| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জয় তারুন্য তোমাদের জয় হোক, তোমাদের জয় হতে হবে না হলে যে আমাদের ধমনীতে প্রবাহিত রক্তের ঋনের দায় নিয়ে মৃত্যু বরন করতে হবে, এটা বড় যস্ত্রনার কষ্টের, আজ যারা তোমাদের বিরোধীতা করছে তারাও তোমাদের জয় কামনা করছে একান্ত নিজের কাছে, দীর্ঘদিন ধরে যে সীমানা রাজনীতিবিদরা নিজেরা নিজেদের মাঝে দিয়ে রেখেছে সেটা তো একদিন বা দুইদিনে ভাঙা সম্ভব না, এটা ভাঙতে গেলে আবার একটা যুদ্ধ লাগে সেই সময় এখন এসেছে তোমাদের হাত ধরে তোমরা এগিয়ে যাও তোমাদের পথে, তবে সাবধার এ পথে কিন্তু কাটা আছে যখন তখন পায়ে বিধে যেতে পারে। কারন দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে এই কাটার আগাছা আমাদের রাজনীতিবিদরা জল ঢেলে পরিপুস্ট করে চলেছে, আজও চলছে, আজও তোমাদেরকে নিয়ে রাজনীতি করছে, কেউ চাইছে নিজের অপকর্ম ঢেকে রাখা যাচ্ছে এই তরুন প্রজন্ম দিয়ে এটাকে তারা পুজি করে সময় ক্ষেপন করছে, আর অন্য পক্ষ তোমাদের আওয়ামলীগের দালাল ভাবছে, অথচ কি নির্মম কষ্ট যে কেউ তোমাদের চিনতে পারছে না বা চিনতে চা্চ্ছে না, ক্ষমতার লোভ আমাদের রাজনীতিবিদদের কোথায় নিয়ে গেছে। আজকে প্রজন্ম চত্তরের ভাষা আওয়ামী লীগের ভাষার সাথে মিল হয়েছে বলে তারা এটাকে লালন পালন করছে বিএনপি' র সাথে মিলছে না বলে তারা এটাকে বিভিন্ন রঙ মাখিয়ে বিকৃত করছে কোনটাই কিন্তু রাজনীতির জন্য মঙ্গল না। এই রাজনীতিবিদরা আজকে পুরো বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে, আজকে আমরা ভালকে ভাল খারাপকে খারাপ বলতে পারি না বা ভুলে গেছি ভালো আর মন্দ কে আলাদা করতে , আজকে চিরন্তন সত্যকে সত্য আর মিথ্য কে মিথ্যা বলার জন্য খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনার সার্টিফিকেট লাগে, তারা যদি সত্যকে মিথ্যা বলে তাহলে সেটা মিথ্য হয়ে যাবে আর কোনভাবেই সেটা সত্য হবে না, সারা বাংলার মানুষও কিন্তু তাই মনে করে যারা অল্প নগন্য সংখ্যক আছেন যারা নিজেদের কথা নিজেদের মত বলতে চান তাদের কথা কেই শুনতে চাই না, পত্রিকার কোন এক পাতাই ছোট করে লেখা হয়ে থাকে কারো চোখে পড়ার মত না আবার পড়লেও ভাবার সময় হয় না। আজকে আমরা হাসিনা খালেদাই বিভক্ত এভাবে চলতে থাকলে সাথে আর একটি নাম যোগ হবে তা হচ্ছে জামাত যা কিন্তু অনেক দিক দিয়ে বিনপি ও আওয়ামী লীগ থেকে ভিন্ন ও একক, কারন দেখেন ওদের সাথে ব্যাক্তির নাম আছে কিন্তু এদের মধ্যে নেই, এরা কিন্তু চিন্তা চেতনাই একক, আপনাদের চিন্ত বা চেতনার ধারক বা বাহক নয়, এরা আজও অনুতপ্ত নয় ৭১ এর ঘটনার জন্য, আজও মাথা উচু করে এদের অবর্স্থান পূর্বের যে কোন সময় থেকে শক্ত করেছে, কে সাহায্য করেছে, বিনপি ও না আবার আওয়ামী লীগ ও না, দুই নেত্রী বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনা, আমি আগেই বলেছি এরা যা বলে দল তাই করে, এর কোন ব্যত্যয় হয় না, আজকে কাদের মোল্লার রায় ঘোষনার পর অনেক বিএনপি নেতাকে বলতে শুনেছি এটা কি হল, যে ছেলেটা প্রজন্ম চত্তরে যায় নি, আওয়ামী লীগ করে না সেও বলেছে ঠিক হল না, অথচ বিএনপি এখন আবার নতুন কথা বলতে শুরু করেছে এরা আওয়ামী লীগের দালাল, আমি বলিকি এরা আওয়ামী লীগের দালাল হলে ক্ষতি কি এরা তো রাজাকারের ফাসি চাই, অন্য কিছু না, আপনারা এদের সাথে সুর মিলিয়ে চাইতেন, তা না করে আপনারা বলতে চাইছেন উল্টোটা, বিরোধীতা মানে কিন্তু এটা নয় যে যারা রাজাকার সমর্থন করা, প্রজন্ম চত্তরে গেলে কিন্ত বিএনপি' র ভোট বাড়া বৈ কমতো না, বিরোধীদলীয় নেত্রী মনে রাখবেন বাংলাদেশের মানুষ কিন্ত রাজাকার হতে চাই না, কাউকে রাজাকার গালি দিয়ে দেখবেন সে কিভাবে এটা প্রতিক্রিয়া করে। এটাই শাহাবাগের বিজয়, আপনারা ক্ষমতার দ্বন্দে কে কি করবেন কি বলবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার কিন্তু রাজাকারের ব্যাপারে কোন আপোষ কিন্ত বাংলা মানুস চাই না, আর নির্বোধ মাহামুদুর রহমান কে দিয়ে আর যাই হোক ভাল কিছু হবে না। তাই বলি আর একটু ভাল করে ভাবুন আমরা চাই শক্ত একটা বিরোধীদল থাকুক কিন্ত সেটা রাজাকার দিয়ে পরিপূর্ন থাকুক এটা আমি বা আমরা চাই না।
©somewhere in net ltd.