| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা কি চাইলে বাংলাদেশ কে পরিবতণ করতে পারিনা? পারি কারন আজকে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি আমরা একে অপরের পাশে দাড়াতে পারি। আমি অবাক হয়ে দেখলাম যখন সাভারে ঘটনা ঘটল আশে পাশের মানুষ পাগলের মত ছুটে গেছে তাদের বাচাতে আমি দেখেচি মানুষ কিভাবে তাদের শরিরের রকত দিয়েছে আহতদের বাচাতে। রানা প্লাজা না ধ্বসে পড়ে ...অধিবেশন চলাকালীন জাতীয় সংসদ ভবন ধ্বসে পড়লে খুব ভালো হতো ...
সব শয়তান, রক্তচোষা গুলো একসাথে মারা যেত...
সেদিন কারো অপেক্ষা না করেই আমি 'জাতীয় আনন্দ দিবস' ঘোষণা করতাম । হে আমার মালিক আল্লাহ আমি যদি এ জীবণে কোন ভাল কাজ করে থাকি তাহলে তার পুরষ্কার হিসেবে এই মৃত মানুষ গুলি কে তুমি কেয়ামত পর্যন্ত কবরের আযাব মাফ করে দিও।
‘আর্মিরা কি মানুষ না?’
সরকার যখন ক্ষমতায় যায়, তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথম বিক্রি হয় শিল্পপতিদের কাছে। অতঃপর তারা আর আইনকানুন দেখে না। আর পুলিশবাহিনির কথা কী বলব, মহাজন (মন্ত্রী) যার কাছে শুতে বলে, তার খাটে শোয়;, আর মহাজনের (মন্ত্রীর) অজান্তে রাস্তায় উপরি ধান্দা করে।
ইচ্ছে করলেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পারে সারাদেশের সন্ত্রাসীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্মূল করতে। কিন্তু করে না। কারণ তার ধান্দা, পাঁচ বছর পয়সা কামিয়ে যাওয়া, আর পরবর্তী পাঁচ বছর বিদেশে আরামে কাটানোর ব্যবস্থা করা!!!!
ধসে পড়া ভবনে আটকে পড় উদ্ধার কাজ চলছে। এর মধ্যেই কপাল
কুচকে, চোখ-নাক লাল করে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন এক
সেনা কর্মকর্তা। প্রথমে মনে হল তিনি বিরক্ত। এরপর মনে হল
কাজের চাপে ও পরিশ্রমে চেহারা এমন হয়েছে। কিন্তু
কিছুক্ষণ তাকিয়ে বোঝা গেল প্রাণপণে কান্না চেপে তিনি। যেদিকেই
তাকাচ্ছেন মানুষের কান্না,
আর্তনাদ, আহাজারি, দৃষ্টি বাঁচানোর কোনো সুযোগই পাচ্ছেন
না যেন তিনি। মায়াচোখে প্রতিটি মানুষ আহাজারি দেখছেন,
সেই সঙ্গে কেঁপে উঠছে তার ঠোঁট, নাকের ডগা আরো লাল হচ্ছে।
চোখে অশ্রুর ছোঁয়া লুকানোর চেষ্টাও স্পষ্ট বোঝা যায়। চোখের
সামনে সাহায্যপ্রার্থী মানুষ, কিন্তু বাঁচাতে পারছেন
না একসঙ্গে সবাইকে- এই কষ্টেই যেনআরও ক্ষয় হচ্ছেন তিনি।
“আপনি একজন আর্মি কর্মকর্তা, আপনিও কাঁদছেন ?”
জবাবে নিরুত্তর তিনি। অনুভূতি প্রকাশে যেন তার বাধা।
কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলেন,
“আর্মিরা কি মানুষ না?”
©somewhere in net ltd.