| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাসনাইন শিহাব
নিজের সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছু নেই। সব বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে ভাল লাগে ।“সবার উপর মানুষ সত্য,তাহার উপর নাই” বাক্যটা চরম ভাবে বিশ্বাস করি।আমার সকল আদর্শের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে আমার বাবা ।কারও উপকার করি কিনা জানিনা,তবে বুকে অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি যে আমি কারও ক্ষতি করি না।বাংলাদেশটা কে অনেক বেশি ভালবাশি তাইত মায়ের মত সম্মান করি । আর মাঝে মাঝে যেকোনো বিষয় নিয়ে লিখতে বসে যাই.........এইতো ।
উচ্চ মাধ্যমিক পড়ার সময় প্রথম শুনেছিলাম শহীদ ড.শামসুজ্জোহা স্যারের নাম । অবাক হয়ে ছিলাম তার আদর্শ,ত্যাগ আর মনুষ্যত্ব দেখে । তখন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে একটা পজেটিভ ধারনা ছিল । মনে করতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের ভেতর জোহা স্যারের আদর্শ আছে যারা ছাত্রদের জন্য প্রাণ দিতে না পারলেও অন্তত ছাত্রদের কল্যাণের জন্য কাজ করবে । কিন্ত বাস্তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে তার কোন মিল পেলাম না । দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রক্টর জোহা স্যারের মত না । জোহা স্যারের মত সবাই ছাত্রদের বিপদে এগিয়ে আসে না । এখন সবাই তাদের রাজনৈতিক দল নিয়ে বেস্ত ।অবাক লাগে তখন, যখন একটা সাধারন ছাত্রকে বিনা কারনে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় আর প্রক্টরের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন যে এখানে আমার কিছু করার নাই দেশে আইন আছে আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে।ক্ষমতায় থাকা দলের ছাত্র নামে অছাত্র ভাইয়েরা যখন একটা সাধারণ ছাত্রর মোবাইল মানি ব্যাগ নিয়ে যায় গাজার পয়সা যোগার করার জন্য,তখন প্রক্টরের সাথে যোগাযোগ করলে বলে আচ্ছা ঠিক আছে ওদের দল থেকে বহিস্কার করা হবে,ওদের ডেকে এনে আচ্ছা করে বকে দিব ।কাহিনী এখানেই শেষ।বহিস্কারের খবর মাঝে মাঝে শুনা যায় কিন্তু মোবাইল মানি ব্যাগ ফেরত পাওয়ার খবর শুনা যায় না বললেই চলে। অছাত্র ভাইয়েরা দিন রাত ক্যাম্পাসে মিটিং মিছিল করে এতে কোন সমস্যা নাই কিন্তু আমরা একটা বন্ধুর জন্মদিন পালন করতে গেলেই কত সমস্যা বেশি রাত করা যাবে না,বেশি চিল্লাচিল্লি করা যাবে না আরও কত কি...। এত গেল প্রক্টর কাহিনী । বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় প্রতি বিভাগেই কয়েক জন করে অসাধারন শিক্ষক আছে । অসাধারন বলার বেশ কিছু কারন আছে । কারন-১ তারা ছাত্র হিসেবে খুব একটা ভাল ছিল না তবু তারা শিক্ষক । কারন-২ তাদের দল ক্ষমতায় । কারন-৩ তাদের কেউ কেউ সিন্ডিকেটর সদস্য । কারন-৪ বিভাগের সভাপতিকে তেল মারার জন্য যতেষ্ট তেল তাদের মজুদে রয়েছে । এইরকম আরও অনেক কারন আছে যেগুলো তাদেরকে সাধারন শিক্ষক থেকে অসাধারন শিক্ষকে পরিনত করেছে । বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার মোট নম্বরের কিছু নম্বার শিক্ষকের কাছে গচ্ছিত থাকে । আমাদের অসাধারন শিক্ষকেরা এই নম্বরকে এক ধরনের পাওয়ার মনে করেন । ক্লাসে আসে বয়ান মারেন এই করা যাবে না সেই করা যাবে না করলে নম্বর কেটে দিব আরও কত কি...... । অবশ্য আমাদের ছাত্রদের মধ্যে যার কাছে বেশি তেল মজুদ আছে তাদের কোন চিন্তা নাই ।কোন শিক্ষক যদি আমার লেখাটা পড়েন তার হয়ত অনেক খারাপ লাগবে । আমি সব শিক্ষকের কথা বলছি না । মহান শিক্ষক এখনো আছে, না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকে থাকত না । কিন্তু তাদের সংখ্যা অনেক কম । মাঝে মাঝে আকাশের দিকে তাকিয়ে জোহা স্যারকে ডাকি আর বলি স্যার আপনি কোথায় দেখে যান আপনার ছাত্ররা আজ কত অসহায়.....................
০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:১৬
হাসনাইন শিহাব বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:২৬
বাতায়ন এ আমরা কজন বলেছেন: দলীয় নিয়োগ বন্ধ হলেই জোহা স্যারেরা আবার ফিরে আসবেন। এদেশে হাজারো জোহা স্যার আছেন, কিন্তু তারা কখনই প্রচারে বিশ্বাসী নন। তারা নিভৃতেই তাদের কাজ করে যান। -- লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ২:১৮
হাসনাইন শিহাব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য
৩|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ২:১৬
হৃদয় রিয়াজ বলেছেন: সত্যি আজ উনাদের মত কিছু মহৎ আত্মা স্যারদের বড্ড প্রয়োজন এই জাতির। লেখা ভাল লাগল। শুভকামনা।
৪|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ২:৩১
খেয়া ঘাট বলেছেন: মাঝে মাঝে আকাশের দিকে তাকিয়ে জোহা স্যারকে ডাকি আর বলি স্যার আপনি কোথায় দেখে যান আপনার ছাত্ররা আজ কত অসহায়.....................
৫|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৪
মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন: ভালো লেখা। ভালো শিক্ষকের আকাল পড়েছে দেশে।
৬|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩১
হাসনাইন শিহাব বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে মন্তব্য করে উৎসাহ দেয়ার জন্য
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:৫৮
জানতে চায় বলেছেন: ভালো লাগলো , লেখাটা ....