নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কায়সার শামিলের নিক এটা। প্রোয়োজনীয়তা শেষ হলে মূল নিকে ফিরবো।

শামিলের কন্ঠ

আমি শামিল বলছি

শামিলের কন্ঠ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আত্বোপলব্ধি

০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ২:৩০

ঘটনা: (১)

শামীম ভাই অনেক ধনী মানুষ। লাখ টাকার বেশি বেতন পান, ব্যাবসা আছে, ইম্পরট্যান্ট স্থানে জমি আছে, হেন তেন।

মাগার......

ব্লাডে কোলেষ্টোরল এবং সুগারের মাত্রা ব্যাপক হাই। নিদ্রিষ্ট কিছু খাদ্য ছাডা কিছুই খেতে পারেন না। ইভেনকি চানাচুর, বিস্কিট, কলা, পেয়াঁজো, বেগুনি, বিরিয়ানি, চা, মিস্টি, পায়েস, পিঠা, কিছুইনা।



ঘটনা: (২)

রাজীব ভাই। বিরাট নেতা। তিনি দেখতে সুদর্শন, হ্যান্ডসাম, ভালো স্টুডেন্ট, মিডিয়ার সাথে রিলেশন ভালো, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা তার সাথে যোগাযোগ রাখেন নিয়মিত, শিক্ষকদের সমীহ পান, ব্লা ব্লা ব্লা.....

হঠাৎ ফোন এলো। টি'এস'সি থেকে মধুর ক্যান্টিনে যাওয়ার পথে লাইব্রেরির পাশে হঠাৎ ঘেমে গেলেন। মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো। চোখে ঝাপসা দেখে পডে গেলেন।

হুশ ফিরলো ল্যাব এইড কার্ডিয়াকে। হার্টে ১টি ব্লক অপারেশান করা হয়েছে।



ঘটনা: (৩)

মোকসেদ মামা। গ্রামের এক দরিদ্র পিতার ৪ ছেলের একজন। এস'এস'সি কমপ্লিট করে ডিফেনসে জয়েন করেছিলেন। হাডভাঙ্গা খাটুনি খেটে জীবনের সঞ্চিত আয় দিয়ে তিল তিল করে গডে তুলেছেন তার আবাদী জমি, বাডি, কলার বাগান, ইত্যাদি।

তার ১ ছেলে ক্লাস ফাইভে, আরেক মেয়ে গার্লস ক্যাডেট স্কুলে ক্লাস নাইনে পডে।

এক সকালে তিনি জাগেননি। বেলা বাডার পর ডাকাডাকি করেও সাডাশব্দ না পাওয়াতে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢ়ুকে দেখা গেল যে, শুধু তাকিয়ে আছে।

নাডাচাডা বা কথা বলতে পারেন না।

ঘুমের মাঝেই প্যারালাইজড হয়ে গেছেন।



মানুষের ম্রিত্যু শাশ্বত বাস্তব। একদিন এই জীবনের আবশ্যকীয় সমাপ্তি ঘটবে। তাতে আমি বিল গেটস হই আর জনতা ব্যাংকের পিয়ন। আমার জায়গা হবে সেই সাডে তিন হাত মাটিতে।



ধরি, আমার অনেক টাকা চাই। আমি পেলাম। সুইজারল্যান্ডের জুরিখের হর্ণ স্ট্রীটে আমার বাডি হলো। আমি ক্যামব্রিজের পোষ্ট গ্রাজুয়েট। মিস ইউনিভার্স আমার বৌ। ওয়াল স্ট্রীটের টোটাল শেয়ারের ১০% আমার। আমি রোলস রয়েস/পোর্শে চালাই। তো? তারপর কি?



এই কথাগুলা লেখার উদ্দেশ্য হলো, একটু আগে পবিত্র কুরআনুল কারীমের একটি আইয়াত পডলাম:

" (হে মানুষেরা) ভালোভাবে জেনে রাখ, দুনিয়ার এই জীবন একটি খেলা, হাসি তামাশা, বাহ্যিক চাকচিক্য, তোমাদের পারস্পরিক গৌরব ও অহংকার এবং সন্তান সন্তুতি ও অর্থ সম্পদে পরস্পরকে অতিক্রম করার চেষ্টা ছাডা আর কিছুই নয়। এর উদাহরণ হচ্ছে, ব্রিস্টি হয়ে গেল এবং তার ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদরাজি দেখে ক্রিষক আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠলো। তারপর তা পেকে যায় এবং তোমরা দেখতে পাও যে, তা হলদে বর্ণ ধারণ করে এবং পরে তা ভূষিতে পরিণত হয়। পক্ষান্তরে আখিরাত এমন এক স্থান, যেখানে রয়েছে কঠিন আযাব, আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি।"

সূরা আল হাদীদ: আইয়াত-২০

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ২:৪২

দুরন্ত সাহসী বলেছেন: কোন এক শিল্পপতির অফিসে গিয়ে দেখি উনি দুপুরে বসে বসে মুড়ি খাচ্ছেন,আমি বললাম কি ব্যপার এই সময়ে এসব কেন খান,সে বলে খাওয়া দাওয়া একদম কমিয়ে দিতে হচ্ছে,শরীরে নানা রোগ বাসা বেধেছে,বল্লাম কি লাভ এত টাকা আয় করে আপনার এই ৪০ বছর বয়সেই খাওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছেন,তখন তিনি বললেন আল্লাহ তো আমাকে মুড়ি খাওয়াচ্ছেন কিন্তু তুইতো চিনিস কাসেম সাহেবকে তিনিতো আমার চেয়ে আরো বেশি ধনী উনিতো মুড়িও খেতে পারেনা,সিঙ্গাপুর থেকে এক প্রকার লিকুইড আসে তা খেয়ে বেঁচে আছেন।

একজন রিক্সাপয়ালার খাওয়ার আনন্দটুকু তাকিয়ে দেখি মাঝে মাঝে।

ভালো বলেছেন

ধন্যবাদ

২| ০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ২:৫০

শামিলের কন্ঠ বলেছেন: লেখাটা পডার জন্য ধন্যবাদ।

৩| ০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ৩:৫৩

খাটাস বলেছেন: উপযুক্ত উদাহরন দিয়ে ভাল লিখেছেন ভাই। দুনিয়ার এই জীবন একটি খেলা। আল্লাহ যাকে অনেক বেশি দেন, তার অনেক কিছু কেড়ে ও নেন। হয়ত এটাই তার পরীক্ষা। তিনি মালিক, তিনি ই জানেন। ভাল থাকবেন।

৪| ০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ৩:৫৫

সমানুপাতিক বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় পরিমিতিবোধ সবার জন্য একটা জরুরী ব্যাপার, যা মানুষকে শিক্ষা দেয় কোথায় থামতে হবে । তবে জীবনের লক্ষ্য সবার আলাদা, উপলব্ধিও সবার আলাদা ।

৫| ০৭ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৪:০৬

খেয়া ঘাট বলেছেন: ক্ষণিকের মুসাফির , শুধু বসে আছি ঐ পারে যাওয়ার অপেক্ষায়।

৬| ০৭ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৪:৪৬

বাংলাদেশী দালাল বলেছেন:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ শুধুই অনর্থ ডেকে আনে।

টাকাওয়ালা খুব কম মানুষই পারেন এর মোহ থেকে বের হয়ে আসতে।

"দুনিয়াতে যার সম্পদ কম আখে রাতে তার হিসাব সহজ হবে"

সুন্দর লিখছেন ভাই ধন্যবাদ।

৭| ০৭ ই জুন, ২০১৩ ভোর ৬:২৯

একাকী বাংলাদেশি বলেছেন: আমি শুধু একটা জিনিষ চিন্তা করি আমি যদি আজকে জন্ম গ্রহন না করে আর ১০০ বছর আগে আসতাম তাহলে এই সময় যখন আমি কি-বোর্ডে চাপা-চাপি করছি তখন আমি নির্ঘাত ভাবেই থাকতাম মাটির নীচে। তার মানে এই সময়'টা একটা পুরাই বোনাস সময়

৮| ০৭ ই জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:০৪

রাকীব হাসান বলেছেন: আশরাফুল টাকার জন্য ম্যাচ ফিক্সিং করেনি ।
সে নিজের ক্যারিয়ার বাঁচানোর জন্য বাধ্য
হয়ে ম্যাচ ফিক্সিং করেছে ।
...

আশরাফুল সেদিন ম্যাচ ফিক্সিং না করলে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর'স এর
ম্যানেজার তাকে দল থেকে বাদ দিতো । তখন আশরাফুলের ফর্মও খারাপ ছিলো আর এই সুযোগটাই নিলো ডিজি টিমের ম্যানেজার ।
আশরাফুলকে ফিক্সিং করাতে বাধ্য করলো ওরা ।
কিন্তু এখন পর্যন্ত ওদের বিরুদ্দে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ।

যে ছেলে ১০ কোটি টাকার
মতো অফার পাওয়ার পরও
আইসিএলে যায়নি সে ছেলে কখনো মাত্র ১০ লাখ
টাকার জন্য ফিক্সিং করতে পারেনা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.