![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ট্রাম্প নতুন করে যে বাণিজ্য শুল্ক আরোপ করছেন তা কোভিড পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে।
রয়টার্স লিখেছে, মহামারী পরবর্তী মুদ্রাস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি, রেকর্ড ঋণের বোঝা এবং ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে সৃষ্ট অস্থিরতা থেকে সবেমাত্র অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছিল। বুধবার প্রকাশিত শুল্ক হার সেই প্রক্রিয়ায় বাধ সাধবে। ট্রাম্প ও অন্যান্য দেশের নেতারা এখন কীভাবে অগ্রসর হন তার উপর নির্ভর করছে পরিস্থিতি কোথায় দাঁড়াবে।
নমুরা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান অর্থনীতিবিদ তাকাহিদে কিউচি বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে বৈশ্বিক মুক্ত বাণিজ্যে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে তা ধ্বংসের ঝুঁকি তৈরি করেছে ট্রাম্পের শুল্ক।”
রয়টার্স লিখেছে, হাজার হাজার পণ্যের উপর নতুন শুল্ক আরোপের ফলে আগামী মাসগুলোতে যে সেসবের দাম বাড়বে এবং সে কারণে চাহিদা কমবে তা বলাই বাহুল্য।
ফ্রান্সের ইনসিড বিজনেস স্কুলের সামষ্টিক অর্থনীতিবিদ আন্তোনিও ফাতাস বলেন, “আমি এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অর্থনীতির খারাপের দিকে যাওয়া, আরও অনিশ্চয়তা এবং সম্ভবত এমন কিছুর দিকে ধাবিত হতে দেখছি- যাকে আমরা বৈশ্বিক মন্দা বলতে পারি।”
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্ব ব্যাংকের পরামর্শক হিসেবে কাজ করা ফাতাস বলেন, “আমরা এমন এক বিশ্বের দিকে যাচ্ছি যা সবার জন্যই খারাপ; কারণ এটি অপটু।”
বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ২টার পর হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন সম্পূরক শুল্কহার ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই দিনকে তিনি বর্ণনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছে দীর্ঘদিন ধরে।
ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ৩৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের মুখোমুখি হবে।
বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্প বিশ্বের শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে ভিত্তি শুল্ক ধরা হয়েছে ১০ শতাংশ। তার মানে সেই সব দেশকে অন্তত ১০ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে। যেসব দেশকে কেবল ভিত্তি শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে তার মধ্যে রয়েছে-যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, তুরস্ক, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব।
সবচেয়ে খারাপ অপরাধীদের’ জন্য সুনির্দিষ্ট শুল্ক
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা প্রায় ৬০টি দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবেন, যা ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। তাদের চোখে এসব দেশ ‘সবচেয়ে খারাপ অপরাধী।’
এই সুনির্দিষ্ট শুল্কের মধ্যে রয়েছে-ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ, চীনের ওপর ৫৪ শতাংশ, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ওপর ৩৬ শতাংশ, জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর ৩০ শতাংশ এবং তাইওয়ানের ওপর ৩২ শতাংশ।
বিবিসি লিখেছে, এই নতুন শুল্ক ঘোষণায় কানাডা ও মেক্সিকোর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
হোয়াইট হাউস বলছে, তারা আগের নির্বাহী আদেশে নির্ধারিত কাঠামো ব্যবহার করে তাদের সঙ্গে মোকাবিলা করবে।
সব বিদেশি গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই শুল্ক ৩ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর বলে ধরা হবে।
আমেরিকার অর্থনীতির ক্ষতি এখন দুই ভাবে হবে দেশের ভিতরে নিত্যপন্যের বাজার উচ্চ মূল্যের কারনে অস্থির হয়ে উঠবে জনগণ ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাবে আমেরিকা জন্মের পর গৃহস্থলী পণ্য এত দাম বৃদ্ধি আর কখনই ঘটেনি l ইউরোপ চীন ভারত সহ প্রায় সকল দেশ এখন আমেরিকার পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করবে ফলে অন্য দেশের তুলনায় আমেরিকার পন্যের বাজার হারাবে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবে l
এখন যদি ঠিক একই হারে চীন তার বাণিজ্য শুল্ক কমিয়ে দেয় বিশেষ করে আমেরিকান যেসকল পণ্য রয়েছে সে ধরনের পণ্যে তাহলে চীন নতুন বাজার পেয়ে যাবে চীনের বাণিজ্য রকেট গতি পাবে l বিভিন্ন দেশ বাধ্য হয়ে চীনের দিকে ঝুঁকবে l
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:০১
সরকার পায়েল বলেছেন: ট্রাম্প মূলত দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে চাইছে মরার আগে খর কুটো ধরে ভেসে থাকার চেষ্টা ‼️ কিন্তু দীর্ঘ দিনের প্রায় ১০০ বছরের ডলার জোচ্চুরি, গোল্ড রিজার্ভ নিয়ে যুগ যুগ ধরে মিথ্যা বলা, মিডিয়াতে আমেরিকার অর্থনীতি নিয়ে অতিরিক্ত বাগারম্বর করা সবই এখন বুমেরাং হয়েছে l ধীরে ধীরে রিজার্ভ কেলেঙ্কারি, গোল্ড রিজার্ভ এর মিথ্যা তথ্য বের হবে খুব সম্ভবত গত ১০০ বছরে কেউ আমেরিকার গোল্ড রিজার্ভ দেখেনি বা তদন্ত করেনি সেখানে গোল্ড আছে না কাগজ আছে তাও কেউ দেখেনি সব শুধু মুখের কথা এখানে বিশাল গোল্ড রিজার্ভ আছে ব্যস l একশো বছরের এসব মিথ্যা একটা পাগল দুদিনে ঠিক করে দিবে এটা অসম্ভব l আমেরিকার আজকের এই অবস্থা একদিনের দুইদিনের প্রতিফল না যুগ যুগ ধরে অর্থনীতি নিয়ে জোচ্চুরি করার ফল l
২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:২০
সরকার পায়েল বলেছেন: ব্লগের এইঅবস্থা কেন ? পেজ ওপেন হয় না মন্তব্য করা যায় না নিজের ব্লগ ঢোকা যায় না মোডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ! পেজের অবস্থা তো আমেরিকার অর্থনীতির চেয়ে করুণ !!
৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ২:৪৯
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সরকার পায়েল বলেছেন: ব্লগের এইঅবস্থা কেন ? পেজ ওপেন হয় না মন্তব্য করা যায় না নিজের ব্লগ ঢোকা যায় না মোডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ! পেজের অবস্থা তো আমেরিকার অর্থনীতির চেয়ে করুণ !!
আমারও পেইজ লোড হতে বেশ সময় নিচ্ছে।
৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সরকার পায়েল বলেছেন: মন্দের ভালো হলো বিশ্ব এখন আমেরিকার প্রতি নির্ভরতা কমবে অর্থাৎ ডলারের প্রতিও নির্ভরতা কমবে l বিশেষ করে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলো ডলার নির্ভরতা আমেরিকা নির্ভরতা কমিয়ে আনবে l আমেরিকার সাথে সম্পর্ক যত কম থাকবে দেশ অর্থনীতি তত নিরাপদ l
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:০৯
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের জীবন যাত্রার মান কমে যাবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপরে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। ফলে অ্যামেরিকার বৈদেশিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই শুল্ক আরোপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবসা তেমন বাড়বে না। কারণ পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় অ্যামেরিকার কষ্টিং অনেক বেশী পর্যায়ে চলে গেছে। তাই অর্থনীতির সাধারণ নীতি অনুযায়ীই, অ্যামেরিকার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবসা আগের মতই ধীরে ধীরে অন্যান্য গরীব এবং অর্থনৈতিকভাবে মধ্যম মানের দেশগুলিতে চলে যাবে।
এই ধরণের উদ্যোগ হল অর্থনীতি রক্ষার মরণপণ প্রচেষ্টা। বর্তমানের গ্লোবাল ফিলেজে স্বার্থপরতার নীতি দিয়ে অ্যামেরিকার মত একটা প্রভাবশালী দেশ তেমন কিছু অর্জন করতে পারবে না। অ্যামেরিকার প্রতি অন্যান্য দেশের আস্থা নষ্ট হবে। যার প্রভাব পড়বে অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিষয় সমুহে। আর তাছাড়া ট্রাম্প সময় পাবে মাত্র ৪ বছর। তারপরে আবার আগের নীতিতে ফিরে যেতে হবে। পলিসি দীর্ঘ মেয়াদি না হলে সেটা থেকে সুফল পাওয়া যায় না।