নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সামভিল

বলার কিছু নেই

সামভিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

আউটসোর্সিং শুরু করার আগে- পর্ব ১

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪১

আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল মুক্ত পেশা। অর্থাৎ মুক্তভাবে কাজ করে আয় করার পেশা। আর একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্যদের দিয়ে নিজেদের বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে।



সজা কথায় আউটসোর্সিং হল সঠিক কাজ করে সহজ উপায়ে আয় করার একটি কঠিন মাধ্যম। আউটসোর্সিংএর সুবিধাটুকু হল, এখানে কাজ করা এবং কাজ পাবার স্বাধীনতাটুকু আছে যা আপনি অন্য পেশায় পাবেন না এবং আপনার পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন এখানে পাবেন.



বর্তমানে আউটসোর্সিং এদেশের যুব সমাজের আয়ের একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। তবে আউটসোর্সিংয়ে নামার আগে কিছু বিষয় জেনে রাখা জরুরি। সেসব নিয়েই আজকে আলোচনা করব।



প্রথমে ঠিক করে নিন আপনি কি করতে চান। অর্থ্যাত আপনি কিসে দক্ষ। মনে রাখবেন দক্ষতা অর্জন না করতে পারলে আপনি আউটসোর্সিং এ সফল হতে পারবেন না।

যত বেশি সম্ভব পড়ুন। আপনি যে কাজ করবেন সেই কাজ সম্পর্কে পুরোটা জানবেন না সেটা হয় না। গ্রাফিক ডিজাইনের টিউটোরিয়াল দেখে ডিজাইনের কাজ করতেই পারেন কিন্তু সত্যিকারের ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে হলে এসম্পর্কিত প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে।

আউটসোর্সিং এ সফল হতে আপনি এই পর্যন্ত যেসব কাজ করেছেন তার একটা তালিকা বা পোর্টফলিও করে রাখুন, যাতে ক্লায়েন্টকে আপনি আপনার কাজ দেখাতে পারেন। তাহলে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে।

অনেকেই যাঁরা অল্প কিছু কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই জব (কাজ) পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ ১০০টা আবেদন করেও জব পান না। এটা নির্ভর করে আপনি কত কম মূল্যে (রেটে) বিড করেছেন তার ওপর। তবে একটি নির্দিষ্ট লিমিট বজায় রাখুন। কোনো একটা জব পোস্ট করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রত্যুত্তর দেবার চেষ্টা করুন।

যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না সেসব বায়ারের জবে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে (ফ্রিল্যান্সার) ভাড়া বা হায়ার করতে হলে তার পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড থাকতে হয়।

আউটসোর্সিং এ নিজের কাজের বাইরে অন্য কিছু করুন। হয়ত আপনার কাজের সাথে ব্লগিং এর তেমন সম্পর্ক নেই। তাহলেও ব্লগ তৈরী করতে পারেন। এর মাধ্যমে যোগাযোগ বাড়বে। এর ফলে কাজ পেতে সুবিধা হবে।





মনে রাখবেন আউটসোর্সিং এ ক্যারিয়ার গড়তে হলে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। আজ তাহলে এ পর্যন্তই। সামনের পর্বে আরো কিছু বিষয় নিয়ে আসতে চেষ্টা করব আশা করি। ভালো থাকবেন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.