নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি কেউ না।একদা পথ শিশু ছিলাম। বড় হয়ে এখন পথ মানব হয়েছি। বাবা এক দিন স্বপ্ন দেখানোর সুরে বলেছিলেনঃ দেখিস, এক দিন আমাদেরও....! আমার দেখা হয়নি কিছুই । এখনো অপেক্ষায় আছি কিছু একটা হবো, কিছু একটা দেখবো।
সারাদিন পেটের দায়ে নানান ধরনের ঝামেলার মধ্য দিয়ে যেতে হয় । কোন সময় পাওয়া যায় না । তাই বাজার করার জন্য বেছে নিতে হয় সন্ধ্যা বেলাটা।
আমি সাধারণত সাড়ে সাতটার পরে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হই বেশিরভাগ সময়ই ।
আজকাল বাজারে চলাফেরা করেছি মোহাম্মদপুরের আল্লাহ করিম জামে মসজিদের আশেপাশের এলাকাগুলোতে।
এই এলাকার দোকানগুলিতে ঘোরাঘুরি করতে ভালো লাগে। কারণ অসংখ্য দোকানপাট। পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্রেতা।
পরিবেশটা যেন গম গম করছে। দেখে মনে হয় যেন বৈশাখী মেলা বসে গেছে।
সে যাই হোক এখানে অসংখ্য দোকানপাট এর মধ্যে নানান ধরনের জিনিসপত্র সাজানো আছে। আমি মূলত কিনি কাঁচা বাজারের জিনিসগুলো।
বাংলাদেশের হিসাব মতে কোন দোকানে জিনিসপত্রের দাম লেখা থাকে না ।
তাই যে কোন দোকানে গেলে কমপক্ষে পাঁচটা জিনিসের দর দাম জিজ্ঞেস করতে হয়। যেমন পটল কত করে কেজি, আলু কত করে কেজি, পেয়াজ কত করে কেজি ইত্যাদি । দোকানদার অনেক সময় বিরক্তি সহকারে বলেন- একদম ১০০ টাকা, একদাম ১২০ টাকা ইত্যাদি।
জিনিসপত্র কেনা শুরু করার পূর্বে আমি কমপক্ষে দুই তিনটা দোকানে দাম যাচাই করি। তারপরে কেনা শুরু করি।
সমস্যাটা হয়ে যায় এখানেই । কোন দোকানে দাম জিজ্ঞেস করলে দোকানদার চায় আমি ওই দামেই কিনে নিই ।
কিন্তু কোন ক্রেতাই দোকানদারের চাওয়া ওই দামে কিনবে না । কেননা এরা ন্যায্য দামের থেকে অনেক বেশি দাম বাড়িয়ে বলে । যেহেতু প্রথমে কিনব না তাই শুধু দামটা জিজ্ঞেস করে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি কে কেমন দাম চাচ্ছে।
কিন্তু অসুবিধা হচ্ছে কোন দোকানদার আমার চেহারা দেখে আমাকে পাত্তা দেয় না।
যেমন আজকে কমপক্ষে সাতটা দোকানে আমি দাম জিজ্ঞেস করেছিলাম ।
জিজ্ঞেস করার পরে যেহেতু সাথে সাথেই আমি কেনার দাম বলবো না তাই প্রত্যেকটা দোকানী আমাকে বলেছে," তুমি কত দিবা? "
আমি তাদের এই প্রশ্নে অবাক হইনি । আমার কাছে মনে হয়েছে আমাকে মনে হয় দেখতে রিকশাওয়ালা , ভ্যানওয়ালা, দারোয়ান কিংবা ভিক্ষুকের মতো দেখতে লাগছে ।
নইলে আমি যেখানে তাদেরকে আপনি করে বলছি তারা আমাকে সরাসরি তুমি করে বলবে কেন ?
তাই এখন থেকে ঠিক করেছি - দোকানে যাওয়ার আগে টাই টুগ একটু ভালো করে বাঁধবো। গায়ে কালো কোট চরাবো। তারপরে বাজারে যাবো। যাতে দোকানদাররা আমাকে বড় কোন হামলা চোমড়া ব্যক্তি মনে করে এবং আপনি করে কথা বলে।
ভুলে গেলে চলবে না যে বিশ্ব বিখ্যাত কবি জনাব শেখ সাদীও তাঁর পোশাক-আশাক কম দামি ছিল বলে আমিরের বাড়িতে যোগ্য সম্মান পাননি।
আমি তো কবি ও না। তাহলে দোকানদাররা আমাকে কেন ন্যূনতম সম্মান করবে! দোকানদারদের কি দোষ?
অফ টপিকঃ বয়সের দিক চিন্তা করলে আমি কিন্তু অলরেডি হাফ সেঞ্চুরি পার করে ফেলেছি
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:২৩
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি কখনো কারো সাথে রূঢ় আচরণ করি না।
সবাইকে আপনি করে কথা বলি।
আজকাল আমি নিজেই অবাক।
আমি কি আবার বালক বয়সে ফিরে যাচ্ছি নাকি।
সবাই আমাকে যে ভাবে তুমি<তুই করে ডাকতে শুরুে করেছে।
২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১৬
সাইয়িদ রফিকুল হক বলেছেন: মোহাম্মদপুরের কাঁচাবাজারগুলোতে অন্যান্য জায়গার চেয়ে সব জিনিসের দাম একটু বেশি থাকে।
এরা সহজে দাম কমাতে চায় না। আমি থাকি মিরপুরে। এখানে, সব জিনিসের দাম তূলনামূলকভাবে একটু কম আছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৩৬
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
যে কোন মানুষই তার সুযোগ-সুবিধা তথা আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করেই বসবাসের এলাকা বেছে নেয়। আর ক্ষেত্রেও তাই। আমার একটু সুযোগ থাকলেই আমি আমার নিজ গ্রামে গিয়ে থাকতাম।
সেখানে আমার ১টাকাও ঘর ভাড়া দিতে হতো না।
৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৩৯
বিষন্ন পথিক বলেছেন: আশ্চর্য , সত্যি এই বিহেভ করেছে? কোট তাই পরে অল্প পরিমান কিনলে হয়তো আরো বাজে কথা বলবে।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১:২৪
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি আসলে মানুষকে স্টাডি করি ।
এ কারণে আমি প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকি এবং মানুষের আচার আচরণ বোঝার চেষ্টা করি ।
কে আমাকে আপনি বলল, কে আমাকে তুমি বলল, আর কে আমাকে তুই বলল এটা আসলে কোন বিষয় না ।
কারণ ওই লোক আমার আত্মীয়র না , আমার চাচা না, মামা খালু না, ভাই , ব্রাদার কেউ না ।
কিন্তু তারা আমার দেশের মানুষ এটা একটা ব্যাপার।
৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৪০
নাহল তরকারি বলেছেন: আমি একদিন ফুল হাতার শার্ট, টাই পড়ে, শার্ট ইন করে রেল স্টেশনে গেছিলাম। আমারে সবাই যে পরিমান সালাম দিছে এই সালাম এর আগে কোনদিন পাই নাই।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১:১৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ব্রিটিশরা এবং পাকিস্তানিরা এই কারণেই আমাদেরকে সব সময় ঠ্যাঙ্গানীর উপরে রাখত।
তারা জানতো এই জাতের সমস্যা আছে।
৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১১:৪৩
মায়াস্পর্শ বলেছেন: আমি যেয়ে আগে ধমক দিয়ে চড়া গলায় কথা বলি। তখন ওরা চুপসে যায় , ইজ্জত দিয়ে কথা বলে। আপনার মতো একদিন আমাকেও তুমি বলে সম্বোধন করেছিল ,আমি তুই বলে ধমক দিয়েছি। তারপর ওদের থেকে শিক্ষা নিয়ে শিখেছি ওদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয়।
সব জায়গায় ভদ্রতা দেখাবেন তো ওরা আপনাকে পেয়ে বসবে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ২:৩৯
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সত্যিকার অর্থে বলতে কি, আমি আসলে পুরো ব্যাপারটাই উপভোগ করার চেষ্টা করি।
কে কি ভাবে সম্বোধন করে, কিভাবে ডাকে, অযথাই রেগে যায় এ জিনিস গুলি দেখতে আমার খারাপ লাগে না।
মানুষকে নিয়ে স্টাডি করার মধ্যে একটা অন্যরকম আনন্দ আছে।
৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: সত্যিই কি এখন থেকে কালো কোট টাই পরে বাজারে যাবেন?
ঘটনাটি দুঃখজনক তবে হর হামেশাই ঘটে। আমার এক বন্ধুর মা'কে একবার নিউমার্কেটের একটা দোকান থেকে বের করে দিয়েছিলো, গরীব, টাকা নাই এই বলে।
ভ্যানচালক, রিক্সাওয়ালাও তো দোকানে গেলে কাস্টমার। তাদেরকেও বা কেন তুমি বলবে?
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি অসুস্থ হওয়ার পরে এতটাই শুকিয়ে গিয়েছিলাম যে আমার শর্ট,কোট,প্যান্ট যতগুলো ছিল সবগুলি এমনই ঢিলেঢালা হয়ে গিয়েছিল যে সেগুলো জোর করেও গায়ে দিয়ে রাখা যাচ্ছিল না ।
পাবলিক হাসাহাসি করত ।
তখন ওগুলোকে ফেলে দিয়েছি ।
নতুন করে বানানোর মতো যথেষ্ট টাকা না থাকাতে আপাতত আমার কোন কোট প্যান্ট নাই।
আফসোস!
৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:৫৩
মাস্টারদা বলেছেন: কম শিক্ষিত অনেকে এই সম্বোধন গুলিয়ে ফেলে। সেখানে তারা তুমি বলে অভ্যস্ত। মিশুক চেহারার লোক দেখলেও অনেকে ভালো-লোক ভেবেও তুমি সম্বোধন করে।
আমার সাথেও এমন হয়। বিশেষ করে টাউন হলের ও শিয়া মসজিদের কাঁচা বাজারে। বিনিময়ে সুন্দর করে হেসে দেই। আবার যদি দেখি বলার ঢঙে অবজ্ঞা, মনে মনে ভাবি, সবার সব বোধ যদি তুমি একই দেবে খোদা, তবে আমি কে?
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১৫
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
স্যার,
দোকানদাররা যথেষ্ট সেয়ানা ।
এরা গুলিয়ে ফেলবে না।
এরা হাড়ে হাড়ে চালাক।
দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার পর থেকেই আমি লক্ষ্য করে দেখেছি দোকানদাররা তো বটেই এমনকি ভ্যানের দোকানদাররাও ক্রেতাদেরকে অপমান করতে ছাড়ে না ।
এটা তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই করে।
আফসোস!!
৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:৩৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: বাংলা ভাষা থেকে এই তুই-তুমি-আপনি এর জাতিভেদ বাংলা একাদেমীকে বলে কি বিদায় করা যায় না? এ কত দিন মজুর-রিকসা ওয়ালা কে অহরহ তুই সম্বোধন করে লোকজন, কই তারা তো কখনো মাইন্ড করে না, ব্লগে জনান দেয় না।
আমাকেও একবার বয়সে ছোট এক নার্স তুমি সম্বোধন করেছিল। অথচ তখন আমি পড়াশুনা শেষ করে চাকুরীতে ঢুকেছি, ভাবলাম দেখতে চিকন হওয়াতে এই বিভ্রাট। আসলে, সম্মান জোড় করে আদায়ের বিষয় নয় জনাব। শুদ্ধ প্রমিত উচ্চারণে কথা বললেও অনেক সময় শ্রোতা ভড়কে যায়, আপনি এই কৌশল অবলম্বন করে দেখকে পারেন।
০৫ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১:২১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার ধারণা আপনি আমার ফিলিংসটা বোঝার চেষ্টা করতে সফল হননি।
আমি আমার অবস্থান জানি ।
আমাকে কে আপনি বলল আর কে তুই বললো তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
কিন্তু আমি শুধু আমাদের দেশের মানুষের অগ্রগতির ধাপগুলো বোঝার চেষ্টা করছি ।
মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো মোটেও পৌঁছায়নি।
এটাই আমি বুঝাতে চেয়েছি।
৯| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১:৪৩
নিমো বলেছেন: উত্তরবঙ্গ থেকে আসা অনেক রিকশা চালকের থেকে তুমি সম্বোধন পেয়েছি, তবে এটা উত্তরবঙ্গের কথাবার্তার সাধারণ প্রবণতা কিনা আমার জানা নেই। ব্লগেও আজকাল অনেকে ভিন্নমতের বিপরীতে তুমি, তুই বলা শুরু করেছেন! মাথার চাপ নামানোর জন্য অবশ্য ব্লগ জায়গা হিসাবে মন্দ নয়।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ২:৩৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ব্লগে কিছু অসাধারণ জ্ঞানী ব্যক্তি আছেন।
তারা মাথা গরম করে এই জাতীয় শব্দ প্রয়োগ করেন ।
যেমন গতকাল একজন পোস্ট দিয়েছিলেন দেখলাম ।
সম্ভবত উনি আমেরিকাতে থাকেন ।
একটু অহংকারী ধরনের মানুষ।
কি আর করা।
১০| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ ভোর ৪:০৫
নিমো বলেছেন: লেখক বলেছেন:কি আর করা।
কিছু করার দরকারও নেই। এটাও সংস্কৃতি। সবইতো সম্বোধন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তুমি বেশ চলে, হিন্দীতেও তু, তুম বেশ স্বাভাবিক। চট্টগ্রামে বোধহয় তুঁই শব্দের ব্যবহার আছে। তাও ভালো আমরা জাপানি নই। সেখানে তুই, তুমি, আপনির জটিলতা সাংঘাতিক, যা বাংলাতেও নেই। তবে জাপানে বাম হাত, ডান হাতের ব্যাপার নেই। আবার দেখুন বাংলা, ইংরেজি ডান থেকে লিখি, কিন্তু আরবি বাম থেকে। সংস্কৃতি বড়ই ঝকমারি।
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনি যেটা বলেছেন সবগুলি ঐতিহাসিকভাবেই সত্য।
কিন্তু আমরা তো খুব ছোট একটা জায়গার মধ্যে আছি। যেখানে নানান দেশের সংস্কৃতি নিয়ে তুলনা করলে তো হবে না ।
আমাদের বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে আমরা তুই তুমি আপনি এগুলো যথেষ্টই মেনে চলি।
এটা না মেনে চললে আমাদের গুরুজনেরা সাংঘাতিক রাগ করতেন ।
এমনকি আমরা নিজেরাও যথেষ্ট মনোক্ষুন্ন হই।
১১| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৪:১৯
নিমো বলেছেন: লেখক বলেছেন:আমাদের বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে আমরা তুই তুমি আপনি এগুলো যথেষ্টই মেনে চলি।
এটা না মেনে চললে আমাদের গুরুজনেরা সাংঘাতিক রাগ করতেন ।
এমনকি আমরা নিজেরাও যথেষ্ট মনোক্ষুন্ন হই।
খানিকটা জানার চেষ্টা করেতো দেখলাম মনোক্ষুন্নের কিছু নেই। এদেশের অনেক অঞ্চলে গুরুজনদেরও তুই করে বলার সংস্কৃতি আছে। জানার কোন শেষ নেই, তাই...
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৭:০৬
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি আসলেই তেমন কিছু মনে করি না ।
তবে একটা আতঙ্কে থাকি- কেউ যদি গায়ে হাত দেয় সেটা একটা বিরাট অপমানের ব্যাপার হয়ে যাবে।
আফসোস!
১২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৩:৫৪
মাস্টারদা বলেছেন: লেখক বলেছেন: দোকানদাররা যথেষ্ট সেয়ানা ।...
এরা হাড়ে হাড়ে চালাক।
দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার পর থেকেই আমি লক্ষ্য করে দেখেছি দোকানদাররা তো বটেই এমনকি ভ্যানের দোকানদাররাও ক্রেতাদেরকে অপমান করতে ছাড়ে না ।
এটা তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই করে।
আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি না, অনেকে বাজে আচরণ করে। গতকাল মসজিদের সামনে দাঁড়িপাকা এক বিক্রেতা হাতের মুঠোয় লুকিয়ে বাজে মাল দিয়ে ওজন করে দিচ্ছিল। দেখে ফেলে তাকে বললাম। কী তার মেজাজ!
তবুও আমি ঢালাও ভাবে সবাই এমন বলার পক্ষে নই। ভালো এখনো আছে, অন্তত পুরো পৃথিবীতে মাত্র একজন হলেও ভালো থাকতে পারে (যে ভালো খুঁজছে সে নিজেই) এমনটা আশা করি। আমি ওই আশায় পূর্ব মন্তব্যের কথাগুলো বলেছিলাম, আপনার মতের দ্বিমত প্রকাশের জন্য নয়।
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৯:১১
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি পুরো পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে বলিনি ।
আমার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ।
বাংলাদেশের বাইরে গেলে দেশ সম্পর্কে আমাদের ধারণাটাই পাল্টে যায় ।
পৃথিবীটা কত সুন্দর বাংলাদেশের বাইরে গেলেই বোঝা যায়।
বাংলাদেশ ও তো সুন্দর হতে পারতো।
এইসব খারাপ মানুষের কারণে সুন্দর হচ্ছে না ।
আফসোস।
©somewhere in net ltd.
১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৯:৪২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমারো হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে।