| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
আসসালামু আলাইকুম।
দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে নিচের বিষয়গুলোর উপর নজর দেওয়া জরুরী মনে করছি।
প্ল্যান - ১
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রত্যেকটিতে গবেষণার জন্যে ফান্ড দেওয়া দরকার। দেশ - বিদেশ থেকে ফান্ড যোগাড় করে বাংলাদেশের উন্নয়নে রিসার্স প্রজেক্ট শুরু করা উচিৎ। দেশের প্রতিটি বেসরকারি ব্যবসাঁ প্রতিষ্ঠানকে এজন্যে 'ইনভেস্ট' করার জন্যে আইন করে দিতে হবে।
প্ল্যান - ২
বিকল্প জ্বালানীর খোঁজ করা। আমাদের দেশে জ্বালানী হিসেবে তেল-গ্যাস-কয়লার ব্যবহার অত্যধিক। সোলার এনার্জিও ব্যবহার হচ্ছে। এর পাশাপাশি সামুদ্রিক শৈবাল থেকে কীভাবে জ্বালানী তৈরী করা যায়, তা নিয়ে আমাদের গবেষণা করতে হবে।
প্ল্যান - ৩
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। খাদ্য সামগ্রীর দাম কমাতে গেলে অনেক সময়ে এর উৎপাদনকারী কৃষকদের পেটে লাথি পরে যায়। এজন্যে দেশের প্রতিটা কৃষি জমি যদি প্রাইভেট - পাবলিক পার্টনারশীপের আওতায় এনে চাষ করা যায়, তাহলে সবাই লাভবান হতে পারে। কৃষি জমি প্রাইভেট - পাবলিক পার্টনারশীপের আওতায় নিয়ে এসে দুই ভাগে বিভক্ত করতে হবে। কিছু জমি কৃষি পণ্য ফলাবে দেশের চাহিদা মেটাতে, বাকি জমি ফলাবে দেশের বাইরে পাঠানোর জন্যে। এরকম প্রয়োজনীয় ৫-৭টি কৃষি পণ্য সিলেক্ট করে ফসল ফলানোর জন্যে সরকার ও কৃষক উভয় মিলে বিনিয়োগ করতে হবে। জমি ও শ্রম কৃষকের, টাকা ও যন্ত্রপাতি সরকারের।
প্ল্যান - ৪
দেশে বায়ু দূষণ কমাতে হবে। সেজন্যে, যেসব এলাকায় বায়ু দূষণ হচ্ছে, সেইসব এলাকায় 'এয়ার পিউরিফায়ার' প্রজেক্ট শুরু করতে হবে।
প্ল্যান - ৫
আমাদের মানুষেরা খুব বেশি শহরমুখী হয়ে গিয়েছে। তাই, তরুণদের গ্রামমুখী করতে, প্রত্যেককে ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে গ্রামে গ্রামে পাঠিয়ে দিতে হবে।
প্ল্যান - ৬
আমাদের দেশে 'জিরো কার্বন' করতে গ্রিন প্রজেক্ট নিতে হবে।
প্ল্যান - ৭
প্রত্যেক থানায় ১টি করে 'জব এসিস্ট সেন্টার' খুলতে হবে যেখানে বেকারদের সিভি বিল্ড করা থেকে শুরু করে জব প্লেসমেন্ট করা হবে।
প্ল্যান - ৮
দেশের যেসব জায়গায় বিশুদ্ধ পানির অভাব আছে, সেইসব জায়গায় সেইফ ওয়াটার প্রজেক্ট নিতে হবে সরকারী উদ্যোগে। এজন্যে, প্রতি এলাকায় পানির সামাজিক ব্যবসা চালু করা উচিৎ হবে।
প্ল্যান - ৯
আমাদের দেশের ছাত্র সমাজ খুবই অবহেলিত। তাদের জন্যে 'সাইকেল প্রজেক্ট' নিতে হবে। যাতে টিউশনি ও শিক্ষালয়ে যাওয়ার জন্যে তারা সাইকেল কিনতে পারেন, সেজন্যে সরকারী উদ্যোগে সাইকেল সরবরাহ করতে হবে। তারা টিউশনির টাকা থেকে সেই সাইকেলের দাম পরিশোধ করবেন।
প্ল্যান - ১০
শহরাঞ্চলে কমিউনিটি ক্লাব খুলে জনগণের পরস্পরের মাঝে সৌজন্য ও সৌহার্দতা বাড়াতে হবে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রাজনৈতিক কর্মকান্ড করা উচিৎ নয়।
তাই, প্রস্তাব রাখছি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কেউ রাজনীতি করলে ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে করবেন।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
২|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনি যে ১০টি পরিকল্পনার কথা বলেছেন তার জন্য
যথেষ্ট ফান্ড দরকার ।
........................................................................................................
একজন অর্থনীতিবিদ বসায়ে দিন
এবং হিসাব করে বলুক কত অর্থ সাপোর্ট দরকার এবং সেই
অর্থের যোগান কোথা থেকে আসবে ???
শুধুমাত্র টাকা ছাপায়ে কাজটি করলে হবেনা ,তাতে মুদ্রাস্ফীতি ঘটবে,
ব্যবসা বানিজ্য নাই, ট্রাম্পের নবতম চুক্তির বলে গার্মেন্ট পণ্যর মূল্য বেড়ে যাবে
সেই সাথে স্হানীয় সকল দরকারী পণ্যর মূল্যর উর্ধগতি ঠেকানো যাবেনা,
আবার আই.এফ.এম এর পরামর্শ শুনলে দেশে বিক্ষোভ শুরু হবে ।
সরকার গঠনের প্রথম ১০০ দিনের ধাক্কা কি করে সামলায় সেটা দেখার অপেক্ষায়
আছি ।
৩|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৭
রাসেল বলেছেন: বিশ্বে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আমাদের মানবসম্পদ জাতির শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠে, দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নয়নে অবদান রাখে এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানি করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি ও সম্মান অর্জন করতে পারে।
৪|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকেঊনার এডভাইজার হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন।
৫|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মালয়েশিয়ার UPM -Universirty Putra Malaysia তে বাংলাদেশের শত শত পিএইচডি ছাত্র আছে। এদের বেশীর ভাগ আবার সরকারি অনুদানের। আমার কথা হচ্ছে এরা দেশে পিএইচডি করলে কি ক্ষতি? তারা তো কেবল একটি সাইনবোর্ড চায়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪
রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশের সকল স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সকল ধরনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড চিরতরে আইন করে বন্ধ করা উচিৎ । প্রয়োজন হলে সংবিধানে এমন আইন সংযোজন করতে হবে। শুধু মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র কল্যান পরিষধের মত সংগঠন করে নির্বাচন কর্মকান্ড চালানো উচিৎ । তাও রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি মুক্ত হতে হবে । স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার কে কঠর থেকে কঠরতম হতে হবে । যেমন হয়েছিলো ৯১ ও ৯৬ সালের সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ।