| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শেরিফ আল সায়ার
মানুষ। বড় আজব এই মানুষ। মানুষ নাকি ফানুষ তাও এখন আর বোঝার ক্ষমতা আমি রাখি না। সব ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। হারিয়ে দিন যাচ্ছে নির্জনে। নির্জনে থাকি নিজের সাথে। ধীরে ধীরে নির্জনতা প্রিয় মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছি। হয়তো হয়েও গেছি। ইদানিং চলাফেরা করতেও ভয় হয়। চারিপাশে মানুষ দেখি না। দেখি শুধু মুখোশ। মুখোশে-মুখোশে ছেয়ে গেছে গোটা পৃথিবী। নিজের বিভৎস চেহারা সামনে একটি মসৃন আবরন। সেটাই মুখোশ। নিজেকে লুকিয়ে রেখে ভালো মানুষি মুখোশটাকে ইদানিং দেখা যায় বেশী। স্বার্থ এমনই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। স্বার্থ ফুরালেই সব শেষ। মুখোশটা ঠিক তখনই উন্মোচন হয়। বিভৎস সেই চেহারা দেখে বমি চলে আসে। থুথু ছিটিয়ে প্রতিবাদ করতেও উদ্ধত হই। কিন্তু তাও পারি না। এত কাছের মানুষকে তাও করা সম্ভব হয় না। তাইতো নির্জনে চলে গেছি। একদম নির্জনে। হাজার অবিশ্বাস নিয়ে এখন আমিও মুখোশধারীদের মতো হয়ে গেছি। মুখোশটাই হয়ে গেছে জীবনের মূলমন্ত্র। কারণ, জীবন একটি মুখোশ।
পৃথিবী মানুষের পূর্বে জ্বীনদের দখলে ছিল। অনেকে তাই বলে। আসলে এই জ্বীন কি? ধর্মে জ্বীনদের ব্যাপারে কি বলা হয়েছে? এসব নিয়েই আমার পোষ্ট।
আল্লাহ যখন মাটি দিয়ে মানুষ তৈরী করলেন। অর্থাৎ আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন আগুনের তৈরী জ্বীনদের সরদার "শয়তান", আদম (আঃ) এর শ্রেষ্ঠত্ত মানতে রাজি হলো না। এ ব্যাপারে তার সরাসরি বক্তব্য ছিল,
তুমি আমাকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছ, আর আদমকে সৃষ্টি করেছ মাটি দিয়ে।
আসলে জ্বীন জাতি তৈরী আগুনের শিখা দিয়ে। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, সেই আগুনের ধরন কেমন? এর উত্তর এভাবে দেয়া যেতে পারে, আমরা আদমের বংশধর। সুতরাং আমরাও মাটির তৈরী। কিন্তু আমাদের রক্ত-মাংসের দেহে মাটির সন্ধান কি পাওয়া যায়? তাই বলা যেতে পারে, আমরা তৈরী এক বিশেষ ধরনের মাটি দিয়ে। সৃষ্টিকর্তা প্রথমে আমাদের গঠনটি তৈরী করেন সেই বিশেষ ধরনের মাটি দিয়ে। তারপর জীবন দান করার পর দেহে মাটির কোনো অস্তিত্ত থাকে না। ঠিক তেমনি, জ্বীনদেরও সৃষ্টি করা হয়েছে এক বিশেষ ধরনের আগুনের স্ফুলিঙ্গ দিয়ে। যার কোন ধুয়া নেই।
এখন আবার প্রশ্ন আসতে পারে, যদি আগুনেরই হয়ে থাকে, তাহলে আমরা দেখতে পাই না কেনো? এই উত্তর হচ্ছে, ঐ যে বললাম, বিশেষ ধরনের আগুন। তাই আমাদের চোখে ধরা দেয় না জ্বীনদের অস্তিত্ত। তার মানে এই নয় যে জ্বীনরা আমাদেরও দেখতে পায় না। তারা মানুষের সর্বধরনের গতিবিধি দেখতে পায়।
আবার জ্বীনদের সত্তা এমনভাবে গঠিত যে, তারা যে কোনো সময়ে, যে কোনো জায়গায় উপস্থিত হতে পারে। তবে এখানে সবচাইতে মজার ব্যাপারটি হচ্ছে জ্বীনদেরও নিজস্ব একটি গোষ্ঠী আছে। তারাও বংশ বিস্তারে সক্ষম। ধর্মে বলা হয়ে থাকে, পাখিদের যেমন একটি নিজস্ব প্রজাতি আছে, মানুষেরও যেমন আছে, ঠিক তেমনি জ্বীনদেরও আছে। তাদেরও পাপ-পূণ্য আছে। তাদেরও জান্নাত-জাহান্নাম আছে। ইরশাদ আছে, আল্লাহ বলেছেন,
আমি জ্বীন ও মানুষকে কেবলমাত্র এই উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা উদ্যোগি হয়ে কেবলমাত্র আমারই দাসত্ব করবে। আমি তাদের নিকট থেকে কোন রিয্ক পাওয়ার আশা করি না, আশা করি না যে তারা আমাকে খাওয়াবে।
অনেকে বলে, জ্বীনরা নাকি মানুষের ভাষাও বুঝতে পারে। তবে তারা আরবি ভাষা নাকি একটু ভালো বোঝে। আবার অনেকে বলে, যে জ্বীন মানুষের যে এলাকায় বসবাস করবে, সেই এলাকার লোকদের ভাষা তারা বুঝবে।
অর্থাৎ, মানুষকেই শুধু আল্লাহ পরীক্ষা করার জন্য এ পৃথিবীতে পাঠায়নি, মানুষের সঙ্গী হিসেবে আছে জ্বীন। হাশরের ময়দানে জ্বীন ও মানব জাতিকে একই সাথে জীবিত করা হবে। ধর্মে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জ্বীন মানুষের মতই স্বতন্ত্র এক জীবন্ত সত্তা। জ্বিনকে দেখা যায় না দেখে আমরা বিজ্ঞান মনষ্ক মানুষেরা বিশ্বাস করতে চাই না এ ধরনের অদৃশ্য অস্তিত্ত।
যতযাই বলি না কেনো, এ মহা-সুন্দর ভুবন আপনা-আপনি তৈরী হয়নি। তার একজন স্রষ্টাতো অবশ্যই আছে। আর তা এক রহস্য। হয়তো সেই রহস্য মৃত্যুর পর প্রতিটি মানুষের কাছে উন্মোচিত হবে। আর যদি, মৃত্যুর পর কোনো জগত না থাকে, তবে মানুষের কাছে সৃষ্টি রহস্য, রহস্যই থেকে যাবে।
২|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪২
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আপনার ব্যাখ্যা অনুসারে জ্বীন আর মানবের দেহের গঠন না হয় ভিন্ন হলো, কিন্তু সত্ত্বা কি ভিন্ন?
১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২৪
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: তাহলে আপনি কি বলতে চান তাদের সত্ত্বা এক?
৩|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫০
হটডগ বলেছেন: জ্বীনের কিসসা আমি খুব লাইক করি![]()
৪|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
হটডগ আপনি কি কখনও জ্বীন দেখেছেন?
৫|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
হটডগ বলেছেন: খুয়াবে @সাধীনতা তুমি
৬|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
হটডগ বলেছেন: জ্বীন কি আরবী শব্দ না বাংলা? আরবী হইলে এইটার বাংলা কি হইতে পারে? অর ভাইস ভার্সা?
১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২৭
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: জ্বীন অরবী শব্দ। এর বাংলা হচ্ছে তীব্র উত্তাপ।
৭|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৩
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
জ্বীন আরবী শব্দ। এর আভিধানি বাংলা অর্থ কি হবে বলতে পারবো না। তবে আপনার খোয়াবে জ্বীন দেখার কাহিনী কি বর্ণনা করবেন?
৮|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৩
মানুষ বলেছেন: বড়ই মজাদার পোষ্ট।
আমার কাছে একটা জ্বিন আছে। আমি উহার আগুনে প্রত্যহ বেগুন পুড়াইয়া খাই।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: সেই বেগুন খেয়ে আবার আপনে অগুন হয়ে মানি জ্বিন হয়ে যান না তো?
৯|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৮
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
মানুষ ভাই, সে ভর্তার স্বাদ কেমন হয়?
১০|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১১
মানুষ বলেছেন: স্পেশাল আগুনের বেগুন পোড়ার স্বাদতো স্পেশাল হবেই।
১১|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৩
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
না মানে, ভর্তায় তো গোবরের গন্ধ পান নাই বা পঁচা হাড়ের গন্ধ?
১২|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২২
শরৎ চৌধুরী বলেছেন: বস, আমার সাথে একজন নারী জ্বীনের পরিচয় হইছে তার সাথে আমি কেমনে ফ্লার্ট করব??
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫১
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: সেই নারী জ্বীনের মাধ্যমে কোন পুরুষ জ্বীনের সাথে বন্ধুত্ত্ব করেন। তারপর তার (পুরুষ জ্বীন) কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
১৩|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৪
মানুষ বলেছেন: জ্বীনেরা বড়ই পাক পবিত্র বস্তু। উহাদের গায়ে বেহেস্তি খুশবু থাকে। গোবরের গন্ধ আসবে কোত্থেকে
@ স্বাধীনতা তুমি
১৪|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৯
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
অশ ভাই আমি জ্বীন দেখি নাই কখনও, এখানে দেখার চেষ্টা করছি। যদি পেয়ে যাই একটি নারী জ্বীনের পরিচয় তাহলে আপনাকে জানাতে পারবো এর পদ্ধতি।
১৫|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
মানুষ ভাই টিভিতে আমি এড দেখেছি, কারও গা থেকে পাঙ্গাস মাছের, কারও বগল থেকে চাঁন্দা মাছের গন্ধ বাহির হয়। তার মানে আমরা যা খাই তা আমাদের গা থেকে বাহির হয়। আমি একটি হাদিসে পড়েছি যে, জ্বীনেরা গোবর আর হাড় খায়। তাই বললাম যে, যেহেতু জ্বীনের দেহ আগুনের তৈরী সেহেতু ওদের আগুনের পোড়া বেগুনের স্বাদ তো আবার গোবর বা হাড়ের গন্ধ মিশ্রিত ছিল কি না? যেহেতু আপনি বেগুন পোড়ায় গোবর আর হাড়ের গন্ধ পাননি সেহেতু এখন বুঝতে পারছি আপনি বেগুন পোড়া গ্যাসের চুলাতেই খেয়েছেন। গ্যাসের চুলার আগুনরে আপনার কাছে জ্বীন মনে হয়েছে।
১৬|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৭
হটডগ বলেছেন: সাধিনতা তুমি ভাই, এমুন গাস গোয়াইড়া কতা কলে হবে? গেরামে মাইনষে গোবর দিয়া রান্দে বলে কি তরকারিত গোবর গন্দ আহে? আমি নারি জীনের সাথে ফ্লার্ট নয়, আসল খেলা খেলবার চাই![]()
১৭|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৮
হটডগ বলেছেন: গোবর দিয়া রান্দে => গোবরে পুড়াইনা আগুনে রান্দে। এপোলোজাইজ ফর দি মিস্টেক।
১৮|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:০৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: খ্যাক খ্যাক খ্যাক!
১৯|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৯
বন্ধনহীন বলেছেন: জ্বীনের বাদশা গেল কৈ?
এই পোস্ট দেয়ার আগে তার অনুমতি নেয়া হয়েছে?
শেরিফ আল সায়ারের খবর আছে। নাকি তিনিও এক বিশিষ্ট জ্বীন? তা নাহলে তিনি জ্বীন সম্পর্কে এত জানেন কি করে?
শেরিফ ভাইয়া, মেয়ে জ্বীন নাকি খুব সুন্দর। আমার অনেকদিনের খায়েশ ....
১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২৮
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: হু হা হা হা হা..........
অদৃশ্য কিছু সম্পর্কে আপনে জানেন কিভাবে?
২০|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০০
পথিক মানিক বলেছেন: আমি জ্বীন ও মানুষকে কেবলমাত্র এই উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা উদ্যোগি হয়ে কেবলমাত্র আমারই দাসত্ব করবে। আমি তাদের নিকট থেকে কোন রিয্ক পাওয়ার আশা করি না, আশা করি না যে তারা আমাকে খাওয়াবে।
সুত্র কি? উল্লেখ করা আবশ্যক।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৬
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: কোরআন শরীফে উল্লেখ আছে। আমি যেখান থেকে পেয়েছি। সেই বইটির নাম দিতে পারি। সৃষ্টা ও সৃষ্টিকর্তা, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রাহীম (র),পৃষ্ঠা: ৪৬৪।
বইটা ভালো মতো পড়ে জ্বিনকে পড়া দিবেন। নাইলে কইলাম খবর আছে।
২১|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৫১
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তাহলে আপনি কি বলতে চান তাদের সত্ত্বা এক?
আপনি ব্যাখ্যা দেয়ার পরিবর্তে আবার আমাকেই প্রশ্ন করে বসলে যে? আপনার এই পোস্টের বর্ণনায় জ্বীনের দেহ সৃষ্টির বর্ণনা দিয়েছেন, কিন্তু তার সত্ত্বার প্রকৃতি সম্পর্কে কোন বিবরন দেননি, যেহেতু জ্বীন সম্পর্কে পোস্টটি লিখেছেন সেহেতু আমার ধারনা আপনি এর সম্পর্কে অবশ্যই জানেন এবং আমাদেরকে জানাবেন, ফলে আমাদেরও জ্বীন সম্পর্কে অনেক অজ্ঞ ধারনা দুর হবে। আমি জ্বীন দেখিনি, কোরআনে জানার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোরআনে জ্বীন সম্পর্কে স্পষ্ট কোন বর্ণনা দেয়া নাই, বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু কথা বর্ণনা দেয়া আছে যা থেকে জ্বীন সম্পর্কে পুর্ণাঙ্গ জ্ঞান লাভ করা অতি কঠিন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। তাছাড়াও আমি বিভিন্ন মাধ্যমে এই বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি এবং করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছি, কিন্তু সেখানেও জ্বীনের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমি কোন স্পষ্ট কোন ধারনা পাইনি। তবে এখনও আমি ইচ্ছা রাখি এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের। যদি আপনার কিছু জানা থেকে থাকে তাহলে বলতে পারেন।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:০২
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: না ভাই আমি কোনো জ্বীন গবেষক না। ধর্মীয় একটি বই পড়েছি। সেখানে জ্বীন সম্পর্কে অল্প কিছু তথ্য আছে। এই আর কি। আর জ্বীন সম্পুর্ন আলাদা একটি সত্তা। জ্বীন দের বংশ বিস্তার হবে সেটা বলা আছে তবে তাদের মউত হবে কিনা সে সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা নাই।
আর তাই তো আছি বলেছি, সৃষ্টি এবং মৃত্যু আজও মানুষের কাছে অজানা।
২২|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২০
মহাজাগতিক বলেছেন:
জ্বীন সম্পর্কে অতীব বৈজ্ঞানিক ব্যাখাঃ
জ্বীন বলতে পরমাণুর ইলেক্ট্রনকে বোঝানো হয়েছে। জ্বীন, ফেরেশতা (আযাযীল একজন ফেরেশতা ছিলেন যিনি পরে অবাধ্যতার কারণে শয়তান হয়েছেন) এরা তাদের জন্য নির্ধারিত দায়িত্বের বাহিরে যেতে পারেনা। অবাধ্যকে পদচ্যুত করা হয়েছে। এভাবে জ্বীন, ফেরেশতা এরা সৃস্টির শুরু থেকে নির্দিস্ট গন্ডির মধ্যে নির্ধারিত কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ক্ষুধা তৃষ্ণা সম্ভোগ কিছুই প্রয়োজন হয় না। এরা যেন পরমাণুর ইলেক্ট্রন যারা ফিশন কিংম্বা ফিউশনের মাধ্যমে প্রচন্ড শক্তি উৎপাদন করে।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৫
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার জন্য আপনাকে জ্বীনদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
২৩|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৬
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
হটডগ বলেছেন: সাধিনতা তুমি ভাই, এমুন গাস গোয়াইড়া কতা কলে হবে? গেরামে মাইনষে গোবর দিয়া রান্দে বলে কি তরকারিত গোবর গন্দ আহে?
ভাইজান, মাছ মাংশের বা অন্যান্য খাদ্য দ্রব্যের কিছু না কিছু গন্ধ আছে, কিন্তু সে গন্ধের কারনে মানুষ ঐসব দ্রব্য যে একেবারই খায় না তা আমার জানা নাই। কিন্তু ঐ এডে কি দেখতে পাই? ঐসব জিনিস খাবার পর শরীরের ঘামের সাথে ঐসব জিনিসের ঝাঁঝালো গন্ধে চোটে ভাই বোন বন্ধু, এমন কি প্রেমিক প্রেমিকারাও পালায়। এটা কেমনে হয়? তাইতো আমি বলতে চেষ্টা করেছি সেখানে যে ডাইরেক্ট গোবরের রান্নায় হয়তো গন্ধ হয়না তরিতরকারি, তাছাড়াও তরিতরকারি রান্না হয় পাতিলে, ডাইরেক্ট আগুন দ্বারা না, বেগুন পোড়ায় ডাইরেক্ট আগুনে। এখানে আমার বলার উদ্দেশ্য ছিল এডকে উপলক্ষ্য করে, হয়তো জ্বীন গোবর খাওয়ার পর জ্বীনের ঘামের ঝাঁঝালো গন্ধে বেগুন তো গোবরের গন্ধ হবার কথা, যেহেতু বেগুন পোড়ানো হয় ডাইরেক্ট। ভাইজান আমি গোয়াইরা কথা কেমনে কইলাম?
২৪|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩২
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
মহাজাগতিক ভাই, জ্বীনরে আলু বানাইয়া বুঝ দিবার চেষ্টা করিয়েন না। জ্বীন সম্পর্কে জানলে তার প্রমানিক তথ্য সহ ব্যাখ্য দেন নতুবা মসকারি করলে আমাদের মত মসকারি করতে পারেন। যা জানা নেই তা নিয়ে মসকারি করা যায়, সিদ্ধান্ত দেয়া যায় না।
২৫|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৩০
কৌশিক বলেছেন: জ্বীনের বাদশা তো আমাদের ব্লগেই আছে। তারপরেও মানুষজন যে কিভাবে অবিশ্বাস করে বুঝি না! সে বিবাহ-সাদী করে রীতিমত এখন মানুষ হবার চেষ্টায় লিপ্ত। শীঘ্রই জ্বীন সন্তানও আমাদের মাঝে উপস্থিত হবে।
২৬|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
আজনবী বলেছেন: জীনের সাক্ষাৎ পেতে সন্ধায় চলে আসুন পরীবাগে (পিকক অথবা সাকুরায়)। আরো বেশী তথ্য জানতে ঘুরে আসুন আমার ব্লগে।
২৭|
১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
নেমেসিস বলেছেন:
জ্বীন দেখবার চাই , জিন খাইবার চাই
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৮
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: বন্দুক তো আছেই। সমস্যা নাই। দেখবারও পারবেন খাইবারও পারবেন।
২৮|
১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
র্যাভেন বলেছেন:
একখান নারী জ্বীন বিবাহ করিতে মন্চাই
২৯|
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৮
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আর জ্বীন সম্পুর্ন আলাদা একটি সত্তা। জ্বীন দের বংশ বিস্তার হবে সেটা বলা আছে তবে তাদের মউত হবে কিনা সে সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা নাই।
জ্বীনে একটি আলাদা সত্ত্বা তা কোরআনের কোখায় উল্লেখ আছে, বলবেন কি? জ্বীনের যে বংশ বিস্তার হয় এটাও কোথায় উল্লেখ আছে?
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৭
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: সৃষ্টা ও সৃষ্টিকর্তা, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রাহীম (র),পৃষ্ঠা: ৪৬১।
ভালো মত পরবেন।
৩০|
১৯ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
এফ আই দীপু বলেছেন: জ্বীন দেখছি, কথাও কইছি জ্বীনের লগে। জিন খাইছিও। তয় জিনের টেস্টটা আমার কাছে বড়ই মধূর লাগে।
৩১|
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন: যার কোন ধুয়া নেই।
কে বলছে ধুয়া নাই? হাদিস কুরআন কি বলে?
৩২|
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
লুকার বলেছেন:
এত বড় হইছেন, এখনো রূপকথার জগতে পইড়া আছেন।
বড়ই আজীব!
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৪
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: দুনিয়াটাই তো আজীবরে ভাই.........আজীবের মধ্যেই আজীব কাহিনী দেখে ও শুনে আমরা বড় হচ্ছি।
৩৩|
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
উড়ালপঙ্খী বলেছেন: আপনেরা কি কেউ জ্বীন-ভাষা জানেন..........??
জ্বীন-ভাষায় 'উড়ালপঙ্খী' কে কি বলা হয়.....??
৩৪|
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
মেহরাব বলেছেন: জ্বীন ধরে ধরে পাওয়ার প্লান্ট বসালে কেমন হয়? অনেক হুজুরে নাকি জ্বীন ধরবার পারে। হ্যাগো খবর দিয়া হাজার খানেক আটকাইয়া লোড শেডিং ঝামেলা থাইকা মুক্তি পাইবার চাই। তত্তাবধায়ক সরকারের কাছে আবেদন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হোক।
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৮
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: আরে ভাই, তত্তাবধায়ক সরকারের কাছে আবেদন কইরা লাভ আছে!! আপনে হইলেন সুপার ম্যান। চোখের পলকে সবতো আপনেই ঠিক করবার পারবেন।
৩৫|
২৩ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
ফিউজিটিভ বলেছেন: জ্বীনকে আইপি সহ ব্যান করা হউক।
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১২
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: ব্যানটা করবো কারে? আমারে নাকি জ্বিনরে?
৩৬|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৪
অধ্যাপক বলেছেন: ভাই আপনি রেগুলার পোষ্টাইয়েন। অনেকদিন পরে নির্মল বিনোদন পাইলাম।
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৬
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: জ্বি.....আপনারে ধন্যবাদ। তবে নির্মল বিনোদন মার্কা পোস্ট আমি একটু কম পোস্টাই।
৩৭|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৯
অধ্যাপক বলেছেন: হমমম.....জ্বিন ও মানুষের মধ্যে মহব্বত জায়েজ আছে?
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৬
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: তাতো জ্বানি না ভাই। মহিলা জ্বিন পাইলে জিগাইয়া দেখবার পারি।
৩৮|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৩
নেমেসিস বলেছেন: শেরিফ জীবনের সংগা কি ?
যাই হউক পনে আর এফ আই দীপু দুইজনে মিল্যা একট শো এর সিস্টেম করেন । আইতেসি আমি ..........
৩৯|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
কানা বাবা বলেছেন:
ব্যাপক তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট...
পোস্টের লাইনে লাইনে গভীর প্রজ্ঞার ছাপ দৃষ্টিকটুরকমের প্রকট হয়ে উঠেছে ...
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩১
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: ভালো বললেন নাকি খারাপ বললেন বুঝলাম না।
৪০|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
কানা বাবা বলেছেন:
আর কেম্নে বুজাইতাম!
আমার এলেমে ধোর্তাচেনা...
৪১|
২৫ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭
শয়তান বলেছেন: জ্বীন পালতে চাই । একটা ধরে দিন না
৪২|
২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:১৪
নেমেসিস বলেছেন: শো কবে হৈবো ?
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২২
হটডগ বলেছেন: