের সকলের কর্মে, বিশ্বাসে এবং চেতনায় যেন সেই মহত্ব বোধ চির জাগরুক থাকে সেই কামনা করছি।
কিন্তু যে কারণে এই বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়া এভং এত মতভিন্নতা তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে- সকলের কমেন্টস এবং জবাব পাল্টা জবাব দেখে খুব সরল ভাবে আমার কাছে যা মনে হল তাই শেয়ার করছি।-
১। শহীদ বুদ্ধি জীবি দের নিয়ে কারো মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। সকলেই তাঁদের আত্মদানকে শ্রদ্ধার ষংগে স্মরন করছেন -
এই জায়গায় সকলেই একমত।
২। এই লেখায় ইসলামকে অপ্রাসংগিক ভাবে জড়ানোতে বিশাল অংশ না-খোশ (এই মূহুর্তে রেটিং ষ্ট্যাটাস- + ১৭২ আর - ১৭৩)
বিস্ময়কর!!!!!!!!!!
এই বিষয়টি লেখক নীচে ফুটনোটে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করার পরও মন্তব্যে এবং তার প্রতিমন্তব্যে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না।
কেউ কেউ বলতে চাইছেন ৭১এ লুঙ্গি খুলে চেক করা হয়েছে। আর তাই সব দোষ ইসলামের!!
কিন্তু তারা কি করে ভুলে যান এই দেশে শহীদের ৯০ ভাগই ছিল মুসলমান।
লুং্গি খোলার বিষয়টা যতটা না ধার্মিকতা চেক তারচে বেশী রাজৈনতিক দৃষ্টিভঙ্গির। অবাক হচ্ছেন?
তবে একটু সামপ্রতিক অতীতে যেতে হয়- যেখানে রাহুল গান্ধী প্রকাশ্য মঞ্চে দম্ভ ভরে এই দেশের লাখৌ শহীদের বীরত্বকে পায়ে দাবিয়ে বলেন- ৭১ ছিল আমাদের বিজয়!!!!!
আর সেই ধারায়ই ভারতীয় চর কিনা তা পরীক্ষা করতেই কলেমা আর লুঙ্গী খোলার ঘটনা ঘটতে পারে এই ভাবে ভাবা যায় না???
আর একদল বলছেন- ইসলাম আর গণতন্ত্র সাংর্ঘষিক!!!!
এই বিষয়ে বিস্তর আলৌচনা এখানে হবে না। সংক্ষেপে বলি জানার আর জ্ঞানের দৈনতাকে এভাব প্রকাশ না করলেও চল নাকি!!!??
৩। জহির রায়হানের প্রসংগে কেউ উত্তর দিলো না!!!! বিষয়টা কেমন?
ইসলাম কে জড়িয়ে কেউ দোষ করলে ইসলামকেই দায় বহন করতে হবে!!! এইরকমও বলছেন কেউ কেউ।
বিষয়টি ফেলে দেবার মতো নয়। যদিও অনেকেরই মানতে কষ্ট হয়। তবে এর সবটুকু দায় ইসলামী স্কলারদের। এবং অবশ্যই আমাদের সকলের। কারণ আমরা যেমন না জেনে কিছূ খাইনা করিনা পড়ি না... তবে ধর্ম নিয়েও কেন না জানার দলে থাকব।
নিজেই খূজে দেখিনা কেন?
৪।আর কেউ কেউ ইসলাম আর সৌদী সমর্থনকে এক করে এর পিছনেও ইসলামকে দায়ী করতে চাইছেন।
এইখানেই প্রকৃত ইসলাম আর প্রচলিত ইসলাম নামধারীদের পার্থক্য করার বিষয়টি আসে। যা ইসলামেও অনুমোদীত। পরিস্কার বলা হয়েছে যদি তোমাদের শাসক একজন ক্রীতদাসও হয় কিন্তু সে কর্মে এবং চেতনায় সৎ তোমরা তাকে মেনে চলবে। কিন্তু ভন্ড বা বকধামির্কদের মেনে চলার আদেশ কখনোই দেয়া হয় নি।
সম্প্রতি উন্মোচিত উইকিলিকসের তথ্য মতে সৌদী সরকার যে একটা বুর্জোয়া, সুবিদাবাদী এবং সাম্রাজ্যবাদী সরকার তা প্রকাশীত -যার সব কটি বিষয় ইসলাম ঘৃনা করে।
সুতরাং তার দায় বাহত্য ইসলামের নামে দেয়া গেলেও মূলত তা ঐ শাসক শ্রেনীর উপরই বর্তায়।
যেমন পাকি জালিমদের অত্যাচারের দায় সকল অপকর্মের দায় তাদের উপরই বর্তায়- ইসলামের উপর নয়। ঐ যে বলে না -পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়।
তেমনি অপরাধীকে চিহ্নিত কর- তার ধর্মকে নয়।
জয় বাংলা বলে ধর্ষন করলে যেমন আওয়ামীলীগ দায়ী আবার দায়ী নয়,
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে কেউ দূর্নিতী করলে যেমন বিএনপি দায়ী নয়,
কিন্তু তাই বলে কথায় কথায় সকল কিছূতে ইসলামোফোবিয়া থাকলে তা বুঝী এমনই বির্তকিত হয়ে পড়ে! এবং তার পিছনে দুরভিসন্ধির প্রশ্নে যদি কেউ আঙুল তুললে তাকে কি দোষ দেয়া যায়?
এবং কতিপয় চিহ্নিত ব্যক্তির পোষ্টের চেয়ে ইসলামের বিরদ্ধাচরন মূলক বক্তব্যকি তাই-ই হাইলাইটস করছে না!!!!
২৬৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
শহিদুল ইসলাম শ্যামল বলেছেন: নব্য আল-শামস, আল-বদরদের ফাঁসি চাই ।
২৬৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
সিউল রায়হান বলেছেন: প্লাস
ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ চাই (তাই বলে ধর্মহীন নয়
)
২৭০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
ও আরেকটা বিষয়ে আমার কিন্চিৎ সন্দেহ আইজকা এই পোস্টের অবস্থা দেইখা দূর হইলো আর আমি কিছু অনুসিদ্ধান্তে উপনীত হইলাম-
১. ধর্মের হিপনোটিক ও সিডেটিভ পাওয়ার প্রচন্ড।
২. ধর্মীয় অনুভুতি খুবই সেনসিটিভ ও ভঙুর। সামান্য টোকা লাগলেই ভাইঙা চুরমার হইয়া যায়।
৩. ধর্ম সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা রাখেনা, ধর্ম যুক্তিবোধ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার পথে অন্তরায়। ধার্মিক হওয়ার প্রিরিকুইজিট অন্ধ ও বোবা হওয়া।
৪. বাংলাদেশের মানুষ স্ট্যাটিসটিক্যালী শিক্ষিত হইছে। সাক্ষরতার হারের গ্রাফ উর্ধমুখী। কিন্তু শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য চেতনাকে জাগ্রত করা সেই উদ্দেশ্য অর্জনে আমরা ব্যর্থ।
২৭১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
ছোটমির্জা বলেছেন: কৌশিক ভাই বলেছেন: ছোটমির্জা, আপনি যে বোল্ড লাইনগুলো ধরেছেন, এর প্রতিটা সত্য মানে একাত্তুরের ঘাতকরা। তারা মনে করতো তারাই এদেশের ইসলামের একমাত্র ধারকবাহক, মুক্তিযুদ্ধকে তারা ইসলামের প্রধান শত্রু মনে করতো এবং যার জন্যই মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীলতা এই টার্মগুলো মুক্তযুদ্ধের সাথে জড়িয়ে যায়।
ধন্যবাদ কৌশিক ভাই,এটা আমি মানি ও স্বীকার করে নেই।
রাজাকরেরা মুক্তিযুদ্ধকে ইসলামের প্রধান শত্রু মনে করাতো।
তার মানে তারা ইসলামকে এখনকার মতই তখন ব্যবহার করেছে- আই ওয়াশ করেছে, মগজ ধোলাই করেছে।
কিন্তু রাজাকার,আল-বদর, আল-শামস কত জন ছিল?
মুক্তিদের চেয়ে কি বেশী?
না।
মুক্তিরা ইসলামকে নিয়ে ব্যবসা করত না বা ইসলামকে তারা রিপ্রেজেন্ট করত না, কিন্ত তাদের ৯০ ভাগই মুসলিম ছিল।
সো ঢালাও ভাবে ইসলামকে দায়ী করা ঠিক হৈনাই।
সো আঘাতটা বুমেরাং হয়ে সন্যাসী ভাইয়ের কাছে ফিরে গেছে।
উনি বোঝাতে ভুল করেছেন।
................................................................................
পোস্টটি ১৭৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৭৮ জনের ভাল লাগেনি ।
১৭৮ জন যদি পাকি/জাশি বা ছাগু হয় তবে সামু নিয়ে আবার ভাবতে হবে।
আমাদের সবার।
২৭২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
কিরিটি রায় বলেছেন: সাহসী বলেছেন: @ প্রিয় জানা
আমার এই বক্তব্য নিশ্চয়ই আপনাকে উদ্দেশ্য করে ? কিন্তু ব্যক্তি আপনাকে উদ্দেশ্য করে নিশ্চয়ই নয়, সেটা আপনিও বুঝতে পারছেন। ব্যক্তি জানাকে ব্লগের আর দশটা সাধারণ ব্লগারের মত আমারও কনামাত্র আগ্রহ নেই, কানাকড়িও না।
কথাগুলো আমি বলেছি সামহোয়ারইন এর মালিক জানা'র উদ্দেশ্যে। (খেয়াল করে পড়ুন, এখানে কোনো ব্যক্তি আক্রমন নেই।) আবারও বলছি-
নরওয়েজিয়ান-ডেনিশ-সুইডিশ স্টাইলের ইসলামোফোব ইভানজেলিকদের কেন বাংলাদেশের জাতীয় মুক্তির চেতনা ব্যবহার করতে উস্কানি দিচ্ছেন ? ইওরোপের ওইখানে না হয় ইসলামের বিরুদ্ধে হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হলে কোনো না জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা হয়, 'মুসলমান' আর 'অ-ইওরোপিয়' নামধারীদের ইমিগ্রেশন আর ইন্টিগ্রেশন ঠেকানোর জন্য এ কাজ করে উগ্র ক্রিশ্চিয়ান ডানেরা।
বাংলাদেশে বসে এটা করে আপনার কি লাভ ? একটা নাস্তিক্য ধর্মের উগ্র ধর্মকারি সাইট কি ব্যবসায় হিসাবে বাংলাদেশে খুব সম্ভাবনাময় ? আপনার রেসিডেন্টরা কি তা-ই বলে আপনাকে ? আপনার রেসিডেন্টগুলো হল কচুরিপানার মত। ভার্চুয়াল দুনিয়া ছাড়া ওদের শেকড় দুরের কথা এই দেশে। পায়ের নিচে মাটিও নাই।
সামু থেকে এই সাহসী'কে ব্যান করা হলেও আমি একথা বারবার বলব।
প্রথমত: ইসলামের নাম ভাঙিয়ে আমাদের সূর্যসন্তানগুলোকে হত্যা করাকে আমরা কোন ভাবেই সাপোর্ট করতে পারি না। ইসলামকে ব্যবহার করে মুসলিম লীগের শান্তি কমিটি ও জামায়াত যে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগীতা করেছে এই দেশে একাত্তরে তা ক্ষমা করা যায় না।
দ্বিতীয়ত: মুক্তিযুদ্ধকে যারা এখন ইসলামের বিপরীতে দাড় করানোর চেষ্টা করে এই পোস্টের মত করে, তারা দুনিয়ার সব মজলুম মানুষের বিরুদ্ধে পশ্চিমা ক্যাপিটালিস্ট শক্তির ঘোষিত 'অনন্ত যুদ্ধে'র খলযোদ্ধা। বাংলাদেশে আরো বিশেষত সামুতে নাস্তিকতা আর প্রগতিশীলতার ধুয়া তুলে এরা তথ্যসন্ত্রাস করছে। এসবে আঠা জুড়ে এই পোস্টের মতই তা সামুর মালিকদের জন্য বিব্রতকর হবে। বাংলাদেশের বাস্তব মাটির দুনিয়ার মানুষরা তো না-ই, সাধারণ ব্লগারদের কাছে তা কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না
২৭৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি হবার আগেই আসিফ ভাই কমেন্ট করেছিলেন, এখানে প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাসহীন পারভেজ ভাই কমেন্ট করেছেন, আমি বার বার বলেছি যে ছাগুদের সুযোগ করে দেবেননা, এই পোস্ট কি এইটা প্রমাণে স্বার্থক হল যে যে কোন অন্যায় ধর্মের নামে করলেই ছাড় পাওয়া যাবে?
পোস্টে লেখক সেই সংগঠনগুলোকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করেছেন। আজ যদি নাস্তিকেরা বুদ্ধিজীবি হত্যার কারণ হত, তাহলে মুক্তচিন্তার পথিকেরা তাদের অপরাধকে কখনই সমর্থন করত না, তাদের বাচাতে আলোচনা অন্যদিকে নিয়ে যাবার প্রয়াস রাখত না। নাস্তিকদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারনা অনুসারে আমাকে ঘৃণা বা গালি শুনতে হলেও আমি বলতাম চলুন, তাদের বিচার করি, আপনাদের দাবীর সাথে একাত্ব হতাম। আমার কোন ধর্ম নেই যে তাকে রক্ষা করতে হবে। লেখক এমনটা কোথাও বলেননি যে তাদের অপরাধের কারণে ধর্মকে উচ্ছেদ করতে হবে।
এ পোস্টে অনেকেই কমেন্ট করেছেন যারা সুনির্দিষ্টভাবে মুক্তচিন্তার বিপক্ষ শক্তি, যারা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর অন্যসব মতের দল সমুহকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে, তাই তাদের বিপক্ষে অনেক কথা বলতে বাধ্য হয়েছি, বুদ্ধিজীবিদের অনেকে ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছিল, আবার অনেকে ধর্ম বিশ্বাসহীণ ব্যক্তিও ছিলেন, তারা ধর্মান্ধ ছিলেন এমনটা আমার জানা নেই। ধর্মান্ধরাই এই পোস্টের উদ্দেশ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে, তাদের কর্মকান্ডই পোস্টের প্রথম লাইন "বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু" কথাটিকে জোড়ালোভাবে প্রমাণ করল।
২৭৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬
জয়েনটু বলেছেন: জয়েনটু বলেছেন: অনেক্ষণ পর্যবেক্ষনের পর ভালোই বুঝতে পারলাম। এখানে আওয়ামিলীগ, বিএনপি, জামাত সকলের মাথার ঘাম ঝরতে শুরু করেছে। কারণ সব দলই দেশের শাসনতন্ত্রকে ভোগ করার পরও নিজেদের সুবিধার্থে রাজাকারদের যথাযথ বিচার করতে পারে নাই। তাই নিজের সব দোষ ধামাচাপা দিতে এই অক্লান্ত প্রচেষ্টা। লাভ নাই ........লাভ নাই। যতই ছাড় দিবেন ততই অসুবিধায় পরবেন। মডারেট মোসলমান নাম ধারণ করার কোন লাভে নেই। জামাতরা আপনাগো একদিন ঠিকই উত্তর দিবো । আমি এইসব পলিটিক্যালি চিন্তা করি না, মানবতার দৃষ্টিতে দেখি।
@ছোটমির্জাঃ মানবতা বলতে এখানে বুঝানো হচ্ছে, বুদ্ধিজীবিদের নৃশংসভাবে হত্যা করাকে? এখানে অভারঅল মানবতার কথা টেনে না আনাই যুক্তিক । ধর্মের নাম আসছে, কারণ রাজাকার (জামাতিরা) শুধু ধর্মের নামে পৃথক বাংলাদেশের রাষ্ট্র হোক তা চায় নি । শুধু ধর্মের নামে তারা পাকিস্তানিদের আপন করে নিয়েছিল, অন্যদিকে বাঙ্গালিদের দূরে ঠেলে দিয়েছিল । আমি অন্যকিছু বুঝি না, পাপ্লিক বুঝতে চেষ্টা না করেই প্লাস-মাইনাস দাগিয়ে যাচ্ছে ।
২৭৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০২
অশ্বথবৃক্ষ বলেছেন: সিউল রায়হান বলেছেন: প্লাস ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ চাই (তাই বলে ধর্মহীন নয় /
)
চরম বিনোদন কমেন্ট
তোমার মত পোলার কাছ থিকা এইরম আবাল কমেন্টই আসপে । ইফার ব্যালে ড্যান্স কেমন লাগছিলো ?
২৭৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
সর্বাধিক বেদনা বলেছেন: এই পোস্টে এত মাইনাস আসে কিভাবে?? শুয়োরের বাচ্চাদের কবল থেকে কি আমরা কখনোই মুক্ত হবে না?? আমি এইসব রাজাকার আলবদরদের কোন বিচার চাই না। কারন বিচার মানুষের জন্যে, জানোয়ারদের হত্যা করতে হয়, বিচার জানোয়ারদের জন্যে নয়।
২৭৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯
টুনা বলেছেন: যারা(সবাই না) নিজেদের মুক্ত বুদ্ধির স্বঘোষিত ধারক-বাহক তাদের কমেন্টে যেই পরিমান অশালীন গালাগালী থাকে তা দেখে নিজের নিকের উপর লেখা কথাগুলি মুছে দিতে মন চায় । শিরোনামটা যদি ভিন্ন হত তবে কন্টেন্ট এর জন্য মাইনাস না দিয়ে প্লাস দিতাম ।মাইনাস দেবার জন্য যারা স্বাধীনতা বিরোধী বলে গালি দিচ্ছেন তাদের চ্যালেন্জ দিচ্ছি, আমার নাম ঠিকানা নিয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে ট্যাগিং করবেন ।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৩
সন্যাসী বলেছেন: আপনি বলে মাইনাস দিয়েছেন এটা ভাল লাগল। কেউ বলছে শীরোণাম ঠিকাছে, কন্টেন্ট ঠিক নাই। আপনি বললেন শিরোণাম ভিন্ন হলে কন্টেন্টের জন্য প্লাস দিতেন। কোনটা যে ঠিক আপনারাই ঠিক করেন।
২৭৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
ছোটমির্জা বলেছেন:
জয়েনটু :
ধর্মের নাম আসছে, কারণ রাজাকার (জামাতিরা) শুধু ধর্মের নামে পৃথক বাংলাদেশের রাষ্ট্র হোক তা চায় নি । শুধু ধর্মের নামে তারা পাকিস্তানিদের আপন করে নিয়েছিল, অন্যদিকে বাঙ্গালিদের দূরে ঠেলে দিয়েছিল ।
এটা অ্যাভারেজ বাংগালীই জানে।
কৌশিক ভাইয়ের উত্তরে আমি তা বলেছি।
এমনকি ব্লগারাও ইসলাম রিপ্রেজেন্ট করে না।
কিন্তু ঢালাও ভাবে ইসলামকে রাজাকার (জামাতি) দের সাথে মেশালে - আওয়ামী লীগ (প্রধানমন্ত্রী নামাজ পড়েন, হজ্জ্ব করেন),বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও আমজনতা এরা কারা?
এদের খারাপ লাগবে না?
কি বলেন?
আমি অন্যকিছু বুঝি না, পাপ্লিক বুঝতে চেষ্টা না করেই প্লাস-মাইনাস দাগিয়ে যাচ্ছে । --
ভাল কথা, বোঝার মত লেখাও দরকার কিন্তু দরকার আছে ভাই।
সবাই এইখানে থিসিস লেখতে আসে নাই, বা সমান বোধ নিয়ে আসে নাই।
লেখকের সে কথা মনে রাখলে এত মাইনাস পেত হত না- এমন ভাল একটা টপিক নিয়ে লিখে।
স্যাড!
২৭৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: @বিদ্রোহী ভৃগু
আর একদল বলছেন- ইসলাম আর গণতন্ত্র সাংর্ঘষিক!!!!
এই বিষয়ে বিস্তর আলৌচনা এখানে হবে না। সংক্ষেপে বলি জানার আর জ্ঞানের দৈনতাকে এভাব প্রকাশ না করলেও চল নাকি!!!??
এই বিষয় নিয়ে হুজবুত তাহরীর এর সাথে আপনার আলোচনা শুনতে আগ্রহী।
২৮০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯
জয়েনটু বলেছেন: @ ছোটমির্জা ভাইঃ সে হিসেবে বুঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের রাজনীতিক দলগুলো দেশ-জাতি চেয়ে ধর্মকে বেশি প্রাধান্য দেয় । এই প্রাধান্য দেয়ার কারণেতো আদৌ রাজাকার (জামাতিরা) বুক ফুলিয়ে বেড়াই । তাইতো শুধু ধর্মের ভেদাভেদে ভারতে উগ্র হিন্দুরা মসজিদ ভাঙলে বাংলাদেশে মন্দির ভাঙ্গা হয় । এভাবে চলতে থাকলে দেশের কি উন্নয়ন সম্ভব ? লেখক, ধর্মনিরপেক্ষতাকে তুলে ধরতে চেয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই । আপনি আমার নিচের লিংকের লেখাটি পড়তে পারেনঃ বুদ্ধিজীবি বনাম রাজাকার
২৮১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
জর্জিস বলেছেন: জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবিদের জন্য শ্রদ্ধা আর স্যালুট। তবে লেখকরে মাইনাস; কারন এমন সেনসটিভ পোস্টে লেখকেরই দায়িত্ব পোস্টের মূল টপিক/থিম ধরে রাখা। উনি তা পারেন নাই বরং কিছু কিছু কমেন্ট নাস্তিকদের পক্ষেই গেছে এবং পোস্টের প্রেজেন্টেশনেও ইসলামকে কিছুটা হেয় করা হয়েছে। এতে এমনকি ব্লগের মালিকও কিছুটা বাদানুবাদে জড়িয়ে গেছেন। এমতাবস্থায় লেখক পোস্টের মূল থিম ধরে রাখতে পারেনি। এটা লেখকের ফেইলর। এইজন্যই এত মাইনাস।
২৮২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
তুফান মেইল বলেছেন: এরকম একটা মহামুল্যবান পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ++
যারা এই পোষ্টে মাইনাস দিয়া গেছে তাদের মনে হয় জ্ঞ্যান বোধটা একটু কম আছে। সর্বশেষে এইটাই বলতে চাই রাজাকার-আলবদরের ফাঁসি চাই।
২৮৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
আমি বিদ্রোহী বলেছেন: পোস্টটি ১৭৬ জনের ভাল লেগেছে, ১৮৪ জনের ভাল লাগেনি। কাজেই লেখকের মত অনু্যায়ী দেশের বেশীরভাগ মানুষ রাজাকার/জাশি/ছাগু। রাজাকার/জাশি/ছাগু দের এই দেশে রেখে জনাব লেখক কি দয়া করে আপনার ভারত মাতার কাছে ফেরত যাবেন? শালা ভারতের টিকটিকি গুলা বাল সরকার এর ছত্রছয়ায় সাম্প্রদায়ীক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে।
২৮৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
স্মরন বলেছেন: এখানে যান, বলে আসেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল। আপনার সুবিধার জন্য এখানেও দিয়ে দিলাম, পড়ে জবাব দিন।
স্বাধীনতার মাস আসলে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিষয়ক কথার ফুলঝরি ছুটান, টক শো করেন, চুশীল/প্রগুদিশীল সাজেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আসলে কি ছিল সেটাই কেউ বলে না। আজ সন্যাসী তার ব্লগে এক মন্তব্যে বলেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা। যদিও আপনার লেখায় মনে হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বলতে যেটা হয়েছে সেটা আসলে ধর্মযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের বেশিরভাগই তো মুসলিম ছিল। তাহলে একজন মুসলিম আরেক মুসলিমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে কেন?? আপনি হিসেব দেন তো কয়জন হিন্দু মুক্তিযুদ্ধ করেছে!!! হিন্দু মারা গেছে অনেক, তবে যুদ্ধ করে নয়, (যশোর রোডে) বর্ডারে এবং ভারতে পালাতে গিয়ে। আপনি কি করে জানলেল যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা!! মুক্তিযুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন কি এইরকম কোন আইডিওলজি ছিল, এই রকম কোনকিছু লেখা ছিল!!! পারলে একটা দলিল হাজির করেন তো!!! আমি জানি সন্যাসী মুক্তিযুদ্ধ করে নাই, আমিও করি নাই। তাই আমরা কেউই বলতে পারব না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল। শেখ মুজিবও তো প্রথম স্বাধীনতা চাননি। স্বাধীনতা হচ্ছে সময়ের ফসল। ব্লগে কেউ যদি মুক্তিযুদ্ধ করে থাকেন তাহলে প্লিজ বলুন, মুক্তিযুদ্ধ কি উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছিল। আমরা আজ বিভ্রান্ত, তরুন প্রজন্ম বিভ্রান্ত, পথহারা।
কেউ উত্তর দিতে না পারলে মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে ফালতু/বিভ্রান্তিমূলক আলোচনা বাদ দিন। এতে জনগণ বিভ্রান্ত হয়, জনগণ বিভাজিত হয়। সন্যাসী, আপনার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এই পোস্টে সবার একমত হওয়া উচিৎ ছিল তাই না?? কিন্ত দেখুন, এখানে প্লাস এর চেয়ে মাইনাস বেশি, অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় (১৯৭১ সালে) স্বাধীনতার পক্ষের সংখ্যা/শক্তি বেশি ছিল। এর অর্থ কি?? তার মানে আপনাদের মত চুশীল/প্রগুদিশীলরা জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন এবং দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একটা বিরুপ ধারণা তৈরি করছেন।
২৮৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১
আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন: খুব সুন্দর একটা পোস্ট । অসাধারন । "ধর্ম প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার বিরোধী" লাইনটি বাদে পুরো পোস্টের সাথে একমত । পোস্টে এতগুলো মাইনাস অযৌক্তিক । যারা দিয়েছেন তারা হয়ত পোস্ট না পড়েই মাইনাস দিয়ে চলে গেছেন ।
সচেতন নাগরিক হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।
২৮৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪১
আমি বিদ্রোহী বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রথমেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি শহীদ বুদ্ধিজীবিদের।
তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তি কামনা করছি।
এবং তাঁদের আত্মদানের মহত্বকে আমরা যেন হৃদয়ে ধারন করতে পারি, আমাদের সকলের কর্মে, বিশ্বাসে এবং চেতনায় যেন সেই মহত্ব বোধ চির জাগরুক থাকে সেই কামনা করছি।
কিন্তু যে কারণে এই বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়া এভং এত মতভিন্নতা তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে- সকলের কমেন্টস এবং জবাব পাল্টা জবাব দেখে খুব সরল ভাবে আমার কাছে যা মনে হল তাই শেয়ার করছি।-
১। শহীদ বুদ্ধি জীবি দের নিয়ে কারো মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। সকলেই তাঁদের আত্মদানকে শ্রদ্ধার ষংগে স্মরন করছেন -
এই জায়গায় সকলেই একমত।
২। এই লেখায় ইসলামকে অপ্রাসংগিক ভাবে জড়ানোতে বিশাল অংশ না-খোশ (এই মূহুর্তে রেটিং ষ্ট্যাটাস- + ১৭২ আর - ১৭৩)
বিস্ময়কর!!!!!!!!!!
এই বিষয়টি লেখক নীচে ফুটনোটে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করার পরও মন্তব্যে এবং তার প্রতিমন্তব্যে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না।
কেউ কেউ বলতে চাইছেন ৭১এ লুঙ্গি খুলে চেক করা হয়েছে। আর তাই সব দোষ ইসলামের!!
কিন্তু তারা কি করে ভুলে যান এই দেশে শহীদের ৯০ ভাগই ছিল মুসলমান।
লুং্গি খোলার বিষয়টা যতটা না ধার্মিকতা চেক তারচে বেশী রাজৈনতিক দৃষ্টিভঙ্গির। অবাক হচ্ছেন?
তবে একটু সামপ্রতিক অতীতে যেতে হয়- যেখানে রাহুল গান্ধী প্রকাশ্য মঞ্চে দম্ভ ভরে এই দেশের লাখৌ শহীদের বীরত্বকে পায়ে দাবিয়ে বলেন- ৭১ ছিল আমাদের বিজয়!!!!!
আর সেই ধারায়ই ভারতীয় চর কিনা তা পরীক্ষা করতেই কলেমা আর লুঙ্গী খোলার ঘটনা ঘটতে পারে এই ভাবে ভাবা যায় না???
আর একদল বলছেন- ইসলাম আর গণতন্ত্র সাংর্ঘষিক!!!!
এই বিষয়ে বিস্তর আলৌচনা এখানে হবে না। সংক্ষেপে বলি জানার আর জ্ঞানের দৈনতাকে এভাব প্রকাশ না করলেও চল নাকি!!!??
৩। জহির রায়হানের প্রসংগে কেউ উত্তর দিলো না!!!! বিষয়টা কেমন?
ইসলাম কে জড়িয়ে কেউ দোষ করলে ইসলামকেই দায় বহন করতে হবে!!! এইরকমও বলছেন কেউ কেউ।
বিষয়টি ফেলে দেবার মতো নয়। যদিও অনেকেরই মানতে কষ্ট হয়। তবে এর সবটুকু দায় ইসলামী স্কলারদের। এবং অবশ্যই আমাদের সকলের। কারণ আমরা যেমন না জেনে কিছূ খাইনা করিনা পড়ি না... তবে ধর্ম নিয়েও কেন না জানার দলে থাকব।
নিজেই খূজে দেখিনা কেন?
৪।আর কেউ কেউ ইসলাম আর সৌদী সমর্থনকে এক করে এর পিছনেও ইসলামকে দায়ী করতে চাইছেন।
এইখানেই প্রকৃত ইসলাম আর প্রচলিত ইসলাম নামধারীদের পার্থক্য করার বিষয়টি আসে। যা ইসলামেও অনুমোদীত। পরিস্কার বলা হয়েছে যদি তোমাদের শাসক একজন ক্রীতদাসও হয় কিন্তু সে কর্মে এবং চেতনায় সৎ তোমরা তাকে মেনে চলবে। কিন্তু ভন্ড বা বকধামির্কদের মেনে চলার আদেশ কখনোই দেয়া হয় নি।
সম্প্রতি উন্মোচিত উইকিলিকসের তথ্য মতে সৌদী সরকার যে একটা বুর্জোয়া, সুবিদাবাদী এবং সাম্রাজ্যবাদী সরকার তা প্রকাশীত -যার সব কটি বিষয় ইসলাম ঘৃনা করে।
সুতরাং তার দায় বাহত্য ইসলামের নামে দেয়া গেলেও মূলত তা ঐ শাসক শ্রেনীর উপরই বর্তায়।
যেমন পাকি জালিমদের অত্যাচারের দায় সকল অপকর্মের দায় তাদের উপরই বর্তায়- ইসলামের উপর নয়। ঐ যে বলে না -পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়।
তেমনি অপরাধীকে চিহ্নিত কর- তার ধর্মকে নয়।
জয় বাংলা বলে ধর্ষন করলে যেমন আওয়ামীলীগ দায়ী আবার দায়ী নয়,
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে কেউ দূর্নিতী করলে যেমন বিএনপি দায়ী নয়,
কিন্তু তাই বলে কথায় কথায় সকল কিছূতে ইসলামোফোবিয়া থাকলে তা বুঝী এমনই বির্তকিত হয়ে পড়ে! এবং তার পিছনে দুরভিসন্ধির প্রশ্নে যদি কেউ আঙুল তুললে তাকে কি দোষ দেয়া যায়?
এবং কতিপয় চিহ্নিত ব্যক্তির পোষ্টের চেয়ে ইসলামের বিরদ্ধাচরন মূলক বক্তব্যকি তাই-ই হাইলাইটস করছে না!!!!
২৮৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬
ঢাকাই জোয়ান বলেছেন: ইসলাম মুক্তবুদ্ধি সমর্থন করেনা এই আষাড়ে গল্প বুদ্ধিজীবি হত্যার সাথে জুড়ে দিয়ে লেখক চরম মিথ্যাচার করেছেন। সেই সাথে এরকম থার্ড ক্লাস একটা পোস্ট যা ১৭৭ জনের ভাল লেগেছে, ১৮৭ জনের ভাল লাগেনি তা স্টিকি করে সামু এবছর বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের ব্যাপারটাকে অন্তত সামুর প্রথম পাতায় একটা খেলো ব্যাপার বানিয়ে ছাড়ল। এটা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সাথে একটা নিচু স্তরের ফাজলামো হল।
২৮৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
আমি গৃহহীন বলেছেন: ঢাকাই জোয়ান বলেছেন: ইসলাম মুক্তবুদ্ধি সমর্থন করেনা এই আষাড়ে গল্প বুদ্ধিজীবি হত্যার সাথে জুড়ে দিয়ে লেখক চরম মিথ্যাচার করেছেন। সেই সাথে এরকম থার্ড ক্লাস একটা পোস্ট যা ১৭৭ জনের ভাল লেগেছে, ১৮৭ জনের ভাল লাগেনি তা স্টিকি করে সামু এবছর বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের ব্যাপারটাকে অন্তত সামুর প্রথম পাতায় একটা খেলো ব্যাপার বানিয়ে ছাড়ল। এটা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সাথে একটা নিচু স্তরের ফাজলামো হল।
২৮৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ছোটমির্জা বলেছেন: জয়েনটু বলেছেন: @ ছোটমির্জা ভাইঃ সে হিসেবে বুঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের রাজনীতিক দলগুলো দেশ-জাতি চেয়ে ধর্মকে বেশি প্রাধান্য দেয়
জয়েনটু ভাই, কথাটা রাজনৈতিকভাবে সত্য বটে। সেটা দুর্ভাগ্যজনক।
কিন্তু আমি যেটা বলেছি সেটার জন্য একটা উদাহরন দেয়া যাক।
আমার চাচা আকবর আলী ও আমার বন্ধুর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা (২ জনই সার্টিফিকেট ধারী ও)।
১ম জন মোটামুটি ইসলাম মানেন,
২য় জন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন,
ইসলাম মানার চেস্টা করেন।
এখন এই দুই মুসলিম মুক্তিযোদ্ধা সন্যাসী ভাইয়ের মতে কি?
২য় জনের ছেলেও ৫ ওয়াক্ত নামজ পরে,
সে কি?
এরাও রাজাকারের কাতারে?
হোয়াট!!!
এদেরকে এই ঘৃন্য রাজাকারের কাতাড়ে ফেলার সন্যাসী সাহেব কে?
উত্তর দেন!!
উত্তর দেন!!
উত্তর দেন!!
স্যাড মুক্তবুদ্ধি!! শেষে এই মেনে নিতে হবে!!
আমার আপত্তি সেখানেই।
২৯০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০১
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: আসুন জামাতে ইসলামের কথা বাদ দেই। কেননা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে তাদের ব্যক্তি স্বার্থের মারপ্যাচ ছিল।
বরং ভিন্ন প্রসঙ্গ থেকে বিচার করার প্রয়াস চালাই।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বাইরে থাকা কোটি কোটি মুসলমান আর অপরাপর মুসলিম রাষ্ট্রের কি ভূমিকা ছিল সে দিন?????????? কোথায় ছিল তাতে মহানীব (সাঃ) এ শিক্ষা ???????
বাংলাদেশরে মানুষের পাশে দাড়ানো বিশ্বের সকল মানুষের যে ছবি আমরা দেখি ... তাতো ইসলামের ভাষায় 'অবিশ্বাসীরা' তো সংখ্যা গুরু।
কি ভুমিকা ছিল পাকিস্তান সহ তাবৎ দুনিয়ার ইসলামি চিন্তাবিদদের। তাঁরা খালি নিশ্চুপই থাকেন নি .... বরং নানা ভাবে এদশের স্বাধনিতা সংগ্রামকে বাধা গ্রস্ত বিভ্রান্ত করতে চেয়েছেন।
আজ আমরা অবিশ্বাসীদের দেশে কোন মুসলমান নির্যাতিত হলে দেখি মুসলিম দুনিয়া বিক্ষোভে ফেটে পরে.....একটি নজির কি আছে মুসলমান দুনিয়া ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ কে নিয়ে এমন প্রতিবাদ প্রকাম করেছিল??????????
ইষলামি দুনিয়ার ইতিহাসে পাতা উল্টে পাল্টে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পাশে দাঢ়ানো একটি মুসলমানী তাগদ ধারী পাওয়া যাবে না।
প্রশ্ন কেন পাওয়া যাবে না।?????
ইসলাম তাদের কি শিক্ষা দিয়েছে তার মধ্যেই এর উত্তর নিহিত ।
মুসলমান দেশের শাসক নিপীড়ক হলেও তার বিরুধ্ধে বিদ্রোহ করা বা তাকে উৎখাত প্রচেষ্টা চালনো মুষলমানদের জন্য হারাম।
Click This Link
২৯১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৪
দ্যা ডেডলক বলেছেন: ডাবল সেঞ্চুরী করার জন্য সবাই কে অভিন্দন
২৯২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৬
টানজিমা বলেছেন: ২০০
২৯৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৯
আহাদিল বলেছেন: আমরা হারতে চাই না!
২৯৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২২
নষ্টালজিয়া বলেছেন: স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদানের জন্য সমগ্র বাংগালী জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞা থাকবে, সমবেদনা থাকবে সকল শহীদ পরিবারের প্রতি। এই পোস্টের শিরোনামের সাথে আমার বিন্দুমাত্র দ্বিমত নেই, দ্বিমত নেই সেই সব নরপশুদের প্রতি ঘৃণা জানাতে যারা বাংগালী জাতিকে মেধাশুণ্য করে বুদ্ধিজিবীদের পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে। কিন্তু পোস্টদাতা কৌশলে সেই নারকীয় হত্যাকান্ড যারা ঘটিয়েছে সেই জানোয়ারদের প্রতি যতটা না ঘৃণা ক্রোধ দেখিয়েছেন-তার থেকে বহুগুণ বেশী ঘৃণা প্রকাশ করেছেন "ইসলাম ধর্ম"র প্রতি। আপনার লেখার সারমর্মই যেনো-ঘৃনিত কাজের দ্বায় দ্বায়িত্ব বর্তায় ইসলাম ধর্ম'র উপড়।
২৯৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৪
ছোটমির্জা বলেছেন: ভেরী স্যাড: ২০০ -
চিকনমিয়া মাইনাস অ্যাওয়ার্ডের জন্য নাফিস ভাই বা দু-পেয়ে-গাধ কে এসে হাজির হবে কি?
..................................
এডিট দরকার ছিল ১নং কমেন্টে রাজিয়েল ভাই বলেছিলেন।
২৯৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৪
সবাক বলেছেন: ব্লগে দেখি মানুষের চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা বেশি।
অন্ধ বিশ্বাস মানুষকে শত্রুমিত্র চিনতে দেয় না। নইলে ধর্মের দোহাই দিয়ে একাত্তরে গণহত্যা চালিয়েছিলো কিছু অমানুষ, এটা স্বীকার করতে তথাকথিত মুসলমানদের সমস্যা কোথায়?
অবশ্য আল্লাহতো শিরক ছাড়া আর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। যেহেতু গোলাম আযম নিজামীরা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" পড়েছেন, সেহেতু পরকালে এসব হত্যার শাস্তি শেষ হয়ে গেলেই তারা বেহেশতে যাবে। কিন্তু একজন "সন্যাসী" নাস্তিক হবার কারণেতো বেহেশতের চেহারাও চোখে দেখবে না। যদিও একজন সন্যাসীর আমলনামায় হত্যা ধর্ষনের মতো পাপ নেই।
যেহেতু সন্যাসী বেহেশতে যাবার কোন সম্ভাবনা নেই, সেহেতু তার পোস্টে কইষ্যা মাইনাস!
আমার বেহেশত চাইইইইইই চাই। কেউ আমাকে দাবায়া রাখতে পারবে না।
২৯৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৬
হোদল রাজা বলেছেন: জামাতী গেম টা আমার কাছে সব সময়ই অসাধারন মনে হয়। ৭১ এ আল্লাহ তাহলার নাম করে খুব সুন্দর করে বুদ্ধিজীবি হত্যা করলো, পুরা একটা জাতির বুদ্ধিমান জেনারেশন শেষ।
দোষ কার?
আমেরিকার!
তাই আজও চলে যুদ্ধবিরোধী বিচারের দাবী। আসলে আমি এদের বিচারের বদলে সোজা জন্জাল মুক্তি পক্ষে!
২৯৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৬
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: ২০১ টা মাইনাস!!!!!!!!
এই মাইনাসগুলি প্রমাণ করে সামুতে এটিমের প্রয়োজন ফুরায় নাই।
২৯৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩০
পুন্ডরীকাক্ষ পুরোকায়স্থ বলেছেন: প্রিয় তালিকায় যুক্ত হলো
৩০০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩২
শাহেদ_আহমেদ বলেছেন: ২০০টা মাইনাস!!!!!!
সকল ছাগুদের অভিনন্দন
লেখকের জন্য সহানুভুতি
মডারেটরদের গদাম
৩০১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: গত কয়েক দিনে গৃহপালিত খচ্চরের গোষ্ঠী আস্তিক-নাস্তিকের ক্যাচাল দিয়া ব্লগ তেমন একটা গরম করতে পারে নাই! তাই বলে সামু কর্তৃপক্ষ ব্লগ গরমের জন্য গৃহপালিত খচ্চরদের সহযোগীতায় এভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বেচার সুযোগ নিবে তা কল্পনাও করি নাই! এবার স্বাধীনতার মাসে আওয়ামী অঙ্গসংগঠন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম নেতা ও ডেসটিনির চেয়ারম্যান জেনারেল হারুনরা যেভাবে ভিনদেশী সংস্কৃতিতে নর্তন-কুর্দনের ব্যবস্থা করলো তার সাথে ব্লগে এই উদ্দেশ্যমূলক প্রচারনাটা একই গোষ্ঠীর ছক বাধা কর্মকান্ড ছাড়া কিছুই না! কিছু দলের খোয়াড়ে ধর্ম আছে বেচা-কেনার জন্য! কিন্তু নাস্তিকগুলারতো সেটাও নাই, তারা এখন হাত দিছে মুক্তিযুদ্ধে, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে! আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে এসব চালবাজের সহযোগীতা নিতাছে সামু! এই BAL এর কলিকালে সব কিছুতেই পচন ধরতাছে!
৩০২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৭
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: ২০১ টা মাইনাস!!!!!!!!
এই মাইনাসগুলি প্রমাণ করে সামুতে এটিমের প্রয়োজন ফুরায় নাই।
৩০৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫২
এক্স বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড কে নিয়ে পোস্টে ২০১ টা মাইনাস... কারন এটা বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে ইসলাম বিদ্বেষের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে. তাহলে, ধর্মকে পুঁজি করে রাজাকার-পান্জাবীদের কাজ আর বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে ইসলাম বিদ্বেষী উস্কানি দেয়া তো একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ...
মুক্তিযুদ্ধ সবার, কিন্তু যার তার হাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার ঝান্ডা তুলে দেয়াটা কি ঠিক?
কাশ্মীরের মত মুসলিম অধ্যুষিত হওয়ার অপরাধে ভারতের বিরুদ্ধে যদি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হত তবে সন্যাসী, মনির, শয়তান, আসিফ সহ এদের সকলকে নতুনভাবে আবিষ্কার করা হত. রাজাকারদের মত এরাও পরগাছা এবং স্রেফ সুযোগের অভাবে এখনও নিজের ভিতরের পশুগুলিকে বের করে আনতে পারছে না....
মিথ্যা ভাষন দেখে এই পোস্টে মাইনাস দিয়ে খুব খারাপ লাগছে... কারন মাইনাস কিন্তু লেগে গেল বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের ওপরও... নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য এরকম একটা নোংরা ট্রিকস জড়িতরা না করলেও পারত.
সামু কর্তৃপক্ষ কি পারেন না, ১৪ডিসেম্বরকে ঘিরে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড, এর মোটিভ, জড়িতদের নিয়ে রিপোর্ট, এর ফলাফল, ও তাদের শূণ্যস্হান পূরণে নতুন প্রজন্মের কররণীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে সুস্হ, ইতিহাস নির্ভর ও বিশ্লেষনধর্মী লেখা আহ্বান করতে... ভাল লেখকদের পুরস্কৃত করতে.
অনেক অনেক ভাল নিরপেক্ষ ও দেশপ্রেমিক আছেন যারা নিজ স্বার্থের উর্ধে থেকে এই বিষয়ে লিখতে সক্ষম, সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরতে সক্ষম. কেন শুধু শুধু কিছু ইসলাম বিদ্বেষী রাজাকারদের অল্টার মিরর ইমেজদের লেখার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে. বাংলা ব্লগিং প্লাটফরম থেকে এ ধরনের লেখায় উতসাহ দিলে তা অবশ্যই সাধারনে মধ্যে নাড়া দিবে. লাক্স-চ্যানেল আই সুন্দরী প্রতিযোগিতার মত নিম্নমানের প্রোগ্রাম সফল হলে এই বুদ্ধিবৃত্তিক সত প্রচেষ্টা কেন সফল হবে না?
৩০৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৩
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন: জাতি জানতে চায় বলেছেন: গত কয়েক দিনে গৃহপালিত খচ্চরের গোষ্ঠী আস্তিক-নাস্তিকের ক্যাচাল দিয়া ব্লগ তেমন একটা গরম করতে পারে নাই! তাই বলে সামু কর্তৃপক্ষ ব্লগ গরমের জন্য গৃহপালিত খচ্চরদের সহযোগীতায় এভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বেচার সুযোগ নিবে তা কল্পনাও করি নাই! এবার স্বাধীনতার মাসে আওয়ামী অঙ্গসংগঠন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম নেতা ও ডেসটিনির চেয়ারম্যান জেনারেল হারুনরা যেভাবে ভিনদেশী সংস্কৃতিতে নর্তন-কুর্দনের ব্যবস্থা করলো তার সাথে ব্লগে এই উদ্দেশ্যমূলক প্রচারনাটা একই গোষ্ঠীর ছক বাধা কর্মকান্ড ছাড়া কিছুই না! কিছু দলের খোয়াড়ে ধর্ম আছে বেচা-কেনার জন্য! কিন্তু নাস্তিকগুলারতো সেটাও নাই, তারা এখন হাত দিছে মুক্তিযুদ্ধে, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে! আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে এসব চালবাজের সহযোগীতা নিতাছে সামু! এই BAL এর কলিকালে সব কিছুতেই পচন ধরতাছে!
৩০৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৪
৩০৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৭
হাসান মাহবুব বলেছেন: কি দেখার কথা কি দেখছি!
হতবাক!!!
৩০৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৮
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: এই পিডিএফ টা পোস্টের জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র বারো পৃষ্ঠায় দেখিয়ে দেয়া হয়েছে কিভাবে সেক্যুলার বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলো যায়গা করে নিয়েছে।
Click This Link target='_blank' >Islamism_in_Bangladesh
৩০৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৮
দ্য বিটল বলেছেন: ২০৭ টা মাইনাস। ভালো লাগলো এই ভেবে যে সামুতে আর আসি না।
৩০৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০০
প্রলেতারিয়েত বলেছেন: যদিও এক্স এর হিজবুতিচুতিয়া গিরীর ব্যাপারে আমার ঢেড় আপত্তি আছে কিন্তু এইটূকু ভালই বলেছেন
এক্স বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড কে নিয়ে পোস্টে ২০১ টা মাইনাস... কারন এটা বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে ইসলাম বিদ্বেষের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে. তাহলে, ধর্মকে পুঁজি করে রাজাকার-পান্জাবীদের কাজ আর বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডকে পুঁজি করে ইসলাম বিদ্বেষী উস্কানি দেয়া তো একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ...
৩১০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০০
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: Click This Link
৩১১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৪
সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন:
পোস্টের শিরোনামের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শহীদ পরিবারের প্রতি
সমবেদনা প্রকাশ করছি।
@জানা বলেছেন:
ভয়াবহ ঘৃণা প্রকাশ করছি সেই সমস্ত ভীরু, নির্লজ্জ, হীন ও কুৎসিত নর্দমার কীটগুলোর প্রতি যারা, এই পোষ্টটিতে এসে গাত্রদাহ নিবারণ করতে লুকিয়ে চুরিয়ে একটি করে মাইনাস দিয়ে গেছে।
তাদের উদ্দেশ্যে বলি: এই পোষ্টটিতে মন্তব্যবিহীন মাইনাস দিতে আপনাদের ভাইদের ডেকে আনুন, একত্রিত হোন এখানেই। নিম্নস্তরের এই কাজটি করে বিশেষভাবে পুলকিত এবং উল্লসিত হবার উদ্দেশ্যে তৈরী একটি 'মাইনাস দল' দেখে আমরাও কিছুটা আনন্দিত হই।
আপনার মত আমিও ঘৃণা প্রকাশ করছি সেইসব নরপশুদের, তাদের দেশীয় দোশরদের-যারা ধর্মের নামে বাংগালী নিধন করেছিল।
@ জানা, আপনার মন্তব্যে প্রকাশ করেছেন-যারাই মাইনাস দিবে তারা সবাই রাজাকার!
আমার পরিবারে কেউ রাজাকার নেই, কেউ মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ছিলনা। আমিও মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের, স্বাধীনতা বিরোধী, গণহত্যা বিরোধী হিসেবে সোচ্চার-একথা বুক ফুলিয়ে বলতে পারি। কিন্তু এই পোস্টের শিরোনামের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেও আমি মাইনাস দিয়েছি-কারন, এখানে আমি মনে করি এই পোস্টে লেখক কৌশলে সকল হত্যা নির্যাতনের জন্য ইসলাম ধর্মের উপর চাপিয়েছেন। আপনিও পোস্টদাতার সেই বক্তব্যই সমর্থন করেছেন। আমি আরো মনে করছি-আপনার বক্তব্যে আপনি নিজেকে "অতি বিপ্লবী", অতিরিক্ত কিম্বা সকল বাংগালীদের, সকল মুক্তি যোদ্ধাদের থেকে বড় "মুক্তি যোদ্ধা" প্রমান করার জন্যই অমন বক্তব্য দিয়েছেন। আপনি আপনার "আমিত্ব" প্রকাশের জন্য "মাইনাস" অপশনটা তুলে দিতে পারতেন-তাহলে আরো কিছুটা প্রচারণা পেতেন, গ্রহন যোগ্য করতে সক্ষম হতেন-যারা এতদিন আপনাকে স্বাধীনতা/ইসলাম বিরোধী হিসেবে মনে করতেন।
আমি আমরা অনেকেই আপনার সম্পর্কে কিছুই জানিনা, জানার দরকারও বোধ করিনা। শুধু জানি-আপনি এই ব্লগের মালিক-ইচ্ছে করলেই যে কাউকে ব্লক করতে পারেন, ব্যন করতে পারেন-আমার মন্তব্যের জন্য আমি ব্যন হতে প্রস্তুত।
স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনার পরিবারের ভুমিকা সম্পর্কে একটু ব্লগ বাসীকে জানাবেন আশা করি। স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনার পরিবারের ভুমিকা জানালে আমিও আমার প্রকৃত নাম-পরিচয়, স্বাধীনতা যুদ্ধে আমার পরিবারের অবদান জানাবো।তখন সকল ব্লগার পাঠক বিবেচনা করে দেখবেন এই পোস্টে "মাইনাস দিলেই" স্বাধীনতা বিরোধী কিম্বা ঘৃনিত রাজাকার কি-না?
ধন্যবাদ।
৩১২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৬
ছোটমির্জা বলেছেন: ইসলামকে খেল করা সহজ হল না।
আমার চাচা আকবর আলী ও আমার বন্ধুর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা (২ জনই সার্টিফিকেট ধারী ও)।
১ম জন মোটামুটি ইসলাম মানেন,
২য় জন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন,
ইসলাম মানার চেস্টা করেন।
এখন এই দুই মুসলিম মুক্তিযোদ্ধা সন্যাসী ভাইয়ের মতে কি?
২য় জনের ছেলেও ৫ ওয়াক্ত নামজ পরে,
সে কি?
এরাও রাজাকারের কাতারে?
হোয়াট!!!
এদেরকে এই ঘৃন্য রাজাকারের কাতাড়ে ফেলার সন্যাসী সাহেব কে?
উত্তর দেন!!
উত্তর দেন!!
উত্তর দেন!!
স্যাড মুক্তবুদ্ধি!! শেষে এই মেনে নিতে হবে!!
আমার আপত্তি সেখানেই।
২০৭ জন মাইনাষ দিছে
১৯০ জন পিলাচ দিছে।
.......................................................................
ধার্মিক দিয়ে ধার্মিক পেটন, বা বাংগালী দিয়ে বাংগালী পেটন - এত রিভার্সু কিন্তুক ভালা না।
স্টিকি বাতিল করা হোক বা লেখা এডিট করা হোক।
৩১৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৮
স্টাডি-ইটিই বলেছেন: নব্বই এর দশকে শহীদ আফ্রিদিকে বাংলাদেশের লীগে (মহামেডানের জন্য মনে হয়) নিয়ে আসার পর ‘আফ্রিদি ম্যারি মি’ ব্যানারএবং প্ল্যাকার্ড হাতে তরুনীর নর্তন কুর্দনের চাক্ষুষ সাক্ষী আমি। যে দেশে মাত্র ত্রিশ বছর আগেই পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে বাংলার লক্ষাধিক নারীকে ধর্ষিতা হতে হয়েছিল, মাত্র এক দু প্রজন্ম পরেই পাকমন পেয়ারী তরুন- তরুনীদের মাত্রাধিক উল্লাস আমাকে বিব্রত করে। সৌজন্যে অভিজিৎ
২০০ মাইনাস তো কমই। আরো বেশী হলেও ব্যপারনা।
Click This Link
৩১৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: পাকি জারজ জামাতী শুয়োর গুলোর বিচার চাই। যারা নতুন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করেছিল দেশের জন্মলগ্নেই। যাদের ক্ষতি আমরা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি। যাদের অভাবে আমরা এখনও সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারিনি।
জামাতি শুয়োর গুলো তাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্যই এই কাজ করেছিল। তারা ঠিকই অনুমান করেছিল যে এরা থাকলে বাংলার মাটিতে তাদের নিরাপদ আবাস সম্ভব নয়।
তাই বেছে বেছে সেদিন তারা হত্যা করে শত শত মেধাকে।
জামাতী শুয়োর গুলো জেনারেল জিয়ার আশ্রয় লাভ করেছিল। কারণ আইএসআই এজেন্ট জিয়া ছিল দ্বিতীয় স্থরের শুয়োর। আজ তৃতীয় স্থরের শুয়োর খালেদা জিয়া এসব পাকি জারজ শুয়োর গুলোকে রক্ষার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
যারা যতই চেষ্টা করুক না কেন, একজন দেশপ্রেমিক বাংগালীও যদি বেচে এই বাংলার জমিনেই সেসব পাকি জারজ কুত্তাগুলোর বিচার করা হবে।
সন্যাসী ভাইকে ধন্যবাদ সময়োপযোগী পোষ্টটি দেয়ার জন্য এবং রংমহল ফোরামের লিংক শেয়ার করার জন্য। সামুকে ও ধন্যবাদ।
৩১৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৯
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: ভাবতে অবাক লাগছে শালা রাজাকারের বাচ্চাগুলা ব্লগে এসে লাফাচ্ছে। তারা পোষ্ট এডিট ও স্টিকি বাতিলের দাবী জানাচ্চে। শুয়োরের বাচ্চা গুলোর এই সাহস কি করে হয়?
রাজাকার, আলবদর, আলশামস সহ তাদের পক্ষে যেসব আইনজীবি এবং জামাত শিবিরের শুয়োর গুলো কথা বলছে তারা সহ সবার বিচার চাই।
এমনকি প্রধানমন্ত্রী হাসিনা যদি তার বেয়াই কে রক্ষা করতে চান তবে তারও বিচার করতে হবে। রাজাকার যেখানেই থাকুক, যারা আত্মীয়ই হোক -বিচার চাই, করতে হবে।
৩১৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২২
লালু কসাই বলেছেন: আমি মাইনাস দিলাম। সব খানেই লেখক গরু খুজে পান। প্রত্যেক টা লেখাতে সে ধর্মের বিষোধগার করে এটা কি নতুন কিছু? এই লেখাটি অমি পিয়াল দিলে নিশ্চিত প্লাস দিতাম। দুর্ভাগ্য এই বাঙ্গালী জাতির,যেখানে ছাগুদের সাথে সাথে নাস্তিকরাও মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান খুজতে চায়। এইটা চরম হাস্যকর লাগে আমার নিকট।
আর কৌশিক দা, মুখ সাম্লাইয়া কথা বইলেন।
সবাইরে গরু ছাগল পাইছেন নাকি? মাইনাস দিলেই গালি দিয়া দিবেন। আমি যদি এখন বলি নাস্তিকের এই তেলতেলানী পোষ্টে যারা আস্তিকদের গালি দিছে সব শালা খাঙ্কি নটির ছেলে। কেমন লাগবে?
বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার চাই, রাজাকারদের লটকাইয়া মৃত্যুদন্ড কার্যকর দেখতে চাই।
৩১৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২২
মনপবন বলেছেন: পোস্টে অবশ্যই প্লাস।চেতনায় ধারন করি শহীদদের আদর্শ।তাই তাদের হত্যার বিচার চাওয়ার আন্দোলনে পড়াণ বিসর্জন দিতে পারবো।
মাইনাস দেখে বিস্মীত হলাম।তবে কী ধর্মীয় চেতনার কাছে মুক্তবুদ্ধী আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরাজয় ঘটবে?
৩১৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৬
ছোটমির্জা বলেছেন: জিয়া চৌধুরী ::
ভাইজান একটু ভালভাবে বলেন।
কারে কি কন?
আমার প্রশ্নের জবাব দেন।
লেখাট পড়েছেন? ইমানে কন!! আমার কমেন্ট??
Almighty said, some people choose dark side, because they think they are brave and smarter, but they r not, they...
ডার্ক সাইট কে শুরু কর্ল?
........................................
৩১৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৭
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথের বলা কিছু লাইন মনে পরে গেল-
কৃপণ যেমন করে আপনার টাকার থলি লুকিয়ে রাখে তেমনি করে আজও আমরা আমাদের ভগবানকে আপনার সম্প্রদায়ের লোহার সিন্দুকে তালাবন্ধ করে রেখেছি বলে আরাম বোধ করি এবং মনে করি যারা আমাদের দলের নামটুকু ধারণ না করছে তারা ঈশ্বরের ত্যাজ্যপুত্ররূপে কল্যানের অধিকার হতে বন্চিত। মানুষ ধর্মের দোহাই দিয়েই এই কথা বলেছে ধর্মের পথেই অকারণ ভয়ে মানুষ পীড়িত হয়েছে এবং অদ্ভুত মূঢ়তায় আপনাকে ইচ্ছাপূর্বক অন্ধ রেখেছে।
ধর্ম কোন কাচের গ্লাস নয় যা এই পোস্টে ইসলাম শব্দটির ব্যবহারে ভেঙে গুড়োগুড়ো হয়ে যাবে। ধর্মীয় অনুভুতি এমন সস্তা কেন হবে?
১৯৭১ সালে আমাদের পূর্বসুরীরা একটি স্বাধীন দেশের জন্য রক্ত দিয়েছিলেন। কেন তাদের এই ত্যাগ? কারণ স্বাধীণতা ও সার্বভৌমত্ব। স্বাধীনতা মানে শুধু একটি দেশ পাওয়া নয় স্বাধিনতা মানে স্বাধীন ভাবে মুক্ত মনে চিন্তা করা ও সেই চিন্তার বহিঃপ্রকাশও।
মুক্তিযুদ্ধ মানে ভুখন্ডকে মুক্ত করা নয়, চিন্তা ও চেতনার মুক্তির পথ খুঁজে নেয়াও। আজও যারা তা পারেননি তারা জন্মসূত্রে স্বাধীন একটি দেশ পেয়েছেন ঠিকই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বলে বাংলাদেশপূর্ব এই ভুখন্ড যা পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত ছিল এবং যা প্রকারন্তরে পাকিস্তান নামক একটি দেশের অংশ ছিল সেই পাকিস্তান রাষ্ট্রটির জন্মের ভিত্তি ছিল ধর্ম; ইসলাম ধর্ম। ফলাফল ভারতবর্ষ ভেঙে ধর্মভিত্তিক দুটি রাষ্ট্র ১. ভারত (যার বেশিরভাগ মানুষের ধর্মীয় পরিচয় হিন্দু) ও ২. পাকিস্তান (মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ)। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের নিরন্তর নিষ্পেষনে জর্জরিত বাঙালী '৭১ এ বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের জন্ম দেয়। এই জন্ম প্রক্রিয়াকে বাধা প্রদানকারী পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠির পরিচয় ছিল মুসলমান ও তাদের সহায়তাকারী জঘন্য রাজাকার-আলবদর-আলশামস নামের দেশীয় কীটগুলোর পরিচয়ও ছিল মুসলিম। তাই স্বাভাবিক ভাবেই তথাকথিত সেই মুসলিম নামধারী নরাধমদের সমালোচনা হবে এটা খুবই স্বাভাবিক।
মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের কারো পরিচয় মুসলমান ছিলনা, সম্ভবত তাঁরা ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য লড়াইও করেননি।
১৪ ডিসেম্বর পাক হানদার বাহীনির লক্ষ ও উদ্যেশ্য ছিল ভবিষ্যত বাঙালী জাতি যেন মুক্ত চিন্তা ও বোধে, মেধা ও মননে মেরুদন্ডহীন একটি জাতি হয়, কারণ ততক্ষনে তাদের পরাজয়ের বিষয়ে তারা ধারণা পেয়েছিল। আজ সব মিলিয়ে ভয় হয় হয়ত তাদের উদ্যেশ্য পূরণে তারা সফল হয়েছে।
শেষে বলি, যার যার ধর্মবিশ্বাস নিয়ে পৃথিবীতে বসবাসের অধিকার আল্লাহ্ প্রদত্ত এবং ইসলাম সম্ভবত এই ধারণাকেই ধারণ করে- ধর্ম যার যার, সমাজ এবং রাষ্ট্র সবার।
যাকে দিয়ে শুরু করেছিলাম সেই ঠাকুর সাহেবের একটি লাইন আবারও না বলে পারছিনা-
হে মুগ্ধ বংগ জননী
রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করনি।
৩২০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৬
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
হ, তোরা লিখলি আর আমরা পড়লাম-
''নাস্তিকতার আলোয় বুদ্ধিজীবী হত্যা- একটি মুক্তবুদ্ধিবৃত্তিক পর্যালোচনা''
ভাল হিট হইছে!
৩২১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৮
ছোটমির্জা বলেছেন:
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: ভাবতে অবাক লাগছে শালা রাজাকারের বাচ্চাগুলা ব্লগে এসে লাফাচ্ছে।
তারা পোষ্ট এডিট ও স্টিকি বাতিলের দাবী জানাচ্চে।
শুয়োরের বাচ্চা গুলোর এই সাহস কি করে হয়?
-------------------------------------------------------
কৌশিক ভাই, জয়েন্টু ভাই, জানা'পু আমি এই ভদ্রলোকের!!!!!! আপ্নাদের হাতে তুলে দিলাম।
আমি কাওকে গালি দেইনাই বা খারাপ কিছু বলি নাই।
এনি কি আমাদের বীর মুক্তি? বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানব?
....................................................................
৩২২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪২
দুরের পাখি বলেছেন: এই গেলমান ছোটমির্জা এখন ভালো সাজতেছে !!! কয়দিন আগেই না নাস্তিকদের অনেক গালাগালি করে পোস্ট দিলো ??!!
৩২৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "ব্লগে দেখি মানুষের চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা বেশি।"
"২০১ টা মাইনাস!!!!!!!!
এই মাইনাসগুলি প্রমাণ করে সামুতে এটিমের প্রয়োজন ফুরায় নাই। "
এ-টিমকে এনে ব্লগ থেকে মুসলমানগুলিকে বিদায় করা প্রয়োজন।
এটা একটি বিতর্কিত পোস্ট। রেটিং দেখে তো বোঝা যায়ই, মন্তব্যও তার বাইরে নয়। যে পোস্টে লেখকের নিজস্ব মন্তব্য এবং ব্যাখা থাকে, সেই পোস্ট সর্বজন গ্রাহ্য নাও হতে পারে। আমার মাইনাসটা সম্ভবত ২১৩ নং।
শুভ কামনা আপনাদের প্রতি।
৩২৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫৩
দুরের পাখি বলেছেন: গুদামের লোকজন বাইর হইতাছে । খুব খিয়াল কইরা ।
৩২৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০
লাইট বলেছেন: এই পোস্টে জামাত-শিবির কে তেমন কোন গালি ই দেয়া হয়নাই!
তারপরো মাইনাসে ভেসে যাচ্ছে কেন, কারণ আশা করি বুঝতেসেন সবাই।
জামাত শিবির কে মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে ঘায়েল করা যায়। ঠিক আছে। চলেন ঘায়েল করি।
কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে ইসলাম কে ঘায়েল করা যায়না
এটাই এই পোস্ট এর শিক্ষা।
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্যালুট জানাই। আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। যারা এই জঘন্য হত্যাকান্ডের সাথে জরিত, আল্লাহ কাউকেই যেন তাদের না ছাড়েন। কঠিন শাস্তি তারা হাশরের ময়দানে পাবে।
পৃথিবীতে এতো ষড়যন্ত্র যে প্রকৃত দোষীরাই বিচারক সেজে বসে যায় আর জুলুম এর মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়।
৩২৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৫
ছায়াপাখির অরণ্য বলেছেন: সাহসী পোষ্ট। ভালো লাগলো খুব।
এখন ধর্মব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব এত বেশি যে সত্যটা বলতেও দশবার ভাবতে হয়।
৩২৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১২
মগবাজারি বলেছেন:
আজইকা আমি আমার গেলমানগো উপ্রে হেপি।
তারা হেবি ডিউটি দিতেছে;
সবাশ গেলামানগণ, মাইনাসের বন্যায় এই পোস্ট ভাসায়া দেও
৩২৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৩
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: ছোট মির্জা সাহেব..........
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এখনও হচ্ছে। ধর্মের অজুহাতে যেভাবে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়েছে এখনও ধর্মের অজুহাতে সেসব পাকি জারজদের হত্যা করা হয়েছে।
আমার পিতাও মুক্তিযোদ্ধা, ৬৯ সাল থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি নামাজ এক ওয়াক্তও বাদ দেন না। আমিও মুক্ত বুদ্ধির চর্চা করি আবারও নামাজ ও পড়ি। তাতে আমি যেমন রাজাকার হয়ে যাইনি আপনিও হবেন না নিশ্চিত থাকুন।
৩২৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৪
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন: শেষ পর্যন্ত কমেন্ট করার জন্য লগিন করলাম।
প্রথমেই জানাই নিহত শহীদ দের প্রতি সালাম ও শ্রদ্ধা।
@লেখক, আপনি নাস্তিক হতে পারেন, কিন্তু এই দেশের ৯০% মানুষ ধার্মীক। আর যুদ্ধের সাথে ইসলাম কে মিলিয়ে আপনি এই মহান ধর্মকে হেয় করেছেন। অনেকেই ইসলামের সাথে মুক্তি যুদ্ধের বিষয় টিকে কমেন্টে খোলাসা করেছে।
যা হোক, আপনার পুরো পোস্ট পড়েছি। ইসলাম কে আপনি কৌশলে আক্রমন করেছেন।
শেষে আর কিছুই বলার নেই। এই পোস্টে এতোগুলো মাইনাসই বলে দিচ্ছে, ধর্মকে সামান্য আক্রমন বাংলার মানুষ সহজে মেনে নিবে না।
সরি, বাধ্য হয়েই মাইনাস।
৩৩০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৯
সর্বাধিক বেদনা বলেছেন: ধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা পরস্পরবিরোধি। বাংগালী ধর্মনিরপেক্ষতা ভালোবাসে কিন্তু ধর্মকে ভয় পায়। রাজাকার, আলবদর, তালেবানেরা যতই জানোয়ার আর শুয়োরের বাচ্চা হোক না কেন তাদের কথা এবং কাজ একই। তাই আমি এদের একই সাথে শ্রদ্ধাও করি।
৩৩১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২১
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: ছোটমির্জা বলেছেন:
কৌশিক ভাই, জয়েন্টু ভাই, জানা'পু আমি এই ভদ্রলোকের!!!!!! আপ্নাদের হাতে তুলে দিলাম।
আমি কাওকে গালি দেইনাই বা খারাপ কিছু বলি নাই।
এনি কি আমাদের বীর মুক্তি? বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানব?
....................................................................
ওনারা কি মডু নাকি? আমাকে যদি আমার কমেন্টের জন্য ব্যান ও করা হয় তাতেও আপত্তি নেই।
৩৩২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৩
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: ছোটমির্জা বলেছেন:
কৌশিক ভাই, জয়েন্টু ভাই, জানা'পু আমি এই ভদ্রলোকের!!!!!! আপ্নাদের হাতে তুলে দিলাম।
আমি কাওকে গালি দেইনাই বা খারাপ কিছু বলি নাই।
এনি কি আমাদের বীর মুক্তি? বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানব?
....................................................................
ওনারা কি মডু নাকি? আমাকে যদি আমার কমেন্টের জন্য ব্যান ও করা হয় তাতেও আপত্তি নেই।
৩৩৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৪
তরঙ্গ বলেছেন: ২২০ নম্বর মাইনাসটা আমার। ব্যস্ত ছিলাম বলে প্রথম ১০০ এর মধ্যে থাকতে পারিনাই। আফসোস।
মুক্তিযুদ্ধের নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে তার দায়িত্ব যেমন মুক্তিযুদ্ধের না। ইসলামের নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে সে জন্যও ইসলাম দায়ীনা।
ইতিহাস স্বাক্ষী, পৃথিবীতে ইসলামই মুক্তিবুদ্ধি চর্চার সর্বোত্তম সুযোগ করে দিয়েছে। পৃথিবীর আর কোন মতবাদ বিরোধী মতবাদকে সহ্য করতে পারেনি।
পোস্টে একটা মাইনাস আর একশটা ভার্চুয়াল মাইনাস রইলো।
৩৩৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৬
কলাবাগান১ বলেছেন: গুদামের লোকজন বাইর হইতাছে । খুব খিয়াল কইরা । আমেরিকা থেকে অস্টেলিয়া....।
৩৩৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৫
নিশাচর নাইম বলেছেন: লক্ষ্য করুনঃ চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
কিছুই বলার নেই,শুধু এটুকুই সামুর মডারেশন টিম নিজেদের পরিচয় নিজেরাই প্রকাশ করে দিল।
ধন্যবাদ সামু মডারেশন টিম।
৩৩৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৪
এস এইচ খান বলেছেন:
জাতি জানতে চায় বলেছেন: গত কয়েক দিনে গৃহপালিত খচ্চরের গোষ্ঠী আস্তিক-নাস্তিকের ক্যাচাল দিয়া ব্লগ তেমন একটা গরম করতে পারে নাই! তাই বলে সামু কর্তৃপক্ষ ব্লগ গরমের জন্য গৃহপালিত খচ্চরদের সহযোগীতায় এভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বেচার সুযোগ নিবে তা কল্পনাও করি নাই! এবার স্বাধীনতার মাসে আওয়ামী অঙ্গসংগঠন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম নেতা ও ডেসটিনির চেয়ারম্যান জেনারেল হারুনরা যেভাবে ভিনদেশী সংস্কৃতিতে নর্তন-কুর্দনের ব্যবস্থা করলো তার সাথে ব্লগে এই উদ্দেশ্যমূলক প্রচারনাটা একই গোষ্ঠীর ছক বাধা কর্মকান্ড ছাড়া কিছুই না! কিছু দলের খোয়াড়ে ধর্ম আছে বেচা-কেনার জন্য! কিন্তু নাস্তিকগুলারতো সেটাও নাই, তারা এখন হাত দিছে মুক্তিযুদ্ধে, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে! আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে এসব চালবাজের সহযোগীতা নিতাছে সামু! এই BAL এর কলিকালে সব কিছুতেই পচন ধরতাছে!
===সহমত।
পোস্টে মাইনাস।
৩৩৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৭
নাজনীন১ বলেছেন: @ জীবনানন্দ দাশের ছায়া,
"মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের কারো পরিচয় মুসলমান ছিলনা, সম্ভবত তাঁরা ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য লড়াইও করেননি। "
-- আপনার এ বক্তব্য কি সচেতনভাবে দিয়েছেন?আপনি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা দেখেন তাহলে সেখানে মুসলিম মুক্তিযোদ্ধার নামই বেশী চোখে পড়বে এবং এদের অনেকেই প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ছিলেন। নুরুজ্জামান মানিক ভাইয়ের একটা পোস্ট আছে রণাঙ্গনে প্রথম রোযার স্মৃতিচারণ নিয়ে। অনেকেই আল্লাহ্র নাম নিয়েই যুদ্ধে গেছেন। আজ যদি তাদের সবাইকে আপনি অমুসলিম বানিয়ে দিতে চান, সেটা ভীষণভাবে দুর্ভাগ্যজনক।
আশা করি এটা আপনার সচেতন মন্তব্য নয়। আর যদি তাই হয়, তাহলে তৎকালীন শাসক গোষ্ঠির দাবীর সাথে আপনার কোন পার্থক্য থাকে না।
আর ৭০-এর নির্বাচন একটা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের অধীনেই হয়েছিল এবং সে নির্বাচনের ফলাফল ধরেই ৭২-এ শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এমনকি ৭১-এর এপ্রিলে যে অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়েছিল, তারা ৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিতই ছিলেন। সেদিন স্বাধীনতার যে ঘোষণা পাঠ করা হয়, তাতে যে তিনটি মূলনীতির কথা আছে, সেখানে ধর্মনিরপেক্ষতার কোন কথা নেই। এমনকি শেখ মুজিব স্বাধিকারের কথাই বলেছেন সবসময়। পাকিস্তান সরকার যদি নির্বাচনের ফলাফল মেনে মুজিবকে ক্ষমতা দিয়ে দিতেন, তাহলে বোধ করি ৭১ই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হতো না, আরো কয়েক বছর হলেও হতে পারতো।
ভাষা আন্দোলন কখনোই ধর্মের বিপরীতমুখী কিছু নয়, পাকিস্তানীরা যতই উর্দু ভাষাকে আরবীর মতো পবিত্র ভাবুক না কেন, সেটা তাদের ভুলই। বাংলাকে যারা হিন্দুয়ানী ভাষা বলেছে, সেটা তাদের চিন্তার দৈন্যতা।
৩৩৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৮
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন:
হায় মহান ঈশ্বর মানুষকে আগে মানুষ হওয়ার শিক্ষা দাও।
৩৩৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৯
গিগাবাইট বলেছেন: রেটিং দেখে লজ্জা পাইলাম
৩৪০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৯
অনির্বান বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট। আপনাকে অনেক অনেক ধণ্যবাদ আর হাজারটা +++
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর দাবী চলতেই থাকবে।
৩৪১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৬
নাজনীন১ বলেছেন: @ কখনো মানব কখনো দানব,
আপনি বর্তমানকালের ঢাবি বা চবির কোন ছাত্র আন্দোলনের কথা মেন করুন, যেটাতে সাধারণ ছাত্রদের বিভিন্ন যৌক্তিক দাবী নিয়ে আন্দোলন হয়। দেখবেন সেটাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে কিছু ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রীর ছেলে-মেয়েরা। কিন্তু সেই আন্দোলনে স্বতঃস্ফুর্তভাবে যোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা, যাদের অংশগ্রহণ ছাড়া গুটিকয়েক বাম ঘরানার ছাত্রদের পক্ষে ঐ আন্দোলন সফল করা সম্ভব হতো না।
কিন্তু তার মানে এই না যে ঐসব সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা সবাই বাম আদর্শে উজ্জীবিত।
এখন ঐ সফল আন্দোলনের ইতিহাস যদি লেখা হয়, দেখা যাবে ঐ নেতৃত্বদানকারিরা ইতিহাসটা লিখতে বসেছে, এবং যথারীতি সেখানে আন্দোলনের পথিকৃত হিসেবে বামছাত্রনেতাদের নাম, আদর্শ ও চেতনার লেখা হবে সোনার অক্ষরে, আর হাজার হাজার সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর নাম অতলেই হারিয়ে যাবে।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার বেলায়ও ঠিক তাই হয়েছে।
৩৪২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৯
শক্তি-সম্রাট বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের রহস্য : ইতিহাসের যে অন্ধকার কেউ ঘাটায় না
ভণিতা
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. হুমায়ুন কবির আমার ফুফাতো ভাই। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংসদ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় তার মামা আমিমুল ইহ্সানের (আমার পিতা) শ্বশুর আব্দুল জলিল মিঞার বাড়িতে থেকে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত করেন ও যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় আসলে হাতির পুল বাজারস্থ বাড়ি থেকে বের হয়ে ১৫ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পথে তিনি নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মতিঝিলে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।
আমাদের পরিবারে তৎকালীন সকল সক্ষম পুরুষই মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন। এর মধ্যে আমার বড় জ্যাঠা ডা. আবুল কালাম আজাদ মোল্লা চাঁদুপুরে পাকিস্তানীদের একটি জাহাজ লুট করায় নেতৃত্ব দেন। আমার পিতাও এক জন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের পরে তিনি শহীদ সিরাজ শিকদারের সর্বহারা পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
বাপ-চাচাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ ও কাজিনের শহীদ হওয়ার ঘটনা থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে আমার পারিবারিক যোগাযোগ। এই যোগাযোগের কারণেই আমি মুক্তিযুদ্ধকে উত্তরসুরীর জায়গা থেকে বুঝতে বোঝার চেষ্টা করে আসছি। আমার বোঝাপড়ার একটা অংশ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের ঘটনা প্রবাহ। এ ব্যাপারেই এই পোস্ট।
কিছু কথা, কিছু রহস্য
মহান মুক্তিযুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে দেশের নেতৃস্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকান্ডের রহস্য গত ৩৯ বছরেও উদ্ঘাটিত হয় নি। বিজয়লগ্নে কে বা কারা বিশ্ব মানচিত্রের নতুন অতিথি দেশটিকে মেধাশূণ্য করার কাজটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে গেছে তার কোন স্পষ্ট তথ্য বের হয়নি। তেমনি এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কয়েকজন চিহ্নিত অভিযুক্ত রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সময়েও বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করতে একটি ঘাতক চক্র সক্রিয় রয়েছে। ৭১ ও বর্তমান সময়ের ঘাতকদের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে।
১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকান্ড সংঘটিত করার জন্য দায়ী পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোষর আলবদর-রাজাকারদের ব্যাপারে প্রচলিত যে জনশ্রুতি রয়েছে তা বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পূর্ণাঙ্গ সত্য নয়। এটি সত্যের একটি দিক। বরং বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করে দেয়ার চক্রান্ত আরও অনেক গভীর। এ ব্যাপারে ১৯৭২ সালে ভারতের দি নিউ এইজ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গণহত্যা তদন্ত কমিটির সভাপতি চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান আমাদের জানিয়েছেন, আল বদরদের কার্যকলাপ অনুসন্ধান করতে যেয়ে আমরা এক সাথেই অপরাধীদের প্রকৃত উদ্দেশ্য বুঝবার জন্য নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে যখন নিহত বাবা ও ভাইয়ের দেহের অবশেষ ঢাকার বধ্যভূমিতে খুঁজে ফিরছিলেন তখন আমাদের ধারণা ছিল যে দখলদার পাকিস্তানী শাসকদের নিশ্চিত পরাজয় উপলব্ধি করে পশুরা ক্রোধান্ধ হয়ে কাপুরুষিত হত্যাকান্ডের মাধ্যমে প্রতিহিংসা বৃত্তি চরিতার্থ করেছে। কিন্তু পরে বুঝেছি ঘটনা তা ছিল না। কেননা এই হত্যাকান্ডের শিকার যারা হয়েছেন তারা বাঙ্গালী বুদ্ধিজীবীদের প্রতিনিধি। স্থানীয় এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মনোভাবের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। আল বদর বাহিনীর লোকদের কাছে সব্ লেখক ও অধ্যাপকই এক রকম ছিলেন। জহির রায়হান বলেছিলেন এরা নির্ভূলভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রমনা বুদ্ধিজীবীদের বাছাই করে আঘাত হেনেছে। ’
জহির রায়হানের এই মূল্যায়নের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা গেছে, ‘বুদ্ধিজীবী হত্যার নায়ক পাকিস্তানী জেনারেল রাও ফরমান আলীর ডায়েরীতে পাওয়া গেছে যে, ‘দু’ জন আমেরিকান নাগরিক ঢাকা সফরে এলেন। এরা হলেন হেইট ও ডুসপিক । এদের নামের পাশে ছোট ছোট অক্ষরে ইউএসএ ও ডি জি আই এস অর্থাৎ ডিরেক্টর জেনারেল অব ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস লেখা ছিল। আর লেখা ছিল রাজনৈতিক ৬০-৬২, ৭০। অপর এক জায়গায় লেখা ছিলো এ দু’জন আমেরিকান পি-আই-এ’র বিশেষ বিমানে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। হেইট ও ডুসপিক-এর পরিচয় খুঁজতে গিয়ে দৈনিকা বাংলায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হেইট ১৯২৮
সালে জন্মগ্রহণ করেন। সে ১৯৪৬-৪৯ সাল পর্যন্ত সৈন্য বাহিনীতে চাকরি করতো। ১৯৫৩ সাল থেকে সে সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের সাথে যুক্ত ছিল। ১৯৫৪ সাল থেকে সে আমেরিকান দূতাবাসের রাজনৈতিক কূটনীতিবিদ হিসেবে বহু দেশ ভ্রমণ করেছে। কলকাতা ও কায়রোতেও ছিলেন। সিআইএ’র এজেন্ট ডুসপিকের এক বছর আগে সে ঢাকায় আসে। এবং রাও ফরমান আলীর সাথে তিন হাজার বুদ্ধিজীবীর একটি তালিকা তৈরি করেন। এ জেনারেলের শোবার ঘরে এই তালিকা পাওয়া যায় পরবর্তীতে।’
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের স্মৃতি তর্পণ গুলো খেয়াল করলে দেখা যায় তারা মনে করছেন- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর যে ঘৃণ্য হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় তা ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। স্থানীয় আল-বদর ও রাজাকারদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক, লেখক, সাংবাদিক, ডাক্তার ও প্রকৌশলীদের পরিবারের সদস্যদের সামনে থেকে তুলে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হতো রাজধানীর মোহাম্মদপুরস্থ শারিরীক শিক্ষা কলেজে। পরে তাদের হত্যা করা হয় রায়ের বদ্ধভূমিতে নিয়ে।
এই স্থাপনাটির পূর্ব পাকিস্তানে নাজেল হওয়ার ইতিহাস বিচার করলে জানা যায়, শারিরীক শিক্ষা কলেজটি ছিল পাকিস্তানের মার্কিন সাহায্যপুষ্ট অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে বসেই সাম্রাজ্যবাদী নানা পরিকল্পনা করে পাকিস্তানী ও মার্কিনী চক্রান্তকারীরা।
এদিকে ‘গণহত্যা তদন্ত কমিটি’ গঠন করে এর সভাপতির দায়িত্বপালনকারী জহির রায়হান ভাই ও এ দেশের মানুষের উপর পরিচালিত নারকীয় হত্যাকান্ডের অনুসন্ধান করতে গিয়ে নিজেই নিখোঁজ হয়ে যান চিরতরে। ১৯৭২ সালে তিনি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর তার আর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তার হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ৯৩ সালের ৮ডিসেম্বর আজকের কাগজে ‘জহির রাহয়ানের হত্যাকারী রফিক এখন কোথায়’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘জহির রায়হানের প্রথমা স্ত্রী সুমিতা দেবী বলেছেন, আমার বিশ্বাস জহির মিরপুরে মারা যায়নি। ঘাতকরা তাকে অন্য কোথাও হত্যা করেছে। এ বিশ্বাস আমার এখনো আছে। সেদিন সকাল আটটার দিকে জহিরের একটা ফোন আসে। ফোনটা ধরেছিল সুরাইয়া নিজে। সেদিন রফিক নামে কেউ একজন ফোন করেছিলেন। আমরা যে রফিককে চিনতাম তিনি ইউসিস- এ চাকরি করতেন।’ এই রফিকের খোঁজ করতে গিয়ে জানা গেছে, তিনি জহির রায়হানের অন্তর্ধানের পর পরই সপরিবারে যুক্তরাষ্ট পালিয়ে গেছেন। জহির রায়হান নিখোজ হওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার জবাবদিহি থেকে রেহাই পেতে তার রাতারাতি যুক্তরাষ্ট্র গমণ অনেক গুঞ্জন ও অনুমানকে বিশ্বাসযোগ্যতা পেতে সহায় করে বৈকি।
অন্য দিকে বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িতদের ব্যাপারে ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বরের পর পরই ভারতের একটি সক্রিয় সহযোগিতার কথা জানা যায়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বলিষ্ঠ সমর্থক ব্রিটেনের সাবেক মন্ত্রী জন স্টোন হাউজ ১৯৭১ সালের ২১ ডিসেম্বর আকাশবানী কোলকাতা কেন্দ্রে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের ব্যাপারে পাকিস্তানী সৈন্যরাই যে জড়িত এ ব্যাপারে আমার কাছে প্রমাণ আছে। তিনি দাবি করেন, ‘ ভারত কর্তৃপক্ষ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে জেনারেল পদ মর্যাদার দশ জন পাকিস্তানী অফিসারকে বিমানযোগে কোলকাতায় নিয়ে গিয়েছিল।’ পরবর্তীতে এ খুনীদের অন্যান্য পাক হানাদারের সাথে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী পাকিস্তানীদের ব্যাপারে ভারতের এই সহযোগিতার কথা জানা যায় ১৯৯২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দৈনিক দি টেলিগ্রাফে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে। আকবর ইমাম রচিত এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ‘তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর জানিয়েছেন, ‘ভারতের ছত্রী সেনারা ৮ই ডিসেম্বর মধ্যেই ঢাকায় অবতরণ করে এবং বুদ্ধিজীবী হত্যকান্ডের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। এই কথা জানতে পেরে ১৪ই ডিসেম্বর পাক বাহিনী আত্ম সমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ভারতীয়রা আত্ম সমর্পণের মুহূর্তটি দু’দিন পিছিয়ে ধার্য করে ১৬ই ডিসেম্বর! এই সময়ের মধ্যে, বিশেষ করে ১৪ ডিসেম্বর তারা বুদ্ধিজীবী নিধন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।’ নাম না জানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের পুরোপুরি সত্য নয় বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে কথা বলে জানা গেছে। তবে এতোটুকু ধারণা পাওয়া গেছে, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সাথে পাকিস্তানী হানাদারদের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যে জড়িত ছিল এমন একটি অভিযোগ এসব তথ্যে পাকাপোক্তই হয়।
বুদ্ধিজীবী হত্যা ও জহির রায়হান নিখোজ রহস্য
’৭১- এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হওয়ার পর বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড তদন্তের প্রথম উদ্যোগ নেন জহির রায়হান। ‘বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড তথ্যানুসন্ধান কমিটি’ গঠিত হয়। জহির রায়হান ছিলেন তার আহবায়ক। কমিটিতে আরও ছিলেন সৈয়দ হাসান ইমাম, এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, এনায়েতুল্লাহ খান, ডঃ সিরাজুল ইসলাম, বাশরাত আলী প্রমুখ। ডঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ কমিটিতে প্রথমে থাকলেও পরবর্তীতে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন। ২২ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসকাবে একটি অস্থায়ী অফিসে কমিটিকাজ শুরু করে। সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে এ বিষয়ে তথ্যাবলী চেয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। প্রচুর সাড়া পাওয়া যায়। বুদ্ধিজীবীদের কাছে ঘাতকদের সবুজ কালিতে স্বাক্ষরিত চিঠির কপি, বদর বাহিনীর কমান্ডারের ডায়েরি, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য- এ ধরনের প্রচুর তথ্য জমা হতে থাকে।
জহির রায়হানের অন্তর্ধানের পর কমিটির অন্য সদস্যরা প্রাপ্ত সব তথ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে যান। বঙ্গবন্ধু সব তথ্য এন.এস.আই- এর তৎকালীন প্রধান নূরুল মোমেন খান মিহিরের কাছে দিতে বলেন। সে অনুযায়ী জমা দেয়া হয়। সর্বশেষ সেগুনবাগিচায় একটি সরকারি অফিসে তিন ট্রাঙ্ক ভর্তি সেইসব দলিলপত্র জমা ছিল। কিন্তু এখন আর বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড অনুসন্ধানে দেশের প্রথম এবং শেষ তদন্ত কমিটির সেইসব দলিলের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে জহির রায়হান নিখোজ হয়ে যান ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি। তিনি মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে তার ভাই শহিদুল্লাহ কায়সারের খুনের ব্যাপারে খোঁজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর তার হদিস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কিছুই জানা যায় নি। তবে ১৯৯২ সালের ১ মে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় ও বিশিষ্ট সাংবাদিক বুদ্ধিজীবী শাহরিয়ার কবিরের এক সাক্ষৎকার থেকে জানা যায়, ১৯৭২ সালের ৩০ শে জানুয়ারি দুর্ঘটনায় জিহির রায়হান হয়তো মারা যাননি। তারপরও দীর্ঘদিন তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল। মিরপুরে দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হলে গভীর ষড়যন্ত্র মনে করার কোন কারণ ছিল না। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার তদন্ত করতে গিয়ে তিনি এমন কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন যা অনেক রথী মহারথীর জন্যই বিপজ্জনক ছিল। যে জন্য তাকে সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন হয়েছিল।’
মামলাটির খবর নেই ১৩বছর ধরে
আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইনে শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি ১৩ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ১৯৯৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘটনায় রমনা থানায় প্রথম মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বও ১৫)। ওই হত্যা মামলায় আলবদর বাহিনীর চৌধুরী মাইনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানকে আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিনের বোন ফরিদা বানু।
মামলাটি সিআইডিতে পাঠানোর পর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সিআইডির তৎকালীন সিনিয়র এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমানকে (বর্তমানে অবসরে)। তিনি মামলার তদন্ত পর্যায়ে ১৯৯৮ সালের ১৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইনে মামলা দায়েরের জন্য অনুমতি চান। তদন্ত চলাকালে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মীয়-স্বজনসহ ৪০ জনের স্যাপ্রমাণ সংগ্রহ করেন। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইনে মামলাটি নতুন করে দায়েরের জন্য সিআইডিকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেয়। তারপর এই মামলাটির ভবিষ্যত কী হয়েছে আর জানা যায় নি। এতটুকু শুধু জানি বিএনপির সর্বশেষ শাসনামলে মামলাটি আর আলোর মুখ দেখেনি। বরং মামলার নথিও গায়েব হয়ে গিয়েছিল!
সাম্রাজ্যবাদের দেশীয় দোষররা কি এখনও সক্রিয়!
১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পর পরিকল্পনাকারীরা থেমে থাকেনি। নানা ঘটনার জট পাকিয়ে বিদায় করে দেয়া হয়েছে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বুদ্ধিজীবীদের। যার জের ধরে দেশের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান এবং ভাষা বিজ্ঞানী ও প্রথা বিরোধী বুদ্ধিজীবী হুমায়ুন আজাদ হামলার শিকার হন। নিহত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক ড. ইউনূস ও ড. তাহের, চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ গোপালকৃষ্ণ মুহুরী প্রমুখ। অব্যাহত হত্যার হুমকি পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, অধ্যাপক হোসেন মনসুর, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষবিদরা।
বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড কতটুকু রহস্যের জন্ম দেয় তার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর প্রমাণ দাখিল করে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে ছিলেন প্রখ্যাত রাষ্ট্র বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আফতাব আহমেদ। ২০০৬ সালের সেপ্টম্বর মাসে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুরক্ষিত ফুলার রোড আবাসিক এলাকায় অজ্ঞাত পিস্তলধারীদের গুলিতে নিহত হন। ব্যস এতটুকুই। ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার মুহূর্ত হলেও বিএনপি আন্তরিকতার পরিচয় দেয়নি, জরুরি অবস্থায় রহস্য উদঘাটনের কিছুটা চেষ্টা চালানো হলেও হঠাৎ করে থেমে গেছিল তদন্ত প্রক্রিয়া। আর এখন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রাগ্রাধিকারের মধ্যেও নাই মামলাটি।
ড. আফতাবের মৃত্যু আমাদের দুর্ভাবনার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। বুদ্ধিজীবী যাদের বেছে বেছে হত্যা করা হয় তারা সবারই জানা পরিচয় আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবী। আর ঘটনাটা ঘটায় মৌলবাদীরা। তাহলে আফতাব স্যারকে মরতে হবে কেন? কোথায় ঝুট-ঝামেলা?
এই রহস্য সহজেই বোঝা যায়। বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যারাই দুনিয়া ছেড়ে গেছেন তারা সবাই প্রগতিশীল। এবং দলীয় রাজনীতির লেঞ্জাধারীদের চেয়েও একাডেমিশিয়ান ও বুদ্ধিজীবী হিসেবে তারা বেশি পরিচিত ছিলেন। তাদের আমরা আওয়ামী লীগার মনে করলেও আসলে তারা ছিলেন কোন না কোনভাবে বামপন্থী লাইনের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে অধ্যাপক আফতাব আহমদের কথাই বলা যায়। তিনি ছিলেন জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান ও সরকার বিরোধী দৈনিক 'গণকণ্ঠ' তিনিই প্রতিষ্ঠা করেন। মুক্তিযদ্ধ করা বাংলাদেশের যে কয়জন মানুষের অহঙ্কার আসমান স্পর্শ করতো তিনি তাদের অন্যতম। এতো অহঙ্কার ও সাহসের প্রতিভূ বাংলাদেশে খুব কমই দেখা মেলে।
এই মানুষটিকে হত্যা করা হলো। কারা হত্যা করলো, কেন হত্যা করলো জানা গেল না। তবে ৭০-এর দশকে ইন্দোনেশিয়া ও ইন্ডিয়ার পশ্চিম বঙ্গেও কিন্তু বেছে বেছে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। কেন? কমিউনিজমকে ঠেকানোর জন্য। বাংলাদেশেও কি একই ঘটনা? অধ্যাপক আফতাবের ঘটনা থেকে বোঝা যায় কমিউনিস্ট, বামপন্থী ও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে সোচ্চার বুদ্ধিজীবীরাই টার্গেট। যার প্রমাণ মেলে গত কয়েক মাস ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিরোধী শিক্ষকদের অজ্ঞাত পরিচয়ধারীদের টেলিফোনে হত্যার হুমকি ও উড়ো চিঠি প্রদান।
এ পর্যায়ে বলে নিই, যুদ্ধাপরাধ নিয়া কথিত মৌলবাদীদের এক চেটিয়া দোষ দেয়ার মতলব কর্তৃত্ব অর্জন করলেও সত্য ধামাচাপা থাকে না। রাষ্ট্রের নিজেরও যোগাযোগ আছে সাম্প্রতিক বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে। ২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনটিতে মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মোফাখখার চৌধুরীকে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি বাংলাদেশে স্বাধীনতার পরে দীর্ঘদিন বেচে থাকা বিপ্লবী তাত্ত্বিকদের অন্যতম ছিলেন।
স্বীকারোক্তি আমাকে বিপদে ফেলেছ...
আমি শুধু একটি কথাই সবাইকে জানাতে চাই ২০০৭ সালে দেশের বুদ্ধিজীবীদের উপর হামলাকারী ও হুমকিদাতাদের ব্যাপারে হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। জেমএমবির সামরিক কমান্ডার সানিও বলে গেছেন তাদের সম্পৃক্ততার কথা। ধর্মের নামে নিরীহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার সঙ্গে জড়িত এই হরকাত ও জেএমবি আমাবে ভাবতে বাধ্য করছে নতুন করে। যাদের জন্ম ও বিকাশকে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অনন্ত যুদ্ধে সহযোগ দেয়া বলে মনে করি।
১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় ইসলামের লেবাসধারী কিছু মানুষ জড়িত ছিলেন। তাদের মধ্যে বেছে বেছে শুধু জামায়াতের কথাই বলা হয়েছে। জামায়াতও এই অভিযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু তাদের প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে তো বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড ঘটেনি প্রমাণ হয় না। আর ইসলামপন্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ নাকচ হয় না। তাহলে ঘটনাটা কী? হ্যা, ঘটনা আছে। ৭১-এ এমন কিছু লোক ঘটনা ঘটিয়েছিল যারা ইসলামের নাম নিলেও তারা আসলে অন্য কিছু। তাদের জড়িত থাকার ঘটনা প্রমাণিত হলেও সব সময় পেয়ে গেছে এবং এখনও পাচ্ছে রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য। এ ক্ষেত্রে বলতে হয় ইনকিলাবে মাওলানা মান্নানের কথা। তার বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডে জড়িত থাকা অকাট্য সত্য। কিন্তু বৈদেশিক যোগাযোগ তাকে আগলে রেখেছে সব সময়। তার কথা কেউ বলে না। কারণ তিনি যাদের নির্দেশে ঘটনা ঘটিয়েছিলেন এখন তাদের মিত্র আওয়ামী লীগ। তাই আওয়ামী লীগ তার ব্যাপারটা আড়ালেই রাখছে। তারপুত্র তো এখন আবার বীর বিক্রম!
মওলানা মান্নানরা কোন পাত্রের ঘোটক ছিলেন? ব্যাপারটা বুঝতে হলে জেএমবি সঙ্গে পাকিস্তানী মওলানা ওমর বাকরির সম্পর্ক। জেএমবি কে কমসূচীগত নির্দেশনা দেন পাকিস্তানে সিআইএ এজেন্ট হিসেবে ব্যাপক পরিচিত মাওলানা ওমর বাকরি। হরকাতুল জিহাদ ও জেএমবির সাথে এই ওমর বাকরির যোগাযোগ ছিল। হয়তো এখনো আছে।
আর মাওলানা মান্নানকে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে ইরাকের সহযোগ তো অবাক করার মতো। এক কালের মার্কিন দালাল সাদ্দামের দালালির সময়টাতে বাংলাদেশে মান্নান সাহেবের প্রসারও বিস্ময়কর। আসল প্রভুদের নির্দেশেই কি সাদ্দাম তাকে টেনে তুলেছিলেন মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী পতিত দশা থেকে?
যাই হোক কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে ভাঙ্গা রেকর্ড বাজিয়ে কাজ হবে না। বেহাত মুক্তিযুদ্ধের জন্ম নেয়া দুর্বল শিশুর মতো রুগ্ন বাংলাদেশে কেউ ইতিহাসের অন্ধকার ঘাটাবে না। সত্যকে খুঁজে বের করবে না। পুঁজিবাদের কৌশলগত গোপণ তৎপরতা নিয়ে সোচ্চার হবে না। স্বাভাবকি।
৩৪৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১০
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
নাজনীন১ বলেছেন: @ জীবনানন্দ দাশের ছায়া,
"মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের কারো পরিচয় মুসলমান ছিলনা, সম্ভবত তাঁরা ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য লড়াইও করেননি। "
-- আপনার এ বক্তব্য কি সচেতনভাবে দিয়েছেন?আপনি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা দেখেন তাহলে সেখানে মুসলিম মুক্তিযোদ্ধার নামই বেশী চোখে পড়বে এবং এদের অনেকেই প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ছিলেন। নুরুজ্জামান মানিক ভাইয়ের একটা পোস্ট আছে রণাঙ্গনে প্রথম রোযার স্মৃতিচারণ নিয়ে। অনেকেই আল্লাহ্র নাম নিয়েই যুদ্ধে গেছেন। আজ যদি তাদের সবাইকে আপনি অমুসলিম বানিয়ে দিতে চান, সেটা ভীষণভাবে দুর্ভাগ্যজনক।
আমি খুবই দুঃখিত আমার বক্তব্যের অসম্পূর্নতার জন্য। মন্তব্য প্রকাশের পরেই খেয়াল করেছিলাম। কিন্তু সংশোধনী দিতে কিন্চিৎ বিলম্ব হল।
মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের কারো পরিচয় মুসলমান ছিলনা, সম্ভবত মুসলিম পরিচয়ের আগে তাদের পরিচয় ছিল তারা স্বাধীনতাকামী মানুষ। তাঁরা ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য লড়াইও করেননি।
ধর্ম দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় ও মিশন-ভিশনকে জাজ না করার উদ্যশ্যেই কথাগুলো লেখা। মহান আল্লাহ্র নাম নিয়ে যুদ্ধে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কারণ কোন কাজ শুরুর আগে বিসমিল্লাহ্ বলা আমাদের বাংলাদেশের দেশীয় কালচারের একটি অংশ।
আশাকরি আমার বক্তব্য আপনার বোধগম্য হবে।
৩৪৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১২
বিবেকহীন বলেছেন: সামুর মডুগো মাথা থেকে এখনও মাল নামে নাই দেখতাছি। টাকার বেশি শর্ট পড়লে বেশি এড ঝুলাইলেই হয়, পলিটিক্যাল নাস্তিক পালার কি মানে?
৩৪৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৭
তমাল গূরু বলেছেন: আমার জানামতে ইসলাম মুক্তবুদ্ধির চর্চার ক্ষেত্রে কখনই অন্তরায় ছিল না।বরং তারা যারা ইসলাম কিংবা অন্য ধর্মকে তাদের জীবিকা হিসেবে নিয়েছে তারাই নিজের প্রয়োজনমত ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে রাখে তারাই আমাদের জাতীয় শত্রু।
৩৪৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৭
ঈদ এর চাঁদ বলেছেন: নাস্তিক হটাও
৩৪৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৩
গিগাবাইট বলেছেন: যারা কয় মাত্র ৯ মাসে দেশ স্বাধীন হইছে তারা আহাম্মক, এখনো স্বাধীন হইতে বহু দেরি।
৩৪৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৪
তমাল গূরু বলেছেন: কাজী নজরুল ইসলাম একবার হিন্দুদের এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে অপমানিত হন।তৎক্ষণাৎ একটি কবিতা লিখেন যার সারমর্ম হলো,"ছুলেই যদি জাত যাবে তবে এত জাতের বড়াই কেন"।আসলে ধর্মের বোধখানি বোধহয় এতটা ঠুনকো নয়।
৩৪৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৫
নষ্ট কবি বলেছেন: তবুও কেন মাইনাস এতো বেশি????????????? তবে কি আঝ হেরে যাব ঐ কুত্তার বাচ্চাদের কাছে????????????????
৩৫০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৯
সন্যাসী বলেছেন: পোস্টের সকল মন্তব্য পড়ে তার উত্তর দেয়া আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমি আমার বক্তব্য উপরে কিছু মন্তব্যের উত্তরে বলেছি। তবে অনেকের মন্তব্য এবং আলোচনা পড়ে আমি সত্যিই অনুপ্রাণিত। সকলের আলোচনায় যেভাবে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে পোস্টটি তাতে আমি সত্যিই মুগ্ধ। তবে একটি বিষয় বেশ পরিস্কার যে যারা এই পোস্টে মাইনাস দিয়েছে তাদের মধ্যে দু'একজন ছাড়া বাকিরা কোন আলোচনা করার যোগ্যতাই রাখে না।
৩৫১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: লেখকের বক্তব্যের সাথে একমত।
৩৫২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫২
ইউনুস খান বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড - জাতির সূর্য সন্তানদের হত্যার মাধ্যমে ভূমিষ্টপ্রায় একটি স্বাধীন দেশকে মেধাহীন করার সংঘবদ্ধ প্রকল্প
৩৫৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৬
এক্স বলেছেন: শক্তিসম্রাটকে অসংখ্য ধন্যবাদ বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের উপর দেয়া লিংকের জন্য. সোনাব্লগে এমন পোস্ট পড়বে কল্পনাও করিনি ... মুক্তচিন্তা নিয়ে প্রতারক ভন্ডরা অনেক স্টান্টবাজী করলেও এই ব্লগমাস্তানদের বিবেকহীন অশ্লীল বিরোধিতার জন্যই বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড নিয়ে খোমেনি ইহসানের মত লেখা সামুতে আসেনি এবং আসবেও না. ইসলাম ও দালাল বিরোধিতা ঠেকাতে এই ব্লগমাস্তানরা যেভাবে সত্য ও সুচারু বিশ্লেষনকেও গালিগালাজ করে সামু ছাড়া করছে তাতে মনে একটা কথাই বারবার উদয় হয়, গালি দিয়ে ভিন্ন কিন্তু অনুসন্ধিতসু সত্য মতামত ঠেকানোই কি মুক্তচিন্তা?
জহির রায়হান নিজে তার রিপোর্টের মন্তব্যে বলেছিলেন, ধর্মান্ধ গোঁড়া আল শামস, আল বাদর বাহিনীর মূর্খ ছেলেদের মাথায় এত বুদ্ধি আসার কথা না যে তারা বেছে বেছে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করবে. তাদের নিকট শিক্ষক ও (দিন-রাত-বিকাল) মজুরদের মধ্যে কোন পার্থক্যই নেই.
শহীদ বুদ্ধিজীবিরা ভারত পাকিস্তান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী সকল শক্তির কাছেই বিপদজনক শত্রু ছিলেন. তাদের মৃত্যুতে পাকিস্তানের থেকেও বেশি লাভ হয়েছে ভারত ও মার্কিনদের. অন্তত বাংলাদেশে এই দুই দেশের সাম্রাজ্যবাদী দৌরাত্ম তাই প্রমাণ করে. তারা যদি থাকতেন তবে ছাগরুখের মত একটা ৫গজ কাপড়ের ক্লাউন এসে ঢাকা মাতাতে সক্ষম হত না. অথবা ট্রানজিট, করিডোর, বন্দর, তেল-গ্যাসেও বিদেশী হায়েনারা কামড় বসাতে সাহস করত না.
সচেতন মানুষ হিসেবে সমাজের ভাল ও মন্দে সাড়া দেয়া সবারই দায়িত্ব ও কর্তব্য. কিন্তু পোস্টের লেখক কোন সততা ও যোগ্যতা রাখেন না মহান স্বাধীনতা ও শহীদ বুদ্ধিজীবিদের হত্যাকান্ড নিয়ে কোন প্রকার কথা লেখার. কারন তিনিও রাজাকার আল বাদর আল শামস দের মতই আরেক পরগাছা বিশেষ গোত্রভুক্ত প্রাণী যারা নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য মানুষের অনূভূতিকে পুঁজি করে.
৩৫৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৮
ছায়াপাখির অরণ্য বলেছেন: আপনার লেখার সাথে সহমত, শুধু কয়েকটি আংশ ছাড়া।
আপনার লেখা থেকে কোট করছি-
'১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তাদের মধ্যে ভারী দলটা যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সবধরণের সহায়তা করেছিল তাদের প্রধান পরিচয় তারা এদেশের ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক। চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে যে প্রগতিশীল চেতনার জন্ম দেয় তারই ফসল ১৯৭১। ভাষা আন্দোলনই বাংলাদেশী বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয় ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা। যে চেতনাকে ইসলাম তাদের ধর্মের শত্রু বলে বিবেচনা করে।''
আপনার পুরো লেখাটার মধ্যে নির্দিষ্ট একটা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ প্রবল। যেটা আপনার মূল পোষ্টের তীক্ষ্ণতাকে হালকা করেছে। সেই সাথে গ্রহনযোগ্যতাকেও।
জামায়াত এদেশে ইসলামের ধারক বাহক ও প্রচারক কোনটাই নয়। তারা নিশ্চিতভাবেই ধর্মব্যবসায়ী- ধর্মকে নিজের স্বার্থে ব্যবহারকারী। বাংলাদেশের মানুষ বেশিরভাগ ধর্মভীরু হলেও তারা জামায়াতের মত ধর্মব্যবহারকারীদের দিয়ে মোটেও প্রভাবিত নয়, বরং তারা পার্থক্যটা সুস্পষ্টভাবেই বোঝে।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা নিয়েই স্বাধীনতা সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিল।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিজে অধার্মিক ছিলেন, কিন্তু শাসন-শোষন চালাতে তিনি ইসলামের দোহাই-ই দিয়েছেন। এখানে লড়াইটা ধর্মের সাথে নয়, ধর্মব্যবসায়ীদের সাথে।
আপনি যদি ইসলামকে বা একটা নিদিষ্ট ধর্মকে এই হত্যাকান্ডের পেছনে কারন হিসেবে দেখাতে চান, আমার কাছে তা খুব একটা যৌক্তিক মনে হয় না। একটা মানুষ ছুরি দিয়ে খুন করলে যেমন দোষ ছুরিটার হয় না, তেমনি পাকিস্তানী শাসকরা শোষনের হাতিয়ার হিসেবে ইসলামকে ব্যবহার করলে দোষ এই ক্ষেত্রে ইসলামের নয়। বাবরি মসযিদ ধংস হলে তার দায় 'হিন্দু ধর্মের' নয়, হিন্দু ধর্মকে ব্যবহারকারীদের।
ধর্মের সত্যিকার সমালোচনাগুলো আসে তার সংস্কার-তার প্রথা নিয়ে। আজকে কোথাও সতীদাহ হলে দায় যেমন হিন্দু ধর্মের, তেমনি নারীকে অবরোধবাসিনী করে রাখলেও সে দায় ইসলামের। আবেগ দিয়ে নয়, যৌক্তিকভাবে যে যায়গায় সমালোচনা করা প্রয়োজন, সেখান সমালোচনা করার অনুরোধ থাকলো।
ভালো থাকুন।
৩৫৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৩
নরাধম বলেছেন:
বুদ্ধিজীবি হত্যা নিয়ে পোস্টে প্লাসের চেয়ে মাইনাস বেশি দেখে খুবই আশ্চর্য্য হয়ে সম্পূর্ণ পোস্ট পড়লাম। তারপর বুঝলাম এটা যতটা না বুদ্ধীজীবিদের শ্রদ্ধা বা পাকিদের-রাজাকারদের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বিষয়ক পোস্ট তার চেয়ে বেশি হচ্ছে ইসলামকে বাঁশ দেওয়া চুলকানিমার্কা পোস্ট। তাই এরকম একটা অসম্ভব প্রাসংগিক এবং আমাদের জন্য সার্বজনীন বিষয়ের পোস্টেও কেন এত মাইনাস পড়ল সেটা বোধগম্য হল।
পোস্টের দুই-তৃতীয়াংশই অপ্রাসংগিক এবং চুলকানিমার্কা। বাকি প্রাসংগিক এক-তৃতীয়াংশ অপ্রাসংগিক দুই-তৃতীয়াংশের ভীরে হারিয়ে গেছে। পোস্ট পড়ে ছোটকালে শুনা নদীর রচনার কথা মনে হয়েছে। এক ছেলে যেকোন রচনাকেই নদীর রচনায় নিয়ে যেত, এটাও সেরকম। বুদ্ধিজীবিহত্যার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে নিজের আবালটাইপ দৃষ্টিভংগী প্রচারের জন্য বেঁচে নেওয়াতে বুদ্ধিজীবিহত্যাকে আরো অপমানই করা হয়েছে এই পোস্টে। ব্লগে জামাতী অনেক, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিয়ে পোস্টে তাই ২০০টা প্লাস পড়লে ৩০-৫০টা মাইনাস থাকা স্ট্যান্ডার্ড। সেখানে প্লাসের চেয়ে মাইনাস অনেক বেশি হওয়াতে বুঝা যাচ্ছে পোস্টদাতার ইন্টেনশান সাধারন ব্লগাররা বুঝতে পেরেছে। ব্লগারদের সাধারণ ট্রেন্ড আমরা "জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়েছেন" পোস্ট থেকেই বুঝতে পারি। অনেক মধ্যপন্থী ব্লগার "রাজাকার" ট্যাগিং হওয়ার ভয়ে মাইনাস দেয়নি, নাহয় আরো বেশি মাইনাস হত এই পোস্টে।
পোস্টদাতার অজানা থাকার কথা না যে অনেক চায়নাপন্থী কমিউনিস্টও মুক্তিযু্দ্ধের বিরোধী ছিল। তাদের মতে এটা ছিল "দুই কুত্তার লড়াই"। যদি যু্দ্ধটাতে চায়না ভারতের মত সরাসরি কোন একটা পক্ষ হত নিশ্চিতভাবেই এসব চায়নাপন্থী কমিউনিস্টরা রাজাকারদের মত বাঙালিদের হত্যা করত, মা বোনদের ধর্ষণ করত। যারা কোন একটা তথাকথিত মতাদর্শে অন্ধ হয়ে যায়, তখন তাদের কাছে ন্যায়-অন্যায়ের ইয়ার্ডস্টিক বলতে কিছু থাকেনা, তথাকথিত আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য তারা তখন নিজের দেশের মানুষকে হত্যা করতে পারে। এটা জামাতী রাজাকারদের জন্য যেমন সত্যি তেমনি উগ্রবাদী নাস্তিক বা কমিউনিস্টদের জন্যও সত্যি। তাই স্বাধীনতাযুদ্ধের বছরখানেকের মধ্যেই উগ্র আদর্শবাদী বামরা একটা স্বাধীন দেশের জনগনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সরকারকে কিভাবে ব্যতিবস্ত করে রেখেছিল সেটা আমরা দেখেছি। বঙ্গবন্ধুর শাসনের মোটাদাগের ব্যর্থতা এবং বঙ্গবন্ধুকে অকাতরে প্রাণ হারানো এবং পরবর্তীতে জিয়া-এরশাদের সামরিক শাসন এসবের একটা বড় কারন এসব উগ্রপন্থী বাম আদর্শখোররা। এসব আদর্শখোররাই আবার জিয়া-এরশাদের একমপ্লিস হয়েছিল।
এই বাম প্রসংগ আনার উদ্দেশ্য হচ্ছে এটা পরিষ্কার করা যে পাকিরা এবং রাজাকাররা যে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করেছে এটা ইসলামের নামে হলেও ইসলামের দোষ না। যুদ্ধটা ইসলামপন্থী বনাম ইসলামবিরোধীদের মধ্যে ছিলনা। কিছু মানুষ মতাদর্শ মতাদর্শ করে সবসময়ই জান দিয়ে ফেলবে, এই মতাদর্শের দোহাই দিয়ে তারা কোটি কোটি মানুষকে হত্যা করবে। পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট বা সর্বহারারা কমিউনিজমকে রিপ্রেজেন্ট করেনা।
পোস্টদাতার পোস্ট পড়ে এবং সামুর আরো অনেক উগ্রবাদী নাস্তিককে দেখে মনে হয়েছে যদি এই মূহুর্ত্যে নাস্তিকতা প্রচার করে এরকম কোন শক্তি বাংলাদেশের উপর আক্রমণ করে তবে এরা অবশ্যই সেই শক্তিকে সহায়তা করবে এবং সমানে রাজাকারদের মতই বাঙালিদেরকে হত্যা করবে তারা "মুসলিম" হওয়ার জন্য। এসব লোকের সাথে রাজাকারদের মৌলিক কোন পার্থক্য নাই, যদিও মতাদর্শের বিপরীত মেরুতে দুশ্রেণীর অবস্থান, এরা তাদের মতাদর্শকে মানবতার চেয়ে বড় মনে করে।
রাজাকাররা যা করেছিল তার কারন হচ্ছে তারা "ন্যায়-অন্যায়" এবং "মানবতা" এসবের চেয়ে "আদর্শ"-কে অনেক উপরে ঠাঁই দিয়েছিল, পোস্টদাতাকে আমার কাছে একই ঘরানার মনে হয়েছে, শুধু আদর্শটাই বিপরীত মেরুর, এই যা।
বুদ্ধিজীবিহত্যার গ্র্যাভিটি নিয়ে ৫% জামাতী ছাড়া দেশের ৯৫% মানুষের মনে কোন ধরণের হেজিটেশান নেই। তাই এই ইস্যুকে নিয়ে কোন স্টিকি পোস্টে যদি ২০০ প্লাসের বিপরীতে ২৩৫ টা মাইনাস পড়ে, সেটা নিতান্তই পোস্টদাতার ব্যক্তিগত ব্যর্থতা। আর কোন ধরনের আদর্শ/মতাদর্শ বিষয়ক উগ্রতা যদি পোস্টদাতাকে এরকম বিষয়ে "নদীর রচনা" টাইপ পোস্ট দিতে উৎসাহিত করে তবে পোস্টদাতার উচিৎ হবে সেই মতাদর্শ বিষয়ক উগ্রতাটা কমিয়ে মানবতাকে মনে ঠাঁই দেওয়া। নাহয় যাদের বিরুদ্ধে এই পোস্ট তাদের মতই পোস্টদাতার আচরন হবে ভবিষ্যতে যদি ন্যায়-অন্যায়বোধ আর মতাদর্শগত বিরোধের সম্মুখীন কোনদিন হতে হয়।
আমি প্লাস বা মাইনাস কোনটা দেওয়া থেকেই বিরত থাকলাম। তবে এটা খুবই দুঃখের বিষয় যে আমাদের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নাস্তিকতা-আস্তিকটা টেনে এনে সবার যে বিষয়ে ঐক্যমত আছে সে বিষয়কেও বিতর্কিত করে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফল সুদূরপ্রসারী খারাপ ডেকে আনবে, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। কিছু বিষয়কে আমাদের অবশ্যই নাস্তিকতা-আস্তিকতা এসব বিষয় থেকে দূরে রাখতে হবে, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিঃসন্দেহে সেরকম ইস্যু, সেটা যত তাড়াতাড়ি বুঝব ততই মঙ্গল।
পরিশেষে সামুর কাছে অনুরোধ থাকবে পোস্টের শিরোনাম দেখে স্টিকি না করে বিষয়বস্তু দেখে স্টিকি করার জন্য।
**********************
অফটপিক: মুক্তবুদ্ধিচর্চা একটা ইলুশান, মুক্তবুদ্ধি বলতে কিছু নাই।
৩৫৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৬
একলা একজন বলেছেন: নরাধমের সাথে একমত। এই ধরণের একটি পোষ্টকে স্টিকি করায় মডারেটরদের প্রতি ধিক্কার জানাচ্ছি।
৩৫৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২১
সাইফুর বলেছেন: যা বলার সব নরাধমই বলে দিলো। দোষ হলো সেই ধর্মপালনকারীর যে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।
৩৫৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩১
অ্যামাটার বলেছেন: বুদ্ধিজীবি হত্যাযজ্ঞের উপর লেখা অন্তঃসারশূণ্য একটা পোস্ট। লেখকের আইডিওলজি নিয়ে বলার কিছু নাই, এটা তার স্বাধীনতা। শহীদদের প্রতি তার আবেগ শ্রদ্ধা করি। তবে, এই টপিকে কিছু লেখার মত যোগ্যতা তার নাই, এইটা আসল কথা।
৩৫৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৪
সজল শর্মা বলেছেন: পোস্টে +++++++++++++
মাইনাসীদের গুলবাগের গুল। এরা মানুষ হল না।
৩৬০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৪
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন: আমি প্রায়ই দেখি, শুধুমাত্র বিরোধিতার জন্য আমি বিরোধিতা করি!
কেউ যদি বলে, সূর্য্য পূর্ব দিকে ওঠে, আমি বিরোধিতা করি!
তবে কিছু বিষয়ে বিরোধিতা করতে পারি না।
ধর্ম আগে না দেশ আগে...??
পোষ্টে অনেকেই বিষয়টা পেচিয়ে ফেলেছেন।
অনেকেই বলবেন যুদ্ধ...!! যা দেখিনি তা জানবো কি করে...???
আসলেই তো, যা দেখিনি তা বিশ্বাস করবো কেমন করে...??
৩৬১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পুরা পোস্ট পইড়া মনে হইলো না ইসলামরে বাশ কেমনে দেয়। একসময় ছাগুদের রানী উম্মে আব্দুল, সন্ধ্যা এরাই কইতো বাংলাদেশে যেই ইসলাম পালন হয় সেইটা অনেকটা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, আর লেখক সেইটা কইছে লোকান্ধ। আমিও তাই মনে করি।
বুদ্ধিজীবিগো এই পোস্টে সামুতে মনে এই প্রথম এত ছাগুদের আস্পর্ধা দেখলাম আর তাদের সাথে পথ গুলিয়ে ফেললো অনেক সাধারন মাথার পুচকি ব্লগাররা। কেউ যে এসে ছাগুদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে আর এযুগের ছেলে পেলেদের আসলেই যে কিছু দেখার টাইম আছে, টা দেখেও হতাশ!
মোল্লা কুকুর, জামাতী ছাগু এসবদের হত্যা করার সময় হইছে!
৩৬২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫০
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: আল্লাহ শক্তি দাও , যাতে নিশ্চিন্হ করতে পারি রাজাকারদের ,,,,ও নব্য রাজাকারদের....................।
সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি,
৩৬৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫২
হেলথ ভিশন ০০৭ বলেছেন: ''১৯৭১ এ যারা স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল তাদের মধ্যে ভারী দলটা যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সবধরণের সহায়তা করেছিল তাদের প্রধান পরিচয় তারা এদেশের ইসলামের ধারক-বাহক ও প্রচারক।''- আপনার এ তথ্যে গুরুতর ঐতিহাসিক ভুল আছে।জামাতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী পার্টিগুলো কবে হতে এই উপমহাদেশে ইসলামের ধারক-বাহক এবং প্রচারক ছিল ? এই মহান দায়িত্ব তাদের কে দিয়েছিল ? পূর্ব বাংলার(পূর্ব পাকিস্তান) স্বাধীনতাকামী মানুষের কতভাগ মুসলিম ছিল বলুন তো ? নিহত,যুদ্ধাহত এবং বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের কতভাগ মুসলিম ছিল ? বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কৌশলে ইসলাম বিদ্বেষ জাগিয়ে তোলার মতো সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের এই হীন প্রচেষ্টাকে ধিক্কার জানাই।
৩৬৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হেলথ ভিশন, তেনা পেচাও কেন, তাদের প্রধান পরিচয় কথাটা ভুইলা যাও কেন? আর তুমাগো গো.আ র প্রোফাইল বা মওদুদী শয়তান বা নিজামী শয়তানের প্রোফাইল ঘাটলেই এইকথা লেখা থাকলে। তাগো ছাপোষা কুকুর শিবিররাও তো এই ডায়লগটা দেয়!
তুমিও কি ত্যানাপ্যাচানীর ব্যাবসায় যোগ দিলা? কমন সেন্স নাই?
৩৬৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০০
মনজুরুল হক বলেছেন:
বিস্তারে যাব না। এই পোস্টে আর ধীরস্থির বিতর্কের সুযোগ নেই। তবে দৃষ্টি আকর্ষন করল হঠাৎ নরাধমের বাণী। নরাধম এমনভাবে বললেন যেন নিজের স্টকের ড্রয়ার থেকে টেনে টেনে নির্ভুল খাঁটি তথ্য বের করছেন!
নরাধম বলেছেন: বুদ্ধিজীবিহত্যার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে নিজের আবালটাইপ দৃষ্টিভংগী প্রচারের জন্য বেঁচে নেওয়াতে বুদ্ধিজীবিহত্যাকে আরো অপমানই করা হয়েছে এই পোস্টে। ব্লগে জামাতী অনেক, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিয়ে পোস্টে তাই ২০০টা প্লাস পড়লে ৩০-৫০টা মাইনাস থাকা স্ট্যান্ডার্ড। সেখানে প্লাসের চেয়ে মাইনাস অনেক বেশি হওয়াতে বুঝা যাচ্ছে পোস্টদাতার ইন্টেনশান সাধারন ব্লগাররা বুঝতে পেরেছে। ব্লগারদের সাধারণ ট্রেন্ড আমরা "জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়েছেন" পোস্ট থেকেই বুঝতে পারি। অনেক মধ্যপন্থী ব্লগার "রাজাকার" ট্যাগিং হওয়ার ভয়ে মাইনাস দেয়নি, নাহয় আরো বেশি মাইনাস হত এই পোস্টে।
আপনাকে এখন যদি সিস্টেম থেকে মাইনাস দাতাদের পরিচয় বের করে দেয়া হয় তাহলে কী বলবেন? "পোস্টদাতার ইন্টেনশান সাধারন ব্লগাররা বুঝতে পেরেছে"?
আমার সে ক্ষমতা নাই, থাকলে ব্যুমেরাং দেখতে পেতেন।
এটা খুবই দুঃখের বিষয় যে আমাদের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নাস্তিকতা-আস্তিকটা টেনে এনে সবার যে বিষয়ে ঐক্যমত আছে সে বিষয়কেও বিতর্কিত করে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফল সুদূরপ্রসারী খারাপ ডেকে আনবে, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। কিছু বিষয়কে আমাদের অবশ্যই নাস্তিকতা-আস্তিকতা এসব বিষয় থেকে দূরে রাখতে হবে, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিঃসন্দেহে সেরকম ইস্যু, সেটা যত তাড়াতাড়ি বুঝব ততই মঙ্গল।
নাস্তিকতা-আস্তিকতা লেখক টেনে আনেনি। এনেছে যাদের "ধর্ম" শব্দটা শুনেই গেল গেল মনে হয়েছে তারাই। এ প্রসঙ্গে উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পুরা পোস্ট পইড়া মনে হইলো না ইসলামরে বাশ কেমনে দেয়। একসময় ছাগুদের রানী উম্মে আব্দুল, সন্ধ্যা এরাই কইতো বাংলাদেশে যেই ইসলাম পালন হয় সেইটা অনেকটা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, আর লেখক সেইটা কইছে লোকান্ধ। আমিও তাই মনে করি।
এটাই আসল কারণ। এখন পানি ঘোলা হওয়ার পর "কি করিলে কি হইত", "এই করাতে এই হইয়াছে" বলাটা খুব সহজ। আরো সহজ শেষে এসে একপ্রস্থ জ্ঞান বিতরণ করা.....অফটপিক: মুক্তবুদ্ধিচর্চা একটা ইলুশান, মুক্তবুদ্ধি বলতে কিছু নাই।
আর কিছু না হোক, আপনার এই বাণীটি বাধাই করে রাখার মত জনাব। অনেক দিন মনে থাকবে।
৩৬৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৪
শুষ্ক বলেছেন: বাংলা ব্লগের ইতিহাসে আজ একটা ঐতিহাসিক দিন । সামুব্লগের ইসলামবিদ্বেষী মডুদের এই ঐতিহাসিক কর্মএর কিছু রেকর্ড ধরে রাখা দরকার । আপামর জনগনের ধোলাইয়ে অবশেষে এই পোষ্ট স্টিকি হইতে নামলো । মহান মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে যে কলঙ্কিত ব্যবসা আজ এই ব্লগে হলো, তার প্রতি ধিক্কার জানিয়ে ফাইনাল রেজাল্টটা রেকর্ড করে রাখলাম ।
পোস্টটি ২১৬ জনের ভাল লেগেছে, ২৫৪ জনের ভাল লাগেনি
৩৬৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৮
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: মঞ্জুরুল হক রকস্
৩৬৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৯
এক্স বলেছেন: @উদাসী স্বপ্ন - গনহত্যাকে জায়েয করতে ধর্মকে পুঁজি করা ও নাস্তিকতাকে জায়েয করতে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডকে পুঁজি করা, এটা কি একই ধরনের অপরাধ নয়?
নরাধমের কথাটা ফলো করেন....
বুদ্ধিজীবিহত্যার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে নিজের আবালটাইপ দৃষ্টিভংগী প্রচারের জন্য বেঁচে নেওয়াতে বুদ্ধিজীবিহত্যাকে আরো অপমানই করা হয়েছে এই পোস্টে। ব্লগে জামাতী অনেক, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিয়ে পোস্টে তাই ২০০টা প্লাস পড়লে ৩০-৫০টা মাইনাস থাকা স্ট্যান্ডার্ড। সেখানে প্লাসের চেয়ে মাইনাস অনেক বেশি হওয়াতে বুঝা যাচ্ছে পোস্টদাতার ইন্টেনশান সাধারন ব্লগাররা বুঝতে পেরেছে। ব্লগারদের সাধারণ ট্রেন্ড আমরা "জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়েছেন" পোস্ট থেকেই বুঝতে পারি। অনেক মধ্যপন্থী ব্লগার "রাজাকার" ট্যাগিং হওয়ার ভয়ে মাইনাস দেয়নি, নাহয় আরো বেশি মাইনাস হত এই পোস্টে।
@ধান্ধাবাজী পোস্টে মাইনাসের ত্রিপল সেন্চুরী হওয়ার আগেই স্টিকি নামায়া নিল? নাকি সামুর টার্গেট ওয়েব ট্রাফিক এচিভ হয়ে গিয়েছে?
৩৬৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৯
মনির হাসান বলেছেন: হা হা হা । বেশ তবে ধর্মের অস্পৃশ্যতারই জয় হোক । সংখ্যাগরিষ্ঠের জয় হোক ।
"ধর্ম মাত্রই মুক্তচিন্তা, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অন্তরায় এবং হত্যাকারী"- ... এই তীতকুটে সত্যটা সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙ্গালী মুসলমানরা কোনদিন স্বীকার করবেনা।
দুরের পাখির কথাটা না উচ্চারণ করে পারলাম না।বাঙালি যখনি মুসলমান হইতে গেছে তখনি ফরায়েজী হইছে, খেলাফতি স্বপ্নদোষী হইছে । আর রাস্তায় শান্ডার তেল বিক্রিকারী যেমন সুর কইরা গায়, স্বপ্নদোষে যারে পায়, বুকের হাড্ডি জাইগায় যায় , তেমনি বাঙাল বুকের হাড্ডি জাইগা গেছে । বাঙালি যখনি মুসলমান হইতে গেছে , রাজাকার হইছে, হিজবুতি হইছে, তালেবানি হইছে । বাঙালি আর থাকতে পারে নাই ।
৩৭০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৭
রাতমজুর বলেছেন: নোট: যারা যারা মুখে ফেনা তুলতেছেন যে ১৯৭১এর জামাতের কুকর্মের জন্য ধর্ম দায়ী না, দায়ী জামাত, কারন তারা ধর্মকে অপব্যাবহার করছে- তাদের সাথে একমত তখনই হবো, যখন তাদের দেখবো জামাতের বিপক্ষে সোচ্চার ভাবে ব্লগ এবং বাস্তবে কথা বলতে। জামাত ধর্ম টাইনা নিজেদের কুকাজ জায়েজ করার সময় আপনাদের কোন প্রতিবাদ থাকে না,বরং নিরব থাইকা তাদের কুকাজের নিরব সমর্থক বইনা যান, আর সেইটা চোখে আঙুল দিয়া দেখাইলেই আপনারা দলে দলে মুসলিম হইয়া উঠেন, চমৎকার!
৩৭১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৭
শয়তান বলেছেন: ছাগার্জমের ছাগশিৎকারধ্বনির ঘৃন্য রুপ দেখছি চেয়ে চেয়ে ২৪ ঘন্টা ধরে । অবাক হই নাই তেমনেকটা। আরেক দলা ঘন থুথু দিতে আসলাম কেবল ।
শহীদ বুদ্ধিজীবিরা মরে বেঁচে গেছেন । নৈলে এই বিভৎসরুপ দেখে লজ্জায় ঘৃনায় বারবার আত্মঘাতি হতে হত তাদেরকে ।
৩৭২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩০
মনজুরুল হক বলেছেন:
নিজামী-মুজাহিদ বহুভাবে শিখিয়ে দিয়েছে কিভাবে ত্যানা প্যাঁচাইতে হয়! তাদের টার্গেটই ছিল যেহেতু ইতিহাসকে অস্বীকার করা যাবে না, সেহেতু ইতিহাসকে এমনভাবে ট্যুইস্ট করতে হবে যেন প্রমান না হোক অন্তত বাজারে চাউর করা যায় যে জামাত কোন যুদ্ধাপরাধ করেনি, দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই!
ঠিক সেইভাবে এই ব্লগের সুগারকোটেড ধর্মবাজরা একটা বিষয়ভিত্তিক পোস্টকে "ধর্মের বিরুদ্ধে আঘাত", "ইসলামকে প্রতিপক্ষ করা", "নাস্তিকতাকে মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে জাস্টিফাই করা" ট্যাগ বসিয়ে মনের আনন্দে মাইনাস এবং চল্লিশ বছরের জমে থাকা অপমানের বদলা নেয়ার ডেমোনেস্ট্রেশন করে গেল।
মোটা দাগে এদের সাথে নিজামী-মুজাহিদের অমিল কোথায়?
তবে আফসোস এটাই যে, শুধু মাইনাস আর উন্মত্ত ঘৃণা ছড়িয়ে কোনভাবেও কলঙ্ক দাগ মেটানো গেল না। বরং সেই কলঙ্ক দাগ আরো প্রসস্ত হল। আমরা ২৫৪ টি নিককে চিনলাম। এই নিকগুলোর কয়েকটি এতই নামকরা যে তাদের এই "এ্যাসাইনমেন্ট" দেখে অচিরেই তারা নিজেরা স্তম্ভিত হবেন।
৩৭৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩২
এক্স বলেছেন: @রাতমজুর- জামাত হাসিনাপ্পুর সমস্যা তো জামাতকে হাসিনাপ্পু আর হাসিনাপ্পুর চামচারাই সামলাক, সাধারন পাবলিকের কি ঠেকা পড়সে জামাত ঠেকানোর? পাবলিকের মাথা ব্যাথা হল ধর্মব্যবসায়ী ও দেশদ্রোহীদের নিয়ে. হাসিনাপ্পু যেমনে দেশের স্বার্থ জলান্জলি দিয়ে দেশদ্রোহীর মত ভারতের সাথে চুক্তি করতেসে, ভারতের রেললাইন বানানোর জন্য ভারত থেকেই ঋণ নিয়ে দায় দেশবাসীর উপর চাপিয়ে দিচ্ছে তাতে হাসিনাপ্পুর এজেন্ডা বাস্তবায়নে সাধারন মানুষ কেন আসবে? বেসিকালি পাবলিকের কাছেএখন জামাত আওয়ামীলীগ বিএনপি সব ওই একই কাতের পড়ে. তাহলে কুকুরে কুকুরে লড়াইয়ে সাধারন ভদ্র ব্লগাররা অংশ কেন নিবেন?
আপনারা আগে সাধারন ভারতীয় দালাল বিরোধী ভিন্নমতাবলম্বী ব্লগারদের গালিগালাজ করা পরিহার করেন, স্বার্থে আঘাত লাগলেই নীরিহ ব্লগারদের ছাগু ট্যাগিং করা বন্ধ করেন, ব্লগে পেশিশক্তি গালিশক্তির তান্ডব বন্ধ করেন অটোমেটিক সাধারন লোকদের ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখবেন.
আপনাদের কাছ থেকে গালি খেয়ে তো আপনাদের কাতারে দাড়িয়ে কেউ কথা বলবে না. আওয়ামী গুন্ডামি স্বভাব থেকে বের হয়ে আগে ভদ্রমানুষ হন তারপর দেখবেন ভদ্র মানুষ আপনাদের জাতীয়স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এজেন্ডায় সাপোর্ট দেয় কি না...
৩৭৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৫
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হেরে গেলে আরেকবার সামহ্যোয়ার! ছিঃ! সামহ্যোয়ার ছিঃ!
এই তোমাদের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ?ছিঃ।
৩৭৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪০
শয়তান বলেছেন: মোটা দাগে এদের সাথে নিজামী-মুজাহিদের অমিল কোথায়?
৩৭৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৭
রাতমজুর বলেছেন:
@হাইড্রো, ভারতীয় দালাল বিরোধী ভিন্নমতাবলম্বী ব্লগারদের গালিগালাজ করা হয় না, করা হয় ভারতীয় জুজু দেখানো জামাতি ব্লগারদের, চোখের পট্টি খুলেন। কমেন্টে বলা হইছে তাদেরই যারা ধর্মের নামে জামাতের ১৯৭১ জায়েজ করে, আপনার লাগলো কেন? আমারে আওয়ামী চাটতে কৈ দেখছেন বাপের জন্ম হইলে প্রমান দিবেন, নাইলে আপনে বেজন্মা সেইটা স্বীকার কৈরা যাইবেন।
তেনা পেঁচানি স্বভাব থেকে বের হয়ে আগে ভদ্রমানুষ হন তারপর দেখবেন ভদ্র মানুষ আপনাদের গালি দেয় কি না।
আরেকটা কথা কই, মীরপুরে অনেক হিজবুতের লগেই মিশছি, আপনের লাহান বেজন্মা তেনা পেঁচানি হিজবুত দেখি নাই।
ফের কোন কিছু কওয়ার আগে প্রমান করবেন আপনার অভিযোগ, আমারে কৈ দেখছেন আম্বা-তোষনে। আর বেজন্মা জারজ হৈলে তেনা পেঁচাবেন। বুইঝা নিমু আপনি রবাহুত সুবিধাবদী মুসলমান। আমারে আম্বা ট্যাগ দিতে আসছেন, প্রমান করেন, নাইলে বেজন্মা জারজ ট্যাগ খাইবেন।
৩৭৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৮
অণুসন্ধানী বলেছেন: অযোগ্য একজন লেখকের পোষ্ট স্টিকি করার জন্য সামু কে মাইনাস।
আর জানা আফাকে মালিকগিরি দেখানর জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক মাইনাস
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৪
সন্যাসী বলেছেন: * পোস্ট করেছেন: ৪৬টি
* মন্তব্য করেছেন: ৭৮৫টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ২৪৮টি
* ব্লগ লিখেছেন: ২ বছর ৬ মাস
* ব্লগটি মোট ৭৮৫৩ বার দেখা হয়েছে
তোমার যোগ্যতা যে কেবল গোআজমের পাছা চাটা তা এইটাই প্রমান করে।
৩৭৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫১
নরাধম বলেছেন:
মন্জুরুল হক, আমার কমেন্ট আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে বলে খুবই ভাগ্যবান অনুভব করছি নিজেকে।
আপনার কমেন্ট থেকে যা বুঝতে পারলাম তা হল মাইনাসদাতাদের পরিচয় বের করে দিলে কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে আসবে। সেটা কি জানতে পারি কি? আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যারা মাইনাস দিয়েছে তারা সবাই জামাতী? বুদ্ধিজীবিহত্যা বিষয়ে এরকম অন্তসারশূন্য পোস্ট জীবনে দেখিনি আমি। এবং এ পোস্টের বেশিরভাগ কথাই বুদ্ধজীবিহত্যা বিষয়ের সাথে অপ্রাসংগিক এবং ইসলামবিদ্বেষী। সেজন্যই এত মাইনাস। আপনি যদি বলতে চান যে ব্লগে জামাতীর সংখ্যা জামাতবিরোধী ব্লগারের চেয়ে বেশী, তবে সেটা অবশ্যই ভুল। বাংলাদেশে জামাতীরা সবচেয়ে জাফর ইকবালকেই বেশি ঘৃণা করে মনে হয়, তাকে নিয়ে পোস্টে মাইনাসের চেয়ে প্লাসের সংখ্যা অনেক বেশি। সেই বিখ্যাত "জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়েছেন" পোস্টটা দেখতে পারেন।
আমার অফটপিক কথাটা আপনার মনোবেদনার কারন হয়েছে বুঝতে পারলাম। তবে আমি আমার অফটপিক কথাটাকে সত্যি মনে করছি। আপনার কাছে হয়ত আপনার মতামতের সাথে যাদের মিলে তাদেরকে তথাকথিত "মুক্তবুদ্ধির" ধারক-বাহক বলে মনে হবে। আমার কাছে সবাইকেই কোন না কোনভাবে ব্রেইনওয়াশড ছাড়া ব্যতিক্রম মনে হয়না।
৩৭৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫৭
এক্স বলেছেন: @রাতমজুর - একটা ছাগল কে ছাগল প্রমান করা কঠিন... তাকে বিশ্বাস করানো আরো কঠিন. গালিবাজরে গালিবাজ প্রমান করা কঠিন, কারন অভিযোগ তুললেই বলে,... মা..চো আমি গালি দিলাম কবে?
পশ্চাদ্দেশ দিয়ে আর কত পাহাড় ঠেলবেন, এইবার একটু রেস্ট দেন, যাই করেন পাহাড়টা নড়বে না.
৩৮০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০১
রাতমজুর বলেছেন: @হাইড্রো, ঠিকই বলেছেন, ছাগল কে ছাগল প্রমান করা কঠিন... তাকে বিশ্বাস করানো আরো কঠিন, এবং আপনি নিজেই তার জলজ্যান্ত উদাহরন, কমেন্টে বললাম জামাতিদের, গায়ে টানলেন আপনি, আমাকে ট্যাগ দিলেন আম্বালীগ বলে, প্রমানের বেলায় ফক্কা, বরং টপিকের বাইরের তেনাপেঁচিয়ে স্বীকার করে নিলেন আমার সন্দেহ নির্ভুল, আপনার বেশ্যা মা আপনার বাপের পরিচয় জানে না, এবং আপনি নিঃসন্দেহে একজন বেজন্মা, কারন এসেছিলেন পাকিজারজ জামাতিদের পিঠ বাঁচাতে। এখনো বলছি, যেটা বুঝেন না সেটা সামলে চলবেন, জামাতের পিঠ বাঁচাতে কেউ এলে ছেড়ে দেব না।
৩৮১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০১
বৃষ্টিস্নাত বলেছেন: বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, জ্ঞানী বালকসহ প্রথম দিকের ব্লগার দের ধন্যনাদ জানাই কারন তারাই প্রথমদিকে বলিষ্টকন্ঠে এর প্রতিবাদ করেছিল যখন নাস্তিকদের পদচারনায় লেখক নিজেকে ধন্য ধন্য ভাবছিল।
প্লিজ ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধ দাড় করাবেন না।
মসজিদ থেকে একজন চোর নামাজি বেশে জুতা চুরি করে। এর মানে মুসল্লিরা কিন্তু জুতা চোর নয়। চোর মুসল্লি বেশে এসেছিল।
আর আপনি কম্যুনিজম বলছেন। এর নামেও স্টালিন, মাও, চে, ক্যাস্ট্র অনেক লোক হত্যা করেছে। বাংলাদেশে সর্বহারাও কম যায় না। নেপাল ও ভারতে মাওবাদীরাও ত একেবারে কাছের ঘটনা।
৩৮২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৩
জামিল.... বলেছেন: সামুকে ধন্যবাদ।
৩৮৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৫
বৃষ্টিস্নাত বলেছেন: দুঃখিত। এভাবে পড়ুন, ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের বিপরিতে দাড় করাবেন না।
৩৮৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:১৩
গিগাবাইট বলেছেন: বংগদর্শন এর এক কপি হাতে পাইছিলাম, ঐখানে সতিদাহ প্রথা নিয়ে বিতর্ক চলছিল, দেখলাম বেশিরভাগ মানুষ সতিদাহ প্রথার পক্ষে। এবং যারা পক্ষে তারা খুব কনফিডেন্ট ছিল তাদের চিন্তা নিয়ে, সতিদাহ প্রথা এখন আর নেই।
৩৮৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:১৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: পোস্টের জন্য সন্যাসীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জামাত-শিবির রাজাকার
এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়
৩৮৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩১
মোসারাফ বলেছেন: চিরকালই প্রগতিশীলতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম অন্যতম প্রধান শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
মাইনাস দাগিয়ে গেলাম।
৩৮৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩৮
এক্স বলেছেন: @লেখক - আগের কমেন্টটা কি মুছে ফেলেছেন না আমার যান্ত্রিক গোলযোগ?
@রাতমজুর - (কার লগে কি কই....ধুর....) ভ্রাতা আমার কমেন্টের মর্মোদ্ধার করার জন্য আপনার কোন বুদ্ধিমান (যদি থাকে) বন্ধুর সাহায্য নিন. নিজের মাথাখানা গোবরে ঠেসে দেহখানা তো আর পাবলিকের সামনে থেকে আড়াল করতে পারবেন না. মাথায় আছে টা কি আপনাদের, কিডনী? আপনাদের বোকামি ও গোয়ার্তুমির জন্যই জামাতীরা আজকেও টিকে আছে এবং তারা এত সুসংহত.
৩৮৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:
@নরাধম। আপনার এই প্রশ্ন- মাইনাসদাতাদের পরিচয় বের করে দিলে কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে আসবে। সেটা কি জানতে পারি কি? আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যারা মাইনাস দিয়েছে তারা সবাই জামাতী?
আমি কি তাই বলেছি? এত অল্পে বিভ্রান্ত হলে কি করে চলবে? আমি বলেছি--আপনাকে এখন যদি সিস্টেম থেকে মাইনাস দাতাদের পরিচয় বের করে দেয়া হয় তাহলে কী বলবেন? "পোস্টদাতার ইন্টেনশান সাধারন ব্লগাররা বুঝতে পেরেছে"?
আমার সে ক্ষমতা নাই, থাকলে ব্যুমেরাং দেখতে পেতেন।
আমি তো এখানে কোন গোষ্ঠিকে ট্যাগ করিনি! এখানে "ব্যুমেরাং" শব্দটিই হচ্ছে নিয়ামক। এটাকে ফলো করে চিন্তা করতে থাকুন...কোন বিশেষ বস্তু ছুঁড়ে দেয়ার পর নিক্ষেপকের কাছে ফিরে আসে! আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আপনার অফটপিক কথাটা আমার কোন কাজে আসবে না। "মনে রাখব" এ জন্য বললাম, এটা কোন একদিন আপনাকেই ইউজ করতে দেখব আশা করি।
৩৮৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪২
মোঃমিজানুর রহমান বলেছেন: পোস্টটি ২১৯ জনের ভাল লেগেছে, ২৬১ জনের ভাল লাগেনি
৩৯০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৪৫
নির্জন আমি বলেছেন: ভাই সন্যাসী আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ অত্যন্ত সাহসী একটি পোষ্টের জন্য তবে খুব খারাপ লাগলো পোস্টটি এত তাড়াতাড়ি স্টিকি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দেখে ।
প্রথমে পোষ্টটি দেখে খুব বড় ধরনের একটা ধাক্কা খেয়েছি। শেষ দেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ২১৯ টি প্লাস এবং ২৬১ টি মাইনাস পড়েছে। তার মানে মাইনাসের সংখ্যা বেশি।কারন হিসেবে মনে হচ্ছে এটা একদিকে মুক্তি যুদ্ধ নিয়ে এবং মুক্তি যুদ্ধে বুদ্ধিজীবি হত্যা নিয়ে পোষ্ট, যে কারনে ছাগুর পাল অন্যান্য মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক পোষ্টের বিরোধীতার মত এই পোষ্টেও তাদের নিক ফ্যাক্টরি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে। আবার সেই সাথে ইসলামকে খাটো করা বা অবমাননা করার খোরা আর উদ্দেশ্য প্রনোদিত বাহাজ নিয়ে ত্যানা পেচানো এবং সাধারন ব্লগারদেরকে বিভ্রান্ত করে তাদের কে দিয়ে পোষ্টের বিরোধীতা করানোও এর কারন।
আপনি এই পোষ্টির বিরোধীতা করার আগে একটু ভেবে দেখুনতো কারা বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত এবং সেই সব বুদ্ধিজীবিরা কারা ছিল? যাদের কে হত্যা করা হয়েছিল তারা অধিকাংশই ছিলেন মুক্তমনা, বাম পন্থী । আর যারা হত্যা করেছিলেন তারা ছিলেন সবাই ইসলাম ধর্মের অনুসারী, তারা ছিলেন তৎকালীন সময়ে ধর্মের সোল এজেন্ট, যারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতেন যারা ধর্ম রাষ্ট্র পাকিস্তানকে রক্ষা করতে না পেরে প্রতি হিংসা বসত বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছিল ।
ভারত উপমহাদেশ কিসের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল ? কিসের উপর কোন আদর্শের উপরদন্ডায় মান ছিল পাকিস্তান ? পাকিস্তানি হানাদার দের দোসর রাজাকার, আলবদর ,আলশামস, ছাত্রসংঘ কোন আদর্শের কারনে বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধীতা করেছিল ? তারা কোন আদর্শ মতে আমাদের মা বোন দের গনীমতের মাল আখ্যায়িত করেছিল ? কোন আদর্শের জন্য তাড়া হিন্দু বিধর্মীদের কতলের কথা বলতো ? বাম কম্যুনিষ্টদের নিধন করার কথা বলতো ? কেন বলতো ? তারা কি ইসলাম বিরোধী ছিলো নাকি ইসলামী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে এসব করেছিলেন ? আপনি কি বলতে পারেন তৎকালীন আলেম ওলামারা তখন কি কি ফতোয়া দিয়েছিল? কেন দিয়েছিল ? রাজাকার আলবদর আলশামস্দের মধ্যে কেন একজনও ইসলাম ব্যাতীত অন্যধর্মাবলম্বি দেখা যায় না ?
এই দেশ স্বাধীন হয়ে ছিল একটা অসাম্প্রদায়ীক চেতনা কে ধারন করে। আমরা একটা ধর্ম নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক দেশ চেয়েছিলাম কিন্তু আপনার ইসলাম কি ধর্ম নিরপেক্ষতা আর গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে ? না করে না । আর এজন্যেই আপনার মত কিছু অতি মুসলিম আমার দেশের লক্ষ মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলেছে। অস্বীকার করতে পারেন ?
এটা যদি প্রকৃত ইসলামের স্বরুপ না হয় তাহলে তারা ইসলামের কথা বলে এসব করল কিভাবে ? এত এত ওলামা মাশায়েখ মাওলানা হুজুর এরা সবাই কি না জেনে বুঝে এসব করেছে? একটু ভাবুন তো । জানি সত্য কথা অনেকেরই তিতা লাগবে কিন্তু যেই ইসলামের নামে ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে দু-লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এর দায় কি ইসলামের উপর কিছুটা পরে না ? ইসলামের ধ্বজা ধারীদের তো লজ্জা পাওয়ার কথা এই সবের জন্য। খুব তো পোষ্টের বিরোধীতা করছেন, বার বার জোর গলায় বলছেন ঘাতক দালালরা ইসলামের আদর্শ মতে এসব করেনি ইসলামের নাম নিয়ে করেছে।
তাহলে ওরা কি ইসলামকে অবমাননা করেনি ? ইসলামকে বিকৃত করেনি ? ইসলামের নামে মিথ্যাচার করেনি ? আপনার ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয় নি? ওরাই কি সব চেয়ে বেশি আপনার ধর্মের ক্ষতি করেনি ? কি করেছেন আপনি তাদের বিরুদ্ধে ? কোন মুক্ত মনা যখন ইসলামের সমালোচনা করে তখন তো দেখি আপনাদের ইমানী জোশ চাগার দিয়া উঠে আপনারা সেই মুক্ত মনার কল্লা কাটার হুমকি দেন কিন্তু যারা আপনার ধর্মকে সবচেয়ে বেশি বিকৃত করেছে আপনার দেশের লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে তাদের বিরুদ্ধে একবার জিহাদের ডাক দিন না। তাদের একবার কল্লা ফেলার হুমকি দিন না। হুমায়ুন আজাদের মত একবার চাপাতি দিয়ে কোপান না কেন ? তসলিমার মত তাদের কে দেশ ছাড়া করার আন্দোলন কেন করেন না ? কোথায় আপনাদের ধর্মীয় অনুভুতি কোথায় আপনাদের ইমানী জোশ? যখন সেই সব মানবতা বিরোধী, ধর্ম বিদ্বেশী, ধর্ম অবমাননাকারী এই দেশে স্বদর্পে ঘুরে বেড়ায় মন্ত্রি এমপি হয়ে আমাদের দেশের কর্ণধার হয় লক্ষ শহীদের রক্তে কেনা লাল সবুজ পতাকা যখন তাদের গারিতে শোভা পায় তখন কোথায় থাকে আপনার ধর্মানুভুতি কোথায় থাকে আপনার ধর্ম ? আপনি বলেন পোষ্টে আপনার ধর্ম কে খাটো করা হয়েছে আপনার তো লজ্জা পাওয়া উচিত একজন মুসলিম হিসেবে । আপনি আবার এই পোষ্টে মাইনাস দিয়ে আপনার ইমানি দায়ীত্ব পালন করেন। আপনার বিবেকে বাধে না?
এ লজ্জা কি ইসলামের নয়? আপনার নয় ? বিবেকবান মানবতাবদী প্রতিটা মানুষের নয়? যদি আপনি তা না মানেন তাহলে আজকেই বের হোন নাঙ্গা তরবারী নিয়ে আগে সেই সব রাজাকার দালাল আর তাদের বর্তমান অনুসারীদের কতল করার জন্য । বের হন সেই ভাবে যে ভাবে বের হয়েছিলন আলপিনে একটা নিরিহ কার্টুন প্রকাশ হওয়ার পর। পারবেন ?
না বের হতে পারলে আপানাদের তুলতুলে ধর্মানুভুতিতে আঘাতের দোহাই দিয়ে আর পার পাবেন না। সত্য মাঝে মাঝে বড় নির্মম হয় ।
ক্ষমা কর, ক্ষমা কর হে লক্ষ শহীদ । ক্ষমা কর আমার মা আমার দেশ তোমার বুকে এখনো শুকেনরা ফেলছে নিঃশ্বাস আমি তোমার অযোগ্য আর নিমক হারাম সন্তান ।
৩৯১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫২
মজারু বলেছেন: জামাতিরা জারজ সন্দেহ নাই! আমি আজিবন তাগো জারজ হিসেবেই জানবো! তাগো গায়ে গা লাগলে গা ধোয়া লাগে!( এই কথাডা বলার কারন কি আপনারা জানেন! আমারে কে রাজাকার কইলে বাচুম না, ঘেন্নায় মইরা যামু!)
আসল কথায় আসি-আমি লেখাটা প্রথমে বুঝি নাই, পড়ে বুঝছি! পোষ্টের লেখক সহ অনান্য নাস্তিক রা সারা বছর ধর্ম বিশেষ কইরা ইসলাম রে নিয়া যা কয় তাই, মাঝখানে জাতির শ্রেস্ঠ সন্তান গো লইয়া তামশা!
মাঝখানে ব্লগ মালকিনের আগমন, তাহার ভেতরটা এমন জানা ছিলনা! তিনি সম্ভবত না পইড়াই (অনান্য সাধারন ব্লগার গো মত) পোস্ট টা স্টিকি করছেন, এবং না বুইঝাই মন্তব্য করলেন!(হায় জানি না আমার কি হবে, এমনিতেই জেনারেল!)
নাস্তিক ভাইরা এমনিতে ছাগু কিল করতে আমারে পাইবেন!
৩৯২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৫
শয়তান বলেছেন: নির্জন আমি @ আপনার কমেন্ট টা একটা পোস্ট হওয়ার দাবী রাখে । প্লিজ ...
৩৯৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৩
মনজুরুল হক বলেছেন:
ধীরে শয়তান ধীরে!
৩৯৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২১
ওঙ্কার বলেছেন: মাহফুজ ওরফে নরাধম, ইশ্বর/আল্লা/গড/ভগবান ইত্যাদি বিষয়টা মানবজাতির সবচে বড়ো ইলুশন।
এই ইলুশনের ওপর ভর করে দাড়িয়ে আছে ইস্লামিক রিপাব্লিক পাকিস্তান। প্রায় চল্লিশ বছর আগে আমরা, মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীরাই পাকিস্তানের কপালে লাত্থি মেরে বের হয়ে এসছি, বাংলাদেশ গড়েছি।
যে কুকুরগুলি রাজাকার/আলবদর নাম নিয়ে পোড়ামাটি নীতিতে বুদ্ধিজীবি হত্যা করেছে, সে কুকুরগুলি দেখতে কেমন? তারা কোন আইডিওলজি ধারন করে?
এ প্রশ্নগুলির উত্তর একটু অস্বস্তিকর।
বিশেষত, তোমার মতো হিজবুত তাহরীর, বা সমমনা ইস্লামিক বিপ্লবের স্বপ্ন দেখা যুবকদের জন্য। তোমারই দেশীয় সহমনাদের হাজার নিক দিয়ে মাইনসের বন্যা, তারপরে এই পোস্ট। বোঝার জন্য পিএইচডি করা লাগে না।
৩৯৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৮
ওঙ্কার বলেছেন: এবার আসি ব্লগারদের ট্রেন্ড নিয়ে।
অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এই মুহূর্তে ব্লগে ছাগুদের রাজত্ব অনেক বেশি। কর্তৃপক্ষের অদ্ভুত সমতা রক্ষার চেষ্টা, আর একই আইপি থেকে মাল্টি নিক দিয়ে প্লাস মাইনাস দেয়া সম্ভব হওয়ায় সঙ্ঘবদ্ধ চক্র মাইনাসের বন্যা বইয়ে দেবে, নুতন কিছু কি?
সাধারন পাব্লিক সবসময়ই খুব বেশি ঘেটে দেখে না, এজন্যই সাধারন পাব্লিককে বুলশিট গেলানো সহজ। বিশেষত, তোমার মতো পিএইচডি যখন এতে প্রবৃত্ত হয়।
আশা করি পিএইচডির প্রকৃত অর্থ মনে আছে এখনো। ![]()
৩৯৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩৩
ওঙ্কার বলেছেন: এ বছরের শুরুর দিকে আলবদরের পলাতক প্রধান চৌধুরী মাইনুদ্দীনকে নিয়ে চ্যানেল ফোরের ডকুমেন্টারিটা যখন ব্লগে ফাঁস হয়, নয় হাজার বার পড়া সেই পোস্টেও ১৭১টা মাইনাস পড়েছিলো। এই পোস্টে কোনো ধর্মভিত্তিক কথা ছিলো না।
সেটা জুন মাসের কথা।
এখন ডিসেম্বর। ছাগু প্রজনন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পিএইচডি যখন তুমি, অঙ্ক নিশ্চয় ভালো বোঝো?
সন্যাসীর পোস্টের মাইনাস মোটেও পাবলিকের মাইনাস না। তোমার চ্যালা চামুন্ডার সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমন সেটা।
৩৯৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫০
এক্স বলেছেন: মেন্টালি রিটার্ডেডদের সংখ্যা কমতেসে এইটা একটা পজেটিভ ব্যাপার...
৩৯৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫০
কালো-ভোমরা বলেছেন: এ হার মুক্তবুদ্ধির নয়, এ হার হেরেছে এখানের অসতর্ক ও ক্ষেত্রবিশেষে একরোখা কয়েকজন ব্লগারের। দেশে দেশে নির্বাচনেও এভাবেই হেরে যায় এই পক্ষের লোকজন। শিক্ষাঙ্গনে গোলটেবিলের আলোচনা আর পাবলিকলি মতামত প্রকাশ ভিন্ন জিনিস। হেরে গেলে অন্যদের দোষ দেয়ার পরিবর্তে আত্নসমালোচনা জরূরী।
৩৯৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৫৪
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: এই মাইনাসগুলি দিছে ছাগুরামের সেই হাজারি নিক ফ্যাক্টরি
৪০০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০১
এক্স বলেছেন: @কালো-ভোমরা - এটা কে কি হার বলা যায়? এটাতো একটা ধান্ধাবাজী পোস্টের ধরা খাওয়ার কাহিনী. মানে চোর ধরা পড়ার মত বিষয় এরমধ্যে জয় পরাজয়ের তো কোন বিষয়ই নেই. নিয়মিত ভাবে নাস্তিকদের ইসলাম বিরোধী পোস্ট দিতে হবে তাই প্রেক্ষাপট ও বিষয় হিসেবে ডিসেম্বরের ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়েছে... এতটুকুও ভেবে দেখল না বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের মত এতবড় একটা চক্রান্ত যার বিষ যন্ত্রণা আজও আমাদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে, তাকে পুঁজি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করাটা কতবড় অন্যায়.
এদের চ্যালা চামুন্ডারা যখন বলে ৪০ বছর আগে আমরাই স্বাধীনতা এনেছি তখন মনে হয় ইসলামে বিশ্বাসী সেক্টর কমান্ডাররা, ৭বীরশ্রেষ্ঠ, ৯৫% মুসলিম মুক্তিযোদ্ধারা ৭১ এ নাস্তিকদের কামলা দেয়ার কাজে ব্যস্ত ছিল. আসল মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে মরছে আর ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা ক্রেডিট নিতে মুখিয়ে আছে.
৪০১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০৩
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: এক্স সাহেব আপনে কে?
৪০২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:২২
ওঙ্কার বলেছেন: মাহফুজ, তুমি বলেছো,
যদি যু্দ্ধটাতে চায়না ভারতের মত সরাসরি কোন একটা পক্ষ হত নিশ্চিতভাবেই এসব চায়নাপন্থী কমিউনিস্টরা রাজাকারদের মত বাঙালিদের হত্যা করত, মা বোনদের ধর্ষণ করত।
আমি নিজে ভ্রান্ত কমুনিস্টদের বিশ্বাস করি না, কারন তারা তোমাদের সাথে হাত মিলিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। কিন্তু 'যদি' শব্দটা যে ব্যবহার করলে, সেটা তো এপ্রোপ্রিয়েট হলো না।
তুমি জানো না, কারন চায়না নিয়ে কোনো যুদ্ধ হয় নি। কিন্তু আরব নির্ভর যে ইলূশন, তার বইগুলি গিলে উগরে যে মুদুদীবাদ, অথবা পাকিস্তানবাদ, তা কিন্তু কোনো মদবাদ উদ্ভুত নয়।
রীতিমতো একটা ধর্ম থেকে উৎসারিত্ তাদের অপকর্মের ভিত্তি।
দু'টাতে পার্থক্য আছে। ফ্যালাসি করে দুইটাকে একত্র করা সহজ, তাতে তোমার উদ্দেশ্য হয়তো হাসিল হয়। কিন্তু সত্যের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
৪০৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:০৮
ওঙ্কার বলেছেন: পাকিরা এবং রাজাকাররা যে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করেছে এটা ইসলামের নামে হলেও ইসলামের দোষ না।
দাড়াও একচোট হেসে নেই তোমার এই মুখরক্ষার চেষ্টা দেখে।
বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে যে বাঙালী জাতীয়তাবাদ মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে তার সাথে ইসলামের সংঘর্ষটা কোথায়, এখনো পরিষ্কার হয় নি?
ইসলামের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের একটা অংশ যখন স্বাধীনতা চায়, তখন অপ্রেসর রাষ্ট্রের কোন অংশ উগ্র হয়ে উঠে?
বাঙালী হয়তো কোনোদিনও 'প্রকৃত মুসলিম' ছিলো না। ইসলাম রক্ষার নামে যুদ্ধটা হয় নি, কারন বাঙালীও ইসলাম গিলতো, তবে সেটা সালাদ হিসেবে, পাকিদের মতো তিন বেলা রুটির মতো মুল খাবার হিসেবে নয়।
আর বাঙালী এতো শিক্ষিতও ছিলো না যে ধর্মকে পুরোপুরি ফেলে দিতে পারবে, তাই ইসলাম রক্ষার জন্য পাকিরা নেমে এসিছিলো এ কথা বললে পাগলেও হাসবে।
তাহলে ধর্ম আসলো কোত্থেকে?
যে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়েছে, তারা ছিলো সেকুলারিজমের বীজ। যুদ্ধে হার নিশ্চিত হবার পরই এতের ধ্বংস করে দেবার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ঘটে। বাংলাদেশের খৎনার ইতিহাস এর পরে আমরা সবাই জানি।
সমস্যা হলো, তোমার মতো 'ইসলামের ধারক বাহক' নতুন প্রজন্ম নিয়ে। ধর্মখোর সাধারন পাবলিকের ভেতরে ঢুকে পিতির পিতির আলাপ দিয়ে তোমরা মানুষের চোখে ঠুলি পড়াচ্ছো, নিয়মিত।
৪০৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:১৫
ওঙ্কার বলেছেন: বুদ্ধিজীবিহত্যার গ্র্যাভিটি নিয়ে ৫% জামাতী ছাড়া দেশের ৯৫% মানুষের মনে কোন ধরণের হেজিটেশান নেই। তাই এই ইস্যুকে নিয়ে কোন স্টিকি পোস্টে যদি ২০০ প্লাসের বিপরীতে ২৩৫ টা মাইনাস পড়ে, সেটা নিতান্তই পোস্টদাতার ব্যক্তিগত ব্যর্থতা।
এই অংশটা সবচে হাস্যকর।
কারা মাইনাস দেয়, কিভাবে দেয় অন্তত সামহোয়ারে এর কোনো অর্থ আছে বলে মনে করি না।
সব নিক নিয়ে মাইনাস দেবো, রেজিস্টারের সব নিক উজাড় করে মাইনাসের বন্যা বওয়াবো..
তারপরে সেই মাইনাসের রেফারেন্স দিয়ে পোস্টের ব্যর্থতা প্রমাণ করবো।
ঘরে গিয়ে কমরেডদের কনগ্রাচুলেট করে মেইল দেবো।
এই তো ধর্মরক্ষা, তাই না?
৪০৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩৪
কালো-ভোমরা বলেছেন: এটা যে হারজিতের বিষয় ছিল, মন্তব্য ২৩, ২৪ এর দিকে দেখলে আমরা তা বুঝতে পারব। প্রথম দিকে এই ব্লগার বৃন্দ বেশ উৎফুল্ল ছিলেন জিত দেখতে পেয়ে, কিন্তু এখন পরিস্কার হার দেখা যাচ্ছে।
এখন আবার আমরা যে ভাবে বামপন্থা ও কমরেডদের নিয়ে কথা বার্তা চালাচালি দেখছি তাতে আমি আর একটু সন্দিহান হতে চাই। যাই হোক এই "অতি বাম" তৎপরতা মুক্তিযুদ্ধের পরে পরে তৎকালীন সরকারের বিরোধী হয়ে এবং একই সাথে সরকারের অংশ হয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থির অবস্থাকে প্রলম্বিত করেছিল। ১৯৭৫ সালের নৃশংস হত্যাকান্ডের একটা আফটার ম্যাথ হিসাবে সরকারী অংশটি পর্যুদস্ত হয়, আর সরকার বিরোধী অংশটি মুজিব ও জিয়া উভয় সরকারের আমলে বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে। পরবর্তীকালের অতি ডান (যার একটা বড় অংশ রাজাকার সমর্থিত)দের উত্থান ঘটে মুলত অতি বামদের অতি তৎপরতা ও পরিশেষে চরম ব্যর্থতার কারণে। এই পোস্টের পিছনে এ ধরণের কোন কিছু থেকে থাকলে (আমি আশা করি তা নেই) স্বাভাবিক ভাবেই এটি ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার কথা।
৪০৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৩৬
শিক্ষানবিস বলেছেন: পোষ্টের বক্তব্য যা, তার চেয়ে ভাষা অনেক নিম্নমানের, অভদ্রজনোচিত।
৪০৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৭
ছায়াপাখির অরণ্য বলেছেন: কিছু বিষয়কে আমাদের অবশ্যই নাস্তিকতা-আস্তিকতা এসব বিষয় থেকে দূরে রাখতে হবে, বুদ্ধিজীবিহত্যা নিঃসন্দেহে সেরকম ইস্যু, সেটা যত তাড়াতাড়ি বুঝব ততই মঙ্গল।
@নরাধম, আপনাকে ধন্যবাদ। আমিও এই কথাটি্ই বলতে চেয়েছি।
৪০৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১২
ছোটমির্জা বলেছেন: হায়রে!!
কি বলব!!!
কাল রাতে আর লগ ইন করি নাই। এই অবস্থা !!
পোস্টটি ২২২ জনের ভাল লেগেছে, ২৬২ জনের ভাল লাগেনি
স্টিকি বাতিল!!
............................................................
আগেও দেখেছি,
সোনাগাছীর জন্মা কেও এসে যদি রাজাকার ও ধর্মকে সমান করে
মুক্তিযুদ্ধের ও তথাকথিত উচ্চমার্গীয় বানী ছ্ড়ায়
সেইখানেও আমাদের ১ম সারির ব্লগাররা গলা মেলায়।
চেক এন ব্যালান্স দেখা নাই।
কেও নির্দেশনা দেয় না। সমস্যা ধরে ধরে বোঝায় না।
নাস্তিক বা প্রগতিশীলের তকমা আঁটা আর দেশের জন্য কাজ করা সমার্থক করে ফেল্লে এভাবেই হারতে হবে।
জন্জাল পরিস্কারের দিন এসে গেছে।
মেলা কাজ বাকী আছে.........হাত লাগান।
রাজাকারদের একটা সুযোগ করে দেওয়া হল।
এটা স্যাড।
হায়রে!!
নিজেদের আর কত পরের হাতে তুলে দেওয়া!!!
আমি লেখার এডিট চেয়েছিলাম, দুইটা জায়গায়।
আমার ১৬৪,১৭৫, ১৮৭, ২৪৬, ২৭১, ২৮১, ৩০০, ৩১৪ ও ৩২৪
কমেন্টে যান, মুলত ২৭১ ও ৩২৪ এ যান।
শেষে স্টিকি বাতিল!!
................................................................
ধন্যবাদ সামু টিম। একটা হৃৎপিন্ড নিয়ে কাওকে খেলা না করতে দেবার জন্য।
একটা ভাল পোস্টের আশায়......।
৪০৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪১
রিয়াদরকস্ বলেছেন: অনেক সুন্দর পোষ্ট।
বাউলদের মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম তথা ধর্ম ভয় পায়। এটা ভালো লাগেনি।
তবে আপনার বাকী মন্তব্য দেখে বুঝেছি আপনি আলোটাকেই সামনে আনতে চেয়েছেন।
৪১০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
জাকারিয়া হোসেন বলেছেন: পাকিস্থানের জন্ম হয়েছিল ধর্মকে বেস করে। এটা জিন্নাহ'র দ্বিজাতি তত্ত্বের ফসল। ৪৭ থেকে যে শাসকগোষ্ঠী ক্রমাগত শোষণ আর নির্যাতন চালিয়ে এসেছে এই ভূখন্ডের মানুষদের উপর তাদের অন্যতম হাতিয়ার ছিল ধর্ম। ১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম তার মৌল ভিত্তিই ছিল ধর্মনিরপেক্ষ শোষণহীন একটা দেশের স্বপ্ন। আর সেই যুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্যীষ্টান সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে ধর্মের লেবাসধারী একদল ধর্মান্ধের বিরুদ্ধে।
যুদ্ধের প্রতিটা মূহুর্ত এজাতিকে প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে ধর্মের নামে যত সব অনাচার। উপরে আসিফ মহিউদ্দিনের ছবিগুলিতে সেটা সামান্যই প্রতিভাত হয়েছে।
পরাজয় নিশ্চিত জেনে হায়েনারা শেষ আঘাতটা হেনেছিল এদেশের মুক্তচিন্তা, মুক্তবুদ্ধির তথা ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে যাদের অবস্থান সেই সব বরেণ বুদ্ধিজীবিদের উপর। হ্যাঁ, সেই সব সূর্য সন্তানদের বেশীরভাগই পৈতৃক সূত্রে একটা ধর্ম পেয়েছিলেন, কেউ কেউ হয়তো সেটা পালনও করতেন। কিন্তু তারা যে চিন্তায় চেতনায় ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন তাতে কোন রকম সন্দেহ নেই। আর তাই ইসলামের লেবাসধারী কুলাঙ্গার পাকি আর তাদের এদেশীয় দোসররা খূব ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে এদের হত্যা করেছে। এখানেও কিন্তু ধর্মের ব্যবহার সুস্পষ্ট।
তারা যে তাদের মিশনে সফল হয়েছে ২৬৬টি মাইনাস তারই প্রমাণ। স্বাধীনতার স্বপ্ন ধর্মনিরপেক্ষ একটা জাতির পরিবর্তে আমরা একটা ধমান্দ্ধ জাতি হওয়ার দিকে ক্রমশই এগিয়ে যাচ্ছি। এ ধারা অবিলম্বে রুখতে হবে।
অনেকেই বলেছেন ধর্মের অপব্যবহারের জন্য ধর্ম কোনভাবেই দায়ী না, ব্যবহারকারীকেই দায়ী হতে হবে। মানলাম। কিন্তু আপনারা কি একবারও চিন্তা করেছেন ধর্ম কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপব্যবহারের হাতিয়ারটা তৈরী করে দিয়েছে ? ইসলাম (পাকি এবং এদেশীয় ইসলামপন্থী দল মোতাবেক) ধর্মনিরপেক্ষতা সমর্থন করে না। ইসলাম এটাকে ধর্মহীনতা বলছে। অথচ ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, বরং যে যার মতো ধর্ম পালন করবে কি করবে না তার স্বাধীনতা। আবার গণিমতের মাল কে বৈধতা দিয়েছে ইসলামই, যেখানে বিজিতের সম্পত্তির সাথে সাথে তার স্ত্রী, কন্যাও অন্তর্ভূক্ত।
সকলের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
৪১১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫১
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, সবগুলো কমেন্টসহ পরে পড়ে নিব।
তবে মাইনাস গুলার পরিচয় জান্তে চাই।
৪১২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: এই পোস্টের মন্তব্যগুলোই বড় প্রমাণ ধর্মকে কিভাবে অপব্যবহার করতে হয়।
নারায়ে তাকবীর!
আল্লাহু আকবার!
৪১৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১১
সহৃদয় বলেছেন: নিচের ব্লগাররা প্লাস দেওয়ার পরেও পোস্টটিতে মাইনাসের সংখ্যা বেশী
জয়েনটু পাপতাড়ুয়া জিসান শা ইকরাম আলিম আল রাজি জীবনানন্দদাশের ছায়া হাসান মাহবুব ক্যামেরাম্যান অন্যমনস্ক শরৎ স্টাডি-ইটিই বিপ্লবী স্বপ্ন আসিফ মহিউদ্দীন কবির চৌধুরী দুরের পাখি পারভেজ আলম হিমু ব্রাউন দু-পেয়ে গাধ সবাক সাদা ছায়া রাতমজুর কবুতর সন্ধানী গ্রাউন্ড ফ্লোর সপ্রতিভ বৃত্তবন্দী হানিফ রাশেদীন সজীব আকিব মনির হাসান শয়তান মনজুরুল হক তমসো দীপ মাথা পাগলা ওঙ্কার কৌশিক আকাশের তারাগুলি গিগাবাইট হোরাস্ কায়েস মাহমুদ সত্যান্বেষী।
সুতরাং এটীমের মতো আরেকটি টীম গঠন করা অতীব আবশ্যক।
৪১৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৩
ভাইস্তা বলেছেন: যেইসব নালায়েকের দল (জামায়েত) ধর্ম কে আচ্ছাদন হিসাবে ব্যবহার করে চলেছে। তাদের ঐ ধর্ম কতটুকু আর অধর্ম কতটুকু সেটা সবাই কম বেশি বলেছেন।
কিন্তু দেখেন নি যে তারা বেশ-ভুষায় কতখানি শালীন আর হিংস্রতার আরালে নূরানী চেহারাগ্রস্থ। এইকি নূর? নাকি সেই ইবলিশ শয়তানের দেহের আগুন যেই আগুনে আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছিলেন?
যদি ইবলিশেরা কখনো ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা ধর্মকে ব্যাখ্যা করবে আল-হাদিসের ব্যাখ্যায় নয়, বরং জাল হাদিসের ব্যাখ্যা দিয়ে। জুতা খাওয়া সাঈদীর ওয়াজ, জাল হাদিসে পরিপূর্ণ। অবশ্য তার ওয়াজে বহুলোক ইসলাম কবুল করেছে সেটা আমি অস্বীকার করি না। সে যে রাজাকার তার বিচার চাই শুধুমাত্র। সেই সাথে বিচার চাই সেই সব নিষ্ঠুর পশুদের যাদের দেহ হারাম জীবের রক্ত বহন করে চলেছে। যারা নিরীহ বাঙ্গালীর প্রাণকে পাখি শিকারের মত বধ করেছে আর লুন্ঠণ করেছে মা-বোনদের ইজ্জত।
আমাগো দেশের রাজনীতির (পেটনীতি) স্বরূপঃ
জামায়েতের রাজনীতি, ধর্ম প্রতিষ্ঠার নয় বরং স্বার্থ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি।
জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি, চাপাবাজদের আর ধন-দৌলতের রাজনীতি। তাদের কাছে এককালিন দৌলত কামাইয়ের রাজনীতির সাথে অবশ্য দলীয় স্বার্থও প্রাধান্য পায় অনেকাংশে। কিন্তু ব্যক্তিগত স্বার্থ যে নাই তাদের তা আমি মনে করি না।
আওয়ামি লীগের রাজনীতি, প্রতিহিংসার রাজনীতি, নামান্তরের রাজনীতি, মূর্খ্যের, মেধাশূন্যদের রাজনীতি। আর তাদের কাছে নিজের দলীয় স্বার্থ অপেক্ষা পকেটীয় স্বার্থই বিশাল আকৃতির। তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বার্থই হলো সেরা স্বার্থ। (নাস্তিকদের রাজনীতি)
একনায়কতন্ত্রী এরশাদ এর সরকারের রাজনীতি, একলা খামু আর কাওরে খাইতে দিমু না কিন্তু দেশের ভাগটা দেশকে ভালোমতোই দিমু যাতে কিছুটা হইলেও দেশের উন্নয়ন হয় তুলনামুলক হারে বাকি দলগুলোর থেকে বেশি। আর যাকে প্রয়োজন তাকে দুনিয়া থেকে.........।
৪১৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৬
বিজ্ঞান বলেছেন: ছোটমির্জা আপনি তো অনেক পরে কমেন্টস করেছেন
আমি ১২৫ নম্বরে উনাকে বলেছিলাম যে দয়া করে কিছু মানুষের কমেন্টস আটকান নাহলে পোষ্টের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যই বৃথা হয়ে যাবে । কিন্তু উনাদের মত রাঘব-বোয়াল ব্লগারা আমাদেরমত চুন-পুটিদের কথার দাম দেবার প্রোজন মনে করেনাই ।
আবশেষে একটি সুন্দর পোষ্টের আপমৃত্যু ।
৪১৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
++
১২০ নং কমেন্টে টা ভাল লেগেছে!!
৪১৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: পোষ্টে প্লাস এবং উগ্র কিছু শিয়াল যারা ধর্মকে এত সুন্দর একটি পোস্টে এনে নিগৃহীত করতে চাইলো তাদের মাইনাস
৪১৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫১
মেহেদী হাসান (মেহেদী) বলেছেন: আলু পোড়া বড় সুস্বাদু জিনিস।
৪১৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
এবিসি বলেছেন: এই পোস্টের ভাবগতিক সুবিধার ঠেকতাছে না, টেনশানে আছি....
৪২০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০
গিগাবাইট বলেছেন: ৪০৪ নাম্বার কমেন্টে ঝাঝা। নির্জন আমি , আপনার কমেন্ট টাকে পোস্ট আকারে দেন, অনুরোধ থাকলো।
৪২১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০০
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: আবারো বলতেছি পিলিজ ভুলিবেন না পুরানা দিন। ১০০০ নিক ছিল ছাগুরামের নিজেরই। আর ছিণ্ডিকেটের কতো ছিল তা শুধু ইবলিসেই জানে।
৪২২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৪
েমঘদূত_েমঘ বলেছেন: পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হেরে গেলে আরেকবার সামহ্যোয়ার! ছিঃ! সামহ্যোয়ার ছিঃ!
এই তোমাদের বাঁধ ভাঙার আওয়াজ?ছিঃ।
৪২৩|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৬
আলী প্রাণ বলেছেন: বাঙ্গালী মায়ের গর্ভে এদের জন্ম হয়নি.... পাকি ওরসে শৃগসন্তান এরা!
পিশাচদের আস্তানায় পরিনত ব্লগ।
শেয়ারের জন্য আপনাকে নিরন্তর শুভেচ্ছা
ভালো থাকবেন।
৪২৪|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:১৯
সাইফ বাঙ্গালী বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: ইসলামের ইতিহাস ঘাটলেই দেখতে পাওয়া যায় মক্কা বিজয়ের সময় প্রগতিশীল কবিদের হত্যা এবং কবিতা, ছবি আঁকা ইত্যাদি নিষিদ্ধকরনের মধ্যে দিয়ে এক বদ্ধ ব্যাবস্থার সুচনা হয়।
মিস্টার মহিউদ্দিন। যাদেরকে প্রগতিশীল কবি বলে সম্মোধন করলেন, তাদের বিশ্বাস ও কবিতার বিষয়বস্তু নিয়ে কছু বলবেন কী? না বলাই ভালো, যেহেতু এটা 18+ পোষ্ট নয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এর নাম প্রগতিশীলতা নয়।
চুলকানি অংশটিছাড়া এরকম একটি পোষ্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
একাত্তর সহ সকল আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই।
৪২৫|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫৪
অশ্বথবৃক্ষ বলেছেন: এই পোষ্ট প্রমাণ করে নাস্তিকরা বাংলাদেশের জঘন্য শত্রু । তা না হলে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে এমন নোংরামী করার ধৃষ্টতা এরা দেখাতে পারতো না । জামাত-শিবিরের কোন ব্লগার ও আজ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ নোংরামী করার সাহস পায়নি এই ব্লগে । ৩০০ তম গদাম (মাইনাস) দেখার অপেক্ষায় রইলাম ।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৮
সন্যাসী বলেছেন: অশ্বথবৃক্ষ, আমার লেখাটাকে নোংরামী বললেন? আপনার মত মানসিকতার মানুষ আছে বলেই পৃথিবীটা এত নোংরা, এত আবর্জনাময়। প্লিজ আপনি আর আমার পোস্টে আসবেন না। অনুরোধ।
৪২৬|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৭
েরজাউল ফারুক বলেছেন: সবসময় ইসলামকে হেয় করার জন্য লেখেন কেন? শুধুমাত্র এ কারণে মাইনাস দিলাম।
৪২৭|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪১
ছোটমির্জা বলেছেন:
রাজিয়েল ভাই,
মাথা পাগলা,
⎝⏠⏝⏠⎠বিজ্ঞান,
তানিয়া মুন,
নরাধম
সবাই এডিট চেয়েছিলেন। আমিও
তা হলে হেরে যেতে হত না।
........
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
সন্যাসী বলেছেন: যা হয়নি, তা নিয়ে আর কথা বলা উচিত নয়। এখানে আর কোন ত্যানা প্যাচানোর প্রয়োজনও বোধ হয় পড়ে না। এবার সবাই জোড় গলায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তুলেন।
আপনি একটা পোস্ট দিয়ে শুরু করেন। আমরা সাথে আছি।
৪২৮|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২০
এক্স বলেছেন: মাইনাচে ত্রিপল সেন্চুরি করার জন্য এই পোস্টকে পুনরায় ইস্টিকি করা হোউক... সবাই দেখুক নাস্তিকদের অশ্লীল চেতনা ব্যবসার রূপ...
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
সন্যাসী বলেছেন: বুদ্ধিজীবিরা বেচে থাকলে তুমি স্বপ্নদোষাক্রান্ত হিজবুতি ছাগু হতা না, এটা জেনে রাখ। তোমার মেধা আছে, কিন্তু সপ্নদোষাক্রান্ত হয়ে সে মেধা কোন কাজে লাগছে না দেখে আমার আপষোষ হচ্ছে.......
৪২৯|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
সর্বাধিক বেদনা বলেছেন: "বুদ্ধিজীবিরা বেচে থাকলে তুমি স্বপ্নদোষাক্রান্ত হিজবুতি ছাগু হতা না, এটা জেনে রাখ। তোমার মেধা আছে, কিন্তু সপ্নদোষাক্রান্ত হয়ে সে মেধা কোন কাজে লাগছে না দেখে আমার আপষোষ হচ্ছে......."
সন্ন্যাসী ভাইয়ের এই কথাটা বান্ধায় রাখার মতো। মেধার অপচয়ের চেয়ে ভয়াবহ অপচয় বোধ করি এই জগতে আর কিছু হইতে পারে না।
৪৩০|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭
সাইফ বাঙ্গালী বলেছেন: আপনারা সবাই প্রগতিশীল মেধা দিয়ে দেশ ও জাতি উদ্ধার করে বেড়াচ্ছেন...
বলি, সাধারন খেটে খাওয়া মানুষেরা প্রগতি , দর্শন , মুক্তবুদ্ধির মত গালভরা বিষয় গুলো বোঝেনা, বুঝতেও চায়না।
তারা চায় খাদ্য বস্ত্র বাসস্থানের নিরাপত্তা, আর স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারানটি........
আর আপনাদের বুদ্ধিজীবিরা প্রগতির বাল ফেলেই যাচ্ছেন!!!
তাদের একটু লজ্জাও করেনা যে এই খেটে খাওয়া নিরন্ন মানুষের ট্যাক্সের পয়সায় তারা লেখাপড়া ও জমিদারি শিখেছেন?!!!
আপনাদের এই প্রগতির সমাজ আমার বোনদেরকে তার অন্নের নিরাপত্তা দিতে পারেনি, তারা পেটের দায়ে বাজারের বেশ্যা হয়েছেন। আর আপনারা?!!! শহীদ বুদ্ধিজীবিদেরকে নিয়ে গ্রুপিংএ নেমেছেন!!!
ধিক!!!
বাংগালী বুদ্ধিজীবিদের রক্তকে আপনারা খুব সম্মান দিয়েছেন, তাই ১৬ই ডিসেম্বর জগৎসিং গিয়েছিল রেসকোর্সে!!!
আমাদের এমন কেউ ছিলোনা যে ওখনে স্বাক্ষর করতে পারতো?!!!
মানুষকে একটু শান্তি দিতে পেরেছেন? ইভটিজিং নামক প্রগতির বালে ভরে যায়নি দেশ?
চালের কিলো কত?
কবিতা লিখে আর ক্লাসিক নৃত্য দিয়ে সমাজ পরিবর্তন করা যায় না মশাই!!!
স্বাধিনতা বিরোধিদের বিচার চাইছেন? আমেরিকান দূতাবাস এদেশে বসলো কিভাবে? ওরা আমার মায়েদের ইজ্জতে প্রসাব করে দেয়নি?
জানেন কত কৃষক বাধ্য হন ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর জন্য তামাকের চাষ করতে? খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্নতার কথা কী ফাকা বুলি নয়? বলি কেনো? ইন্ডিয়ার চাল বেশি মিষ্টি?
হাজারটা লালন ভাষ্কর্য ভাংলে, আবার গড়লে, আবার ভাংলেও পাবলিকের বাল ফালানি যায়না।
ভাষ্কর্য গড়লেই সভ্য হয়না দেশ।
পাবলিকের পেট পুরে ভাত খাওয়া হয়না, আর আপনাদের কৃষ্টি কালচারের ভন্ডামি, আরে পাবলিকের কথা বলেন, নইলে কিসের বালের শিক্ষিত আপনারা?
আগে মানুষকে মৌলিক চাহিদার নিরাপত্তা দিন, দেখুন কত বড় বড় স্কলার বেড়িয়ে আসে।
এলিট হয়ে বেচে থাকার বোধ হয় মজাই আলাদা।
আসুননা, একটু মানুষের মত বাঁচি!!!
৪৩১|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২০
ওঙ্কার বলেছেন: @সাইফ বাঙগাল,
কে বলেছে এই পোস্টের লেখক আপনার বর্নিত বিষয়গুলিতে একমত নন? আপনি এই যে চিৎকার চেচামেচি করে একটা কমেন্ট লিখলেন... শুনতে তো মনে হলো একজন বুদ্ধু বিষয়বস্তু বুঝতে না পেরে খামোকাই অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ত্যানা পেচাতে চাইছে।
একটা দেশের অনেক সমস্যা থাকবে। প্রতিটি সমস্যা নিয়ে প্রত্যেকেই ভাবিত হবে না। এটাই নিয়ম।
সরকারের তাহলে এতগুলি দফতর থাকতো না। এটাকে 'স্পেশালাইজেশন অফ স্কীলস্' বলা যায়।
সন্যাসী যেটা নিয়ে আলোচনা করতে চাইছেন, সেটা কোনোভাবেই অচ্ছুত হয়ে যায় না দেশের দারিদ্র্য ও অন্যান্য সমস্যাগুলির কথা ভাবলে।
আপনি কি করছেন উল্লেখিত সমস্যাগুলি নিরসনে? আপনি নিজে সেগুলির পেছনে না লেগে সন্যাসীর পেছনে লাগছেন কেন? আপনার 'আসল' উদ্দেশ্য কি?
বলুন তো?
৪৩২|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৮
আকাশটালাল বলেছেন: আজকে এটিম রে বড় মিসাইতেসি
![]()
৪৩৩|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৬
আরফার বলেছেন: অসাধারন একটি পোষ্ট।
আমরা অবশ্যই একটি ধর্মান্ধ উগ্র রাষ্ট্র চাই না।
৪৩৪|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৭
ফুটবলকেএস বলেছেন: ভাই আিম আপনার সােথ একমত না । আপনি সামান্য কিছু কাফেরদের কারনে পুরো ইসলামটাকে খারাপ তুলছেন আসলে এইটা কি ঠিক সেটা আপনি আপনার নিজেকে প্রশ্ন করুন? আমরা চায় এই নারকয়ি হত্যার বিচার হোক তাই বলে আমাদের পবিত্র ধর্মকে দোষ দিতে পারি না।আজকে আমরা বিশ্বের বুকে তাকায় প্যালাইসটাইনে নিরিহ মানুষের ওপর বর্বর হামলা চালাচ্ছে ইরাকে, আফগানিস্থানে যে হত্যা একের পর এক চালিয়ে যাচ্ছে সেই কথা কেউ বলছে। যেই নিজেদের পেট চলে না পরে দেশের নায়ক ভাড়া করে আনা হচ্ছে এ যেন পকেটে আটানা পয়সা থাকা সত্তেও একটাকার ভাব। যদি আমরা ঐ শয়ের টাকা দিয়ে শিত বস্ত্র দিতাম তাহলে হয়ত কিছু দরিদ্র মানুষ শিতের হাত থেকে বাচতে পারত। ভাই আমার কথায় কিছু মনে নিয়ে। আমরা যে প্রগতিশিলের কথা বলছি আমাদের দেশে শাষকরা কি বলছে তারা বিএনপি উঠুক আর আওমিলীগ উঠুক কেউ মানুষের খোজ নিয়ে বেরাচ্ছে যে আমার দেশের মানুষ আসলে কি সুখী আছে। আসেন আমরা কিছুদিন আগের ঘটনায় যায় ইভটিজিং হচ্ছে অহরহর এটাই কি আমাদের মুক্তিযোদ্ধার চেতনা যা স্বাধীন হওয়ার পর আমাদের বোনরে ইভটিজিং হাতে পরতে হয় আমার আমার বোন কোথায় স্বাধীনতা পেল? আপনি যেই ভারতকে বন্ধু বলেন সেই ভারতের বিএসেএফ এর লোকজন আমাদের নিরীহ কৃষকের বুকের গুলি চালায় আমার প্রশ্ন এটাই কি আমাদের বন্ধুত্ব?
আপনি যেই বুদ্ধিজীবিদের কথা গণিত অলিম্পয়িাডের ব্রোন্জ পেয়ে সে আজকে আমেরিকা তে যেতে চায়। আমরা আমাদের মেধাদের কি দাম দিতে পারছি? গত পরশু তে বাংলাদেশের একজন বর বিজ্ঞানী শুভ রায় সেত ইচ্ছা করলে আমাদের দেশে কাজ করতে পারত আমরা তার দাম দিতে পারছি? আপনি যে ভাষা শহীদের কথা বলেন আমরা বাংলা ভাষা চর্চা করার বদলে ইংরেজী ভাষা চর্চা করছি আমরা কি এই ভাষা শহীদের কি সম্মান জানাতে পেরেছি তারা কি চাচ্ছে আমরা কি দি্চ্ছি ? আজকে রাজনীতিতে যেই নোংরা খেলা চলছে একে অপরের দোষ দেওয়া তাতে কি দেশ উন্নয়নের দিকে আগাচ্ছে না ধ্বংশের দিকে আগাচ্ছে আমি বুঝতে পারচ্ছি না । আর আমরা ব্লগে বড় বড় লেকচার দিতে আমাদের সংগ্রাম চলবে চলবে। আমাদের ভিতরে যতদিন বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ ঘটবে না ততদিন আমাদের অবস্থা এরকমই থাকবে। তাইতো মহান রব্বুলআলামনি বলেছেন ((*Allah does not change the circumstance of any people untill they have changed what is within themselves.*) (Ar-rad 11)। কিছু ভুল করলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।
৪৩৫|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৬
সাইফ বাঙ্গালী বলেছেন: @ওঙ্কার।
কিছুটা জ্ঞান, তার সাথে হুঙ্কার!!!
কে বলেছে এই পোস্টের লেখক আপনার বর্নিত বিষয়গুলিতে একমত নন? আপনি এই যে চিৎকার চেচামেচি করে একটা কমেন্ট লিখলেন... শুনতে তো মনে হলো একজন বুদ্ধু বিষয়বস্তু বুঝতে না পেরে খামোকাই অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ত্যানা পেচাতে চাইছে।
জবাব: আপেক্ষিক ভাবে আমি হয়তোবা একজন বুদ্ধু , আমি আজও শেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি, কখনই নিজেকে মহাজ্ঞানি মনে করিনা, আর কাউকে বুদ্ধু বলার দুঃসাহস আমার নেই।
আপনি এই লাইন গুলো ভালো ভাবে পড়েননি, অথবা আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে, অথবা পছন্দ হয়নি, অথবা বুঝতে পারেননি। তবে আপনার জ্ঞান অনুমান করে মনে হচ্ছে , না বোঝার কারন নেই।
আগে মানুষকে মৌলিক চাহিদার নিরাপত্তা দিন, দেখুন কত বড় বড় স্কলার বেড়িয়ে আসে।
এলিট হয়ে বেচে থাকার বোধ হয় মজাই আলাদা।
একটা দেশের অনেক সমস্যা থাকবে। প্রতিটি সমস্যা নিয়ে প্রত্যেকেই ভাবিত হবে না। এটাই নিয়ম।
এটা একটা প্রতিষ্থিত দেশ? আপনাদের পশ্চিমা সমাজ বিজ্ঞান বুঝি তাই বলে?
আমি মনে করি মুক্তি সংগ্রাম শেষ হয়নি। বরং হাড়ি থেকে বের হয়ে উনুনে পড়েছি। এর সাথে লড়ে যাচ্ছি বেশ কটি বছর। আমার সাথে আরও কিছু বুদ্ধু আছেন(আপনাদের পশ্চিমা দর্শনের ভাষায়)।
সাম্রাজ্যবাদকে ঘুমের মধ্যেও মেনে নিতে পারবোনা।
আপনারা কি চমৎকার তাদের অপকর্মগুলো চেপে যান!!! আমি পারিনা।
স্বাধিনতা বিরোধিদের বিচার চাইছেন? আমেরিকান দূতাবাস এদেশে বসলো কিভাবে? ওরা আমার মায়েদের ইজ্জতে প্রসাব করে দেয়নি?
জানেন কত কৃষক বাধ্য হন ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর জন্য তামাকের চাষ করতে? খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্নতার কথা কী ফাকা বুলি নয়? বলি কেনো? ইন্ডিয়ার চাল বেশি মিষ্টি?
এদেশে এখন বাউল ভাস্কর্য ভাঙা হয়। কেন ভাঙা হয় তার উত্তর খুঁজতে দার্শণিক হতে হয় না। বাউলদের মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে ইসলাম তথা ধর্ম ভয় পায়। যেন বাউলদের ভাস্কর্য ভাঙলেই ওঁরা বোবা হয়ে যাবে। ওঁদের সাহিত্য, ওঁদের গান মানুষের মন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। হুমায়ুন আজাদকে মেরে ফেলতে পারলেই যেন তাঁর সকল সাহিত্যকর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একাত্তরে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে যেমন ওরা বাঙালী জাতিকে মেধাহীন করেছিল, তেমনি এখনো এই শুয়োরগুলোকে এতটুকু সুযোগ দিলে শুয়োরগুলো নিশ্চিহ্ন করে দিবে বাঙালি জাতির সকল প্রগতিশীলদের।
এই ভাষ্কর্য নামের পাথর আর আপনাদের মহামান্য বর্তমানের পেইড বুদ্ধিজীবিগন সাধারন মানুষের কোন বাল ছেড়ার কাজে লেগেছে বলতে পারবেন?
ইউনুসকে জয়মাল্য পড়ায়নি তারা। টেলিভিষন ক্যামেরার সামনে গদ-গদ হয়ে বলেনি "এর অপেক্ষাতেই তো ছিলাম"?
আমার নিজের প্রাণের কসম!!!
যদি কোনদিন দিগন্তের বুকে আমার দেশটি দাড়াতে পারে...
তোমাদের সব পাওনা সূদে আসলে মিটিয়ে দেব।
সন্যাসী যেটা নিয়ে আলোচনা করতে চাইছেন, সেটা কোনোভাবেই অচ্ছুত হয়ে যায় না দেশের দারিদ্র্য ও অন্যান্য সমস্যাগুলির কথা ভাবলে।
লেখক লিখেছেন: ধর্মগুলো সবসময়েই মুক্তবুদ্ধি চর্চাকে গলাটিপে মেরে ফেলতে চাইলেও এ চর্চা থেমে থাকেনি। আমাদের মুক্তবুদ্ধি চর্চার ইতিহাস অনেক পূরাণো। ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুক্তবুদ্ধির দর্শণ চার্বাক দর্শণ। বাঙালীদের প্রথম এ জাতীয় দর্শণের সাথে পরিচয় ঘটে গৌতম বুদ্ধের দর্শণের মাধ্যমে। তাছাড়া বাঙালীর লৌকিক ঐতিহ্যের দিকে দৃষ্টি ফিরালে দেখতে পাওয়া যায় পাশ্চাত্য তথা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত কিছু সংখ্যক বাঙালীর মধ্যেই যে মুক্তবুদ্ধির চর্চা সীমিত থেকেছে এমন ধারণা মোটেই সত্য নয়। বরং প্রকৃতপক্ষে প্রাক-আধুনিককাল থেকেই বাংলার সাধারণ জনগন মুক্তবুদ্ধি ও যুক্তিবাদিতার চর্চা করে এসেছে নানা প্রতিকূলতার চাপের মধ্যেও। কখনো কখনো সে স্রোত-ধারা ক্ষীণ বা অবদমিত হয়েছে, কখনো বা উর্ধগামীও হয়েছে; কিন্তু কখনোই সে স্রোত একেবারে রুদ্ধ বা স্তব্ধ হয়ে যায়নি।
আমি বলেছি: আপনারা সবাই প্রগতিশীল মেধা দিয়ে দেশ ও জাতি উদ্ধার করে বেড়াচ্ছেন...
বলি, সাধারন খেটে খাওয়া মানুষেরা প্রগতি , দর্শন , মুক্তবুদ্ধির মত গালভরা বিষয় গুলো বোঝেনা, বুঝতেও চায়না।
তারা চায় খাদ্য বস্ত্র বাসস্থানের নিরাপত্তা, আর স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারানটি........
আর আপনাদের বুদ্ধিজীবিরা প্রগতির বাল ফেলেই যাচ্ছেন!!!
আপনাদের এই প্রগতির সমাজ আমার বোনদেরকে তার অন্নের নিরাপত্তা দিতে পারেনি, তারা পেটের দায়ে বাজারের বেশ্যা হয়েছেন। আর আপনারা?!!! শহীদ বুদ্ধিজীবিদেরকে নিয়ে গ্রুপিংএ নেমেছেন!!!
ধিক!!!
আপনি বলেছেন: একটা দেশের অনেক সমস্যা থাকবে। প্রতিটি সমস্যা নিয়ে প্রত্যেকেই ভাবিত হবে না। এটাই নিয়ম।
সরকারের তাহলে এতগুলি দফতর থাকতো না। এটাকে 'স্পেশালাইজেশন অফ স্কীলস্' বলা যায়।
আমি আমার সবকিছু(অবশ্য তেমন কিছু নেই অর্থ) বাজি ধরে বলতে পারি, এই কাঠামো দিয়ে হাজারটা বাউল ভাষ্কর্য গড়া যায়, বিমান বন্দর করা যায়, প্রমোদ ভবন খোলা যায়,
কিন্তু খেটে খাওয়া মানুষের কিছুই হবেনা। মার্সিডিজগুলো হয়তো ঝড় তুলতে পারে রাস্তায়।
তাইতো বলছি, ষংগ্রাম শেষ হয়নি।
আর শহীদ বুদ্ধিজীবিগন? তাদেরকে হত্যা করা অসম্ভব!!!
তারা মরেনি, মরবেনা। আপনাদের শাহরুখ, ওবামা, হিলারী , লাদেন, ইউনুস যত চেষ্টাই করুক , তারা বেচেই থাকবে। বিশ্বাস করুন!!!
আর সাদ্দাম মরেছে, বুশ মরেছে, লাদেন মরেছে, আর হিলারী.........আর গু-আযম, নিজামি, মোশাররফ, সাইদি, খালেদা , হাসিনা মরে গেছে। মরে পচে গন্ধ হয়ে গেছে। আর অনন্তকাল ধরে মরতেই থাকবে।
ওরা রাত হলে একঘাটে জল খায় , জানেনতো?
কারন আমি আছি, আমি এই দেশটাকে ভালোবাসি। আমি এই সুন্দর পৃথিবীটাকে ভালোবাসি, আর আমিতো একা নই!!!
আপনার 'আসল' উদ্দেশ্য কি?
বলুন তো?
উদ্দেশ্য?
ভালো থাকুন, সময় বেশি বাকি নেই। মরে গেছেন, এবার পচে যেতে হবে।
(কমেন্টকারির মস্তিস্ক সুস্থ্য নয়, তার কমেনটের দায়ভার তাই তার নিজেরও নয়। অন্যের হবার প্রশ্নই ওঠেনা!!!)
৪৩৬|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৮
ছোটমির্জা বলেছেন:
@সাইফ বাঙ্গালী :
কথাটা দারুন।
ভালো থাকুন, সময় বেশি বাকি নেই। মরে গেছেন, এবার পচে যেতে হবে।
ভালো থাকুন, সময় বেশি বাকি নেই। মরে গেছেন, এবার পচে যেতে হবে।
.........
একটু সাজিয়ে পোস্ট দিন ভাই।
৪৩৭|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
সাইফ বাঙ্গালী বলেছেন: @ছোটমির্জা। এত তাড়াতাড়ি নয়, লোখতে গেলে আবেগ প্রবন হয়ে যাই, একটু সময় নিচ্ছি।
ধন্যবাদ
৪৩৮|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩
ছোটমির্জা বলেছেন: @সাইফ বাঙ্গালী -
আরে ভাল কথা বলেছেনতো।
একি সমস্যা আমার ও।
সন্যাসী ভাই আমাকে একটা লেখা লিখতে বলেছেন।
দেখি.........
৪৩৯|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৪
ইন্সট্যান্ট জাতিসঙ্ঘ বলেছেন: সন্নাসীর ষড়যন্ত্রমূলক পোষ্টটা সামুব্লগের কলঙ্ক । মুছে ফেলুন প্লিজ..
বুদ্ধিজীবিহত্যা বিষয়ক পোস্টে এত বেশি সংখ্যক মাইনাস নিয়ে মতামত।
নাস্তিকদের-কে কেন ছাগু বলা যাবেনা ? -(সাময়িক কৌতুহল পোষ্ট)
মুক্তমনা বাই, কমেন্ট মুছেন না । পিলিস ।
৪৪০|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
সবাক বলেছেন: @ সন্যাসী
আমার মাথার উপরের মন্তব্যটি (৪৫৩) সৌদি আরবের খোরমা খাজুরের রশি দিয়ে দেয়ালে টাঙায়া রাখেন। এটা খুবই দামী একটা মন্তব্য। ইচ্ছা করলে মন্তব্যটি কোন ধর্মগ্রন্থের পাশাপাশিও রাখতে পারেন।
৪৪১|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১৪
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: লেখাটা দেরীতে পড়লাম।
একদম টু দা পয়েন্ট লেখা। আর মন্তব্যগুলোও যথার্থ
সৌভাগ্যবান যে বিজয় দিবসে যাদের শরীরে আগুন জ্বলার কথা তাদের দাউ দাউ করে লেগে গেছে। মাইনাসের লোশন মালিশ করেও শান্তি পায় নাই।
৪৪২|
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪০
স্বার্থত্তা বলেছেন:
স্টিকি পোস্টে এতো মাইনাস। ব্যাপারটা সন্দেহজনক।
৪৪৩|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৩
রফিক মাহমুদ বলেছেন:
আমি নিজে একজন অজ্ঞেয়বাদী, কিন্তু জীবনে অনেক ধর্মনিষ্ঠ মুসলমান দেখেছি যাদের চরিত্রবল আমাকে আকৃষ্ট করেছে, এবং মাঝে মাঝে এই সংশয়ে ফেলেছে যে, ধর্মকে পরিহার করে আমি আসলেই কোনোভাবে এঁদের চাইতে শ্রেয় হতে পেরেছি কি না।
অভিজিৎ রায় ও মুক্তমনা গ্রুপের অন্যান্যদের লেখা পড়ে আমার ধারণা জন্মেছে যে তাঁরা আসলে বিজ্ঞান, যুক্তি বা সত্যিকার অর্থে মুক্তবুদ্ধির চর্চার জন্য লেখেন না। তাঁরা কিছু সত্য ও তথ্যের ভিত্তিতে নিজেদের অগ্রহণযোগ্য সুদূরপ্রসারী এজেন্ডায় রিক্রুট ভেড়াতে চান। তাঁদের রচনায় ক্বচিৎ ভারতে বা ইস্রায়েলে মানবাধিকার হরণ বা দুর্বল মুসলিমদের ওপরে অত্যাচারের কথা থাকে। সম্প্রতি উইকিলিক্সে প্রকাশিত হয়েছে যে স্বয়ং রাহুল গান্ধীও মনে করেন ভারতের হিন্দু সাম্প্রদায়িক দলগুলি এই উপমহাদেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক গোষ্ঠি।
একথা সত্যি যে এ দেশের সংখ্যাগুরুরা অনেক ক্ষেত্রে হিন্দুদের সম-অধিকার দিতে চায় না। সেজন্য কঠোর দৃষ্টি রাখা দরকার। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সংগে সংগে সব মন্ত্রনালয় ও সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে জনসংখ্যার অনুপাতের চাইতে অনেক বেশি পদ দেয়া হয়েছে। আমার মনে হয় মুক্তমনা গ্রুপ এদিকে নজর দিলেই পারেন। বাংলাদেশ থেকে ইসলাম উঠিয়ে বর্ণবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার প্রকট বা প্রচ্ছন্ন উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম।
৪৪৪|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪১
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা না হলে আমরা অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়ে থাকতাম এরকম আমি নিশ্চিত করে বলছি না। তবে আমাদের দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার এই বেহাল অবস্থা হতো না এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
আর ইসলাম বরং বাংলাদেশে পাকিদের তুলনায় বেশি চর্চা হয় ।
ইসলাম এর নামে যারা এসব করছে আর করতেছে তাদের ...
৪৪৫|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
অরণ্য সৌভিক বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। বাংলাদেশে পাকি জারজদের যে এখনো নিরেট পদচারণা তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। ধর্মনামক যন্ত্রটার অধীনে আঁটকে আছে মুক্তচিন্তা। সত্যি অদ্ভুত সেলুকাস এক জাতি আমরা। আর এখন নতুন রঙ্গ হল 'ইসলামিক' ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র!!
৪৪৬|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৫
৪৪৭|
০২ রা নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪১
Observer বলেছেন:
৪৪৮|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫০
অনিক্স বলেছেন: post valo lageni tobuo priyo te rakhlam, osadharon kisu comments er jonne.
৪৪৯|
৩০ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:০৭
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: টার্গেট ধর্ম এবং ঢাল আমাদেরই বুদ্ধিজীবীরা, মাঝখানে জামাতির বাচ্চারা মাইনাস দিয়েও ভালমানুষ।
এই কারণে ঘোলাজলপায়ীদের কাছে যেতে হয় না।
তারা মনে করে মৎস্য শিকার করছে।
অন্যরা বুঝতে পারে, গাধা জল ঘোলা করেই খায়। শালার সব ছাত্রশিবির, শিবসেনা, নকশাল আর উইকা (যার বোঝার বুঝে নিবে) একই চিজ।
উস্কানি তাদের একমাত্র উপাদান।
৪৫০|
১৩ ই জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৬
নীলমেঘ আমি বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট। এই পোস্টে এতো মাইনাস এসেছিলো কেন বুঝি না।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৩
রাজিয়েল বলেছেন: লেখায় একটু চেঞ্জ এক্সপেক্ট করছি। "ইসলাম" শব্দগুলো "পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদী ইসলাম" দিয়ে রিপ্লেস করতে হবে