| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাজিদ আল সাহাফ
প্রতিদিন দেখি__ আমার জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একটি করে দিন/অথচ আমার কাছে পাওনা আছে পৃথিবীর বহু ঋণ!
বিহঙ্গ বাসে মিরপুর যাচ্ছি| বাসে প্রচুর ভিড় ছিল|
আমি সামনের দিকে দাঁড়িয়ে ছিলাম, পল্টন ক্রস করার পর আমার পাশেই একটি সিট খালি হল|
আমি সিটে বসে গেলাম| প্রেসক্লাব থেকে একজন বয়স্ক ভদ্রমহিলা বাসে উঠলেন|
ভিড়ের মধ্যে অতিকষ্টে তিনি শিক ধরে দাঁড়ালেন| এটা দেখে আমি তাকে বসতে দেয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালাম|
অমনি এক ভদ্রলোক বসতে চাইলেন| আমি বললাম আঙ্কেল, কষ্ট করে দাঁড়িয়ে থাকা ঐ আন্টিকে বসতে দেয়াটা খুব জরুরী|
ভদ্রলোকের প্রতিউত্তরে আমি তাজ্জব হলাম| তিনি বললেন,
কেনো,কেনো আমিও কি কষ্ট করে দাঁড়িয়ে নেই?
আমি বললাম আঙ্কেল,ঐ ভদ্রমহিলা আর আপনি কি এক হলেন?
তিনি মহিলা তাই তার বাসে দাঁড়িয়ে যাওয়াটা অনেক কষ্টের!
তিনি বললেন,তাই যদি হয় তবে তারা সমান অধিকার চায় কিসের জোরে,কোন লাভের মোহে পড়ে?
তারা তো বিভিন্ন সময়ে পুরুষের থেকে বেশিই অগ্রাধিকার পায়| তাহলে কেনো এত সম-অধিকারের আন্দোলন?
এর কোনো উত্তর দিতে পারলাম না আমি, কারণ এর উত্তর আমার কাছে নেই|
যার কাছে উত্তর হয়ত আছে বা নেই, সেই আন্টিও দেখলাম চুপ করে আছেন|
তাকেই বা আমি আর কী বলতে পারি?
বললাম, আন্টি আপনি বসুন|
ভদ্রলোকের যুক্তিটা কিন্তু যুৎসই| অথচ এর বাস্তবায়ন কৈ?
_সাজিদ আল সাহাফ
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৭
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন: হুম ভাই ঠিক বলেছেন!
২|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৫
সুমনা শারমীন শম্পা বলেছেন: উত্তরটা কিন্তু খুব সহজ, কেন মনে হল না আপনার, বুঝলাম না। যেদিন সত্যিই সম অধিকার আর সম্মান আমাদের দেশের নারীরা পাবেন সেদিন তারা যেমন বাসে বিশেষ সিটের জন্য বলবেন না, তেমনি অই ভদ্রলোকের (?) ও বয়স্ক একজন অসুস্থ মহিলাকে সিট না ছেড়ে নিজের বসতে রুচিতে বাধবে। এখনো আমাদের দেশে দুটোর কোনটাই হয় নি, তাই এখনো এদেশে মেয়েদের বাসে আলাদা সিটের দরকার হয়, সন্ধ্যা হলে সাত তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে হয়।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৬
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন: আসলে সমঅধিকারের ব্যাখ্যাটাই আমি ভালোকরে বুঝিনা!
৩|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৪
ছাসা ডোনার বলেছেন: ঐ ভদ্রলোক কি মায়ের পেটে দশমাস কাটান নি? কিভাবে উনি মহিলাদের সম্পর্কে এমন কথা বলতে পারলেন? উনি কি পারতেন নিজের মা বোন অথবা স্ত্রীকে দাড়া করিয়ে রাখতে আর পারতেন কি বলতে এইরকম কথা বলতে? আসলে ঐ ব্যাটা পুরুষ নামের কলন্ক। আসুন সবাই মিলে মহিলা তথা মা বোন স্ত্রী সন্তানদের যথাযথ সন্মান দেই তাহলে আল্লাহ তাআলাও আমাদের সুন্দর সুস্ঠ শান্তিপুর্ন সমাজ দিবেন যেখানে থাকবে না ইফটিজিং ধর্ষন এবং নারী নির্যাতন।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২০
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন: এই বিষয়টুকু ফিল করলেই তো আর সমস্যা থাকার কথা নয়! আমরা যদি সবাইকে মা-বোনদের মত সম্মান করতাম, তাহলে সবকিছু সুন্দর হতো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
৪|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৫
সুমন কর বলেছেন: উনার মানসিক সমস্যা আছে।
কিছু লোকদের দেখি সিটে এমন ভাবে বসে, যেন বাসার সোফায় বসেছে।
একটু চাপতে বললে কোটমট করে কিন্তু চাপে না।
তারা আবার মুরুব্বী !! আমরা কিছু বললে বেয়াদব....হাহাহা কিছু করার নেই।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২২
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন:
ইমো ঠিক আছে তো? আমি একটু হাসতে চেয়েছি। আসলেই আপনার কথাটা চরম বাস্তব!!!
৫|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৯
আহমেদ রশীদ বলেছেন: সিটে বসা একটা যুবতী মেয়ের পাশে এক বৃদ্ধা মহিলা খুব কষ্ট করে দাাঁড়িয়েছিল কিন্তু ওই মেয়েটার উঠে দাঁড়িয়ে কি বৃদ্ধা মহিলার বসার সুযোগ করে দেয়ার উচিত ছিল না। মেয়েরাও কম খারাপ না। আমি দেখেছি মেয়েদের থেকে ছেলেদের মানবতাবোধ অনেক বেশী। পরে একজন পুরুষ ছেলে ঐ বৃদ্ধা মহিলার ঠিকই বসতে দিল। কিসের সমাধিকার। সমাধিকার দিলে মাথায় উঠবে।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৫
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন: কে, কিভাবে সমাধিকারের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে, তার উপরে এর ফলাফল নির্ভর করে।
৬|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১২
মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: সমঅধিকার আর অগ্রাধিকার দু'টো আলাদা বিষয়!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৭
সাজিদ আল সাহাফ বলেছেন: একদম ঠিক ধরেছেন!
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৩
এইচ আর খান বলেছেন: আর যাই হোক, একজন মহিলা মানুষ শারীরিকভাবেও অনেক দূর্বল এবং বিভিন্ন রকমের শারীরিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যান। ওই ব্যাটা জীবনে আপাদমস্তক একজন হিংসুটে মানুষ আর অন্যের জন্য বরাদ্দ করা জিনিস এইরকম নিলর্জ্জ ভাবে নেয়াও কোন কাজের কথা না