নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলা আমার

জানতে ও জানাতে চাই

শেখ সাইফুল

আমি যেন আমার কাজটা সঠিক ভাবে করতে পারি এই আমার প্রত্যাশা।

শেখ সাইফুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানুষ তত্ব

১৮ ই জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১:৫৯





আমাদের সামাজে এখনও আয়ের ভার পুরুষদের উপর নির্বাহ করে চলে। আমাদের সমাজে শুধু নয় সমগ্র বিশ্বে ও তাই । সমগ্র বিশ্বের ২৫ ভাগ নারীও সরাসরি আয়ের সাথে জড়িত নয়। তাই পুরুষ বিয়ে করে আর নারীর বিয়ে হয়। কন্যা বা মেয়ের বিয়ের সময় পরিবারের সবাই এমন কি কন্যাটি নিজেও বাল রোজগার করা ছেলে থুজে ফেরে। সে মাসে কত টাকা আয় করে তার হিসাব টা আগে নেওয়া চাই, টাকা সে দূনীতি করে উপায় করল না ঘুস খেয়ে না চুরি করে তার হিসাব নেওয়া খুব একটা আবশ্যক মনে করে না। এই সময় মানুষ ধর্মের চর্চা করাটা পছন্দ করে না কারন সুবিধা কম। যা হোক যে যা করে করুক। পুরুষ যে এত আয় করে তার ভোগ কিন্ত সে করতে পারে না। বি নিয়ে আমাকে এক জ্ঞানী ব্যাক্তি একটা প্রতিকি গল্প শোনালো, তাই আমি ফেসবুকে কোন কাজ না পেয়ে অকাজের কাজ করে গল্পটা টাইপ করে রেখে যায় কেই পড়লে পড়বে না পড়লে আমার প্রোফাইলে স্মৃতি হয়ে থাকবে চিরকাল। গল্পাটা বলি। কেই আবার ধর্ম টানিয়া আমাকে ভৎর্সনা করবেন না নিজ গুনে ক্ষমা করে দিবেন। এমন অলৌকিক ব্যাপার আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। আল্লাহ যখন মানুষ তৈরি করেন তখন মানুষের গড় আয়ু দিয়েছিল ৩০ বছর। ফেরেস্তারা যখন মানুষকে পৃথিবীর জ্ঞান প্রদানকালে কোন প্রানী কত বছর আয়ু নিয়ে পৃথিবীতে যাচ্ছে তার জ্ঞান প্রদান করলে মানুষের আত্বারা অতুষ্টিতে ভুগতে থাকে এবং আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানায় যে আমরা মাকলুকাতের শ্রেষ্ঠ জীব হয়ে দুনিয়াতে যাব আর আমাদের মাত্র ৩০ বছর আয়ু আমাদের আয়ু বাড়ায়ে দিন, তখন আল্লাহ বলল এই ৩০ বছর দিলাম এটাই আনন্দের সাথে ভোগ করে চলে এসো তাতে পৃথিবীতে ভালো থাকবে। মানুষের মন মানল না আল্লাহর কাছে বায়না ধরল। আল্লাহ দয়াশীল আমাদের হুজুরদের মত এতটা কঠর নয়.তার কাছে যে যা চাই তাই দিয়ে দেন। তখন তিনি বললেন, ঠিক আছে আমি গাধার কাছ থেকে ২০ বছর আয়ু তোমাদের দিলাম। এতেও মানুষ খুশি হতে পারল না তারা আবার আকুতি জানাল এবার আল্লাহ আরো ২০ বছর আয়ু কুকুরের কাছ থেকে নিয়ে মানুষকে দিল। মানুষের লোভ বেড়ে চলেছে আবার ফরিয়াদ করল অধিক আয়ু পাবার জন্য এবার আল্লাহ যাও বাকি যে কয় বছর বেচে থাকনা সেই আয়ু শকুনের কাছ থেকে দেওয়া হল তবে সীমা করে দিলাম না। মানুষ এবার খুশি যে আমাদের আয়ু অসীম হযে গেছে। এই বর নিয়ে মানুষ দুনিয়ায় আসল। আর আল্লাহ ফেরেস্তাদের বলল আনন্দ ভোগ ঐ ৩০ বছরই করতে পারবে। ভাই এবার ভেবে দেখুন জীবেন ৩০ বছরে যা ভোগ করতে পেরেছেন বাকী জীবনে তার ধারে কাছেও যেতে পারেন কি না। ৩০ বছর পর আমদের গাধার বোঝা মাথায় নিয়ে চলতে হয় সারাদিন কাজে কর্মে দিন যায় ভোগ করে বউ বাচ্চা। এবার বয়স যখন ৫০ হযে যায় আপনি অবসর আগত সন্তানেরা বিয়ে করে সংসার গড়েছে আপনার কথা আর মনে করতে পারছে না তাদের সংসারের ব্যস্ততায়। ছেলে বউ উঠতে বসতে নানা কথা শোনাচ্ছে নাতি নাতনীদের কিছু বলতে গেলে এই বুড়ি/ বুড়ো চুপ কর, বোঝে নাা খালি প্যা-ক প্যা-ক করে। এভাবে কুকুরের মত লাথি ঝাটা মেরে তাড়ায় । কি করবেন বলুন আপনি তো এই বয়স টা কুকুরের কাছ থেকে ধার করে নিয়েছেন। মেনে নেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। কুকুরের ২০ বছর পার করে যখন ৭০ এ পা রাখলেন তখন কিন্ত আপনার বোধশক্তি কমে গেছে কানে কম শুনছেন চোখে কম দেখা শুরু হয়ে গেছে। নানা রোগ আপনাকে আকড়ে ধরেছে। তখন কেউ আপনার সাথে কথা বলতে চাইছে না। কারন মানুষ লাভ অথবা আনন্দ খোজে আপনার সাথে কথা বলে তার কোনটাই পায় না। কিন্ত আপনি তখন তো শিশুদের মত এটা খাবনা ও টা খাবনা এটা এনে দাও ওটা দাও করতে থাকেন তখন আপনার পরিবারের কেউ কেউ বলেই ফেলে বুড়ি মরেও না আর কতকাল বাচবে। বাবা জীবন জ্বালয়ে কয়লা করে দিল। যেন শকুনের আয়ু পেয়েছে। তখন কিন্ত মাঝে মাঝে রাগে ক্ষোভে আপনি বলে ফেলেন আল্লাহ আমাকে নিয়ে যাও। আমি আর বাচতে চাই না। ভাবুন তো আমাদের সবার জীবন ই কি এই একই আবর্তে আবর্তিত হচ্ছে না?

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:০৬

শেখ সাইফুল বলেছেন: সারা জীবনেও জীবনের তাতপর্য বুঝা যায় না। আমার পূর্বপুরুষ পারেনি, আমি পারছি না, তাই এত ধর্ম অধর্ম নিয়ে কেনো যে এত হানা হানি বুঝতে পারিন। ভাই আসুন পৃথিবীটাকে ধর্মের অভয়ারণ্য করে তুলি যে যার ধর্ম করে যান। তবে তা যেন অন্যের জীবন কে প্রভাবিত না করে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.