নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিভে যাওয়া আলোর পূজারী.....

সিউল রায়হান

সিউল রায়হান › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজনের " জ্বীন দেখার দাবী" ও "জাকির নায়েক চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন" দাবীর প্রেক্ষিতে প্রশ্ন

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

এই পোস্ট http://www.somewhereinblog.net/blog/kalidia/29070003#c3822883 পোস্টের প্রেক্ষিতে লিখা....... সেখানে লেখক ৩২ নাম্বার কমেন্টের জবাবে লিখেসেন:



১) উনি নিজ চোখে জ্বীন দেখেছেন

২) জাকির নায়েক "চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে কোরআনে যা লিখা আছে" তার জবাব দিয়েছেন.....



এর প্রেক্ষিতে আমার কিছু প্রশ্ন:



╟╟╟ জ্বীন তো জানতাম অদৃশ্য.... তাহলে কিভাবে মানুষ তাদের দেখতে পারে ???? এবং আরো প্রশ্ন: তারা আগুনের তৈরী.... সুতরাং তারা দেখতে কেমন ??? নিকোলাজ কেজের একটা সিনেমা আছে: "ঘোস্ট রাইডার"..... ওটার মত নাকি ???



╟╟╟ চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না আজ পর্যন্ত....... অনেক আগে এটা নিয়ে লিখেসিলাম: http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/28995918 পোস্টে



ওটার পয়েন্টগুলির সাথেই আরো একটা যোগ করি:



নিচে দেখুন সৌদি আরবের ম্যাপ দিলাম(তৎকালীন জাজিরাতুল-আরব):



খেয়াল করে দেখুন যে সৌদি আরবের ডানে, বামে-উপরে ও নিচে-বামে সাগর..... এখন আসুন সৌদি আরবের সারফেস এরিয়া নিয়ে.....উইকি থেকে পাওয়া যাচ্ছে যে সরকারীভাবে এর এরিয়া:

2,217,949 km2......... এখন আসুন চাঁদের এরিয়া হল: "about a quarter of Earth's land area, approximately as large as Russia, Canada, and the United States combined"..... অর্থাৎ কানাডা, রাশিয়া, আমেরিকা মিলিয়ে যা হয় তার চেয়েও বেশী.......



এখন যদি চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করা হয়, তাহলে অর্ধেক চাঁদ ছিল আকাশে এবং বাকিটা কোন একটা পাহাড়ে এনে ফেলা হয়েছিল... ফলে ধরে নেয়া যায়, পুরো চাঁদের অর্ধেক এরিয়া তখন পৃথিবীতে এবং বাকিটা আকাশে......এখন রাশিয়ার এরিয়া হল: 17,075,400 km2..... চাঁদটা শুধু যদি রাশিয়ার এরিয়া'র অর্ধেকেরও সমান হয় তবুও সৌদি আরবের থেকে বড়.......



সুতরাং সম্পূরক প্রশ্ন:



■ ফলে চাঁদটা এসে কি তাহলে কিছু অংশ পানিতে এবং কিছু অংশ মাটিতে ছিল এমনটা হয়েছে ??? এটা না হলে কিভাবে সৌদি আরবের ভূমিতে তার টোটাল এরিয়ার চেয়ে বেশী এরিয়ার একটা জিনিস কিভাবে থাকতে পারে যেহেতু সৌদি আরবের ৩ দিকে পানি দেখা যাচ্ছে ???



■ যদি দাবী করা হয়, কেউ অর্ধেক দ্বিখন্ডিত চাঁদ দেখেছেন তাহলে প্রশ্ন: কিভাবে সেটি সম্ভব যেখানে চাঁদের টোটাল এরিয়া সৌদি আরবের থেকে বড় ?? কেউ নিশ্চয়ই চোখের সামনে সমগ্র সৌদি আরব দেখেননি,তাইনা ??

দেখেছেন, সৌদি আরবের ছোট একটা ভূমি(সহজ কথায় চোখের দৃষ্টিসীমানায় যতটুকুন আসে)



■ যদি চাঁদ পৃথিবীতে এসে পড়ে তাহলে এত ভারী একটা জিনিস পড়ার কারণে কোন না কোন চিহ্ন অবশ্যই রেখে যাবে, তাইনা ??? ( যেভাবে আমরা উল্কাপাতের চিহ্ন দেখি) সেরকম চিহ্ন কোথায় ???



■ আমার পয়েন্টগুলি জাকির নায়েক যদি কোন সায়েন্টিফিক প্রমাণ দিয়ে খন্ডন করে থাকেন তাহলে সেই প্রমাণগুলি কি কি ???



****************



আপডেট:

চাঁদের দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে অনেকেই বলেছেন আকাশেই দ্বিখন্ডিত করা হয়েছিল..... এ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলি ১৫ নাম্বার কমেন্টে লিখা হয়েছে



*****************

আপাতত এটুকুনই....... তবে শেষ কথা বলি, আমার মনে এই প্রশ্নগুলি থাকলেও আমি আস্তিক এবং কোরআনে বিশ্বাস করি..... যেখানে চন্দ্র সূ্র্য নিয়ে কথা তোলার প্রমাণ হতে সময় লেগেছে ৯০০ বছর, সেখানে চাঁদের ব্যাপারটিও প্রমাণ হবে একসময়..... আমি ব্যাখ্যাটা জানিনা অর্থ এই না যে তা মিথ্যা.......নাস্তিকরা বলতে পারেন তালগাছটা আমার বলতে পারেন এবং আমি একমত পোষণ করি এব্যাপারে......তবে একই সাথে কোন ভুল ব্যাখ্যা দিয়েও একে প্রমাণ করতে চাওয়ার যে চেষ্টা তার বিরোধীতা করি

মন্তব্য ১১৮ টি রেটিং +২৭/-৯

মন্তব্য (১১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

শয়তান বলেছেন: কোন কিছু বুঝি না ।আমি ওনার ঐ জ্বীন দেখমুই দেখমু । সাথে টিভি ক্যামেরাও নিমু

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০১

সিউল রায়হান বলেছেন: হা হা হা..... দেখার পরে ভিডিও ইউটিউবে দিয়েন..... আমি আমার সাইট থেকে নামাব ;)

২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০০

সিরাজ বলেছেন: জ্বীন দেখবার মন চায়

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০২

সিউল রায়হান বলেছেন: আমারও =p~ =p~ =p~

৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৪

কালের কুতুব বলেছেন: ভাইডি, জোকার নালায়েক কে এত গুরুত্ব দিয়েন না। ওই ছাগু হইলো গিয়া ২+২ স্কলার। কেন? ভিডিওট দেখেন।
২+২ স্কলার

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২২

সিউল রায়হান বলেছেন: ঐটার কথা কি আর বলব.... সে সবই জানে.... কিভাবে "গল্পের গরুকে গাছে তুলতে হয়" এটা ওরচেয়ে ভাল আর কেউ জানে না

৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৪

রোহান বলেছেন: তবে একই সাথে কোন ভুল ব্যাখ্যা দিয়েও একে প্রমাণ করতে চাওয়ার যে চেষ্টা তার বিরোধীতা করি

সেইটাই....

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৪

সিউল রায়হান বলেছেন: ব্লগে আস্তিক নাস্তিক ক্যাচাল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি কিন্তু এসব জিনিস চোখের সামনে আসলে চুপ থাকা যায় না..... চিন্তা করেন সে নাকি জ্বীন দেখছে ;)

অঃটঃ পিচ্চিকে নেক্সট গ্যাদারিংয়ে নিয়ে আইসেন :)

৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২০

ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: ঐ হুজুররে(জ্বীন প্রত্যক্ষদর্শী) আরো কিছু প্রশ্ন জিগাইতে চাইছিলাম, কেমতে আমিও জ্বীন দেখবার পারুম?

কিন্তুক, হুজুর আমারে ব্যান কইরা দিসে, যাউজ্ঞা ইহজগতে আর জ্বীন দেখা হইলো নাহ।
(কঠিন আফসোসের ইমো!)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

সিউল রায়হান বলেছেন: আমাকে ব্যান করে নাই :| আমি জ্বীন দেখতে চাইনি......

ভ্যান মুবারক ;)

৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২১

নাজমুস বলেছেন: আমারে ব্লক করছে ঐ পোষ্ট থেকে। হা হা হা। আপনাকেও করছে নাকি?

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

সিউল রায়হান বলেছেন: নাহ :D

বাদ দেন...... স্বল্প নলেজ নিয়ে না পারলে ব্লক করাই একমাত্র পন্থা

৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৪

সার্কিট বলেছেন: জ্বীন দেখতে মন্চায়।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

সিউল রায়হান বলেছেন: জ্বীন আগুনের তৈরী......কাছে গেলে পুড়ে যাবেন /:) ফায়ার ব্রিগেড নিয়া যাইয়েন ;)

৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৪

নিউটন বলেছেন: kothin proshno

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

সিউল রায়হান বলেছেন: :) :) :)

৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

জীবলু বলেছেন: যথেষ্ট যুক্তি আছে ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

সিউল রায়হান বলেছেন: প্রতি-যুক্তি থাকাও অসম্ভব না...... থাকলে সেটা জানতে চাইছি "যারা জানে" তাদের কাছে

১০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
জাকির নায়েক চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে কি প্রমান দিতে চেয়েছিলেন ?

অর্ধেক চাঁদ আকাশে এবং অর্ধেক চাঁদ পাহাড়ে নিয়ে ফেলা হয়েছিল এগুলা কি জাকির নায়েকের বক্তব্য ?

কোন রেফারেন্স থাকলে জানাবেন প্লিজ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩০

সিউল রায়হান বলেছেন: জাকির নায়েক কি প্রমাণ দিয়েছে সেটা জানতে চেয়েছি.... আমি জানি সেটা কোথায় বললাম ??

চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার ঘটনাটা তাহলে কি ?? পুরো চাঁদকেই এনে ফেলা হয়েছিল ??? তাহলে দ্বিখন্ডিত হল কিভাবে ??

পাহাড়ে নাকি কোথায় ফেলা হয়েছিল সেটা ঠিকমত জানিনা.... আপনি জানলে জানাতে পারেন

১১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

শয়তান বলেছেন: আমি কিন্তু সিরিয়াস । এমন জ্বীন দেখার সুযোগ কোনভাবেই হারাইতে চাই না ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

সিউল রায়হান বলেছেন: ব্যান খাইয়েন না জ্বীন দেখতে চেয়ে........ ঐ ব্যান = বান ;)

১২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

শয়তান বলেছেন: দরকার হৈলে রেডিয়েশান প্রুফ স্যুট পরে যামু, তাও জ্বীন দেখমুই :#)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

সিউল রায়হান বলেছেন: ওকে....... শুভকামনা থাকলো...... ভিডিও'র অপেক্ষায় থাকলাম ;)

১৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চাঁদ দ্বিখন্ডনের ঘটনাটি মহানবী (সাঃ) জীবনের একটি মোজেজা বা অলৌকিক ঘটনা বলেই জানি।
বলা হয়, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।
কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

১৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

দূরের মানুষ বলেছেন: স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চাঁদ দ্বিখন্ডনের ঘটনাটি মহানবী (সাঃ) জীবনের একটি মোজেজা বা অলৌকিক ঘটনা বলেই জানি।
বলা হয়, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।
কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

আমিও প্রথম শুনলাম।

১৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

সিউল রায়হান বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net/blog/Lighthousebdblog/28776416 ব্লগের প্রথম প্যারা থেকে পেয়েছিলাম কথাটা:

" রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে স্বীয় পবিত্র আঙুল দ্বারা চাঁদ দিখণ্ডিত করলেন। অর্থাৎ রাসূলের শাহাদাত আঙুল দ্বারা ইশারা করতেই (পূর্ণিমার রাতে) চাঁদের একখণ্ড আবিকুবাইস পাহাড়ে আর অন্য একটি খণ্ড কাইকাআন পাহাড়ে পতিত হয়। আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী পরিমাণ সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় ছিল।"
যেহেতু ঐ লিখার (২৫০০ বার পঠিত হবার পরেও) কোন বিরুদ্ধাচারণ আসেনি তাই সঠিক ধরে নিয়েছি...... এবং আমার পুরোটা মনে না থাকাতে ধরে নিয়েছিলাম একটি খন্ড পৃথিবীতে এসে পড়েছিল...... ২টা খন্ডই এসে পড়াতো রীতিমত অসম্ভব লাগছে

আর হ্যা, যদি আকাশেই দুই ভাগ হয়ে সরে যায় তাহলে তাদের পুনরায় জয়েন নিশ্চয়ই এমনভাবে হয়েছে যাতে

■ ভবিষ্যতে কোনদিনই যাতে বুঝা না যায় এটি দ্বিখন্ডিত হয়েছিল

■ স্পষ্ট কোন ফাটল থাকে যাতে বুঝা যায় এটি দ্বিখন্ডিত হয়েছে


প্রথম কেসে তাহলে কোনদিনই মহানবী(সাঃ) এর ঐ ঘটনাটা প্রমাণ করা সম্ভব না, সুতরাং সায়েন্টিফিকালী প্রুভড এটাও দাবী করা যাবে না

দ্বিতীয়ে কেসে বলা যায় এখনো সেরকম কোন ফাটল পাওয়া যায়নি যা প্রমাণ করে পুরো চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল....... যতদিন পাওয়া যায়নি ততদিন যদি বলা হয় ব্যাপারটা সায়েন্টিফিকালি প্রুভড তাহলে ভুল হবে, তাইনা ???


১৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩

বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: বিশ্বাসের বিষয় বস্তু নিয়ে যুক্তি তর্ক ভাল লাগে না । :(

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

সিউল রায়হান বলেছেন: সেটাই :(

বিশ্বাস করলে আবার লজিকের দরকার কি

১৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: এতো বুঝেন আর এইটুকু বুঝলেন না !

আপনি লিখেছেন :
২) জাকির নায়েক "চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে কোরআনে যা লিখা আছে" তার জবাব দিয়েছেন.....
এর প্রেক্ষিতে আমার কিছু প্রশ্ন:


জাকির নায়েক চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে কি জবাব দিয়েছেলন (যার প্রেক্ষিতে আপনার প্রশ্ন) আমি সেই জবাবটা জানতে চেয়েছি। আপনি যেহেতু উক্ত জবাবের ভিত্তিতে প্রশ্ন ফেদেছেন সেহেতু আপনার জানার কথা জবাবটা কি ছিল। আশা করি বুঝেছেন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫

সিউল রায়হান বলেছেন: ওটা তো আমিও জানিনা...... যার পোস্টের লিংক দিলাম সবার উপরে উনি আমার কমেন্টের রিপ্লাইতে লিখেছেন যে জাকির নায়েক নাকি উত্তর দিয়েছেন....

ঠিকমত ব্যাপারটা বুঝাতে পারিনি জন্যে দুঃখিত

১৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৪

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:

বোহেমিয়ান কথকথা বলেছেন: বিশ্বাসের বিষয় বস্তু নিয়ে যুক্তি তর্ক ভাল লাগে না ।

একমত।

জ্বীন দেখা যাক বা না যাক, একজন মুসলিম হিসেবে জ্বীন জাতির অস্তিত্বও স্বীকার করতে হবে।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৮

সিউল রায়হান বলেছেন: একমত আপনার সাথে...... আমাদের অবশ্যই এর অস্তিত্ব স্বীকার করতে হবে

কিন্তু তাই বলে ২০১০ এর সায়েন্স অনুসারে জ্বীনদের অস্তিত্ব সায়েন্টিফিকালি প্রমাণিত এটা বললে তা মানা যাবে না...... বিশ্বাস != লজিক

১৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৭

এস বাসার বলেছেন: ভাইজান, বিশ্বাস আর সত্য ভিন্ন জিনিস। হ্যা, বিশ্বাস সত্য হইতে পারে, তবে সব বিশ্বাসকে সত্যের মাপকাঠিতে মেপে কোন কুল কিনারা পাওয়া যায়না, যেমন আমি পাইনা।

অনেক কিছুই গোজামিল মনে হয়। তবুও বিশ্বাসের ভরে উতরে যায়।

আপনার প্রশ্ংুলো ভালো লাগলো।

জাকির নায়েক কে আমার কাছে একটা ফালতু বই অন্য কিছু মনে হয়না।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩০

সিউল রায়হান বলেছেন: "তবে সব বিশ্বাসকে সত্যের মাপকাঠিতে মেপে কোন কুল কিনারা পাওয়া যায়না, যেমন আমি পাইনা।"

আমিও পাইনা...... :) তাই কেউ যদি ভুল প্রমাণ দেখাতে চায় তাহলে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করি

২০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৪

শয়তান বলেছেন: জাকির নায়েক একজন রামছাগল :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১

সিউল রায়হান বলেছেন:

perefect picture B-) B-) B-)

২১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৮

মাহিরাহি বলেছেন: বোখারী শরীফে শুধুমাত্র দ্বীখন্ডিত করার কথা বলা হয়েছে। পাহাড়ের কোন উল্লেখ নেই।
ইন্টারনেটে সার্চ করে তাই পেলাম।

বিগ্গানীরা আজকাল ১০টি পর্যন্ত ডাইমেনশনের কথা বলছেন।
শুনলে পাগলের প্রলাপ মনে হয়।
জানার এখনো অনেক কিছুই বাকী

কয়দিন আগে বিবিসিতে একজন পৃথিবীখ্যাত নিউরিসাইনটি্ষ্টের কথা শুনছিলাম।
আস্তিক নাস্তিকের প্যাচাল সেরে তিনি খুব ভাল একটি কথা বলে ইতি টেনেছিলেন।
আই ডোন্ট নো। আমি জানি না।
হুয়াট ইফ। এমনতর হতে পারে।
১০টি পর্যন্ত ডাইমেনশনের কথা তার কাছ থেকেই শুনা।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

সিউল রায়হান বলেছেন: লাইটহাউজের পোস্টে পাহাড়ের কথা পড়েছিলাম....... যাই হোক, শুধু দ্বিখন্ডিত বলা হলেও সবরকম ভাবেই দ্বিখন্ডিত হলে কি কি প্রশ্ন করবো তা তো লিখেই ফেললাম


জ্বীনরা এই মুহুর্তে প্রমাণিত না..... হয়তোবা হবে কোনদিন...যতদিন হয়নি অতদিন "সায়েন্টিফিকালি প্রুভড" বলা যাবে না এই কথাটাই বলতে চেয়েছি এই পোস্টে

"আই ডোন্ট নো" কথাটা ঠিক...... মানুষ সব জানে না... একারণেই আমি আস্তিক.... আমি বিশ্বাস করি এমন একজন আছেন যিনি সব জানেন...... এবং তিনি আল্লাহ

২২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৩

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @এস বাসার:

জাকির নায়েক কে আমার কাছে একটা ফালতু বই অন্য কিছু মনে হয়না।


আপনার কাছে তার কোন মুল্যই নেই দেখছি, আপনি খুব জ্ঞানি লোক আপনেরে সালাম।

২৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮

লালসালু বলেছেন: আপনার লেখা ভাল লেগেছে কিন্তু এই প্রথম শুনলাম চাঁদ পাহাড়ে পড়েছে! জাকির নায়েকের কথা আমার কাছে ভালোই লাগে। তবে মুসলমান হিসেবে আমাদের অনেক কিছুই না দেখজে বিশ্বাস করতে হয়। এর মধ্যে দোজখ, বেহেস্ত ইত্যাদি।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

সিউল রায়হান বলেছেন: পাহাড়ে পড়ার কথাটা আমি ছোটকাল থেকেই শুনে আসছি.... লাইটহাউজের পোস্টেও কথাটা এসেছিল

দ্বিখন্ডিত কিভাবে হয়েছে তার সবরকম প্রবাবিলিটি বের করার চেষ্টা করলাম..... কোনটাতেই সুস্পষ্ট প্রমাণ পাচ্ছি না


শেষ কথার সাথে একমত...আমি বিশ্বাস করব না দেখেই (বেহেস্ত, দোযখ, জ্বীন, চাঁদের ঘটনাটা সহ সব).......... তবে ভুলভাবে প্রমাণের চেষ্টা মানা যাবে না

২৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫

শয়তান বলেছেন: লাইটহাউজের পোস্টে পাহাড়ের কথা যেটা উল্লেখ করা হয়েছে তা যুগান্তরের সেই রিপোর্টের উদ্ধৃতি মাত্র যা উক্ত রিপোর্টের লেখক হাবিবুর রহমান করেছেন । এখন হাবিবুর রহমান কোথায় কোন পাহাড় পর্বতের চাদ ভাইংগা পরছিল সেই হাদিস টোকায়া পাইছিলেন সেটা তিনিই জানেন । আরেক পোষ্টে দেখলাম ভারত থেকেও নাকি কে বা কাহারা দেখছেন ঐ ভাইংগা পরা চাদ । অবশ্য সুত্রছাড়া ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯

সিউল রায়হান বলেছেন: ভারতীয়রা হল: পেরুমল আর চেরুমল ;) খালি তারা ২জনই দেখছিলো, আর কেউ দেখে নাই

২৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @এস বাসার:

জাকির নায়েক কে আমার কাছে একটা ফালতু বই অন্য কিছু মনে হয়না।


আপনার কাছে তার কোন মুল্যই নেই দেখছি, আপনি খুব জ্ঞানি লোক আপনেরে সালাম।

২৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

রান০০৭ বলেছেন: মন্তব্যহীন নীবর দর্শক।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সিউল রায়হান বলেছেন: আমিও :|

২৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

আকাশ_পাগলা বলেছেন: চাঁদ পাহাড়ে পড়ছিল বলে প্রথম শুনলাম।

জ্বীনরা থাকে জ্বীনল্যান্ডে। এইটা জিঙ্গিরার পাশে। তাদের বলা হয় নেশন জিরো। তাদের জাতীয় সিম্বল "ফায়ারফক্স"। জাতীয় গান "অঙ্গে মোর আগুন জ্বলে"। তাদের দেশে ঢুকতেও যেন পাসপোর্ট লাগে সেটা নিয়ে তারা পরশুও আন্দোলন করছিল। সূত্রঃ দৈনিক জ্বীনের সময়।
;)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

সিউল রায়হান বলেছেন: দৈনিক জ্বীনের সময় সেইরকম হইসে ;)

২৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন:
Zakir Naik facts.

1. Zakir Naik knows the last digit of Pi.

2. Zakir Naik can talk with his ass.

3. Stephen Hawking is on a wheelchair cause Zakir Naik told him not to move.

4. They had to double the IQ measurement scale because it was insufficient to meaure Zakir Naik's intelligence.

5. The Z notation for the set of integers came from Z in Zakir Naik.

6. Zakir Naik has counted to infinity - twice.

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০

সিউল রায়হান বলেছেন: =p~ =p~ =p~

২৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪

বিপ্লবের_অপেক্ষায় বলেছেন: @ সিউল রায়হান বলেছেন: Click This Link ব্লগের প্রথম প্যারা থেকে পেয়েছিলাম কথাটা:

" রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে স্বীয় পবিত্র আঙুল দ্বারা চাঁদ দিখণ্ডিত করলেন। অর্থাৎ রাসূলের শাহাদাত আঙুল দ্বারা ইশারা করতেই (পূর্ণিমার রাতে) চাঁদের একখণ্ড আবিকুবাইস পাহাড়ে আর অন্য একটি খণ্ড কাইকাআন পাহাড়ে পতিত হয়। আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী পরিমাণ সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় ছিল।"

-- চাঁদ দুভাগ হলো কি হলো না, চাদ মাটিতে পরলো কি পরলো না। আপনি নিজে কোন কোরান হাদীসের সূত্র উল্লেখ করলেন না। অথচ পোষ্ট দিলেন অন্যের তথ্যের উপর ভিত্তি করে। তারমানে আপনি নিজেও কিছুই জানেন না।

আপনি যে কত বড় আবাল তার একটা প্রমান দেইঃ

পোষ্টে আপনি সৌদি আরবের এরিয়া নিয়ে হিসাব করছেন। ১৪০০ বছর আগে কি সৌদী, ইরাক, ইরান নামে কোন দেশ ছিলো? সম্পূর্ন আরব বিশ্ব এক ছিলো।

পোষ্ট দেয়ার আগে বুদ্ধি বিবেচনা করে পোষ্ট দিবেন। এম্নিতেই দুনিয়াতে আবালের সংখ্যা বেড়ে গেছে।


০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

সিউল রায়হান বলেছেন: =p~ =p~ =p~

আইচ্ছা....... আপনি তাইলে বলেন সঠিকটা কি ??? উনার পোস্টে যেহেতু কেউ কথা তুলেনাই তাই আমিও ধরে নিয়েছিলাম একারণেই সোর্স দেইনি....... সূরাটার নাম জানতাম, ভুলে গেছি /:)

যাইহোক, আপনারে প্রশ্ন:

■ চাঁদ দ্বিখন্ডিত হইসে কি হয় নাই /??? কি মনে হয় ??;)

■ যদি হয়ে থাকে, তাহলে কিভাবে দ্বিখন্ডিত হয়েছে ??
১) পাহাড়ে এসে পড়েছে ???
২) নাকি আকাশেই ছিল ???

****

১) হলে আমার পোস্টের প্রশ্নের উত্তরগুলো দেন :|| আর

২) হলে আমার ১৫ নাম্বার কমেন্টের রিপ্লাই দেন :||

****

নাস্তিকরাই খালি গালাগালি করে ??? এই পোস্ট অনেকগুলি নাস্তিক পড়েছে, কোন গালি দেয়নি কেউই তবে একজন গালাগালির আবহটা একজন "আস্তিক" থেকেই বের হল :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪

সিউল রায়হান বলেছেন: আর হ্যা, সৌদি-ইরাক-ইরান মিলাইয়াও চাঁদের সমান হয়না ;)

৩০| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

সাফির বলেছেন: দূরের মানুষ বলেছেন: স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চাঁদ দ্বিখন্ডনের ঘটনাটি মহানবী (সাঃ) জীবনের একটি মোজেজা বা অলৌকিক ঘটনা বলেই জানি।
বলা হয়, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।
কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

আমিও প্রথম শুনলাম।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৪

সিউল রায়হান বলেছেন: আমি পাহাড়ে এসে পড়ারটাই জানতাম

৩১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৪

জিন্নাহ্ বলেছেন: লেখকের আসলে জ্বীন নিয়েই সন্দেহ আছে , আছে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়া নিয়ে।আছে ইসলামি ব্যক্তিত্ব নিয়ে ঘৃণা।

জ্বীন নিয়ে এত কিছু জানেন! অথচ জানেনা জ্বীন রূপ পরিবর্তন করতে পারে।কেউ জ্বীন দেখলে ভিন্ন রূপে দেখতে পারে। জাকির নায়েকের জ্বীন দেখা নিয়ে আমি ওকালতি করটে আসিনি।আমি দেখছি কারো-কারো জ্বীনের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দেহ আছে।অথচ কোরআন শরীফে জ্বীন নেয়ে সূরা "জ্বীন: নামক পূর্ণাঙ্গ সূরা রয়েছে।

চাঁদ খন্ডিত হওয়া নিয়ে আপনার কথাগুলির অনেক উত্তর আছে। শুধু এ টুকু বলবো, আপনি জানেন কি নীল আম্রষ্টং এর ইসলাম গ্রহণ করার কারণ?
আম্রষ্টং নিজ চোখে চাঁদের দ্বী-খন্ডিত হবার চিহ্ন দেখে এসেছেন।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৭

সিউল রায়হান বলেছেন: ■ আমার ইসলাম নিয়ে ঘৃণা নাই........

■ জ্বীনে বিশ্বাস করি

■ জাকির নায়েক জ্বীন দেখেছেন এটা কই বললাম আমি ?? পোস্টের লিখাটা ভালমত পড়েছেন ???

■ আর্মস্ট্রং মুসলমান ছিলেন না.....আপনার জন্যে একটা লিংক: Click This Link

৩২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০০

ডাইনোসর বলেছেন:
আমি কিন্তু জাকির নায়েকের ভক্ত। আমারও সত্যকথা বলতে ভাল লাগেনা। যতটা সম্ভব তার মতই বলার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ্।
এখন যা বল্লাম তা সত্য নাকি মিথ্য বুঝতে পারছি না।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৮

সিউল রায়হান বলেছেন: বুঝলে জানাইয়েন ;)

৩৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০২

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: যারা অভদ্র গালা-গালি করে কথা বলে তাদের ব্যান করা যুক্তি সংগত আর যারা বিতর্ক করতে আসে ভদ্রভাবে তাদের স্বাগতম।

ব্রাদার আমি তখন ১৬/১৭ বছরের। আমি বিশ্বাস করতাম না জ্বীন কি, আসলেই আছে কি না। আপনাদের মত আধুনিক পোলা ছিলাম। গায়ের রক্ত গরম ছিল।

যিনি জ্বিন আনতেন তিনি আমাদের গ্রামের থেকে ২০ মাইল দুরের এক গ্রামের একজন অতি সাধারণ এক লোক। নাম ছিল "খালেক"। আমার পাশের বাড়ির লোকজন তাবিজ কবজ এবং ঝাড় ফুক পছন্দ করত। তাদের ঘরে কারোই অসুখ বিসুখ ভাল হয় না, তাই খালেককে খবর দিয়ে আনা হল।

জ্বীন আনার পূর্বে খালেককে একটা রুমে ১৭ খানা গামছা দিয়ে এমন ভাবে বাঁধা হতো যেন সে কিছুতেই খুলতে না পারে। এর পর রুমটাকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হত। বাড়িটা ছিল টিনশেড বিল্ডিং। আমরা গ্রামের ১৫/২০ জন এক রুমে এবং খালেক ছিল সম্পূর্ণ বাঁধা অবস্থায় অন্যরূমে। আমি নিশ্চিত যে জুয়েল আইচ বা ডেভিড কপারফিল্ড ছাড়া সেই বাঁধন একা খোলা কিছুতেই সম্ভব নয়। যাই হোক, রাত ১১/১২ টার দিকে যখন চারিদিক গাঢ় অন্ধকার হয়ে যেত আমরা বসে বসে দুরুদ শরীফ পড়তে থাকতাম। ১০/১৫ মিনিট পরে টিনের চালে প্রচন্ড শব্দে এমন কিছু পড়ত আমরা কেঁপে উঠতাম। ধরুন বিশাল একটা পাথর খন্ড টিনের চালে পড়লে যে শব্দ হয় ঠিক সে'রকম।
বেশ কিছুক্ষণ নিরব থাকত, আমাদের দোয়া দুরুদ পড়ার গতি বেড়ে যেত।

দরজায় প্রচন্ড শব্দ করে ঘরে প্রবেশ করত। মনে হতো কেউ যেন স্প্রিং এর দরজা টেনে ভিতরে ঢুকে আবার ছেড়ে দিয়েছে। প্রচন্ড ভরাট কন্ঠে বলত "সালামালকি লও, ওয়ালাইকুমুস সালাম বলে উত্তর দিতাম।
কথা বলত শূণ্যে আমাদের মাথর উপরে। জ্বীনটার সংগে আরো কয়েকটা জ্বীন আসত তারা ছিল বোবা। তারা দুষ্টু প্রকৃতির এবং পাটাতনে প্রচন্ড শব্দ করত। প্রধান জ্বীনটা ওদের ধমক দিত।

আমার মায়ের শরীর প্রায়ই খারাপ থাকত কেননা মায়ের গর্ভে তখন আমার ছোট ভাই। জ্বীনটা আমার মায়ের মাথায় হাত রেখে দোয়া করল।
মায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, "যখন তার হাত আমার মাথায় রাখল, আঙ্গুলগুলো অনেক মোটা এবং তুলার মতো মনে হল এবং সেটা ছিল একটু ভেজা ভেজা টাইপের"
আমার পাশেই মা ছিল বসা। জ্বীন মায়ের মাথার ঠিক ৯০ ডিগ্রি উপর থেকে কথা বলছিল।

দু'তিন দিন পরের ঘটনাঃ আমার মা ভয় পেয়ে সেদিন বাড়ি থেকে বের হয় নি। ছোট বোনকে নিয়ে শুয়ে ছিলেন ঘরে, রাত বেশী হওয়ায় ঘুমিয়েও পড়েছিলেন। আমরা যথারীতি অপেক্ষা করছিলাম জ্বীন আসার জন্য। আমাদের ঘর ছিল বেশ দুরে। হঠাৎ শুনতে পেলাম মা ভিতু স্বরে আমাদের দরজা খুলতে বলছে।

-তুমি নাকি আসবে না, তাহলে এলে কেন? জিজ্ঞেসা করলাম।
-- মা বললেন কাল সকালে বলব, এখন নয়।
সকালে আমার বোনই সব খুলে বলল, জ্বীন ওদের ঘরে আসার পূবেই আমাদের ঘরে গিয়ে প্রচন্ড একটা ঝাকুনি দিয়েছে। মা, এবং ছোট বোন এত ভয় পেয়েছে যে, প্রথমে মনে করেছে ভুমিকম্প। সেই ভারী গলায় মায়ের নাম ধরে ডেকে বলল, তু্ই কেন ওখানে যাস নি?
-মা বলল আমার শরীর খারপ, তাছাড়া আমার ভয় করে।
-- তুই যা, কোন ভয় নেই, আমি আছি।

যখন এঘটনা এদিকে ঘটছে তখন খালেক পাশের রুমে ১৭ খানা গামছা দ্বারা বাঁধা অবস্থায় ফ্লোরে শুয়ে আছে।

আমার ফুফু উপস্থিত ছিল ঐ আসরে। ওনার স্বামী অনেক আগেই হারিয়ে গেছেন। কোন দিন তার সন্ধান পাওয়া যায় নি। আমার জন্মেরও অনেক আগের কথা। আমি ফুপার নামও জানি না। জ্বীন সবার সামনে সেই ঘটনা বর্ণনা করল। ফুফু আমার তাজ্জ্বব হলে গেল! আমার ফুফুর ভাল নাম কি তাহা আমিও জানি না। অথচ জ্বীন তার নাম ধরে ডাকল!

জ্বীন যখন চলে যেত খালেক কে বেশ প্রহর করত এবং বলত তোকে এটা করতে নিষেধ করেছি তুই করিস কেন? ওটা করতে নিষেধ করেছি তুই করিস কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা খালেক মাফ করে দিতে বলতাম। কিছুক্ষণ পরে জ্বীন চলে যেত।

দরজা খুলে দেখতে পেতাম খালেক বাধন মুক্ত অবস্থায় বেহুঁশের মত পড়ে আছে, দর দর করে সারা শরীর থেকে ঘাম ছুটছে। সারা পিঠে চড়ের দাগ।

অনেক বছর পরে জানতে পারি খালেকের সেই জ্বীন এখন আর তার কাছে আসে না।

এবার আমার কয়েটা প্রশ্ন আপনাদের কাছেঃ

০১) আমার কথাকি অবিশ্বাস্য লাগছে? যদি লাগে কিছু করার নাই, যা সত্য তাহা বলেছি মাত্র, এটা দিনের আলোর মতো সত্য ঘটনা আমার জীবনে।

০২) খালেককে কে বাধন খুলে দিত? কে আমাদের রুমে প্রবেশ করে মাথার উপর কথা বলত?

০৩) কে আমদের ঘরে গিয়ে মা'কে ডেকে দিল?

০৪) কে আমার ফুফুর আদি হিস্টোরী বলে দিল?

০৫) কে-ইবা মায়ের মাথার উপর হাত রাখল?

০৬) কিভাবে পীর সাহেবরা ধোকাবাজী করছে? উত্তরঃ এই জ্বীনের মাধ্যমে।



এবার দেখি কোরআন শরীফে জ্বীন সম্পর্কে কি বলা আছেঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

(১) বল,'ওহীর মাধ্যমে আমি জেনেছি যে, জ্বিনদের একটি দল কোরআন পাঠ শুনে বলেছে, 'আমরা তো এক বিষ্ময়কর কোরআন শুনেছি, (২) 'যা সঠিক পথনির্দেশ করে; ফলে, আমরা এতে বিশ্বাস করেছি, আমাদের রবের সাথে কাউকে অংশী করব না। (৩) এবং এটিও বিশ্বাস করেছি যে, আমাদের রবের মর্যাদা সুউচ্চ; তিনি গ্রহণ করেননি কোন পত্মী বা সন্তান। (৪) আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা আল্লাহ সম্পর্কে সীমাবহির্ভূত কথা বলত (৫) অথচ আমরা মনে করতাম মানুষ এবং জ্বিন আল্লাহ সম্বন্ধে অবাস্তব কোন উক্তি করতে পারে না। (৬) আরো জেনেছি যে, কোন কোন মানুষ কিছু কিছু জ্বিনের শরণ নিত, ফলে, ওরা জ্বিনদের অহমিকা বাড়িয়ে দিত। (৭) এবং জ্বিনেরা বলেছিল, 'তোমাদের মত মানুষও ভাবে, মৃত্যুর পর আল্লাহ কাউকেও পুনরুত্থিত করবেন না। (৮) আমরা আকাশ পর্যাবেক্ষণ করতে গিয়ে দেখতে পেলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ; (৯) পূর্বে আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবনার্থে বসতাম কিন্তু এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ডের সম্মুখীন হয়। (১০) নিশ্চয়ই আমরা জানি না জগতের রব জগতবাসীর অমঙ্গল চান না রব তাদের মঙ্গল কামনা করেন? (১১) এবং আমাদের কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক এর বিপরীত, আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথের অনুসারী। (১২) আমরা বুঝেছি যে, পৃথিবীতে আল্লাহকে পরাভূত এবং পালায়ন করে তাঁর ক্ষমতাকে ব্যর্থ করতে পারব না। (১৩) আমরা কোরআনের বানী শুনলাম এবং তাতে ঈমান আনলাম। যে তার রবের প্রতি বিশ্বাস করে তার পুরস্কার লাঘবের বা শাস্তি বৃদ্ধির কোন আশংকা নেই। (১৪) আর আমাদের কিছু মুসলমান এবং কিছু জালেম; যারা মুসলমান তারা সুচিন্তিতভাবে সঠিক পথ বেছে নেয়। (১৫) কিন্তু যারা অত্যাচারী তারা অবশ্য জাহান্নামেরই ইন্ধন। (১৬) ওরা যদি সত্য পথে প্রতিষ্ঠিত থাকত ওদের আমি প্রচুর বারি বর্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করতাম। (১৭) যা দিয়ে আমি ওদের পরীক্ষা করতাম। যে ব্যক্তি তার রবের স্মরণ হতে বিমূখ হয় তিনি তার দুঃসহ শাস্তির বিধান করবেন। (১৮) এবং যত সেজদার স্থান আছে সব আল্লাহরই, সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে শরীক করিও না। (১৯) যখন আল্লাহর দাস তাঁকে ডাকার জন্য দাড়ায় তখন অনেক জ্বীন তা শুনার জন্য তার চারদিকে ভিড় জমায়। (২০) বল, 'আমি আমার রবকেই ডাকি এবং তাঁর সঙ্গে কাউকেও শরীক করি না। (২১) বল, 'আমি তোমাদের ইষ্ট-অনিষ্টের মালিক নই। (২২) বল, 'আল্লাহর শাস্তি হতে কেউই আমাকে রক্ষা করবে না এবং আল্লাহর প্রতিকূলে আমি কোন আশ্রয়ও পাব না। (২৩) 'কেবল আল্লাহর বানী পৌঁছানো এবং তার আদেশ প্রচারই আমাকে রক্ষা করবে।' যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি; সেখানে তারা স্থায়ী হবে। (২৪) যখন ওরা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখবে তখন ওরা বুঝতে পারবে, কার সমর্থকারী দুর্বল এবং কার সমর্থনকারী সংখ্যায় স্বল্প। (২৫) বল, 'আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুতি বিষয় আসন্ন না আমার রব এর জন্য কোন মেয়াদ স্থির করবেন। (২৬) তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞতা, তিনি তার অদৃশ্যের জ্ঞান কারও নিকট প্রকাশ করেন না, (২৭) তাঁর মনোনীত রাসূলগণ ব্যতীত সে ক্ষেত্রে তখন আল্লাহর রাসূলের অগ্রে এবং পশ্চাতে প্রহরী ফেরেশতা নিযুক্ত করেন। (২৮) রাসূলগণ তাদের রবের বাণী পৌঁছে দিয়েছেন কি না দেখার জন্য; রাসূলগণের নিকট যা আছে তা তাঁর জ্ঞান গোচর এবং তিনি সবকিছুর হিসাব রাখেন।

যেহেতু কোরআনে জ্বিন সম্পর্কে বলা আছে তাই আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এবং আমি নিজে তার স্বাক্ষী হবার সৌভাগ্য লাভ করেছি।

আধুনিক মতবাদের কাছে মনে হবে "বকবাছ"
সে ক্ষেত্রে আমার কোন বক্তব্য নাই। যা দেখেছি তা পাঠক সমাজে জানালাম বিস্তারিত।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২

সিউল রায়হান বলেছেন: "যেহেতু কোরআনে জ্বিন সম্পর্কে বলা আছে তাই আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এবং আমি নিজে তার স্বাক্ষী হবার সৌভাগ্য লাভ করেছি।"

- ব্রাদার এখানে যেটা হয়েছে তা হল: আমিও মনে প্রাণে বিশ্বাস করি...... তোমার (তুমি করেই বললাম যেহেতু আমি বয়সে বড় হব তোমার) অভিজ্ঞতা তোমাকে বিশ্বাসের মাঝে প্রমাণের ফ্লেভার দিয়ে দিয়েছে এবং আমি প্রমাণ ছাড়াই বিশ্বাস করি.....

৩৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: অলৌকিক কোন কিছু নিয়ে প্রশ্ন করলে হাজারো প্রশ্ন করা যায়। শুধু চাঁদ দ্বিখন্ড কেন, ঈসা (আঃ) অর্থৎ যীশু মৃতকে জীবতি করতেন, গায়ে হাত বুলিয়ে কুষ্ঠ রোগীদের ভাল করতেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুতরাং মুজিযা নিয়ে কোন বিকর্ত করতে চাই না। কেনান তাহা প্রমান করতে হলে অতীতে যেতে হবে। যা সম্ভব নয়.................

এমনকি হযরত ঈসা (আঃ) এর জন্ম ছিল আরো একটা বড় মুজিযা। এগুলোর কোন বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা নেই।

যেমন ডেভিড কপারফিল্ড শত শত মানুষের সামনে ট্রেনকে অদৃশ্য করে ফেলেছিলেন, ইফিল টাওয়ারকে গায়েব করে দিয়েছিলেন। এগুলো স্পষ্ট যাদু, আর ওগুলো আল্লাহ রাসূলকে দিয়ে অবিশ্বাসিদের বিশ্বাস স্থাপন করানোর জন্য করে দেখাতেন।

সুতরাং এ নিয়ে চটকা চটকি করে কোন লাভ হবে না। ডেভিডকে গিয়ে জিগান ঐ টা কিভাবে করেছিলেন?

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৮

সিউল রায়হান বলেছেন: ডেভিডরে দিয়ে কোরআনকে ব্যাখ্যা করতে যাইও না :-/ :-/ ডেভিড কিভাবে কোন জাদু দেখাইসে তার অনেক ডকুমেন্টারী পাওয়া যায়

আরেকটা কথা এক্ষুনি তওবা পড়ো কারণ তুমি মহানবী(সাঃ) কে জাদুকরের সাথে তুলনা করে ফেলছো


উপরের উদাহরণগুলোই আসল কথা.... মুজিযাগুলি প্রমাণ করা সম্ভব হয়তো অথবা হয়তোবা না........ ( এই ব্লগে ঈসা (আঃ) এর জন্ম কিন্তু ক্লোনিং দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন একজন এমন একটা দেখেছিলাম..... আবার আল্লাহ ফেরাউনের লাশ রেখে দিয়েছেন কিয়ামত পর্যন্ত এটাকে মিশরীয়দের মমি তৈরী দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে হয়তোবা....
আমি এত ব্যাখ্যাতে যেতে রাজী না...... আমার কথা সিম্পল: কোরআনে যা আছে, তা বিশ্বাস করি এবং বিশ্বাসে প্রমাণের ফ্লেভার দিতে আমি রাজী না

৩৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: নাউযুবিল্লাহ আমি মুহাম্মদ (সঃ) কে কখনোই যাদুকর ভাবি নাই।
আমার বক্তব্য হচ্ছে, নবীদের মুজিযা নিয়ে কেউ কোরআনকে ছোট করলে ভীষন খারাপ লাগে।

আমি কোরআনকে অবজ্ঞাকারীদের জানিয়ে দিতে চাই "এটাই সত্য ধর্ম"

৩৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪

শয়তান বলেছেন: ধুর!!!!!!!

আপনার জ্বিনও দেখি টিনের চালে শব্দ কইরা দরজা দিয়া ঢুকে
@ সত্য কথায় যত দোষ !

আগ্রহ যেটুকু হৈসিলো পুরাটাই পানি হৈয়া গেল । এরকম শব্দ করাজ্বিন কেস আগেই সলভ করা আছে আমার দুইখান ।

হুদাই উত্তেজনা লস করলাম :-< |-)

৩৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০

মাহিরাহি বলেছেন: সত্য কথায় যত দোষ ! .......।
যেমন ডেভিড কপারফিল্ড শত শত মানুষের সামনে ট্রেনকে অদৃশ্য করে ফেলেছিলেন, ইফিল টাওয়ারকে গায়েব করে দিয়েছিলেন।

ডেভিড কপারফিল্ডের কৌশলকে আপনি যা বললেন তাতে আমি হতবাক।



৩৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০২

আরিফুর রহমান বলেছেন: বাল কথার যতো দুষ মিয়ায় কয়.. হে আমগোরে জানায়া দিতে চায়.. হেইডাই নাকি সইত্য ধর্ম..

খিক খিক খিক

৩৯| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩

রেজাউর রহমান বলেছেন: Click This Link

৪০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৩

নাজমুস বলেছেন: হাছা কথার যত দোষ ভাইজান, আরে ব্লক কইরচেন ক্যা? আর অপরাড কি?

৪১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩

মনির হাসান বলেছেন: কামের কথায় আসি ... উনারে জ্বীনে আছর করছে ... শর্ষিনার (বানান জানিনা) পীর নাকি বহুত কামেল ... উনার কাছে রেফার করা হৌক ...

৪২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০

আরিফুর রহমান বলেছেন: মনির,

বানানটা মনে হয় 'ছারছিনার পীর ছাহেব' হবে.. =p~

৪৩| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২

শয়তান বলেছেন: শর্ষিনার রাজাকারটা মৈরা নিজেই জ্বিন হৈয়া গেছে অনেকদিন হৈলো

৪৪| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

মনির হাসান বলেছেন: যেটকু আশা ভরসা ছিল তাও গ্যালো ... আহারে পোলাটার আর বাচন নাই ... :(

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩২

সিউল রায়হান বলেছেন: মনির ভাইয়া এই পোস্টে তেমন কোন ভাল রেসপন্স পেলাম না.... তারপরেও আপনার ব্লগোস্ফিয়ারের লিখাগুলোর সংকলনে এটা রাখা যায় নাকি দেখবেন....তাহলে এই বিষয়টি নিয়ে হয়তোবা পরে কেউ আলোচনা করবেন

৪৫| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬

দীপান্বিতা বলেছেন: বাব্বা! বড্ড শক্ত আলোচনা দেখছি!:P...বেশি পড়লাম না...মাথার উপর দিয়ে যাবে...;)

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩

সিউল রায়হান বলেছেন: আপনার এগুলি পড়া লাগবে না...... আপনি শিগগীর শান্তিনিকেতনের আরো কিছু ছবি নিয়ে একটা ছবি ব্লগ দিন :)

৪৬| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩

অমেদুল বলেছেন: বিশ্বাশ না করলে তো যুক্তিতে পারার প্রশ্নই আসেনা। আমি নিজেও জ্বিন দেখেছি। আমার জ্বিন লাগা ছিল। আল্লারে বিশ্বাশ না করেন যান । আপ্নের বিশ্বাশ না করাই তাঁর কোন যায় আসে না।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩

সিউল রায়হান বলেছেন: আপনারেও জ্বীন ধরসিলো ?? ডিটেইলস বলেন ভাই :)

৪৭| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫০

'লেনিন' বলেছেন: আস্তিক নাস্তিক ক্যাচাল নিয়ে প্যাচাল পারা উচিত যাদের কিনা কোনো কাজ কাম নাই, গুরুত্বপূর্ণ কিছু পড়াশোনা করতে হয়না তাদের। তোমার নাকি পরীক্ষা চলছে? @সিউল

আমার স্কুলের হুজুর বলেছিলেন, চাঁদটাকে দ্বিখণ্ডিত করে নিজের দুইহাতে নিয়েছিলেন। সেটা কীভাবে সম্ভব? হতেই পারে এই পোস্টে সৌদি আরব তথা পুরো মিডলইস্টের ছবি দেখে ফেলতেছি সেরকম অজানা কোনো টেকনোলজী হতে পারে যা বিজ্ঞানিদের চ্যানেলে এখনো ধরা পড়েনি।

বিজ্ঞানিদের যুক্তি ধরলে অবশ্য এমন হবে... চাঁদকে অনেক অনেক ছোট অর্থাৎ ইলেকট্রনের বলয়গুলোর ব্যাসার্ধ কমিয়ে ফুটবলের সমান করেছিলেন। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান বলে অমন সংকুচিত বস্তুর ভর অনেক অনেক বেশি হবার কথা। আর তার সৃষ্ট মাধ্যাকর্ষণ যদি গণনায় না আনা হয় তাও মহাভুল হবে। কেবল অমাবস্যা/পূর্ণিমাতেই সূর্য ও চন্দ্রের বিশেষ অবস্থানের কারণে সাড়া পৃথিবীতে জোয়ার ছাড়াও আরো নানান উপসর্গ দেখা যায়। বলা হয় পাগলেরও পাগলামি বাড়ে এবং তার যুক্তিসঙ্গত কারণও আছে। প্রসূতির প্রসব ত্বরাণ্বিত হয়। গাছের ফলন বা বৃদ্ধি প্রভাবিত হয়।

তাই চন্দ্রকে সেভাবে দ্বিখণ্ডিত করে পাহাড়ে ফেলা বা পৃথিবিতে ফেলা হলে তার বিশাল প্রভাব পড়ার কথা। যেমন বন্যা হওয়া, অনেক স্থাপনার স্থান চ্যুতি ঘটা(মাধ্যাকর্ষণের কারণে), আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ হওয়া ইত্যাদি।

কিন্তু তা যদি পদার্থবিজ্ঞানকে রহিত রেখে করা হয়ে থাকে, এবং তাই হয়তো করা হয়েছিলো। তাহলে চাঁদকে যেকোনো সাইজে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। তাতে তার পদার্থগত বৈশিষ্ট্য বা তার কারণে পৃথিবীতে কোনো প্রকার প্রভাবকে স্থগিত করা যেতে পারে সাময়িকভাবে। বিশ্বাসীরা দেখুন এভাবে।

আর অবিশ্বাসীরা ভাবুন এসব ছেলেভুলানো গল্প। তাহলেই হলো।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭

সিউল রায়হান বলেছেন: ভাইয়া পরীক্ষাটা হয়েছে একরকম...... বুধবার আরেকটা

এই পোস্ট মূলত কিছু ভুলভাল প্রমাণের চেষ্টার যে প্রয়াস তার বিরুদ্ধে লিখা :| আমি আস্তিক-নাস্তিক ক্যাচাল থেকে নরমালী ১০০ হাত দূরে থাকি..... গালাগালি হতে পারে এমন পোস্ট দেখলেই বাদ.... তবে মাঝে মাঝে কিছু লিখা পড়ে না লিখে পারা যায় না

অঃটঃ নিজের সাইট করব ঠিক করেছি :) ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আউটুলুক এক্সপ্রেসের মত করে

৪৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩১

অমেদুল বলেছেন: @ লেখক, আপনারে বলতে আমার ঠেকা পড়ছে। আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট জ্বিনের কথা বলেছেন। আপনি বিশ্বাস করলে করেন। না করলে না করেন। আপনারে হাতে পায়ে ধরছে কে।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১

সিউল রায়হান বলেছেন: কি বললাম পুরো পোস্ট ধরে /:)

৪৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

টানজিমা বলেছেন: মুসলমান রে জিনে ধরলে কোরআন পরে তারায়.........
হিন্দুরে ধরলে গিতা পরে .........
খ্রীষ্টান বাইবেলে....... এভাবে......
পৃথীবির সব দেশেই জীন-ভূত আছে.. এব; প্রত্যেক ধর্মেই একেক টা সিসটাম আছে.......... কিন্তুক.....
নাস্তিক গো ত কোন সিসটাম নাই.. তাগরে ধরলে তারা কেম্বে কি করে বা করবে??????? :( :( :( :( :( :(

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫২

সিউল রায়হান বলেছেন: তারা জর্জ বুশ'রে ফোন দেয় ;)

৫০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১

শয়তান বলেছেন:

লেখক বলেছেন: তারা জর্জ বুশ'রে ফোন দেয় ;)

=p~ =p~ =p~

৫১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৭

টানজিমা বলেছেন: নাহ !! এই ব্লগে আর থাকতাম না.....
তাগরে ভালা কতা জিগাইলাম... আর তারা কল্ল আমার লগে মশকারা :(( :(( :(( :(( :(( :(( :((

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

সিউল রায়হান বলেছেন: হা হা হা....... ব্যাপারস না ;)

৫২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১১

মাহমূদ হাসান বলেছেন: Sorry to del your blog from my favourite list after reading this blog.
take care of your self.

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৮

সিউল রায়হান বলেছেন: লজিক দিয়ে কথা বললে ভাল হত.....

কোন জিনিসে আপনার দ্বিমত, কেন দ্বিমত, সত্যটা কি এসব না বলে হাইপোথিসিস চাপিয়ে দেয়া কাম্য নয়...... "পড়াশুনা করুন জানতে পারবেন" যদি বলেন তাহলে বলব, ভাই এগুলো প্রশ্নের জন্যে পড়াশুনা লাগে না...... সামান্য কিছু যোগ বিয়োগই যথেষ্ঠ.... তবুও আপনার লজিকটা শুনতে চাই

ভাল থাকবেন

৫৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: সিউল ভাই,আমি নিজ চোখে জ্বীন দেখছি।মাইজরাইতে আইসা কয়..আগুন দে।বিড়ি ধরামু।
জল সংবরণ করে কোন রকমে বলি,ভস,আপনে না আগুনের তৈরি??
হে একটা হাঁচি দিয়া কয়...ভুইল্লা গেসলাম।


আর অর্ধেক চাঁদের উপর বসা আমার আর জাকির নালায়েক দাদার ফটুক আমার ঘরে ঝুলতাসে।বিশ্বাস না অইলে দেইখা যান।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

সিউল রায়হান বলেছেন: "ভস,আপনে না আগুনের তৈরি??
হে একটা হাঁচি দিয়া কয়...ভুইল্লা গেসলাম।
"

হা হা হা হা....... :) :) :) হা হা প গে

৫৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২১

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: আরিফ ভাইয়া, আপনি কোরআনের একটা মিথ্যা ধরিয়ে দিতে পারবেন, চ্যালেঞ্জ রইল। আর বলতে পারবেন কোনটি সত্য ধর্ম?
সৎ সাহস আছে?

ভাইয়া, আপনি অনেক জ্ঞানী, তবে সে জ্ঞান কোন কাজে আসবে না যখন মৃত্যু সামনে আসবে। মাঝে মাঝে হাসপাতালে গিয়া যারা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তাদের দেখে আসেন তাহলে মৃত্যু ভয় আপনাকেও তাড়া করবে।

যে আপনাকে এত সুন্দর করে সৃষ্টি করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হবার চেষ্টা করুন। এমনও হতে পারত আপনি আপনার নিক ফটোর মত কুৎসিত চেহারার অধিকারী!

আপনার ধর্ম সনাতন আমি জানি, তার পরেও সনাতনরা ভগবানকে বিশ্বাস করে।

আর একটা কথা, সত্য যখন মিথ্যার সামনে আসবে মিথ্যা বিলুপ্ত হইবে, কারন মিথ্যা বিলুপ্ত হইবার জন্যই।

আপনাদের গুরু প্রখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী ও নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, "ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু, বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ"। সুতরাং আপনার জ্ঞানী তাহা স্বীকার করলে কিছুই যায় আসে না।

কারন নাস্তিকগণদের জন্য আল্লাহর কাছে এতটুকুই প্রার্থনা, "হে আল্লাহ তুমি এদের উপর ক্রোধান্বিত হয়ো না, এরা তোমারই হতভাগ্য বান্দা, না বুঝে এরা তোমাকে অনেক আজে বাজে মন্তব্য করে, তুমি ওদের সহ আমাদের সকলকে মাফ করে দাও" তুমি ইচ্ছা করলে সিডরের মতে ভয়ংকর জলোচ্ছাসে আমদের ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পার, তোমার সেই আযাব থেকে আমরা মুক্তি চাই।

নাজমুস, শয়তান আপনাদের বলছি,

জ্বীনের অস্তিত্ব আমি আপনাদের বিশ্বাস করাতে পারব তবে শর্ত হল, আপনি যে আঘাত লাগলে ব্যথা পানা তাহা আমাকে বিশ্বাস করাতে হবে।
পারবেন বিশ্বাস করাতে? আপনি যতই কাঁকুতি মিনতি করেন না কেন আমি বিশ্বাস করব না যে আপনি ব্যথা পেয়েছেন। কারন সে অনুভূতিটা আপনার কাছে, আমার বোঝার কিছু নাই।

৫৫| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন: জিন তাহলে আছে?
আমি জিন এর বাদশাহ হতে চাই...

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৩

সিউল রায়হান বলেছেন: ( প্রণাম বাদশাহ হুজুর :-/ ;) )

৫৬| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩

আমি আস্তিক বলেছেন: সাফির বলেছেন, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।
কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

আমিও প্রথম শুনলাম

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫

সিউল রায়হান বলেছেন: ভাল ভাল.... সূরা কামা'র মনে হয়, আমার ডিটেইলস পড়া দরকার....

পড়ে আপডেট দিব পোস্টে

৫৭| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

আপন ও অধরা বলেছেন: সাফির বলেছেন: দূরের মানুষ বলেছেন: স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চাঁদ দ্বিখন্ডনের ঘটনাটি মহানবী (সাঃ) জীবনের একটি মোজেজা বা অলৌকিক ঘটনা বলেই জানি।
বলা হয়, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।
কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

আমিও প্রথম শুনলাম।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: আমি পাহাড়ে এসে পড়ারটাই জানতাম

আপনি তো তাই জানবেন, কারন আপনি জানতে জানতে জানু.া.। হইয়া গেছেন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৩

সিউল রায়হান বলেছেন: আপনি কি জানেন সেইটাও বলেন শুনি ???

আকাশে দ্বিখন্ডিত হোক, পৃথিবীতে এসে পড়ুক ২টা নিয়েই প্রশ্ন করলাম, সেগুলোর উত্তর দেন

উত্তরটা পারলে নিজে দেন...."ইন্টারনেটে খুঁজেন" টাইপের চাপাবাজী করার দরকার নাই

৫৮| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৬

শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন: চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যাওয়া আর চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে ... দুইটা সমানভাবে উদ্ভট।
যারা বিশ্বাস করতে চান তারা চোখ বুজে করে ফেলুন..
এমন তো না যে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যাওয়া ব্যাপার টা সবাই যাচাই করে তারপর বিশ্বাস করছেন... ঐইটা যেমন শুনা কথা তেমনি লেখক ও শুনছেন পৃথিবীতে পড়ছে.।
সো নো প্রাবলিম...

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০

সিউল রায়হান বলেছেন: হা হা..... ভাল বলেছেন :)

৫৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪১

কিংবদন্তী বলছি বলেছেন: আপনি প্রথমেই ভুল তথ্য দিয়ে কোনো কিছু প্রমান করার চেষ্টা করেছেন কাজেই এই নিয়ে কথা বলছি না। আর চাঁদ দ্বিখন্দিত হয়েছিল কিনা এটা বিশ্বাস করা ছাড়া আস্তিকের হয়তো আপাতত কোনো উপায় নাই। তবে হজরত মুহাম্মদ (স:) কে অনেকেই যখন মুজিজা দেখাতে বলেছিলেন তখন বলা হয়েছিল, আল কোরান ই শ্রেষ্ট মাজেজা।

আর জিন আছে কিনা (কোরান মজিদ ছাড়া), এই প্রসঙ্গে একটু এই লিঙ্কে http://www.wakeupproject.com/Videos.asp গিয়ে The arrivals ভিডিও গুলা দেখতে পারেন. আমার ভালো লেগেছে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৬

সিউল রায়হান বলেছেন: যে ২টা ব্যাখ্যা এসেছে দু'টাকেই তো প্রশ্ন করলাম....আপনি তাই উত্তর দেন, মানা তো কেউ করেনি...... আলোচনাকে সবসময়ই স্বাগত জানাই

যাই হোক, আপনার সাথে একমত "চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল এটা বিশ্বাস করা ছাড়া আমাদের সামনে আসলেই কোন উপায় নেই"..... এবং কোরআন বিশ্বাস করার জন্যেই..... তাই আমরা ঠিক আছি


আর হ্যা, জ্বিনদের নিয়ে কিছু ভিডিও দিলেই তা প্রমাণ হয়ে গেল ??? তাহলে কপারফিল্ড কিভাবে তার জাদুগুলি দেখাতো তার কোন ব্যাখ্যা মানুষের জানা না থাকলে সেটাও তো জ্বিনদের কাজ ধরতে হয় কারণ সেগুলির কোন ব্যাখ্যা জানিনা....... জ্বিনদের কোন স্পেশিস বললে সেরকম প্রমাণ লাগবে বস /:) একদম ২=২ টাইপের প্রমাণ....... বিশ্বাসে প্রমাণ লাগে না কিন্তু প্রমাণিত বললে প্রমাণ লাগে

আমার পয়েন্ট ক্লিয়ার করি: "জ্বিনদের অস্তিত্বের কোন প্রমাণ জানি না তবে আছে বিশ্বাস করি কারণ কোরআনে সূরা জ্বিনে এদের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে"

৬০| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৪

তাজা কলম বলেছেন: অলৌকিক প্রাণীগুলারে লৌকিক যুক্তিতে মাইরা ফেলতাছেন! কাজটা কিন্তু ভাল হইতাছে না। এমুনটা করলে ধর্ম টিকবো কি কইরা। তওবা করেন মিয়া, পরকালে পরী কিংবা গেলমানদের সেবা পাইতে চাইলে!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৪

সিউল রায়হান বলেছেন: :| আমি চাই আমার এই জন্মে যাকে ভাল লাগবে তাকে যেন পরকালেও পাই...... পরী'র উপর অত আগ্রহ নাই

৬১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৪

রিসাত বলেছেন: বুঝি নাহি

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সিউল রায়হান বলেছেন: আস্তিক নাস্তিক ব্যাপার না বোঝাই ভাল, ব্যান খাওয়ার সম্ভাবনা শুন্য থাকে তাহলে

৬২| ১৪ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১১

শয়তান বলেছেন: চাদের পৃথিবীতে আছড়ে এসে পরার প্রমান পাওয়া যাবে এখানে =p~

১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫০

সিউল রায়হান বলেছেন: মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেল /:) এই বলদের কথার ডিফেন্ড করে আরেকটা পোস্ট দিতে হবে

৬৩| ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৮

শয়তান বলেছেন: অপেক্ষায় থাকলাম তাইলে :)

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১০

সিউল রায়হান বলেছেন: সে একটা পুরাই বলদ....... লিখতে খুব একটা কষ্ট করা লাগবে না ;)

৬৪| ৩০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১২

মাহদী হাসান বলেছেন:
@স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চাঁদ দ্বিখন্ডনের ঘটনাটি মহানবী (সাঃ) জীবনের একটি মোজেজা বা অলৌকিক ঘটনা বলেই জানি।
বলা হয়, মক্কার কাফিরদের দেখানোর জন্য মহানবী (সাঃ) এর ইশারায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ঠিক মাঝখানে দ্বিখন্ডিত হয়ে দু'পাশে সরে যায় এবং কিছু সময় পর আবার আগের আগের অবস্থায় এসে যায়।

কিন্তু চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।


*************************
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫

@আমি আস্তিক
লেখক বলেছেন: "ভাল ভাল.... সূরা কামা'র মনে হয়, আমার ডিটেইলস পড়া দরকার....

পড়ে আপডেট দিব পোস্টে"

মানে কি না পইড়াই আজাইরা চিল্লাইতেছেন। এগুলাই হইল ডিজিটাল নাস্তিকদের কাম।ভাল কইরা পরেন তার পরে চিল্লান।মনে থাকে জেন।
*******************
------------------------------ দিলাম। সব ছাগলের দল।আজইরাই ম্যা ম্যা করে।

৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০৪

সিউল রায়হান বলেছেন: খ্যাক খ্যাক......... যুক্তিতে না পারলে মাইনাসই ভরসা ;)

পরে আপডেট দেয়া লাগে নাই কারণ সকল পসিবিলিটি নিয়ে বলা হয়েছে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব

৬৫| ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:১৬

জেনারেশন৭৫ বলেছেন: আপাতত প্রিয়তে নিলাম। আমার কিছু মজার ইক্সপেরিসেন্স আছে... পরে এসে শেয়ার করব।

৩১ শে মে, ২০১০ রাত ৯:১৯

সিউল রায়হান বলেছেন: ওকে :)

৬৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৯

শায়েরী বলেছেন: চাঁদ খন্ডিত হয়ে পৃথিবীতে পড়েছে এটা প্রথম শুনলাম।

আমিও প্রথম শুনলাম।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১:৪০

সিউল রায়হান বলেছেন: পুরান টপিক

৬৭| ১১ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৩০

মুহম্মদ তুষার খান বলেছেন: জাকির নায়েকঃ নতুন এক ফিৎনা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.