| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এস.আর.এফ খাঁন
কম্পিউটার বিজনেস করি, যে কোন কম্পিউটার এক্সাসারিজ ল্যাপটপ ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথেঃ facebook.com/srf.khan অথবা [email protected]
.........................বঞ্চিত এক আমি,
আজ আমার কথা গুলো........................................................
শুধুই ভাবনা হয়ে রোদ ধুলোর সংস্পর্শতায়,
ঘেমে যায়, ভিজে যায়, শিশিরে ঝিরি ঝিরি মৃদু পায় নিরব অভিপ্রায়
নিস্তেজ চোখ বেয়ে চেয়ে যায়, ক্লান্তি ঝরে যায়, এক পশলা বৃষ্টির মতন ।
আর কি ভাবে ভালোবাসবো তোকে..........?
অসাঢ় অনড় মনের আমি ছাড়া, আর কিছুই তো নেই আমার,
সবই তো নিঙ্গরায়ে নিয়েছিস, অবশেষ যা ছিলো..............
নিঃশেষিত করে আমাকে
সবই তো তোকে বলা হয়েছে, জানান দেয়া, তোর সব কিছুতেই আমার, অবচেতন অন্তস্থ, ভেতর, বাহির কি দিয়েছিস....?
তারপরও বিনিময়ের অন্বেষনে নিজেকে আড়াল করবি......?
তুই পারিস্ও..............................................................।
শরীরটা দিনক্রমে হিনতায় অসাঢ় যন্ত্রনায় অবহিত,
অনীহায় বিস্তৃত আক্রান্ত হচ্ছে মন, ন্যুব্জ অযাচিত অকারন,
উবে যাচ্ছে কাজ করার (সার্বভৌমত্ব) সর্বতর উদ্যক্তমনা,
নিকষ গহ্বরে অনুরুক্ত অনুপ্রাস অনুরন, অনুভবের সিক্ত চেতনা,
আর এই আলো-বাতাস অন্ধকারে সময়ের নিবারন, পরিবর্তন,
পরিবর্ধন........................................................................।
আমার এই বোকার মতন আক্ষরিক কথা গুলো পড়ে
তুই হাসছিস্ তাইনারে........?
তুই পারিস্, আমাকে তোর মত করে দে অন্তত, বেঁচে থাকতে দে বন্ধু,
আমি যে আর কিছুই পারিনা-রে, তোর জন্য কোন কিছুই না,
আমি আর পারলামই না, কত নিখুঁত ভাবে গুটিয়ে নিলি আমার থেকে তোকে, বদলে যেতে পারিস, পারলি তুই কত নিখুঁত ভাবে,
মনে হয়, তোর জীবনে কখনই দেখিসনি, জানিসনি, চিনিসনি,
বুঝিসনি আমাকে তাই, তুইতো বুঝবি না.........
আমি বোঝাবো কি করে..... আমার ভেতর, বাহির, অথবা..............
রাত্রি ঘুমে তোর স্বপ্ন আসে চোখে, বারংবার, মনে করে দেখ আমায়,
মনে করে দেখ আমাকে, কি ছিলাম আমি তোর....? কি ছিলাম,
কত মূহুর্তের কাঁটা পারিয়ে, ব্যাদনার পথে একাকি তোর পাশে,
তোর ব্যাথা গুলোর পাশে ব্যাথা হয়েই তো ব্যাথা সয়েছি,
আজ এই দুর্বল ঝাপষা চোখ তবু, নানান রুপে দেখি তোকে
নানান চোখে তাকাস তুই - আমার দিকে, আমার মনেই অবিরত,
হায়! আমি বড় নির্লজ্জ রে..., বড় অসহায়, শুধু তোর জন্য
তোকে দেখার জন্য অবিরাম তোকে ভাবার জন্য......................।
এই যে আমি........................!
আমার চারপাশে কত কি ছরিয়ে ছিটিয়ে.........
জানিস্....., সবই যেনো শূন্য, কিছু ভালোলাগেনা....... এলোমেলো লাগে
করনীয় সব (কিছু), অগোছালো চারপাশটায় হাতরে বেরাই মনে করা,
এলোমেলো লাগে নিজেকে, নিজের সব, আর কি থাকলো বল্....?
আকাশের নিল অন্ধ করে দেয়, আমাদের পরিচয়ের সেই দিন, মনে পরে!!
বাতাসের ছোঁয়া ভষ্মিত করে দেয়, মুহ্যমান অতিসয়.......
চুষে খায় আমায় ......... সংস্রব জ্বালায়, আর সব অতঃপর,
পড়ার বই গুলো স্তূপাকারে পরে থাকে,
লেখা গুলো কিছুদুর গিয়ে থেমে যায়,
আর কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে, কিছুই না, কত লিখেছি তোকে, যত্নে অযত্নে আছে কি আর ওসব....? অথবা অবহেলায়! স্মৃতির মত চোখের সামনে আনিস্ কখনো, অন্তত একটুকু তোকে দিয়ে ভাবাতে আমায়,
তুই আমাকে এ কেমন জীবন দিলি রে, পারলেও পারবোনা ফেরাতে আমি,
সবই নিলি, সত্যি সবই নিয়ে গেলি............................
আমার এই দেহটাকেও দেহ মনে হয় না আর, কি করি বলে দে না হয়।
শ্বেত শ্বেতে ঘাষ ডোবা বৃষ্টি কাদা জলে শ্যাওলা জরানো ছাপ বিষন্ন,
(উন্মুক্ত) ছায়া ছায়া আড়ষ্টে দাড়ানো গাছ গাছালি, হঠাৎ................
অহেতুক, ভিজতে ইচ্ছে করে খুব, ছোট হতে ইচ্ছে হয় (শৈশবের মত)।
বিষদ ব্যাপ্ত বিস্তৃত নদীবক্ষে...............................
ঢেউ সঞ্চারিত শব্দ তরঙ্গের খেলা
নিবির কালো মেঘো ছায়া, ঝিরি ঝিরি জল ছুরে,
স্বপ্ন জুরে অনাবিল শ্রান্ত বিনয় বেলা, নিকষ অনিমেষ অসময়ে,
নিশ্চুপ নিদাঘ থেকে যায় প্রকৃতির অকৃত্রিম অন্তরে, আর আমার স্বপ্নে,
আমাকে তুই বঞ্চিত করেছিস্,
সুর করা শব্দ কথা গুলো আমার কানে অসহ্য লাগে,
সময় অসময় যেনো আমাকে পাশ কাটিয়ে যায়,
অবকাশের মেঘো ছায়ায় আমার নির্বাক দৃষ্টি, চলে যায় দুর অনেক দুর,
চেয়ে থেকে থেকে অবলোকনে ধুলো জমে পরে,
অবশেষে কিছুই ফিরিয়ে আনতে পারি না, আমি আর...............।
তির তির করে রক্ত সঞ্চালনে ভার ব্যাথা, প্রনয়ের ব্যার্থ গ্লানিস্বরে
চিন চিন করে বুকটা ছিড়ে যেতে চায়
হয়তো ছিড়েই যায়, অনুপলোব্ধিত্ব
তোর কিছু স্মৃতি কিছু কথায়, স্থর্যহীন চিরায়ত।
ভালোবাসার মতন স্বর্থপরতা...........................
এই কলাহলময় পৃথিবীতে আর কিছু কি হয়.......?
মাটি পূড়ে খড়া হয়ে যাচ্ছে রোদের তীব্রতায়, অসহনীয় মানোষিকতায় মন,
অথচ চক্ চকে ঝলমলে প্রাঞ্জলে গাছের পাতা
গিজ্ গিজে সবুজ কচি কচি পাতার জন্মলাভ,
আর জন্ম নেয়া আলোর দুরত্বে আমার মনের প্রত্বন্ত অঞ্চল।
তোর সাহচার্য্য আমাকে কতোটা বদলে দিয়েছিলো
এখন কতোটা বদলে আছি দেখ, আর কোন আড়াল নেই আমার,
তুই কেমন রইলি রে, বলবি...? একবার বলনা...?
আমি জানতে চাই, তোর সবকিছু আবার জানতে চাই
কোথায় যে অজান্তে ভুলের সাথে আজ এখানে আমি,
প্রকৃতিকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখার অভ্যেস কর্..........,
অপছন্দ হবেনা, হলেও কখনো ভুলতে পারবিনা তুই
এক রকম মায়া তোকে জাপ্টে চুমু খাবে,
তোর অন্তস্থে জড়িয়ে থাকবে, তোর অবয়ব,
তুই তোকে পাবি তোর আপ্বন স্বত্বার প্রতচ্ছবি রুপে,
তেমনি করে.................................................,
প্রকৃতির মত তোকেও খুটিয়ে খুটিয়ে আমি দেখেছি,
এতই দেখেছি তোর প্রতি মায়াটাই আমার কাছে অনেক বেশি, অনেক
পৃথিবীর বুকে তোর ভালোবাসাই আমার বড় অবলম্বন।
আমাকে ভিক্ষিরী করবি......? কর..................................................
আমাকে মেরে ফেলে এই ক্রমাগত মানষিক অস্থিরতা থেকে পরিত্রান দে,
ইচ্ছে মত বিষ ঢাল বুকটার মাঝকান কেঁটে
আমি একটুও মুখে কষ্ট ধ্বনি নির্গত করবোনা, করবোই না!
বরং এই ভাববো, আমার ভালোবাসার জন্যই মরতে পেরেছি
আমার জন্যে হয়তো তোর ভুলে যাবার পথ চলতে হয়েছে,
মিথ্যে করে বলতে বোঝাতে হয়েছে, যেনো আমাকে তোর মন
তোর সেই আমার উপলব্ধিতে দেখা, নিদাঘ মন থেকে মুছে দিতে,
দে বন্ধু, আমাকে মুছে ফেলে দে, তবু তুই ভালো থাকিস্,
আসবো না ফিরে আর , এই শরীরের আড়ালে না দেখা অনেক ক্ষত,
একলা এসেছি, কি আর হবে নাই বা হলাম তোর, একরাই চলে যাবো,
বন্ধু তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস্............ মন থেকে ক্ষমা করে দিস্,
তোকে আমি অনেক অনেক ভালোবাসি।
..................................এবং অথবা আমি,
[email protected]
২|
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: কবিতার দৈর্ঘ্যতো প্রায় যমুনা সেতুর কাছাকাছি।।। কিন্ত, ভাই এমন তুই-তুকার করলে আপনাকে ছেড়ে তো চলে যাবেই; একটা কাওয়ালি গানের লাইন বলি_
তুই শুনতে বিশ্রী লাগে, "তুমি" রোমাণ্টিক
হিমালয়ের বরফ গলে হবে আটলাণ্টিক
যদি একবা শুধু "তুমি" বল।।।
৩|
১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১০
প্রতিফলন বলেছেন: একটু চিঠি কাব্যের মতো লাগলো। ভাল হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৫
সবাক বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা
+