নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চিন্তাশীল মানুষ হওয়ার চেষ্টায় আছি

সাড়ে চুয়াত্তর

আমার লেখার মাঝে আমার পরিচয় পাবেন

সাড়ে চুয়াত্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

যাদুকর জুয়েল আইচ এবং সর্বহারা পার্টি

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:৩৩


জুয়েল আইচ আসলে তার প্রকৃত নাম না। বাংলাদেশের এই বিখ্যাত জাদুকরের আসল নাম হল গৌরাঙ্গ লাল আইচ। সংক্ষেপে জি এল আইচ। এই জি এল আইচ ১৯৭১ সালে হয়ে যান জুয়েল আইচ। ওনার দেশের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে। ১৯৭১ সালে তিনি সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি করতেন। এই সময়ের আলোচিত লেখক মহিউদ্দিন আহমেদের বই ‘জাসদের উত্থান পতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি’ বইয়ে এই তথ্য পাওয়া যায়। কলামিস্ট আনোয়ার পারভেজ হালিম একই সুত্রে তার একটা কলামে সংক্ষেপে প্রখ্যাত যাদুকর জুয়েল আইচ সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে বরিশালের পেয়ারা বাগানে সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টির পক্ষ হয়ে জুয়েল আইচ যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধের সময় তার ছদ্মনাম ছিল কমরেড জাহিদ। পরে জুয়েল আইচ নামটি স্থায়ী হয়ে যায়। দেশ-বিদেশে তিনি এখন এ নামেই পরিচিত। পাক আর্মিদের তীব্র আক্রমণের মুখে পেয়ারা বাগানের পতন ঘটলে জুয়েল আইচ গোপনে ভারতে চলে যান। পরে মেজর জলিলের অধীনে ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

যাদুকর জুয়েল আইচ সম্পর্কে এই ছোট পোস্ট দেয়ার উদ্দেশ্য হল যে প্রখ্যাত এই যাদুকরের যে প্রোফাইল আমরা বিভিন্ন জায়গাতে দেখি সেখানে কোথাও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টির সাথে তার সংস্রবের কথা উল্লেখ করা হয় না। তবে এটা অবশ্যই প্রশংসনীয় যে তিনি পরবর্তী সময়ে সর্বহারা পার্টির উগ্রতা অনুধাবন করে বিপথ থেকে সুপথে এসেছেন এবং বাংলাদেশের যাদুশিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। গ্রামে বেদেদের যাদু দেখে জুয়েল আইচের যাদুকর হওয়ার শখ হয়। জুয়েল আইচ এবং লেখক হুমায়ূন আহমেদের মধ্যে সুন্দর একটা সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন সময়ে তারা এক সাথে আড্ডা দিয়েছেন। হুমায়ূন আহমেদও ছাত্র থাকা অবস্থায় যাদু কিছুটা শিখেছিলেন এবং মঞ্চে পরিবেশন করেছিলেন। জুয়েল আইচ জগন্নাথ কলেজের ছাত্র ছিলেন। পরে কিছুদিন বরিশাল অঞ্চলে একটা স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। একবার তার জাদুর সব সরঞ্জাম আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তিনি মনোবল না হারিয়ে পুনরায় যাদু দেখানো শুরু করেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে খ্যাতি অর্জন করেন। যাদু ছাড়াও জুয়েল আইচ খুব সুন্দর বাঁশী বাজাতে এবং ছবি আঁকতে পারেন।

সুত্র -
উইকিপিডিয়া
chintasutra.com

ছবি- রকমারিডটকম

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ২:০২

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: দুনিয়ার প্রত্যেক যাদুকরই বাটপার। আমরা শুধু বাটপারীর উপরে সুগার-কোটেড করে যাদুকর বা শিল্পী বলি!

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ২:২০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: যাদু একটা আনন্দদায়ক খেলার মত এবং বিজ্ঞান নির্ভর। জুয়েল আইচ অত্যন্ত সম্মানি একজন মানুষ। জাদুকে বাটপারি বলা যাবে না কারণ দর্শক আগে থেকেই জানে যে এটা একটা খেলা এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সূত্র এবং থিউরি জাদুর পিছনে কাজ করে। ১৯৭১ সালে সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এই দলে অনেকেই যোগ দিয়েছিল দেশকে স্বাধীন করার জন্য। সর্বহারা পার্টির মধ্যে অনেক উগ্র চিন্তা ছিল। এই কারণে এই দল পরবর্তীতে টেকেনি। জুয়েল আইচ মুক্তিযুদ্ধ করার জন্য বুঝে বা না বুঝে সর্বহারা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন কিন্তু পরে ভুল বুঝে সেই পথে আর যাননি। উনি অত্যন্ত মেধাবী এবং বাংলাদেশের জন্য গর্ব। ঢালাওভাবে যাদুকরদের বাটপার বলা যাবে না। এটা একটা শিল্প যা মানুষকে আনন্দ দেয়।

২| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৩:১৭

কামাল১৮ বলেছেন: হয়তো আমার অধিনে থেকেই যুদ্ধ করেছে।কারন শেষ দিন পর্যন্ত আমরা কয়েকজন ছিলাম।ওখানে ছিল স্থানীয়দের মাঝে শশাংঙ্ক পাল,ফনিদা মনি দা সহ আরো কয়েকজন।কয়েকটি মেয়েও ছিল।তার মাঝে শীখা রানী পরে মুক্তি যুদ্ধা খেতাব পায়।হূমায়ন কবীরের ভাই তারেক চিল আর ছিল বিএম কলেজের ভিপি শাহনেওয়াজ।শশাংক ,তারেক সহ পাঁচ ছয় জন বের হবার সময় মারা যায়।আমরা আশ পাশের কয়েকটি থানা লুট করেছিলাম।ওখানে খেয়ে আমরা রাতের আঁধারে শাতলা হয়ে চলে যাই হোসনাবাদ ।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:১৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি ব্যাপারটা ভালো মতই জানেন মনে হচ্ছে। আপনাকে অনুরোধ করবো ঐ সময়ের ঘটনা আরেকটু বিস্তারিত বর্ণনা করার জন্য। কারণ এই ব্যাপারে আর কোন তথ্য মিডিয়াতে বা ইতিহাসের বইয়ে আসে নাই কখনও। আপনার মন্তব্য ঐতিহাসিকদের ইতিহাস লিখতে সাহায্য করবে।

৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ ভোর ৫:২৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: স্বাধীনতার পরই বাঙ্গালীরাই উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার পরিবর্তে শুরু করেছিলো জঘণ্য সব অপরাধ-অপকর্ম।
ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা দুর্নীতি-লুটপাট এবং স্বাধীন দেশে ভোট চুরির সূচনা করে।
আর এই সব সিরাজ শিকদার-জাসদ চক্র গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন না করে বেছে নিয়েছিলো সন্ত্রাসের পথ।
সিরাজ শিকদারকে বিচার করে মৃত্যুদন্ড দেয়া উচিত ছিলো।
সেটা না করে করা হলো অন্য কিছু।

*** প্রথমটা বাদ দেবেন।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৩২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার মনে হয় এটার জন্য দায়ী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং বিভেদ। ঐ সময় সর্বদলীয় একটা সরকার গঠন করা উচিত ছিল। কারণ মুক্তিযুদ্ধ করেছিল সব দলের লোকেরা (জামাত এবং মুসলিম লীগ ছাড়া)। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশটার উন্নয়নের জন্য সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন ছিল। তখন রাজনীতি করার সময় ছিল না। অগ্রাধিকার দেয়া উচিত ছিল ঐক্যের উপর। ঐ সময়েই ডাকসুর নির্বাচনে সরকারী দল ভোট চুরি করে।

ক্ষমতাসীন দলের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আপনার পর্যবেক্ষণ সত্য। আমার বাবা এবং আমার পরিবার সরাসরিভাবে এটার ভুক্তভোগী ছিল। তৎকালীন ক্ষমতাসীন সন্ত্রাসিদেরকে একটা কোম্পানিতে সাপ্লাইয়ের কাজ না দেয়ার জন্য এক রাতের মধ্যে আমার পরিবারকে বাসা বদলাতে হয়েছিল জানের ভয়ে। আমার বাবা ঐ কোম্পানিতে প্রশাসনে চাকরী করতেন তখন।

সিরাজ সিকদার এবং জাসদ অগনতান্ত্রিক পথে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালিত করেছে। কিন্তু সরকারেরও দোষ ছিল। কারণ তারা ধোঁওয়া তুলসি পাতা ছিল না। এই তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারেনি তৎকালীন ক্ষমতাসীনরা। কারণ তাদের অনেকেই দুর্নীতি এবং অপকর্মে যুক্ত ছিল।

সিরাজ সিকদারকে ক্রস ফায়ারে না মেরে বিচার করা উচিত ছিল। সিরাজ সিকদারকে দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশে ক্রস ফায়ারের শুরু হয়েছিল।

৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:৩৮

জুল ভার্ন বলেছেন: বহু গুণে গুণান্বিত চমৎকার একজন মানুষ জুয়েল আইচ। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা।নিজ এলাকার মতো দেশের সব মানুষের কাজে শ্রদ্ধার ভালোবাসার এবং সম্মানের। স্বাধীনতার পর জুয়েল আইচের সিরাজ শিকদারের দলের সক্রিয় সদস্য হওয়ার বিষয়টা ঢাকা পড়ে যায় যখন থেকে তিনি আওয়ামী ঘরানায় জড়িত হন। অনেক বছর আগে কলাবাগানে থাকতেন তার শশুরের বাসায়। ওনার শশুর একজন ভালো শিক্ষাবিদ। বিপাশা আইচের জন্ম বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার খাজুরা গ্রামে, তার মামাবাড়ি এলাকার সুপরিচিত তালুকদার বাড়িতে। তার বাবার বাড়ি ছিল বাগের হাটের কচুয়াতে। বাবা অধ্যাপক দরবেশ আলী তালুকদার ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মা হোসনেয়ারা খান।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৩৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: জুয়েল আইচ একজন সম্পদ বাংলাদেশের জন্য। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী তিনি। ১৯৮২ সালে প্রথম জুয়েল আইচের নাম শুনি। একটা মিনা বাজারে তার আসার কথা ছিল কিন্তু পরে কোন কারণে আর তিনি আসেননি। যার ফলে জুয়েল আইচের যাদু দেখা হয়নি ঐ সময়। আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের কোন ঘরানা না থাকাই উত্তম। উনি প্রথমে ছিলেন সিরাজ সিকদারের দলে পরে মেজর জলিলের অধীনে যুদ্ধ করেছেন। মেজর জলিল ছিলেন জাসদের নেতা। কিন্তু জুয়েল আইচ পরবর্তীতে যদি আওয়ামী ঘরানায় চলে যান সেই ক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে কেন এই বারবার পরিবর্তন।

বিপাশা আইচ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম। ১৯৯২ সালের দিকে টিভির একটা শোতে জুয়েল আইচ যাদুর মাধ্যমে বিপাশা আইচের পেট কেটে দেহকে দুই ভাগ করে ফেলেন। তখন বিপাশা আইচকে টিভিতে দেখেছি।

৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:৪১

শেরজা তপন বলেছেন: বিষয়টা একেবারেই জানা ছিল না। জুয়েল আইচ সম্ভবত খৃষ্ট ধর্ম অনুসারি- নাম দেখে তেমনই মনে হয়। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার প্রতি অতল শ্রদ্ধা।
আপনার এই লেখায় বড় একটা উপকার হোল; আমাদের কামাল ভাই যিনি শুধু মন্তব্যই করে যান, এই ব্লগে কখনোই কোন পোস্ট দেননি। তিনি আজ মন্তব্যের মধ্যেই ছোট্ট একটা কাহিনী বললেন। ভীষন অন্তর্মুখী কামাল ভাইকে অনুরোধ করব তার মুক্তিযুদ্ধের কাহিনীগুলো সংক্ষেপে হলেও যেন ব্লগের পাতায় তুলে ধরেন। একজন ত্যাগী মুক্তিযোদ্ধা আপনার প্রতিও অকৃত্রিম শ্রদ্ধা কামাল ভাই।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: জুল ভার্ন ভাই ঠিক বলেছেন। জুয়েল আইচের ধর্ম হিন্দু। তবে সম্ভবত কোন ধর্মের আচার অনুষ্ঠানই অনুসরণ করেন না। কামাল ভাইকে বলেছি এই ব্যাপারে জানা থাকলে আরও বিস্তারিত লিখতে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে যে কোন কিছু উনি লিখতে পারেন। ওনার বর্ণনা থেকে আমরা বাম দলগুলির মুক্তিযুদ্ধে ভুমিকা সম্পর্কে জানতে পারবো।

৬| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:১৭

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: জুয়েল আইচ অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ।

আমার খুব কাছের এক বন্ধুর জন্য উনি ১টা শো করেছিলেন ইন্জিনিয়ারং ইন্টিটিউটে ২০০২ বা ২০০৩ এ।
লিউকেমিয়া হয়েছিলো আমার বন্ধুর ।
উনি কোনো টাকা নেননি।

আমার বন্ধুটা কে বাঁচানো যায়নি।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অবশ্যই জুয়েল আইচ একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। উনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। জাদুর মাধ্যমে এই দেশকে বিদেশের মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। সর্বোপরি উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। এই পরিচয়ও তিনি খুব একটা বলতে চান না বিনয়ের কারণে।

৭| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: যাদুকর জুয়েল আইচ একজন কিংবদন্তি যাদুকর হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবেন আমাদের দেশের ইতিহাসে।

সর্বহারা পার্টিকে আমাদের দেশে যতটা নেতিবাচক ভাবে দৃষ্টিতে দেখা হয় পশ্চিম বঙ্গে সেভাবে দেখা হয় না। সুনীল, সমরেস মজুমদারের বিখ্যাত উপনাস্যগুলোর নায়ক নায়িকারা সব নকশাল আন্দোলনের কর্মী। চারু মজুমদারের নকশাল আর এপারের সর্বহারাদের আন্দোলন বিপথগামী ছিল নিঃসন্দেহে কিন্ত জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশকে আমুল বদলে দিয়ে চাওয়া তরুন তরুনীদের এই আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আবেগকে এক বাক্যে সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়ার সুযোগ নাই।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৩৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার কথার সাথে একমত।

এই দেশে যদি সমাজতন্ত্র আসত তাহলে সর্বহারা পার্টি, জাসদ, ছাত্র ইউনিয়ন ইত্যাদি বাম দলগুলি হতো মূল রাজনৈতিক শক্তি। এই দলের অনুসারীরা বুক ফুলিয়ে চলত। বিভিন্ন মতের বাম দলগুলির মূল উদ্দেশ্য ছিল মহৎ। সেটা হল দেশে সমাজতন্ত্র কায়েম করা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অতি আবেগের কারণে, অল্প বয়সের কারণে বা সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবের কারণে এরা বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে বিভিন্ন সময়ে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এদের উপর জুলুম নির্যাতন করা হয়েছে ফলে এরাও পাল্টা আঘাত করেছে। বাম দলগুলির মধ্যে চীনপন্থি দুই একটা দল ছাড়া বাকিরা দেশকে ভালোবেসে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। কিন্তু তাদেরকে বিভিন্নভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। অথচ মুক্তিযুদ্ধ ছিল সকল রাজনীতির ঊর্ধ্বে।

৮| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:১২

জুল ভার্ন বলেছেন: @শেরজা তপন ভাই, জুয়েল আইচ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তবে কোনো ধর্মের প্রতিই অনুরক্ত নন, বরং সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৩৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জুল ভার্ন ভাই সঠিক তথ্য দেয়ার জন্য। আমিও এই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না।

৯| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:০২

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

জাদুবিদ্যায় জুয়েলের মত পরিচিত কেউ আছে?

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ সালের দিকে পি সি সরকার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফলতা পেয়েছিলেন যাদু দেখিয়ে। দেশে বিদেশে সবাই ওনাকে এক নামে চিনত। ওনার পুরো নাম ছিল প্রতুল চন্দ্র সরকার। জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলাদেশের টাংগাইল জেলায়। পরে পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে সফলতা অর্জন করেন।

১০| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:১৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: অজানা কিছু জানলাম। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জাদুকর জুয়েল আইচ অথবা গৌরাঙ্গ লাল আইচের প্রতি। তবে তার প্রতি মানব পাচারের অভিযোগ আছে বিভিন্ন দেশে শো করতে গিয়ে লোকজন রেখে আসতেন সেখানে। একই অভিযোগ সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হানিফ সংকেতের বিরুদ্ধেও আছে।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার মনে হয় কিছু দুষ্কৃতিকারীর কারসাজীর কারণে ওনার অজান্তে এই ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে হয়তো। উনি জেনেশুনে করেছেন বলে মনে হয় না। তবে হানিফ সংকেত বিশেষ সুবিধার লোক না। উনি এই ধরণের কাজ করতেও পারেন টাকার জন্য। জুয়েল আইচ এই ধরণের কাজ করেছেন বলে আমার বিশ্বাস হয় না।

১১| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৩০

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: একজন সফল জাদুকরের অনেক জানা অজানা বিষয় জানা হলো পোস্ট এবং মন্তব্য গুলো পড়ে। তাহলে জুয়েল আইচ বাস্তব জীবনেও একজন জাদুকর।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা জুয়েল আইচ বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ভালো বাঁশী বাজাতে এবং ছবি আঁকতে পারেন। বিভিন্ন দেশে যাদু দেখিয়ে তিনি বাংলাদেশের নামকে সমুজ্জ্বল করেছেন। ওনার যাদু দেখানোর স্টাইল এবং পরিবেশন খুবই অসাধারণ।

১২| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: জুয়েল আইচ একজন ভাল মানুষ। সহজ সরল।
উনি ভাল বাঁশি বাজাতে পারেন। হুমায়ূন আহমেদের বন্ধু উনি।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সঠিক বলেছেন। পোস্টে এই তথ্যগুলি দেয়া হয়েছে।

১৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:২১

রাজীব নুর বলেছেন: ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: দুনিয়ার প্রত্যেক যাদুকরই বাটপার। আমরা শুধু বাটপারীর উপরে সুগার-কোটেড করে যাদুকর বা শিল্পী বলি!

যাদু মূলত এক ধরনের কৌশল। বাটপার বলা ঠিক না। আর যদি বলতেই হয় তাহলে যারা ওয়াজ করে তাদের বাটপার বলতে পারেন।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: যাদু বিজ্ঞান নির্ভর একটি শিল্প। কোন বাটপারির স্থান জাদুতে নেই। দর্শক যাদু দেখার আগেই জানে যে জাদুতে বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন আবিষ্কারকে কাজে লাগানো হয়ে থাকে। যাদু একটা বিনোদন শিল্প।

১৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আজই উনার প্রকৃত নাম জানা হলো

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি কয়েক বছর আগে জাসদের উপর লেখা মহিউদ্দিন আহমেদের বই থেকে এই তথ্যটা জানতে পারি।

১৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:৪০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- বিষয়টি জানা ছিলো না।

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:২০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিষয়টা আমার কাছে ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে তাই পোস্ট দিলাম।

১৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

আপনাকে ধন্যবাদ। আমার দুটা মন্তব্যের উত্তর দিয়েছেন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৪৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই নিয়ে তিনটা দিলাম। আবার আসলে আবার দেব।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.