| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এ রায়ে নাকি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি! এই জনগন কারা? এই জনগন কী এতই বোকা?
৭১' এ কলকাতায় ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী নেতা ও তাদের সহযোগীরা জনগনের প্রত্যাশার কতটুকু জানে?
সবাই জানে কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না। কাদের মোল্লা, সাইদী যদি ৭১' এ কলঙ্কজনক কাজে অভ্যস্ত হতো, তাইলে তার চিহ্ন এখনো থাকতো। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৪০ বসরের ইতিহাসে (৭১' এর পর) কোন অপরাধের রেকর্ড নাই। বরং হাদিসে আছে, যাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য মসজিদে যেতে দেখ, তার ঈমানদারী সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারো।
শিক্ষা সিলেবাসে সাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ নষ্ট করতে, ধর্মীয় নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ করতে আওয়ামী বুদ্ধিজীবিরা যে ষড়যন্ত্র করছে- যার বড় উদাহরন লালসালু আর পদ্মা নদীর মাঝির অন্তর্ভুক্তি- তাতে অনেক তরুন বিভ্রান্ত হয়েছে। আর এই তরুনরা বায়োস্কোপের মত গিলে খাচ্ছে জামায়াতের মত গনতান্ত্রিক শক্তিকে নির্মূলের ফর্মুলা।
জনগন একবারও ভেবে দেখবেনা, কী হতে পারে যদি জামাত-বিএনপি রাজনীতি না করে? তাহলে কী দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে নাকি আওয়ামী লীগ নিজেদের মধ্যে আরো কোন্দলে লিপ্ত হবে। সাম্প্রতিক ঘটনা গুলি দেখুন আর ভাবুন- তারা নিজেদের মধ্যে কতগুলো কন্দোল করেছে, নিজেদের হানাহানিতে তাদের কত নেতা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে, কতগুলো ভার্সিটি বন্ধ হয়েছে, কতগুলো ভিসির বিরুদ্ধে তাদের শিক্ষকরাই আন্দোলন করেছে, শিক্ষাঙ্গনে নারী নির্যাতনের মত ঘটনাগুলোর সাথেও কোন দলের নাম আসে.........
আর এই রেকর্ডগুলি নিয়ে একবার আসেন পিছনে তাকাই- দেখতে চেষ্টা করি তারা ৭১’এ কি করেছিল যারা আজ এই অনাচারে লিপ্ত। অবশ্যই সেদিন কিছু আওয়ামীলীগার সাধারন মানুষের সাথে যুদ্ধ করেছে; যেমন কাদের সিদ্দিকী ও আরো অনেকে- যারা কেউই আর আওমী্লীগে নাই- কেউ নিজের মত আছেন বা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আর জহির রায়হানরা গুম হয়েছেন।
যাইহোক যে তরুনদের মাথা দীর্ঘ ১২ বছরের পরিকল্পিত শিক্ষা-সিলাবাস দ্বারা ধোয়া-কাচা করা হয়েছে, এই লেখা তাদের বোধশক্তিকে আরো হিংসাত্মকই করবে। তারাতো শিখেছে ধর্ম মানেই সঙ্কীর্ণতা আর সংস্কৃতি নাকি জাগরনের একমাত্র সূর্য। আর এই সংস্কৃতি আর জাগরন বুঝতে হলে আপনাকে হতে হবে ধর্ম-নিরপেক্ষ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৫
সানোয়ার রশীদ বলেছেন: আপনার ছবিটা আমারে পাঠান, আমি ওইটারে নিয়াজীর ঘারের উপর বসাই দেই। হাহাহাহা......
এইবার আসল কথাই আসি- কাদের মোল্লা ছিল ছাত্রসঙ্ঘের নেতা, সে হিসাবে সে নিয়াজীর সাথেই থাকবে বলে আমি মনে করি। আপনার যুক্তি অনুযায়ী সে ঢাকায় ছিল কি ছিল না এই টা ছবি দিয়া প্রমান করতে হলে, ছবিটা যে authentic এবং যুদ্ধের সময় নেওয়া হয়েছে তা প্রমান করতে হবে। সাথে প্রমান করতে হবে নিয়াজী যুদ্ধের পুরাটা সময় ঢাকাতেই ছিল। আবার হাহাহহাহা.........
আমি আসলে আসল কথা বলতেই পারি না... তাই একজনের ফেসবুক পোস্ট কপি করে দিলাম......
‘১৯৭১ সালে একটা ছেলে ঢাবির ছাত্র । তার নেতৃত্বে এবং সক্রিয় অংশ গ্রহণে ঢাকার মিরপুরে এবং নদীর ওপারে কেরানীগঞ্জে গণহত্যাসহ তাবৎ অপকর্ম হয়েছে । হয়েছে নাকি দেশের অন্যকিছু এলাকায়ও ।
মিরপুর এবং কেরানীগঞ্জ ঢাবি থেকে দূরত্ব কি খুব বেশি ?
সেই ছেলেটিই আবার ১৯৭২/৭৩ সালে ঢাবির ছাত্র । এবং আবাসিক ছাত্র হিসেবেই পড়ালেখা করে । ১৯৭৫ সালের আগষ্ট পর্যন্ত আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় । মুক্তিযুদ্ধের এমন জ্বলন্ত ইতিহাসের মধ্যে এরকম জঘন্য ঘৃণিত অপরাধীকে কেউ পিটিয়ে মেরে ফেলল না, আক্রমণ করল না, এটা কি বিশ্বাস করা যায় ?’
২|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০
মেঘ বালকের কথা বলেছেন: রাজাকারের সাফাই গাওয়া হচ্ছে...
৩|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৪
নদীর তীরে বলেছেন: কিছু বুঝিনা । ফাসি চাই ।
৪|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৭
সংকেত মাহমুদ বলেছেন: ছাগুদের বিশ্বাস হয় না, ধৃত ব্যাক্তিরা অরিজিনাল আলবদর- রাজাকার ।আরে হারামজাদা ছাগুর দল- ধৃত ব্যাক্তিরা তো শুধু রাজাকার বাহিনীর একজন সাধারন সদস্যই না বরং রাজাকার-আলবদর-দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।
যে নিজামী আলবদরে লিড দিছে, "অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধর "এই কথা বইলা যে মুজাহিদ গনহত্যাকারী রাজাকারদের নির্দেশ দিছে , যে গোলাম আজম তার কর্মীদের খুনী পাক হানাদার বাহিনীরে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিছে , তারা ৭১ এ নিশ্পাপ শিশু । অথচ এরা তো ছিল, গনহত্যাকারী দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।কেননা ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকাররেরা যাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছে, তাদের সঙ্গে রাজাকারদের কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রুতা ছিল না। লাখ লাখ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল দলীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট আদর্শিক প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে। রাজাকার বাহিনী হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল এই লিডারদের রাজনৈতিক আহ্ববানেই ।
বাংলার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অধিনস্ত রাজাকারদের অস্ত্র হাতে নিতে মুজাহিদের নির্দেশঃ
+
১৯৭১ এর গনহত্যাকারী আলবদর বাহিনীকে একশনে উৎসাহিত করতে আলবদরের নেতা নিজামীর প্রচেষ্টার নমুনাঃ ![]()
![]()
![]()
৫|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৮
সংকেত মাহমুদ বলেছেন: এ রায় মানে না শহীদ আবু তালেবের পরিবার Click This Link
৬|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৯
সানোয়ার রশীদ বলেছেন: বিশ্বের কোন আদালতে এই পেপারকাটিং দিয়া বিচার হয়। শেখ মুজিব না হয় মইরা গেছে, হাসিনা তো বাইচা ছিল। ওরে ’৯৬ এ এইগুলা দেখান নাই কেন? নাকি ক্ষমতার জন্য সব করা যায়?
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫
সংকেত মাহমুদ বলেছেন: হুম বুঝলাম আওয়ামী লীগ ফাউল,।কিন্তু আপনারা যারা জামাত-শিবির করেন, আপনেরা তো ইসলামী দল ।তো ইসলামী দল হয়ে কোন আক্কেলে আদালতে মিথ্যাচারের আশ্রয় নেন !!ইসলামে কি মিথ্যাচার জায়েজ আছে ?? অবশ্যই নেই ।তাইলে আদালতে মিথ্যাচারের চর্চা যে জামাত শিবির করলো, এটা কোনধরনের ইসলামিক বৈশিষ্ঠ্য !!!!
৭১ এ ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত নষ্ট করসে যে রাজাকার বাহিনী, সেই রাজাকার বাহিনীর লিডার গোলাম আজম গং দের কৃতকর্মের কথা মনে করলেই স্পষ্ট হয়ে যায় জামাত- শিবির একটা ধর্ম বেচে খাওয়া মিথ্যাচারের চর্চা করা একটা দল ।মুখে ইসলাম কায়েমের কথা কয় আবার আদালতে মিথ্যাচারও করে ।
ইসলামের ইতিহাসে খেলাফত কায়েমকারী কাউরে কখনো দেখছেন মিথ্যাচারের চর্চা করতে ?? জামাত-শিবির হল ইসলামের প্রকৃত শত্রু, যারা মুখে খেলাফত কায়েমের কথা কয় আবার মিথ্যাচারের চর্চাও করে ।যেমনঃআদালতে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগের ঘটনাস্হল ঢাকার মিরপুর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জে ।অথচ এ প্রসঙ্গে আদালতে কাদের মোল্লার পক্ষের সাক্ষী হাফেজ এ আই এম লোকমান আদালতে মিথ্যা জবানবন্দী দিয়ে বলেছেঃ যুদ্ধকালে আব্দুল কাদের মোল্লা নাকি ঢাকাতেই ছিলেন না। তিনি গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে ছিলেন। হানাদার বাহিনীর সাথে কাদের মোল্লার নাকি কোন সম্পর্কই ছিল না !!!!!!! দৈনিক সংগ্রামও কাদের মোল্লার পক্ষের ঐ সাক্ষীর এই মিথ্যা জবানবন্দীটি রিপোর্ট ফলাও করে নিখছে কাদের মোল্লার পক্ষের সাক্ষী লোকমান যে আদালতে মিথ্যা জবানবন্দী দিয়েছে তার প্রমান দেখা মেলে এই ছবিতে যেখানে কাদের মোল্লার{গোল দাগ চিহ্নিত} সাথে পাক বাহিনী সেনাপতি ঘাতক নিয়াজীর সঙ্গে