নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুবাই কি দুর্নীতিবাজদের গন্তব্য হয়ে উঠেছে?

১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

কয়েক বছর আগে, কানাডার বেগম পাড়ার কথা ব্যারিস্টার সুমন ভাই বেশ ফলাও করে প্রকাশ করেছিলেন। বাংলাদেশী দূর্নীতিবাজদের আখড়া হয়ে উঠেছিলো কানাডার ঐ অঞ্চল। আজ পুসিলশের সাবেক প্রধান বেনজির দুবাইয়ে ধরা পড়েছেন। তাই, কিছু অনুসন্ধানী প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি সভ্য আরব্য দেশ। গত কয়েক দশকে এই দেশটি সারা বিশ্বের ধনকুবেরদের ইনভেস্টমেন্ট হাব হয়ে উঠেছে। তবে, এই দেশটি কি ইদানিং বিভিন্ন দেশের দূর্নীতিবাজদের স্থান দিচ্ছে? ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট অনুসন্ধান করে জানতে পারা গিয়েছে যে - বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং তথ্যমতে, দুবাই দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের একটি অন্যতম নিরাপদ গন্তব্য। আয়কর না থাকা, কঠোর গোপনীয়তা নীতি এবং সহজে সম্পত্তি কেনার সুবিধার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্নীতিবাজ, অর্থ পাচারকারী ও কর ফাঁকিবাজরা বিনিয়োগের নামে সেখানে গোপনে সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুবাই কেন দুর্নীতিবাজদের কাছে এতো আকর্ষণীয় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি কেমন তার কয়েকটি মূল কারণ নিচে দেওয়া হলো:

আবাসন খাতে গোপনীয়তা: দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত অর্থ পাচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। বেনামে বা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে এখানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও ভিলা কেনা সহজ।

কঠোর আর্থিক গোপনীয়তা: দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টারের (DIFC) মতো আর্থিক কেন্দ্রগুলো এবং স্থানীয় ব্যাংকগুলো কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখে। ফলে, অর্থের উৎস সম্পর্কে সাধারণত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয় না।

কর সুবিধা: দুবাইয়ে কোনো ব্যক্তিগত আয়কর বা সম্পদ কর দিতে হয় না।

সাম্প্রতিক সময়ে দুবাই কর্তৃপক্ষ দূর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ ও পরিবর্তন এনেছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে দুবাই বর্তমানে তাদের আর্থিক নিয়মে পরিবর্তন আনছে। অনেক অর্থ পাচারকারী বা দুর্নীতিবাজদের গোপন সম্পদের তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে ফাঁসও হয়েছে।বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি দমন সংস্থা ও সরকার পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। এছাড়াও, অপরাধীদের ধরতে আন্তর্জাতিক পুলিশি সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে অভিযান এবং গ্রেপ্তারের মতো ঘটনাও ঘটছে।


অথ্যসূত্রঃ দ্যা ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, বিডি নিউজ ২৪



মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪

কাঁউটাল বলেছেন: বেনজিরের চামড়ার নিচে জমা হওয়া চর্বির এখন কি হবে?

২| ১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বেনজীর আহমেদ কয় হাজার কোটি টাকার মালিক ?

৩| ১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮

নতুন বলেছেন: দুবাইতে বাংলাদেশ থেকে হুন্ডিতে টাকা আনা খুবই সহজ।

তবে এখানে বর্তমানে বড় বিনিয়োগের জন্য অনেক কাগজপত্র দিতে হয়। আগের মতন এতো সহজ নাই।

৫০হাজার দিরহামের বেশি যে কোন লেনদেনের উপরে ব্যাংক কড়াকড়ি করে। ব্যাংকের নজরদারী এখন অনেক বেশি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.