নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অ আ ক খ

আমার ব্লগে স্বাগতম

অন্তহীন বালক

কোন এক সাদাকালো বালক, যে তার প্রিয়তম বালকাকে খুজে ফেরে...

অন্তহীন বালক › বিস্তারিত পোস্টঃ

অল্প দর্শনে লোকে নাস্তিক হয়, কিন্তু দর্শনের মধ্যে ঢুকলে তাকে ধার্মিক হতেই হয়।

০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৩৯

"অল্প দর্শনে লোকে নাস্তিক হয়, কিন্তু দর্শনের মধ্যে ঢুকলে তাকে ধার্মিক হতেই হয়।" __ ফ্রান্সিস বেকন



শিরোনামেই ফ্রান্সিস বেকনের বিখ্যাত উক্তিটি তুলে ধরলাম।

আমি নাস্তিকতাকে ঘৃণা করি, নাস্তিকদের নয়। কারণ SSC এর পর থেকে বেশির ভাগ সময় কেটেছে এই নাস্তিকদের সংস্পর্শে। এক সাথে উঠাবসা, এক প্লেটে খাওয়া, এক সাথে ঘুমানো। তাদের মুখেই প্রথম শুনি আরজ আলি মাতুব্বর, অভিজিৎ, আসিফ মহিউদ্দিনদের নাম। এদের মতাদর্শ মেনে নিতে পারি নি তবে এদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের অনেক কিছু শিখেছি।



ইন্টারমিডিয়েটে পড়ার সময় আমি যে মেসে থাকতাম, সেই মেসেই আমার দুজন বড় ভাই ছিল নাস্তিক। ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে কিছু ফ্রেন্ড পেলাম নাস্তিক। তবে তাদের মধ্যে একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, তাহল, তারা মানসিক শান্তি নামক কিছুই পেত না।



একবার এক বড় ভাই আমাকে বোঝাচ্ছে, “ধর্ম হল বৃত্তের মত। তোমাকে এর গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখবে। অর্থাৎ এটা হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসের বাইরে তুমি যেতে পারবে না। আর বিজ্ঞান এই বৃত্তের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে সবকিছু প্রমাণ করার চেষ্টা করবে। বিজ্ঞানে বিশ্বাসের কোন মূল্য নেই”।



আমার কথা হল, আমি যদি বিশ্বাসের মধ্যেই শান্তি পায়, মানসিক পরিতৃপ্তি পায়, তবে কি দরকার বৃত্তের বাইরে যাওয়া? তবে জানতে চাই অনেক কিছুই। আমাদের জানার পরিসীমা অনেক। সবকিছু জানবো, কিন্তু আমার কাছে মানসিক শন্তিটাই প্রধান।



মনস্তাত্তিকেরা বলেন, “সত্যকারের যে ধর্মপরায়ন, তার মনরোগ জন্মায় না”।

উইলিয়াম জেমস এর কথা, “বিশ্বাস এমন একটা শক্তি, যার উপর নির্ভর করেই মানুষ বেঁচে থাকে, আর এর অনুপস্থিতি মানেই ধ্বংস অনিবার্য”।

বুদ্ধের পর ভারতের অন্যতম নেতা মহাত্মা গান্ধীও প্রার্থনার শক্তিতে উজ্জীবিত হয়েছিলেন। গান্ধী নিজেই বলেছেন, “প্রার্থনা ছাড়া অনেক আগেই আমি পাগল হয়ে যেতাম”।



প্রার্থনা জীবনে শান্তির বারতা বয়ে আনে। দুশ্চিন্তা নিরাময়ের একমাত্র ওষুধ হল ধর্মে বিশ্বাস রাখা। প্রার্থনারত অবস্থায় যে শান্তি ও পরিতৃপ্তি পান, তা পৃথিবীর আর কোথাও পাবেন না।



অনেকেই আছেন যারা ভাবেন, “ধর্ম হল মেয়েমানুষের, শিশুদের আর ধর্মপ্রচারকদের জন্য”। তারা অহঙ্কার করেন ‘পুরুষ’ মানুষের মতই তারা নিজেদের সামলাতে পারেন।

তারা হয়ত আশ্চর্য হবেন এটা জেনে যে, পৃথিবীর বহু বিখ্যাত ‘পুরুষ’ মানুষ সবসময় প্রার্থনা করে থাকেন।



বহু বিজ্ঞানীরাও আজ ধর্মের প্রতি ঝুকেছেন। যেমন বিজ্ঞানী ডঃ ক্যারেল ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’ এ এক প্রবন্ধে লেখেন, “প্রার্থনার মধ্য দিয়েই একজন মানুষ বিরাট শক্তি তৈরি করতে পারে। এ এমন এক শক্তি যা মহাজগতিক শক্তির মতই বাস্তব। রেডিয়াসের মতই আলোকময়, স্বতনিঃসারিত এক শক্তি”।

তাই, শুধু শান্তির আশায়, মানসিক তৃপ্তির আশায় ধর্মই হচ্ছে একমাত্র পাথেয়।



আজ আসিসির সাধু ফ্রান্সিসের মত বলতে ইচ্ছা করে, “হে ঈশ্বর, আমাকে শান্তির কাজে নিয়োজিত করুন। যেখানে ঘৃণা আছে, সেখানে আমার ভালোবাসার বীজ বপন করতে দিন। যেখানে আঘাত আছে, সেখানে মার্জনা করতে দিন। যেখানে সন্দেহ, সেখানে দিন বিশ্বাস। যেখানে হতাসা, সেখানে আসুক আশা। যেখানে অন্ধকার, সেখানে আসুক আলোক। হে প্রবিত্র প্রভু, আমি সান্ত্বনা চাই না- সান্ত্বনা দিতে চাই- ভালোবাসা চাই না, ভালোবাসতে চাই- ক্ষমা করলেই যেহেতু ক্ষমা পাওয়া যায়, তাই মৃত্যুর মধ্যেই ফিরে পাই অনন্ত জীবন”।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৪১

মদন বলেছেন: +

০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৫০

অন্তহীন বালক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৪৯

নয়ামুখ বলেছেন: 'অল্প বিদ্যা ভয়ন্করী' - কথাটি বাংলাদেশের তথাকথিত নাস্তিকদের বেলায় খুবই উপযুক্ত।

০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৫৬

অন্তহীন বালক বলেছেন: তাদের মধ্যে অনেক প্রতিভা আছে, কিন্তু তারা সেই প্রতিভার অপব্যবহার করে। তারা যদি তাদের মূল্যবান মেধা দিয়ে মানব কল্যানে ব্যয় করতো, তবে জাতি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকতো।

৩| ০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৫০

শিব্বির আহমেদ বলেছেন: +

০৩ রা জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৫৭

অন্তহীন বালক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:১৬

ইউক্লিড রনি বলেছেন: এতো এতো ধর্মবাদ। এতো মানুষের এতো কথা। ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্ত মানুষের এখন অভাব নেই। অধিকাংশ সময়ে এদেরকেই আমরা নাস্তিক ট্যাগ দেই কিংবা তারা নিজেরাই না বুঝে নিজেকে নাস্তিক দাবী করে।

আর ছাগুদের কল্যাণে আজ অনেক সাধারণ মানুষের মুখেই আজ শোনা যায়, ব্লগার মানেই নাস্তিক। ব্লগ মানেই ধর্ম নিয়ে বাজে কথা লেখা। যদিও তারা কখনো কোন ব্লগে ঢুকে দেখে নাই।

০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:২৮

অন্তহীন বালক বলেছেন: নাস্তিক সেইটা বড় বিষয় নয়, বড় বিষয় হচ্ছে অন্যের ধর্মানুভুতিতে আঘাত হানা। সে নাস্তিক হয়েছে তাতে আমার কি, হতেই পারে। অনেক নাস্তিক ফ্রেন্ডের সাথে চলাফেরা করি, আমার তো কোন সমস্যা হয় না। তাই বলে আমার ধর্ম নিয়ে মুক্তচিন্তার রসদ বসাবে, বাকস্বাধীনতার নামে আজেবাজে কথা বলবে, এইটা সহ্য করতে পারবো না।


উগ্র নাস্তিকতা ও কাঠমোল্লাদের এড়িয়ে চলি সবসময়।।

৫| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:৪০

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: ফ্রান্সিস বেকন মধ্যযুগের কবি।
আধুনিক যুগের দার্শনিক বারট্রান্ড রাসেল বোধ হয় কিছুই জানতেন না। হা..হা..হা..
ধর্ম বিশ্বাসের ব্যাপার । বিজ্ঞান কোনো বিশ্বাসের ব্যাপার নয়। যারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্ম প্রমাণ করতে যান তাদের কোনো ঈমান নেই।
তথাকথিত ধর্ম ভীরু কিছু লোকের বক্তব্য দেখছি আপনার পোস্টে।
প্রথম কথা হলো জাগতিক বিচার বুদ্ধিকে এড়িয়ে তারাই যে কোনো বিশ্বাসকে আকড়ে ধরে, যারা দুর্বল মনের মানুষ।

০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:০২

অন্তহীন বালক বলেছেন: আমি আমার পোস্টে মানসিক শান্তিটাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আমি যদি ধর্মকে বিশ্বাস করে মনে শান্তি পায়, ছোট ছোট দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পায়, তবে কেন আমি ধর্ম বিশ্বাস করবো না?

আর আমি বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মকে প্রমাণ করতে চাই না। আমি আমার বিশ্বাসেই থাকতে চাই।

আর জগতে জানার পরিসীমা বিস্তৃত। তাই অনেক কিছু জানুন, তবে মানসিক পরিতৃপ্তির জন্য, দুশ্চিন্তামুক্ত বেঁচে থাকার জন্য ধর্ম অপরিহার্য।।

৬| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: অল্প দর্শনে লোকে নাস্তিক হয়, কিন্তু দর্শনের মধ্যে ঢুকলে তাকে ধার্মিক হতেই হয়। মধ্যযুগীয় আবালীয় উক্তি। এটা মোটেই বৈজ্ঞানিক উক্তি নয়।

কার দর্শন অল্প দর্শন আর কার দর্শন গভীর দর্শন সেটা প্রমাণ করবেন কিভাবে??
কার্ল মার্ক্স বা বারট্রান্ড রাসেল েএরা অল্প দার্শনিক আর বেকন হলো বড় দার্শনিক ??
হা..হা..হা..হা..

০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:০৯

অন্তহীন বালক বলেছেন: আমি আবারো বলছি, এখানে বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মকে প্রমাণ করতে আসি নি। বিজ্ঞান আর ধর্ম দুইটা দুইপাশে রাখেন। একটা প্রমান আরেকটা বিশ্বাস।

আর কার দর্শন বেশি তা আমার জেনে লাভ নেই। আমি কোনটা তে সন্তুষ্ট, সেটাই আমার কাছে বড় বিষয়।


উগ্র নাস্তিকতা ও কাঠমোল্লাদের সর্বদা এড়িয়ে চলি। এরা আমার থেকে দূরে থাকুন। আমি আমার মত চলবো।

৭| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:১১

চাঁন মিঞা সরদার বলেছেন: ধর্ম ও বিজ্ঞান দুটোকে বিপরীত দিকে দাড় করিয়ে কারা??

০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:২১

অন্তহীন বালক বলেছেন: তাইলে আপনি প্রমাণ করিয়ে দেখান?

সেখানে অনেক গলদ আছে।

৮| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:২২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এটাতো চিরন্তন সত্য।

অল্প জানা লোকের অহংকার বেশী থাকে।

আমাদের চাওয়া কি সেটাই মূখ্য। শান্তির পথে যা আমাদের চালিত করে অবশ্যই তা কল্যানের!!!!!


০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ৯:৫৩

অন্তহীন বালক বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন।
আমাদের কাছে শান্তিটাই প্রধান। সে যে যেভাবে পারুক, সেভাবে শান্তিতে থাকুক- এটাই কাম্য।

ধন্যবাদ, আপনার কমেন্টের জন্য।

৯| ০৩ রা জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:৩২

চাঁন মিঞা সরদার বলেছেন: আমি আপনার কাছে মূলত জানতে চাচ্ছি।

০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ৯:৫৬

অন্তহীন বালক বলেছেন: আমার কাছে বিজ্ঞান আর ধর্ম দুটো দুই রকম। একটাকে অন্যটার সাথে মিশাতে চাই না।
বিজ্ঞানে অনেক কিছু জানতে পারি, আর ধর্মে পায় স্বস্তি।
আর আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না।
ধন্যবাদ ।

১০| ০৩ রা জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৮

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আমার ঈশ্বরকে নিয়ে কোনো মাথাব্যাথা নেই। তিনি থাকলে আছেন , না থাকলে নাই। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো চাওয়া পাওয়ার সম্পর্ক নেই। আপনি যেহেতু বিশ্বাস করেন, কাজেই আপনার কাছে জানতে চাই সৃষ্টিকর্তার স্বরুপ কেমন। এ নিয়ে আমার একটি পোস্ট রয়েছে। সেখানে কিছু প্রশ্ন আছে। উত্তর দেবেন আশা করি।
পড়ার আহবান জানাই
Click This Link

০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ১০:৪১

অন্তহীন বালক বলেছেন: আপনার পোস্টটি পড়লাম।
মানুষ সবসময় স্বস্তি খোজে। আপনি 'সৃষ্টিকর্তার স্বরুপ কেমন?' এই প্রশ্নে সর্বদা পেরেশানির মধ্যে থাকেন। কিন্তু আপনার মধ্যে যদি বিশ্বাস থাকে, মনে ভয় থাকে- তখন আপনি এই প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করবেন না। আমাদের কাছে মানসিক শান্তিটাই কি আসল না?

আর আমি বিশ্বাস করি, সৃষ্টিকর্তা নিরাকার। সৃষ্টিকর্তাকে কোন আকারের ফ্রেমে না বেঁধে সর্বময় স্থানে কল্পনা করি।

১১| ০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ৮:৫০

খেয়া ঘাট বলেছেন: মোহনীয় সুন্দর, বিশ্বাসের মতো শান্তিময় সুন্দর।

০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ১০:০০

অন্তহীন বালক বলেছেন: আপনাকে যতই আমার পোস্টে দেখছি, ততই মুগ্ধ হচ্ছি।
আপনার কিছু লেখা পড়লাম। আপনি অনেক ভালো লেখেন।

আমি হয়তো তেমন লিখতে পারি না। নতুন হাতে ধরলে যা হয় আর কি।

আপনার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।।

১২| ০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ১০:১০

মাইন রানা বলেছেন: অল্প বিদ্যা ভয়ংকরের মতো অল্প জ্ঞানীরা নাস্তিক হয় কিছু নাস্তিকের সাথে থেকে এটা আমার নিজের ধারনা।

তারা নিজেরা খুব আশান্তিতে থাকে

০৩ রা জুন, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

অন্তহীন বালক বলেছেন: একটা প্রশ্নের উত্তর খুজতে থাকলে যতক্ষন না পর্যন্ত সেই উত্তর পাওয়া যায় সেটা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা থাকে। তারা জ্ঞানী ঠিক আছে তাই বলে তারা তো জ্ঞানের পরিসীমা অতিক্রম করে নাই।

আমার কাছে মানসিক শান্তিটাই মুখ্য।
দুর্জন লোক বিদ্বান হইলেও পরিতায্য।

ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য।

১৩| ০৪ ঠা জুন, ২০১৩ সকাল ১১:১৮

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: ''আপনার মধ্যে যদি বিশ্বাস থাকে, মনে ভয় থাকে- তখন আপনি এই প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করবেন না।''

লোভ, ভয় আর বিশ্বাস থেকে কখনোই মহৎ কিছু আসে না। বাড়াটারান্ড রাসেলের মতে ভয় হলো সমস্ত নিষ্ঠুরতার জনক ও জননী।

আর আমি তো সস্তিতেই আছি। সষ্টার সাথে আমার কোনো চাওয়া পাওয়ার সম্পক নেই। আর আমি দুবল নই। মানুষের আছে স্বাধীন চিন্তা করার ক্ষমতা। আদিম লোভ আর ভয়ের উধে্ উঠে স্বাধীন চিন্তা করার শক্তি অজন করলে ফালতু অস্বস্তির বিষয় থাকবে না।

মূলত সষ্টা আছে কি নেই তা নিয়ে আমার কোনো মাথাবাথা নেই। তিনি থাকলে আছেন, না থাকলে নাই। দোযখের ভয় আর বেহেশতের লোভ করি না। আমি মানুষ ভালো। ভালো মানুষ হিসেবে থাকতে চাই। মানুষের ধম্মো পরিচয় আমার কাছে গৌণ।

যাইহোক সেলিম মামার কাহিনীটা পড়েছেন?? যৌক্তিক নয় কি??


আমার মামার এক নাস্তিক বন্ধু ছিলেন, নাম তাঁর সেলিম। একদিন মামার বাড়িতে খেতে বসেছি, এমন সময় তিনি হাজির হলেন। তিনিও খেতে বসে গেলেন। যথারীতি ধর্ম প্রসঙ্গ আসলো। তিনি ধর্ম সম্পর্কে কিছু কটু বাক্য বর্ষণ করলেন। এমন সময় আমার ধামিক মামী হায় হায় করা শুরু করলেন। মামির নাম আসমানী।
এক পর্যায়ে সেলিম মামা বললেন, শোন আসমানী বেগম যদি বেহেশতো-দোযথ থেকেই থাকে, তাহলে বলতো তুই আগে বেহেশতে যাবি নাকি আমি যাব? মামি চুপ।

সেলিম মামা বললেন, হাশরের ময়দানে আল্লাহ তোকে বলবে, আসমানী বেগম.., জন্মের পর থেকে তোর পরিবার-সমাজ বলেছে, ‘আমি আছি। আমি দয়ালু। তাই তুই আমাকে সেভাবেই মেনেছিস, আমাকে ভালো ভেবেছিস।’ কিন্তু তোর পরিবার এবং সমাজ যদি বলতো আমি শয়তান। তাহলে তুই তো আমাকে শয়তানই ভাবতিস। তোর তো নিজের কোনো আক্কেলবুদ্ধিই হয়নি। আমি সমগ্র মানবজাতিকে প্রথমে পড়াশোনা করতে বলেছি। জ্ঞানার্জনের কথা বলেছি। তুই তো আমার প্রথম নির্দেশই পালন করিস নাই। তুই তো আমাকে বিচার করার ক্ষমতাই অর্জন করিস নাই ।

কিন্তু এই সেলিম ছেলেটি পড়াশোনা করেছে। জ্ঞানার্জন করেছে। নিজের বিবেককে জাগ্রত করার চেষ্টা করেছে। পরে, ওর মনে হয়েছে, আমি নেই। তাতে কি হইছে? এতে তো আর মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়নি। সেলিম ছেলেটি আর যাইহোক কারও ক্ষতিতো করে নাই। আর গাধা আস্তিকের চেয়ে বিবেকবান নাস্তিক আমার কাছে শ্রেষ্ঠ। কাজ্যেই সেলিম তুমি যাও, তুমি বেহেশতে গিয়ে ফূর্তিফার্তা শুরু করো। এদিকে দেখি, আসমানীর মতো মাদি ছাগলদের কি ব্যবস্থা করা যায়!!

হা..হা..হা..
কাজেই বিবেকহীন আস্তিকেরা , সাবধান

০৬ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৪৬

অন্তহীন বালক বলেছেন: ভাই, নিজেরে এতো জ্ঞানী ভাবার দরকার নাই।
সবাইরে বিবেকহীন মনে কইরা খুব পার্ট লও।।
পাব্লিকের পুন্দানি খাইলে সব জ্ঞান মাটিতে খইসা পড়বো।।

আমি এইসব উগ্র জ্ঞানীদের থেকে আস্তিকদের বেশি পছন্দ করি।।

১৪| ১২ ই জুন, ২০১৩ রাত ১১:৩৩

আরজু পনি বলেছেন:

আস্তিক হয়েই শান্তিতে আছি...একবার আস্তিকতা নিয়ে সংশয়ে পড়েছিলাম...তখনকার অস্থির সময়গুলো পার হয়ে গেছে বলে সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

১৩ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১০:০২

অন্তহীন বালক বলেছেন: আপু, আপনার প্রথম কমেন্ট আমার ব্লগে।

আমাদের মানসিক শান্তিটাই মুখ্য। অশান্তির গডডালিকা প্রবাহের মধ্যে না ভেসে শান্তির ধর্ম পালনে অনেক সুখ। আমি যদি ধর্মের মাধ্যমে স্বস্থি পায়, কেন আমি অধর্ম বেছে নেব??

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপু।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.