| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ ছায়েদ অাহমদ
অামি একজন সাধারন পাবিলক মানে ধুম পাবলিক!!
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম
ঢাকা: ছয়টি কমলা আর রান্না করা খাবার নিয়ে শাহবাগে এলেন এক মা। আন্দোলনকারীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করতেই তিনি শাহবাগে এসেছেন বলে নতুন বার্তাকে জানিয়েছেন।
মিরপুরের বাসিন্দা শাম্মী আক্তার মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে জাতীয় জাদুঘরের দক্ষিণ পাশে এ খাবার নিয়ে আসেন।তিনি রাস্তার পাশে বসে থাকা তরুণদের খাবার দিয়ে বলেন, “তোমরা আট দিন ধরে এখানে পড়ে আছো। আর আমরা মা হয়ে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাই তোমাদের জন্য খাবার নিয়ে এলাম।”
শাম্মী আক্তার আরো বলেন, “আমার স্বামী ব্যবসায়ী এবং ছেলে-মেয়ে দুজনই প্রবাসী। শাহবাগের তরুণদের মধ্যে আমি আমার ছেলেমেয়েকে খুঁজে পাই।”
এভাবেই প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শাহবাগে আন্দোলনরত তরুণদের খাবারের ব্যবস্থা করছে।
মঙ্গলবার শাহবাগ স্কয়ারের মূল মঞ্চে খাবার সরবরাহ করে বাংলাদেশ ব্যাংক সিবিএ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও জেড এইচ শিকদার ওমেনস মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল।
খাবার বিতরণ করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি নেসার আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংক সিবিএ সভাপতি হাসানুল হাবিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের। এই দুই সংগঠন দুই হাজার রুটি, এক হাজার কলা, দুই হাজার কুলবরই আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করেন।
এদিকে, ট্রাকে করে তেহারি বিতরণ করেন জেড এইচ শিকদার ওমেনস মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল।
এ ছাড়া, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলো আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করে।
খাবারের বিষয়ে ব্লগার শাহিন নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “আসলে, খাবারের বিষয়টি এখানে মুখ্য নয়। আমরা দিনে কবারই-বা খাই। আমাদের দাবি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি।”
নতুন বার্তা/সাআ/এইচকেএ/মোআ
২|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২১
shfikul বলেছেন: স্যালুট এই মাকে।
৩|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৫
অশ্রুহীন মন বলেছেন: “তোমরা আট দিন ধরে এখানে পড়ে আছো। আর আমরা মা হয়ে ঘরে বসে থাকতে পারি না। তাই তোমাদের জন্য খাবার নিয়ে এলাম।”
স্যালুট মাকে
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৪
সুখোই-৩৫ বলেছেন: ভাই আমার চোখে পানি এসে গেল ভাই। কিবোর্ড ঝাপসা হয়ে গেছে, ঠিকমত টাইপ করতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমি এ অশ্রুজল মুছবো না। এ যে আমার গৌরবের অশ্রুজল।আমি জানি, আমি জানি কিভাবে এ জাতির মায়েরা সেই উত্তাল দিনগুলোতে তার সন্তানদের খাবার সরবরাহ করেছিল।
-বাংলা মায়ের এক গর্বিত সন্তান