![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এখনও আমাদের জন্য গর্ব এবং আস্থার জায়গা। কারণ দুর্নীতির এই দেশে একমাত্র সেনাবাহিনীই সেই প্রতিষ্ঠান যার আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় সুনাম এখনও আছে। কতিপয় বিপথগামী কর্মকর্তার অপকর্মের দায় কখনই সমগ্র সেনাবাহিনীর উপরে চাপানো ঠিক হবে না।
কয়েক দিন আগে ছাত্র নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন যে, সেনাপ্রধান পরিশুদ্ধ আওয়ামীলীগকে রাজনীতিতে আনার ব্যাপারে আগ্রহী। সেনাপ্রধানের কথার সারমর্ম হল যে তোমরা কিছুই জানো না। তোমরা বাচ্চা ছেলে। তোমাদের বয়সের চেয়ে আমার চাকরীর বয়স বেশী। তোমাদের প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানের অভাব আছে। জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ এবং হাসিনার কারণে ২ হাজারের বেশী মানুষ খুন হয়েছে, ৩০ হাজারের বেশী মানুষ আহত হয়েছে, কয়েক হাজার মানুষ পঙ্গু হয়েছে, প্রায় ৬ শ মানুষ অন্ধ হয়েছে। সেই আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসনের জন্য কেন সেনাপ্রধানের এতো আগ্রহ। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পক্ষে কোন কথা বলাটাই তো ঠিক হয়নি তার। শুধু ছাত্রদের সাথে না, সেনাপ্রধান আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাথে নাকি এই বিষয়ে আলাপ করেছেন। রাজনৈতিক নেতারা সুবিধাবাদী হওয়াতে তারা এই আলোচনার কথা চেপে গেছে। হাসনাত দেরীতে হলেও বলেছে। হাসনাত সঠিক কাজ করেছে এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। সেনাবাহিনীর উঁচু পদের কিছু কর্মকর্তা যে এখনও হাসিনার পক্ষে কাজ করছে এটা সাধারণ মানুষের জানার প্রয়োজন আছে।
সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের জায়গা হলেও গত সাড়ে ১৫ বছরে সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী মধ্যম সারীর এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চরম জুলুম এবং অন্যায়ে লিপ্ত ছিল। তাদের নির্দেশে বা তাদের অধিনস্ত লোকদের দ্বারা যে সব অপকর্ম ঘটেছে তার মধ্যে রয়েছে গুম, আয়নাঘর, রিমান্ডে নির্যাতন, জঙ্গি গ্রেফতারের নাটক, চুক্তি ভিত্তিক হত্যাকাণ্ড, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রার্থী সামরিক কর্মকর্তাদের গুম, নির্যাতন, ইসলামী দলগুলির উপরে অমানবিক নির্যাতন, বিরোধী দলের উপরে নির্যাতন, নির্বাচন ইঞ্জিনীয়ারিংয়ে সহায়তা প্রদান ইত্যাদি। এমন কি ৫ আগস্টের পরেও তারা ৬ শ এর অধিক আওয়ামীলীগপন্থী অপরাধীদেরকে সেনানিবাসে আশ্রয় দিয়েছে। আগস্টের পরে কয়েকজন বিপথগামী জেনারেল পালিয়ে গেছে সেনাবাহিনীর চোখের সামনে দিয়ে। সেনাবাহিনীর উঁচু পর্যায়ের জেনারেলরা মনে হচ্ছে এই ব্যাপারে কিছুই জানে না। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনরায় বিচার শুরুর ব্যাপারে অনেক জেনারেল আগ্রহী না। কারণ তখন তাদের অনেকেই প্রতিবাদকারী অফিসারদের উপরে সংঘটিত অন্যায়ের সাথে জড়িত ছিল। আগস্ট মাসে কেন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হল না সেটার জন্যও হয়তো এক সময় এই কর্মকর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে। তারা চাইলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করতে পারতেন। সেটা করা গেলে ভারতে বসে শেখ হাসিনা তার দল নিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যেতে পারতো না।
হাসিনা আমলে পুলিশের পাশাপাশি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, র্যাব, এনএসআই এর কিছু কর্মকর্তা গুম, খুন, রিমান্ডে নির্যাতন এবং আয়নাঘরের সাথে যুক্ত ছিল। জুলাই মাসে বিজিবি জনগণের উপরে গুলি চালিয়েছে। এই সব বাহিনী মুলত সামরিক কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে চলে। আমাদের বুঝতে হবে যে আগস্টে সেনাবাহিনী জনগণের পাশে আসতে বাধ্য হয়। কারণ হল জুনিয়র কর্মকর্তা এবং সৈনিকদের চাপ এবং জাতিসংঘের চাপ। ঊর্ধ্বতন কতিপয় অসাধু অফিসারের কারণেই সেনাবাহিনী প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে এবং হচ্ছে।
আমরা জানি যে সেনাবাহিনীর ৯৯% সদস্য সৎ, দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক। কিন্তু কতিপয় মধ্য পর্যায়ের এবং উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তা পুরো সেনাবাহিনীর সুনাম নষ্ট করে চলেছে বিগত ১৫ বছর ধরে। এখনও সেনাবাহিনীর উঁচু পর্যায়ে হাসিনার সমর্থক কর্মকর্তারা অনেকেই আছেন বলে শোনা যাচ্ছে। সাধারণ জনগণ এই সব বিপথগামী কর্মকর্তাদের বিপক্ষে বলছে। কিন্তু অনেকে (যার মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারাও আছেন) মনে করছে মানুষ সেনাবাহিনীর বিপক্ষে। তাদেরকে বুঝতে হবে যে সেনাবাহিনীর উপরের পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান দরকার, যেন সেনাবাহিনীর সম্মান এবং মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত থাকে। জন সাধারণকে দোষ না দিয়ে তাদের উচিত এই সমস্ত অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৩:০১
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অ্যামেরিকা হাসিনাকে ভাগিয়ে ভালো কাজ করেছে। ভারতের কবলে যাওয়ার চেয়ে অ্যামেরিকার কবলে যাওয়া ভালো। হাসিনা মুলত আমেরিকাকে খ্যাপানোর জন্য ক্ষমতা হারায়। অ্যামেরিকা এভাবেই বিভিন্ন দেশে কাজ করে। সে বিরোধী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে।
২| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৩:০৮
চেংগিস খান বলেছেন:
মুসলিম জাতিগুলোর বিশ্বাসঘাতকদের ভাড়াটে হিসেবে খাটায়ে আমেরিকা পুরো মুসলিম বিশ্বকে পায়ের নীচে নিয়ে গেছে।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৩:২১
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার কথা সঠিক। সারা বিশ্বে মুসলমানদের অনেক নেতা অ্যামেরিকার ভাড়াটে হিসাবে খাটছে। মধ্যপ্রাচ্যকে দেখলেও সেটা বোঝা যায়। বাংলাদেশে হাসিনাকে সরানো ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিল না। ভারত ছাড়া হাসিনার কোন বন্ধু দেশে বা বিদেশে ছিল না। ফলে তার পতন ছিল অনিবার্য। অ্যামেরিকা হাসিনার দুর্বলতা বুঝে ফেলেছিল।
৩| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ ভোর ৫:১২
ডার্ক ম্যান বলেছেন: যারা জাতির স্থপতিকে হত্যা করে তারা কখনো গর্বের বিষয় হতে পারে না।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ৯:৫৫
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: জাতির স্থপতি যাকে বলছেন তিনি কোন দিক নির্দেশনা না দিয়ে স্যুট গুছিয়ে রেখেছিলেন আর্মির কাছে ধরা দেয়ার জন্য। তাজউদ্দিন সাহেবকে বলেছিলেন ২৭ তারিখ হরতাল ডেকেছি, নাকে তেল দিয়ে ঘুমাও। স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে অস্বীকৃতি জানান। যুদ্ধের পরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে এক দলীয় শাসন কায়েম করেছিলেন। স্বৈরশাসকদের মত করে রক্ষীবাহিনী গঠন করেছিলেন যাদেরকে দিয়ে বিরোধী দলকে হত্যা করেছেন নির্বিচারে। আওয়ামীলীগের লোকেরা লুটপাট করলো আর উনি আওয়ামীলীগ ছাড়া সব দল ব্যান করে দিলেন। আওয়ামীলীগের পাণ্ডা গোলাম মোস্তফা মেজর ডালিম এবং তার স্ত্রীকে অপমান করা সত্ত্বেও তিনি কোন বিচার করেননি, উল্টা মেজর ডালিম সহ কয়েক জন সেনা কর্মকর্তাকে তিনি বরখাস্ত করেন। ৬ মার্চেও পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ২ বার অনুরোধ করেছিলেন তাকে যেন গ্রেফতার দেখানো হয়, যেন তিনি দেশবাসীকে বোকা বানাতে পারেন। ওনার নিজের দলের লোক ওনার মৃত্যুর পরে বলেছিলেন যে ফেরাউনের পতন হয়েছে। সিরাজ শিকদারকে ওনার হুকুমে হত্যা করা হয় গ্রেফতার অবস্থায়। সেটা নিয়ে উনি অহংকার করে পরে বলেছেন 'কোথায় সিরাজ শিকদার'।
৪| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ৮:৫২
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: খুবই সাহসী পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
বিএনপির রুহুল কবির বলেছেন, ‘যে লোক আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবেন, তিনি যদি অপরাধ না করেন, তিনি যদি ছাত্রহত্যা না করেন, তিনি যদি কোনো অর্থ লোপাট না করেন, টাকা পাচার না করেন; এ রকম লোক যদি নেতৃত্ব আসেন, তাহলে সেই আওয়ামী লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না? আমার বক্তব্য হচ্ছে এটা।
হাসনাত যে দেশের কত বড় উপকার করেছে , ভাবাই যায় না।ভেবে দেখেন যে , রিজভির কথাতো সেনাপ্রধানের প্রস্তাবের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। হাসনাত সেনাপ্রধানের বদ মতলব সামনে না আনলে এতদিনে বিএনপির যোগসাজসে রিফাইন্ড লীগ নামে আওয়ামিলীগের পুনর্বাসন হয়ে যেত। সেনাবাহিনীর উপড়ের পর্যায়ে এখনও সব লীগের লোক। এদেরকে না সরাতে পারলে জুলাই বিপ্লব অসম্পুর্ন থেকে যাবে । বিচার কেন আটকে আছে বলেন ? কারা আটকে রেখেছে? কেন শহীদ পরিবারকে বিচারের দাবীতে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ মিছিল করতে হয় ? এই প্রশ্নগুলোর মাঝেই লুকিয়ে আছে উত্তর।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১০:০৯
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বর্তমান পরিস্থিতে কোন দলই সেনাবাহিনীর সমালোচনা করতে চাচ্ছে না বা সাহস পাচ্ছে না। কিন্ত হয়তো এক সময় আসবে যখন হাসিনার সময়ের অনেক বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা বিচারের সম্মুখীন হবেন। পদে থাকলে অনেক বাহাদুরি করা যায়। জেনারেল মইনের অবস্থার কথা আমরা সবাই জানি। এক সময় কি দাপট দেখিয়েছেন। পরে বিভিন্নভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছেন নিজের অপকর্মের জন্য।
সবাই হাসনাতকে সমালোচনা করলেও তার সাহসিকতা প্রশংসার যোগ্য। পরিশুদ্ধ আওয়ামীলীগের প্রস্তাব নিয়ে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যে আলোচনা করেছে। অথচ ব্যাপারটা তারা গোপন রেখেছে। হাসনাতের কারণে ব্যাপারটা প্রকাশ্যে এসেছে। আওয়ামীলীগের বিচার না করে কেন আওয়ামীলীগের পুনর্বাসনের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সবাই। পচে যাওয়া আওয়ামীলীগের আবার কিসের পরিশুদ্ধি। ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হওয়ার দশা। জুলাই অভভুথানে নিহত এবং আহতদের দেখার কেউ নাই। বিচার আর সংস্কারের কোন খবর নাই। অথচ তারা পড়ে আছে আওয়ামীলীগ পুনর্বাসন নিয়ে।
৫| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১০:৩৪
রাজীব নুর বলেছেন: জামাত শিবির কোনোদিন ভালো হবে না।
তাদের জন্য দেশে এই পরিস্থিতি। দেশকে পিছিয়ে নেওয়ার জন্য জামাত শিবির যথেষ্ট। ২৪ এ তারা চালাকি করেছে। প্রতারনা করেছে। বিএনপি যা পারেনি, জামাত সেটা করে দেখিয়ে দিয়েছে।
মূলত জামাত ও শিবির থানায় আগুন দিয়েছে, অস্ত্র লুট করেছে, মানুষ হত্যা করেছে। গণভবন লুট করেছে। অথচ ইউনুস সাহেব ক্ষমতায় এসে এদের কোনো বিচার করলো না।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:০০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মহা খারাপের জন্য খারাপই দরকার। হাসিনা দুষ্কৃতিকারী ফ্যাসিসট ছিল। তাই তাকে সরিয়ে জামাত ভালো কাজ করেছে। বিএনপি পারেনি। অ্যামেরিকার সহায়তায় হাসিনাকে সরানো হয়েছে। ভারত কিছু করতে পারেনি। ভারত সম্ভবত ব্যাপারটা আগে বুঝতে পারেনি।
মানুষ হত্যা করেছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, পুলিশ, বিজিবি, রাব এবং গোয়েন্দারা। ইউনুস সাহেবের উচিত ছিল এদের বিচার করা। কিন্তু তিনি এখনও করার সময় পাননি। গণভবন লুট করে ভালো কাজ করেছে।
৬| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৮
ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের সেনাপ্রধান শুরু থেকেই হাসিনার আর ভারতের পক্ষে কাজ করছে। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এখন তাকে অনেক কিছুই মেনে নিতে হচ্ছে তবে তলে তলে এখনও সে আম্লীগ-ভারতের দালাল। এটা নিয়ে বহু আলোচনা আর বিশ্লেষণ আছে। কোনটার সন্তোষজনক উত্তরই সে দিতে পারে নাই। এই ধরনের লোকের জন্যই সামগ্রিকভাবে সেনাবাহিনী নামের এই গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশপ্রেমিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নাম হয়।
এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানে যেসকল সেনাবাহিনীর অফিসার / সদস্য সরাসরি গুলি চালিয়েছিল বা গুলির আদেশ দিয়েছিল, তাদেরও সে রক্ষা করে চলেছে। এই সব কিছুর বিচার একদিন হবে। এই ধরনের লোকের শেষ জীবনটা কাটে চরম অসন্মানের সাথে, ঠিক যেমনটা এখন হাসিনার কাটছে.........ভিনদেশে, অন্যের অনুগ্রহে!!!
হাসনাত সঠিক কাজটাই করেছে, তবে এটা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে একটা ঐক্যমতের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতে আসলে আরো ভালোভাবে গ্রহনযোগ্যতা পেতো।
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৪:৩২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: উঁচু পর্যায়ের বিপথগামী কয়েকজন জেনারেলের হাত থেকে সেনাবাহিনীকে মুক্ত করতে হবে। কিন্তু আশংকা হল নতুন সরকার এসে আবার তাদের পছন্দ মত লোককে উঁচু পদগুলিতে বসাবে। সেনাবাহিনীকে রাজনীতি মুক্ত করতে হবে।
হাসনাত এবং অন্যান্য ছাত্র নেতাদের বুঝতে হবে যে নিজেদের মধ্যে আলোচনা না করে এককভাবে কোন বার্তা, বিবৃতি দেয়া যাবে না। তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দূর করতে হবে।
৭| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:২৯
রাসেল বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানে যেসকল সেনাবাহিনীর অফিসার / সদস্য সরাসরি গুলি চালিয়েছিল বা গুলির আদেশ দিয়েছিল, তাদেরও সে রক্ষা করে চলেছে। এই সব কিছুর বিচার একদিন হবে।
স্বাধীনতার পর থেকেই বিচারের অপেক্ষায় আছি ।
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:০৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বিচার বিভাগকে সবার চেয়ে বেশী ক্ষতি করেছে আওয়ামীলীগ। অন্যরাও করেছে।
৮| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:২৯
ভুয়া মফিজ বলেছেন: রাসেল বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানে যেসকল সেনাবাহিনীর অফিসার / সদস্য সরাসরি গুলি চালিয়েছিল বা গুলির আদেশ দিয়েছিল, তাদেরও সে রক্ষা করে চলেছে। এই সব কিছুর বিচার একদিন হবে।
স্বাধীনতার পর থেকেই বিচারের অপেক্ষায় আছি। এইভাবে জেনারালাইজড সূরে কথা বললে তো হবে না। নির্দিষ্ট করে বলেন, কোন ''স্বাধীনতা'' আর কোন ''বিচার'' এর কথা বলছেন?
৯| ২৭ শে মার্চ, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: এখনকার সেনাবাহিনী আগাগোড়া একটি চু** আর আমোদি সংগঠন। রুট লেভেলের সৈনিক ছাড়া কমিশন প্রাপ্ত বেশিরভাগ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দুর্নীতিগ্রস্ত। সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর নির্দিষ্ট কোটা সিস্টেম আছে; নিজেদের আত্নীয় স্বজনদের রিক্রুট করার। সময় অসময়, বিনা নির্বাচিত অবৈধ সরকার থেকে তারা বিশেষ সুবিধা নিয়ে থাকে। ২০১৮ এর নির্বাচনের পুর্বে, সহজ শর্তে সামরিক বাহিনীর অফিসাররা যাতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত গাড়ির কিনার জন্য লোন পায়, কৌশলে সরকারকে দিয়ে পাশ করিয়ে নেয়।
তাঁদের ব্যাক্তিগত আলাপচারিতা সাধারণ জনগনকে Bloody Civilian ছাড়া কথা বলে না। পুলিশ, নেতা, রাজনীতিবিদ অপরাধ করলে দুর্নীতি হলে মিডিয়াতে আসে, ট্রায়াল হয়। কখনো শুনেছেন উচ্চ পদস্থ কোন সেনা অফিসারদের দুর্নীতি ফাঁস হতে, দন্ড হতে? বাংলাদেশের অর্থনীতি বাস্তবতায় সেনাবাহিনী একটি শ্বেতহস্তি।
সেনাবাহিনী সংস্কার সবার আগে করা দরকার।
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:১৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার কথা ঠিক। ব্লগে সব কিছু বলতে পাড়ছি না।
১০| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা দেখতে।
১১| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:১২
রাসেল বলেছেন: ভুয়া মফিজ প্রশ্নের জবাব-
নির্দিষ্ট করে বলার কিছু নেই। প্রতিটা অন্যায়ের বিচার দেখতে চাই, শুধু রাজনীতিবিদদের অন্যায় নয়। তবে রাজনীতিবিদরাই দেশের সবকিছু কুলষিত/ নষ্ট করেছে । কিন্তু বিচার হবে না, কারণ আমাদের মহামান্য বিচারবিভাগ কেনা গোলাম।
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কথা ঠিক। কিন্তু কাদের অবদান বেশী এই অপকর্মের জন্য ?
১২| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:০৮
ভুয়া মফিজ বলেছেন: @রাসেলঃ জবাব দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনি যা বলছেন এটা চিরসত্য কথা এন্ড এট দ্য সেইম টাইম জেনারালাইজড কথা। আমরা এখন আসলে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক স্পেসিফিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই। তাতে আলোচনা করতে সুবিধা হয়। জেনারালাইজড কথার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো, এতে পিছলানোর অবারিত সুযোগ থাকে। যেমন, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের প্রচলিত বয়ান হলো, বিএনপিও গণহত্যা, লুটপাট, টাকা পাচার করেছে। তাহলে শুধু আওয়ামী লীগের দোষ ধরা হয় কেন? তারা যেটা করে না, সেটা হলো..........তুলনামূলক আলোচনা এবং রাষ্ট্র এবং অর্থনীতির উপর তার প্রভাব!!!
আপনি জবাবে যেটা বলেছেন, সেটা নিয়ে আসলে আলোচনার কোন অবকাশ নাই। আশাকরি, বিষয়টা আমি বোঝাতে পেরেছি।
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ব্লগার রাসেল নির্দিষ্ট কোন বিষয় নিয়ে আলাপ করলে ভালো হত। আসলে ওনার মন্তব্য আমার কাছে কিছুটা অস্পষ্ট মনে হয়েছে। উনি গত ৫৪ বছরের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামীলীগের দোষকে হাল্কা করার চেষ্টা করছেন বলে আমার মনে হয়।
১৩| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:২৮
রানার ব্লগ বলেছেন: হ্যা অবশ্যই এই সকল হত্যাকান্ড হয়েছে যা ছিলো নির্মম। কিন্তু যিনি অভিযোগ করছেন তার বিরুদ্ধে ইতমধ্যে অসংখ্য দুর্নিতির অভিযোগ মানুষের মুখে মুখে। যে মুলা দেখিয়ে এই সব নিরাপরাধ মানুষের জীবন ত্যাগের মতো ঘটনা ঘোটেছে সেই ঘটনার সম্পুর্ন সুবিধা এরা নিচ্ছে। সাধারন মানুষ আগে যে লবডংকায় ছিলো এখনো সেই লবডংকায় আছে। তাই এতো লম্বা চওড়া কথা এদের একটু কম বলাই ভালো।
অবশ্য এই হাসনাত গং এর অবস্থা উপায় নাই গোলাম হোসেন। তারা জানে আজ হোক কাল হোক যদি শুদ্ধ বলেন আর পরিশুদ্ধ বলেন যেই আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আসুক এদের কে কুকুরের মত পেটাবে। এদের পেটের মধ্যে ভয় ঢুকে গেছে। এর দায়ভার অনেকটাই জামাতের। জামাত কলা করে এদের কে এই ভয়েই রেখেছে।
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৪০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: হাসনাত গং য়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শুধু মুখে মুখেই শোনা যাচ্ছে। এগুলি ভিত্তিহীন হওয়ার সম্ভবনাই বেশী। এখন গুজবের সময় যাচ্ছে তাই প্রমাণ ছাড়া কোন কথা বিশ্বাস করা যাবে না।
হাসনাতদের না বরং আওয়ামীলীগের পাণ্ডাদের পেলে মানুষ কুকুরের মত পেটাবে। আপনার আওয়ামীলীগের প্রতি এতো দরদ কেন বুঝতে পাড়ছি না। হাসিনা কখনও আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আওয়ামীলীগের দশা হবে জাতীয় পার্টির মত। হাসিনা ছাড়া আওয়ামীলীগকে কেউ পুনরুজ্জীবিত করতে কেউ পারবে না। শেখ পরিবার আর কখনও ক্ষমতায় আসবে না।
১৪| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৪০
ভুয়া মফিজ বলেছেন: পোষ্টদাতাকে বলতেছি, ব্লগার রাসেলকে আমি যেই কথাগুলা বললাম সেটা শুধুমাত্র উনাকেই বলা না; আপনেরও এই আলোচনায় অংশগ্রহনের, মতামত দেয়ার সুযোগ আছে, যেহেতু পোষ্টটা আপনের। যেমন, আমাদের এক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বলগার বিভিন্ন পোষ্টে গিয়ে বলে যে, আপনার এই বিষয়ে কোন ধারনা নাই; নির্দিষ্ট করে কোন পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলা সেটা ব্যাখ্যা করে না। এইধরনের মন্তব্যের কি কোন ধরনের গুরুত্ব আছে, নাকি কোন আলোচনা করা যায়?
ব্লগে ব্লগারদের মধ্যে আলোচনার প্রটোকল কেমন হওয়া উচিত?
২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৪:০৫
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার উদ্দেশ্যে না হলেও, আমার পোস্টে করা সব মন্তব্যের জবাব আমি দেয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু ব্লগার রাসেলের মন্তব্য পড়ে মনে হল উনি বিষয়টা অন্য দিকে টেনে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন। গত ৫৪ বছরে রাজনীতিবিদদের দোষের উল্লেখ করে উনি আওয়ামীলীগের দোষ হাল্কা করে ফেলেছেন। আমার ফোকাস ছিল সেনাবাহিনী। কিন্তু তিনি সেটাকে রাজনীতিবিদ এবং বিচারকদের দিকে নিয়ে গেছেন। যে কারণে আপনাদের মন্তব্যগুলির উত্তরে কী লিখবো বুঝতে পাড়ছিলাম না। ব্লগার রাসেল টু দা পয়েন্ট আলাপ করলে ভালো হত। জেনারালাইজড ভাবে সব রাজনীতিবিদকে দোষারোপ করে উনি আওয়ামীলীগের দোষ হাল্কা করে ফেলতে চাচ্ছেন।
ব্লগের জনৈক অ্যামেরিকা প্রবাসী ব্লগার এই ধরণের কৌশল নেন। এই কারণেই উনি পরিত্যাজ্য।
আমার একজন প্রিয় ব্লগারও ইদানিং সেই কাজ করছে। বারবার সে আমাকে বলছে আমি কুটনা। কিন্তু কেন বলছে তার কোন ব্যাখ্যা নাই। এই ব্যাপারে সে কোন ক্লু দিতেও নারাজ। ব্যাপারটা আমার জন্য বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। ব্লগে আলোচনা হবে বিতর্ক হবে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে হলে আমার সাথে বিতর্কে নামতে হবে। কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে বলে দিলাম আপনার পোস্ট কিছু হয়নি অথবা আপনি একটা কুটনা। এগুলি হল সুবিধাবাদী মন্তব্য।
১৫| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৪:৩০
রানার ব্লগ বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাসনাত গং য়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শুধু মুখে মুখেই শোনা যাচ্ছে। এগুলি ভিত্তিহীন হওয়ার সম্ভবনাই বেশী। এখন গুজবের সময় যাচ্ছে তাই প্রমাণ ছাড়া কোন কথা বিশ্বাস করা যাবে না।
হাসনাতদের না বরং আওয়ামীলীগের পাণ্ডাদের পেলে মানুষ কুকুরের মত পেটাবে। আপনার আওয়ামীলীগের প্রতি এতো দরদ কেন বুঝতে পাড়ছি না। হাসিনা কখনও আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আওয়ামীলীগের দশা হবে জাতীয় পার্টির মত। হাসিনা ছাড়া আওয়ামীলীগকে কেউ পুনরুজ্জীবিত করতে কেউ পারবে না। শেখ পরিবার আর কখনও ক্ষমতায় আসবে না।
আওয়ামিলীগ যে আগামীতে ক্ষমতায় আসবে এবং এই দেশের জনগন তাদের মাথায় করেই আনবে এটা আমি প্রকাশ্য দিবালোকে বলে যাচ্ছি। আমি হয়তো বেচে থাকবো না। এই ব্লগ তো থাকবে। মিলিয়ে নেবেন। কারন এই দেশ জোয়ার ভাটার দেশ। রাজাকারদের প্রতাপ বেশিদিন টিকবে না। লাউড এন্ড ক্লিয়ার। শেখের পরিবার নিয়ে এতো ভয় কেন?
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১:৫৮
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যা প্রমাণিত হউক, এই কামনা করছি। আপনি বলতে চাচ্ছেন যে বেশ কিছু বছর পরে আওয়ামীলীগ আবার আসবে। আসলে হাসিনা ছাড়া ততদিন আওয়ামীলীগ দল টিকবে না। কারণ তাদের দলে আছে কিছু পাণ্ডা আর বুড়া ধুরা অসৎ লোকজন। স্বাধীনতার চেতনা বিক্রি করে তারা পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারবে না। হাসিনা ছাড়া এই সব পাণ্ডাদের মধ্যে দলাদলি কেউ থামাতে পারবে না। কারণ সে ছিল পাণ্ডাদের আম্মা।
আপনার ধারণা এই অভ্যুত্থান জামায়াত শিবির করেছে। এটা ভুল ধারণা, এই অভ্যুত্থানে অনেক ধরণের দল এবং গোষ্ঠী ছিল। আসল কাজ করেছে অ্যামেরিকা। ভারত পর্যন্ত বুঝতে পারেনি, কী ঘটতে যাচ্ছে। ভারত হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল। এখন তো ভারত প্রায় বিলাপ করছে। ভারতকে না জানিয়ে অ্যামেরিকা কাম সেরে ফেলেছে। এই জন্য অ্যামেরিকা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। তাদের ইতিহাসে তারা অন্তত একটা ভালো কাজ করেছে।
শেখের পরিবার থেকে একজন ভালো মানুষের নাম বলেন যে আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী। ১৯৭২ সাল থেকে শেখের পরিবার আওয়ামীলীগকে তিলে তিলে নষ্ট করেছে। শেখ সাহেব বুঝেছিলেন কিন্তু উনিও তো শেখ পরিবারের তাই বেশী কিছু উনি বলতে চাইতেন না।
১৬| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ৮:০৩
রাসেল বলেছেন: ধন্যবাদ, মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য সিরিয়াল ১২ ও ১৪ জন্য। দুঃখিত আমার অবস্থান সম্পর্কে নিজেকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করার জন্য। যাহাহোক, নিজের অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরার জন্য নিচের সংক্ষিপ্ত প্রয়াস -
০১। জেনারালাইজড কথা বলার মাধ্যমে আমি কোনো রাজনৈতিক দলের অপরাধকে হাল্কা করার চেষ্টা করছি না। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশে তথাকথিত দেশপ্রেমিকরা অন্যায় অপরাধ শুরু করে। এই ক্ষুদ্র পরিসরে বৃহৎ বর্ণনা দেয়া সম্ভব নয়। যার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আজকের বাংলাদেশে। যেহেতু, আমি এদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নই, সেহেতু আমি মনে করি না কারো অপরাধ নির্দিষ্ট করে বলার প্রয়োজন, কার কি অপরাধ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তা ভাল জানে। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার নিরপেক্ষ মতামত উপস্থাপন করতে চেয়েছি। অত্র ব্লগে শুধুমাত্র আলোচনা হতে পারে, যার মাধ্যমে সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে, জনগণের সচেতনতা দেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষ নৈতিকতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ সুস্থ ভাবে পরিচালনা করার প্রয়াস নিতে পারে। অত্র ব্লগের লেখকগন আইন প্রযোগকারী সংস্থা হিসাবে এখানে ভূমিকা রাখতে পারে না।
০২। ০১ নং অনুচ্ছেদে নৈতিকতার কথা বলেছি। আপনি আপনার নৈতিকতা থেকে দেশের সমস্যা এই ব্লগে তুলে ধরেছেন। যা আমাদের সমাজ থেকে প্রায় হারিয়ে গেছে। সঙ্গতকারণে আজকে সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হইতেছে। এই সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণ নিয়ে গঠিত। সঠিক বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা না থাকলে আজকের অবস্থায় দেশ আসাটাই স্বাভাবিক। অবশ্যই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই অধপতন। অদূর ভবিষ্যতে দেখবেন দেশের নেতৃত্ব দেবার কেউ নাই, ফলাফল দেশের অস্তিত্ব থাকবে না। বিশেষ দ্রষ্টব্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বৃহৎ দুটি রাজনৈতিকদল ভিনদেশি সরকারের রাষ্ট্রপ্রধানদের সন্তুষ্টি লাভের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছিল, জনগণ তাদের মনোযোগ কাড়তে পারেনি।
০৩। অবশেষে, আমার লেখায় আপনি অত্র ব্লগের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্লগারের লেখার ছায়া দেখতে পেয়েছেন। যার জন্য আমি নিজের প্রতি অতীব দুঃখের সহিত ঘৃণা প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
ধন্যবাদ
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ২:০০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: নীচের মন্তব্যে ভুয়া ভাই ব্যাখ্যা করেছেন।
১৭| ২৮ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১০:৫৪
ভুয়া মফিজ বলেছেন: @ রাসেলঃ বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো ব্যবচ্ছেদ করার একটা ক্ষুদ্র চেষ্টা করি.........
এই ক্ষুদ্র পরিসরে বৃহৎ বর্ণনা দেয়া সম্ভব নয়। ঠিক এই কারনেই আমরা স্পেসিফিক আলোচনা করতে চাই। পোষ্টের প্রাসঙ্গিকতার বাইরে সাধারনতঃ যেতে চাই না। তাতে করে মূল বিষয়বস্তুতে ফোকাস করা সহজতর হয়।
অত্র ব্লগে শুধুমাত্র আলোচনা হতে পারে, যার মাধ্যমে সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে, জনগণের সচেতনতা দেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষ নৈতিকতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ সুস্থ ভাবে পরিচালনা করার প্রয়াস নিতে পারে। ঠিক বলেছেন। সহমত।
২নং পয়েন্টে চমৎকার বলেছেন। সঠিক বিচারব্যবস্থা আর শিক্ষাব্যবস্থা না থাকলে কোন জাতি মাথা তুলে দাড়াতে পারে না।
আরেকটা কথা। এই ব্লগের সর্বশ্রেষ্ঠ বলগারের প্রসঙ্গ এসেছে উদাহরন হিসাবে। আপনাকে আহত করার জন্য না।
সবশেষে বলবো, আপনাকে ছোট করার কোন উদ্দেশ্য নিয়ে মন্তব্যগুলো করা হয় নাই, কাজেই আপনার ক্ষমা প্রার্থনার কিছু নাই। ভুল আমাদের যে কারোরই হতে পারে, আলোচনার মাধ্যমেই আমরা সেগুলো সংশোধনের চেষ্টা করি। মনে কোন কষ্ট নিবেন না। আশাকরি, আমাদের এই অলোচনা অব্যাহত থাকবে। চিয়ার্স!!!!
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ২:০২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন। আশা করি ব্লগার রাসেল আপনার মন্তব্যে সন্তুষ্ট হবে।
১৮| ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১০:০৭
রাসেল বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। দেশে ও দেশের বাহিরে সকলেই আমরা আমাদের নিজ নিজ দায়িত্ব নৈতিকতার বিবেচনায় পালন করলে অনেক সমস্যাই সমাধান হতে পারে। আমাদের জাতীয় জীবনে ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০, ২০২৪ এসেছে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষনের জন্য, কিন্তু তা বহিঃশক্তির দালালদের কারণে ভন্ডুল হয়ে যায়। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনকালে সেনাবাহিনী প্রথম বক্তব্যের শুরুতেই বিতর্কিত রাজনৈতিক দলের নাম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে করতে চেয়েছে, আশা করি এটি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দালালরা নিজ অন্যায় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য জাতীয় স্বার্থ বিক্রি করে দেয়; পরবর্তীতে নিষ্পাপ, সুফী, সাদেক সাজে; যাদেরকে আমরা অহরহ দেখতে পাই।
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:০৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আসলে শুধু নীতিকথার দ্বারা মানুষকে অন্যায় থেকে দূরে রাখা যায় না, আইন কানুনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে মানুষ অন্যায়ে লিপ্ত থাকে। মানুষ যখন দেখে যে অন্যায় করলেও কোন শাস্তি হয় না, তখন অন্যরাও অন্যায় করতে উৎসাহিত হয়।
জাতীয় জীবনে যতবার আমাদের জাতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে ততবার সেই ঐক্য ভেঙ্গে গেছে এবং স্বার্থান্বেষী মহল আন্দোলন/ সংগ্রাম ছিনিয়ে নিয়েছে।
জামায়াতের নামে আগে বললেও সেনাপ্রধান তো জামায়াত পন্থী না। শেখ হাসিনা ওনাকে সেনাপ্রধান বানিয়েছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ২:৫৭
চেংগিস খান বলেছেন:
সেনাবাহিনী,জামাত-শিবির সবাই আমেরিকা ক্যু'এর ভাড়াটে সৈন্য ও জল্লাদ; কে থাকবে, কে আসবে, সবই দুতাবাস ঠিক করে দিচ্ছে।