নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহ ছাড়া আর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল ।

েশখসাদী

আল্লাহ ছাড়া আর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল ।

েশখসাদী › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিহাদ- সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত -জান্নাতুল ফেরদাউস এবং আল্লাহর পরীক্ষা ।

১৬ ই জুন, ২০১২ সকাল ১০:৫৬

'তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদের এমনি ছেড়ে দেয়া হবে (?), যতক্ষন না আল্লাহ জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ করেছে এবং কে আল্লাহ , তার রাসূল এবং মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে । আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত । (সূরা তওবা-১৬)



'তোমরা কি হাজীদের পানি সরবরাহ ও মসজিদুল হারাম আবাদকরণকে সেই লোকের সমান মনে কর যে ঈমান রাখে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি এবং যুদ্ধ করেছে আল্লাহর রাহে ? এরা আল্লাহর দৃষ্টিতে সমান নয় এবং আল্লাহ জালিম লোকদের হেদায়াত করেন না । যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করেছে , তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে এবং তারাই সফলকাম । তাদের সুসংবাদ দিচ্ছেন তাদের পরোয়ারদিগার স্বীয় দয়া ও সন্তোষের এবং জান্নাতের , সেখানে আছে তাদের জন্য শান্তি । তথায় তারা থাকবে চিরদিন । নিঃসন্দেহে আল্লাহর কাছে আছে মহা পুরুস্কার । হে ঈমানদার গণ ! তোমরা তোমাদের পিতা ও ভাইকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করোনা যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালোবাসে । আর তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা সীমালংঘন কারী ।' (সূরা তওবা ১৯-২৩)



'(হে নবী) বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের গোত্র; তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা- যা বন্ধ হওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্হান - যাকে তোমরা পছন্দ কর - আল্লাহ, তার রাসূল ও তার রাহে জিহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত । আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হিদায়ত করেন না । (সূরা তওবা ২৪)'



একবার হযরত আব্বাস (রাঃ) বলতে লাগলেন, আমি হাজ্বীদেরকে পানি পান করাবো , ইহা আমার জন্য যথেষ্ট হবে । হযরত হামজা (রাঃ) বললেন, আমি বাইতুল্লাহ শরীফে ইবাদত করবো , ইহা আমার জন্য যথেষ্ট হবে ।



হযরত উমর (রাঃ) বললেন, আমি এখন-ই হুজুর (সাঃ) এর নিকট জিজ্ঞাসা করব তারা যা বলে । আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দের আমল কোনটি ? জুমু'আর দিন ছিলো সেদিন । অতঃপর হুজুর নামায পড়ালেন, খোৎবা এবং নামাজ শেষ করলেন । অতঃপর হযরত উমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন । বিষয়টা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং উত্তর দিলেন । নিজের হাবীব উত্তর দেওয়ার পূর্বেই আল্লাহ উত্তর দিয়ে দিলেন ।



'আমার রাস্তায় জিহাদক্বারী এবং হাজীদেরকে পানি পান করনেওয়ালা এবং বায়তুল্লাহ শরীফে ইবাদত করনেওয়ালাকে যে সমান মনে করে সে জালেম । তাদেরকে সমান মনে করাও জুলুম ।'



যারা ঈমান আনবে এবং হিজরতের নিয়তে ঘর ছাড়বে এবং জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করবে, আল্লাহর নিকট তারা উচু দরওয়াজা পাবে । এই উচু দরওয়াজা কি ? এই উচু দরওয়াজা হলো জান্নাতুল ফেরদাউস ।



জান্নাতুল ফেরদাউসঃ



জান্নাতুল ফেরদাউসকে আল্লাহতা'য়ালা নিজ কুদরতী হাতে তৈরী করেছেন । তার দরজা সবচেয়ে উচু দরজা অর্থাৎ সব থেকে উচু মর্যাদা । সকল ঈমানদার-ই জান্নাতে প্রবেশ করবে । সকল জান্নাতকে আল্লাহ তায়ালা 'কুন অর্থাৎ হও' দিয়ে তৈরী করেছেন । শুধু এক জান্নাত তৈরী করেছেন নিজ কুদরতের দ্বারা । ঐ জান্নাতের নাম দিয়েছেন জান্নাতের ফেরদাউস । ঐ জান্নাত এত উচু নিচের জান্নাতীগণ যখন উচু জান্নাতের দিকে লক্ষ্য করবে, তাদের কাছে এমন মনে হবে যেমন আমরা আকাশের তারকাকে ছোট দেখি । নীচের জান্নাতওয়ালারা বলবে , এটা জান্নাতুল ফোদাউস , তাদের দরজা সবচেয়ে উচু ।



এই জান্নাতে ঘর আল্লাহতায়ালা অন্য জান্নাতে যে সকল ঘর তৈরী করেছেন সে জান্নাতের ঘরের মত নয় । সাধারণ জান্নাতের ঘরের একটি ইট হবে সোনার ও আরেকটি হবে রূপার । জান্নাতুল ফেরদাউসে আল্লাহতায়ালা যে ঘর তৈরী করেছেন, তাতে



এক ইট লাল ইয়াকুতের, এক ইট হলুদ জমরদের , এক ইট সাদা মুতির,

যার প্লাষ্টার হবে সুগন্ধি মেশক, কংকর হবে লাল মুক্তা । ইয়াকুত পাথরের ছোট ছোট টিলা হবে , জাফরানের ঘাস হবে । আল্লাহ তায়ালা নিজের আরশকে উহার ছাদ বানিয়েছেন ।



আল্লাহতায়ালা যত মাখলুক তৈরী করেছেন তা থেকে আরশ সবচেয়ে সুন্দর । জান্নাতুল ফেরদাউসের প্রত্যেকটা মহলের ছাদ হবে আল্লাহতায়ালার আরশ । অন্য জান্নাতের জন্য তা হবে না ।



আল্লাহতায়ালা মুজাহিদদের রহমতের সুসংবাদ দিচ্ছেন । ঈমান এবং আল্লাহর জন্য জান-মাল এর বদলায় আল্লাহতায়ালা তাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন এবং এমন ঘর দান করবেন যা হবে চিরস্হায়ী । দুনিয়ার ঘর আমাদেরকে ছেড়ে দেয় অথবা আমরা ছেড়ে যাই । কিন্তু জান্নাতের ঘর আমাদের ছাড়বেনা আমরাও জান্নাতের ঘর ছাড়বনা । উহার নিয়ামত সর্বদা থাকবে ।



জিহাদের পূণ্যঃ



এক ব্যাক্তি এসে বলল, ইয়া রাসূলূল্লাহ ! আপনার কি রায় ? আমি আমার মাল থেকে কিছু আল্লাহর রাহে খরচ করব, যেন আমি আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদে সম-পরিমাণ নেকী লাভ করতে পারি । রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কাছে কত মাল আছে ? সে উত্তর দিল, ছয় হাজার । হুজুর (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তুমি যদি সম্পূর্ণ খরচ করে দাও, তারপরও যে মুজাহিদ যখন আল্লাহর রাস্তায় শুয়ে থাকবে তখন তার যে নেকী হবে তোমার সেই পরিমাণও হবে না ।



আল্লাহার জন্য যারা জীবন দিতে ঘর ছেড়ে যায়- জান, মাল সময় ব্যয় করে তাদের জন্য আল্লাহতায়ালা এরকম বিশাল সওয়াবের দরওয়াজা খুলে দেন ।



হুনায়নের যুদ্ধে হুজুর (সাঃ) বললেন, আজ রাতে কে পাহারাদারী করবে ? হযরত আনাস ইবনে মুরশিদ গনামী (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলূল্লাহ ! আমি পাহাড়া দিব । বললেন, যাও ! ওই ঘাটির উপর খাড়া হয়ে যাও । গেলেন এবং সারা রাত্রি পাহাড়া দিলেন । পরদিন ফজরের নামাজের সালাম ফিরানোর পর হুজুর (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ভাই, আমাদের পাহাড়াদারের কি হলো ? লোকেরা বলল, এখনো আসে নাই । হুজুর (সাঃ) দূরে লক্ষ্য করলেন মাটি উড়তেছে । হুজুর (সাঃ) বললেন, সে আসছে । মহানবী (সাঃ) তখনো নামাজের মুসল্লা থেকে উঠেন নি । তিনি ঘোড়া থেকে নেমে মহানবী (সাঃ) নিকট খাড়া হয়ে গেলেন । সালাম দিলেন । মহানবী (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার রাত্রি কেমন কাটলো ? বললেন, কেবল নামাজ এবং ইসতিনজার জন্য ঘোড়া থেকে নেমেছি । মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আজকের পরে তুমি যদি কোন আমাল নাও কর, তারপরও তোমার জন্য জান্নাত ওয়াজিব ।



এক রাত্র আল্লাহর রাস্তায় পাহাড়া দেওয়ার কারণে সারা জীবনের জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেল ।



এই আমলকে আল্লাহতায়ালা ব্যবসা বলেছেন যা নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত কোনটাকেই বলেন নি । সূরা সফঃ আয়াত-১০-১৩-



'আমি কি তোমাদেরকে এক ব্যবসার কথা বলব না যা তোমাদেরকে কষ্টদায়ক আযাব থেকে মুক্তি দিবে ? আল্লাহ এবং তার রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং জান-মাল দিয়ে আমার রাস্তায় জিহাদ করবে ।'



মহানবী (সাঃ) তার সাহাবীদের বলে গেছেন, এমন একদিন আসবে যেদিন তোমরা সংখ্যায় অনেক হবে, তোমাদের জৈালুস অন্যদের চাইতে বেশী হবে কিন্তু এরপরও তোমরা হয়ে যাবে দুনিয়ার স্রোতে ভাসমান ফেনা । কেউ তোমাদের মূল্য দেবে না । তোমরা দুনিয়ায় মূল্যহীন ও অসহায় হয়ে পড়বে । ক্ষূধার্ত নেকড়ে যেমন বকরীর পালের উপর হামলা করে তোমাদের উপর দুনিয়ার বাতিলরা এভাবেই হামলা করবে । সাহাবীরা এর কারণ জানতে চাইলে নবীজী (সাঃ) বললেন, দুনিয়ার মায়া এবং এবং মৃত্যুর ভয় - এ দুটি জিনিষ উম্মতের ধ্বংস ও বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ । (দারমী)

(সারা দুনিয়াতে আজকে তাই হচ্ছে - মহানবী (সাঃ) আগে থেকেই বলে গেছেন )



ঈমাম গাজ্জ্বালী (রহঃ) বলেছেন, যে ঈমানের মধ্যে আল্লাহর রাহে মৃত্যুর কামনা নেই সে ঈমান থেকে নিফাক (মুনাফেকী) দূর হয় নি ।



হযরত আলী (রাঃ) বলেন, "বিছানায় মৃত্যু বরণ করার চাইতে হাজার তরবারীর আঘাত সহ্য করাকে আমি শ্রেয় মনে করি ।"





আজকের সংঘাত মূখর পরিবেশে যারাই ইসলামকে বিজয়ীর বেশে দেখতে চায় তাদের জন্য জিহাদ করা ছাড়া সহজ কোন পথ খোলা নেই । ঈমানী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দুর্জয় সাহসে বলিয়ান হয়ে যারা এগিয়ে চলে শাহাদাতের অদম্য জজবা নিয়ে বাধার ব্যরিকেডগুলো তাদেরকে কুর্ণিশ করে পথ ছেড়ে দেয় ।



সূত্রঃ



১.মারেফূল কোরআন ।

২. মাওলানা তারিক জামিলের বিশেষ বয়ান

৩. কুরআনের আয়নায় ।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:০৬

শুভ জািহদ বলেছেন: ঈমাম গাজ্জ্বালী (রহঃ) এর বক্তব্য না দেওয়াই বেটার। এখন ব্যাপারটা এমন দাড়িয়েছে যে কোন বিষয়ে কথা বললে মানুষ আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর বক্তব্য তে সন্তুষ্ট হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত কোন বুজুর্গের নাম না দেওয়া হয়। আল্লাহর রাসূল সাঃ এর জীবদ্দশায় সাহাবাগণ শুধু কোরআন ও হাদিস এই সন্তুষ্ট থাকতেন। কিন্তু এখন কোরআন হাদিস দিয়ে কোন লেখা লিখলে সেটাকে মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য করার জন্য কিছু ব্যক্তিবর্গের নাম দেওয়া অনেকটা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। অর্থ্যাৎ কোরআন ও সহীহ হাদিস দিয়ে এখন কেউ মনোপুত হয় না যতক্ষণ না কোন বুজুর্গের নাম দেওয়া হয়।

তবে সাহাবার বক্তব্য দিয়েছেন, যদি সেটা সহীহ সনদের হয় তবে ভাল। কারণ সাহাবারাও আমাদের অনুকরণীয় আদর্শ সূরা তাওবার ১০০ নং আয়াত অনুযায়ী। ধন্যবাদ।

২| ১৬ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৪

এস এইচ খান বলেছেন:


ভাই, কোরআনে বাংগালীদের নিয়া কোন আয়াত আছে নাকি? কেননা আমরা এখন আর মুসলিম নই কেবলই বাংগালী :(

১৬ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

েশখসাদী বলেছেন:
সমগ্র মুসলিম বিশ্বই এভাবে ভাগ হয়ে গেছে । বাঙালী, পাকিস্তানী, আফগানী, ইরানী, কাশ্মীরী, রোহিঙ্গা ইত্যাদি । এভাবে ভাগ হয়ে মুসলমানরা নিজেদের দুর্বল করেছে , যদিও আল্লাহ বলেছেন,

তোমরা পরষ্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না, আল্লাহর রজ্জু শক্ত করে আকড়ে ধর ।

অন্যদিকে কাফির - মুশরিকগণ পরষ্পর এক হয়ে গিয়েছে । তারা ভেদাভেদ ভূলে ইসলাম ও মুসলিমদের ধ্বংসে লিপ্ত ।

আমাদের ঈমান ও আমল এবং একতা কোনটাই ঠিক নেই ।

৩| ১৬ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:০৪

মেলবোর্ন বলেছেন: েশখসাদী ভাই সালাম নিবেন: পোস্টটা কস্টকে লিখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ , যদি কিছু মনে না করেন তবে আমি কিছু বিষয় জিগ্গেস করছি

আপনি লিখেছেন :বিষয়টা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং উত্তর দিলেন । নিজের হাবীব উত্তর দেওয়ার পূর্বেই আল্লাহ উত্তর দিয়ে দিলেন ।

'আমার রাস্তায় জিহাদক্বারী এবং হাজীদেরকে পানি পান করনেওয়ালা এবং বায়তুল্লাহ শরীফে ইবাদত করনেওয়ালাকে যে সমান মনে করে সে জালেম । তাদেরকে সমান মনে করাও জুলুম ।'

আল্লাহ যদি উত্তর দিয়ে থাকেন সেটা তবে কোরআনের আয়াত হবে তাই না?? কারন আল্লাহ তখন যা নাযিল করেন সবই কোরআনে অন্তভুক্ত তাই আপনি যদি সুরা ও আয়াত নম্বরটা দিতেন তবে ভাল হত ,তাই পারলে জানাবেন। আর যেই হাদিস গুলো দিয়েছেন তার সু্ত্র জানাবেন দয়াকরে।

আর আপনার পোস্টে জিহাদ সম্পকে অনেক কিছু বলেছেন আপনি জিহাদ কি এবং সর্বশ্রেশ্ঠ জিহাদ কি তা জানান নি।

আমি যতদুর জানি নিজের নফসের/কুপ্রবিত্তির/খারাপ মনোবাসনার বিরুদ্ধে জিহাদই সর্বশ্রেশ্ঠ যুদ্ধ জান-মাল দিয়ে আমার রাস্তায় জিহাদ করাটা সর্বশ্রেশ্ঠ নয়।

Don't Hate ISLAM (Watch this video).flv

১৬ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৩৭

েশখসাদী বলেছেন:
সূরা তওবা - ১৯-২৩ । প্রথমে সূত্র দেয়া হয়েছে , পরে আবার কুরআনের কথা আলোচনা করা হয়েছে ।

অনেক সময় অবস্হা ভেদে আমলের মর্যাদার পরিমাণ হেরফের হয় । যখন জান-মাল লাগিয়ে জিহাদ করা একান্ত কর্তব্য, দেশ, ইসলাম বা মুসলমান গণ বিপন্ন তখন ঘরে বসে নফস দমনের জিহাদ অপেক্ষা যুদ্ধের ময়দানে যুদ্ধ করাই বড় জিহাদ ।

মহানবী (সাঃ) এবং সাহাবীদের জীবন হলো উত্তম জীবন । উনাদের আদর্শই হলো প্রকৃত ইসলামী আদর্শ । উনাদের জীবনী পড়লে আপনার এ প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন ।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

৪| ১৬ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৩৯

রাতুলবিডি বলেছেন: ভাইজান আফগান, চেচেন অথবা বার্মা চইলা যান,
ব্লগে লেখর থেকে সেইটা বেশি কাজে দিবে !

১৬ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:২৯

েশখসাদী বলেছেন:
ভালো কথা বলেছেন । যেতে পারলে ভালো হতো । আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

৫| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

হাসান০১ বলেছেন: কেউ কেউ বলেন, নফসের জিহাদ বড় জিহাদ। এ বিষয়ে তারা একটি হাদীসও বর্ণনা করে থাকেন। একদল লোক জিহাদ থেকে ফিরে আসলে নাকি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন,

قدمتم خير مقدم قدمتم من الجهاد الأصغر إلى الجهاد الأكبر مجاهدة العبد هواه

তোমরা খুব উত্তম স্থানেই ফিরে এসেছো তোমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে ফিরে এসেছো আর তা হলো অন্তরের সাথে জিহাদ করা। (দাইলামী, কানযুল উম্মাল, জামউল জাওয়ামি)

এই হাদীসের কোনো কোনো রেওয়ায়েতে আছে,

رجعنا من الجهاد الأصغر إلى الجهاد الأكبر

“আমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে ফিরে এসেছি।”

ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রঃ) এই হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন,

فَلَا أَصْلَ لَهُ وَلَمْ يَرْوِهِ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْمَعْرِفَةِ بِأَقْوَالِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَفْعَالِهِ وَجِهَادُ الْكُفَّارِ مِنْ أَعْظَمِ الْأَعْمَالِ ؛ بَلْ هُوَ أَفْضَلُ مَا تَطَوَّعَ بِهِ الْإِنْسَانُ

এই হাদীসটির কোনো ভিত্তি নেই। আল্লাহর রসুলের কথা ও কাজ সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন এমন কেউ এটি বর্ণনা করেন নি। আর কাফিরদের সাথে জিহাদ করা সর্বত্তোম আমল সমূহের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত। বরং এটি আল্লাহর ইবাদত সমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। (মাজমুউল ফাতাওয়া)

তবে সহীহ হাদীসে আছেঃ

المُجَاهِدُ مَنْ جَاهَدَ نَفْسَهُ

“মুজাহিদ সেই যে তার নাফসের সাথে জিহাদ করে।” (সুনান তিরমিজি)

অন্য রেওয়ায়েতে এসেছে

وأفضل الجهاد من جاهد نفسه فى ذات الله عز وجل

“সর্বত্তোম জিহাদ হলো আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে অন্তরের সাথে জিহাদ করা।” (জামউল জাওয়ামি, কানযুল উম্মাল)

এই সহীহ হাদীস দুটির সাথে উপরে উল্লেখিত হাদীস দুটির পার্থক্য হলোঃ এখানে সরাসরি অন্তরের জিহাদকে কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদের তুলনায় বড় জিহাদ হিসাবে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে অন্তরের জিহাদ সর্বত্তোম জিহাদ।

এখন প্রশ্ন হলো অন্তরের জিহাদ বলতে আমরা কি বুঝবো? আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে অন্তর যা অপছন্দ করে অন্তরের অপছন্দ সত্বেও সেটা আদায় করাই কি অন্তরের জিহাদ নয়? যদি তাই হয় তবে আল্লাহ নিজে সাক্ষ্য দিয়ে বলেন,

كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ

“তোমাদের উপর কিতাল ফরজ করা হয়েছে যদিও তা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয়।” (সূরা বাকারা/২১৬)

অন্য কোনো আমলের ব্যাপারে আল্লাহ একথা বলেননি। সুতরাং যত উত্তম কাজ আছে তার মধ্যে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা মানুষের অন্তরের নিকট সর্বাপেক্ষা বেশি অপছন্দনীয়। তাই যারা শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদ করছেন তারাই অন্তরের সাথে সর্বাপেক্ষা বেশি জিহাদ করছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.