নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চিন্তাশীল মানুষ হওয়ার চেষ্টায় আছি

সাড়ে চুয়াত্তর

আমার লেখার মাঝে আমার পরিচয় পাবেন

সাড়ে চুয়াত্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে বাঙালী কবি

২০ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:২৫



কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি কবিদের নিয়ে দুইটা প্রবন্ধ লিখেছেন। একটার নাম বাঙালি কবি নয় কেন? এবং দ্বিতীয়টির নাম বাঙালি কবি নয় । আরও লিখেছেন কি না আমার জানা নাই। এই দুইটা প্রবন্ধ আমি পড়েছি।

এই দুইটা প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ কঠোর ভাষায় ঐ যুগের বাঙালী কবিদের সমালোচনা করেছেন। ঐ যুগের চেয়ে এই যুগের কবিরা আরও অনেক উন্নত মানের এমন দাবি করা সম্ভবত যুক্তিপূর্ণ হবে না। কারণ রবীন্দ্রনাথের জমানাকে বাংলা কাব্য আর সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বললে মনে হয় অত্যুক্তি হয় না। তাই রবীন্দ্রনাথের বাঙালী কবিদের নিয়ে পর্যবেক্ষণ এই যুগের ক্ষেত্রেও অনেকটাই প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়। উপরে উল্লেখিত রবীন্দ্রনাথের উভয় প্রবন্ধই আমার ভালো লেগেছে ও শিক্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। এই পোস্টে ‘বাঙালী কবি নয় কেন?’ প্রবন্ধটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠকের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেছি। সাথে আমার নিজের কিছু বক্তব্যও আছে। প্রবন্ধ দুটিও সংযুক্ত করা আছে। আশা করি যারা কবিতা পড়েন এবং কবিতা লেখেন উভয়েই রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবি ও কবিতা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি কবিদের চিন্তার স্থুলতার কথা বলেছেন। জড় বা জীবন্ত যে কোন কিছুর বাইরের দিকটার প্রতিই কবিদের নজর বেশী। এই বাহ্যিক রুপের পিছনের অন্তর্নিহিত রুপটা প্রায়শই কবিরা দেখতে পাচ্ছেন না। উদাহরণ স্বরূপ তিনি বায়রনের কবিতার প্রতি বাঙালিদের আগ্রহের উল্লেখ করেছেন যেখানে সূক্ষ্ম দৃষ্টির বদলে স্থুল দৃষ্টিতে কবিতার নারী চরিত্রকে দেখানো হয়েছে। পরে আবার তিনি শেলির একটা কবিতার উল্লেখ করেছেন যেখানে নারীর সৌন্দর্যকে প্রকৃতির সাথে তুলনা করা হয়েছে যা বোঝার জন্য যে সূক্ষ্ম দৃষ্টির প্রয়োজন তা অধিকাংশ বাঙালির মধ্যে নেই। রবীন্দ্রনাথ বলতে চাচ্ছেন যে নারীর দৈহিক সৌন্দর্যের দিকেই কবিদের আকর্ষণ বেশী। কিন্তু অন্তরনিহিতি সৌন্দর্য কবিদের কাছে উপেক্ষিত থাকছে অনেক ক্ষেত্রেই। নর- নারীর প্রেম নিয়ে কবিতার কথা চিন্তা করতে গেলে বাঙালি কবি আর পাঠকের মনে আসে নারীর বাহু, লম্বা চূল, বক্ষ ইত্যাদি।

রবীন্দ্রনাথ ‘বাঙালি কবি নয় কেন?’ প্রবন্ধে বলছেন -

জড়ই হউক আর জীবন্তই হউক, একটি আকারের মধ্যে একটি ভাব দেখিতে যে অতি সূক্ষ্ম কল্পনার আবশ্যক, তাহা বোধ করি আমাদের নাই। যদি থাকিত, তবে কেন আমাদের বাংলা কবিতার মধ্যে তাহার কোনো চিহ্ন পাওয়া যাইত না? বোধ করি অত সূক্ষ্ম ভাব আমরা ভালো করিয়া আয়ত্তই করিতে পারি না, আমাদের ভালোই লাগে না। আমাদের খুব খানিকটা রক্তমাংস চাই, যাহা আমরা ধরিতে পারি, যাহা দুই হাতে লইয়া আমরা নাড়াচাড়া করিতে পারি। আমাদের গণ্ডার-চর্ম মন অতি মৃদু সূক্ষ্ম স্পর্শে সুখ অনুভব করিতে পারি না। এইজন্য আমরা বাইরনের ভক্ত। শেলীর জ্যোৎস্নার মতো অতি অশরীরী কল্পনা খুব কম বাঙালির ভালো লাগে।

উদাহরণ স্বরূপ বাইরনের কবিতার অংশ বিশেষ তিনি তুলে দিয়েছেন –

বিরহেতে গুরুতর উরসের (বক্ষের) ভারে
ঢলিয়া পড়েছে বামা (সুন্দরী) কুসুমেষু শরে
কুসুম শয়নে; কিন্তু কুসুমে কি পারে
নিবাইতে যে অনল জ্বলিছে অন্তরে?
সুগোল সুবর্ণনিভ চারু (সুন্দর) ভুজোপরে (বাহুতে)
শোভে পূর্ণ বিকশিত বদন কমল,
(রূপের কমল মরি কাম সরোবরে),
ভানুর বিরহে কিন্তু নিমীলিত দল!
শোভিতেছে অন্য করে বাক্য মনোহর,
-----------------
বিলাস বঙ্কিম রেখা, কুহকী (জাদুকরী) যৌবন
চিত্রিয়াছে কী কৌশলে সর্ব অঙ্গে মরি
পূর্ণতার পূর্ণাবেশ–সুনীল বসন
বিকাশিছে তলে তলে কনক লহরী।

তারপর উপরের কবিতা সম্পর্কে লিখেছেন-

এমনতর একটা স্থুল নধর মাংসপিণ্ড নহিলে বাঙালি হৃদয়ের অসাড়, অপূর্ণ স্নায়ুবিশিষ্ট, কর্কশ ত্বকে তাহার স্পর্শই অনুভব হয় না। আর নিম্নলিখিত কবিতাটি পড়িয়া দেখো-

(শেলির কবিতা) -
Wherefore those dim looks of thine (your)
Shadowy, dreaming Adeline (name of the girl).
Whence that aery bloom of thine (you)
Like a lily which the sun
Looks thro’ in his sad decline
And a rose-bush leans upon,
Thou that faintly smilest still,
As a Naiad (mermaid) in a well,
Looking at the set of day.
...
Wherefore those faint smile of thine (your)
Spiritual Adeline?
Who talketh with thee (your), Adeline?
For sure thou art not all alone.
Do beating-hearts of salient springs
Keep measure with thine (your) own?
Hast thou heard the butterflies
What they say betwixt their wings?
Or in stillest evenings

(উপরের) এমন জ্যোৎস্নাশরীরী প্রতিমাকে কি বাঙালিরা প্রাণের সহিত ভালোবাসিতে পারেন? না। কেননা, শুনিয়াছি নাকি যে, বাঙালি কবিকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় “কেন ভালোবাস” তখন তিনি উত্তর দেন-

“দেখিয়াছ তুমি সেই মার্জিত কুন্তল (চূল)
সুকুন্তল কিরীটিনী (মুকুটধারিণী), প্রেমের প্রতিমাখানি,
আচরণ (চরণ পর্যন্ত লম্বা) বিলম্বিত দীর্ঘ কেশরাশি
দেখিয়াছ কহো তবে, কেন ভালোবাসি?”

“আচরণ বিলম্বিত দীর্ঘ কেশরাশি” দেখিলে, “কেশের আঁধারে সেইরূপ কহিনুর” দেখিলে তবে যাঁহাদের প্রেমের উদ্রেক হয়, তাঁহারা অমন একটি ভাবটিকে (উপরের ইংরেজি কবিতা কথা বলা হয়েছে) কিরূপে ভালোবাসিবেন? আর এদিকে চাহিয়া দেখো-

“একদিন দেব তরুণ তপন,
হেরিলেন সুরনদীর জলে,
অপরূপ এক কুমারী রতন
খেলা করে নীল নলিনীদলে।
বিকসিত নীল কমল আনন,
বিলোচন নীল কমল হাসে,
আলো করে নীল কমল বরন,
পুরেছে ভুবন কমল বাসে।
তুলি তুলি নীল কমল কলিকা,
ফুঁ দিয়া ফুটায় অফুট দলে;
হাসি হাসি নীল নলিনী বালিকা,
মালিকা গাঁথিয়া পরেছে গলে।
লহরী লীলায় নলিনী দোলায়
দোলে রে তাহায় সে নীলমণি;
চারি দিকে অলি উড়িয়ে বেড়ায়,
করি গুনু গুনু মধুর ধ্বনি।
চারি দিক দিয়ে দেবীরা আসিয়ে

কোলেতে লইতে বাড়ান কোল;
যেন অপরূপ নলিনী হেরিয়ে,
কাড়াকাড়ি করি করেন গোল।
তুমিই সে নীল নলিনী সুন্দরী,
সুরবালা সুর-ফুলের মালা;
জননীর হৃদিকমল-উপরি,
হেসে হেসে বেশ করিতে খেলা।
হরিণীর শিশু হরষিত মনে,
জননীর পানে যেমন চায়;
তুমিও তেমনি বিকচ নয়নে,
চাহিয়ে দেখিতে আপন মায়।
শ্যামল বরন, বিমল আকাশ;
হৃদয় তোমার অমরাবতী;
নয়নে কমলা করেন নিবাস,
আননে কোমলা ভারতী সতী।
কথা কহে দূরে দাঁড়ায়ে যখন,
সুরপুরে যেন বাঁশরি বাজে;
আলুথালু চুলে করে বিচরণ
মরি গো তখন কেমন সাজে!
মুখে বেশি হাসি আসে যে সময়
করতল তুলি আনন ঢাকে;
হাসির প্রবাহ মনে মনে বয়,
কেমন সরেস দাঁড়ায়ে থাকে!”

ইহাতে নিবিড় কেশভার, ঘন কৃষ্ণ আঁখিতারা, সুগোল মৃণাল ভুজ ( বাহু) নাই তাই বোধ করি ইহার কবি বঙ্গীয় পাঠক সমাজে অপরিচিত, তাঁহার কাব্য অপঠিত। আন বিষ, মার ছুরি, ঢাল মদ–এমনতর একটা প্রকাণ্ড কাণ্ড না হইলে বাঙালিদের হৃদয়ে তাহার একটা ফলই হয় না।

এক প্রকার প্রশান্ত বিষাদ, প্রশান্ত ভাবনা আছে, যাহার অত ফেনা নাই, অত কোলাহল নাই অথচ উহা অপেক্ষা ঢের গভীর তাহা বাংলা কবিতায় প্রকাশ হয় না। উন্মত্ত আস্ফালন, অসম্বদ্ধপ্রলাপ, “আর বাঁচি না, আর সহে না, আর পারি না” ভাবের ছট্ফটানি, ইহাই তো বাংলা কবিতার প্রাণ।

বাঙালির কল্পনা চোখে দেখিতে পায় না, বাঙালির কল্পনা বিষম স্থূল। তথাপি বাঙালি কবি বলিয়া বড়ো গর্ব করে।

আর আমাদের এই স্তব্ধ অন্ধকার ডোবার মধ্যে স্রোত নাই, তরঙ্গ নাই, জল পচিয়া পচিয়া উঠিতেছে, উপরে পানা পড়িয়াছে, গুপ্ত নিন্দা ও কানাকানির একটা বাষ্প উঠিতেছে। স্ত্রী-পুরুষের মধ্যে ভালোবাসার একটা স্বাধীন আদানপ্রদান নাই, ঢাকাঢাকি, লুকোচুরি, কানাকানির মধ্যে ঢাকা পড়িয়া সূর্যের কিরণ ও বায়ুর অভাবে ভালোবাসা নির্মল থাকিতে পারে না, দূষিত হইয়া উঠে। আমাদের ভালোবাসা কখনো সদর দরজা দিয়া ঘরে ঢোকে না; খিড়কির সংকীর্ণ ও নত দরজা দিয়া আনাগোনা করিয়া করিয়া তাহার পিঠ কুঁজা হইয়া গিয়াছে, সে আর সোজা হইয়া চলিতে পারে না, কাহারো মুখের পানে স্পষ্ট অসংকোচে চাহিতে পারে না, নিজের পায়ের শব্দ শুনিলে চমকিয়া উঠে। এমনতর সংকুচিত কুব্জ ভালোবাসার হৃদয় কখনো তেমন প্রশস্ত হইতে পারে না। মনে করো, “পিরীতি” কথার অর্থ বস্তুত ভালো, কিন্তু বাঙালিদের হাতে পড়িয়া দুই দিনে এমন মাটি হইয়া গিয়াছে যে, আজ শিক্ষিত ব্যক্তিরা ও কথা মুখে আনিতে লজ্জা বোধ করেন। বাংলা প্রচলিত প্রণয়ের গানের মধ্যে এমন গান খুব অল্পই পাইবে, যাহাতে কলঙ্ক নাই, লোক-লাজ নাই ও নব যৌবন নাই, যাহাতে প্রেম আছে, কেবলমাত্র প্রেম আছে, প্রেম ব্যতীত আর কিছুই নাই। আমাদের এ পোড়া দেশে কাজকর্ম নাই, অদৃষ্টের সহিত সংগ্রাম নাই, আলস্য তাহার স্থূল শরীর লইয়া স্থূলতর উপধানে হেলিয়া হাই তুলিতেছে, ইন্দ্রিয়পরতা ও বিলাস, ফুল মোজা কালাপেড়ে ধুতি, ফিন্ফিনে জামা পরিয়া, বুকে চাদর বাঁধিয়া, পান খাইয়া ঠোঁট ও রাত্রি-জাগরণে চক্ষু রক্তবর্ণ করিয়া গুড়গুড়ি টানিতেছে, এই তো চারি দিকের অবস্থা! এমন দেশের কবিতায় চরিত্র-বৈচিত্র্যই বা কোথায় থাকিবে, মহান চরিত্র-চিত্রই বা কোথায় থাকিবে, আর বিবিধ মনোবৃত্তির খেলাই বা কীরূপে বর্ণিত হইবে? সম্প্রতি বাহির হইতে একটা নূতন স্রোত আসিয়া এই স্থির জলের মধ্যে একটা আন্দোলন উপস্থিত করিয়াছে। ইহা হইতে শুভ ফল প্রত্যাশা করিতেছি, ইতস্তত তাহার চিহ্নও দেখা দিতেছে।


রবীন্দ্রনাথ কবিদের আরও সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করার পরামর্শ দিয়েছেন। চোখে যা ধরা পরে সেটাই সব না। যে সৌন্দর্য,সেটা প্রকৃতির সৌন্দর্য হোক আর নর-নারীর সৌন্দর্য হোক, দেখার জন্য সূক্ষ্ম দৃষ্টির প্রয়োজন সেই রকম সূক্ষ্ম দৃষ্টি অর্জনের জন্য কবি ও কবিতা প্রেমিদের আহবান জানিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের কবিদের নিয়ে লেখা দুইটি প্রবন্ধই এই লেখার সাথে সংযুক্ত আছে। যাদের সময় ও আগ্রহ আছে তারা পড়ে নিতে পারেন। আশা করি উপকৃত হবেন।

ছবি - m.dailyhunt.in

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:০৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার কথা মনে পড়ে গেলো।

প্রথমে দিকে কয়েকটি অংশ -

‘কবিমাত্রের উচিত পাঁচ বছর মেয়াদে কবিত্ব করা; পঁচিশ থেকে ত্রিশ পর্যন্ত। এ কথা বলব না যে পরবর্তীদের কাছ থেকে আরো ভালো কিছু চাই, বলব অন্য কিছু চাই। ফজলি আম ফুরোলে বলব না, আনো ফজলিতর আম; বলব, নতুন বাজার থেকে বড়ো দেখে আতা নিয়ে এসো তো হে। ডাব-নারকেলের মেয়াদ অল্প, সে রসের মেয়াদ; ঝুনো নারকেলের মেয়াদ বেশি, সে শাঁসের মেয়াদ।


রবি ঠাকুর সম্বন্ধে আমার দ্বিতীয় বক্তব্য এই যে, তাঁর রচনারেখা তাঁরই হাতের অক্ষরের মতো—— গোল বা তরঙ্গরেখা, গোলাপ বা নারীর মুখ বা চাঁদের ধরনে। ওটা প্রিমিটিভ; প্রকৃতির হাতের অক্ষরের মক্‌শো-করা। নতুন প্রেসিডেন্টের কাছে চাই কড়া লাইনের, খাড়া লাইনের রচনা—— তীরের মতো, বর্শার ফলার মতো, কাঁটার মতো; ফুলের মতো নয়; বিদ্যুতের রেখার মতো, ন্যুরাল‌্জিয়ার ব্যথার মতো—— খোঁচাওয়ালা, কোণওয়ালা, গথিক গির্জের ছাঁদে; মন্দিরের মণ্ডপের ছাঁদে নয়; এমন-কি, যদি চটকল পাটকল অথবা সেক্রেটারিয়েট-বিল্‌ডিঙের আদলে হয়, ক্ষতি নেই।…


বিধাতার রাজ্যে ভালো জিনিস অল্প হয় বলেই তা ভালো, নইলে সে নিজেরই ভিড়ের ঠেলায় হয়ে যেত মাঝারি যে-সব কবি ষাট-সত্তর পর্যন্ত বাঁচতে একটুও লজ্জা করে না তারা নিজেকে শাস্তি দেয় নিজেকে সস্তা করে দিয়ে। শেষকালটায় অনুকরণের দল চারি দিকে ব্যূহ বেঁধে তাদেরকে মুখ ভেঙচাতে থাকে। তাদের লেখায় চরিত্র বিগড়ে যায়, পূর্বের লেখা থেকে চুরি শুরু ক’রে হয়ে পড়ে পূর্বের লেখার রিসিভর্‌স্ অফ স্টোল্‌ন্ প্রপার্টি।


২০ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৩৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন ভালো সমালোচক ছিলেন। তিনি নিজের সমালোচনা করতেও দ্বিধা করেননি। ওনার প্রবন্ধ দুটি থেকে কবিরা এবং কবিতার পাঠকেরা একটা নির্দেশনা পেতে পারেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.