| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১১ দলীয় জোট ছেড়ে দেওয়ায় এক দিক দিয়ে বিষয়টি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মুসলমান সমাজ একটি বড় ধরনের বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হলো। রাজনীতির স্বার্থে মুসলমানদের ঈমান ও আকিদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না—আর সেটাই হচ্ছিল নীরবে, ধীরে ধীরে।
জামায়াতে ইসলামী যখন প্রকাশ্যভাবে ঘোষণা দেয় যে তারা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করবে না, তখন পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যায়। এই ঘোষণার পরেও যদি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মতো একটি আদর্শিক ইসলামী দল একই জোটে অবস্থান করত, তাহলে তা হতো আত্মবিরোধী এবং নীতিগতভাবে অসংগত। কারণ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির মূল ভিত্তিই হলো—ইসলামের নীতি, মূল্যবোধ ও শাসনব্যবস্থার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান।
রাজনীতি হতে পারে কৌশলের জায়গা, কিন্তু ঈমান কোনো কৌশলের বিষয় নয়। ক্ষমতার সম্ভাবনার জন্য যদি ইসলামের মৌলিক আদর্শকে আড়ালে সরিয়ে রাখতে হয়, তবে সেই রাজনীতি শেষ পর্যন্ত মুসলমানদেরই ক্ষতি করে। এই দিক থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত একটি প্রয়োজনীয় ও সময়োচিত পদক্ষেপ।
এই প্রস্থান শুধু একটি জোট ভাঙার ঘটনা নয়; এটি একটি স্পষ্ট বার্তা—ইসলামের নামে রাজনীতি করে ইসলামী শাসনের প্রশ্নে আপস করা যাবে না। বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য এটি একটি স্বস্তির জায়গা। অন্তত এখন তারা জানেন, কোন দল আদর্শের প্রশ্নে অটল, আর কোন দল ক্ষমতার প্রশ্নে সমঝোতায় প্রস্তুত।
শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটেছে, যা হওয়াই উচিত ছিল।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোট ছেড়ে বের হওয়াটা সময়ে দাবী ছিলো।
আপনি যা বলছেন তা ঠিক না, মনে হয়।
ধন্যবাদ।
২|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
২৫ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা শেখ হাসিনার ৮০০ ভরি সোনা নিয়ে আপনার মনে এতো প্রশ্নের খোরাক; তালপাখা হুজুরের নির্বাচনী হলফনামায় বউয়ের ১৮৭ ভরি সোনা নিয়ে ও কি এমন কোন প্রশ্ন জাগে? নাকি ইহা বেহেশতে থেকে ফেরেস্তাদের দিয়ে পাঠানো হয়েছে?
তালপাখা ক্ষমতায় এসে শরিয়া আইন কায়েম হলে ছবি বা শিল্পকর্ম রাখার অপরাধে আপনার কি রকমের বেত্রাঘাতের সাজা হতে পারে?
৩|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: @দফাদার ভাই শরীয়ত মানুষের স্বাধীনতায় কখোনো হস্তক্ষেপ করে না।শুধুমাত্র যারা শরিয়ত মানতে চায় এবং ইচ্ছা করে নিজের উপর কোরতা আরোপ করতে চায় আখিরাতে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য,শুধুমাত্র তাদের উপর কিছু বিধিনিষেধ
আরোপ করে।
কাফির অথবা অবিশ্বাসিদেরকে জোর জবরদস্তি করেনা।তারা ইচ্ছামত স্বাধীন খেয়ালখুশিমত জিন্দেগী পরিচালনা করতে পারবে।
৪|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: সরি, যারা নিজের উপর ইচ্ছা করে কঠোরতা আরোপ করতে চায় আখিরাতে মুক্তি পাওয়ার জন্য
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি কি অপরাধবোধে ভুগছেন ? আইএবি কেনো জোট ছেড়ে বের হলো তাই ? এখানে ইসলামিক শাসন নিয়ে বিভাজনের চেয়ে পারসোনাল অপমান এবং সিট সমঝোতা না হওয়াটাই মুল বিষয় ছিলো।