নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্য ও সুন্দর হোক আগামীর দিন

I WANT BE A TRUE MAN

েসাহা৬৬৬

আমি সত্যের সন্ধাণি

েসাহা৬৬৬ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহরিয়ার কবির এর কেমন স্বীকারোক্তিঃ নিজামী ও মুজাহিদ রাজাকার বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না !!!

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৮

রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির আসামি পক্ষের জেরায় শিকার করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না। শাহরিয়ার কবির আদালতে বলেন, রাজাকার বাহিনী পাকিস্তান আর্মির অধীনস্থ সহযোগী বাহিনী ছিল। আর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী পাকিস্তান আর্মির অধীনে ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন বেসামরিক ব্যক্তি। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মতো বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ গতকাল সাক্ষীকে জেরা করেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।

জেরা

প্রশ্ন : মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী রাজাকার বা রাজাকার বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না?

উত্তর : হ্যাঁ। সরকারিভাবে ছিলেন না। সহযোগী বাহিনী রাজাকার পাকিস্তান আর্মি অন্তর্ভুক্ত ছিল। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন। তবে তার দল সরকারের অংশ ছিল।

প্রশ্ন : আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদও মতিউর রহমান নিজামীর মতো বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজী কর্তৃক লিঠিক বিট্রেয়াল অব ইস্টপাকিস্তান বইটি পড়েছেন?

উত্তর : বইটি আমি অনেক আগে পড়েছি।

প্রশ্ন : ওই বইয়ে জেনারেল নিয়াজী বলেছেন, রাজাকার বাহিনী গঠন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে অনেকে অনেক কথা বললেও প্রকৃত সত্য এই যে, রাজাকার বাহিনী পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সৃষ্ট একটি সহযোগী বাহিনী এবং ওই রাজাকার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে ছিল।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : ওই বইয়ে জেনারেল নিয়াজী আরো বলেছেন, আল বদর ও আল শামস নামে কোনো পৃথক বাহিনী ছিল না। এগুলো রাজাকার বাহিনীর দু’টি উইং বা শাখা ছিল।

উত্তর : হ্যাঁ। এটা নিয়াজীর কথা।

প্রশ্ন : আল বদর বইটি আপনি এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে দিয়েছেন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : বইটির লেখক সেলিম মনসুর খালেদ?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : এই বইয়ে আল বদর সৃষ্টি সম্পর্কে বলা হয়েছে, আল বদর বাহিনী সৃষ্টি করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জামালপুরে কর্মরত মেজর রিয়াজ এবং আল বদর নামও তার দেয়া।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : ’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড যখন যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে তখন তাদের সাথে তাদের সহযোগী বাহিনীও আত্মসমর্পণ করে?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : এই বাহিনীগুলো ছিল ইপিসিএফ, মুজাহিদ, রাজাকার, ওয়েস্ট পাকিস্তান পুলিশ ও ইন্ডাসট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সেস।

উত্তর : অনেকেই আত্মসমর্পণ করেন, এগুলো আংশিক সত্য।

প্রশ্ন : পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী বাহিনীর তালিকায় আল বদর আল শামস বাহিনীর নাম ছিল না?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ আত্মসমর্পণকারী রাজাকারদের কি হয়েছিল?

উত্তর : রাজাকারদের অধিকাংশই পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল। আর যারা যুদ্ধবন্দী হিসেবে দেশে ছিল তাদের অনেকেরই বিচার হয়েছিল। আত্মসমর্পণকৃত রাজাকাররা যারা এ দেশে থেকে যায় তাদের অনেকেরই বিচার হয়েছে।

প্রশ্ন : যে রাজাকারদের বিচার হয়েছে তাদের কয়েকজনের নাম বলতে পারবেন?

উত্তর : আত্মসমর্পণকৃত রাজাকারদের যাদের বিচার হয়েছিল তাদের বিষয়ে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

প্রশ্ন : রাজাকারদেরকে মহাকুমা প্রশাসক নিয়োগ দিতেন?

উত্তর : দিতেন, (পরে বলেন) জামায়াত নেতারা তাদের আইডি কার্ড দিতেন।

প্রশ্ন : অধ্যাপক গোলাম আযম, আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামী কর্তৃক ইস্যুকৃত আপনার কথিত রাজাকারদের পরিচয়পত্র আপনার সংগ্রহে আছে কি?

উত্তর : সংগ্রহে নেই।

প্রশ্ন : রাজাকার বাহিনীকে পাকিস্তান সরকারের একটি প্রজ্ঞাপন দ্বারা সামরিক বাহিনীর অধীনে আনা হয়।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : ’৭১ সালে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুর অবাঙালি বিহারী অধ্যুষিত এলাকা বা বিহারী সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা ছিল?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : এ এলাকা থেকে ’৭০-এর জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন এবং তিনি বিহারী ছিলেন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : অ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিও ছিলেন।

উত্তর : এটা ঠিক নয়।

প্রশ্ন : অ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দেননি?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : স্বাধীনতা-উত্তর গঠিত গণপরিষদে তাকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়নি?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিরোধিতা করার জন্য অ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : শান্তি কমিটি বেসামরিক ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি সংগঠন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : শান্তি কমিটির প্রধান ছিলেন মুসলিম লীগের খাজা খয়ের উদ্দিন?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : শহীদুল্লাহ কায়সারকে অপহরণ করার অভিযোগে স্বাধীনতার পর একটি মামলা করা হয়।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : মামলা করেছিলেন নাসির আহমেদ।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : শহীদুল্লাহ কায়সারকে তার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় পান্না কায়সার, নাসির আহমেদ, জাকারিয়া হাবিব, নিলা জাকারিয়া ও শাহানা বেগমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : মামলাকারী নাসির আহমেদ ওই ঘটনায় জড়িয়ে কোন আল বদর কমান্ডারের নাম উল্লেখ করেননি।

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : ওই সময় এ বি এম এ খালেক মজুমদারের দালাল আইনে সাত বছর সাজা হয়?

উত্তর : হ্যাঁ।

প্রশ্ন : দণ্ডের বিরুদ্ধে এ বি এম এ খালেক মজুমদার হাইকোর্টে আপিল করলে বিচারপতি বদরুল হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তাকে খালাস দেন।

উত্তর : এ আপিল কবে হয় এবং কবে নিষ্পত্তি হয় তা জানা নেই।

প্রশ্ন : এ বি এম এ খালেক মজুমদারের আপিলের রায় মেরিটের ওপর হয়?

উত্তর : রায় না দেখার কারণে বলতে পারব না।

প্রশ্ন : দালাল আইন বাতিল হওয়ার পর উচ্চ আদালতে দায়ের করা আপিলসমূহ মেরিটের বা গুণাগুণ বিবেচনায় নিষ্পত্তি হয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাজা বহাল, এমনকি সাজা বৃদ্ধিও করা হয়েছে।

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : অধ্যাপক মুনির চৌধুরীকে অপহরণের অভিযোগে দালাল আইনে মামলা হয়েছিল এবং ওই মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন সাজা হয়।

উত্তর : জানা নেই। দালাল আইনের অধীনে যে বিচার হয়েছে তা শহীদ পরিবারের সদস্যরা কখনো মেনে নেননি। কারণ প্রচলিত আইনে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের কোন সুযোগ নেই।

প্রশ্ন : তা হলে দালাল আইনকে কালো আইন মনে করেন কি না?

উত্তর : না, দালাল আইন ক্রটিমুক্ত করার জন্য ’৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন করা হয়।

প্রশ্ন : তিনজন বিখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও মনোরঞ্জন ধর দালাল আইন ও আন্তর্জাতিক আপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ’৭৩ করার সময় বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন?

উত্তর : হ্যাঁ।

কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা শেষ

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ষষ্ঠ সাক্ষী ডা. হাসানুজ্জামানকে আসামি পক্ষের জেরা শেষ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ গতকাল সাক্ষীকে জেরা করেন কামারুজ্জামানের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী। জেরা শেষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সপ্তম সাক্ষীর জবানবন্দীর তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

জেরা

প্রশ্ন : স্বাধীনতার পরে কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দালাল আইনে কোনো মামলা বা স্বাধীনতাবিরোধীদের যে তালিকা হয়েছিল তাতে কামারুজ্জামানের নাম অন্তর্ভুক্তি-সংক্রান্ত কোনো কাগজ আপনি আদালতে দেখাতে পারবেন?

উত্তর : আদালতে দেখাতে পারব না।

প্রশ্ন : কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আপনার বা আপনার পরিবারের দায়েরকৃত কোন অভিযোগের কাগজ আদালতে দেখাতে পারবেন?

উত্তর : কাগজ আমি দেখাতে পারব না।

প্রশ্ন : স্বাধীনতার পর কামারুজ্জামান সাংবাদিকতা করেছেন এবং তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতা?

উত্তর : জানা নেই।

প্রশ্ন : আপনার ভাইকে পাকিস্তান আর্মির কাছে ধরিয়ে দিতে আপনার শ্বশুরগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রিত রাজাকাররা ভূমিকা রেখেছে জানতে পেরে পুনরায় ঝামেলায় জড়াবার আশঙ্কায় আপনার ভাইয়ের লাশ আপনাদের পরিবারের কেউ আনতে যায়নি।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : যেহেতু আপনার শ্বশুর গোষ্ঠীর প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতে আপনার ভাইকে হত্যা করানো হয়, সেজন্য তারাও আপনার ভাইয়ের লাশ গ্রহণ করতে যায়নি?

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : প্রকৃতপক্ষে আপনার ভাই কোন দিন কোথায় কিভাবে মারা গেছেন তা আপনারা জানেন না?

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ’৭১ সালে কামারুজ্জামান আল বদর নেতা বা স্বাধীনতাবিরোধী ছিলেন না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ’৭১ সালে কামারুজ্জামান এইচএসসির ছাত্র ছিলেন।

উত্তর : হতে পারে।

প্রশ্ন : কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত এমন অভিযোগ ছিল না, তিনি ’৭১ সালে এইচএসসির ছাত্র ছিলেন এবং নিজ এলাকায় ছিলেন। এরপর বিএ ও এমএ পাস করেন ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করেন।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : কামারুজ্জামান একজন সাংবাদিক ও জামায়াত নেতা হিসেবে আওয়ামী লীগের দেশীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অতি ভারতীয় নীতির বিরোধিতা করায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধাপরাধের মামলা সৃষ্টি করা হয়েছে।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : আপনি আওয়ামী লীগ ঘরানার লোক হিসেবে, আওয়ামী লীগের এই অন্যায় কর্মের সহযোগিতা করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : কামারুজ্জামান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ও নির্দোষ।

উত্তর : সত্য নয়।

আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে নবম সাীর জেরা, সাীকে ইশারা-ইঙ্গিতে সহযোগিতা করার কারণে প্রসিকিউর মোহাম্মদ আলীকে সতর্ক করলেন ট্রাইব্যুনাল

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের নবম সাী আমির হোসেন মোল্লাকে চতুর্থ দিনের মতো জেরা করা হয়েছে গতকাল। জেরাকালে সাীকে ইশারা-ইঙ্গিতে সহযোগিতা করার কারণে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউর মোহাম্মদ আলীকে সতর্ক করে দিয়েছেন। প্রসিকিউর মোহাম্মদ আলী জেরাকালে বার বার সাীকে ইশারা-ইঙ্গিত দিচ্ছেলেন। তবে ডিফেন্স পরে আপত্তির প্রেেিত ট্রাইব্যুনাল তাকে সতর্ক করেন। গতকাল জেরা শেষে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পরবর্তী জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে। গতকাল ট্রাইব্যুনাল-২ এ কাদের মোল্লার আইনজীবী আবদুস সোবহান তরফদার সাক্ষীকে জেরা করেন।

জেরা

প্রশ্ন : একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের পর ভারতীয় সেনাবাহিনী মিরপুরে অবস্থান নেয়।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ভারতীয় বাহিনীর কাছ থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী মিরপুরের কর্তৃত্ব বুঝে নেয়।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : ৩১ জানুয়ারি যখন মিরপুর মুক্ত হয় তখন মিত্র বাহিনী মিরপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিল না।

উত্তর : সত্য নয়।

প্রশ্ন : আলুবদি গ্রামের আবদুল বারেক যিনি ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে ঘটনার প্রত্যদর্শী তাকে চেনেন?

উত্তর : তাকে চিনি না। তিনি প্রত্যদর্শী কি না তাও জানি না।

প্রশ্ন : জবানবন্দীতে উল্লিখিত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তোলার কথা কাল্পনিক, মিথ্যা ও বানোয়াট?

উত্তর : প্রশ্নই আসে না, অসত্য।

প্রশ্ন : ২৪ এপ্রিল ঘটনার যে কথা বলেছেন তার প্রত্যদর্শী ছিলেন হাজী আবদুল করিম। তাকে চেনেন?

উত্তর : চিনি না।

প্রশ্ন : ২১ জন আত্মীয় মারা গেছে। প্রথম বলেছেন খালু রুস্তম বেপারীর কথা। তার কয় সন্তান?

উত্তর : দু’ছেলে আনামত বেপারী ও নিলামত বেপারী।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন। নির্বাচনী এলাকার সীমানা বলতে পারবেন?

উত্তর : উত্তরে ধৌর কামারপাড়া (হরিরামপুর ইউনিয়ন), দেিণ রায়েরবাজার ঝিগাঁতলা পর্যন্ত ছিল।

প্রশ্ন : তখন মিরপুর মোহাম্মদপুর কোনো নির্বাচনী এলাকা ছিল?

উত্তর : একই নির্বাচনী এলাকা।

প্রশ্ন : ওই সময় জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কতজন প্রার্থী মনোনয়ন দেন?

উত্তর : কে কোন পরিষদের প্রার্থী ছিল বলতে পারব না। সম্ভবত ড. মোশাররফ এমপি প্রার্থী ছিলেন।

প্রশ্ন : অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন বাঙালি না অবাঙালি ছিলেন?

উত্তর : অবাঙালি ছিলেন।

প্রশ্ন : জহির উদ্দিন মিরপুরে বিহারীদের এলাকায় বসবাস করতেন?

উত্তর : আমি জানি না।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে জহির উদ্দিন সাহেব নির্বাচনী প্রচারণায় আপনাদের গ্রামে গিয়েছিলেন?

উত্তর : গিয়েছিলেন এবং বক্তব্য রেখেছিলেন।

প্রশ্ন : জহির উদ্দিনের পে প্রচারণার সময় কে কে থাকতেন?

উত্তর : অনেক বাঙালি অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের মধ্যে রশিদ মোল্লা ও দুলা মিয়া বেঁচে আছে।

প্রশ্ন : ১৯৭০ সালে মিরপুর এলাকায় বিহারীরা ভোটার সংখ্যায় বেশি ছিল।

উত্তর : এটা সত্য নয়।

প্রশ্ন : যেহেতু বিহারীরা বেশি ছিল তাই বঙ্গবন্ধু অবাঙালি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিনকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন।

উত্তর : এটা সত্য নয়।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৬

শার্লক বলেছেন: সব বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র। =p~ =p~

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৩

ফ্রিঞ্জ বলেছেন: রাজাকার বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন না! তাইলে কি আলবদর বাহিনীর সাথে ছিল?
এই বেজন্মা গুলা রে লটকায় না কেন এখনো। হারামজাদারা বিচার ব্যবস্থার সুযোগ নিতেসে। এর মধ্যে গভমেন্ট চেঞ্জ হইয়া যাইবো তখন না আবার বাইর হইয়া যায়!

৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৫

আমি ছাড়া ভালা কেডা বলেছেন: মুনতাসির মামুনের লিংকটিও পড়লাম। যদিও ফেসবুকের এই পেজগুলা ছাগুবান্ধব পেজ তবুও মুনতাসির মামুনদেরও ভাষ্য নেই এসব এর প্রতিবাদ করার। তবে কি আমরা এতকাল যা জেনেছি সব বিকৃত ইতিহাস???? বর্তমানে তো শাহরিয়ার কবিরের সাক্ষ্যগ্রহন চলিতেছে। আসামীপক্ষের আইনজীবিরা উনারে সাক্ষ্যরিমান্ডে নিয়ে ধোলাই দিতেছেন আর উনি সব প্রশ্নের জবাবে বলতেছেন- জানা নাই/বই দেখে বলতে হবে। আরে ব্যাটা যদি নাই জানিস তবে এতকাল ফাল পাড়লি ক্যান। তোদের দরকার নাই। বিচার করার জন্য, সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এইদেশে আরও অনেকলোক আছে। তোরাই বিচারটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিচ্ছিস।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৬

েসাহা৬৬৬ বলেছেন: আমার ও তাই মনে হচ্ছে ভাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.