নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

.

"সত্য যখন আসে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়। মিথ্যা বিলুপ্ত হবারই জন্য"

ডিং ডং হুশ

ডিং ডং হুশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সত্যতা জানিনা, কিন্তু অবিশ্যাসযোগ্য নয় !!

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৩

লিখাটা FACEBOOK এর একটি পেজ থেকে। তাদের ম্যাসেজ বক্সে জমা পরা একটি অনুরোধ তারা তুলে ধরেছেন, এমনটাই লিখা ছিল ... বাকি আর কিছুই জানিনা। কিন্তু না জেনেও শেয়ার করেছি এবং সামু-তেও লিখছি। কারন হল, এমন একটি ঘটনা যা মিথ্যা হলে তো হল, কিন্তু সত্য হলে খুবই ঘৃণীত এবং লজ্জাজনক ... এবং বড় বিপদজনক। আর দ্বিতীয় কারন ঘটনার স্থান "জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়"(যা নিম্নক্ত কারনে বিখ্যাত) !!!

নিচে ম্যাসেজটি যেভাবে পরলাম wall এ ...

-----------------------------------------------------------------------------

"ভাই, আপনার কাছে একটা হেল্প চাই। জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে আমার এক বোন(কাজিন) আজ প্রথম ক্লাস করতে গেছে,আইটি ডিপার্টমেন্টে, ফার্স্ট ইয়ার। ভাই! বোনটা আমার সারাদিন কাঁদল, কাঁদল আমার খালা... কিছুই করতে পারলাম না ভাই! ও জাহানারা হলে থাকে। ওর ডিপার্টমেন্টের বড় আপুরা ওকে ডেকে শারিরীক এবং মানসিকভাবে লাঞ্চিত করে আধমরা করে দিয়েছে। ওর বড় আপুরা ওকে বলেছে ক্লাসের বড় ভাইদের কাছে গিয়ে তোমার ব্রেস্টের মাপ দিয়ে আসো...ভাই! সব বলতে পারছিনা। কাল ঐ বড় আপুরা সবাইকেই হলে থাকতে বলেছে, হল ছাড়া যাবেনা। আজ নাকি ওরা কেবল মাংস "ধুইছে", কাল "কশাবে"! ভাই, আমাদের প্রভাবশালী কোনো মামা/খালু নেই। আপনি তো ব্লগে লিখেন, এত বড় একটা গ্রুপ চালান, আপনি চাইলে হয়ত কিছু করতেও পারেন। আপনার ও বোন আছে, দয়া করে একজন ভাই হিসাবে একটু হেল্প করেন ভাই..."ক্লাসের প্রথমদিন নতুনদের উপর র্য্যাগিং নতুন কিছু নয়। প্রথমে র্যাগিং দিয়ে শুরু হলেও পরে ভার্সিটির বড় ভাই/নেতাদের মনোরঞ্জনে শরীরটাও বিকিয়ে দিতে হয় টিকে থাকতে হলে। খবরের কাগজে/ ব্লগে এগুলো নিয়ে পড়তে পড়তে অনেকের কাছে হয়ত ডাল-ভাতের মত হয়ে গেছে ব্যাপার টা। কিন্তু মনে রাখুন-আজ অন্য কারো বোন লাঞ্ছিত হচ্ছে, কাল হতে পারে আপনার বোন/আত্নীয় টিও। ফ্রেন্ডলিস্টের সবার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি,যে যেভাবে পারেন প্লীজ হেল্প করেন! আপনাদের ফ্রেন্ডলিস্টে জাহানীরনগর ইউনিভার্সিটির কেউ থাকলে প্লীজ এগিয়ে আসুন। আগামীকাল ঐ বোনটির লাঞ্ছিত হওয়া যেভাবে পারেন বন্ধ করেন। আর একটি মেয়েও যেন লাঞ্ছিত না হয়, আর একটি মেয়ের স্বপ্ন যেন অঙ্কুরেই শেষ না হয়ে যায়।

copied.



"সত্যতা জানিনা, কিন্তু অবিশ্যাসযোগ্য নয়। যারা কাছের মানুষ তারা ইকটূ খোঁজ নিবেন আশাকরি এবং সত্যতা পেলে প্রিতিরোধ করবেন তা তো বলার প্রয়োজন নেই"



(বিঃদ্রঃ সাময়িক এই পোষ্টটি সরিয়ে নেয়া হবে। একজন বোনের ব্যপার যা কোনভাবেই এড়িয়ে যেতে পারলামনা, তাই দিলাম)

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৮

লওল০০৭ বলেছেন: এইসব খবর বেশিরভাগ সময়ই জাহাঙ্গিরনগর ভার্সিটি থেকে আসে। শালারা বালের বরভাই আর বরভোন হইছে। রেগ নেওয়ার অনেক সুন্দর পদ্ধতি আছে। সিনিয়র হইছে বইলা নিজেদের বদখায়েশ মিটাবে। তারা বছরের পর বছর ধইরা জঙ্গলের কাছে থাইকা লেখাপরা করছে বইলা ভাবে যারা নতুন এখানে পরতে আসে তারাও জঙ্গল থেকে আসে। ওই মেয়েটিকে বলবেন যেন কালকে ভার্সিটিতে যাবার সময় গারডিয়ান সাথে কইরা নিয়া যায়।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৩

ডিং ডং হুশ বলেছেন: এটা একটা পেজ থেকে আমি পড়ে তুলে ধরলাম। আর আমি ওখানে আপনার দেয়া পরামর্শটাই তুলে ধরছি।

ধন্যবাদ ... :)

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫২

মিনহাজুল হক অনিক বলেছেন: ঘটনা পুরোপুরি না জেনে শুধু স্ট্যাটাস পড়ে এইরকম একটি বৃহৎ ব্লগে তা শেয়ার করা ঠিক হয়নি!!! আমি যতটুকু জানি এই রকম মোটেও কিছু ঘটেনি। আর ওই মেয়ে শুরু থেকেই ক্লাসে নার্ভাস ছিল। এমনকি তার কান্না দেখে তার এক সিনিয়র আপু তাকে পানি পর্যন্ত খাইয়েছে।

আর আজ সিনিয়র আপুরা সবাইকে হলে থাকতে বলেছে তার কারন হল, নতুনদের আগমন উপলক্ষে তাদেরকে খাওয়ানো হবে,তাই। র‍্যাগিং এর জন্য না।

আর ব্রেস্টের মাপের কথা পুরাই ভিত্তিহীন।

এখানে সবার জানা উচিত যে, র‍্যাগকে এখন ভার্সিটি ও সমর্থন করেনা এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যার সাইনবোর্ড আপনারা জাগাঙ্গীরনগর ভার্সিটিতে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবেন।

আমি যতদূর জানি ঘটনা এইরকম কিছুই ঘটেনি, যা ওই মেয়ে বলেছে। কিন্তু সে কেন এইরকম বলেছে তা বোধগম্য না। যারা চাক্ষুষ দেখেছে আপনি তাদের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৩

ডিং ডং হুশ বলেছেন: ১. আপনি মনেহয় লিখাটি পরার ক্ষেত্রে ইকটু তারাহুরো করেছেন। নাহলে সত্য/মিথ্যা না যেনে পোস্ট এর কথা তুলতেন না! !

২. আপনি বলেছেন বৃহত ব্লগ" ... দুঃখিত! ! আমার মত ভিন্ন। "লিখা দিয়েই ব্লগ বৃহত হয়, বৃহত ব্লগ দিয়ে ভালো লিখা হয়না. ঘটনা সত্য হলে কাল এটাই উচ্চ মর্যাদা পুর্ন"

৩। .সত্য/মিথ্যা যাচাই হয় তদন্তের মাধ্যমে, পোষ্টটি এর উদ্দেশ্য আশাকরি ওরকমই আছে। সমাজে মিথ্যাবাদী রাখাল বালকরা এখনোও আছে, কিন্তু এখন নেকড়ে বাঘদের খবরের সত্যতাও কম নয়।

(ধর্ষণের পর ব্যানার/ফেস্টুন হাতে দাড়ানোর চাইতে, ১০টাকা রিক্সা ভাড়া আগে খরচ করাটাই আমার কাছে উত্তম মনেহয়।
আফসোস এর সাথে ধর্ষণের কাহিনী বর্ননা এর থেকে, তা হতে না দেয়াটাই আমার কাছে বেশি জরুরি মনে হয়।
Facebook এর পক্ষে সাক্ষি দেয়া কমেন্টের যেমন আমার কাছে মুল্যহীন, তেমনি তার বিপক্ষে কমেন্টস আমার কাছে মুল্যহীন।
আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটাই, খারাপ কিছু হলে প্রতিরোধ কর।

(এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি অপ্রিতিকর ঘটনা এই বিশ্যবিদ্যালয় থেকেই যে ঘটেছে, তার reference হয়ত দেবার প্রয়োজন পরবেনা আশাকরি।)

ধন্যবাদ. আপনাকে মন্তব্য করার জন্য...

৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৩

কলম.বিডি বলেছেন: ঘটনা কি জানিনা আসলে। কিন্তু উপরের অনিক সাবের আচরণ আর প্রাণপণ চেষ্টা দেখে সন্দেহ গাঢ় হচ্ছে। বিচার হোক এই মেয়েদের,সিনিয়রদের। কাকে কাকের মাংস কায় না,কিন্তু মানুষ খায়, আর মেয়েরা তো পারলে ছিঁড়েখুঁড়ে আর একটা মেয়ের সম্মান খেয়ে দেয়। কে বাঁচাবে কাকে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৮

ডিং ডং হুশ বলেছেন: মেয়ে বা ছেলে বলে না। র‍্যাগিং এবং এর মত বাজে সংস্কৃতি গুলোকে শীঘ্রই বিলুপ্ত করা উচিত ... ।
ধন্যবাদ !!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.