নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আবদুস ছাত্তার

ছাত্তার

আমি আবদুস ছাত্তার। সুইডেন এর রয়াল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাষ্টার্স পাস করে এখন বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় আছি। আমি সকলের দোয়াপ্রার্থী।

ছাত্তার › বিস্তারিত পোস্টঃ

এইচ এসসি তে বাধ্যতামুলক কম্পিঊটার বিষয়টি যন্ত্রনার বিষয় না হয়ে দাঁড়ায়...

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:২২

আমার এক সহকর্মীর রিলেটিভ পড়ে এইচএসসি তে। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সে। কম্পিঊটার সাবজেক্ট নাকি ক্লাসে কিছুই বুঝে না, তাই আমার কাছে আসা। তার আগে বলে রাখি এই কম্পিঊটার সাবজেক্টটি এখন নাকি এইচ এসসি তে সকল বিভাগ (সায়েন্স, আর্টস এবং কম্মার্স) এর জন্যে বাধ্যতামুলক। আমি বইটার সবগুলো অধ্যায় এবং অধ্যায়ের বিষয় গুলো দেখে যা বুঝলাম এই কোর্সে (কম্পিউটার বেসিক, প্রোগ্রামিং সি, নেটওয়ার্কিং, ডাটাবেস, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারনেট, হার্ডওয়ার, ডিজিটাল ইলেক্ট্রিনিক্স এবং অন্যান্য)। সব মিলিয়ে বইটা তে ৪বছরের কম্পিঊটার অনার্সের অনেক কিছুই এই বইতে দেখতে পেলাম। এইচ এসসি তে পড়া একজন ছাত্র-ছাত্রী কম্পিউটার বিসয়ে এত কিছু জেনে যাবে এই কলেজ লেভেলে এসে এবং একটি সাবজেক্ট পড়েই এইটা সত্যি ভাবতে আমার নিজেরই অনেক ভালো লাগতেছে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিভাগের শিক্ষক হয়ে।



এই সাবজেক্টের কন্টেন্টস নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নাই, আমার প্রশ্ন হইলো এই সাবজেক্টি কারা পড়াচ্ছে? এবং যারা পড়াচ্ছে তাদের যোগ্যতা কি? আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি এই সাবজেক্টি কম্পিউটার বিষয়ে অনার্স করা ব্যাতীত কোন শিক্ষক এই সাবজেক্টি পড়াইতে পারবে না। এই সাবজেক্ট পড়ানোর জন্যে দরকার প্রত্যেকটি কলেজে কম্পিঊটার ল্যাব, কম্পিঊটার ল্যাব ব্যাতীত এই সাবজেক্ট পড়ানো ফাকিবাজি ছাড়া আর কিছুই হবে না। তার মধ্যে লাগবে প্রোগ্রামিং এবং ওয়েভ ডেভেলপিং এর সফটওয়ার, এবং ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্স বুঝানোর জন্যে দরকার হবে ডিজিটার লজিক ডিজাইন ল্যাব। এখন কথা হলো এই ল্যাব কি সেটআপ করা আছে?



আমি আবারও বলি এই কোর্সের পক্ষে আমি...এই কোর্সের কন্টেন্টস আমার যথেষ্ট পছন্দ হইছে... কিন্তু কোর্স যখন ডিজাইন করা হইছে তখন ওই কোর্সের কন্টেন্টস গুলা পড়ানের জন্যে শিক্ষক, ল্যাব এই দুইটা যে অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন সেইদিকে কি কতৃপক্ষের কোন দৃষ্টি নাই? নাকি কতৃপক্ষ মনে করতেছে ২/৩মাসের একটি কম্পিউটার কোর্স কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিক্ষকদের শিখিয়ে নিলেই হবে। আর এই ২/৩মাসের পড়াটাই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ২বছর ধরে শুধু মুখস্থ করাইয়া যাবে। থিউরিটিক্যালে সে হার্ডওয়ার, প্রোগ্রামিং, ওয়েব সাইট ডেভেলপিং , নেটওয়ার্কিং শিক্ষবে। যার কারনে এই সাবজেক্ট টা ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকদের কাছে একটি যন্ত্রনা ছাড়া আর কিছুই হবে না। আর বিষয়টি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে কোন প্রায়োগিক সুফলই যদি না থাকলো তাহলে এইটি তাদের উপর নিছক চাপিয়ে দেয়া ছাড়া আর কিছুই না।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৫১

নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকে 'কম্পিউটার শিক্ষা' নামের যে সাবজেক্ট পড়ানো হয়, তা কেবল অনার্স লেভেলে কম্পিউটার সায়েন্স নিতে চায় এরকম শিক্ষার্থী ছাড়া কারো তেমন কোন উপকারে আসবেনা। কম্পিউটারের ইতিহাস, প্রজন্ম, সংখ্যা পদ্ধতি, ডেটা এ্যানালিসিস, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, প্রোগ্রামিং, ডাটা স্ট্রাকচার এ্যাল্গরিদম, লজিক গেট এগুলো ব্যবহারিক জীবনে কোন কাজে আসেনা। এগুলো পড়ে কেবল শিক্ষিত ছাগল হচ্ছে ছাত্ররা।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের যদি সত্যিই ছাত্রদেরকে যুগোপযোগী করে তোলার ইচ্ছে থাকে, তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, নেটওয়ার্কিং, ডেটাবেস আর ব্যবহারিক সফটওয়্যারের দিকে ছাত্রদেরকে মনোযোগী করে তোলার চেষ্টা করা উচিত।

২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০১

ঢাকাবাসী বলেছেন: এদেশে কোনটা শেখানো উচিৎ কোন বিষয়ে জোর দিলে ভাল হয় এসব বোঝার মত মস্তিষ্ক নাহিদের চামচাদের মাথায় থাকলে তো। নাহিদের নিজের মাথাতেই নেই তো চামচাদের! ঐ শিক্ষকদের 'আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স' বানান জিজ্ঞেস করুন তো । শুয়ে পড়বে!

৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১৬

মফিজ বলেছেন: আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,ওয়েভ লিখছেন কেন?

৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৩

নাহিদ হাকিম বলেছেন: আমরা কী শিখছি আর খাচ্ছি এ দুটোর একটিও জানি না।

৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০৪

সাইফুর রহমান(সাইফ) বলেছেন: আপনার কাছে তাও একজন ছাত্র বুঝতে এসেছিলো কিন্তু আমার কাছে ঐ সাবজেক্টটা বুঝতে আসেন একজন শিক্ষক যিনি কিনা ছাত্রদেরকে পড়াবেন। :)
তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে বইটি আরেকটু সহজ করা উচিৎ ছিলো কারণ, সবাইকে যদি সব বিষয় পড়ার জন্য বেশি বেশি সময় ব্যয় করতে হয় তাহলে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর অধিক দক্ষ হওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। যাই হোক, তবুও শিখতে পারলেই ভালো।

৬| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০২

ভিটামিন সি বলেছেন: বইটি আমি দেখেছি ও পড়েছি প্রায় পুরোটা। আমরা ৪ বছরে যা পড়েছি তাই সংক্ষিপ্তাকারে সংযোজন করে বইটি করা হয়েছে। বইটির পুরো কোর্স আমার কাছেও ভালো লেগেছে। আমি সরকারী পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা করা। আমি এই ক্লাশ করাতে পারবো। ওয়েব ডেভেলপিং, প্রোগ্রামিং, নেটওয়ার্কিং, ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্স এইসব বড় বিষয় সবগুলি একসাথে না দিয়ে দুই বা তিনটা বিষয় দিলেই হতো বলে আমি মনে করি। অবস্থা যা দাঁড়াইছে, ছাত্ররা ঠাডা মুখস্ত করবে আর খাতায় উগড়াবে। কারণ এই কোর্স পড়াতে যে অবকাঠামো, উপকরণ লাগবে এই বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ সহমত লেখকের সাথে। তাছাড়া সাইন্স, আর্টস কমার্সের মতো করে ঢালাওভাবে সবারই পড়তে হবে এটাও ঠিক হয় নাই। লজিক গেট, বুলিয়ান এলজেবরা, ডিসক্রিট ম্যাথমেটিক্স, এ্যালগরিদম যদি পারতোই তাহলে তো আর ছাত্র ছাত্রী আর্টসে যেতো না। সবাই সাইন্সেই পড়তো।

৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪২

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি খুব ভাল একটা পয়েন্ট নিয়ে লিখেছেন।

নিজের অনেকদিন আগের অভিজ্ঞতা থেকে বলি - ১৫/১৬ বছর আগেও আমাদের ইন্টারমিডিয়েটের সিলেবাস যথেষ্ট কঠিন ছিল এবং সায়েন্স, ম্যাথ এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে পড়াতে পারেন এমন কোন শিক্ষকই কলেজ জীবনে পাইনি। এসএসসি পর্যন্ত যে বেসিকটা তৈরি হয়েছিল (এসএসসির সিলেবাস তুলনা মুলক সহজ ছিল বলেই হয়তো), সেটা ইন্টারমিডিয়েটে এসে ভাল শিক্ষকের অভাবে নষ্ট হলো।

সায়েন্স, ম্যাথ এর জন্য আমাদের অনেক অনেক গুন ভালো শিক্ষকের দরকার, সাথে প্রয়োজনীয় অন্য সব উপকরণ। স্কুল কলেজ লেভেলে ভালো শিক্ষক কিভাবে পাওয়া যায় এ বিষয় নিয়ে তেমন আলোচনা বা প্রচেষ্টা দেখি না।

শুভকামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.